30/08/2026
EZ-Bar Close বা Grip Bench Press হলো শরীরের ওপরের অংশের শক্তি এবং পেশি বৃদ্ধির জন্য একটি অত্যন্ত কার্যকর যৌগিক ব্যায়াম (Compound Exercise)।
এই ব্যায়ামটির মূল উপকারিতা এবং এটি কেন আপনার ওয়ার্কআউট রুটিনে রাখা প্রয়োজন, তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
প্রধান উপকারিতাসমূহ:
১। ট্রাইসেপসের দ্রুত বৃদ্ধি: সাধারণ বেঞ্চ প্রেসের তুলনায় এতে হাত কাছাকাছি (Close-grip) রাখতে হয়। এর ফলে হাতের পেছনের পেশি বা ট্রাইসেপস (Triceps) অনেক বেশি সক্রিয় হয় এবং দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
২। কব্জি ও কনুইয়ের ওপর কম চাপ: EZ-Bar বা বাঁকানো বারের বিশেষ ডিজাইনের কারণে এটি ধরার সময় কব্জি (Wrist) স্বাভাবিক কোণে থাকে। এটি সোজা বারের তুলনায় কব্জি এবং কনুইয়ের জয়েন্টকে সুরক্ষিত রাখে এবং ইনজুরির ঝুঁকি কমায়।
৩। ভেতরের বুকের পেশি গঠন: এটি বুকের ভেতরের অংশের পেশি (Inner Chest) এবং সামনের কাঁধের পেশিকে (Front Deltoids) সুগঠিত করতে দারুণ সাহায্য করে।
৪। পুশ করার শক্তি বৃদ্ধি: এই ব্যায়ামটি নিয়মিত করলে আপনার ধাক্কা দেওয়ার বা পুশ করার ক্ষমতা (Pushing Strength) বাড়ে, যা অন্যান্য ভারী ব্যায়াম (যেমন- Overhead Press বা Standard Bench Press) করার পারফরম্যান্স উন্নত করে।
এটি কেন প্রয়োজনীয়?
১. ভারসাম্যপূর্ণ পেশি গঠন: অনেকেই শুধু বুকের পেশির ব্যায়াম করেন কিন্তু ট্রাইসেপসকে অবহেলা করেন। সুন্দর ও আকর্ষণীয় হাতের গঠনের জন্য ট্রাইসেপস বড় হওয়া জরুরি, যা এই ব্যায়ামের মাধ্যমে সহজেই সম্ভব।
২. সহজ গ্রিপিং: যাদের সোজা বারে (Straight Bar) বেঞ্চ প্রেস করতে কব্জিতে ব্যথা বা অস্বস্তি হয়, তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার ও নিরাপদ বিকল্প।
৩. দৈনন্দিন শক্তি বৃদ্ধি: দৈনন্দিন জীবনে কোনো ভারী জিনিস ধাক্কা দেওয়া বা ওপরের দিকে তোলার জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয়, তা এই ব্যায়ামের মাধ্যমে তৈরি হয়।
EZ-Bar Close-Grip Bench Press ব্যায়ামটি থেকে সর্বোচ্চ সুফল পেতে এবং ইনজুরি বা আঘাত এড়াতে সঠিক নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। নিচে এর সঠিক নিয়ম, ফর্ম এবং সেটের বিবরণ দেওয়া হলো:
সঠিক নিয়ম ও টেকনিক (Form & Technique)
১। বসার ও শোয়ার পজিশন: প্রথমে ফ্ল্যাট বেঞ্চে এমনভাবে পিঠ ঠেকিয়ে শুয়ে পড়ুন যেন আপনার পা দুটি মেঝেতে শক্তভাবে লেগে থাকে। আপনার চোখ যেন বারের ঠিক নিচে থাকে।
২। বার ধরা (Gripping): EZ-বারের ভেতরের দিকের বাঁকানো অংশে (Inner slopes) হাত রাখুন। দুই হাতের দূরত্ব আপনার কাঁধের দূরত্বের চেয়ে কিছুটা কম হবে।
৩। বার নামানো (The Descent): গভীর শ্বাস নিয়ে বারটি স্ট্যান্ড থেকে তুলুন। এবার কনুই দুটিকে শরীরের ভেতরের দিকে (পাঁজরের কাছাকাছি) রেখে ধীরে ধীরে বারটি আপনার বুকের নিচের অংশ বা আপার অ্যাবসের (Upper Abs) ওপর নামিয়ে আনুন।
৪। বার ওপরে তোলা (The Ascent): বারটি বুকে হালকা স্পর্শ করার পর, শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে জোরের সাথে বারটি ওপরের দিকে পুশ করুন। ওপরে তোলার পর কনুই পুরোপুরি লক করবেন না, সামান্য বাঁকা রাখবেন।
⚠️ সতর্কতা: বারটি নামানোর সময় কনুই যেন বাইরের দিকে ছড়িয়ে না যায়। কনুই বাইরের দিকে ছড়িয়ে গেলে ট্রাইসেপসের চেয়ে কাঁধের ওপর বেশি চাপ পড়বে এবং ইনজুরির ঝুঁকি বাড়বে।
সেট এবং রেপসের সংখ্যা (Sets & Reps):
আপনার ফিটনেস লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে সেট এবং রেপস নির্ধারণ করতে হবে:
পেশি বৃদ্ধির জন্য (Muscle Building/Hypertrophy):
১। ৩ থেকে ৪ সেট করুন।
২। প্রতি সেটে ৮ থেকে ১২ রেপস (বার তোলা) করুন।
৩। এমন ওজন বেছে নিন যা দিয়ে শেষ ২টি রেপস করতে বেশ কষ্ট হয়।
শক্তি বৃদ্ধির জন্য (Strength Building):
১। ৪ থেকে ৫ সেট করুন।
২। প্রতি সেটে ৪ থেকে ৬ রেপস করুন।
৩। এতে ওজনের পরিমাণ বেশি হবে এবং সেটের মাঝে ২-৩ মিনিট বিশ্রাম নেবেন।
সেট এবং রেপসের সংখ্যা নারী এবং পুরুষ উভয়ের জন্যই মূলত একই। পেশি গঠন (Muscle Building) বা শক্তি বৃদ্ধির (Strength) মূল বৈজ্ঞানিক সূত্র সবার জন্য সমানভাবে কাজ করে।
তবে শারীরিক গঠন এবং হরমোনের পার্থক্যের কারণে কিছু ছোটখাটো বিষয়ে পার্থক্য দেখা যেতে পারে:
১। মূল লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে (উভয়ের জন্য সমান)
২। পেশির টোন ও আকৃতি সুন্দর করা: নারী বা পুরুষ যিনিই হোক না কেন, পেশির আকৃতি সুন্দর করতে চাইলে ৩–৪ সেটে ৮–১২ রেপস করা সবচেয়ে কার্যকর।
৩। শক্তি বৃদ্ধি: ভারী ওজন নিয়ে ৪–৫ সেটে ৪–৬ রেপস নারী-পুরুষ উভয়েরই শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
যেখানে কিছুটা পার্থক্য হতে পারে:
১। ওজন বা লোড (Weight): পুরুষদের শরীরে স্বভাবজাতভাবেই ওপরের অংশের (Upper body) পেশি ও শক্তি নারীদের তুলনায় বেশি থাকে। তাই পুরুষরা সাধারণত নারীদের চেয়ে বেশি ওজনে এই ব্যায়ামটি করতে পারেন। নারীদের ক্ষেত্রে হালকা বা মাঝারি ওজনে শুরু করা ভালো।
২। ক্লান্তি ও রিকভারি: গবেষণায় দেখা গেছে, নারীদের পেশি পুরুষদের তুলনায় দেরিতে ক্লান্ত হয় এবং ব্যায়ামের পর দ্রুত রিকভারি বা সতেজ হতে পারে। তাই নারীরা চাইলে সেটের মাঝে পুরুষের চেয়ে কিছুটা কম সময় (যেমন: ১ মিনিটের জায়গায় ৪৫ সেকেন্ড) বিশ্রাম নিয়ে পরবর্তী সেট শুরু করতে পারেন।
সংক্ষেপে: আপনি নারী হোন বা পুরুষ, আপনার লক্ষ্য যদি হয় ফিট থাকা এবং শরীরকে একটি সুন্দর শেপে আনা, তবে ৩ সেট এবং ১০-১২ রেপস দিয়ে শুরু করাটাই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকরী মাধ্যম।
MODEL: A GYM MEMBER AND EX-TRAINER NADIM
26/08/2026
পায়ের পেশি শক্ত, সবল ও সুন্দর করতে নিয়মিত লেগস বা পায়ের বিভিন্ন ব্যায়াম করা অত্যন্ত জরুরি।
প্রধান লেগস ব্যায়ামসমূহঃ
স্কোয়াটস (Squats): এটি পায়ের ব্যায়ামের রাজা বলা হয়। এটি কোয়াড্রিসেপস (ঊরুর সামনের পেশি) এবং গ্লুটস (হিপের পেশি) শক্তিশালী করে। সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে হাঁটু ভেঙে চেয়ারে বসার মতো অর্ধেক বসতে হয়।
লাঞ্জেস (Lunges): এটি পায়ের ভারসাম্য বাড়ায় এবং পেশি সুগঠিত করে। এক পা সামনে দিয়ে হাঁটু ভাঁজ করে নামতে হয় এবং অন্য পা পেছনে সোজা থাকে।
কাফ রেইজ (Calf Raises): পায়ের পেছনের নিচের অংশ বা কাফ মাসল মজবুত করার জন্য এটি কার্যকরী। পায়ের পাতার ওপর ভর দিয়ে গোড়ালি ওপরে ওঠাতে ও নামাতে হয়।
লেগ প্রেস (Leg Press): এটি মেশিনের সাহায্যে আধশোয়া হয়ে পা দিয়ে ওজন ঠেলে ও নামিয়ে করা হয়। এটি পায়ের পেশি শক্ত করতে সাহায্য করে।
লেগস ব্যায়ামের উপকারিতাঃ পায়ের শক্তি এবং স্ট্যামিনা বৃদ্ধি পায়। হাঁটাচলা, দৌড়ানো এবং সিঁড়ি দিয়ে ওঠার কাজ সহজ হয়। শরীরের ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতা ঠিক থাকে।
MODEL: LADY TRAINER PRITEE
23/08/2026
গর্ব এবং আনন্দের মুহূর্ত! 🇧🇩✨
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের মধ্যপাড়ার কৃতি সন্তান এবং আমাদের সকলের অত্যন্ত প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় মো. সায়েদুর রহমান (তুষার) কাকা বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (Additional IGP) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। (২৩ আগস্ট, ২০২৬)
উনার এই অসাধারণ সাফল্য ও গৌরবময় অর্জন আমাদের পুরো মধ্যপাড়া তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীকে অহংকৃত করেছে। সততা, নিষ্ঠা এবং দেশপ্রেমের মাধ্যমে তিনি আজ এই সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছেছেন, যা আমাদের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।
উনার এই ঐতিহাসিক অর্জনে বিএম ফিটনেস জিমনেসিয়াম (BM Fitness Gymnasium) পরিবারের পক্ষ থেকে উনাকে জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং আন্তরিক অভিনন্দন!
আমরা উনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং পেশাগত জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি। আশা করি উনার হাত ধরে আমাদের সমাজ ও দেশ আরও এগিয়ে যাবে।
#সাফল্য #গর্বিত #ব্রাহ্মণবাড়িয়া #মধ্যপাড়া #অভিনন্দন
21/08/2026
জিমনেসিয়ামে এসি বা এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের সময় তাপমাত্রা ১৬ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখা আদর্শ, যা শরীর ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত ঠান্ডা না করে সঠিক নিয়মে এসি ব্যবহার করলে ঘাম, আর্দ্রতা ও অস্বস্তি দূর হয়, যা ব্যায়ামের পরিবেশ নিরাপদ ও কার্যকর রাখে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও জোনভিত্তিক ব্যবহারতাপমাত্রা ১৬°C থেকে ১৮°C এর মধ্যে রাখুন। ভারী ওজন বা কার্ডিও জোনে ঠান্ডা বাতাস বেশি দিন। যোগা বা স্টুডিও রুমে স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখুন। এসি সরাসরি ব্যায়ামরত ব্যক্তির ওপর যাতে না পড়ে তা নিশ্চিত করুন। হাওয়া চলাচল ও পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে জিমে বিশুদ্ধ বাতাস আসার ব্যবস্থা রাখুন। অতিরিক্ত আর্দ্রতা রোধে ভেন্টিলেশন চালু রাখুন।
18/08/2026
যান্ত্রিক জীবনের অভ্যস্ততা আমাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে অনেক বেশী অলস করে দেয়। দীর্ঘ সময় একই ধরনের শুয়ে-বসে থাকার জীবনযাত্রা আমাদের মস্তিষ্ককে অভ্যস্ত করে ফেলে গতানুগতিক রুটিনে। সমীক্ষায় দেখা যায়, বছরের পর বছর সারা দিন ডেস্কে বসে কাজ করা বা ঘরে বসে কাজ করা ব্যক্তিদের শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়। আর বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর অব্যর্থ দাওয়াই একমাত্র ব্যায়াম।
অনেকে মনে করে থাকেন, ঘরের কাজ, যেমন রান্না করা, ঘর মোছা, ঝাড়ু দেওয়া কিংবা কাপড় ধুলেও কার্যকর ব্যায়াম হয়। কিন্তু সেটা একেবারেই ভুল ধারণা। এগুলো কায়িক শ্রম বা ইংরেজিতে যাকে বলা হয় ম্যানুয়াল লেবার। এতে আপনার ঘাম হলেও আদতে একসঙ্গে তেমন একটা ক্যালরি খরচ হয় না আর বডি টোনিংয়েও খুব একটা প্রভাব পড়ে না। আপনি যদি কার্যকরিভাবে ক্যালরি বার্ন করে সঠিকভাবে সুস্থ থাকতে চান, তবে অবশ্যই নিয়মিত শরীরচর্চার কোনো বিকল্প নেই।
অনেকেই বাসায় ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম, ইয়োগা বা হাঁটাহাঁটি করে থাকেন। তবে প্রায়ই দেখা যায়, দু-তিন দিন নিয়মিত এসব করার পর হুট করেই বিরতি পড়ে যাচ্ছে। পেশিগুলো মস্তিষ্কে এই নিয়মিত শরীরচর্চার ব্যাপারটি জানান দেবার আগেই এই বিরতি মস্তিষ্ককে সচল হয়ে ওঠা থেকে দূরে রাখে।
নিয়মিত জিমে গেলে তা আপনার লাইফস্টাইলের একটা অংশ হয়ে যায়। জিমে গেলে অনেকের সঙ্গে দেখা হয়। অন্যকে দেখে নিজের মধ্যে ইচ্ছাশক্তি তৈরি হয়, যেটা মানসিকভাবে আপনাকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে, আর আপনার মধ্যে চেষ্টা করার স্পৃহা জাগায়, যেটা আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। উচ্চমাত্রার ওয়ার্ক আউট, যেমন জুম্বা, অ্যারোবিক্স, পাওয়ার ইয়োগা ইত্যাদি আপনার পেশী, হৃদযন্ত্র ও হাড়ের জন্য খুবই ভালো। মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় রয়েছে নিয়মিত উচ্চমাত্রার ব্যায়ামের বিস্ময়কর প্রভাব।
সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, যাঁরা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, তাঁদের চিন্তার পরিধি অনেক বেশি। সৃজনশীল চিন্তাও বেশী করতে পারেন তাঁরা। খুব দ্রুত যেকোন সমস্যার সমাধান তাঁরা করে ফেলতে পারেন। আবেগের সঠিক নিয়ন্ত্রণে তাঁরা বেশি পারদর্শী হয়ে থাকেন। এর ফলে আমাদের স্মৃতিশক্তি শাণিত হয়, দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ হ্রাস পায়। এছাড়া ডিমেনশিয়া, আলঝেইমার আর স্মৃতিশক্তি বিলুপ্তির মতো বিরল ও জটিল রোগের আশঙ্কা কমিয়ে দেয় নিয়মিত ব্যায়াম।
দেখা যায়, যাঁরা নিয়মিত জিমে শরীরচর্চা করেন, তাঁদের চেয়ে যাঁরা একেবারেই শরীরচর্চা করেন না বা খুব একটা সচল না—তাঁদের ডিমেনশিয়ার আশঙ্কা প্রায় দ্বিগুণ। সকাল সকাল জিমে ঘাম ঝরিয়ে এলে দেখবেন, সারা দিনের কাজে আপনি অফুরন্ত কর্মশক্তি পাবেন। এর কারণ, হাই ইনটেন্সিটি ব্যায়াম আপনার হ্যাপি হরমোন—নরএপিনেফ্রিন, ডোপামিন, সেরেটনিন, এসিটাইকোলিন) নিঃসরণে সহায়তা করে। এর ফলে আপনার কর্মশক্তি বৃদ্ধি পাবে। নিউরোসায়েন্সেসের মতে, সেই সময় আপনার মস্তিষ্কে এই হরমোনের নিঃসরণ নিউরোকেমিকেল স্নানের মতো প্রভাব ফেলে আপনার মস্তিষ্ককে পুনরুজ্জীবিত করে তোলে ।
নিউইয়র্কের সেন্টার ফর নিউরাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক ওয়েন্ডি সুজুকি তাঁর গবেষণা গ্রন্থ ‘গুড অ্যাংজাইটি হারনেসিং দ্য পাওয়ার অব দ্য মোস্ট মিসআন্ডারস্টুড ইমোশন’-এ এই নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন। তাঁর মতে, ব্যায়াম আমাদের মস্তিষ্ককে পুষ্টি দান করে ও সচল করে। এই মস্তিষ্কই গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি সংরক্ষণ করে। নিয়মিত শরীরচর্চার জন্য ফিটনেস এক্সপার্ট হবার কোন প্রয়োজন নেই, আপনার বয়স কত, এটাও তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না। নিয়মিত ব্যায়ামের সুফল পাওয়ার জন্য একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের সপ্তাহে ১৫০-১৭৫ মিনিট যেকোনো ধরনের জিম এক্সারসাইজ যথেষ্ট। জিমে গিয়ে অবশ্যই আপনার ট্রেনার বা ইনস্ট্রাক্টরের সঙ্গে পরামর্শ করে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যায়াম নির্বাচন করবেন। ব্যায়াম করুন, ইতিবাচকতা ছড়িয়ে দিন হৃদয় থেকে মস্তিষ্কে।
তথ্যসূত্র: সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি), সিবিসি।
MODEL: NADIM, EX-TRAINER, BM FITNESS
16/08/2026
সুস্থ শরীর সবারই কাম্য। কেননা স্বাস্থ্যই তো সকল সুখের মূল। সুখের মূলের খোঁজে কেউ যোগব্যায়াম করেন, কেউ আবার নিয়ম করে যান জিমে। সকালবেলা পার্কগুলোতে হন হন করে হাঁটতেও দেখা যায় অনেককে। শুধু বৃদ্ধরাই নন, শারীরিক সুস্থতার প্রতি খেয়াল রাখেন তরুণেরাও। তাই রিকশার পথটুকু অনেকেই হেঁটে পাড়ি দেন। সবার উদ্দেশ্য একটাই- একটু সুস্থভাবে, রোগবালাই ছাড়া বেঁচে থাকা।
ব্যায়াম করার নিয়ম সম্পর্কে অনেকেই ওয়াকিবহাল নন। সে জন্য ট্রেইনার কিংবা বইয়ের সাহায্য নেন অনেকেই। কিন্তু ব্যায়ামের পরে কী করবেন? কতক্ষণ বিশ্রাম নেবেন? গোসল কখন করবেন? এসব বিষয় অনেকেরই অজানা।
ব্যায়ামের সময় শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। তাই শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক করার জন্য ২০ মিনিট বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন। এতে করে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি হৃৎস্পন্দনও স্বাভাবিক হয়ে আসবে। শরীর ঘামানো বন্ধ হওয়ার পর গোসলে যাওয়া যাবে।
ব্যায়ামের পর ক্লান্ত শরীর নিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করা অনেকের জন্য বিরক্তিকর মনে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে এ সময়টুকু কাজে লাগানোর জন্য, সে সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে পারেন। পানি পান করতে ইচ্ছা না হলে ফলের শরবত পান করতে পারেন। পাশাপাশি পছন্দের কয়েকটি গান শুনে নিলে মন্দ হবে না। তবে আর যা-ই করুন ব্যায়ামের পর বিশ্রামের সময় ভারী খাবার গ্রহণ করা যাবে না।
Model: NADIM, EX-TRAINER, BM FITNESS
02/08/2026
🖤 ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন 🖤
অত্যন্ত গভীর শোক ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, বিএম ফিটনেস জিমনেসিয়াম পরিবারের একজন নিয়মিত সদস্য এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ অনার্স শিক্ষাবর্ষের কৃতি শিক্ষার্থী নাফিজা আক্তার খালেদা গত ১লা আগস্ট এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেছেন।
তার এই আকস্মিক ও অকাল মৃত্যুতে বিএম ফিটনেস জিমনেসিয়াম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত। একজন স্বপ্নবাজ তরুণীর এমন অকাল বিদায় অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও হৃদয়বিদারক।
আমরা পরম করুণাময় মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তায়ালা যেন তার সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান দান করেন। একইসাথে মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও সহপাঠীদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। আল্লাহ তাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি ও শোক সইবার ধৈর্য ধারণ করার শক্তি দান করুন। আমিন। 🤲
শোকান্তে,
বিএম ফিটনেস জিমনেসিয়াম পরিবার