26/05/2026
প্রিমিয়ার লীগের ২০২৫/২৬ সিজনের প্রতিটা ম্যাচ, প্রতিটা মিনিট খেলেছে ভার্জিল ভান ডাইক।
সেটাও ৩৪ বছর ৩২০ দিন বয়সে!
প্রিমিয়ার লীগের ইতিহাসে কোনো সিজনের প্রতিটা মিনিট খেলা প্রবীনতম ফুটবলার ভার্জির ভান ডাইক।
অবিশ্বাস্য!
আগের রেকর্ডটা ছিলো জন টেরির (৩৪ বছর ১৬৮ দিন), ২০১৪/১৫ সিজনে৷
25/05/2026
২০২২ সালে ইউরোপা লীগের সেমিফাইনাল,
২০২৩ সালে কনফারেন্স লীগের শিরোপা জিতেছে দলটা, ২০২৪ সালে ইউরোপা লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে ;
সেই ওয়েস্ট হাম এবার প্রিমিয়ার লীগ থেকে রেলিগেটেড হয়ে দ্বিতীয় স্তরে নেমে গেলো। যারা ট্রান্সফার মার্কেটে প্লেয়ার সাইনিংএ ২০০ মিলিয়নের উপরে খরচা করেছে সিজনের শুরুতে।
নুনো স্পিরিতো সান্তো বাচাতে পারলো না পূর্ব লন্ডনের দলটাকে। ১৫ বছর পর আবারো চ্যাম্পিয়নশীপে ফিরলো হ্যামার্সরা৷
24/05/2026
১৯৫০ সালের FIFA World Cup ছিল বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে অদ্ভুত ও মজাদার টুর্নামেন্টগুলোর একটি
কারণ সেই বিশ্বকাপে কোনো অফিসিয়াল ফাইনাল ম্যাচই ছিল না !
হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন
বর্তমানের মতো নকআউট ফাইনালের বদলে তখন শেষ চার দলকে নিয়ে একটি “ফাইনাল গ্রুপ” বানানো হয়েছিল।
যে দল গ্রুপে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাবে, তারাই হবে চ্যাম্পিয়ন।
শেষ ম্যাচে ব্রাজিল এর শুধু ড্র করলেই চলত, কারণ তারা পয়েন্টে এগিয়ে ছিল। ম্যাচটিও হচ্ছিল ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়ামে, যেখানে প্রায় ২ লাখ মানুষ উপস্থিত ছিল; যা আজও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় দর্শকসংখ্যা।
সবাই ধরে নিয়েছিল ব্রাজিলই চ্যাম্পিয়ন হবে। এমনকি ম্যাচের আগেই সংবাদপত্রগুলো “Brazil Champions” টাইপ শিরোনাম ছাপিয়ে ফেলেছিল ।
কিন্তু এরপরই ঘটে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঘটনগুলোর একটি।
উরুগুয়ে ২-১ গোলে ব্রাজিলকে হারিয়ে দেয়!
এই ঘটনাকে আজও বলা হয় "Maracanazo।"
শোনা যায়, ম্যাচ শেষে পুরো স্টেডিয়াম এতটাই নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল যে খেলোয়াড়রা নিজেদের কথা পর্যন্ত শুনতে পারছিল
এই ম্যাচে ব্রাজিলের গোলকিপার ছিল সেই সময়ের বিশ্বসেরা কিপার বারবোসা। উরুগুয়ের শেষ গোলটিই তাকে ভিলেনে পরিণত করে। ২০০০ সালে আক্ষেপ করে বারবোসা বলেছিল "ব্রাজিলে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩০ বছর, কিন্তু আমি ৫০ বছর ধরে এমন এক অপরাধের জন্য অপরাধী যেটা কিনা আমার ভুলই ছিল না"
তবে "মারাকানাজো" ব্রাজিলকে পুরোপুরি বদলে দেয়। ঢেলে সাজানো হয় ফুটবল স্ট্রাকচার থেকে সবকিছু। ফলে ৮ বছর পরেই প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় ব্রাজিল। বাকিটা ইতিহাস।
Football freak থেকে সজীব আহমেদ
Join our group. Link in comment
23/05/2026
প্রেসিডেন্ট পেরেজ কোচ হোসে মরিনহোকে ফুল কন্ট্রোল দিয়ে দিছে। মরিনহো টিমের সব ডিসিশান নিতে পারবে। কে দলে থাকবে, কাকে কেনা হবে, কাকে বিক্রি করা হবে, একাদশ কেমন হবে সবকিছু! দলের ভালোর জন্য পেরেজের এই ডিসিশানটা ভালোই হইছে বলা যায়।
তবে এরপরও কথা থাকে।
মরিনহো সবাইকে বিক্রি করতে পারলেও, ভিনিসিয়াস জুনিয়র আর এমবাপ্পে কে বিক্রি করতে পারবে না। পেরেজের ভাষায় এই দুইজন আনটাচেবল। যদিও পেরেজ শুধু ভিনিকেই আনটাচেবল বলছে। কিছুদিন আগেও পেরেজ ভিনির প্রতি নিজের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে। পেরেজের মতে রিয়াল মাদ্রিদের লাস্ট দুই ইউসিএল জেতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ভিনির। পেরেজ ভিনিকে এতটাই পছন্দ করে যে আগামী সিজনে ভিনিকে সে ক্যাপ্টেন হিসেবে দেখতে চায়
অন্যদিকে এমবাপ্পে মাদ্রিদে আসছেই দুই সিজন। সত্যি বলতে এই মুহূর্তে এমবাপ্পেই বিশ্বের সেরা প্লেয়ার। আর সেরা প্লেয়ারদের একটা রিয়াল মাদ্রিদে থাকে না এমনটা পেরেজের আমলে দেখাই যায় নাই। এমবাপ্পের অনেক সমস্যা থাকতে পারে কিন্তু সে রেগুলার পারফর্মার।
football freak group link in comment.
23/05/2026
ফুটবলে কেবল গোল বা ট্রফিই শেষ কথা নয়; একজন খেলোয়াড় যখন তার ক্লাব আর সমর্থকদের কাছে 'আদর্শ' হয়ে ওঠেন, তখনই তিনি কিংবদন্তি। কারভাহাল সম্পর্কে কার্লো আনচেলোত্তির এই মন্তব্যগুলো যেন ঠিক সে কথাই মনে করিয়ে দেয়।
আনচেলত্তি বলেন, "একজন পেশাদার এবং রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় কেমন হওয়া উচিত, কারভাহাল তার নিখুঁত উদাহরণ"
আনচেলত্তির কথাটা শুধুই একজন রাইট-ব্যাকের প্রশংসা না, বরং কারভাহালের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার ডেডিকেশন, ক্লাবের প্রতি লয়্যালিটির স্বীকৃতি। রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে কারভাহালের পথচলাটা যতটা না গ্ল্যামারের, তার চেয়ে বেশি ঘাম, রক্ত আর ত্যাগ-তিতিক্ষার।
আজকের আধুনিক ফুটবলে যেখানে লয়্যালিটির চেয়ে অর্থের ঝনঝনানি বেশি, সেখানে কারভাহাল যেন এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। আনচেলত্তির ভাষ্যমতে, "কারভাহাল তার ক্যারিয়ারকে কোয়ালিটি, কমিটমেন্ট আর মূল্যবোধে পরিপূর্ণ করেছে।" একজন কোচের কাছ থেকে এর চেয়ে বড় সার্টিফিকেট আর কী হতে পারে! একজন বিশ্বসেরা কোচের অধীনে বছরের পর বছর খেলে নিজের জাত চেনানো এবং একই সাথে ড্রেসিংরুমের অঘোষিত নেতা হয়ে ওঠা; এটাই দানি কারভাহাল।
কারভাহাল কোনোদিন লাইমলাইটে থাকতে পছন্দ করেননি, কিন্তু দুর্দান্ত পারফর্ম করে ঠিকই বার্নাব্যুর দেয়ালে নিজের নাম লিখে ফেলছে।
কারভাহালকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? কমেন্টে জানান আপনার মতামত।
প্রিমিয়াম কোয়ালিটি জার্সি নিতে পারেন কিটজ্ ক্যাসল থেকে। লিঙ্ক কমেন্টে
23/05/2026
নেদারল্যান্ড এর ১৯৭৪ বিশ্বকাপের জার্সি নিয়ে একটি দারুণ ঘটনা আছে।
নেদারল্যান্ড দলের মূল কিট স্পন্সর ছিল Adidas, যার আইকনিক ডিজাইন ছিল হাতায় তিনটি স্ট্রাইপ । কিন্তু দলের সবচেয়ে বড় তারকা জোহান ক্রুয়েফ এর ব্যক্তিগত স্পন্সরশিপ ছিল Adidas রাইভাল PUMA'র সঙ্গে।
কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্টের জন্য ক্রুয়েফ Adidas এর ৩ স্ট্রাইপ জার্সি পরতে রাজি হননি। সমাধান হিসেবে তার জার্সিতে রাখা হয় মাত্র ২টি স্ট্রাইপ যেখানে বাকি পুরো দল খেলেছিল ৩ স্ট্রাইপ জার্সি পরে!
ফুটবল ইতিহাসে একই দলের মধ্যে ভিন্ন দুটি স্ট্রাইপ এর জার্সি ব্যবহারের এটি সবচেয়ে বিখ্যাত ঘটনাগুলোর একটি।
Football Freak™ থেকে সজীব আহমেদ
Join our group. link in comment.
22/05/2026
ফুটবল মানেই হলো জার্সি। জার্সি যেমন ক্লাব, দেশকে রিপ্রেজেন্ট করে তেমনি সাপোর্টারদের সাথেও একটা আত্মিক বন্ধ তৈরি করে।
ফুটবলে জার্সি নিয়ে রয়েছে নানা চমকপ্রদ কাহিনী।
এর একটি উদাহরণ হলো ক্যামেরুন। ক্যামেরুন ২০০২ সালে এমন একটি “স্লিভলেস” জার্সি পরে খেলেছিল যা পুরো ফুটবল বিশ্বকে অবাক করে দেয়। ক্যামেরুন যে জার্সি পরেছিল সেটা দেখতে অনেকটা বাস্কেটবল জার্সির মতো ছিল ।
ফিফা প্রথমে সেই জার্সিকে অনুমতি দিলেও পরে দাবি করে এটি ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী জার্সি নিয়মের সঙ্গে মানানসই নয়। এরপর ক্যামেরুনকে ও পুমা জার্সিতে কালো হাতা যোগ করতে বাধ্য করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিও দেওয়া হয়।
মজার বিষয় হলো, সেই অদ্ভুত জার্সি পরেই ক্যামেরুন Africa Cup of Nations জেতে, আর জার্সিটি আজও ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আইকনিক ও সাহসী কিট গুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়।
football freak থেকে সজীব আহমেদ
Join football freak. link in comment
21/05/2026
He done it!
Al Nassr FC are champions of Saudi Arabia for the 11th time! 🏆🇸🇦
Another league another trophy for Cristiano Ronaldo.
Cristiano continues to win trophies wherever he plays
21/05/2026
ইয়েস! ইয়েস! ইয়েস! আজকে হবে মনে হয়
21/05/2026
Fans believes because Cristiano Ronaldo exists. 💥
Is Al nassr going to win League trophy tonight?
Join our group. Link in comment 👇
21/05/2026
নেইমারের বিশ্বকাপ দলে চান্স পাওয়া নিয়ে কম নাটকীয়তা হয় নাই। ইনজুরি প্রবণ নেইমার বিশ্বকাপ দলে আদৌ থাকবে কিনা সেটা নিয়ে ফুটবল ফ্যানদের আগ্রহ ছিল চরম।
তবে নেইমারই প্রথম না। ২০০২ সালে ঠিক একই রকম এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন রোমারিও। কিন্তু নেইমারের ভাগ্য যতটা সুপ্রসন্ন ছিল, রোমারিও’র ক্ষেত্রে গল্পটা ছিল একেবারেই ভিন্ন।
১৯৯৪ সালে ব্রাজিলকে চতুর্থ বিশ্বকাপ জেতানোর কারিগর ছিলেন রোমারিও। ৯৮ সালে চোটের কারণে হাতছাড়া হওয়ার পর, ২০০২ বিশ্বকাপে ৩৬ বছর বয়সেও দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন তিনি। ভাস্কো দা গামার হয়ে নিয়মিত গোল পাচ্ছিলেন, ভক্তদের মধ্যে ছিল আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। এমনকি সেই সময়ের ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টও কোচ লুই ফেলিপ স্কোলারিকে ফোন করে রোমারিওকে দলে নেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।
কিন্তু স্কোলারি ছিলেন অটল। প্রেসিডেন্টকে তিনি সোজাসাপ্টা শুনিয়ে দিয়েছিলেন, "আমি আপনার কেবিনেটের কাজে হস্তক্ষেপ করি না, তাই আমাকেও আমার মতো দল গঠন করতে দিন।"
স্কোলারি পপুলারিটির চেয়ে দলের ভারসাম্যকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তার যুক্তি ছিল স্পষ্ট—বয়স এবং ইনজুরি প্রবণতার কারণে পুরো বিশ্বকাপ খেলার মতো শারীরিক সক্ষমতা রোমারিওর নেই। এছাড়া দলে তখন রোনালদো, রিভালদো ও রোনালদিনহোর মতো তারকারা থাকায় স্কোলারি চেয়েছিলেন একটি তারুণ্যনির্ভর ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড। শেষ পর্যন্ত রোমারিওকে ছাড়াই বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ব্রাজিল পঞ্চম শিরোপাটি জিতে প্রমাণ করেছিল, কোচ স্কোলারির জেদ কতটা সঠিক ছিল।
নেইমারকে দলে নিয়ে কোচ আনচেলত্তি কী ভুল করলেন? আপনার কী মনে হয় নেইমারকে বিশ্বকাপ দলে রাখা ঠিক হইছে? জানান কমেন্টে 👇