NET to DOOR
If you are looking for quality products & reliable service provider than we are the best for you...o
17/06/2021
যেভাবে সিপিআর এরিকসেনের জীবন বাঁচালো- (একটি জনসচেতনতামূলক পোস্ট):
এরিকসেনের কার্ডিয়াক এরেস্টের কথা আমরা সবাই জানি। এরকম অবস্থায় যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়া হলে প্রতি মিনিটে মৃত্যুর সম্ভাবনা ১০% করে বাড়তে থাকে এবং ১০ মিনিটের মধ্যেই রোগী মারা যেতে পারে।
তো কিভাবে এরিকসেন বাঁচলেন? কিভাবে আমরাও এরকম অবস্থায় একটি মূল্যবান জীবন বাঁচাতে পারব?
পড়ুন, লেখাটি সেভ রাখুন, সম্ভব হলে সবার টাইমলাইনে কপি করে ফেলুন।
---
১. শুরুতেই মুখে আঙুল ঢুকিয়ে জিহবা বের করে আনতে হবে। নতুবা জিহবা উল্টিয়ে আপনার মুখের এয়ারওয়ে ব্লক করে দিবে, ফলে ফুসফুসে অক্সিজেন যাবে না৷
কালকে Simon Kjaer শুরুতে ঠিক এ কাজটাই করেছেন। এয়ারওয়ে ওপেন করে শ্বাস চলাচল শুরুর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
২. এরপর মাথাটা পেছনে ঝুঁকান (প্রথম ছবি দ্রষ্টব্য), তারপর শ্বাস চেক করুন। মুখ থেকে শ্বাস বের হচ্ছে কিনা, বুক উপরনিচ করছে কিনা, শ্বাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন কিনা। যদি ১০ সেকেন্ডে কিছুই না শুনতে পান, তবে ১০ সেকেন্ড পর সিপিআর শুরু করতে হবে।
৩. সিপিআর যেভাবে দেবেন:
ক. সামনে একজন মানুষ রাখবেন, আপনি হাঁপিয়ে গেলে উনি সিপিআর দিবেন, আবার উনি হাঁপিয়ে হেলে আপনি দিবেন।
খ. বুকের হাড়ের মাঝখানে, দুই নিপলের মাঝখানে এক হাত রাখুন। অন্য হাতটি প্রথম হাতের উপর রেখে তার আঙুলের ফাঁকে ফাঁকে গুঁজে দিন।
গ. এরপর খুবই দ্রুত (সেকেন্ডে ২ বার, মিনিটে ১০০-১২০ বার) এবং খুবই শক্তি সহকারে (৫ সে:মি: পরিমান দেবে যেতে হবে, যা এক আঙুলের তিন ভাগের ২ ভাগ) প্রেস করতে হবে।
আবারও বলি, আস্তে দিলে হবে না। খুবই জোরে দিতে হবে। শরীরের সব শক্তি দিয়ে দিতে হবে, খুবই দ্রুত (মিনিটে ১০০-১২০ বার) দিতে হবে।
এটা দ্রুত করে যেতে হবে, যতক্ষন না পর্যন্ত রোগীর জ্ঞান ফিরে না আসে। ক্লান্ত হয়ে গেলে সামনের মানুষটার হাতে দিয়ে দিবেন। উনি ক্লান্ত হয়ে গেলে আপনি করবেন। এরপর ডাক্তার/নার্স/হেলথ প্রফেশনাল আসলে তার হাতে দিয়ে দিবেন।
---
Kjaer এর সেরা কাজ যেটা ছিল, সেটা ছিল এই সিপিআর। সিপিআর না থাকলে এরিকসেন আর থাকতেন কিনা সন্দেহ।
এই পুরো প্রসেসটা শিখে রাখেন, হয়ত আল্লাহ আপনার হাতে কারো জীবন বাঁচার উসিলা করে দিবেন ইনশাআল্লাহ।
💥কিছু হিমসাগর আম এসছে চাঁপাই থেকে.....
📣আমের সাইজ বেশ ভাল।
📢প্রতি কেজিতে ৪-৫ টি থাকবে।
❤আর স্বাদ, সে তো অতুলনীয়....
অর্ডার করতে এখনি ইনবক্স করুন।
💥কেজি প্রতি মাত্র ৮৫ টাকা💥
সর্বনিম্ন ১০ কেজি....
ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য
💥কিছু আম এসছে চাঁপাই থেকে.....
📣আমের সাইজ বেশ ভাল।
📢প্রতি কেজিতে ৪-৫ টি থাকবে।
❤আর স্বাদ, সে তো অতুলনীয়....
অর্ডার করতে এখনি ইনবক্স করুন।
💥কেজি প্রতি মাত্র ৮৫ টাকা💥
সর্বনিম্ন ১০ কেজি....
05/06/2021
এসে গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত "ক্ষিরসাপাত" আম যা ''হিমসাগর'' নামে পরিচিত।
📣মূল্য প্রতি কেজি মাত্র ৮৫ টাকা
📣সর্বনিম্ন ১০ কেজি নেয়া যাবে।
🚕হোম ডেলিভারী এভেইলেবল চট্টগ্রাম সিটিতে।
আগ্রাবাদ সুন্দরবন কুরিয়ার থেকে নিলে ডেলিভারী চার্জ প্রযোজ্য হবে না।
অর্ডার করার ৩-৪ দিনের মধ্যে ডেলিভারী হবে।
অর্ডার করতে এখনি ইনবক্স করুন অথবা যোগাযোগ করুন
☎ ০১৮৩৩০৫৩৭১৯ অথবা ০১৮২৯৪৭২০০১ নম্বরে
02/06/2021
চাঁপাই থেইকে আম আইসছে.....
শিগ্রই প্রিঅর্ডার নেয়া হইবে......
বিস্তারিত আইসতেছে.....
13/05/2021
May peace, safety, good health and prosperity be yours. ''Eid mubarak''
নিয়মিত দই খাওয়ার ১০ উপকারিতাঃ
*********************************
দই শুধু মজাদার খাবারই নয়, এটি স্বাস্থ্যকরও বটে। খাদ্যতালিকায় দুগ্ধজাত এ উপাদানটি নিয়মিত রাখলে আপনি বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত সুবিধা পাবেন।
১. মজবুত হাড় দইয়ে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি। দুটি উপাদানই হাড়ের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। নিয়মিত দই খেলে হাড় মজবুত হবে।
২. হজমে উপকার অনেকেই হজমের সমস্যার কারণে দুধ খেতে পারেন না কিন্তু দই খেলে সমস্যা হয় না। খাবার সহজে হজম করতে সহায়তা করে দই।
৩. উপকারী ব্যাকটেরিয়া দইয়ে রয়েছে অসংখ্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া। এ ব্যাকটেরিয়াগুলো দেহের ক্ষতি করে না বরং হজমে সহায়তা করে। এ ছাড়া দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করে দইয়ের ব্যাকটেরিয়া।
৪. রক্তচাপ কমায় দইয়ের পটাসিয়াম রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে।
৫. ত্বকের জন্য উপকারী দইয়ের উপাদান ত্বককে মসৃণ করে। দইয়ের ল্যাকটিক এসিড ত্বককে পরিষ্কার করে এবং মৃত কোষ দূর করে।
৬. খাদ্যপ্রাণ দইয়ে অন্যান্য উপাদানের পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর ভিটামিন। বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ভিটামিন বি৫, জিংক, পটাশিয়াম, ফসফরাস, আয়োডিন ও রিবোফ্লাভিন।
৭. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়মিত দই খাওয়া হলে তা আপনার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। এ ছাড়া দই দেহের রক্তের শ্বেতকণিকা বাড়িয়ে দেয়, যা জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
৮. দেহের ছত্রাক প্রতিরোধ অনেকের দেহের সংবেদনশীল অঙ্গে ছত্রাক সংক্রমণ হয়। আর এ ছত্রাকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে দই।
৯. পাকস্থলীর নানা সমস্যা দূরীকরণে পাকস্থলীর নানা সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে দই। বিশেষ করে ল্যাকটোজের প্রতি সংবেদনশীলতা, কোষ্টকাঠিন্য, ডায়রিয়া, কোলন ক্যান্সার ও অন্ত্রের সমস্যা দূর করতে কার্যকর দই।
১০. ওজন কমাতে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় দই খেলে দেহের ওজন কমে। এতে জানা গেছে, খাবারের সঙ্গে দই খাওয়া হলে তা দেহের চর্বি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করে। এতে দেহের চর্বি কমে এবং সার্বিকভাবে ওজন কমাতে সহায়তা করে।
16/04/2021
অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রীনা ফ্লোরা লিখেছেন...
লকডাউন উঠে যাবে হয়ত কয়েকদিন পরই । কেন উঠবে সেটাও পরিষ্কার । হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মরবে। লকডাউন রাখা হয়েছিল ভাইরাসটা যেন ধীরে ছড়ায়, ততদিনে যেন ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হয়ে যায় । কিন্তু দুঃখের কথা হলো, পুরো পৃথিবীর ৭০০ কোটির সবার হাতে হাতে এই ভ্যাক্সিন পৌঁছাতে, কম করে হলেও ৩-৪ বছর লাগবে। তাই এমন অনন্তকাল লকডাউন রাখা সম্ভব না, সে যত উন্নত রাষ্ট্রই হোক না কেন । চীন, ইতালিতেও উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে লকডাউন ।
তবে আমরা কি এভাবেই মরব ?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, হ্যাঁ এবং এটা একদমই প্রাকৃতিক ব্যাপার । প্রতিটা যুগে যুগে এমন Evolution হয়েছে । এক যুগে 'ডাইনোসর' ছিল, কিন্তু প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারেনি বলে তারা আজ নেই । অথচ সেই জুরাসিক যুগের 'তেলাপোকা' এখনো টিকে আছে । কারণ সে নিজেকে Evolve করে, নিজেকে চেঞ্জ করে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পেরেছে । ম্যামথও ছিল তখন, হয়ত 'ম্যামথ' তার রূপ চেঞ্জ করেই বর্তমানের হাতি হয়েছে। এগুলাই Evolution.
তো এগুলো বলার মানে কী ? এগুলো জেনে কী করব ?
আমাদেরও প্রকৃতির উপাদানের সাথে Evolve হতে হবে । লড়াই করে টিকে থাকতে হবে । আমাদের নিজেদেরও চেঞ্জ হতে হবে । কিছু নিয়ম মেনে চললেই এই টিকে থাকা সম্ভব ।
১) অভ্যাসঃ-
বাজে অভ্যাসগুলা ত্যাগ করতে হবে । কথায় কথায় মুখে আঙুল দেয়া, কলমের মুখ কামড়ানো, আঙুল জিহ্বায় লাগিয়ে কাগজ উল্টানো, থুতু দিয়ে টাকা গোনা ইত্যাদি যুগ যুগ ধরে চলে আসা বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে । সাথে মাস্ক পড়তে হবে এবং সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে । ২০০৩ এ জাপানে সার্স ভাইরাসের মহামারির পর তাদের মধ্যে এই অভ্যাসগুলো গড়ে উঠেছিল, যা আজ খুব ভাল কাজ করছে ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতে । ধূমপান যথাসম্ভব পরিহার করা ।
২) এনভায়রনমেন্টঃ
আমরা খুব ভাগ্যবান যে আমরা এমন পরিবেশে আছি । নয়ত এই ঘনবসতিপূর্ণ দেশ কবেই শেষ হয়ে যেত। আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা খুব ভালো কাজ করছে । আর্দ্রতা বেশি থাকা মানে বাতাসে ধুলাবালি কম উড়বে । শীতে আর্দ্রতা কম থাকে, চারিদিক শুষ্ক থাকে বলে বেশি ধুলা ওড়ে । এজন্য শীতপ্রধান দেশে এই ভাইরাস হানা দিচ্ছে বেশি । তাই ঠান্ডা/এসি এভোয়েড করতে হবে, এসি রুমের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়।
৩) ইমিউনিটিঃ
এটাই মোস্ট ইম্পোর্টেন্ট । এই পুরো পোস্ট লিখার পেছনে এই পয়েন্টটাই দায়ী । হার্ড ইমিউনিটির বিকল্প নাই । আমাদের ইমিউনিটি বুস্ট করতেই হবে । সেটা কীভাবে ?
ফিজিক্যালি এন্ড মেন্টালি ।
ফিজিক্যালিঃ
* নিয়ম মাফিক ঘুমাতে হবে, রাত জাগা খুব খারাপ শরীর ও ইমিউন সিস্টেমের জন্য । প্রতিদিন কমপক্ষে ৬-৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে ।
* প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে, প্রায় ১৫-৩০ মিনিট । মাসল এক্টিভিটি বাড়াতে হবে ।
* প্রায়ই রোদে ঘুরতে হবে ছাদে । রোদ দরকার, ভিটামিন ডি লাগবেই লাগবে ।
খাবারঃ
• ভাতে কোন ঘোড়ার আন্ডার পুষ্টিও নাই, উল্টা অতিরিক্ত ভাত খেলে আপনি মোটা হবেন । ভাত কম খেয়ে তরকারি এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে ।
• প্রচুর পানি খেতে হবে (এটা খুব বাজে অভ্যাস আমরা পানি খেতে চাই না )।
• এন্টি অক্সিডেন্ট-যুক্তখাবার খেতে হবে । শাক সবজি খেতে হবে । প্রয়োজনীয় প্রটেকশন নিয়ে বাজারে যান, নয়ত ইমিউনিটির অভাবে এমনিও মরতে হবে।
• ভিটামিন সি বা টকযুক্ত ফল, কমলা, লেবু খেতে হবে । এছাড়াও সিজনাল ফল খেতে হবে । প্রতিদিন সকালে লেবু সিদ্ধ গরম পানি খান ।
• ফাস্ট ফুড টোটালি অফ, চিনি কিংবা লবণ খাওয়াও কমাতে হবে ।
• আমাদের দেশের মশলাগুলো দারুণ কাজের । লং, লবঙ্গ, জিরা, হলুদ, দারুচিনি এইগুলো মারাত্মকভাবে ইমিউনিটি বুস্ট করে । দুধে হলুদ মিশিয়ে খাবেন, হলুদ অনেক কাজের । চায়ে মশলা মিশিয়ে খাবেন । গ্রিন টি (এন্টিঅক্সিডেন্ট) বেস্ট, গ্রিন টিতে এই মশলাগুলো খেলে অনেক ভালো।
• কালোজিরা কার্যকরী একটা জিনিস । প্রতিদিন সকাল বেলা উঠে এক চামচ মধুর সাথে কালোজিরা অনেক বেটার একটা কম্বিনেশন । এছাড়া কালোজিরা ভর্তা/ভাজি খাবারের সাথেও খেতে পারেন ।
মেন্টালি:
ইমিউন বুস্টের জন্য সঠিক হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক রাখা খুব জরুরি । তাই মনকে শান্ত রাখতে হবে, হাসি খুশি থাকতে হবে । ধর্মীয় প্রার্থনায় মন দিন, মন সুন্দর থাকবে।
সবাই ভাল থাকুক, সবাই সুস্থ থাকুক । সবাইকে নিয়েই বাঁচতে চাই । বাকিটুকু আল্লাহ ভরসা ।
----অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রীনা ফ্লোরা
03/04/2021
আগামী সোমবার থেকে সারাদেশব্যপী লকডাউন কার্যকর হতে যাচ্ছে!
সিদ্ধান্ত আপনার,
সেইফটি মাস্ক পরবেন নাকি অক্সিজেন মাস্ক!
"সবাই সতর্ক থাকুন, মাস্ক পরিধান করুন"
26/02/2021
AVAILABLE SIZE - 41, 42 & 43.
SHOE SPECIFICATIONS -
SHOE SOLE - IMEVA.
SHOE UPPER - MESH.
MADE IN VIETNAM.
LIGHT SHOE, COMFORTABLE TO USE IN ANY SEASON.
Price : 2000/-
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
53 Enayet Bazar Jubilee Road
Chittagong
4000