RCSC-Tutur Bill, Play Ground

RCSC-Tutur Bill, Play Ground

Share

Very attractive playground in our area.

Photos from RCSC-Tutur Bill, Play Ground's post 10/05/2022

অনেকে হয়তো শুনেছেন টুথপেষ্ট এর কাহিনী যে কিভাবে এর সেল বেড়ে ছিল। আমি মনে করিয়ে দিচ্ছি।

১৯৫০-৬০ এর দিকে টুথপেষ্ট কোম্পানি তাদের সেল কোনভাবেই রাতারাতি বাড়াতে পারছিল না তখন এক লোক তাদের অফার করলো তার কাছে একটি Idea আছে তাতে ৪০% সেল বাড়বে এবং এই Idea এর জন্য তাকে ১০০,০০০. ডলার দিতে হবে। সেই সময়ে এইটা অনেক বড় অংক তাই কোম্পানি এমন একজন বহিরাগত হতে এতো বড় অংক দিয়ে idea নিবে কিনা না তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে ছিল এবং তাকে জানায় এক সপ্তাহের মধ্যে তাকে জানাবে।
সপ্তাহ কেটে যায় কিন্তু কোম্পানির কেউ কোন উপায় না পেয়ে ওইলোক কে ডেকে পাঠায় এবং তার সাথে চুক্তিতে আসে যদি তার idea কাজ করে তাহলে তাকে ১০০,০০০ ডলার দেওয়া হবে।

লোকটি তার পকেট হতে একটি খাকি খাম বের করে এগিয়ে দেয়, যার ভিতর হতে ছোট্ট একটি টুকরো কাগজ বের হয় তাতে লিখা ছিল "Make the hole bigger"

আগে টুথপেষ্ট টিউবের এর মুখ ছিল 5mm তাতে করে কম মাত্রায় পেষ্ট বের হতো কিন্তু Idea মোতাবেক টিউবের মুখের পরিধি 6mm করে দেওয়া হয় যার করনে টিঊবে চাপ দিলে বেশী মাত্রায় পেষ্ট বের হয় এরফলে শেষ হয়েও যায় তাড়াতাড়ি। এরপর সব কোম্পনি তাদের টুথপেষ্ট , শ্যাম্পু , লোশানের মুখ আগে তুলনায় বড় করে যাতে ভোক্তা ব্যবহারের সময় তার পরিমানের চেয়ে বেশি ব্যবহার করে আর তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে যায়।

এখন আসেন আসল কথায় আসি।

সোয়াবিল তেলের দাম বেড়েছে আর এই বাংলায় একবার যার দাম বাড়ে তার দাম হাজার চিল্লালেও কমবে না তাই নিজেরা সংযত হই।

আমারা বাংগালী রান্নার সময় বোতল কাত করে তেল ঢালি আমারদের এই ঢালার অভ্যাস হয়তো আমরা ত্যাগ করতে পারবো না কিন্তু কাত করে ঢেলে দিলেও যাতে বেশি না পরে তার জন্য আমাদের বোতলের মুখ সরু করতে হবে। অথবা স্প্রে বোতল বা ব্রাশ ব্যবহার করতে হাবে যা অনেকেই ব্যবহার শুরু করেছে।

তাহলেই দেখবেন তেলের ব্যবহার অনেক কমে গেছে।

-Collected

18/02/2022

❝গর্ভাবস্থায় এগারোটি গুরুত্বপূর্ণ আমল❞
▬▬▬▬▬▬◄◖❂◗►▬▬▬▬▬▬

যদিও কুরআন-হাদিসে গর্ভাবস্থার জন্য বিশেষ কোনো আমলের নির্দেশনা প্রদান করা হয়নি, তবে আলিমগণ কুরআন-হাদিসের ‘আম (সাধারণ) নির্দেশনার আলোকে হবু মায়েদের জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁদের পরামর্শ এবং আমাদের কিছু সংযোজন মিলিয়েই আজকের এই লেখা।

[১] ঠিক সময়ে নামাজ আদায় করুন। বিশেষত ওয়াক্তের শুরুতেই নামাজ আদায় করে নিতে চেষ্টা করবেন। নামাজ যদি ঠিকঠাক থাকে, তবে অন্য সবকিছু সহজ হয়ে যাবে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাজ দ্বারা অন্তরকে প্রশান্ত করতেন। [আবু দাউদ, আস-সুনান : ৪৩৩৩; হাদিসটি সহিহ]

[২] গর্ভকালীন বিভিন্ন অবস্থা, পেটের ভেতর অনাগত সন্তানের নড়াচড়া ইত্যাদি বিষয়গুলো যথাসাধ্য গোপন রাখুন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘নিজের প্রয়োজন পূরণ হওয়া পর্যন্ত সেটি গোপন রাখার মাধ্যমে (আল্লাহর) সাহায্য লাভ করো; কেননা, প্রতিটি নিয়ামত লাভকারীর সাথেই হিংসুক থাকে।’’ [আলবানি, সহিহুল জামে’ : ৯৪৩; হাদিসটি সহিহ]

তাই, একান্ত বিশ্বস্ত ছাড়া কারও সাথে এগুলো শেয়ার করবেন না। কারণ বদ নজরের ভয়াবহ প্রতিক্রিয়ায় আপনার এবং আপনার সন্তানের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

[৩] সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন (হাদিসে বর্ণিত) দু‘আ ও যিকরগুলো গুরুত্বের সাথে পড়ুন। বিশেষত : আয়াতুল কুরসি একবার, সুরা ফালাক ও সুরা নাস তিনবার, বদ নজর ও জিনের প্রভাব থেকে বাঁচার দু‘আগুলো মিস করবেন না।

[৪] অবশ্যই অবশ্যই সকল প্রকার গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। স্বাভাবিক অবস্থাতেই গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা জরুরি, কিন্তু গর্ভাবস্থায় আরো বেশি জরুরি। কারণ গর্ভাবস্থায় একজন মায়ের কর্ম-কাণ্ডের যথেষ্ট প্রভাব তাঁর অনাগত সন্তানের উপর পড়ে; এ ব্যাপারে প্রায় সকল আলেম সতর্ক করেছেন। সুতরাং, যেসব মায়েরা গিবত, গান, মুভি, সিরিয়াল বা অন্য কোনো গুনাহে আসক্ত, তাঁরা দ্রুত নিজেদের সংশোধন করে, তাওবাহ করে নেবেন।

[৫] নিঃসন্দেহে একজন মা তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন ও কষ্টের সময়টি পার করেন তাঁর গর্ভাবস্থায়। আল্লাহ্ বলেন, ‘‘তার মা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে।’’ [সুরা লুকমান, আয়াত : ১৪] সুতরাং তিনি যদি তাঁর এই কষ্টের জন্য সঠিকভাবে সবর করেন, তবে আল্লাহর নিকট সীমাহীন মর্যাদা লাভ করবেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ করে বলছি, একজন মুমিনের উপর আপতিত যে কোনো ধরনের চিন্তা, পেরেশানি, কষ্ট, ব্যথা, দুর্ভাবনা, এমনকি একটি কাঁটা বিঁধলেও এর মাধ্যমে আল্লাহ তার গুনাহের কাফফারা (প্রায়শ্চিত্য) করে দেন”। [বুখারি, আস-সহিহ : ৫৬৪১, ৫৬৪২; মুসলিম, আস-সহিহ : ২৫৭৩]

আল্লাহ্ বলেন, ‘‘নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদেরকে তাদের পুরস্কার দেওয়া হবে বেহিসাবে।’’ [সুরা যুমার, আয়াত : ১০]

[৬] সর্বাবস্থায় সাধ্যানুযায়ী যিকরে লেগে থাকুন। বিশেষত সকাল-সন্ধ্যার যিকরগুলোর পাশাপাশি প্রত্যেক নামাজের পর ও ঘুমানোর আগে যত্নের সাথে নির্ধারিত যিকরগুলো পড়ুন। আল্লাহ্ বলেন, ‘‘জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়সমূহ প্রশান্ত হয়।’’ [সুরা রাদ, আয়াত : ২৮]

[৭] আপনাকে আল্লাহ্ মা হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন, সেজন্য আল্লাহর কাছে পরিপূর্ণ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেন। বেশি বেশি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবেন ও তাঁর প্রশংসা করবেন।

আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘‘অতএব, তোমরা (মানুষ ও জ্বীন) উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অবদানকে অস্বীকার করবে?’’ [সুরা আর-রহমান]

আল্লাহ্ আরও বলেন, ‘‘তোমরা যদি কৃতজ্ঞতা আদায় করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের আরও বাড়িয়ে দেবো। আর যদি তোমরা অস্বীকার করো (অকৃতজ্ঞতা দেখাও) তাহলে (জেনে রাখো!) আমার শাস্তি বড়ই কঠিন।’’ [সুরা ইবরাহিম, আয়াত : ০৭]

[৮] নেক সন্তান লাভের জন্য বেশি বেশি কুরআনি দু‘আ করুন। আমরা কয়েকটি উল্লেখ করছি : (কুরআনের উচ্চারণ লেখা জায়েয নেই, কারণ সঠিক উচ্চারণ লেখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়, ফলে অর্থ বিকৃত হয়ে যায়। তাই, আমরা উচ্চারণ লিখিনি। সবাই যোগ্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে শিখে নেবেন)

رَبِّ هَبْ لِيْ مِنْ لَّدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً‌ۚ اِنَّكَ سَمِيْعُ الدُّعَآءِ

অর্থ: হে আমার রব! আপনার পক্ষ থেকে আমাকে পুত-পবিত্র সন্তান দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী। [সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ৩৮]

رَبِّ اجْعَلْنِيْ مُقِيْمَ الصَّلَاةِ وَمِنْ ذُرِّيَّتِيْ, رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَآء

অর্থ: হে আমার রব! আমাকে নামাজ কায়েমকারী বানান এবং আমার সন্তানদের মধ্যে থেকেও। হে আমাদের রব! কবুল করুন আমাদের দু‘আ। [সুরা ইবরাহিম, আয়াত : ৪০]

رَبَّنَا هَبْ لَـنَا مِنْ اَزْوَاجِنَا وَذُرِّيّٰتِنَا قُرَّةَ اَعْيُنٍ وَّاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِيْنَ اِمَامًا

অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন, যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদেরকে মুত্তাকিদের নেতা বানান। [সুরা আল-ফুরক়ান, আয়াত : ৭৪]

رَبِّ لَا تَذَرْنِيْ فَرْدًا وَّاَنْتَ خَيْرُ الْوٰرِثِيْنَ‌

অর্থ: হে আমার রব! আমাকে একাকী (নিঃসন্তান) রাখবেন না। আপনি তো উত্তম ওয়ারিস। [সুরা আল-আম্বিয়া, আয়াত : ৮৯]

নেক নিয়তে পুত্র-সন্তান লাভের জন্য পড়তে পারেন—

رَبِّ هَبْ لِيْ مِنَ الصّٰلِحِيْنَ

অর্থ: হে আমার রব! আপনি আমাকে সৎকর্মশীল পুত্র সন্তান দান করুন। [সুরা আস-সাফফাত, আয়াত : ১০০]

সাধারণভাবে ইসলামে মেয়ে সন্তানের ব্যাপারে অধিক মর্যাদা ব্যক্ত করেছে। তাই, মেয়ে হলে আনন্দিত হওয়া উচিত। যদিও আমাদের উপমহাদেশে মেয়ে সন্তানকে খাটো করে দেখা হয়। এটা অন্যায়; মস্ত বড় অন্যায়।

[৯] কুরআন তিলাওয়াত করা : এটি গর্ভাবস্থার গুরুত্বপূর্ণ আমল। আপনার তিলাওয়াতের আওয়াজে সন্তান দারুণভাবে প্রভাবিত হবে। তাই, একদম মনে মনে না পড়ে সামান্য আওয়াজে পড়বেন। পড়তে কষ্ট হলে কাউকে তিলাওয়াত করতে বলবেন অথবা রেকর্ডিং তিলাওয়াত ছেড়ে রাখবেন। তবে, নিজে পড়াই উচিত।

[১০] সমাজে গর্ভবতী নারীদের ব্যাপারে বিভিন্ন কুসংস্কার, বিদ‘আত ও শির্ক প্রচলিত আছে। সতর্কতার সাথে এগুলো থেকে সম্পূর্ণরূপে বেঁচে থাকুন।

[১১] আরও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আমল বেশি বেশি করবেন। সেগুলো হলো : ইস্তিগফার ও দরুদ পাঠ করা এবং সাধ্যানুযায়ী দান সাদাকাহ্ করা। এই তিনটি আমলের প্রভাব বিস্ময়কর এবং প্রমাণিত। কোনো নির্দিষ্ট নিয়মের দরকার নেই।

- Tasbeeh

👉 কপি করে পোস্ট দিতে পারেন।

Photos 18/01/2017

Right

16/11/2016

একদিন হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) বিবি
আয়েশা (রাঃ) কে ডেকে জিজ্ঞেস
করলেন, হে আয়েশা, আজকে আমি
অনেক খুশি, তুমি আমার কাছে যা
চাইবে তাই দেব, বল তুমি কি চাও?


হযরত আয়েশা (রাঃ) চিন্তায় পড়ে গেলেন, হঠাৎ করে তিনি এমন কি চাইবেন, আর যা মন চায় তা তো চাইতে পারেন না! যদি কোন ভুল কিছু চেয়ে বসেন, নবীজী যদি কষ্ট পেয়ে যান? এমন অনেক প্রশ্নই মনে জাগতে লাগলো! আয়েশা (রাঃ) নবীজী কে বললেন, আমি কি আব্বুর কাছ থেকে কিছু পরামর্শ নিতে পারি?

নবীজী বললেন, ঠিক আছে তুমি
পরামর্শ নিয়েই আমার কাছে চাও।
আয়েশা (রাঃ) উনির আব্বু হযরত
আবু বকর (রাঃ) এর কাছে পরামর্শ
চাইলেন।


আবু বকর (রাঃ) বললেন, যখন কিছু চাইবেই, তাহলে তুমি মুহাম্মাদ (সাঃ) এর কাছে, মিরাজের রাতে আল্লাহ পাক রাব্বুল আ'লামীন এর সাথে হইছে এমন কোন গোপন কথা জানতে চাও।
আর কথা দাও নবীজী যা বলবেন তা
সর্বপ্রথম আমাকে জানাবে।


আয়েশা (রাঃ) নবীজী (সাঃ) এর কাছে
গিয়ে মিরাজের রাতের কোন এক গোপন কথা জানতে চাইলেন, যা এখনও কাউকে বলেন নি। মুহাম্মাদ (সাঃ) মুচকি হেসে দিলেন, বললেন বলে দিলে আর গোপন থাকে কি করে! একমাত্র আবুবকর ই পারেন এমন বিচক্ষণ প্রশ্ন করতে।


মুহাম্মাদ (সাঃ) বলতে লাগলেন, হে
আয়েশা আল্লাহ আমাকে মিরাজের
রাতে বলেছেন, "হে মুহাম্মাদ (সাঃ) তোমার উম্মাতের মধ্যে যদি কেউ, কারো ভাংঙা যাওয়া মন জোড়া লাগিয়ে দেয় তাহলে আমি তাহাকে বিনা হিসাবে জান্নাতে পৌঁছে দেব।
(সুবাহানাল্লাহ)

প্রতুশ্রুতি মত, আয়েশা (রাঃ) ইনার
আব্বু হযরত আবুবকর (রাঃ) এর কাছে
এসে নবীজীর বলে দেওয়া এই কথাগুলো বললেন।


শুনে আবুবকর (রাঃ) কাঁদতে শুরু করলেন। আয়েশা (রাঃ) আশ্চর্য
হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, আব্বু আপনি
তো কত ভাংঙা যাওয়া মন জোড়া
লাগিয়েছেন, আপনার তো সোজা
জান্নাতে যাওয়ার কথা কাঁদছেন কেন?

আবুবকর (রাঃ) বললেন, আয়েশা এই
কথাটার উল্টা চিন্তা করে দেখো, কারো
ভাঙ্গা মন জোড়া লাগালে যেমন আল্লাহ সোজা জান্নাতে দিবেন, কারো মন ভাঙলে ও আল্লাহ যদি সোজা
জাহান্নামে দিয়ে দেন, আমি না জানি
নিজের অজান্তে কতজনের মন ভেঙেছি। আল্লাহ যদি আমাকে
জাহান্নামে দিয়ে দেন, সেই চিন্তায়
আমি কাদতেছি।
(সুবাহানাল্লাহ)

এই হলো আমাদের ইসলাম, দুনিয়ায় থেকে জান্নাতের সুসংবাদ পাওয়ার পরেও এইভাবে চিন্তা করেন। এইভাবে ইসলাম আমাদেরকে শিক্ষা দেয়, কাউকে কষ্ট না দিতে, মানুষের কষ্টে পাশে দাড়াতে।

মুহাম্মাদ (সাঃ) আরো বলেছেন, যদি
তুমি গোস্ত রান্না করতে চাও, তাহলে
এক গ্লাস পানি বেশি দিয়ে দাও, যাতে
তোমার গরীব প্রতিবেশীকে একটু
দিতে পারো। আর যদি না দিতে
চাও, তাহলে এমন সময় রান্না করবে,
যখন প্রতিবেশীর বাচ্চা ঘুমিয়ে থাকে,
গোস্তের ঘ্রান পেয়ে বাবা-মাকে গোস্ত
খাওয়ার কথা না বলে, গরীব বাবা-মা,
গোস্ত কিনে খাওয়াতে পারবে না, মনে
অনেক কষ্ট পাবে।

এইভাবে ইসলাম আমাদের শিক্ষা দিয়েছে, মুহাম্মাদ (সাঃ) আমাদের কে শিক্ষা দিয়ে গেছেন।

মানুষের মন না ভাঙতে, মানুষকে কষ্ট
না দিতে।

আল্লাহ পাক রাব্বুল আ'লামীন আমাদেরকে মানুষের কষ্টে পাশে দাড়ানোর, মানুষকে কষ্ট দেওয়া
থেকে, মানুষের ভেঙে যাওয়া মন
জোড়া লাগাতে, অন্যের কষ্ট ভাগভাগি করতে তাওফিক দান করুন।

আমীন।..
🍃🍃🍃🍃🍃🍃🍃🍃🍃🍃🍃🍃🍃🍃🍃

শেয়ার করুন আপনার মাধ্যমে কেউ জানতে পারলে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে গন্য হবে, এবং কেয়ামত পর্যন্ত এর সওয়াব পাবেন। ইনশাল্লাহ )

13/09/2016

রাগের মাথায় কাউকে অনেক আঘাত করে কথা বলার পরেও সে যদি চুপ থাকে।
তার মানে এই না যে তার কষ্ট হয়নি বা সে জবাব দিতে জানে না, সে সম্পর্কটাকে বাঁচাতে চায় বলেই চুপ থাকে।

24/07/2016

বর্তমান সময়ে মোবাইল বা স্মার্টফোন চুরি হয়ে গেলে বা হারিয়ে গেলে বেশি দুশ্চিন্তা থাকে ফোনটির অপব্যবহার নিয়ে। যে কারণেই এ দুশ্চিন্তা। সাধের মোবাইল ফোন হারানোর দুঃখ কী, তা অনেকেই জানে৷ চুরি হলে মনে জাগে আশঙ্কা – চোর বুঝি সব তথ্য পড়ে ফেললো !

চোর ভাবে, চোরাই ফোন বিক্রি করে যদি দু-পয়সা কামানো যায়৷ তাহলে উপায়? মোবাইল ফোন চালু রাখা ও বন্ধ রাখার প্রযুক্তি রয়েছে। কিন্তু দূর থেকে মোবাইল ফোন অকেজো করে ফেলার কার্যকর কোনো পদ্ধতি নেই। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন বসে নেই চুরি ঠেকাতে নিত্য নতুন প্রযুক্তি বা সফটওয়্যার তৈরিতে তেমন চোরেরাও বের করছে নানান ফন্দি ফিকির। এই আর্টিকেলটিতে মূলত প্রযুক্তি বিষয়ের চেয়ে আইনগত দিক এবং সচেতনতাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। তাহলে জেনে নিন সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মাসরুফ হোসেনের পরামর্শ।

প্রিয় সদস্যবৃন্দ,

সুদূর জাপান থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। শুরুতেই বলে নিই, আমার এই পোস্টটি কোন যাদুমন্ত্রমূলক পোস্ট নয়-কাজেই আশাহত হবার আগেই সতর্ক করে দিই।এখানে আমি শুধু পুলিশি পরামর্শ দিচ্ছি,যেটি হয়ত আপনার কাজে লাগতে পারে। হাতে ৫ মিনিট সময় থাকলে পড়ে দেখুন

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় “আইজেক” ক্লাবের উদ্যেগে বাংলালিংক-এর তৎকালীন সিইও আমাদের একটি সেমিনারে এসেছিলেন। সুইজারল্যান্ডে বাড়ী, তুখোড় স্মার্ট ওই ভদ্রলোক অনেক মজার মজার কথা বলেছিলেন, তার মধ্যে যেটি এখনো মনে আছে সেটি হচ্ছেঃ

“The closest thing to your body after your underwear is your mobile phone”

আমাদের শরীরের ( এবং মনের) এত কাছাকাছি থাকা সত্বেও মোবাইল ফোন চুরি যাওয়াটা আমাদের প্রায় নিত্যদিনের ঘটনা। এই চুরি ঠেকাতে আদি এবং অকৃত্রিম একটাই পরামর্শঃ সতর্ক থাকুন।

আমি নিজে খুব “মেসি”(ফুটবলার Leo Messi না, অগোছালো Messy) টাইপের মানুষ, প্রায়ই এটা ওটা হারিয়ে ফেলি। এই সেদিনই মাথা ঢাকার ক্যাপটা সুন্দর করে মেট্রো রেলে ফেলে রেখে চলে এসেছি।খেয়াল করে লাভ হয়নি, আমার চোখের সামনে ট্রেন ছেড়ে দিলো, আমি শুধুই “চেয়ে চেয়ে দেখলাম”।আপনার অবস্থাও এরকম যদি হয়, সবচেয়ে ভালো বেল্ট টাইপ কিছু ব্যবহার করা। বাসে ওঠার সময় পকেটে এক-হাত দিয়ে উঠুন, মোবাইল-মানিব্যাগ যে পকেটে রেখেছেন ওটা ধরে রাখুন।

আজ একটা মেসেজ পেলাম, এক ভদ্রমহিলা লিখেছেন, গত ৫ মাসে উনার ৩ টা মোবাইল হারিয়েছে, সব কটাই আইফোন আর গ্যালাক্সী নোট।

৫ মাসে

যদি ৩ টা আইফোন আর গ্যালাক্সী নোট হারানর “সামর্থ্য” আপনার থাকে, সেক্ষেত্রে পুলিশি পরামর্শ খুব একটা খুব একটা প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন সতর্ক হওয়া অথবা অতিরিক্ত টাকা এতিমখানায়(কিংবা দুঃস্থ পুলিশ কল্যান সংস্থায়) দান করে দেয়া।
এবার কাজের কথায় আসি। যদি সতর্ক থাকার পরেও আপনার মোবাইল ফোন চুরি যায়, সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত তিনটি স্টেপ অনুসরণ করুনঃ

১) আইএমইআই নম্বর উল্লেখ পূর্বক থানায় জিডি করুন
২) জিডির এক কপি সহ র‍্যাবে অভিযোগ করুন। অনেকেই জানেন না, র‍্যাব পুলিশেরই একটি বিশেষায়িত ইউনিট।
৩) জিডির কপিতে উল্লেখ করা অফিসারের সাথে যোগাযোগ রাখুন এবং তার মাধ্যমে ডিবি এর ট্র্যাকিং টিমের সহায়তা নিন।

অনেক সময় দেখা যায় আইটিতে দক্ষ ইউজার নিজেই ট্র্যাক করে বের করে ফেলেছেন মোবাইলের অবস্থান। এরকম হলে ডিবির জন্যে বসে থেকে লাভ নেই, লোকেশন সহ জিডিতে উল্লেখিত অফিসারের সহায়তা নিয়ে চোর মশাইকে “খপ” করে ধরে ফেলুন।

জিডি করে বেশিরভাগ সময়েই ফোন ফেরত পাওয়া যায়না। এর কারণ হচ্ছে, আমাদের ট্র্যাকিং টিম মূলতঃ প্রায়োরিটি দেয় অতি গুরুত্বপূর্ন কেইসগুলোর মোবাইল ট্র্যাকিং-কে।খুন, সন্ত্রাস-ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট মোবাইল ট্র্যাক করাই এদের মূল কাজ, তাই হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধারের সিরিয়াল বহু পরে আসে- ততদিনে আপনি নতুন মোবাইল কিনে ফেলেন!

তবুও জিডি করবেন কেনঃ

১) আপনার মোবাইল ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ওটা যাতে আপনার ঘাড়ে না পড়ে সেজন্যে। আপনার হারিয়ে যাওয়া মোবাইলে সংরক্ষিত তথ্য ব্যবহার করে কেউ যদি অপকর্ম করে, জিডির কপি দেখিয়ে সেটার দায় থেকে রক্ষা পেতে পারবেন।

২) হঠাৎ হঠাৎ জিডির দ্বারা ট্র্যাকিং করে মোবাইল পাওয়া গেলেও যেতে পারে।

এবার মেয়েদের জন্যে একটা পরামর্শ, জেন্ডার বায়াসড শোনালেও ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছিঃ

প্লিজ, মোবাইল ফোনে নিজেদের এমন কোন ছবি রাখবেন না যেটা প্রকাশ হওয়াটা আপনার জন্যে সামাজিক এবং অন্যান্য ক্ষতি বয়ে আনতে পারে।আরো ভালো হয়, যদি এধরণের ছবি না তোলেন। অন্তরংগ মুহূর্তে কেউ ওরকম ছবি তুলতে চাইলে ওই ভদ্রলোকের(ক্ষেত্রবিশেষে ভদ্রমহিলার) উদ্দেশ্য সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে উঠুন, একবারের ভালবাসা সারাজীবনের ভালবাসা নয়! এটা পুলিশি অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া Strictly Professional একটা পরামর্শ দিলাম।

মাসরুফ হোসেন
সহকারী পুলিশ সুপার

19/07/2016

কম্পিউটার_Keyboard এর শর্টকাট :
>> F1: সাহায্য (Help).
>> F2: নির্বাচিত ফাইল রিনেইম করা।
>> F3: ফাইল খোঁজা।
>> F4: অন্য কোনো ফোল্ডারে ফাইল মুভ করা।
>> F5: বর্তমান উইন্ডো রিফ্রেশ করা।
>> F7: ওয়ার্ড/ এক্সেল ডকুমেন্ট স্পেলিং ডায়লগ ওপেন করা।
>> F10: মেনু বার চালু করা।
>> CTRL+C: কপি।
>> CTRL+X: কাট।
>> CTRL+V: পেস্ট।
>> CTRL+Z: আনডু।
>> CTRL+B: অক্ষর বোল্ড করা।
>> CTRL+U: অক্ষর আন্ডার লাইন করা।
>> CTRL+I: অক্ষর ইটালিক করা।
>> CTRL+K: হাইপারলিংক ডায়ালগ ওপেন হওয়া।
>> CTRL+ESC: Start menu চালু।
>> CTRL+ Home: ডকুমেন্ট এর শুরুতে যাওয়া।
>> CTRL+ End: ডকুমেন্ট এর শেষে যাওয়া।
>> CTRL+SHIFT+ESC: টাস্ক ম্যানেজার।
>> CTRL+TAB: কোনো প্রোগ্রামের এক উইন্ডো থেকে অন্য উইন্ডোতে যাওয়া।
>> CTRL+F4: একাধিক ডকুমেন্ট ইন্টারফেস সহ কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করা।
>> CTRL+A: ফোল্ডারের সবগুলো আইটেম নির্বাচন করা।
>> SHIFT+ DELETE: সরাসরি ফাইল ডিলিট করা।
>> SHIFT+ right click: অতিরিক্ত শর্টকাট সহ মেনু।
>> SHIFT+ double click: বিকল্প ডিফল্ট কমান্ড।
>> SHIFT+F10: নির্বাচিত আইটেমের জন্য শর্টকাট মেনু।
>> SHIFT: অটোরান বন্ধ করতে এটি চেপে ধরে রাখুন।
>> SHIFT+ Windows Logo + M: মিনিমাইজ আনডু করা।
>> Home: বর্তমান লাইনের শুরুতে যাওয়া।
>> End: বর্তমান লাইনের শেষে যাওয়া।
>> ALT+ F4: প্রোগ্রাম বন্ধ করা।
>> ALT+TAB : অন্য কোনো চালু করা প্রোগ্রামে যাওয়া (সবগুলো প্রোগ্রাম দেখতে ALT চেপে ধরে TAB চাপুন)।
>> ALT+ SPACE: মেইন উইন্ডো’র সিস্টেম মেনু দেখা।
>> Windows Logo +L: কম্পিউটার লক করা।
>> Windows Logo+ M: সব প্রোগ্রাম মিনিমাইজ করা।
>> Windows Logo+F: Files অথবা Folders খোজাঁ।
>> Windows Logo+V: ক্লিপবোর্ড চালু করা।
>> Windows Logo+K: Keyboard Properties ডায়ালগ বক্স চালু করা।
>> Windows Logo+I: Mouse Properties ডায়ালগ বক্স চালু করা।
>> BACKPACE: পূর্ববর্তী ফোল্ডারে যাওয়া,

10/07/2016

ক্যামেরা কিনা আগে প্রয়োজনীয় টিপস..

ভার্চুয়াল জগতে প্রকাশিত হবার মাধ্যম ছাড়াও আরও নানা কারণে ইদানীং ফটোগ্রাফির প্রতি মানুষের বিপুল আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আধুনিকতার আদলে ক্যামেরা যন্ত্রটিও হয়ে পড়েছে অনেক সহজলভ্য.. সস্তা। ডিএসএলআর হচ্ছে এ যাবৎকালের সর্বাধুনিক প্রযৌক্তিক গুণ সম্পন্ন ক্যমেরা যার ভিউফাইন্ডারে সবচেয়ে সঠিক ছবি ধরার নিশ্চয়তা পাওয়া যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এর লেন্স পরিবর্তন করা যায়। তো, ডিএসএলআর কেনার আগে জেনে নিন ক্যামেরা নির্বাচন সম্পর্কে দশটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ।

১. ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনতে আগ্রহীদের জন্য সবচেয়ে জরুরী বক্তব্যটি হলো, কেনার আগে অবশ্যই ভেবে নিন আপনার আসলেই ডিএসএলআর ক্যামেরা দরকার কিনা।ভালো ছবি তোলার জন্য বাজারে অনেক ভালো মানের পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরা আছে, যার অটো মুড ব্যবহার করে অনেক সহজে চমৎকার ছবি তোলা সম্ভব। ডিএসএলআর তাদেরই প্রয়োজন, যাদের কেবল ছবি তোলা নয় বরং ছবি তোলা শেখার প্রতি আগ্রহ আছে।

২. এবার যদি ডিএসএলআর কিনতেই হয় তবে সবচেয়ে প্রচলিত ব্র্যান্ডগুলোর দিকেই বেশি মনোযোগ দিন। এ সময়ের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ক্যানন, নিকন, সনি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এতে পরবর্তীতে লেন্স বা ক্যামেরা সংশ্লিষ্ট আনুষাঙ্গিক যন্ত্রাংশগুলো পাওয়া সহজ হবে।

৩. বেশি মেগাপিক্সেল থাকলে ছবি ভাল হবে- এই ভুল ধারণাটি এখনই বাদ দিন। এই এককটি তোলা ছবিটির আকার নির্ধারণ করে দেয় মাত্র। অর্থাৎ মেগাপিক্সেল বেশি হলে ছবিটি সাধারণ অবস্থার চেয়ে বড় করে প্রিন্ট করলে বা ডিজিটালি জুম করলেও তার মান ভালো থাকবে।

৪. সেন্সরের আকার ছবির মান নির্ধারণ করে। সেন্সর যত বড় হবে, ছবি স্পষ্ট ও ঝকঝকে হবার পাশাপাশি তার কারিগরী মান তত ভাল হবে।সুতরাং কেনার সময়ে এ বিষয়টি লক্ষ্য রাখুন। তবে বড় সেন্সরসহ ক্যামেরাগুলোর দামও তুলনামূলকভাবে একটু বেশি হয়ে থাকে।

৫. খেয়াল রাখুন, আপনার ক্যামেরাটিতে লাইভ ভিউ ডিসপ্লে আছে কিনা। এতে ছবি তোলার আগেই ছবিটি দেখতে কেমন হবে তা দেখা যায়। নতুন ফটোগ্রাফারদের জন্য এটি খুবই প্রয়োজনীয় ফিচার।

৬. ইদানীং সময়ের প্রায় সব ডিএসএলআর দিয়েই ভিডিও শ্যুট করা যায়। আপনার নির্বাচিত মডেলটির ভিডিও করার জন্য কি কি ফিচার আছে জেনে নিন। লক্ষ্য রাখুন প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো ফ্রেম ধারণ করা যায় বা এক্সটার্নাল মাইক লাগানো যায় কিনা ইত্যাদি বিষয়গুলোর ওপর।

৭. এছাড়াও ক্যামেরা কেনার আগেই প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ ফিচারগুলো যেমন: ফোকাল পয়েন্ট, শাটার স্পিড, ফ্রেমের আকার, ইমেজ স্ট্যাবিলাইজার, অটোফোকাস ইত্যাদিসম্পর্কে একটু লেখাপড়া করে নিন।এসকল ফিচারগুলো আপনার ছবি তোলা ছবিটিকে আরও সহজ এবং সুন্দর করে তুলতে পারে।

৮. ডিএসএলআর ক্যামেরা লেন্সসহ এবং লেন্স ছাড়া দুইভাবেই বিক্রি হয়ে থাকে। তাই ক্যামেরা কেনার আগেই তার সঙ্গে আনুষাঙ্গিক কি কি পাচ্ছেন তা খেয়াল রাখুন। ব্যাটারী, চার্জার এবং কাধে ঝোলানোর স্ট্র্যাপ ক্যামেরার সাথেই পাওয়া যায়। তবে ব্যবহারের আগে মেমরী কার্ড আলাদা করে কেনার প্রয়োজন হবে। ক্যামেরা সুরক্ষিত রাখতে ক্যামেরার ব্যাগটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কিনে ফেলুন।

৯. লেন্স কেনার ব্যাপারে বুঝে-শুনে সিদ্ধান্ত নিন। বেশিরভাগ সময়ে ক্যামেরার সঙ্গেই একটা বেসিক লেন্স পাওয়া যায়। এটা দিয়ে প্রাথমিকভাবে ছবি তোলা গেলেও ডিএসএলআর-এর পুরোটা ব্যবহার করতে গেলে নতুন লেন্স কেনা লাগবেই।

আপনি কি ধরণের ছবি তুলতে চান তার ওপর ভিত্তি করেই লেন্স নির্বাচন করুন।

১০.সবশেষে ক্যামেরা কেনার আগে তার কোন গুণগত ক্রুটি আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখুন। সবচেয়ে ভালো হয়, কোন অভিজ্ঞ লোক পরিচিত থাকলে ক্যামেরা কেনার সময় তাকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া। এছাড়া নিজেও ক্যামেরা হাতে নিয়ে দেখুন তার ভার ঠিক আছে কিনা বা ধরতে স্বচ্ছন্দ্য বোধ করছেন কিনা।

মোটামুটি এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখলেই শখ বা প্রয়োজন মেটানোর জন্য একটা ভাল মানের ডিএসএলআর ক্যামেরা নির্বাচন করা সম্ভব।কেনার আগে নিজে কিছুটা লেখাপড়া করে নিলে বা অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ পাওয়া গেলে নির্বাচনের কাজটি আরও সহজ হয়ে যাবে।

04/07/2016

ব্যাংক ডাকাতির সময় এক ডাকাত সবাইকে বলল, 'কেউ নড়াচড়া করবেন না, মাটিতে শুয়ে পড়ুন। ব্যাঙ্কের টাকা আপনার নয়, কিন্তু আপনার জীবন আপনার, যা বলছি তাই চুপচাপ মেনে নিন'। এইটাকে বলে 'মাইন্ড চেঞ্জিং কনসেপ্ট'। সাধারণ চিন্তাকে বিপরীত দিকে ঠেলে দেয়া। হঠাত এক মহিলা টেবিলের উপর শুয়ে পড়ল। ডাকাত সর্দার বলল, 'এই যে মেডাম এখানে শুটিং হচ্ছে না, ডাকাতি হচ্ছে। আমার কথামতো মাটিতে শুয়ে পড়ুন, নইলে গুলি করে দিব'। এটাকে বলে 'প্রফেশনালিজম'। যে জন্য ট্রেইন করা হয়েছে সেটাতে মনোযোগ দেয়া।

ডাকাতির পর বাসায় ফিরে শিক্ষানবিশ ডাকাত বলল, বস চলেন টাকাটা গুনে ফেলি। সর্দার বলল, 'আরে গাধা এখানে অনেক টাকা গুনতে সময় লাগবে। রাতের খবর দেখ তাহলেই বুঝতে পারবি কয় টাকা চুরি হয়েছে'। এইটাকে বলে 'অভিজ্ঞতা'। বর্তমানে তাই শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে অভিজ্ঞতার মূল্য অনেক বেশি।

ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর ব্যাংক অফিসার ম্যানেজারকে বলল, পুলিশকে খবর দেই। ম্যানেজার বলল, ওকে। যা টাকা আছে সেখান থেকে আমরা আগে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা সরিয়ে নেই। তারপর যে টাকা চুরি হয়েছে সেটার সাথে এই টাকা যোগ করে পুলিশ রিপোর্ট করব। তারা দুজনে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা সরিয়ে রাখল। একে বলে 'স্রোতের সাথে তাল মেলানো'। প্রতিকূল অবস্থা নিজেদের অনুকূলে আনা। ম্যানেজার আফসোস করলো ইশ প্রতি মাসেই যদি ডাকাতি হত! এই অবস্থাকে বলে 'হতাশাকে আশায় রূপ দেয়া'। বাধ্যগত চাকুরীটাকে ব্যক্তিগত সুবিধাতে পরিণত করা।

রাতে নিউজ হলো ব্যাংক থেকে এক কোটি টাকার ডাকাতি হয়েছে। দুই ডাকাত বারবার গুনেও দেখে মাত্র পঞ্চাশ লক্ষ টাকা তারা আনতে পেরেছে। একজন আরেকজনকে বলল, আমরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা ইনকাম করলাম অথচ ম্যানেজার কোনো কিছু না করেই পঞ্চাশ লক্ষ টাকা রোজগার করে ফেলল। তাইলেতো ডাকাতি করার চেয়ে পড়াশোনা করাই ভালো। এজন্যই বলে 'শিক্ষা/জ্ঞান স্বর্ণের চয়েও দামী'।

ম্যানেজার মুচকি হেসে মাথা নাড়ল। ডাকাতির কারণে তাদের যে লস ছিল সেটা রিকভার হয়ে গেসে। একেই বলে 'ঝোপ বুঝে কোপ মারা'।

এখন প্রশ্ন হইল বড় চোর কে বা কারা? শিক্ষিত লোকেরা নাকি অশিক্ষিত লোকেরা? যারা এক দেড় হাজার টাকা ছিনতাই করে তারা নাকি যারা কলমের খোঁচায় কিংবা আইনের মারপ্যাঁচে এক দেড় হাজার কোটি টাকা মেরে দেয়?

(বিদেশি গল্প অবলম্বনে)

©©পুরোটাই কপি করা®®

21/06/2016

টাইম লাইনে রাখেন আজ না হয় কাল কাজে দেবে:
-

৬ ৫ টি সংক্ষিপ্ত শব্দের পুর্ন রুপ জানুন
১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.
২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol.
৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure.
৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator.
৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized.
৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module.
৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.
৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication.(mz)
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication
System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate
Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application
Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic
Expert Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ — Doc**ent (Microsoft
Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ — Portable Doc**ent Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ — Mobile 3D Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 Audio File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia Theme(series 40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ — Themes (Sony Ericsson)( m)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ — Synthetic Music Mobile
Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ — Extensible Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ — Wireless Bitmap Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Markup
Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ — Wireless Markup
Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ — Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital Audio Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk Operating System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ — Graphical User Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ — Internet Service Provider.
৫১। TCP এর পূর্ণরূপ — Transmission Control
Protocol.
৫২। UPS এর পূর্ণরূপ — Uninterruptible Power
Supply.
৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ — High Speed Downlink
Packet Access.
৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ — Enhanced Data Rate for
GSM [Global System for Mobile Communication]
৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very High Frequency.
৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra High Frequency.
৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ — General Packet Radio
Service.
৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ — Wireless
Application Protocol.
৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ — Advanced Research
Project Agency Network.
৬০। IBM এর পূর্ণরূপ — International Business
Machines.
৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett Packard.
৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ — Amplitude/ Frequency
Modulation.
৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ — Wireless Local Area
Network
৬৪। USB এর পূর্ণরূপ — Universal Serial Bus.
৬৫।MPSZ এর পূনরূপ-Mobile Problem Solution Zone.
post: MZ

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Cox's Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Cox's Bazar
4750