Shamim Fitness 27

Shamim Fitness 27

Share

Exercise by holding the hands of all the members

24/05/2026

আপনি যদি চান যে আপনার কখনো ডায়বেটিস না হোক, অথবা যদি আপনি চান যে, আপনার ব্লাড সুগার সবসময় ইনসুলিন ছাড়াই কন্ট্রোলে থাকুক,
আপনার ব্যায়াম করা উচিত।💪

সঠিক মাত্রায় ব্যায়াম আমাদের শরীরের গ্লুকোজ মেটাবলিজম পুরোপুরি বদলে দিতে পারে, যার মাধ্যমে বাড়তি কোন সাপ্লিমেন্টস বা সুপারফুড ছাড়াই আপনার শরীর গ্লুকোজকে চমৎকারভাবে ব্যবহার করা শুরু করে।

যে হরমোনটা আমাদের ব্লাড থেকে গ্লুকোজ নিয়ে মাসল সেলে পৌছে দেয় তা হচ্ছে ইনসুলিন। টাইপ টু ডায়বেটিসের একদম কোর প্রবলেমগুলোর একটা হচ্ছে, ব্লাড থেকে গ্লুকোজ মাসলে বা লিভারে ঠিকভাবে জমা হতে পারে না।
এর কারন হচ্ছেঃ
১)কোষের ভেতর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মাত্রায় গ্লুকোজ গ্লাইকোজেন আকারে ডিপোজিট থাকতে পারে, ফলে কোষ গ্লুকোজ গ্রহন করতে চায় না। এই পরিস্থিতিতে বাড়তি গ্লুকোজ কোষে প্রবেশ করাতে আমাদের ইনসুলিন বা গ্লুকোজ লোয়ারিং ড্রাগ প্রয়োজন হয়, তাতে রক্তের গ্লুকোজ কমলেও কোষের গ্লুকোজ কোড বাড়ে এবং কোষে গ্লুকোটক্সিসিটি তৈরি হয়। ফলে বাড়ে ভবিষ্যতে মেটাবলিক ডিজিজের সম্ভাবনা।

২)কোষে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গ্লাইকোজেন ও ইনসুলিন লোড থাকলে অগ্ন্যাশয় থেকে তৈরি হওয়া ইনসুলিন কোষে সহজে প্রবেশ করতে পারে না। এই অবস্থাকে বলা হয় ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স। এধরনের পরিস্থিতিতে দিনকে দিন আমাদের বেশি ইনসুলিন ব্যবহার করতে হয়।

৩)অতিরিক্ত ইনসুলিন/গ্লাইকোজেনের উপস্থিতিতে কোষে থাকা মাইটোকন্ড্রিয়াগুলোর এটিপি বা এনার্জি কয়েন তৈরি করার ক্ষময়া কমে যায় এবং মাইটোকন্ড্রিয়াগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় যাকে আমরা মাইটোফ্যাজি বলি। মাইটোফ্যাজি মূলত I3PK এবং mTOR পাথওয়েকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ফলে হয়। ফলে আমরা খাওয়া দাওয়া করলেও একপ্রকার শক্তিহীনতা বোধ করতে থাকি কারন মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি উৎপাদন করে না। পক্ষান্তরে, হাইপারইনসুলিনেমিয়ার কারনে নতুন মাইটোকন্ড্রিয়া সৃষ্টির যে প্রক্রিয়া, মাইটোজেনেসিস তা থেমে যায়, পুরানো মাইটোকন্ড্রিয়ার মেরামত প্রক্রিয়াও থেমে থাকে।

ব্যায়াম, এই সবগুলো প্রক্রিয়াকেই রিভার্স করে দিতে ভুমিকা রাখে।

ব্যায়াম আপনার ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি বাড়ায়, কোষের গ্লুকোজ বার্ন রেট বাড়ায় এবং মাইটোকন্ড্রিয়াকে রিজেনারেট করে। ফলে একটু বেশি খেয়েও একজন ব্যায়াম করা মানুষ থাকতে পারেন সুস্থ-স্বাভাবিক।

তাই ডায়বেটিক-নন ডায়বেটিক যেটাই হোন না কেন, প্লিজ ব্যায়াম করুন!!
আর হ্যা, ডায়বেটিকরা যত ব্যায়ামই করুন না কেন, চিনি এবং অতিরিক্ত ভাত-রুটি-আলু খেলে কিন্তু ব্লাড গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রনে থাকবে না।

তাই ডায়বেটিকদের সুস্থ থাকতে চাই ব্যায়ামের সাথে মডারেট বা লো কার্ব ডায়েট।

05/05/2026

জাতি নিরব..!

01/05/2026

Gym হলো একটা Tool - সেটা ঠিকমতো Use না করলে কাজ হয় না। ধরুন আপনার হাতে একটা দারুণ Hammer আছে। কিন্তু কোথায় মারতে হবে না জানলে, কিছুই হবে না।

27/04/2026

হাড় আমাদের পুরো শরীরকে ধরে রাখে, সাপোর্ট দেয়, মুভমেন্ট করতে সাহায্য করে। কিন্তু এই হাড়ও পাথরের মতো অপরিবর্তনীয় না। এটাকে আমরা নিজেরাই শক্ত করে তুলতে পারি, আবার নিজেরাই ধীরে ধীরে দুর্বল করে ফেলতে পারি।

পুরোটাই নির্ভর করে আমাদের লাইফস্টাইলের উপর — কেমন ট্রেনিং করছি, কেমন ডায়েট নিচ্ছি, কতটা রেস্ট দিচ্ছি।
কেউ কেউ হাড়কে ইস্পাতের মতো মজবুত করে, আবার কেউ কেউ না জেনেই হাড়কে ভেতর থেকে ফাঁপা করে ফেলে।

---

✅ বাঁদিকে:
রেসিস্ট্যান্স ট্রেনিং + ব্যালেন্সড নিউট্রিশন
রেজাল্ট: হাড় মজবুত ও সুস্থ

👉রেসিস্ট্যান্স ট্রেনিং:

যখন ওজন তোলা হয় বা বডিওয়েট এক্সারসাইজ করা হয়, তখন হাড়ের ওপর মেকানিক্যাল স্ট্রেস পড়ে। এই স্ট্রেসের প্রতিক্রিয়ায় শরীর নতুন হাড়ের টিস্যু তৈরি করে হাড়ের ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয়। এটা হলো হাড়ের ন্যাচারাল অ্যাডাপ্টেশন — যত চাপ পড়বে, তত শক্ত হবে।

👉ব্যালেন্সড নিউট্রিশন:

ব্যালেন্সড নিউট্রিশন মানে শরীরে কোনো নিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি না থাকা। যখন শরীরে সবকিছু পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে, তখন হাড়ের রিপেয়ার আর রিবিল্ডিং প্রসেসটা স্মুথলি চলে। ফলে হাড়ের স্ট্রাকচার টাইট থাকে, ঘনত্ব মেইনটেইন হয় আর হাড় শক্ত ও স্থিতিশীল থাকে। কোনো ঘাটতি না থাকলে হাড় নিজেই নিজেকে সারিয়ে তুলতে পারে।

---

❌ ডানদিকে:
ওভার ট্রেনিং + অতিরিক্ত কার্ডিও + দীর্ঘমেয়াদী ক্যালরি ডেফিসিট
রেজাল্ট: হাড় ক্ষয়প্রাপ্ত ও ফাঁপা

👉ওভার ট্রেনিং + অতিরিক্ত কার্ডিও:

পর্যাপ্ত রেস্ট না দিয়ে লাগাতার ট্রেনিং আর অতিরিক্ত কার্ডিও করলে শরীর ক্রমাগত স্ট্রেস মোডে চলে যায়। এই স্ট্রেসের কারণে হাড়ের তৈরি আর ভাঙার স্বাভাবিক ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে যায়। একদিকে হাড় ভাঙার গতি বেড়ে যায়, অন্যদিকে নতুন হাড় তৈরি হওয়া কমে যায়। ফলে হাড় ধীরে ধীরে তার ভেতরের ঘনত্ব হারিয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে।

👉দীর্ঘমেয়াদী ক্যালরি ডেফিসিট:

যখন মাসের পর মাস শরীরের চাহিদার চেয়ে কম ক্যালরি খাওয়া হয়, তখন শরীর বাঁচার জন্য নিজের রিজার্ভ ব্যবহার করতে শুরু করে। প্রথমে ফ্যাট স্টোর ভাঙে, তারপর সে হাড়ের ভেতরের মিনারেল রিজার্ভ টেনে নেয় এনার্জি হিসেবে। এতে হাড়ের ভেতরের জালির মতো স্ট্রাকচার ধীরে ধীরে ফাঁপা হয়ে যায়। হাড় হালকা আর ভঙ্গুর হয়ে যায়, ছোট্ট একটা চাপেই ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এটাই দীর্ঘমেয়াদে হাড়ের ক্ষয়ের সবচেয়ে বড় কারণ।
কারণ ক্যালরি ডেফিসিটে থাকলে হাড় পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় না। পুষ্টির অভাবে হাড়ের রিপেয়ার প্রসেস ধীর হয়ে যায়, ফলে হাড় ধীরে ধীরে তার শক্তি হারিয়ে ভঙ্গুর আর দুর্বল হয়ে পড়ে।

---
—-

হাড় মজবুত হয় তখনই যখন তাকে সঠিক পরিমাণ চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয় আর তারপর পর্যাপ্ত রেস্ট ও পুষ্টি দিয়ে রিকভারি করতে দেওয়া হয়।

কিন্তু যদি শুধু চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়, রিকভারির সুযোগ না দেওয়া হয়, আর খাবারে ঘাটতি রাখা হয় — তাহলে শরীর বাঁচার জন্য হাড়ের ভেতর জমে থাকা ক্যালসিয়াম আর মিনারেল রিজার্ভকেই এনার্জির উৎস হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে। ফলে হাড় নিজেই ধীরে ধীরে তার শক্তি হারিয়ে ফাঁপা আর ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।
(কপি-পেস্ট)

17/04/2026

What stage r u on ur fitness journey?💪💓

17/04/2026

“জিম" শব্দটা শুনলেই অনেকের মাথায় প্রথম আসে = অনেক খরচ 💰। এই ভয়ে অনেকে জিমেই যায় না!

ভাবে জিম করলেই লাখ লাখ টাকা খরচ 💸। প্রোটিনের ডিব্বা, ক্রিয়েটিন, সাপ্লিমেন্ট, চিকেন, ডিম - এসব শুনে ভয় পেয়ে যায় 😔।

বাস্তবে কি হয়? 💯👇

💪 শুধু ফিট থাকতে গেলে:
❌ প্রচুর টাকা লাগে না
❌ স্ট্রিক্ট ডায়েট লাগে না
❌ একগাদা সাপ্লিমেন্ট লাগে না

✅ জিমের মেম্বারশিপ + 45 মিনিট ওয়ার্কআউট = এনাফ 💯
✅ ঘরের নরমাল খাবার + হালকা প্রোটিন = ফিট, অ্যাক্টিভ, রোগমুক্ত 🤍
✅ মাসে দেড়-দুই হাজার টাকায় দিব্যি সুস্থ থাকা যায় 💯

👉 কিন্তু বডিবিল্ডিং করলে 💪:👇

বডিবিল্ডিং করলে প্রচুর খেতে হয় 🍗
প্রতিদিন চিকেন, ডিম, মাছ, পনির, ড্রাই ফ্রুট লাগবেই।

একগাদা সাপ্লিমেন্ট লাগে 💊
Whey প্রোটিন, ক্রিয়েটিন, BCAA, মাল্টিভিটামিন - এগুলো মাস্ট।

আর যারা ওপেন ক্যাটাগরির এনহান্স বডিবিল্ডার? 💉
তাদের সাপ্লিমেন্টের বাইরেও স্টেরয়েড, ড্রাগস ইউজ করতে হয়। কারণ ন্যাচারাল লিমিট ক্রস করে বিস্ট লেভেল মাসল বানাতে এক্সট্রা সাপোর্ট লাগেই।

ভালো ট্রেনার লাগে 👨‍🏫

কারণ বডিবিল্ডিং কোনো শখ না ভাই, ওটা একটা স্পোর্টস 🏆। ওটা একটা গেম, আর গেম জিততে প্রিপারেশন লাগে। স্টেজে উঠতে গেলে নিজেকে ইস্পাতের মতো শক্ত করে তৈরি করতে লাগে 👑।

দিনে 6 বার খাওয়া ⏰
রাত 9টায় ঘুম 😴
জিরো চিটমিল ❌
100% ডিসিপ্লিন 🧠

যত বেশি মাসল গেইন করবে, তত খাবারের বিল বাড়বে, তত সাপ্লিমেন্টের লিস্ট লম্বা হবে, তত জিমের খরচ বাড়বে 💰। তখন মাসে 20-30 হাজার টাকাও কম পড়ে যায় ❌

---

⚡ ফিটনেস আর বডিবিল্ডিং দুটো এক জিনিস না 🙏
ফিটনেস আলাদা, বডিবিল্ডিং আলাদা। দুটোকে গুলিয়ে ফেলবেন না।

✅ ফিট থাকতে হলে:
ঘরের খাবার + হালকা প্রোটিন + বেসিক ডিসিপ্লিনই যথেষ্ট। এত টাকা, এত সাপ্লিমেন্ট, এত স্ট্রিক্ট ডায়েটের দরকার নেই।

🔥 কিন্তু বডিবিল্ডিং একটা গেম:
এই গেমে জিততে গেলে প্রচুর খরচ, প্রচুর খাওয়া, প্রচুর ডেডিকেশন লাগে। ওটা শখ না, ওটা স্পোর্টস।

জিম সবার জন্য 💪
যার যেমন গোল, তার তেমন খরচ।
ফিট থাকতে চাইলে কম, স্টেজ কাঁপাতে চাইলে বেশি। সিম্পল 💯

আর শুনো, জিম মানেই বডি বানানো না, জিম মানেই বডিবিল্ডিং না। সুস্থ থাকতে চাও নাকি বডিবিল্ডার হতে চাও l সেটা আগে ঠিক করো।
(Copied)

27/03/2026

Bodybuilder Goes on Airplane for 1st Time😂

20/03/2026

ঈদ মোবারক🌙
আল্লাহ তায়ালা আমাদের এবং আপনাদের আমল কবুল করুন। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা 💪💓

01/11/2025

The barbell back squat is NOT a beginners exercise. It’s an advanced variation requiring the most motor control, skill, and strength to execute properly. Here’s our progression pyramid to work your way up to squatting with a bar on your back safely and effectively.

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Tongi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Tongi
1712