দু'চাকায় বাংলাদেশ

দু'চাকায় বাংলাদেশ

Share

দেখিব বাংলা দু'চোখ ভরিয়া,
দু'চাকায় ভর করিয়া....

14/07/2025

"এই বয়সে বাচ্চা পুলাপাইনের মতো সাইকেল চালাও!"

"সকালের ঘুম নষ্ট করে এতটা পথ সাইকেল চালাও কেন?"

তাদের উদ্দেশ্যে—

আমি একজন অফিসকর্মী। সারাদিন ডেস্কে বসে কাজ করি। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় স্বাভাবিকভাবে কোনো শারীরিক পরিশ্রম থাকে না।

অন্যদিকে, আমাদের শ্রমজীবী ভাইয়েরা—কৃষক, রিকশাচালক, দিনমজুর—প্রতিদিনই কঠোর পরিশ্রম করেন। সেটাই তাদের জন্য স্বাভাবিক শরীরচর্চা।

কিন্তু আমি?

আমি যদি আলাদাভাবে শরীরের জন্য সময় না দিই, তাহলে ধীরে ধীরে এই শরীরটাই ভেতর থেকে ক্ষয়ে যাবে।

আর সাইক্লিং?
এটা শুধুমাত্র ব্যায়াম না—এটা শরীর ও মন একসাথে যত্ন নেওয়ার আনন্দময় উপায়।

✅ শরীর ফিট রাখে
✅ মনকে সতেজ করে
✅ আর চোখের সামনে মেলে ধরে ভোরের আলো, কুয়াশা, সবুজ, পাখির ডাক—প্রকৃতির অকৃত্রিম সৌন্দর্য।

আজ অনেকেই ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর হাঁটতে শুরু করেন।
কিন্তু হাঁটলেই কি আগের মতো সুস্থ জীবন ফিরে আসে?

আমি চাই না অসুস্থ হয়ে পরে হাঁটা শুরু করতে।
তাই আমি আজই হাঁটছি, সাইকেল চালাচ্ছি, পরিশ্রম করছি।

তাহলে জিম নয় কেন?

"জিমে গেলে দেখি চারটা দেয়াল,
সাইক্লিং করলে দেখি মুক্ত আকাশ!"

সাইক্লিং আমার জন্য শুধু ক্যালরি বার্ন নয়—
এটা আমার ‘মেন্টাল ডিটক্স’, স্ট্রেস রিলিফ, আর নিজের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ।

তাই কেউ যখন প্রশ্ন করে—
"এইসব করে কী লাভ?"
আমি হেসে বলি—
"লাভটা আমি এখনই পাই, আর ভবিষ্যতে আরও বেশি পাব।
যখন তোমরা ওষুধ খুঁজবে, আমি তখনও প্যাডেল ঘুরাবো—ইনশাআল্লাহ (আল্লাহ যদি হায়াত দেন)।"

[Collected]

13/07/2025

আজকের টপিক টা বেশ গুরুত্বপূর্ণ, নতুন ইউজার রা তো এটাই ভুল করে থাকেনই, বরং অনেক পুরাতন সাইক্লিষ্ট এই জায়গাটায় ভুল করে থাকেন।

আজকের টপিক মূলত কিভাবে গিয়ার শিফটিং করবেন সেটা নিয়ে।

গিয়ার শিফটিং বুঝতে হলে আগে একদম বেসিক থেকে আসতে হবে। বাজারে মূলত দুই ধরনের সাইকেল পাওয়া যায় :
1. Single speed / fixed gear /(locally knows as non gear)
2. Multiple speed / ( locally known as gear cycle)

বোঝার সুবিধার্থে আমরা এই পোস্ট এ নন গিয়ার সাইকেল এবং গিয়ার সাইকেল এই দুইটা টার্ম ইউজ করবো।

নন গিয়ার সাইকেল এর মেইনটেনেন্স এর খরচ এবং মেইনটেনেন্সের ঝামেলা সাধারণ একটু কম হয়। কারণ গিয়ার সিস্টেম একটি জটিল সিস্টেম, এটি নিয়মিত মেইনটেইনেন্স করতে হয় এবং এটি রিলেটেড পার্টস এর দামও বেশি। কিন্তু নন গিয়ার সাইকেল বাজারে ভালো স্পেসিফিকেশনের পাবেন না, সাধারণত কম দামি সাইকেলগুলোর অনেক সময় নন গিয়ার ভ্যারিয়েন্ট থাকে।

তাহলে সবচেয়ে বড় কোয়েশ্চেন দাঁড়ায়, কেন আপনি গিয়ার সাইকেল ইউজ করবেন? উত্তরটা হচ্ছে বেটার রাইডিং এক্সপেরিয়েন্স। আরো ডিটেলসে উত্তর খুঁজতে গেলে আপনার বুঝতে হবে গিয়ার সিস্টেম কি এবং এটার কাজ কি?

সাইকেলে মাল্টিপল গিয়ার ব্যবহার করা হয় মূলত বিভিন্ন ধরনের রাস্তায় সহজে চালানোর জন্য । আমাদের রাস্তা কখনোই একদম ফ্ল্যাট এবং স্মুথ না, কোথাও রাস্তা ভাঙ্গা, কোথাও হয়তো একটু উঁচু অথবা কোথাও হয়তো একটু নিচু - বিভিন্ন ধরনের অবস্থা মিলিয়েই আমাদের রাস্তাঘাট । নন গিয়ার সাইকেলে যেটা হয়, আপনি প্যাডেলিং করার সময় এক ধরনের প্রেশারই এপ্লাই করা সম্ভব সেটা রাস্তা যেরকমই হোক না কেন । এজন্য দেখা যায় আপনি নন গিয়ার সাইকেল দিয়ে যখন একটা ব্রীজ ক্লাইম্ব করবেন তখন আপনার প্যাডেলিং করতে খুবই কষ্ট হবে, আবার যখন ব্রিজ থেকে নামা শুরু করবেন তখন দেখবেন প্যাডেলিং এর প্রেসার একদম লুজ হয়ে গিয়েছে এবং আপনি তাল মিলাতে গেলে এত পরিমাণ পা ঘুরাতে হচ্ছে যে সেটা তাল মিলানো আপনার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। মাল্টিপল গিয়ার সাইকেল যেটা করে, আপনার এই প্যাডেলিং এর সময় প্রেশার অনেকগুলো সেকশনে ভাগ করে দেয়। আপনি যখন লো গিয়ারে চালাবেন তখন প্যাডেলিং অনেক লুজ মনে হবে অর্থাৎ আপনি পা ঘুরাতে পারবেন কিন্তু অনেক কম প্রেশারে। আবার যখন আপনি হাই গিয়ারে চালাবেন তখন প্যাডেলিং অনেক হার্ড মনে হবে, আপনার লো গিয়ারের সমপরিমাণ পা একবার ঘুরাতে গেলে আগের থেকে অনেক বেশি শক্তি ব্যয় হবে প্রতিবার ঘোরাতে, কিন্তু আপনি আগের থেকে অনেক বেশি ডিসট্যান্স কভার করতে পারবেন একবার ঘুরিয়েই।

এতক্ষণে আপনাদের একটা ধারণা হয়ে গিয়েছে সিস্টেমের কাজটা কি । এখন মূল আলোচনায় আসি কিভাবে এটা ইউজ করবেন। অনেকেরই ধারণা গিয়ার হয়তো একটা নির্দিষ্ট গিয়ার পজিশনে রেখে চালাতে হয় অথবা নির্ধারিত কোন সূত্র আছে ধরেন উপরে উঠতে গেলে অমুক গিয়ারে অথবা নিচে নামতে গেলে তমুক গিয়ার - এ ধরনের অনেক কথাই প্রচলিত আছে।

গিয়ার সাইকেলে কত গিয়ারে চালাবেন এটা নির্ধারিত কোন মান নেই , আপনার রাস্তা এবং শারীরিক কন্ডিশন অনুযায়ী কম্ফোর্টেবল প্যান্ডেলিং প্রেসার যে গিয়ার থেকে পাবেন সেই গিয়ার পজিশনে রেখে আপনি চালাবেন । হিসেবে সুবিধার্থে ধরে নেই আপনি সামনে ৩ স্পিড এবং পিছনে ৮ স্পিড এর একটি সাইকেল চালাচ্ছেন । অর্থাৎ আপনার কাছে টোটাল গিয়ার কম্বিনেশন আছে ২৪টি। এখন আপনি এই ২৪ টি কম্বিনেশনের মধ্যে থেকে আপনি যে মুহূর্তে চালাচ্ছেন সেই মুহূর্তের কম্ফোর্টেবল গিয়ার অপশনটি বেছে নিবেন । ধরেন আপনি চালানো শুরু করলেন, খেয়াল করলেন আপনার কমফোর্ট জোন থেকে প্যাডেল ঘুরাতে হচ্ছে তখন বুঝবেন আপনার গিয়ার বাড়াতে হবে। আবার আপনি যখন ফিল করবেন আপনার পেডেলিং করতে খুব কষ্ট হচ্ছে এবং বেশি প্রেশার প্রয়োজন হচ্ছে তখন আপনি গিয়ার কমাবেন। সামনের গিয়ার প্রতিটি কম-বেশ করলে প্রেশার অনেক বেশি আপডাউন করে, পিছনের গিয়ার আপডাউন করলে প্রেশার আস্তে ধীরে আপ ডাউন করে। সুতরাং বেশি শিফট করবেন পিছনের গিয়ার, যখন দেখবেন পিছনের গিয়ারে আর অপশন নেই তখন সামনের গিয়ার চেঞ্জ করে আবার অ্যাডজাস্ট করবেন পিছনের টা চেঞ্জ করেও।

সাধারণত যখন আপনি কোনও উঁচু রাস্তায় উঠবেন আস্তে আস্তে গিয়ার কমাতে থাকবেন , একইভাবে আপনি যখন নিচে নামবেন আপনার সাইকেলের স্পিড বাড়তে থাকবে একই সাথে আপনি আপনার গিয়ার বাড়াতে থাকবেন কম্ফোর্টেবল পজিশন অনুযায়ী । এছাড়া যদি জ্যামে পড়েন বা কোথাও থামেন, আমার আগে একটি বা দুটি গিয়ার নামিয়ে নিবেন যাতে পরবর্তীতে স্টার্ট করা সহজ হয় । হাই গিয়ারে প্যাডেলিং স্টার্ট করলে অনেক বেশি শক্তির অপচয় হয় এবং অনেক সময় ডাইভট্রেইনে প্রেশার পড়লে ডেরা হ্যাঙ্গার বাঁকিয়ে যেতে পারে অথবা ডিরেইলারের ক্ষতি হতে পারে।

এখানে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা হচ্ছে - নিয়মিত শিফটিং এর অভ্যাস করা, যখন যেরকম গিয়ার প্রয়োজন হবে কন্টিনিউয়াসলি আপডাউন করা । রেগুলার শিফটিং করে চালালে আপনার চেইন - ক্যাসেট / ফ্রিহুইল, ক্র‍্যাংক, শিফটার দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং সমানভাবে ক্ষয় হবে। আপনি যদি নির্ধারিত একটি দুটি বা তিনটি গিয়ারে চালান সে ক্ষেত্রে আপনার শুধুমাত্র সেই দাঁতগুলো দ্রুত ক্ষয় হয়ে যাবে এবং আপনার চেইন, ক্যাসেট/ফ্রিহুইল রিপ্লেস করা লাগবে দ্রুত সময়ের মধ্যে । আরো একটি এক্সট্রা টিপস দিয়ে দিতে পারি - কেউ যদি পাহাড়ে চালানোর প্ল্যানিং করে থাকেন কিন্তু আগের অভিজ্ঞতা নেই, সেক্ষেত্রে সবার আগে জরুরি হচ্ছে আপনি শিফটিং টা বুঝেন কিনা। আপনি যখন নিজ থেকে ফিল করবেন সাইকেলে গিয়ার শিফটিং এর জন্য শিফটারের ডিসপ্লেতে কত নাম্বার গিয়ারে আছে সেটা দেখার প্রয়োজন হচ্ছে না এবং রাস্তার কন্ডিশন অনুযায়ী আপনি অটোমেটিক রিফ্লেক্সে শিফটিং করতে পারছেন তখন আপনি বুঝবেন প্রোপারলি শিফটিং শিখে গেছেন।

[Collected from GM Rezve]

02/04/2025

মানুষ বিভিন্ন কারণে সাইক্লিংকে শখ হিসেবে বেছে নেয়, এর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কারণ হলো:

1. **শারীরিক স্বাস্থ্য**: সাইক্লিং একটি চমৎকার শারীরিক ব্যায়াম, যা হৃদরোগ, স্থূলতা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

2. **মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি**: সাইক্লিং করার সময় মুক্ত বাতাস এবং প্রাকৃতিক পরিবেশে থাকার ফলে মানসিক চাপ কমে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে।

3. **অভিযান ও অনুসন্ধান**: সাইক্লিং মানুষকে নতুন জায়গা আবিষ্কার করার সুযোগ দেয়। নতুন রাস্তায় সাইকেল চালানো এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা অনেকের জন্য আনন্দদায়ক।

4. **সামাজিক সংযোগ**: সাইক্লিং সাধারণত গ্রুপে করা হয়, যা নতুন বন্ধু তৈরি করার এবং সামাজিক সংযোগ স্থাপনের সুযোগ দেয়।

5. **পরিবেশবান্ধব**: সাইক্লিং একটি পরিবেশবান্ধব পরিবহণের মাধ্যম, যা দূষণ কমায় এবং শহরের পরিবেশের উন্নয়ন করে।

6. **অর্থনৈতিক সুবিধা**: সাইকেল চালানোর মাধ্যমে মানুষ জ্বালানি খরচ কমাতে পারে এবং পরিবহন খরচ কেটে রাখতে পারে।

7. **মজা ও আনন্দ**: সাইক্লিং অনেকের জন্য একটি মজার কার্যকলাপ, যা আনন্দ দিতে পারে এবং মুক্ত বাতাসে চলার অনুভূতি দেয়।

এভাবে, সাইক্লিং একটি বহুমুখী শখ, যা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক সংযোগ এবং পরিবেশের জন্য উপকারিতা নিয়ে আসে।

Photos from দু'চাকায় বাংলাদেশ's post 18/01/2025

বহুদিন পরে আপন প্রিয় কক্ষপথে...

ফুলবাড়ি - দীঘলিয়া - সেনহাটি - চন্দনীমহল - খালিশপুর - দৌলতপুর - কুয়েট


#দুচাকায়_বাংলাদেশ
দেখিব বাংলা দু'চোখ ভরিয়া
দু'চাকায় ভর করিয়া.....

দেশেই তৈরি হচ্ছে সাইকেলের কার্বন ফাইবার যন্ত্রাংশ | Carbon fiber | Bicycle | The Business Standard 01/04/2024

দেশেই তৈরি হচ্ছে সাইকেলের কার্বন ফাইবার যন্ত্রাংশ | Carbon fiber | Bicycle | The Business Standard Carbon fiber parts of bicycles are being manufactured in the country সাইকেলের কার্বন ফাইবার যন্ত্রাংশ এখন তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশেই। গাজিপুরের শ্রীপুর উপজেল.....

26/02/2024

অভিনন্দন Irfan Bin Ibrahim

বিজয় দিবস ৫২ কিঃমিঃ ভার্চুয়াল সাইক্লিং চ্যালেঞ্জ ২০২৩ এ অংশগ্রহন করে রোড বাইক ক্যাটাগরিতে ২য় স্খান অর্জনের জন্য।

আজ তাঁকে ২য় পুরস্কার সাইক্লিং হাফ হ্যান্ড গ্লোভস এবং লেমিনেটেড সার্টিফিকেট তার হাঁতে তুলে দেয়া হয়।

#দুচাকায়_বাংলাদেশ

Photos from দু'চাকায় বাংলাদেশ's post 27/01/2024



বিজয় দিবস ৫২ কিঃমিঃ ভার্চুয়াল সাইক্লিং চ্যালেঞ্জ ২০২৩ ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণী এবং সমাপনী অনুষ্ঠান আজ ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ইং, রোজ শনিবার, সকাল ৮ টায় ঢাকার চন্দ্রিমা উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সর্বপ্রথম সাইকেলে ৬৪ জেলা ভ্রমণকারী সকলের প্রিয় খন্দকার আহমদ আলী সাইদ ভাই। দু'চাকায় বাংলাদেশ এর আয়োজক কমিটি থেকে উপস্থিত ছিলেন Saurav Sarker এবং Fazlay Osama। প্রতিযোগিদের মধ্য থেকে মাউন্টেন বাইক ক্যাটাগরিতে ১ম এবং "সেরাদের সেরা" পুরস্কার অর্জনকারী সামিন আল-আমিন এবং লেডি সাইক্লিস্টস ক্যাটাগরিতে ৩য় স্থান অর্জনকারী তানহা আক্তার।

আরো উপস্থিত ছিলেন রাজধানী সাইক্লিস্ট এর গ্রুপ প্রতিনিধি মুহাম্মদ নাহিদ খান এবং মোহাম্মদ ফিরোজ ভাই। Fast Riderzzz 🚴 এর গ্রুপ প্রতিনিধি রোহান ভাই।

সকলের উপস্থিতিতে সফলভাবে অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিদের যারা পুরস্কার গ্রহন করতে উপস্থিত হতে পারেননি তারা অতি সত্ত্বর মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাদের প্রাপ্য বুঝে নেবার জন্য অনুরোধ করা হলো।

বিস্তারিত ভিডিও আসছে...

26/01/2024

আগামী ২৭শে জানুয়ারী ২০২৪ইং, রোজ শনিবার সকাল ৭টায় ঢাকার চন্দ্রিমা উদ্যানে দু'চাকায় বাংলাদেশ আয়োজিত
"বিজয় দিবস ৫২ কি.মি ভার্চুয়াল সাইক্লিং চ্যালেঞ্জ ২০২৩" অংশগ্রহণে পুরস্কার বিতরণী এবং সমাপ্তি অনুষ্ঠিত হবে।

আমন্ত্রিত অতিথী এবং প্রতিযোগিদের উপস্থিতি একান্ত কাম্য।

ধন্যবাদ

23/01/2024



অভিনন্দন!!

কুমিল্লার সাইক্লিস্ট "নূর মোহাম্মাদ রাব্বী" কে "বিজয় দিবস ৫২ কিঃমিঃ ভার্চুয়াল সাইক্লিং চ্যালেঞ্জ ২০২৩" এ অংশগ্রহন করে মাউন্টেন বাইক ক্যাটাগরিতে ৩য় স্থান অর্জনের জন্য অভিনন্দন।

শুভকামনা সবসময়!

#দুচাকায়_বাংলাদেশ
দেখিব বাংলা দু'চোখ ভরিয়া,
দু'চাকায় ভর করিয়া.............

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
1207