19/01/2024
♦️কক্সবাজার কমিউটার ট্রেনের সময়সূচি এবং স্টপেজ
🌻ট্রেনের নাম: কক্সবাজার কমিউটার-১
• রুট: চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার
• স্টপেজ/যাত্রাবিরতি: ১১টি(প্রান্তিক স্টেশন সহ ১৩টি স্টেশন ধরবে)
ট্রেনটি↓
👉চট্টগ্রাম ছেড়ে যাবে সকাল ৯:৫০ টায়
👉ষোলশহর পৌঁছাবে ৯:৫৯ টায়
👉ছেড়ে যাবে ১০:০১ টায়
👉জান আলীহাট পৌঁছাবে ১০:১৩ টায়
👉ছেড়ে যাবে ১০:১৫ টায়
👉পটিয়া পৌঁছাবে: ১০:৪০ টায়
👉ছেড়ে যাবে ১০:৪২ টায়
👉দোহাজারী পৌঁছাবে ১১:০৪ টায়
👉ছেড়ে যাবে ১১:০৬ টায়
👉সাতকানিয়া পৌঁছাবে ১১:১৭ টায়
👉ছাড়বে ১১:১৯ মিনিটে
👉লোহাগাড়া পৌঁছাবে ১১:৩৩ টায়
👉ছেড়ে যাবে ১১:৩৫ টায়
👉হারবাং পৌঁছাবে ১১:৫২ টায়
👉ছাড়বে ১১:৫৪ টায়
👉চকরিয়া পৌঁছাবে ১২:০৭ টায়
👉ছাড়বে :১২:০৯ টায়
👉ডুলাহাজরা পৌঁছাবে: ১২:২২ টায়
👉ছাড়বে : ১২:৩৭ টায়
✅কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ৭০৩ নং মহানগর গোধূলী ট্রেনের সাথে ক্রসিং হবে।
ইসলামাবাদ পৌঁছাবে: ১২:৫০ মিনিটে
ছাড়বে : দুপুর ১:০৮ মিনিটে
✅এখানে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ৮১৩ নং কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সাথে ক্রসিং হবে।
রামু পৌঁছাবে: ১:২৫ মিনিটে
ছাড়বে : ১:২৭ মিনিটে
কক্সবাজার পৌঁছাবে: ১:৪৫ মিনিটে।
🌻ট্রেনের নাম: কক্সবাজার কমিউটার-২
• রুট: কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম
• স্টপেজ/যাত্রাবিরতি: ১১টি(প্রান্তিক স্টেশন সহ ১৩টি স্টেশন ধরবে)
ট্রেনটি↓
🌻কক্সবাজার ছাড়বে দুপুর ২:২৫ মিনিটে
🌻রামু পৌঁছাবে: ২:৩৭ মিনিটে
🌻ছাড়বে : ২:৩৯ মিনিটে
🌻ইসলামাবাদ পৌঁছাবে: ২:৫৬ মিনিটে
🌻ছাড়বে : ২:৫৮ মিনিটে
🌻ডুলাহাজরা পৌঁছাবে: বিকেল ৩:১১ মিনিটে
🌻ছাড়বে : ৩:১৩ মিনিটে
🌻চকরিয়া পৌঁছাবে: ৩:২৫ মিনিটে
🌻ছাড়বে : ৩:৪০ মিনিটে
✅এখানে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কক্সবাজারগামী ৭০৪ নং মহানগর প্রভাতী ট্রেনের সাথে ক্রসিং হবে।
♦️হারবাং পৌঁছাবে: ৩:৫৩ মিনিটে
♦️ছাড়বে : ৪:২৪ মিনিটে
✅এখানে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা চাঁদপুরগামী ৭২৯ নং মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি কক্সবাজার কমিউটার-২ ট্রেনকে পিআরসি(ওভারটেক) করে আগে চলে যাবে।
🌻লোহাগাড়া পৌঁছাবে: ৪:৪১ মিনিটে
🌻ছাড়বে : ৪:৪৩ মিনিটে
🌻সাতকানিয়া পৌঁছাবে: ৪:৫৭ মিনিটে
🌻ছাড়বে : ৪:৫৯ মিনিটে
🌻দোহাজারী পৌঁছাবে: ৫:১০ মিনিটে
🌻ছাড়বে : ৫:১২ মিনিটে
🌻পটিয়া পৌঁছাবে: ৫:৩৪ মিনিটে
🌻ছাড়বে : ৫:৩৬ মিনিটে
🌻জান আলী হাট পৌঁছাবে: সন্ধ্যা ৬:০০ মিনিটে
🌻ছাড়বে : ৬:০২ মিনিটে
🌻ষোলশহর পৌঁছাবে: ৬:১৪ মিনিটে
🌻ছাড়বে : ৬:১৬ মিনিটে
🌻চট্টগ্রাম পৌঁছাবে: ৬:৩০ টায়
📌রেলের যাবতীয় আপডেট পেতে আমাদের বাংলার রেল পেজটি ফলো করুন 👉 কক্সবাজার এর সকল ট্রেনের আপডেট পেতে আমাদের কক্সবাজার প্রতিদিন ℂ𝕠𝕩'𝕤𝕓𝕒𝕫𝕒𝕣 ℙ𝕣𝕠𝕥𝕚𝕕𝕚𝕟 পেজটি ফলো করুন।
02/01/2024
কক্সবাজারের পথে নতুন ট্রেনের নাম পর্যটক এক্সপ্রেস
ঢাকা কক্সবাজার ঢাকা রুটে নতুন আরও একজোড়া ননস্টপ আন্তঃনগর ট্রেন পরিচালনা শুরু হবে
ট্রেনের নাম : পর্যটক এক্সপ্রেস
ট্রেনের নাম্বার হবে ৮১৫ এবং ৮১৬
--------------------------------------
ট্রেনটি ৩২ টি বগির ওপর ১৬ টি কোচ নিয়ে চলবে। ট্রেনের আসন সংখ্যা হবে ৭৮০ টি। রবিবার থাকবে ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ।’
--------------------------------------
প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৮১৫ ট্রেনটি
> কক্সবাজার থেকে ছাড়বে রাত ৮টায়।
> চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০টা ৫০ মিনিটে এবং ছাড়বে ১১টা ১৫ মিনিটে।
> বিমানবন্দর স্টেশনে পৌঁছাবে রাত ৩টা ৫০ মিনিটে ও ছাড়বে ৩টা ৫৩ মিনিটে এবং
> ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছাবে রাত সাড়ে ৪ টায়।
-----------------------------------------
অন্যদিকে ৮১৬ নাম্বার ট্রেনটি
> ঢাকা ছাড়বে ভোর ৬টা ১৫ মিনিট
> বিমানবন্দর স্টেশন পৌঁছাবে ভোর ৬টা ৩৮ মিনিটে ও ছাড়বে ৬টা ৪৩ মিনিটে,
> চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাবে সকাল ১১টা ২০ মিনিটে ও ছাড়বে ১১টা ৪০ মিনিটে এবং
> কক্সবাজার স্টেশনে পৌঁছাবে দুপুর ৩টায়।
06/12/2023
সুখবর!! সুখবর!! সুখবর!!
খুব সম্ভাবনা রয়েছে আগামী ১-ই জানুয়ারি থেকে কক্সবাজার রুটে চলবে আরো একটি ননস্টপ ট্রেন।
ট্রেনটির স্টপেজ সেইম কক্সবাজার এক্সপ্রেস এর মত।
ট্রেনটির কোড নাম্বারঃ ৮১৫/৮১৬
মোট আসন সংখ্যাঃ ৭৮০টি
সাপ্তাহিক বন্ধের দিনঃ রবিবার
ট্রেনের লোড ও কম্পোজিশন ১৬/৩২
♦️ট্রেনের টাইম টেবিল
---------*----------*------------
👉কক্সবাজার টু ঢাকা
🌻কক্সবাজার ছেড়ে যাবে রাত ৮:০০ টায়
🌻চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০:৫০ টায়
🌻চট্টগ্রাম ছেড়ে যাবে রাত ১১:১৫ টায়
🌻বিমানবন্দর পৌঁছাবে ভোর ৩:৫০ টায়
🌻বিমানবন্দর ছেড়ে যাবে ভোর ৩:৫৩ টায়
🌻ঢাকা পৌঁছাবে ভোর ৪:৩০ টায়
👉ঢাকা টু কক্সবাজার
🌹ঢাকা ছেড়ে যাবে সকাল ৬:১৫ টায়
🌹বিমানবন্দর পৌঁছাবে সকাল ৬:৩৮ টায়
🌹বিমানবন্দর ছেড়ে যাবে সকাল ৬:৪৩ টায়
🌹চট্টগ্রাম পৌঁছাবে দুপুর ১১:২০ টায়
🌹চট্টগ্রাম ছেড়ে যাবে দুপুর ১১:৪০ টায়
🌹কক্সবাজার পৌছাবে বিকেল ৩:০০ টায়
রেলের যাবতীয় আপডেট পেতে
Follow 👉 বাংলার রেল
Or রেল প্রেমী-railpremi
ধন্যবাদ 🙂
05/12/2023
কক্সবাজার রুটে পিকনিক স্পেশাল ট্রেন....
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সদস্য ও তাঁদের পরিবারের ৭১৫ জন যাত্রী নিয়ে ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ সকাল ৮ টায় চট্টগ্রাম রেল স্টেশন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ছাড়বে 'বিশেষ ট্রেন'। পরদিন কক্সবাজার স্টেশন থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছাড়বে বেলা ১ টায়।
04/12/2023
বাংলাদেশের ট্রেন সিট প্রকারভেদ, ধরণ ও মান
বাংলাদেশ সব ট্রেনেই কয়েক ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস থাকে। টিকেট কেনার সময় বিশেষ করে অনলাইনে টিকেট কেনার সময় সেখানে সিট ক্লাস পছন্দ করতে গিয়ে অনেকেই বুঝতে পারেন না কোন সিট কেমন ধরণের হয় বা ঐ সিটের বিশেষ কি সুবিধা আছে। আবার অনেকেই হয়তো জানেন না সিট ক্লাস কোডের পূর্ণ রূপ কি বা সেই সিট কেমন বা কি সুবিধা অসুবিধা আছে। তাদের জন্যে আমাদের এই আর্টিকেল। এখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন ট্রেনে যে ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস টাইপ থাকে তার বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো।📕📕
★SHOVAN : পুরো নাম শোভন (Shovan)। নন এসি শোভন ক্লাসের চেয়ার সিট। দেশের সকল মেইল ট্রেন ও কিছু আন্তঃনগর ট্রেনে শোভন সিট থাকে। ট্রেনের সবচেয়ে কম খরচের সিট এবং আরামদায়ক নয় এই সিট।
★S_CHAIR : পুরো নাম শোভন চেয়ার (Shovan Chair)। নন এসি এই সেকেন্ড ক্লাস শোভন চেয়ার সিট প্রায় সব আন্তঃনগর ট্রেনে থাকে। শোভন চেয়ারের ভাড়া শোভন এর চেয়ে বেশী। সিট মোটামুটি আরামদায়ক। শোভন চেয়ার, শোভন এর চেয়ে ভালো সিটের হয়ে থাকে।
★SNIGDHA : পুরো নাম স্নিগ্ধা (Snigdha)। এসি চেয়ার (AC Chair) হিসেবেও পরিচিত। এসি কোচের চেয়ার সিট। দেশের সব আন্তঃনগর ট্রেনে না থাকলেও বেশিরভাগ জনপ্রিয় গন্তব্যের ট্রেনে স্নিগ্ধা কোচ থাকে। সীট শোভন চেয়ারের চেয়ে আরামদায়ক। পুরো কোচ এসি থাকায় ভ্রমণও আরামদায়ক।
আরও পড়ুন : মোবাইলে ট্রেনের টিকেট
★F_CHAIR : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস চেয়ার (First Class Chair)। নন এসি চেয়ার। শোভন চেয়ার (F_CHAIR) এর চেয়ে আরামদায়ক সিট। সব আন্তঃনগর ট্রেনে এই টাইপ থাকেনা।
★F_BERTH : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস বার্থ (First Class Berth)। নন এসি কেবিন সিট। রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ রয়েছে। দিনের বেলায় এই কোচ ক্লাস F_SEAT ফার্স্ট ক্লাস সিট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
★F_SEAT : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস সিট (First Class Seat)। দিনের ট্রেনে নন এসি কেবিন গুলো এই সিট হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ নেই, বসে যেতে হবে। মূলত F_BERTH কেবিন গুলোই দিনের বেলা F_SEAT সিট হিসেবে ব্যবহার হয়।
★AC_B : পুরো নাম এসি বার্থ (AC Berth)। এয়ার কন্ডিশনড কেবিন। শুধু রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। ২ অথবা ৪ সিটের কেবিন হয়ে থাকে। বাংলাদেশের দূরপাল্লার আন্তঃনগর রাতের ট্রেনে এই কেবিন থাকে। বাংলাদেশের ট্রেন গুলোর মধ্যে সবচেয়ে আরামদায়ক ও বেশী খরচের সিট।
★AC_S : পুরো নাম এসি সিট (AC Seat)। এয়ার কন্ডিশনড সিট। মূলত এসি বার্থ (AC_B) কেবিন গুলো দিনের বেলার যাত্রার সময় এসি সিট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।বাংলাদেশের ট্রেন সিট প্রকারভেদ, ধরণ ও মান
বাংলাদেশ সব ট্রেনেই কয়েক ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস থাকে। টিকেট কেনার সময় বিশেষ করে অনলাইনে টিকেট কেনার সময় সেখানে সিট ক্লাস পছন্দ করতে গিয়ে অনেকেই বুঝতে পারেন না কোন সিট কেমন ধরণের হয় বা ঐ সিটের বিশেষ কি সুবিধা আছে। আবার অনেকেই হয়তো জানেন না সিট ক্লাস কোডের পূর্ণ রূপ কি বা সেই সিট কেমন বা কি সুবিধা অসুবিধা আছে। তাদের জন্যে আমাদের এই আর্টিকেল। এখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন ট্রেনে যে ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস টাইপ থাকে তার বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো।
★SHOVAN : পুরো নাম শোভন (Shovan)। নন এসি শোভন ক্লাসের চেয়ার সিট। দেশের সকল মেইল ট্রেন ও কিছু আন্তঃনগর ট্রেনে শোভন সিট থাকে। ট্রেনের সবচেয়ে কম খরচের সিট এবং আরামদায়ক নয় এই সিট।
★S_CHAIR : পুরো নাম শোভন চেয়ার (Shovan Chair)। নন এসি এই সেকেন্ড ক্লাস শোভন চেয়ার সিট প্রায় সব আন্তঃনগর ট্রেনে থাকে। শোভন চেয়ারের ভাড়া শোভন এর চেয়ে বেশী। সিট মোটামুটি আরামদায়ক। শোভন চেয়ার, শোভন এর চেয়ে ভালো সিটের হয়ে থাকে।
★SNIGDHA : পুরো নাম স্নিগ্ধা (Snigdha)। এসি চেয়ার (AC Chair) হিসেবেও পরিচিত। এসি কোচের চেয়ার সিট। দেশের সব আন্তঃনগর ট্রেনে না থাকলেও বেশিরভাগ জনপ্রিয় গন্তব্যের ট্রেনে স্নিগ্ধা কোচ থাকে। সীট শোভন চেয়ারের চেয়ে আরামদায়ক। পুরো কোচ এসি থাকায় ভ্রমণও আরামদায়ক।
আরও পড়ুন : মোবাইলে ট্রেনের টিকেট
★F_CHAIR : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস চেয়ার (First Class Chair)। নন এসি চেয়ার। শোভন চেয়ার (F_CHAIR) এর চেয়ে আরামদায়ক সিট। সব আন্তঃনগর ট্রেনে এই টাইপ থাকেনা।
★F_BERTH : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস বার্থ (First Class Berth)। নন এসি কেবিন সিট। রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ রয়েছে। দিনের বেলায় এই কোচ ক্লাস F_SEAT ফার্স্ট ক্লাস সিট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
★F_SEAT : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস সিট (First Class Seat)। দিনের ট্রেনে নন এসি কেবিন গুলো এই সিট হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ নেই, বসে যেতে হবে। মূলত F_BERTH কেবিন গুলোই দিনের বেলা F_SEAT সিট হিসেবে ব্যবহার হয়।
★AC_B : পুরো নাম এসি বার্থ (AC Berth)। এয়ার কন্ডিশনড কেবিন। শুধু রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। ২ অথবা ৪ সিটের কেবিন হয়ে থাকে। বাংলাদেশের দূরপাল্লার আন্তঃনগর রাতের ট্রেনে এই কেবিন থাকে। বাংলাদেশের ট্রেন গুলোর মধ্যে সবচেয়ে আরামদায়ক ও বেশী খরচের সিট।
★AC_S : পুরো নাম এসি সিট (AC Seat)। এয়ার কন্ডিশনড সিট। মূলত এসি বার্থ (AC_B) কেবিন গুলো দিনের বেলার যাত্রার সময় এসি সিট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
ছবিতে ৭৭২/ডাউন রংপুর এক্সপ্রেস- এসি বার্থ
26/11/2022
আজকের খেলা
১. তিউনিসিয়া-অস্ট্রেলিয়া - বিকেল ৪ টা
২. পোল্যান্ড-সৌদি আরব - সন্ধ্যা ৭টা
৩. ফ্রান্স-ডেনমার্ক - রাত ১০টা
৪. আর্জেন্টিনা-মেক্সিকো - রাত ১টা
23/11/2022
█▒▒▒ সর্বশেষ/Just In ▒▒▒█
** কাতার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় অঘটন; জাপানের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে জার্মানি
16/10/2022
অঘটন দিয়ে শুরু হলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। প্রথম রাউন্ডের উদ্বোধনী ম্যাচে এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কাকে রানে ৫৫ হারিয়েছে নামিবিয়া। আগে ব্যাট করে নামিবিয়া ৭ উইকেটে করে ১৬৩ রান। জবাবে মাত্র ১০৮ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।