নন্দনকানন ইসকন মন্দিরকে নিয়ে অপপ্রচারের নেপথ্যের প্রকৃত সত্য উন্মোচন! ❗নজর দিন আসল ঘটনায়❗
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি খণ্ডিত ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) নন্দনকানন শ্রীশ্রী রাধামাধব মন্দিরের পূজারী ও সাধুদের বিরুদ্ধে "উচ্ছেদ ও নারী নির্যাতনের" যে অভিযোগ আনা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। চাতুর্যের সাথে তৈরি সেই ভিডিওর পেছনের আসল এবং আইনি সত্যটি এবার প্রকাশ্যে এসেছে।
আসুন জেনে নিই নেপথ্যের প্রকৃত ঘটনা ও সত্য তথ্য:
১️⃣ মালিকানা ও ঐতিহাসিক সত্য: ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত এই ঐতিহ্যবাহী ভবন ও শ্রীশ্রী রাধামাধব বিগ্রহের মূল মালিক ছিলেন চট্টগ্রামের অভিজাত সনাতনী 'এন পাল' (ভারতী পাল) পরিবার। তাদের ইচ্ছাতেই ১৯৮০ সালে বিগ্রহের সেবা, তত্ত্বাবধান এবং এই সম্পত্তির সম্পূর্ণ দখল ও মালিকানা স্বত্ব ইসকনের নিকট হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে ইসকন অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সাথে এখানে সেবা-পূজা ও রথযাত্রাসহ বিভিন্ন উৎসব পরিচালনা করে আসছে।
২️⃣ উচ্ছেদের মিথ্যা বানোয়াট দাবি: পালিত পরিবার মূলত এই সম্পত্তির একজন ভাড়াটিয়া মাত্র। ইসকন কাউকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করতে যায়নি। মূল বিরোধটি সৃষ্টি হয়েছে তাদের অবৈধ নির্মাণকাজ নিয়ে। সিডিএ (CDA)-এর কোনো অনুমোদন ছাড়াই তারা মন্দিরের প্রধান চলাচলের রাস্তা ও আঙ্গিনা ব্লক (বন্ধ) করে অবৈধভাবে স্থাপনা সম্প্রসারণ করার চেষ্টা করছিল। যার ফলে সাধারণ ভক্ত ও দর্শনার্থীদের মন্দিরে আসার পথ অবরুদ্ধ হয়ে যাচ্ছিল।
৩️⃣ আইন অমান্য ও সাধুদের হেনস্তা: এই রাস্তা বন্ধের বিষয়ে ইসকন কর্তৃপক্ষ আগেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ এসে দুই পক্ষকে ডেকে আগামী ৫ তারিখ পর্যন্ত সব ধরনের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। ইসকন আইন মেনে শান্ত থাকলেও, পালিত পরিবার পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে জোরপূর্বক ইট ও নির্মাণ সামগ্রী ঢোকানোর চেষ্টা করে। মন্দিরের ব্রহ্মচারীরা এতে বাধা দিলে, সৌমেন পালিত ও তার স্ত্রী অকথ্য ভাষায় সাধু-পূজারীদের গালমন্দ করেন এবং শারীরিকভাবে হেনস্তা করার জন্য তেড়ে আসেন।
৪️⃣ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত খণ্ডিত ভিডিও: নিজেদের অপরাধ ঢাকতে এবং মন্দিরের জায়গা দখলের অসৎ উদ্দেশ্যে তারা সাধুদের ওপর চড়াও হওয়ার অংশটুকুকে কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে, একটি খণ্ডিত ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে সাধু সমাজ তথা ইসকনের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্য সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে "নারী নির্যাতন ও উচ্ছেদ" নাম দিয়ে অপপ্রচার হিসেবে ছড়িয়ে দেয়।
সনাতনী ভাই-বোনদের প্রতি আকুল আবেদন:
আমাদের পূর্বপুরুষদের তৈরি এই ঐতিহাসিক দেবালয় ও পবিত্র স্থান রক্ষা করা প্রতিটি সনাতনীর দায়িত্ব। কোনো অসৎ ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন জাল দলিল বা সস্তা আবেগের অপপ্রচার চালিয়ে মন্দিরের জায়গা গ্রাস করতে না পারে, সেজন্য আমাদের সকলকে সজাগ থাকতে হবে।
আসুন, সত্যকে জানুন এবং যেকোনো ধরনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।
#সনাতন_ধর্ম_ও_সনাতনী_সমাজের_কল্যাণে_ইসকনের_বিভিন্ন_কার্যক্রম:
১. ধর্মান্তরকরণ প্রতিরোধ ও ধর্মীয় চেতনা জাগরণ:
ইসকন সনাতন ধর্মের শিক্ষা ও চর্চার মাধ্যমে বহু যুবক-যুবতীকে ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি আকৃষ্ট করেছে। যারা ইসকনের সঙ্গে যুক্ত হয়, তারা সাধারণত ধর্মীয় অনুশীলনে আরও দৃঢ় হয় এবং সনাতন ধর্ম সম্পর্কে সচেতনতা লাভ করে। ধর্মীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ধর্মান্তরকরণের প্রবণতা রোধে ইসকন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
২. নৈতিক ও চরিত্র গঠনমূলক শিক্ষা:
ইসকনের সদস্যদের চারটি মূলনীতি অনুসরণ করতে উৎসাহিত করা হয়—
মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য বর্জন
অবৈধ যৌনাচার বর্জন
জীবে দয়া ও নিরামিষ প্রসাদ গ্রহণ
জুয়া ও প্রতারণামূলক কার্যকলাপ বর্জন
এর মাধ্যমে যুবসমাজকে নৈতিক, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও আদর্শ জীবনযাপনের পথে পরিচালিত করা হয়।
৩. শিশু ও কিশোরদের ধর্মীয় শিক্ষা:
গুরুকূল ও বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে হাজার হাজার সনাতনী শিশু-কিশোরকে গীতা শিক্ষা, বৈদিক সংস্কৃতি, কীর্তন, ভজন, শ্লোক পাঠ এবং নৈতিক শিক্ষা প্রদান করা হয়। এর ফলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সনাতনী সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ সংরক্ষিত হচ্ছে।
৪. দুর্যোগকালীন ত্রাণ ও মানবসেবা:
বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, মহামারী ও অন্যান্য দুর্যোগের সময় ইসকন খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা প্রদান করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়।
৫. শীতবস্ত্র বিতরণ ও সমাজসেবা:
শীতকালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সেবামূলক কর্মসূচিও পরিচালিত হয়।
৬. সনাতনী সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ:
হরিনাম সংকীর্তন, ধর্মসভা, শাস্ত্র আলোচনা, রথযাত্রা, জন্মাষ্টমী, গৌর পূর্ণিমা এবং অন্যান্য ধর্মীয় উৎসবের মাধ্যমে হারিয়ে যেতে বসা বহু সনাতনী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে।
৭. প্রসাদ বিতরণ কর্মসূচি:
ইসকন নিয়মিতভাবে বিনামূল্যে প্রসাদ বিতরণ ও অন্নসেবার আয়োজন করে। অনেক স্থানে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিও পরিচালিত হয়।
৮. মন্দির নির্মাণ ও ধর্মীয় অবকাঠামো উন্নয়ন:
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মন্দির প্রতিষ্ঠা, সংস্কার ও ধর্মীয় কেন্দ্র পরিচালনার মাধ্যমে সনাতনীদের জন্য ধর্মচর্চার পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।
৯. গীতা ও বৈদিক সাহিত্য প্রচার:
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা, শ্রীমদ্ভাগবতমসহ বিভিন্ন বৈদিক গ্রন্থ প্রকাশ ও বিতরণের মাধ্যমে সনাতন ধর্মের জ্ঞান সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
১০. যুবসমাজকে সংগঠিত করা:
বিভিন্ন যুব কার্যক্রম, সেমিনার, ধর্মীয় আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সনাতনী যুবসমাজকে একত্রিত ও সচেতন করা হয়।
১১. বিশ্বব্যাপী সনাতন ধর্মের পরিচিতি বৃদ্ধি:
বিশ্বের বহু দেশে মন্দির, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সনাতন ধর্মের দর্শন ও সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করা হচ্ছে।
১২. গো-রক্ষা ও পরিবেশ সচেতনতা:
গো-সেবা, কৃষিভিত্তিক জীবনযাপন এবং প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধের শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে বৈদিক সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো সংরক্ষণের প্রচেষ্টা চালানো হয়।
১৩. ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সনাতনী পরিবারের পুড়িয়ে দেওয়া বাড়িঘর পুনর্নির্মাণে ইসকনের ভক্ত ও স্বেচ্ছাসেবকেরা সরাসরি উপস্থিত থেকে কাজ করেছেন এবং লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে বহু পরিবারকে পুনর্বাসনে সহায়তা করেছেন।
শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।
Bhakti Vaccine
ভক্তি ভ্যাকসিন 💉✨
আত্মার জন্য আধ্যাত্মিক প্রতিষেধক ❤️
অহংকার, লোভ, হিংসা—সব দূরে রাখে ঈশ্বর-স্মরণ, নামজপ, সৎসঙ্গ ও সেবা।
📿 প্রতিদিন নিন আপনার ভক্তির ডোজ!
ভক্তি ভ্যাকসিন –
এটি কোনো সাধারণ ওষুধ নয়, বরং হৃদয়ের জন্য একটি আধ্যাত্মিক প্রতিষেধক। ভক্তি ভ্যাকসিন হল সেই অনন্ত শক্তি, যা ভক্তির মাধ্যমে অহংকার, লোভ, হিংসা ও কামনার মতো জীবনের "রোগ" গুলোকে দূর করে দেয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে, ঈশ্বর-স্মরণ ও সেবা হলো আত্মার জন্য সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা। যেমন ভ্যাকসিন শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে, তেমনি ভক্তি ভ্যাকসিন আত্মাকে পাপ ও দুঃখের সংক্রমণ থেকে রক্ষা ক
19/05/2026
পরম পবিত্র মহান পুরুষোত্তম মাস কি জয়
🙏🙏🙏🙏🙏
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
#পুরুষোত্তম_মাস
#হরে_কৃষ্ণ
#রাধাকৃষ্ণ
Bhakti Vaccine
11/03/2026
শ্রীবাস ঠাকুরের মঙ্গলময় আবির্ভাব তিথি!
"আজ পঞ্চতত্ত্বের অন্যতম পার্ষদ শ্রীবাস ঠাকুরের শুভ আবির্ভাব তিথি। শ্রীবাস অঙ্গন ছিল সংকীর্তন আন্দোলনের সূতিকাগার। তাঁর গৃহে ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর অন্তরঙ্গ পার্ষদদের নিয়ে নৈশকালীন কীর্তন করতেন।
ভগবান শ্রীচৈতন্যদেব বাইরের লোকদের ভেতরে আসতে দিতেন না, কারণ তারা অশ্রু, ক্রন্দন, মূর্ছা যাওয়া এবং দিব্য ভাবের বিভিন্ন লক্ষণ বুঝতে পারবে না। তাই এটি ছিল একটি অত্যন্ত অন্তরঙ্গ সঙ্গ।
শ্রীবাস অঙ্গনে একটি বিশেষ কল্পবৃক্ষও ছিল - আপনি সেখান থেকে যত ফুল তুলবেন, তত বেশি ফুল সেই বৃক্ষ আসতো! বিভিন্ন জগতের ভক্তবৃন্দ পূজা-অর্চনার জন্য এই বৃক্ষ থেকে ফুল তুলতে আসতেন।
শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের বর্ণিত নামহট্ট পদ্ধতিতে, শ্রীবাস ঠাকুর হলেন নবদ্বীপের অন্যতম একজন সহকারী পরিচালক, যিনি কৃষ্ণপ্রেমরূপ পণ্য বিতরণে সহায়তা করেন। সেই পণ্যের মূল্য অর্থ নয় - তার মূল্য হলো শ্রদ্ধাভক্তি।
এই পবিত্র তিথিতে, আমরা শ্রীবাস ঠাকুরের করুণার জন্য প্রার্থনা করতে পারি।"
~ শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজের অ্যাপ বার্তা
১১ই মার্চ, ২০২৬
03/03/2026
💛💛💛 ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথি নক্ষত্র ফাল্গুনী
শুভক্ষণে জনমিলা গৌর গুন মনি💛💛💛
❣️শুভ গৌর পূর্ণিমা মহা মহোৎসব❣️
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
06/02/2026
🌼শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর প্রভুপাদ— শুদ্ধ ভক্তিধারার যুগপ্রবর্তক আচার্য 🌼
গৌড়ীয় বৈষ্ণব ইতিহাসে গৌড়ীয় সিংহ পুরুষ- শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর প্রভুপাদ এক অমর নাম। তিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষাকে আধুনিক যুগে সংগঠিতভাবে প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বব্যাপী প্রচারের ভিত্তি স্থাপন করেন। নির্ভীক প্রচার, শাস্ত্রজ্ঞতা ও কঠোর বৈরাগ্যের জন্য তিনি বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ।
🔹 জন্ম ও পরিবার
জন্মনাম: বিমল প্রসাদ দত্ত
জন্ম: ৬ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৪, শ্রীক্ষেত্র জগন্নাথ পুরী
পিতা: শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর
মাতা: ভাগবতী দেবী
জন্মের সময় রথযাত্রা চলছিল। জন্মের পর তাঁর শরীরে উপবীত সদৃশ চিহ্ন দেখা যায় — যা শুভ লক্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
🔹 শিক্ষা ও প্রতিভা
তিনি ছিলেন অসাধারণ মেধাবী ও শাস্ত্রবিশারদ।
▪️ সংস্কৃত, দর্শন, গণিত ও জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী
▪️ বহু শাস্ত্র গভীরভাবে অধ্যয়ন করেন
▪️ শাস্ত্রজ্ঞতার জন্য “সিদ্ধান্ত সরস্বতী” উপাধি লাভ করেন
🔹 ভজন ও সাধনা
তিনি এক বিলিয়ন (১০০ কোটি) হরিনাম জপের ব্রত গ্রহণ করেন এবং বহু বছর কঠোর ব্রহ্মচার্য ও সাধনায় জীবন অতিবাহিত করেন।
🔹 গৌড়ীয় মঠ প্রতিষ্ঠা
১৯১৮ সালে গৌড়ীয় মঠ প্রতিষ্ঠা করেন।
তাঁর প্রচেষ্টায় —
✅ ৬০+ মঠ ও প্রচারকেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত
✅ দেশ-বিদেশে গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্ম প্রচার
✅ সংগঠিত প্রচারব্যবস্থা গড়ে ওঠে
🔹 বৃহৎ মৃদঙ্গ দর্শন
তিনি বলতেন —
📖 “মুদ্রণযন্ত্র হলো বৃহৎ মৃদঙ্গ”
অর্থাৎ, গ্রন্থ ও পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে ভক্তি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া যায়।
📚 গ্রন্থ, টীকা ও প্রকাশনা কার্যক্রম
শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর নিজে বহু প্রবন্ধ, টীকা ও শাস্ত্রভিত্তিক রচনা করেন এবং অসংখ্য প্রামাণিক গ্রন্থ সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।
🔸 উল্লেখযোগ্য রচনা ও টীকা
✅ ব্রহ্মসংহিতা — টীকা সহ প্রকাশ
✅ চৈতন্য চরিতামৃত — সম্পাদনা ও প্রামাণিক সংস্করণ প্রচার
✅ শ্রীমদ্ভাগবতম — নোট ও ব্যাখ্যাসহ প্রকাশনা
✅ গুরুতত্ত্ব, নামতত্ত্ব, ভক্তিতত্ত্ব বিষয়ে বহু প্রবন্ধ
✅ বৈষ্ণব সিদ্ধান্ত বিষয়ক লেখাসমূহ
🔸 পত্রিকা প্রকাশ
তিনি নিয়মিত আধ্যাত্মিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন —
📰 সজ্জন তোষণী
📰 দ্য গৌড়ীয় (বাংলা ও ইংরেজি)
📰 নদীয়া প্রকাশ
এইসব পত্রিকায় তাঁর শত শত প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।
🔹 প্রচার দর্শন
✔️ শুদ্ধ নাম জপ
✔️ ভক্তিই প্রকৃত পরিচয় — জন্ম নয়
✔️ অপসংস্কার ও ভণ্ডামির বিরোধিতা
✔️ গুরু-পরম্পরার শুদ্ধ শিক্ষা অনুসরণ
✔️ আচরণে শুদ্ধ বৈষ্ণব জীবন
🔹 বিশিষ্ট শিষ্যগণ
▪️ শ্রীল এ. সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ (ISKCON প্রতিষ্ঠাতা)
▪️ ভক্তিরক্ষক শ্রীধর দেব গোস্বামী
▪️ ভক্তি প্রজ্ঞা কেশব মহারাজ — প্রমুখ
🔹 তীরোভাব
১ জানুয়ারি ১৯৩৭ — কলকাতায় অপ্রকাশিত হন।
01/02/2026
নিতাই পদ কমল কোটি চন্দ্র সুশীতল
যে ছায়ায় জগৎ জুড়াই...... 🙏🙏🙏
17/01/2026
Jay Jay Radha Ramana Haribol.
Jay Jay Radha Raman Haribol.....
😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Chittagong
4000