05/06/2026
*বিশ্ব পরিবেশ দিবস – World Environment Day*
প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস। পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো, ক্ষতিকারক কাজ বন্ধ করা আর টেকসই জীবনযাপনে উৎসাহ দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য।
# # # ১. শুরু কীভাবে হল
- *১৯৭২ সাল*: সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন হয়। সেখানেই ৫ জুনকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- *১৯৭৩ সাল*: প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে পালন শুরু হয়। স্লোগান ছিল “Only One Earth”।
- আয়োজক সংস্থা: *UNEP – United Nations Environment Programme*, যার সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে।
# # # ২. কেন ৫ জুন?
স্টকহোম সম্মেলন শুরু হয়েছিল ৫ জুন ১৯৭২। সেই দিনটিকেই স্মরণে রাখতে জাতিসংঘ এই তারিখ বেছে নেয়।
# # # ৩. উদ্দেশ্য কী
1. *সচেতনতা*: জলবায়ু পরিবর্তন, বন ধ্বংস, দূষণ, জীববৈচিত্র্য নষ্ট হওয়া নিয়ে মানুষকে ভাবানো।
2. *কাজে উদ্বুদ্ধ করা*: সরকার, কোম্পানি, স্কুল, ব্যক্তি – সবাইকে ছোট-বড় পদক্ষেপ নিতে বলা।
3. *বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম*: প্রতি বছর একটা দেশ আয়োজক হয়। সারা দুনিয়ার মিডিয়া ফোকাস সেখানে যায়।
# # # ৪. প্রতি বছরের থিম ও আয়োজক দেশ
প্রতি বছরের থিম আলাদা হয়। সাম্প্রতিক কয়েকটা বছর দেখুন:
বছর থিম আয়োজক দেশ
২০২৪ Land Restoration, Desertification and Drought Resilience সৌদি আরব
২০২৩ Solutions to Plastic Pollution কোট ডি'আইভোয়ার
২০২ Only One Earth সুইডেন
২০২১ Ecosystem Restoration পাকিস্তান
২০২০ Time for Nature কলম্বিয়া
*২০২৬ সালের থিম* এখনও UNEP আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি। সাধারণত আগের বছরের ডিসেম্বরে জানানো হয়। আপডেট পেতে unep.org দেখতে পারেন।
# # # ৫. বাংলাদেশ ও ভারতে কীভাবে পালন হয়
- *বাংলাদেশ*: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে র্যালি, বৃক্ষরোপণ, আলোচনা সভা, স্কুল-কলেজে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা হয়। সুন্দরবন রক্ষা, নদী দূষণ রোধ – এগুলো প্রায়ই ফোকাসে থাকে।
- *ভারত*: কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ, রাজ্য দূষণ বোর্ড, NGO গুলো মিলে প্লাস্টিক বর্জন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ই-বর্জ্য সচেতনতা নিয়ে কাজ করে। প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি প্রায়ই বার্তা*বিশ্ব পরিবেশ দিবস – World Environment Day*
প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস। পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো, ক্ষতিকারক কাজ বন্ধ করা আর টেকসই জীবনযাপনে উৎসাহ দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য।
# # # ৬. আপনি কী করতে পারেন
বড় কিছু করার দরকার নেই। ছোট অভ্যাসই বদল আনে:
1. *প্লাস্টিক কমান*: কাপড়ের ব্যাগ, স্টিলের বোতল ব্যবহার করুন।
2. *গাছ লাগান*: বাড়ির ছাদে, বারান্দায়, স্কুলে – যেকোনো জায়গায়।
3. *বিদ্যুৎ বাঁচান*: অপ্রয়োজনীয় লাইট, ফ্যান বন্ধ রাখুন।
4. *জল নষ্ট করবেন না*: কল বন্ধ রাখুন, বৃষ্টির জল ধরে রাখুন।
5. *স্থানীয় খাবার খান*: এতে পরিবহনজনিত দূষণ কমে।
# # # ৭. মজার তথ্য
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস শুধু ৫ জুনেই সীমাবদ্ধ না। পুরো “Environment Week” জুড়ে বিভিন্ন দেশ অনুষ্ঠান করে।
- ১৪৩+ দেশ এতে অংশ নেয়।
- প্রতি বছর ১০ কোটির বেশি মানুষ কোনো না কোনোভাবে যুক্ত হয়।
সংক্ষেপে বললে, বিশ্ব পরিবেশ দিবস হল আয়নার সামনে দাঁড়ানোর দিন। আমরা প্রকৃতির কাছে কী নিচ্ছি, কী ফেরত দিচ্ছি – সেটা ভাবার দিন।
সংক্ষেপে বললে, বিশ্ব পরিবেশ দিবস হল আয়নার সামনে দাঁড়ানোর দিন। আমরা প্রকৃতির কাছে কী নিচ্ছি, কী ফেরত দিচ্ছি – সেটা ভাবার দিন।
02/06/2026
প্রাণ মুদ্রা হল একটি প্রাচীন ভারতীয় হস্তমুদ্রা যা শরীরের প্রাণশক্তি এবং সামর্থ্য বৃদ্ধি করে। এটি করার জন্য, আপনি আপনার হাতের আঙ্গুলগুলি একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে রাখেন।
প্রাণ মুদ্রা করার পদ্ধতি:
1. আপনার হাত দুটিকে আপনার হাঁটুর উপর রাখুন, পাম উপরের দিকে।
2. আপনার অঙ্গুষ্ঠের সাথে অনামিকা মিলিয়ে নিন।
3. অন্য আঙ্গুলগুলি সোজা রাখুন।
প্রাণ মুদ্রার উপকারিতা:
1. *শরীরের প্রাণশক্তি বৃদ্ধি:* প্রাণ মুদ্রা শরীরের প্রাণশক্তি এবং সামর্থ্য বৃদ্ধি করে।
2. *শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করা:* এটি শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
3. *মানসিক স্থিরতা:* প্রাণ মুদ্রা মানসিক স্থিরতা এবং একাগ্রতা বৃদ্ধি করে।
4. *চাপ কমানো:* এটি মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে।
5. *হৃদয় স্বাস্থ্য উন্নত করা:* প্রাণ মুদ্রা হৃদয় স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে।
প্রাণ মুদ্রা কতক্ষণ ধরে করতে হবে?
- সাধারণত 10-15 মিনিট ধরে প্রাণ মুদ্রা করা যায়।
- ধীরে ধীরে সময় বাড়ানো যেতে পারে।
প্রাণ মুদ্রা কখন করা উচিত নয়:
1. *গর্ভাবস্থায়:* গর্ভবতী মহিলাদের প্রাণ মুদ্রা করা উচিত নয়, কারণ এটি গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
2. *উচ্চ রক্তচাপ:* উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের প্রাণ মুদ্রা করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
3. *হৃদয় সমস্যা:* হৃদয় সমস্যা থাকলে প্রাণ মুদ্রা করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
4. *অস্ত্রোপচারের পরে:* অস্ত্রোপচারের পরে প্রাণ মুদ্রা করা উচিত নয়, কারণ এটি ক্ষত সারাতে বাধা দিতে পারে।
5. *গুরুতর অসুস্থতা:* গুরুতর অসুস্থতা থাকলে প্রাণ মুদ্রা করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
6. *শারীরিক দুর্বলতা:* শারীরিক দুর্বলতা থাকলে প্রাণ মুদ্রা করা উচিত নয়, কারণ এটি শরীরকে আরও দুর্বল করতে পারে।
26/05/2026
আদি মুদ্রা হল একটি প্রাচীন ভারতীয় হস্তমুদ্রা যা শরীরের মূল শক্তি এবং সামর্থ্য বৃদ্ধি করে। এটি করার জন্য, আপনি আপনার হাতের আঙ্গুলগুলি একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে রাখেন।
আদি মুদ্রা করার পদ্ধতি:
1. আপনার হাত দুটিকে আপনার হাঁটুর উপর রাখুন, পাম উপরের দিকে।
2. আপনার অঙ্গুষ্ঠকে ভিতরে ভাঁজ করে অন্য আঙ্গুলগুলির সাথে মিলিয়ে নিন।
3. মুষ্টি শক্ত করে বন্ধ করুন, কিন্তু অতিরিক্ত চাপ দেবেন না।
আদি মুদ্রার উপকারিতা:
1. *শরীরের মূল শক্তি বৃদ্ধি:* আদি মুদ্রা শরীরের মূল শক্তি এবং সামর্থ্য বৃদ্ধি করে।
2. *মানসিক স্থিরতা:* এটি মানসিক স্থিরতা এবং একাগ্রতা বৃদ্ধি করে।
3. *চাপ কমানো:* আদি মুদ্রা মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে।
4. *হজমশক্তি উন্নত করা:* এটি হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।
5. *রক্ত সঞ্চালন উন্নত করা:* আদি মুদ্রা রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে।
আদি মুদ্রা কতক্ষণ ধরে করতে হবে?
- সাধারণত 5-10 মিনিট ধরে আদি মুদ্রা করা যায়।
- ধীরে ধীরে সময় বাড়ানো যেতে পারে।
সতর্কতা:
- উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের আদি মুদ্রা করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
- গর্ভবতী মহিলাদের আদি মুদ্রা করা উচিত নয়।
- হৃদয় সমস্যা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
25/05/2026
1st wellness program from yogsamriddhi 2026
24/05/2026
মানসি মন্ডল, গত ছয় মাসের পরিচিতিতে এতো গভীর আন্তরিকতার সম্পর্কের নিদর্শন খুব কমই পাওয়া যায়।
ভালো থাকবেন আপনারা, আপনাদের জন্যই আমার পথ চলা।🙏
24/05/2026
কাজী নজরুল ইসলাম - বিদ্রোহী কবি, সাম্যের কবি, প্রেমের কবি। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ, ২৪ মে ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে তাঁর জন্ম। ২০২৬ সালে আমরা তাঁর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালন করছি।
*জীবনের কিছু উজ্জ্বল স্মৃতি ও ঘটনা*
*১. দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই ও আত্মমর্যাদা*
ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়ে চরম দারিদ্র্যে পড়েন। রুটির দোকানে কাজ করেছেন, মক্তবে পড়িয়েছেন, লেটোর দলে গান লিখে গেয়েছেন। তখনই তাঁর নাম হয় "দুখু মিয়া"। কিন্তু দারিদ্র্য তাঁর আত্মমর্যাদা কাড়তে পারেনি। পরে লিখেছিলেন, "হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান"।
*২. সৈনিক জীবন ও সাহিত্যের উন্মেষ*
১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ৪৯ নম্বর বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন। করাচি ক্যান্টনমেন্টে থেকেই তাঁর সাহিত্য চর্চা শুরু। ফারসি সাহিত্য পড়েন, রবীন্দ্রনাথ-সত্যেন্দ্রনাথের প্রভাব পড়ে। সেখানেই লেখেন প্রথম বিখ্যাত কবিতা "মুক্তি"।
*৩. বিদ্রোহী কবিতা ও কারাবরণ*
১৯২২ সালে "ধূমকেতু" পত্রিকা প্রকাশ করেন। সেখানে "আনন্দময়ীর আগমনে" কবিতা লেখার জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করে ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়। জেলে বসেই লেখেন "রাজবন্দীর জবানবন্দী" ও বিখ্যাত গান "শিকল পরা ছল মোদের শিকল পরা ছল"। জেলের মধ্যেই ৪০ দিন অনশন করেন।
*৪. প্রেম ও বিরহ*
কুমিল্লার নার্গিস আসার খানমের সঙ্গে তাঁর প্রেম ও বাগদান হয়। কিন্তু বিয়ের দিন কোনো শর্তে মতবিরোধ হওয়ায় তিনি বাসর ঘর ছেড়ে চলে যান। সেই রাতেই লেখেন "যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পার নাই"। পরে প্রমীলা দেবীকে বিয়ে করেন। প্রমীলা ছিলেন তাঁর জীবনের শক্তি।
*৫. সাম্য ও মানবতার গান*
নজরুল ধর্মের গোঁড়ামির ঘোর বিরোধী ছিলেন। হিন্দু-মুসলমানের মিলনের জন্য আজীবন লিখেছেন। মসজিদের পাশে মন্দিরের শঙ্খ বাজানোর কথা বলেছেন "সাম্যবাদী" কবিতায়। লিখেছেন:
"গাহি সাম্যের গান -
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান"
একই হাতে লিখেছেন শ্যামাসঙ্গীত ও ইসলামি গজল। "খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে" যেমন লিখেছেন, তেমনি লিখেছেন "মোহাম্মদ মোর নয়নমণি"।
*৬. নীরব হয়ে যাওয়া*
১৯৪২ সালে মাত্র ৪৩ বছর বয়সে দুরারোগ্য পিক্স ডিজিজে আক্রান্ত হন। বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। এরপর ৩৪ বছর তিনি জীবিত ছিলেন কিন্তু কিছুই লিখতে বা বলতে পারেননি। এই নীরবতা বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি।
*৭. বাংলাদেশে শেষ জীবন*
১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সপরিবারে ঢাকায় নিয়ে আসে। জাতীয় কবির মর্যাদা দেয়। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকায় প্রয়াত হন। তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়। এপিটাফে লেখা আছে তাঁরই গান:
"মসজিদেরই পাশে আমায় কবর দিও ভাই,
যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই"
*জন্মবার্ষিকীতে আমরা কী স্মরণ করতে পারি*
1. *অসম্প্রদায়িক চেতনা*: আজকের বিভাজনের যুগে নজরুলের সাম্যের বাণী সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক।
2. *তারুণ্যের জাগরণ*: "চল চল চল" বা "কারার ঐ লৌহ কপাট" - তাঁর গান এখনও প্রতিবাদের ভাষা।
3. *নারী জাগরণ*: "নারী" কবিতায় লিখেছেন - "বিশ্বে যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর"।
4. *দ্রোহ ও প্রেমের সমন্বয়*: একদিকে "বিদ্রোহী", অন্যদিকে "মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী" - এই দুই সত্তার মিলনেই তিনি অনন্য।
নজরুল নিজেই বলে গেছেন - "আমি চিরতরে দূরে চলে যাব, তবু আমারে দেব না ভুলিতে"। ১২৭ বছর পরেও বাঙালি তাঁকে ভোলেনি। কারণ তিনি শুধু কবি নন, তিনি একটা বিস্ফোরণ, একটা জাগরণ।
19/05/2026
মুষ্টি মুদ্রা হল একটি প্রাচীন ভারতীয় হস্তমুদ্রা যা শরীরের শক্তি এবং সামর্থ্য বৃদ্ধি করে। এটি করার জন্য, আপনি আপনার হাতের আঙ্গুলগুলি মুষ্টিবদ্ধ করেন।
মুষ্টি মুদ্রা করার পদ্ধতি:
1. আপনার হাত দুটিকে আপনার হাঁটুর উপর রাখুন, পাম উপরের দিকে।
2. আপনার আঙ্গুলগুলিকে মুষ্টিবদ্ধ করুন, অঙ্গুষ্ঠকে ভিতরে রাখুন।
3. মুষ্টি শক্ত করে বন্ধ করুন, কিন্তু অতিরিক্ত চাপ দেবেন না।
মুষ্টি মুদ্রার উপকারিতা:
1. *শরীরের শক্তি বৃদ্ধি:* মুষ্টি মুদ্রা শরীরের শক্তি এবং সামর্থ্য বৃদ্ধি করে।
2. *মানসিক স্থিরতা:* এটি মানসিক স্থিরতা এবং একাগ্রতা বৃদ্ধি করে।
3. *চাপ কমানো:* মুষ্টি মুদ্রা মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে।
4. *হজমশক্তি উন্নত করা:* এটি হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।
5. *রক্ত সঞ্চালন উন্নত করা:* মুষ্টি মুদ্রা রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে।
মুষ্টি মুদ্রা কতক্ষণ ধরে করতে হবে?
- সাধারণত 5-10 মিনিট ধরে মুষ্টি মুদ্রা করা যায়।
- ধীরে ধীরে সময় বাড়ানো যেতে পারে।
সতর্কতা:
- উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের মুষ্টি মুদ্রা করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
- গর্ভবতী মহিলাদের মুষ্টি মুদ্রা করা উচিত নয়।
- হৃদয় সমস্যা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
18/05/2026
Stretching can have many benefits, including:
Improved flexibility: Stretching lengthens muscles, which can improve your range of motion in your joints. This can help you perform better in physical activities and make it easier to do daily tasks.
Reduced risk of injury: Stretching can help prevent injuries and reduce the risk of soft tissue injuries like muscle and tendon strains.
Improved blood flow: Stretching increases blood flow to muscles and joints, which can help reduce joint stiffness and muscle soreness.
Reduced stress: Stretching can help alleviate tension and relax muscles, which can help reduce stress.
Reduced lower back pain: Stretching muscles that contribute to back posture, like the quadriceps, hamstrings, lower back muscles, and hip flexors, can help reduce or alleviate lower back pain.
Improved posture: Stretching can help improve your posture.
Improved coordination: Stretching can help improve your coordination.
Increased energy: Stretching can increase your energy.
16/05/2026
তমালি সেন শর্মা, আমার সাত বছরের পরিচিত, যোগসমৃদ্ধি পরিবারের সদস্যা।
হাসি, মজা, আন্তরিকতার সঙ্গে কাটানো আনন্দঘন মূহুর্তের সাক্ষী এক সন্ধ্যার কিছু মুহূর্ত আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম।