প্রকৃতির সাথে সংযোগ রাখুন
প্রতিদিন ২০ মিনিট বাইরে হাঁটুন। সূর্যের আলো, তাজা বাতাস গ্রহণ করুন।
Health conscious advice
স্বাস্থ্য ঠিক না থাকলে
স্বপ্ন শুধু কাগজেই থাকে।
আমি এখন শরীর আর ভবিষ্যৎ—
দুটোর দিকেই সমান ফোকাস দিচ্ছি।
চাকরি আমাকে বাঁচায়,
কিন্তু সময় দেয় না।
তাই আমি এমন একটা স্কিল শিখছি
যেটা সময়ের উপর নিয়ন্ত্রণ শেখায়।
03/03/2025
28/12/2024
♦DXN Chubby Baby Oil.
➡️ DXN Chubby Baby Oil.খাঁটি তেল, গেনডার্মা এক্সট্র্যা, সূর্যমুখী বীজ নিষ্কাশন, হর্সেটেল এক্সট্র্যা এবং কমিফোরা মরিরা এক্সট্র্যা দিয়ে বাচ্চার ত্বক পরিষ্কার করার জন্য এটি শক্তিশালী।
এটি একটি ত্বকের কন্ডিশনার যা শিশুর উপাদেয় ত্বককে মোয়াশ্চারাইজ করে এবং ত্বককে শুষ্কতা, দৌড়াদৌড়ি এবং ঝাঁকুনি থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। এটি আর্দ্রতাতে সিল রাখতে সহায়তা করে যাতে ত্বক সারা দিন শিশুকে নরম, মসৃণ এবং সিল্কি মনে করে। প্রাপ্তবয়স্কদের পক্ষে চোখের মেকআপ অপসারণ এবং রুক্ষ কনুই এবং হিল নরম করা কার্যকর Effective.
➡️ DXN Chubby Baby Oil. নিবিড়ম্বনা বেবি তেলের সামগ্রী
সূর্যমুখীর তেল।
ব্যবহারসমূহঃ-
➡️ DXN Chubby Baby Oil. নন কমেডোজেনিক।
➡️ DXN Chubby Baby Oil. স্মুথেনিং এফেক্ট।
➡️ DXN Chubby Baby Oil. আর্দ্রতা ধরে রাখে।
➡️ DXN Chubby Baby Oil. একটি প্রতিরক্ষামূলক বাধা সরবরাহ করে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
➡️ DXN Chubby Baby Oil.গম জীবাণু তেল,গম ব্রানের ভ্রুণ থেকে প্রাপ্ত।
ব্যবহারসমূহ:
👉 ব্লিচিং
👉ত্বকের কন্ডিশনিং এবং সুরক্ষা
👉সংযোজক টিস্যুগুলি স্বাস্থ্যকর ও প্রশান্ত রাখে
👉ত্বকের জমিন সংশোধন করে
ফিল্ড হর্সটেইল
👉সিলিকন, পটাসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের মতো খনিজ সমৃদ্ধ
ব্যবহারসমূহ:
চিলব্লায়েন্স এবং ক্ষতগুলির বিরুদ্ধে কার্যকর
আপনে কি বাসায় থেকেই ইনকাম করতে চান ?
🏠💸
04/11/2024
ডিএক্সএন মোরেঞ্জি জুস
আপনারা যারা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথায় ভুগছেন এবং বিভিন্ন ওষুধ খেয়ে নিজেকে মেরে ফেলছেন এবং ক্যান্সারের সমাধান করছেন তাদের জন্য এখানে তথ্য।
ডিএক্সএন এর ননি গ্যাস্ট্রিক থেকে রক্ষা করতে খুবই উপকারী।
👉 নানিজি কি? 👇👇👇👇
ননিঝি হল মরিন্দা সিট্রোফোলিয়া ফলের নির্যাস। আবার গ্যাস্ট্রিক নিরাময় হিসাবে। প্রাচীন পলিনেশিয়া, এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের মধ্যে এটি দীর্ঘকাল ধরে একটি অলৌকিক বিস্ময়কর উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত, বর্তমান যুগে বহু রোগের নিরাময়কারী হিসেবে পরিচিত।
👉মরিন্ডা সিট্রিফোলিয়া পলিনেশিয়া, চীন, ভারত এবং অন্যান্য দেশে দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে একটি অসাধারণ শক্তির ওষুধ হিসেবে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি একটি ঔষধি ফল যা বর্তমানে যথেষ্ট মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। এই ফলের নির্যাস শরীরের বিভিন্ন উন্নতির প্রমাণ দিয়েছে।
👉 এটি কৃত্রিম রং, চিনি, প্রিজারভেটিভ এবং তাপ প্রক্রিয়াজাত ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ফলের রস।
👉 ননীর উপকারিতা👇👇👇
> গ্যাস্ট্রিক নিরাময় করে।
> হজমশক্তি বাড়ায়।
> উচ্চ রক্তচাপ কমায়।
> শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
> প্রদাহ বিরোধী এবং হিস্টামিন।
> অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণাবলী যা পাচনতন্ত্র এবং লেকের ক্ষত প্রতিরোধ করে।
> প্রাক-ক্যান্সার টিউমার বৃদ্ধি।
> অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।
> পেট পরিষ্কার করে।
28/10/2024
সফলতার পেছনে দৌড়ালেই সফল হওয়া যায় না। সফল হতে হলে অনেক কিছু করতে হয় আবার বেশ কিছু জিনিস এড়িয়ে চলতে হয়। যে বিষয়গুলো সফলতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় সেগুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
সফল হতে চাইলে যে কাজগুলো করবেন না, তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে আইএনসি ওয়েবসাইটে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
* সবকিছু সঠিক হবে এটা চিন্তা করা বন্ধ করুন
আমরা যখন কোনো কাজ করি, তখন ধরেই নেই যে সেটা আমাদের নিজেদের মনমতো হবে। যা মনে মনে চাচ্ছি সেটাই হোক, এমনটাই আশা করি। আর সেটা যখন না হয়, তখন বিষণ্ণ হয়ে পড়ি। অনেক বেশি হতাশা কাজ করে, যা আমাদের আত্মবিশ্বাসকে নষ্ট করে দেয়। তাই কখনোই এই বাড়তি চাপ নেবেন না। জীবনে সবকিছু পারফেক্ট হয় না। একটাতে সফল না হলে আরেকটাতে হবেন। এই বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যান।
*মনের বিরুদ্ধে কিছু করবেন না
অনেক সময় ইচ্ছার বিরুদ্ধেই আমরা কাজ করি। যা আমাদের সফলতার পথের প্রধান বাধা। ‘না’ বলতে শিখুন। সফল হতে চাইলে যে বিষয়ে মন সায় দেবে না সেটা ভুলেও ‘হ্যাঁ’ বলবেন না।
*নিজের দুর্বলতাকে পাত্তা দেবেন না
কোনো মানুষই পৃথিবীতে পারফেক্ট না। সবারই কিছু না কিছু দুর্বলতা থাকে। আর আপনি যদি নিজের দুর্বলতাকে বড় করে দেখেন আর ভাবেন এটা আপনাকে দিয়ে সম্ভব না তাহলে কখনোই সফল হতে পারবেন না। নিজের দুর্বলতাকে নিজের শক্তি বানান। দেখবেন, সহজেই সফলতাকে আপনাকে ধরা দেবে।
*অন্যকে দোষ দেওয়া বন্ধ করুন
অন্যের কাঁধে দোষ চাপিয়ে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না। আপনি যখন সফল হন তখন ভাবেন, সেটা নিজের যোগ্যতায় হয়েছেন। আর সফল না হলে চট করেই অন্যের কাঁধে দোষ চাপিয়ে দেবেন? এটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ না।
*নেতিবাচক চিন্তাগুলো ঝেড়ে ফেলুন
নিজের আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে মনের সব নেতিবাচক চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন। আমি পারব না, আমাকে দিয়ে হবে না, আমার চেয়ে অন্যরা ভালো পারে- এ ধরনের চিন্তা যতদিন ধরে রাখবেন, ততদিন সফলতা আপনার থেকে অনেক দূরে থাকবে।
*অতীতকে জোর করে ধরে রাখবেন না
অতীতে যা ঘটে গেছে, সেটার জন্য নিজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে লাভ কী? অতীতে বসবাস করলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ দুটোই ডোবাবেন। তাই সফল হতে চাইলে অতীতকে চিরবিদায় জানান।
*সবাইকে খুশি করার চিন্তা বাদ দিন
একজন মানুষ কখনোই একসঙ্গে সবাইকে খুশি করতে পারে না। তাই অযথা এর পেছনে দৌড়ে কোনো লাভ নেই। নিজের ভালোটা দেওয়ার চেষ্টা করুন। তাতে কেউ খুশি হবে, কেউ হবে না। এটা মনে নিতে শিখুন।
*নেতিবাচক চিন্তার মানুষদের কাছ থেকে দূরে থাকুন
আমাদের জীবনে অন্যের কথার বেশ প্রভাব পড়ে। নিজের অজান্তেই সেই কথাগুলো আমাদের সফলতাকে নষ্ট করে। তাই এসব নেতিবাচক চিন্তার মানুষদের কাছ থেকে যতটা পারুন দূরে থাকুন।
*কখনোই নিঃসঙ্গ থাকবেন না
একাকিত্ব মানুষের মনের উদ্যমতাকে নষ্ট করে দেয়। কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই একা না থাকার চেষ্টা করুন। পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গ আপনার মনকে চাঙ্গা রাখবে, আপনার কার্যক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেবে।
(Collected)
#বিশ্বব্যাপী_নেটওয়ার্ক #অসীম_আয়ের_সম্ভাবনা #অনন্ত_সুযোগ #বিনামূল্যে_সহায়তা #ফ্লেক্সিবল_সময় #স্বল্প_বিনিয়োগ #উদ্যোক্তা #সংগৃহীত
27/10/2024
বিল গেটসকে দেওয়া মায়ের ৩টি অমূল্য উপদেশ।
জীবনে চলার পথে কতজনের কাছে কতরকম উপদেশের দেখা মেলে। বেশিরভাগই ভুলে যাই আমরা, জীবনে প্রয়োগ করা হয়ে উঠে না। কিন্তু কিছু উপদেশ, বিশেষ কিছু কথা– মনে গেঁথে যায় চিরদিনের জন্য, ঘুরিয়ে দেয় জীবনের মোড়।
দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর শীর্ষ ধনীর স্থান দখল করে রাখা বিল গেটসও জীবনে অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেছেন মায়ের দেওয়া তিনটি উপদেশ।
বিল গেটস তখন বয়সে অনেক ছোট। স্কুল থেকে বাসায় ফিরেছেন সবে। সেদিন পরীক্ষার ফলাফল দিয়েছে, মা জানতেন। তিনি ঘরে পা রাখতেই সামনে দাঁড়িয়ে মা!
“বাবা, গণিত পরীক্ষায় কতো নাম্বার পেয়েছিস?”
গেটস মাকে তার নাম্বার বললেন। মা খুশি হয়ে বললেন, “বাহ! এতো ভাল নাম্বার তোর ক্লাসে আর কয়জন পেয়েছে?”
“আমি একাই পেয়েছি মা!”
“বেশ বেশ! আমি অনেক খুশি হয়েছি যে তুই একাই এই নাম্বার পেয়েছিস। তুই দশ–বিশ, চল্লিশ–পঞ্চাশ এমনকি আশি–নব্বই পেলেও আমি রাগ করতাম। কিন্তু তুই একদম শূন্য পেয়েছিস! এবার নতুন করে এই শূন্য থেকেই শুরু কর সবকিছু। তবে তোর জন্য মায়ের তিনটি উপদেশ রইলো–
১. প্রচুর বই পড়বি। ক্লাসের পড়ার বাইরেও বিশাল একটি জগত রয়েছে। সেগুলো সম্পর্কে বেশি করে জানবি, বেশি করে পড়বি। আর নতুন নতুন সব বিষয়ের বই পড়বি, যেগুলো সচরাচর অন্যরা পড়ে না।
২. তুই যেরকম চিন্তা করবি, তোর জীবন সেভাবেই গড়ে উঠবে। তাই সবসময় স্রোতের বাইরে চিন্তা করবি। সবার মতো হুজুগের পেছনে ছুটবি না। কখনো ছোট চিন্তা করবি না। অনেক বড় বড় স্বপ্ন দেখবি, এতো বড় যেন নিজের কাছেই অসম্ভব লাগে,
অন্যদের কাছে সে স্বপ্নের কথা বলতে ভয় হয়!
৩. জীবনে এমন কাজ করবি যা অন্য কেউ করছে না। বেশিরভাগ মানুষ ঘুরেফিরে প্রতিষ্ঠিত কিছু পথেই ক্যারিয়ার গড়ে তোলে, কেউ ঝুঁকি নিতে চায় না। তুই সবার চেয়ে ভিন্ন পথে হাঁটবি, ভিন্ন কাজ করবি। তুই নিজেই পথ তৈরি করবি, মানুষকে স্বপ্ন দেখাবি।
সময় তখন ১৯৬৩ সাল। বিল গেটসের বয়স তখন আট বছর। তার মা স্কুল শিক্ষিকা মেরি ম্যাক্সওয়েল গেটস তাঁকে যখন এই উপদেশ তিনটি দিলেন তখন কেউ চিন্তাও করেনি এই তিনটি উপদেশ কীভাবে বিল গেটসের জীবনে অক্ষরে অক্ষরে সত্যি হবে একদিন, বিপ্লব বয়ে আনবে পৃথিবীজুড়ে, স্রোতের বাইরে গিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে শেখাবে কোটি কোটি মানুষকে!
©সংগৃহীত
#সফলতা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Address
Dhaka