লিখেছেন - আবদুল কাইয়ুম রিগান
একটা ভবিষৎবাণীমূলক পোস্ট---
শিবিরের ঢাবি সভাপতি পরিচয় গোপন করায় শাহেদ আলম তাঁর সমালোচনা করেছে। তাকে শিবিরের কর্মী সমর্থকেরা ধুয়ে দিয়েছে। তাঁর কমেন্ট বক্সে গালাগালি থেকে শুরু করে তাকে কাফের-মুরতাদ পর্যন্ত বানিয়ে ছেড়েছে। অথচ এই শাহেদ আলম কিন্তু ডানপন্থী সাংবাদিক। একই ঘটনা ঘটেছে গোলাম মাওলা রনির সাথেও। সে যতদিন জামাত-শিবিরকে সমর্থন করেছে ততদিন তাকে প্রশংসার বন্যায় ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে যখনই সে মৃদু সমালোচনা করেছে তখনই তাকে বিদ্বেষমূলক কমেন্টে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে! আপনাদের মনে আছে কিনা জানিনা- মুফাসসিল ইসলাম নামে একজন ইসলাম বিদ্বেষী ইউটিউবারের ভিডিও আপনাদের চোখে পড়ে থাকবে। নিজেকে নাস্তিক মনে করে সে। তিনি একজন বৃটিশ আইনজীবী। এই লোক কিন্তু একটা সময় ইসলামপন্থী ছিলেন। ভিডিও বানানোর কোন এক পর্যায়ে তিনি মাওলানা মৌদুদী(রঃ) এর কিছু নীতির সমালোচনা করেন। তারপর আগুন লেগে যায় তাঁর কমেন্ট বক্সে। তিনি অনলাইন মবের মুখামুখি হন এবং বিতর্কের চরম মাত্রায় তিনি ইসলামের বিরুদ্ধে চলে যান।
মাওলানা মৌদুদী(রঃ) কোন নবি নন এবং তাঁর অনেক নিতি-ই ছিল ত্রুটিপূর্ণ। এছাড়া একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একটা রাজনৈতিক দলের নানা সমালোচনা হয়। নানা কারনেই মানুষ রাজনৈতিক দলের এবং নেতার সমালোচনা করে/ করবে। তাই বলে তাদের সম্মিলিত ভাবে হেনস্থা করা অশোভন এবং স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। শিবিরকে মানুষ ভালোবাসে মূলত কয়েকটি কারণে। তাদের ইসলামী জীবনধারা, তাদের নম্রতা, তাদের সাংগঠনিক দক্ষতা ইত্যাদি। তবে সম্প্রতি তারা আমজনতার কাছে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তারা মজলুম বলে এবং তারা স্বৈরাচার বিরোধী ছিল বলে!
অন্যের সমালোচনা না নিতে পারাই স্বৈরাচারের প্রধান লক্ষণ।কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে জামাত-শিবিরের কর্মীদের মধ্যে সে প্রবণতা দারুণ ভাবে দেখা যাচ্ছে। যা দুঃখজনক। এই ধারা অব্যাহত থাকলে দ্রুতই তারা নিজেরাই মজলুম থেকে জালেম এবং স্বৈরাচার হয়ে উঠবে। আর এই দিকে তারা আমজনতার কাছে দ্রুত অজনপ্রিয় হয়ে উঠবে।
যেহেতু রাজনীতি মানুষকে নিয়ে তাই মানুষের কাছে অজনপ্রিয় হয়ে গেলে নিদারুনভাবে তাঁর মূল্য চুকাতে হয়। পতিত স্বৈরাচারেরা আমাদের সে শিক্ষাই দিয়ে যায়। হয়তো অল্প সময়ে কোন ক্ষতি চোখে পড়বেনা কিন্তু লম্বা সময়ে তা বিপর্যয় ডেকে আনবে। শাসকদের নিয়ে Seven Kings Must Die (2023) মুভিতে একতা সংলাপ আছে এমন- অমুক শাসকের পতন আসন্ন কারণ সে অমুক রাজ্য দখল করে তাঁর সম্মানিত মানুষের সম্মানহানী করেছে! দলের সামান্য সমালোচনার কারণে এই যে জামাত-শিবির অনলাইন যোদ্ধারা হামলে পড়ে সেটা দীর্ঘমেয়াদে অকল্যাণ বহে নিয়ে আসবে। ইতিহাস বর্তমানে জামাতকে এক দারুণ চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়েছে।তাদের প্রতি আমজনতার যে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ তারা কি সেটার ফসল ঘরে তুলতে পারবে?
প্রশ্ন জাগতে পারে জামাত-শিবিরের কর্মীদের এমন যুদ্ধাংদেহী মনোভাবের কারণ কি?
কেন তারা এমন কট্টর তা বুঝতে হলে জানতে হবে মানুষ কখন কট্টর হয়। মানুষ মূলত কট্টর হয় বিচিত্র তথ্যের অভাবে। মানুষ কট্টর হয় দীর্ঘদিন ধরে একই ধরণের বিদ্যা অর্জনের মাধ্যমে। মানুষ কট্টর হয় একই পরিবেশে দীর্ঘদিন থাকলে। যখন বৈচিত্র্যময় জ্ঞান, পরিবেশ বা মেলামেশা মানুষ আহরণ করতে পারেনা তখন তাঁর মধ্যে কট্টরপন্থা দেখা দেয়।
জামাত-শিবিরের সিলেবাসের বইগুলো খেয়াল করেছেন? রাইট। একই ঘারানার বই এবং অবশ্যম্ভাবী ভাবে সেগুলো তাদের মতাদর্শ সংক্রান্ত। ফলে তাদের বেশির ভাগেরই চিন্তা ভাবনা সংকীর্ণ এবং কট্টর হয়ে উঠে। এছাড়া তারা থাকে তাদের রাজনৈতিক মেসে। তাদের সার্কেল তাদের মতাদর্শের ভাইদের সাথে। তাদের আত্মীয়তা অন্য জামাত পরিবারের সাথে। এমন কি তারা চা-ও খায় জামাতের লোকের চায়ের দোকানে!
ফলে তাদের বেশিরভাগই পৃথিবীর বিচিত্র জ্ঞান এবং বিচিত্র সামাজিক পরিবেশের সাথে তারা সহজে মানিয়ে উঠতে পারেনা।অনলাইন হল মত প্রকাশের এক অবাধ মাধ্যম । ফলে সবাই দেদারসে তাদের মতামত জানিয়ে যাচ্ছে যা কঠিনভাবে গুষ্ঠিবদ্ধ কোন দল বা জাতির জন্য অস্বস্তিকর! যা অবচেতনে কাজ করে চলছে ইসলামী দলগুলোর সদস্যদের মনে!
এছাড়া মাওলানা মৌদুদী(র:) যখন তাঁর মতবাদগুলো লিখছিলেন তখন পৃথিবীতে চলছিল রাশিয়ান বিপ্লবের রমরমা যুগ। এছাড়া ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে দেশগুলো মাত্র স্বাধীনতা পাচ্ছিল। সে সময় দেশে দেশে স্বৈরাচারী শাসন- বিপ্লব ঘটে চলছিল। মাওলানা মৌদুদীর তাই রাষ্ট্র চিন্তা কিছুটা হয়ে পড়ছিল স্বৈরতান্ত্রিক প্রভাবিত। যা শিবিরের কর্মীদের উপর প্রভাব বিস্তার করে থাকতে পারে। তবে আশার বানী হচ্ছে শিবিরের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের খুব একটা গোঁড়ামি করতে এখন পর্যন্ত প্রবলভাবে দেখা যায়নি। কর্মি-সমর্থক পর্যায়ের অনলাইন বিপ্লবিদেরই এই ভূমিকায় দেখা গেছে বেশি। তবে জামাত-শিবিরের নিজেদের কল্যানের জন্যই এই ধরণের অনলাইন মব দমন করতে হবে। মজলুমকে কেউ জালেমের রূপে দেখতে চায়না।
পুনশ্চঃ এই লম্বা পোস্ট লেখার উদ্দেশ্য বারবার শেয়ার দেওয়া। জামাতের এই ফ্যানাটিক ফোর্স সহজে ভদ্র হবেনা বলে মালুম হয়। এবং শিবিরের নেতৃবৃন্দ হয়তো প্রথম দিকে ব্যাপারটা আমলেই নিবেনা। তারা বারবার সমালোচিত হবে এবং একটা সময় বিশাল জনগোষ্ঠীর অপ্রিয় হয়ে উঠবে। যখনই এমন ঘটনা পুনঃপুনঃ ঘটবে আমি পোস্টটি শেয়ার দিব।
বিঃদ্রঃ পোস্ট দেওয়ার পর কমেন্ট বক্স ওপেন রাখবো। উল্টাপাল্টা কমেন্ট আশা শুরু করলে কমেন্ট বক্স বন্ধ করে দিব। তখন অনেকে পস্টে হা হা দিয়ে মনের হাউস মিটাতে পারে! :D :D :D
TSC, CUET
Community
মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সব ধর্মের শিক্ষার্থীর চুয়েট ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাসে সবাই স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে।
ক্যাম্পাসে আড্ডা হবে, প্রেম হবে, গান হবে, কনসার্ট হবে, মাহফিল হবে, বসন্ত উৎসব হবে, পহেলা বৈশাখ উদযাপন হবে, র্যাগ উৎসব, বিতর্ক হবে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে, রোবোটিকস গেইমিং কম্পিটিশন হবে । এক কথায় সব হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সর্বজনীন জায়গা। এখানে জ/ঙ্গিবাদের কোনো ঠাঁই নাই।
08/09/2024
শুনো, ধর্ম আর দেশ মিলাইতে যায়ো না।
পরে ফুলের নাম কি দিবা ফাতেমা চূড়া?
~ মওলানা ভাসানী
© সংগৃহীত
27/07/2024
#শহীদ_তাহমিদ_ভূঁইয়া_তামিম স্মরণে~
এই শহীদ তাহমিদ ভূঁইয়া তামিম হয়তো চুয়েটের '২৮ ব্যাচের ছাত্র হতে পারতো।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে ঝড়ে গেল এরকম কত কত তাঁজা প্রাণ। তাঁদের স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁদের প্রতিনিধিত্বস্বরূপ চুয়েটের নির্মাণাধীন (সেন্ট্রাল ফিল্ডের পাশে, শেখ রাসেল হলের পাশে) নতুন হলের নাম " শহীদ তাহমিদ তামিম হল" নামকরণ করা হউক।
ইতিহাস তাঁদের মনে রাখবে। ছাত্রসমাজের মনে যে রাখতেই হবে।
#শহীদ_তাহমিদ_তামিম_হল ✊
SSC, HSC রেজাল্টের পর পত্রিকায়, অনলাইনে শুধু মেয়েদের উল্লাসের ছবি দেখা যায়। মেয়েরা তো রেজাল্ট ভালোই করে। ছেলেদেরকে দেখাই যায় না, পিছিয়ে থাকে ছেলেরা।
কোটা থাকলে ছেলেদের জন্য থাকা প্রয়োজন। মেয়েদের জন্য ১০% কোটা থাকলে ছেলেদের জন্য ২০% কোটা রাখা দরকার। 😂😂
12/07/2024
সংগৃহীত
কোটা বাতিলের চেয়ে সংস্কার হওয়া বেশি যৌক্তিক। এক্ষেত্রে ৯ম-২০তম গ্রেডের সকল গ্রেডেই কোটা সংস্কার করা যেতে পারে যেখানে মোট কোটা রাখা যেতে পারে গ্রেডভেদে সর্বোচ্চ পাঁচ-দশ শতাংশ।
৯ম- ১৩ তম গ্রেড :
মুক্তিযোদ্ধা কোটা - ১%
নারী কোটা - ১%
বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষ - ১%
জেলা কোটা - ১%
ক্ষুদ্র ও নৃ গোষ্ঠী - ১%
মোট = ৫%
১৪ তম - ২০ তম গ্রেড :
মুক্তিযোদ্ধা কোটা - ৩%
নারী কোটা - ২%
বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন - ২%
জেলা কোটা - ২%
ক্ষুদ্র ও নৃগোষ্ঠী - ১%
মোট = ১০%
চাকরি পাওয়ার আগে কোটা নিয়ে টেনশন,
চাকরি করাকালীন পদোন্নতি নিয়ে টেনশন,
এখন আবার চাকরি শেষের পেনশন নিয়ে টেনশন।
#হুদাই_জীবন
29/06/2024
24/06/2024
ফেনী জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন হয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় - চুয়েট এর '৯৬ ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্র জনাব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।
তিনি CUET হতে Electrical and Electronic Engineering এ গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। চুয়েট থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করে Erasmus Mundus Scholarship নিয়ে University of Gothenburg, Sweden থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন।
শিক্ষাজীবন শেষে তরুণ প্রকৌশলী মনিরুল ২৫ তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।
সদা হাস্যজ্জ্বল ও স্মার্ট এই কর্মকর্তা ইতঃপূর্বে ডিসি, ডিবি গুলশান (ডিএমপি) হিসেবে এবং পুলিশ সুপার, পিবিআই নারায়ণগঞ্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
Chittagong
4349