ম্যাচিউর হতে হলে মেনে চলুন ৮ টি বিষয়ঃ-
১. সমালোচনা করবেন না। এটা আপনাকে ব্যাক্তিত্বহীন করে তুলবে। ম্যাচিউর মানুষ কখনো অন্যর সমালোচনা করেন না।
২. তর্ক করবেন না। তর্ক করলে আপনাকে হারতে হবে
নাহলে সম্পর্ক হারাতে হবে। তাই একজন ম্যাচউর মানুষ কখনো তর্ক করেন না।
৩. একজন ম্যাচিউর মানুষ অন্যদের কে সম্মান দিতে জানেন। তিনি সবসময় আপনাকে মূল্যায়ন করে কথা বলবে। তিনি কখনো আপনার প্রতি অবহেলা প্রকাশ করবেন না।
৪. একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো বাবা মা কে অসম্মান করেন না। তাদের সাথে সুসম্পর্ক বাজায় রাখেন। কারণ তারা বুঝতে পারেন মা বাবা একমাত্র স্বার্থহীন ভাবে তাদের জন্য সব কিছু করতে পারে।
৫. একজন ম্যাচিউর মানুষ সবসময় পরিবর্তন কে মেনে নেয়। কারণ তিনি বুঝতে পারেন পরিবর্তন আসবেই।
৬. একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো অন্যর সাথে নিজেকে তুলনা করেন না। কারণ, তিনি জানেন এ পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ এ ভিন্ন ভিন্ন প্রতিভার অধিকারী।
৭. একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো অভিযোগ করেন না। তিনি নিজের ঘাটতি গুলো খুজে বের করেন। এবং, তা পূরণের চেষ্টা করেন। কারণ তিনি জানেন, অভিযোগ কখনো সমস্যা সমাধান করে না। তিনি নিজেকে পরিবর্তন করে নেন।
৮. একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো অন্যর ভুল দেখে ঠাট্টা করেন না। তিনি তাকে ব্যাক্তিগতভাবে তার ভুল শুধরে দেন। যা ইম-ম্যাচিউররা প্রকাশ্য করে থাকেন।
(সংগৃহীত)
EARNSTEP alliance
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from EARNSTEP alliance, EPZ Road, Cumilla.
11/09/2019
জার্মানির এক নামকরা ব্যাংকে ব্যাংক ডাকাতির সময় ডাকাত দলের সর্দার বন্দুক হাতে নিয়ে সবার উদ্দেশ্যে বললো, "কেউ কোনো নড়াচড়া করবেন না, টাকা গেলে যাবে সরকারের, কিন্তু জীবন গেলে যাবে আপনার আর তাই ভাবনা চিন্তা করে আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করুন।"
এই কথা শোনার পর, সবাই শান্ত হয়ে চুপচাপ মাথা নিচু করে শুয়ে পড়েছিল। এই ব্যাপারটাকে বলে "Mind Changing Concept”, অর্থাৎ মানূষের ব্রেইনকে আপনার সুবিধা অনুযায়ী অন্যদিকে কনভার্ট করে ফেলা।
সবাই যখন শুয়ে পড়েছিল, তখন এক সুন্দরী মহিলার কাপড় অসাবধানতা বসত তার পা থেকে কিছুটা উপরে ঊঠে গিয়েছিল এমন সময় ডাকাত দলের সর্দার তার দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলে উঠলো, "আপনার কাপড় ঠিক করুন! আমরা এখানে ব্যাংক ডাকাতি করতে এসেছি, রেপ করতে না।"
এই ব্যাপারটাকে বলে "Being Professional”, অর্থাৎ আপনি যেটা করতে এসেছেন, সেটাই করবেন। যতই প্রলোভন থাকুক অন্যদিকে মনোযোগ দেওয়া যাবে না।
যখন ডাকাতরা ডাকাতি করে তাদের আস্তানায় ফিরে এলো তখন এক ছোট ডাকাত(এমবিএ পাশ করা) ডাকাত দলের সর্দার(যে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে)কে বললো, "বস চলেন টাকাটা গুনে ফেলি"
ডাকাত দলের সর্দার মুচকি হেসে বললো, তার কোনোই প্রয়োজন নেই, কেনোনা একটু পরে টিভি ছাড়লে নিউজ চ্যানেলগুলোই বলে দেবে আমরা কতো টাকা নিয়ে এসেছি।
এই ব্যাপারটাকে বলে "Experience"। অভিজ্ঞতা যে গতানুগতিক সার্টিফিকেট এর বাইরে গিয়েও কাজ করতে পারে, ইহা তার একটি ঊৎকৃষ্ট প্রমাণ।
ডাকাতরা চলে যাওয়ার সাথে সাথেই ব্যাংক এর এক কর্মচারি ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে ছুটে এসে বললো, স্যার তাড়াতাড়ি চলেন পুলিশকে ফোন করি, এখনই ফোন করলে ওরা বেশিদূর যেতে পারবে না। ব্যাংক ম্যানেজার কর্মচারিকে থামিয়ে দিয়ে বললো, ওদেরকে আমাদের সুবিধার জন্যই এই ২০ মিলিয়ন টাকা নিয়ে যেতে দেওয়া উচিৎ, তাহলে আমরা যে ৭০ মিলিয়ন টাকার গরমিল করেছি, তা এই ডাকাতির ভিতর দিয়েই চালিয়ে দেওয়া যাবে।
এই ব্যাপারটাকে বলে, Swim with the tide, অর্থাৎ নিজের বিপদকেও বুদ্ধি দিয়ে নিজের সুবিধা হিসেবে ব্যবহার করা।
কিছু সময় পরেই, টিভিতে রিপোর্ট আসলো, ব্যাংক ডাকাতিতে ১০০ মিলিয়ন টাকা লোপাট। ডাকাতরা সেই রিপোর্ট দেখে বারবার টাকা গুনেও ২০ মিলিয়ন এর বেশি বাড়াতে পারলো না। ডাকাত দলের সর্দার রাগে ক্রুদ্ধ হয়ে বললো, "শালা আমরা আমাদের জীবনের ঝুকি নিয়ে, এতো কিছু ম্যানেজ করে মাত্র ২০ মিলিয়ন টাকা নিলাম আর ব্যাংক ম্যানেজার শুধুমাত্র এক কলমের খোঁচাতেই ৮০ মিলিয়ন টাকা সরিয়ে দিল। শালা চোর-ডাকাত না হয়ে পড়াশোনা করলেই তো বেশি লাভ হত।"
এই ব্যাপারটাকে বলে "Knowledge is worth as much as gold!" অর্থাৎ অসির চেয়ে মসী বড়।
ব্যাংক ম্যনেজার মন খুলে হাসছে, কেনোনা তার লাভ ৮০ মিলিয়ন টাকা। ৭০ মিলিয়ন টাকার গরমিল করেও সে আরও ১০ মিলিয়ন টাকা এই সুযোগে তার নিজের পকেটে ঢুকিয়ে ফেলেছে।
এই ব্যাপারটাকে বলে,
"Seizing the opportunity.” Daring to take risks!
অর্থাৎ সুযোগ থাকলে তাকে কাজে লাগানোই উচিৎ...!
সংগৃহিত
11/08/2018
নোয়াখালী বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের সাথে পাইলটদের ভবিষ্যৎ কথোপকথন! ;)
পাইলট- ফাটা ০০৭ হেভি: আমরা অবতরণের জন্য অনুমতি চাচ্ছি!
নোয়াখাইল্যা এটিসি: : ওমাগো! আন্নেরা চলি অাইছেন নি? এক্কানা খাঁড়ান! রানওয়ে হরিষ্কার করি লই!
(এরই বাতেনের মারে যাই ক চাই, হেতির গরুডারে বাইত লই যাইতে, হেতি গরু রানওয়েতে বান্দি কুনায় গেছে? বেক্কল মেয়ে ছেলে! )
পাইলট- কেষ্ট ৪২০: আমরা অবতরণ করতে চাচ্ছি!
নোয়াখাইল্যা এটিসি: মামু বাড়ির আবদার ক্যান? আগে হাডা নাইমব ইয়ার হরেদি তোরা কেষ্ট নাইমবি! হাডারা আগে আঁইছে! তোরা ওগ্যা চক্কর মারি আয়!
পাইলট-ফাটা ০০৭ হেবি: রানওয়ে কী ক্লিয়ার হয়েছে?
নোয়াখাইল্যা এটিসি: টেনশন লইয়েন ন, বাতেনের মা গরু লই গেলেই আন্নেরা নাইমতে হাইরবেন!
(স্যার বাতের মা গরু লই চলি গেছে! হেতাগো নাইমতে কন)
নোয়াখাইল্যা এটিসি: এরই আন্নেরা এক এক করি চলি আসেন! কোন কাবযাব করিয়েন ন! রানওয়ে হরিষ্কার করি দিছি! হয়লা হেডা ০০৭ নাইমবো!
পাইলট- ফাটা ০০৭ হেভি: রানওয়ের কোনদিক দিয়ে নামবো?
নোয়াখাইল্যা এটিসি: জলিলের মার নাইল গাছের উপর দি নামেন! সাবধান, নাইল গাছে ঢুস মারিয়েন ন! হেতির কচি কচি ডাবগুলা হরি যাইতে হারে! ওগ্যা ডাব হইরলে জলিলের মা অক্করে খাই দিব!
পাইলট- কেষ্ট ৪২০: আমরা চক্কর খেয়ে আসছি। কোনদিক দিয়ে নামবো?
নোয়াখাইল্যা এটিসি: আন্নেরা আবার হিছ কিনার দি এক্কানা ঘুরি আইয়েন! অওন হাডা নামের! হাডার হরে আন্নেরা!
(রানওয়েতে ফুচুৎ করে একটা শব্দ হয় )
পাইলট- ফাটা ০০৭ হেভি: একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেছে! রানওয়েতে একটা ছাগল ছিলো! বিমানের ধাক্কা লেগে কোরবান হয়ে গেছে!
নোয়াখাইল্যা এটিসি: কোন কালারের বকরি মাইচ্ছেন?
পাইলট- ফাটা ০০৭ হেভি: সাদা কালার!
নোয়াখাইল্যা এটিসি: ওরে হুমন্দির পুত তোরা কইচ্ছত কী? আর বকরি মারি ফালাইছস! ও মনুর মা, হিছাগা লই আও চাই! হুমুন্দির পুত গুলারে বাইড়্যাইয়া দেই!
পাইলট- কেষ্ট ৪২০: আমরা হিছ কিনার দিয়ে ঘুরে আসছি! এখন কী নামতে পারবো?
নোয়াখাইল্যা এটিসি: আঁর বকরি মরি গেছে! হ্যারলাই রানওয়ে আইজ বন্ধ করি দিছি! তোরা হিরি যা!
(স্যার হাডা ০০৭ এর দুই ডেরাইবররে নাইল গাছের লগে বান্ধি ফালাইছি! আন্নে হিছা লই জলদি আইয়েন!)
(সংগৃহীত)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Website
Address
EPZ Road
Cumilla