দেখো বাংলাদেশ Deko Bangladesh

দেখো বাংলাদেশ Deko Bangladesh

Share

আমার সোনার বাংলা,
আমি তোমায় ভালোবাসি......

Photos from দেখো বাংলাদেশ Deko Bangladesh's post 23/02/2025

একটি মোরগ, যা একটি ককেরেল বা কক 'রাতাকুরা’ হিসাবেও পরিচিত, এটি একটি পুরুষ গ্যালিনেসিয়াস পাখি, যাকে কম বয়সে বলে ককেরেল এবং মোরগ বলে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ মুরগীকে।

"মোরগ" শব্দটি মূল ইংরেজি "কক (C**k)", এর যৌন অর্থ এড়াতে ও শ্রুতিমধুর হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভূত হয়েছিল এবং উত্তর আমেরিকা জুড়ে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। “ক্লোয়াকাল চুম্বন” নামে পরিচিত একটি আচরনের মধ্যে পুরুষ ও মহিলার মুরগীর ক্লোয়াকাল যোগাযোগের মাধ্যমে শুক্রানুর স্থানান্তর ঘটে।

"রুস্টিং" হ'ল দিনে ঘুমানোর জন্য পাহারা দেওয়া, যা উভয় লিঙ্গই করে। মোরগ বহুগামী, তবে একবারে ডিমের বেশ কয়েকটি বাসা রক্ষা করতে পারে না। তিনি তার মুরগিরা যে অঞ্চলে বাসা বাঁধে সেই জায়গাটি পাহারা দেয় এবং তার অঞ্চলে প্রবেশকারী অন্যান্য মুরগীদের আক্রমণ করে। দিনের সময়, একটি মোরগ প্রায়শই একটি উচ্চ স্থান, সাধারণত ০.৯ থেকে ১.৫ মি (৩ থেকে ৫ ফুট) মাটি থেকে উচুঁতে থাকে, তার দলের উপর নজর রাখার জন্য। শিকারীরা কাছাকাছি থাকলে এবং তার অঞ্চলে কেউ প্রবেশ করলে বিপদ সংকেত হিসাবে সাবধান করতে সে ঘন ঘন ডাকতে থাকে।

মোরগের ডাক
মোরগ প্রায় চারমাস বয়সেই কর্ক্শভাবে ডাকাডাকি শুরু করে। এই কর্কশস্বরে ডাকা মোরগ হওয়ার অন্যতম প্রধা্ন লক্ষণ।

মোরগ লড়াই
মোরগ লড়াই (C**kfight) বিশ্বে প্রচলিত প্রাচীনতম জনপ্রিয় খেলার মধ্যে অন্যতম। সাধারণত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দুটি মোরগ একে অপরের বিরুদ্ধে রক্তাক্ত লড়াইয়ের ন্যায় প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়। শক্ত ঠোঁট ও নখের সাহায্যে এ লড়াই চলে। যেকোনো একটি মোরগের মৃত্যুবরণ কিংবা লড়াইয়ে অপারগতা প্রকাশ করার মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় সমাপ্তি ঘটে।এখনো ভারত, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনসহ বিশ্বের অনেক দেশেই মোরগ লড়াই হয়।

29/12/2024

কটিয়াদী সরকারি কলেজ হলো ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত একটি সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রি কলেজ যা বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলায় অবস্থিত।

ইতিহাস
কটিয়াদী উপজেলার বর্তমান পৌরসভা এলাকায় ১৯৬৮ সালে ৭.৭৮ একর জমির উপর কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন তৎকালীন কটিয়াদী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাফ্‌ফর উদ্দিন আহমদ। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে কটিয়াদী উপজেলার নাম অনুসারেই "কটিয়াদী কলেজ" নামে কলেজটির নামকরণ করা হয়েছিলো এবং পরবর্তীতে কলেজটিকে সরকারিকরণ ও ডিগ্রি কলেজে উন্নীত করা হলে কলেজটি কটিয়াদী সরকারি ডিগ্রী কলেজ নামে পরিচিতি পায়। তবে কলেজটির প্রশাসনিক নাম "কটিয়াদী সরকারি কলেজ"। বর্তমানে কলেজটি কটিয়াদী উপজেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ।

প্রাক্তন নাম
কটিয়াদী কলেজ
ধরন সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রি কলেজ
স্থাপিত ১ জুলাই ১৯৬৮
(৫৬ বছর আগে)

প্রতিষ্ঠাতা মোজাফ্‌ফর উদ্দিন আহমদ

অধিভুক্তি
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

অধ্যক্ষ মোঃ আতাউর রহমান
শিক্ষার্থী ৩০০০ (প্রায়)

অবস্থান কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ, ঢাকা, ২৩৩০, বাংলাদেশ
২৪.২৪৭৩২০° উত্তর ৯০.৭৯৪৯৪৭° পূর্ব
শিক্ষাঙ্গন পৌর এলাকা, ৭.৭৮ একর (৩.১৫ হেক্টর)

ভাষা বাংলা
ইআইআইএন ১১০৪৩৪
(EIIN)

পোশাকের রঙ সাদা, আকাশী ও কালো

ক্রীড়া ক্রিকেট, ফুটবল, ব্যাডমিন্টন
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট

28/12/2024

মেসার্স মেহেরুন্নেসা ফিলিং স্টেশন‎| রাজেন্দ্রপুর - কাপাসিয়া - টোক সড়ক

Photos from দেখো বাংলাদেশ Deko Bangladesh's post 25/12/2024

চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল রাণীমহল-মতিমহল

‘এ-ই রাণীমহল, চিটাগাং রোড, রাণীমহল...।’
যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে পরবর্তী গন্তব্যের নাম হাঁকছে লেগুনার চালকের সহকারী। ১০ জনের জায়গায় ১৫ যাত্রী নিয়ে ছুটল লেগুনা। ৩০ মিনিটে এবড়োখেবড়ো রাস্তা আর ধুলার রাজ্য পেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছেই বিস্ময়—এত বিশাল স্থাপনা রাণীমহল! এক ভবনে দুই প্রতিষ্ঠান—রাণীমহল, মতিমহল। সামনে খোদাই করে লেখা, ১৯৬৮।
কাগজে-কলমে এই এলাকার নাম সারুলিয়া। তবে ঠিক যে জায়গাটিতে রাণীমহল সিনেমা হল, গণমানুষের কাছে তা রাণীমহল নামে পরিচিত। এখানে যে স্থানীয় যানবাহনগুলো দাঁড়ায় কিংবা চলে, প্রায় সবগুলোর গায়ে স্টেশন হিসেবে রাণীমহল লেখা। এই পরিচিতি অর্জন করতে প্রতিষ্ঠানটির লেগে গেছে প্রায় অর্ধশত বছর। এখন রাণীমহল স্টেশনটি সরগরম থাকলেও হলটি নির্জীব; যেন নিজের ভার বইতে পারছে না।
এলাকার একাধিক প্রজন্মের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্মৃতির একটা বড় অংশে উজ্জ্বল রাণীমহল। ‘আমাদের কৈশোর তারুণ্যে বিনোদনকেন্দ্র বলতে এটিই ছিল প্রধান’—বললেন বাংলাদেশ থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শাহ আলম। তিনি থাকেন এই এলাকাতেই। ‘মনে পড়ে এক ঈদের সন্ধ্যায় শাবানা-আলমগীরের মনিহার ছবিটা দেখতে গিয়েছিলাম। বাড়ি ফিরে মিলল বাবার বেতের বাড়ি। সেই দুঃখের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি স্মৃতিতে এখনো স্পষ্ট; গরুর গাড়ি নিয়ে ছুটতে ছুটতে শাবানার মুখে সেই গান, ‘বিক্রমপুরে বাপের বাড়ি ছিল একদিন পদ্মার পাড়/ মামার বাড়ি মধুপুরে, নিজের বাড়ি নাই আমার।’ শাহ আলম আরও জানালেন, এই ছবিতেই ছিল ওরে সাম্পানওয়ালা... গানটি।
শুক্রবার দুপুরে রাণীমহলে গিয়ে মিলল ঝকঝকে এক স্থাপনা। এমন ধুলাবালুর রাজ্যে এ প্রতিষ্ঠানের ভেতরে কী করে এতটা পরিচ্ছন্ন! দেয়ালগুলোও সুন্দর, নানা রঙের। দোতলায় সিঁড়িতে উঠতে নানা রকমের ম্যুরাল, হরিণের পাল তাড়া করছে বেঙ্গল টাইগার। তিন পাশে নানান কারুকাজে ষাটের দশকের চিহ্ন। মিলনায়তনের বাইরে বারান্দাটি বেশ বড়। কয়েকজন কিশোর কাছাকাছি এলাকা থেকে সিনেমা দেখতে এসেছে। শো শুরু হতে দেরি আছে; তাই বল নিয়ে দুষ্টুমিতে মেতেছে।
এলাকার প্রবীণ বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম রাণীমহলের প্রথম দিককার স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘এলাকায় এমন একটি বড় ভবন দেখে আমরা অবাক হতাম। কী সুন্দর নকশা। ১৯৬৮ সালের আগে আমি এখানে যাত্রাও দেখেছি। হল চালুর পর আমি প্রথম পরিচালক রহিম নেওয়াজের সুয়োরানি দুয়োরানি ছবিটি দেখি। সুচন্দা, রাজ্জাককে প্রথম দেখেছিলাম পর্দায়। প্রতি শুক্রবার দেখতাম উর্দু ছবি।’
হলের ব্যবস্থাপক আবদুর রাজ্জাক এলেন দুপুরের বেশ খানিকটা পরে। সহকর্মীদের কাছ থেকে হলের চারপাশে ভাড়া দেওয়া দোকানপাটের ভাড়া বুঝে নিলেন। সে কাজ সেরে হলের প্রসঙ্গে কথা শুরু করতেই হতাশা, ‘কী লাভ হলের কথা বলে, এসব দিয়ে কী হবে। হলের ব্যবসা শেষ!’
প্রায় দুই দশক ধরে এ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন তিনি। আলাপচারিতায় স্পষ্ট, একসময় এলাকার একমাত্র বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়া রাণীমহল নিয়ে এখন তিনি পুরোপুরিই হতাশ। মালিকপক্ষও চাইছে হল বন্ধ করে দিতে। কিন্তু এটি মূলত শিল্প এলাকা। মার্কেট বানালে এখানে সেই অর্থে জমবে না।
দুই হলে বর্তমানে কটি আসন আছে—প্রশ্ন শুনে কিছুটা অপ্রস্তুত মনে হলো ব্যবস্থাপককে। শেষমেশ জানালেন, রাণীমহলে ৫৬৭টি, মতিমহলে ৫৫০টি আসন আছে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ১১৭ আসন।

ঝকঝকে হলের ভেতরের অংশ। প্রদর্শনী শুরুর আগে সময় পার করছেন তরুণ দর্শকেরা
ঝকঝকে হলের ভেতরের অংশ। প্রদর্শনী শুরুর আগে সময় পার করছেন তরুণ দর্শকেরা
এই আসনগুলো প্রতিদিন অপেক্ষায় থাকে পাশের শিল্পকারখানার কর্মীদের জন্য। কাছাকাছি করিম জুট মিল, লতিফ বাওয়ানী জুট মিলের মতো নামকরা প্রতিষ্ঠান। যদিও শুক্রবার বিকেল আর সন্ধ্যা ছাড়া খুব বেশি দর্শনার্থী মেলে না।
‘কেমনে আসবে মানুষ! বাহির হইয়া দেখেন আশে পাশে চা-দোকান, হোটেল-রেস্টুরেন্টে টিভি বসাইয়া থুইসে। সারা দিন গান, ছবি চলে। পাবলিক সেইখানে ডুইব্বা থায়ে’!—বললেন হলের পুরোনো কর্মী আবদুল ওয়াহাব। হলের মূল প্রবেশপথে দায়িত্বে ছিলেন তিনি। জানালেন, একসময় পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক নারী দর্শক আসতেন। দর্শকদের পদচারণায় মুখরিত থাকত রাণীমহল।
১৯৬৮ সালে হলটির উদ্বোধনের কথা মনে আছে বাদশা মিয়ার। শুরু থেকে এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি। জীবিকা আর আবেগও এক হয়ে গেছে। তিনি জানালেন, মালিক এম এ সাত্তার সাহেব তাঁর মেয়ে রাণীর নামে হলের নাম রেখেছেন রাণীমহল। ১৯৬৮ সালে খান আতা পরিচালিত, কবরী-আজিম অভিনীত অরুণ বরুণ কিরণমালা দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল রাণীমহলের।
তখন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। অসুস্থতার কারণে কথা বলতে পারেননি। তাঁর মেয়ে শিরীন শবনম বলেন, ‘আমরা হলের ওপরে একটি বাসায় থাকতাম। হলে জোরে গান বাজলে আমাদের বাসায় শোনা যেত।’ তিনি বলেন, ‘বাবার কাছে শুনেছি, ওই সময় নতুন ছবি পাওয়াটা খুব কঠিন ছিল। বাংলার পাশাপাশি উর্দু ছবি চলত। অরুণ বরুণ কিরণমালার পর বেশ কিছুদিন উর্দু ছবি চলেছে। কিছুদিন পর ১৯৬৯ সালের মার্চে এসে এখানে মুক্তি পায় মমতাজ আলী পরিচালিত নতুন নামে ডাকো ছবিটি। ওই ছবির গানটি এখনো মনে আছে ‘নতুন নামে ডাকো আমায়, এই তো ছিল কামনা; রঙের পরশে রাঙিয়ে দিলে, মনের যত বাসনা...।’ একাত্তর সালের পর রাণীমহলের চাকরি ছেড়ে আসেন প্রথম ব্যবস্থাপক শহিদুল্লাহ।
শুরু থেকে বেশ সাড়া ফেলেছিল রাণীমহল। বিশেষ করে এলাকার শিল্পকারখানার কর্মীদের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল এই হল। এলাকার নারী দর্শকদেরও আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল। কারণ, নদী পার হয়ে নারায়ণগঞ্জে যাওয়া কিংবা পথঘাট মাড়িয়ে ঢাকায় যাওয়াটা কঠিন এবং সময়সাধ্য ছিল তখন। দিনে দিনে দর্শকের চাহিদা বাড়তে থাকায় মতিমহল নামে আরেকটি হল চালুর উদ্যোগ নেন মালিক।
প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা জানালেন ১৯৮৯ সালে বেদের মেয়ে জোসনা ছবিটি দিয়ে মতিমহল হলটি চালু হয়। ওই সময় থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দুই প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে ৬০ জন কর্মী ছিলেন। বর্তমানে আছেন ৩৫ জন।
রাণীমহলের প্রতিষ্ঠাতা এম এ সাত্তারের মৃত্যুর পর এখন হলটি চালাচ্ছেন তাঁর দুই ছেলে এম এ লতিফ এবং এম এ বশির। আগের মতো রমরমা ব্যবসা না থাকলেও মূলত বাবার স্মৃতি রক্ষার্থে হলটি চালু রেখেছেন তাঁরা।
হলের ভেতরে সব জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা। মহিলাদের আলাদা টিকিট কাউন্টার এবং মূল হলের বাইরে বসার জন্য আলাদা ব্যবস্থা আছে।
এমনিতে নতুন ছবির সংখ্যা দিনে দিনে কমছে। তার ওপর দর্শক কম। বর্তমানে দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো চলছে বলো দুগ্গা মাঈ কি... এবং বসগিরি।
হলের সামনে ছোট-বড় বেশ কিছু খাবারের দোকানসহ নানা প্রতিষ্ঠান। সামনেই একটা দোকানের কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘কী ছবি দেখুম হলে গিয়া। এখন আর মালিকেরা ঈদ-চান ছাড়া নতুন ছবি আনে না।’
হল থেকে বের হয়ে রাস্তায় দাঁড়াতেই মিলে গেল লেগুনা। চালকের পাশের আসনটি খালি পেয়ে বসে পড়ি। যাত্রাবাড়ী ফেরার পথে দেখি চালকের মোবাইলটি স্টিয়ারিংয়ের সামনে। বাংলা, হিন্দি ছবির গানের একটার পর একটা ভিডিও বাজছে তাতে। হলের কর্মী আবদুল ওয়াহাবের কথাটি মনে পড়ে গেল, দোকানে, রেস্টুরেন্টে সব জায়গায় টিভি লাগানো। আর মোবাইল তো হাতে হাতে। কেন মানুষ টিকিট কেটে হলে যাবে!

Photos from দেখো বাংলাদেশ Deko Bangladesh's post 25/12/2024

সারুলিয়া, ডেমরা, ঢাকা, বাংলাদেশে

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


দেখো বাংলাদেশে
Dhaka
1000