05/03/2020
আগামীকাল সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের হয়ে টস করতে নামবেন শেষ বারের মতো।
বিদায় লিডার😰💔
ভালো থাকবেন❤
Hello Cricket Lovers. In this page you will find news of cricket from abroad within a moment. So if you don't want to miss the latest updates, stay tuned to th
05/03/2020
আগামীকাল সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের হয়ে টস করতে নামবেন শেষ বারের মতো।
বিদায় লিডার😰💔
ভালো থাকবেন❤
23/02/2020
স্বপ্নের মতো টেস্ট অভিষেক হলো কিউই ফাস্ট বোলার "কাইল জামিসন" এর।
নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত টেস্ট "কাইল জেমিসন" বল হাতে ৩৯ রানে ৪ উইকেট নেওয়ার ব্যাট হাতেও ছিলো উজ্জ্বল। কিরেছেন ৪ ছক্কা ও ১ চারের সাহায্যে ৪৫ বলে ৪৪ রানের ইনিংস। 😲
20/02/2020
"মাগো,ওরা বলে,
সবার কথা কেড়ে নেবে
তোমার কোলে শুয়ে
গল্প শুনতে দেবেনা।
বলো,মা তাই কিহয়?
তাইতো আমার দেরি হচ্ছে।
তোমার জন্য কথার ঝুডি. নিয়ে
তবেই না বাড়ি. ফিরবো।
লক্ষী মা রাগ ক'রোনা,
মাত্রতো আর কটা দিন ।"
না মায়ের কাছে ফেরা হয়নি ওঁদের! বরকত, সালাম, রফিক, জব্বার, সালাহউদ্দীন সহ অগুনিত ছাত্র জনতা কোনদিন ফিরে যায় নি মায়ের কোলে । মায়ের ভাষায় কথা বলাবার অধিকার আদায়ে , মাতৃ ভাষার মর্যাদা রক্ষায় ওঁরা জীবন দিয়েছিলো ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ ! তাদের জীবনের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার ! মহান ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে আমরা পৌছে যাই '৭১এর রক্তাত্ব মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে! বাংলার দামাল মুক্তি সেনারা অকাতরে প্রাণ দিয়ে ছিনিয়ে এনেছে প্রিয় স্বাধীনতা । আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্ত মানুষ! '৫২ এর ভাষা আন্দোলন না হলে '৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ হতো না! মুক্তি যুদ্ধ না হলে বাঙ্গালী জাতি ধীরে ধীরে তার অস্তিত্ব হারাতো । আজ এ কথা ভেবে গৌরব বোধ করি, আমি এক নির্ভীক সৃষ্টিশীল মানুষ। আজ ২১শে ফেব্রুয়ারী প্রথম প্রহরে তাই শ্রদ্ধা জানাই সকল শহীদের প্রতি ! বাঙ্গালী জাতি তোমাদের কোনদিন ভুলবনা।
19/02/2020
দেশের উইকেট হতাশ করলো পেসার শরিফুল ইসলামকে।
অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জয়ী পেসার শরিফুল ইসলাম সাউথ আফ্রিকায় ব্যাটসম্যানদের যতটা পরাস্ত করছিলো দেশের মাটিতে ব্যাটসম্যানদের অইরকম চাপে ফেলতে পারছেন না এই পেসার।
তার মূলত কারন হলো শরিফুল গত ১ বছর ধরে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকার সিমিং উইকেটে বল করতে করতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। তাই তার অসুবিধা হচ্ছে।
এদিকে 'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড' দেশের সব পিচ গুলো স্পিন সহায়ক করে রাখে। যার কারনে আমাদের প্রতিভাবান পেসাররা অল্পতেই হারিয়ে যায়।
তাই 'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড' এর উচিৎ স্পিন সহায়ক উইকেট না বানিয়ে পেসারদের মত উইকেট বানান। তাতে আমাদের প্রতিভাবান পেসাররা অকালে হারিয়ে যাবেনা। মুগ্ধ,শরিফুল,হাসান মাহমুদ,সাকিব, মেহেদি হাসান রানা, এদেরকে পেস সহায়ক উইকেটে খেলিয়ে তৈরি করতে করতে হবে বিশ্বমানের বোলারদের মতো। তাহলে আমরা ম্যাচের শুরুতেই নতুন বলে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরতে পারবো।
উপরিউক্ত কথা গুলো জানিনা কোনোদিন শুনবে 'বিসিবি' তারপরও লিখে রাখলাম।
16/02/2020
হোয়াট এ ম্যাচ😲😲
ইংল্যান্ড এবং সাউথ আফ্রিকার মধ্যকার টি টুয়েন্টি সিরিজ নির্ধারনি ম্যাচে সাউথ আফ্রিকাকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে ইংল্যান্ড।
স্কোরঃ-
সাউথ আফ্রিকাঃ- ২২২/৬ (২০ ওভার)
বাভুমা - ৪৯
ডি কক -৩৫
ক্লাসেন - ৬৬
মিলার - ৩৫*
ইংল্যান্ডঃ- ২২৬/৫ (১৯.১)
বাটলারঃ- ৫৭
বেয়ারস্টোঃ- ৬৪
মরগানঃ- ৫৭*
স্টোক্সঃ- ২২
প্রোটিয়ারা চাইছিলো ব্যাটিং পিচ বানিয়ে ব্রিটিশদের কাবু করবে তা আর হলোনা। নিজেদের ফাদে নিজেরাই পা দিলো।
অভিনন্দন ইংল্যান্ড 💜💜
15/02/2020
কুইন্টন ডি কক
২২ বল
৬৫ রান
০৮ ছক্কা
০২ চার
স্ট্রাইকরেট ২৯৫.৪৫
কাল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই দানবীয় ইনিংসটি খেলেন প্রোটিয়া কাপ্তান কুইন্টন ডি কক।
14/02/2020
বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে নান্নু স্যারকে 'ভালোবাসা চিহ্ন' দেখালেন মুশফিক! 😉
পাকিস্তান সফরে যান নাই মুশফিক। আর তাই রেগেমেগে আমাদের নান্নু স্যার বলেছিলেন, পারফর্মেন্স দেখিয়ে দলে ফিরতে হবে মুশফিককে। বিসিএল এ আজকের ম্যাচে ইস্ট জোনের হয়ে নর্থ জোনের বিপক্ষে ১১৫ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলে রেগে যাওয়া সেই নান্নু স্যারের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করলেন আমাদের সবার প্রিয় মুশফিক। ❤️
কথায় আছে 'রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।' কিন্তু রেগে গিয়েও জিতে গেলেন আমাদের নান্নু স্যার! না মানে ভালোবাসা পেয়ে জিতলেন আরকি! 😂🤣😂
13/02/2020
বিসিবি সভাপতির দেওয়া বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির জবাবে আমাদের ঠাণ্ডা মাথার অধিনায়ক আকবর আলী বলেছেন,
“ক্রিকেট বোর্ড থেকে যেটা পাবো তার জন্য তাদেরকে আগে থেকেই ধন্যবাদ দিয়ে রাখছি। বোর্ড থেকে এমন কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে যাইনি। বিসিবি আমাদের নিয়ে যে পরিকল্পনা করছে তা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাব। আগামী দুই বছরে নিজেদের স্কিল ও মানসিক উন্নতির কাজ করব।”
একজন পরিণত অধিনায়কের মতো কথা বলেছেন আমাদের আকবর দ্যা গ্রেট। ❤️
আসেন জেনে নিই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিসিবি সভাপতি জনাব নাজমুল হাসান পাপন কোন পরিকল্পনার কথা বলেছেন। উনার পরিকল্পনা হলো, উনি অনূর্ধ্ব ১৯ দলের সদস্যদের নিয়ে অনূর্ধ্ব ২১ দল গঠন করা, মাসে এক লাখ করে টাকা দিয়ে তাদেরকে সার্বক্ষণিক অনুশীলনসহ বিদেশে খেলার ব্যবস্থা করা। এমনকি যারা খেলা এবং অনুশীলনে সিরিয়াস থাকবে না তাদেরকে বাদ দেওয়া।
বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের জন্য কিংবা এত বছর দায়িত্বে থেকেও ঘরোয়া ক্রিকেটের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সেভাবে বাড়াতে না পারায় জনাব নাজমুল হাসান পাপন সাহেবকে আমি বা অনেকে পছন্দ করি না একদমই।
তবে উনার এই পরিকল্পনা অবশ্যই ভালো। আমরা বাস্তবায়ন দেখতে চাই। 😊
© দ্যা ফিফথ আম্পায়ার
আহ উদযাপন!
কোপা কোপা কোপা কোপা কোপা😁😁
09/02/2020
আকবর আলীর ব্যাটেই প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ১৭৮ রানের সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৬৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যাওয়ার পর দলকে খেলায় ফেরানোর পাশাপাশি জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক।
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামে ১৮ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দেয় আকবরের দল। টানা দুই জয়ে দল যখন উৎফুল্ল। ঠিক তখন দেশ থেকে বড় দুঃসংবাদ উড়ে গেল আকবরের জন্য।
২২ জানুয়ারি তার একমাত্র বোন খাদিজা খাতুন না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। যমজ সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা যান তিনি। স্বজন হারানোর বেদনা বুকে চাপা দিয়ে দুই দিন পরই পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামেন আকবর।
শোককে শক্তিতে পরিণত করে ইতিহাস গড়েন তিনি। দেশকে প্রথমবারের মতো এনে দেন আইসিসির কোনো বিশ্বকাপ ইভেন্টের শিরোপা। তিনি নিজেকে আরো উচ্চতায় নিয়ে গেছেন ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে নায়কোচিত ইনিংস খেলে।
আজ ভারতের দেয়া সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু এনে দেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন এবং তানজিদ হাসান তামিম। দলীয় ৫০ রানে তামিম ফিরে যান। এরপর শুরু হয় বাংলাদেশের ব্যাটিং ধ্বস। একে একে ধরাশায়ী হন দারুণ ফর্মে থাকা মাহমুদুল হাসান জয়, তৌহিদ হৃদয়, শাহাদত হোসেনরা। এরমধ্যে কপাল পোড়ে ইমনের। হ্যামস্ট্রিংয়ের ইনজুরি তাকে বাধ্য করে মাঠ ছাড়তে।
অধিনায়ক আকবর আলী ক্রিজে এসে চাপ সামাল দেয়ার চেষ্টা চালান। কিন্তু তাকে সঙ্গ দেয়ার কেউ তো থাকতে হবে! শামিম হোসেন, অভিষেক দাসরা বিদায় নিলে কঠিন চাপে পড়া দলের হাল ধরতে ইনজুরি নিয়ে আবারো ফিরতে হয় ইমনের।
অধিনায়কের সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে আবারো জয়ের স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেন। দারুণ সব বাউন্ডারিতে সহজ সমীকরণের দিকে নিয়ে যান দলকে। কিন্তু তার এই ত্যাগ আর উজাড় করে দেয়া ইনিংসটিও যথেষ্ট ছিলো না বাংলাদেশের বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেয়ার জন্য। ৩২তম ওভারের শেষ বলে জয়শওয়ালের শিকার হন তিনি। অফস্ট্যাম্পের অনেক বাইরের বল সজোরে হাঁকাতে গিয়ে আকাশ সিংয়ের তালুবন্দী হন ইমন।
কিন্তু তার বিদায়ের পরেও স্বপ্ন ভাঙতে দেননি আরেক নায়ক আকবর আলী। দায়িত্ব পুরোটা কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক আকবর। শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করে দলকে বিজয়ের হাঁসি এনে দেন তিনি, পূরণ করেন ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্ন।