What a match! UCL night, Bayern PSG playing, What happening?
Sium's ComBox
a sports lover's little effort
বাংলাদেশের ব্যাটারদের সমস্যা কোথায়? ট্যাক্টিক্সে নাকি মানসিকতায়?
রেডিও ভূমির কমেন্ট্রি বক্সে অভিনেতা ওমর সানি। শুনুন তার কথা। দেখুন আমাদের ধারাভাষ্য। থাকুন রেডিও ভূমি ৯২.৮ এফএমের সাথে।
আমার দল পারে নাই, সহজ সুযোগ মিস করসে, প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক অসাধারণ খেলসে, সব Acknowledge করি। কিন্তু দিনে-দুপুরে এরকম ডাকা তিকে acknowledge করি না। প্লিজ! কইরেন না!
একটা পোস্টার থেকে ভালো লাগা, ধীরে ধীরে ভালোবাসা, আবেগ, স্মৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ ঝাকড়া চুলের 'অপ্রতিরোধ্য লোকটা। আর্জেন্টিনা ও মেসির সঙ্গে এই জার্নির শুরু ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ থেকে, যা নিয়ে আছে অসংখ্য স্মৃতি।
বিশ্বকাপের এই স্মৃতিচারণা নিয়েই Sium's ComBox এর বিশেষ আয়োজন 'স্মৃতিতে ১৮ ক্যারেট'। আজ থাকছে প্রথম পর্ব। এই পর্বে আমি জানিয়েছি, ফিফা বিশ্বকাপ দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০ এর মাধ্যমে আমার শুরুর যাত্রা।
অপেক্ষায় থাকবো আপনার জার্নি শোনার।
"সান ম্যারিনো বাংলাদেশের ফেইস করা প্রথম ইউরোপিয়ান দল নয়"
অবাক হচ্ছেন? তাহলে শুনুন...
সব জল্পনা কল্পনা শেষে এতোদিনের নাটকের পর আজ শেষদিন ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে ক্রিকেটারদের মিটিং, কি হতে যাচ্ছে আজ?
12/01/2025
Don't wake me up
Don't make me remember
I can't recover what I've lost
But I can care what I HAVE❤️
12/01/2025
লিটন, আপনি যা করে দেখালেন সেটা করারই যোগ্য আপনি। আপনি এমনই খেলোয়াড়। অভিনন্দন।
তবে আলোচনা এখানে না। অনেক জায়গায়ই আলোচনা দেখছি এই ম্যাচটা গতকাল হলে লিটন হয়তো চান্স পেয়ে যেতেন। হয়তো পেয়ে যেতেন, হয়তো পেতেন না। এই বিষয়ে আমার দুটো দৃষ্টিভঙ্গি আছে।
১. লিটনের জন্য বাদ পড়াটা আর এই ম্যাচটা আজকে হওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। অনেকে বলবেন আগের ম্যাচেও তো ভালো খেলেছেন। হ্যাঁ, ভালো খেলেছেন। তবে বাদ পড়তে যাচ্ছেন এই খবরটা লিটনের অজানা ছিলো সেটা বিশ্বাস করা একটু কষ্টকর। একটা বৈশ্বিক আসরের আগে কে যাচ্ছেন আর কে যাচ্ছেন না সেটা মোটামুটি আগে থেকেই জানানো থাকে। আর লিটন দাসের যে পারফরম্যান্স, তাতে সেটি তার অজানা থাকার কথা না। এবং এরপর থেকেই তার এরকম ইনিংসের সূত্রপাত হওয়াটাও অবাক করার মতো কিছু না। কারণ আমরা অনেক সময় অনেক কিছুই হালকা ভাবে গ্রহণ করে নেই। সুতরাং, বাদ পড়াটা লিটনের জন্য যদি একটা কিক হয়, তার চেয়ে ভালো কিছু আর হতে পারে না। কারণ লিটন কুমার দাস আজ যেভাবে খেলেছেন, তার ক্যালিবার এটাই। খেয়াল করে দেখবেন, শেষ কয়েক ম্যাচে তার আউট হওয়ার ধরণে মনে হয়, স্রেফ অবহেলা করে নিজের উইকেটটা বিলিয়ে দিয়েছেন। নিজের অ্যাবিলিটি সম্পর্কে জানাটা অতীব জরুরি ছিলো তার জন্য।
২. দীর্ঘদিন তিনি ফর্মে ছিলেন না। এই দুই ম্যাচে তিনি যে ব্যাটিং দেখিয়েছেন তাতে তিনি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। তবে একটা ব্যাপারে আলোচনার অবকাশ রয়েছে বৈকি। আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ খেলবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড আর ভারতের বাঘা বাঘা বোলারদের প্রতিপক্ষ হয়ে। আজ রাজশাহীর যে বোলারদের বিপক্ষে লিটন দাস খেলেছেন, সম্মান রেখেই বলছি, সেখানে এক তাসকিন ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল সার্কিটে কমপিট করার মতো কোয়ালিটি বোলার বলতে তেমন কেউ ছিলো না। হ্যাঁ, সিলেট ম্যাচে কর্নওয়াল, টপলি, তানজিম সাকিব ছিলেন। লিটনের ইনিংস দুটোকে ছোটো করছি না আমি। শুধুমাত্র বলছি লিটনের এই ফর্মটাকে আরো ঝালাই করা দরকার আসন্ন আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য। ওয়ান ম্যাচ অর টু ম্যাচ ওয়ান্ডার তকমা যাতে পাওয়া না লাগে৷ আর এতে করে ভালো একটা টুর্নামেন্ট যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে এই ব্যাটারের যদি তিনি সুযোগ পান।
অর্থাৎ যাদের মনে হচ্ছে এই ম্যাচটা গতকাল হলে ভালো হতো সেখানে আমার মনে হচ্ছে যা হয়েছে সবকিছুই ভালো হয়েছে।
দলে ১২ ফেব্রুয়ারি অব্দি পরিবর্তনের সুযোগ আছে। লিটন এভাবে খেলতে থাকলে দলে ঢুকে যেতেই পারেন। তবে এখানে আগের একটা কথা আবারো বলতে চাই। লিটন ঢুকলে আপনারা যাকেই দল থেকে বাদ দেন না কেনো, তাকে আগে থেকে জানিয়ে রাখবেন দয়া করে৷ যাতে সে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে পারে।
12/01/2025
কেনো লিটন দাস না, পারভেজ হোসেন ইমন
আবার কোনো কোনো জায়গায় কেনো 'ব্যাটার' সাকিব না, পারভেজ হোসেন ইমন, এই দুইটা আলোচনা হচ্ছে। প্রথমটায় আসি, লিটন দাস তার খেলা সর্বশেষ ৭ ম্যাচে করেছেন ১৩ রান। যদিও আমার দেওয়া গতকালকের স্কোয়াডে আমি তাকে রেখেছিলাম। রেখেছিলাম তার অভিজ্ঞতা আর সাথে আইসিসি ইভেন্টে ভালো পারফর্ম করার রেকর্ডের কারণে। তবে নির্বাচক প্যানেল একটা বোল্ড ডিসিশনই নিলেন। ড্রপ করলেন লিটনকে। নিলেন ইমনকে। আলোচনাটা এখানেই। ইমন মূলত একজন ব্যাকআপ ওপেনার, যেই ওপেনারটা ২০২৩ বিশ্বকাপের সময় আমাদের ছিলো না। সেই জন্য ভুগতেও হয়েছে। এবারে সেই ভুল বিসিবি করেনি। সৌম্য সরকারের ইনজুরি কনসার্ন রয়েছে। সেই হিসেবে একজন ব্যাকআপ ওপেনার থাকা অবশ্যই যুক্তিযুক্ত।
তবে ইমনের জায়গায় লিটন হলে কি হতো? লিটন ফর্মে নেই। তবে আইসিসি ইভেন্টগুলোতে বাংলাদেশের হয়ে ভালো পারফর্ম করার রেকর্ড রয়েছে। ওপেনিংয়ের সঙ্গে মিডল অর্ডারেও আপনাকে ভরসা যোগাতে পারতেন। তবে হ্যাঁ, চরম অফ-ফর্মে থাকা একজন ব্যাটারকে নিয়ে এই রিস্ক বিসিবি নিতে চায়নি, এটা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য।
ইমনের অবস্থা কি তানজিদ তামিমের মতো হবে কিনা?
২০২৩ বিশ্বকাপে তামিম ইকবাল না খেলাতে হুট করেই তানজিদ হাসান তামিমকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে ওপেন করতে হয়। সেখানে তার স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে খুব একটা দেখা যায়নি। ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটো বলার মতো ইনিংস খেলেছিলেন। ইমনের সেইরকম অবস্থা হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ তিনি যাচ্ছেন ব্যাকআপ ওপেনার হিসেবে। কোনো ম্যাচ নাও পেতে পারেন এই ব্যাটার।
আর কেনো ব্যাটার সাকিব না, পারভেজ হোসেন ইমনকে নেওয়া হয়েছে, এই আলোচনাটার কোনো মানে দেখি না অন্তত আমি। সাকিব থাকলেও ইমন থাকতেন। কারণ ওপেনার বাংলাদেশ বাদ দিতো না। সাকিব আল হাসান খেললে নাসুম কিংবা রিশাদের কাউকে বসতে হতো। সুতরাং এই আলোচনাটার আসলে মানে আছে বলে আমার মনে হয় না।
বাংলাদেশ দলের জন্য শুভকামনা🇧🇩
11/01/2025
আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সম্ভাব্য স্কোয়াড ও সাকিব আল হাসানের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কিছু কথা
আসন্ন আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ স্কোয়াড ঘোষণা হবে আগামীকাল। যেখানে অবসর নেওয়ায় তামিম ইকবালের না খেলা নিয়ে সংশয় না থাকলেও ধোঁয়াশা আছে সাকিব আল হাসানকে নিয়ে। আজকের আলোচনা মূলত সেখানেই।
শুরুতেই দেখে আসা যাক চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সম্ভাব্য স্কোয়াড
অধিনায়ক:
১. নাজমুল হোসেন শান্ত (ব্যাটার)
সহ-অধিনায়ক:
২. মেহেদী হাসান মিরাজ (অলরাউন্ডার)
ওপেনার:
৩. তানজিদ হাসান তামিম
৪. সৌম্য সরকার
৫. লিটন কুমার দাস (উইকেটরক্ষক)
অলরাউন্ডার:
৬. শেখ মেহেদী হাসান
ব্যাটার:
৭. মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক)
৮. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
৯. জাকের আলী অনিক (উইকেটরক্ষক)
স্পিনার:
১০. রিশাদ হোসেন
১১. নাসুম আহমেদ
পেসার:
১২. তাসকিন আহমেদ
১৩. মুস্তাফিজুর রহমান
১৪. নাহিদ রানা
১৫. তানজিম হাসান সাকিব
আমি এখানে তাওহীদ হৃদয়কে ইনক্লুড করবো না। বিপিএলে মাঝারি রকমের কিছু ইনিংস খেললেও ওডিআই ফরম্যাটে দীর্ঘদিন ফর্মে নেই এই ব্যাটার। সর্বশেষ খেলা আফগানিস্তান সিরিজে ৩ ম্যাচে ২৯ রান করেছেন তিনি। গত মার্চে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৯৬ রানের ইনিংসটা বাদ দিলে ৫০ ওভারের ফরম্যাটে সংগ্রাম করছেন অনেক দিনই। তার জায়গায় শেখ মেহেদী হাসানকে দলে নিয়েছি আমি। যেহেতু মেহেদী হাসান মিরাজ এখন অনেকটাই ষষ্ঠ বোলিং অপশনের মতো বর্তমান বাংলাদেশ দলে, শেখ মেহেদী হাসান অফ-স্পিনারের অভাবটা দূর করতে পারেন। যার অভাব ছিলো সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও।
এবারে আসি সাকিব আল হাসান প্রসঙ্গে। বোলিং অ্যাকশন নিষিদ্ধ হওয়ায় সাকিবের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলা অনেকটাই অনিশ্চয়তার ওপর পড়ে গিয়েছে। তবে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুযোগ থাকবে দলে পরিবর্তন আনার। এখানেই আমার দুটো বিষয় বলার আছে।
১. দলে আর পরিবর্তন না আনা। দেখুন, দলে পরিবর্তন এলে সেটা ১৩ জানুয়ারিও আসতে পারে। আবার ১২ ফেব্রুয়ারিও আসতে পারে। একটা বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের আগে প্রত্যেকটা খেলোয়াড়ের নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা থাকে। এখন ধরে নেওয়া যাক সাকিবকে একদম শেষদিন দলে নেওয়া হলো। সেক্ষেত্রে যত বড় ক্রিকেটারই হোক না কেনো, একটা নেতিবাচক প্রভাব অবশ্যই পড়তে পারে। আর বোলিং অ্যাকশন পরিবর্তনের পর সাকিব কি অবস্থায় আছেন, সেটাও পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকবে না।
২. সাকিবের মতো ক্রিকেটারকে দলে নিতে পারা যেকোনো দলের জন্যই এক্সট্রা অ্যাডভান্টেজ। সেক্ষেত্রে যেই ক্রিকেটারকে পটেনশিয়ালি দল ছাড়তে হবে, তাকে আগে থেকেই জানিয়ে রাখা। সেক্ষেত্রে সে মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত রাখতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে দলে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করার সম্ভাবনা আরো বেশি থাকবে।
আপনার মতামত জানাতে পারেন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka