বাংলাদেশের ফুটবল সেকাল একাল

বাংলাদেশের ফুটবল সেকাল একাল

Share

Football Videos and Photos.

19/04/2026

বাদল দাস (Badal Das) ছিলেন একজন বাংলাদেশী ফুটবলার এবং কোচ। তিনি ১৯৮০-এর দশকে দেশের একজন পরিচিত স্ট্রাইকার (সেন্টার ফরোয়ার্ড) হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
মূল তথ্য:
• জন্ম: আনুমানিক ১৯৬৪ সাল, চাঁদপুর, বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান)।
• মৃত্যু: ১ সেপ্টেম্বর ২০১২ (বয়স আনুমানিক ৪৭-৪৮), ঢাকা, বাংলাদেশ। মৃত্যুর কারণ হার্ট অ্যাটাক (কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট)।
• পজিশন: স্ট্রাইকার (সেন্টার ফরোয়ার্ড)।
• জাতীয় দলে অবদান: ১৯৮৭ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে খেলেছেন। ৭টি অফিসিয়াল ম্যাচে ২টি গোল করেন।
ক্লাব ক্যারিয়ার:
তিনি পাইওনিয়ার ফুটবল লিগ থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়।
• ১৯৮৩ সালে লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাবের হয়ে ঢাকা থার্ড ডিভিশন লিগে অভিষেক।
• পরবর্তীতে খেলেছেন জনপ্রিয় ক্লাবগুলোতে:
• ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব (Farashganj SC)
• ব্রাদার্স ইউনিয়ন
• বাংলাদেশ বয়েজ
• ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাব
তিনি ৮০-এর দশকে স্ট্রাইকার হিসেবে বেশ সুনাম অর্জন করেন।
পরবর্তী জীবন:
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে তিনি কোচিং করেছেন এবং লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাবের অফিসিয়াল হিসেবে কাজ করেছেন।

18/04/2026

সৈয়দ রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির, যাকে ভক্তরা ভালোবেসে 'বাংলার ম্যারাডোনা' বলে ডাকেন, বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শৈল্পিক এবং প্রভাবশালী খেলোয়াড়।

ব্যক্তিগত ও শৈশব জীবন
পুরো নামঃ সৈয়দ রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির
জন্ম তারিখঃ ৫ জুন ১৯৬৮।
জন্মস্থানঃ কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ।
পরিবারঃ তার বাবার নাম সৈয়দ ওয়ালী হোসেন সুলতান এবং মায়ের নাম সোহেলী ফেরদৌসী। তিনি তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড় ।

খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার-
তিনি মাঠের ডান প্রান্তের উইঙ্গার এবং অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে খেলতেন। তার ড্রিবলিং ও বল কন্ট্রোল ছিল তৎকালীন সময়ের সেরা ।

শুরুঃ পাইওনিয়ার লীগ থেকে তার উত্থান। জ্যেষ্ঠ পর্যায়ে ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে শেখ জামাল (তৎকালীন ধানমন্ডি ক্লাব)-এর হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন ।

মোহামেডান যুগঃ ১৯৮৭ সালে তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব-এ যোগ দেন এবং সেখানে দীর্ঘ ১১ বছর খেলেন। তিনি ক্লাবের হয়ে ঢাকা লিগ (১৯৮৭, ১৯৮৮-৮৯, ১৯৯৩, ১৯৯৬) এবং ফেডারেশন কাপসহ অসংখ্য শিরোপা জেতেন ।

কলকাতা মোহামেডানঃ ১৯৯১ সালে তিনি ভারতের কলকাতা মোহামেডান ক্লাবের হয়েও খেলেছিলেন।

জাতীয় দলঃ ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৩ পর্যন্ত তিনি জাতীয় দলের হয়ে খেলেন । ১৯৯৩ সালে তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে নেতৃত্ব দেন। তিনি থাইল্যান্ডের বিপক্ষে তার ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক গোলটি করেছিলেন ।

অর্জন ও সম্মাননাঃ ১৯৮৮ সালে তিনি বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন ।
১৯৯১ সালে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার লাভ করেন।

অবসর ও বর্তমানঃ ১৯৯৪ সালে পিডাব্লিউডির বিপক্ষে এক ম্যাচে গোলকিপার সোহানের ট্যাকলে গুরুতর চোট পান, যা তার ক্যারিয়ারকে ম্লান করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটবল থেকে অবসর নেন । বর্তমানে তিনি একজন ব্যবসায়ী এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বিভিন্ন সাংগঠনিক কাজে যুক্ত আছেন ।

18/04/2026

কায়সার হামিদ: বাংলাদেশের ফুটবলের ‘কিংবদন্তি সেন্টিনেল’

জন্ম ও পরিচয়: মোহাম্মদ কায়সার হামিদ ১ ডিসেম্বর ১৯৬৪ সালে সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একটি সম্ভ্রান্ত ক্রীড়া পরিবারে বেড়ে ওঠেন। তার মা বিখ্যাত দাবাড়ু রাণী হামিদ এবং বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল হামিদ।

ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরু (১৯৮১-১৯৮৪): ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় বিভাগের দল 'কামাল স্পোর্টিং'-এর মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু। এরপর রহমতগঞ্জ ও বিজেএমসি ক্লাবের হয়ে খেলে নিজের রক্ষণভাগ আগলে রাখার সামর্থ্য প্রমাণ করেন।

মোহাম্মদানের স্বর্ণযুগ (১৯৮৫-১৯৯৬): ১৯৮৫ সালে তিনি যোগ দেন ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে। এরপর থেকে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি ছিলেন সাদা-কালো শিবিরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার উচ্চতা এবং ঠান্ডা মাথায় রক্ষণ সামলানোর দক্ষতার কারণে তিনি সমসাময়িক স্ট্রাইকারদের কাছে আতঙ্কে পরিণত হয়েছিলেন। তার নেতৃত্বে মোহামেডান হ্যাটট্রিক লিগসহ বহু শিরোপা জেতে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গন (১৯৮৫-১৯৯৩): ১৯৮৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে জাতীয় দলে তার অভিষেক হয়। তিনি কেবল একজন রক্ষণভাগের খেলোয়াড়ই ছিলেন না, দলের প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ গোলও করতেন। ১৯৯৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তিনি জাতীয় দল থেকে অবসর নেন।

সাফল্য ও স্বীকৃতি: বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক।২০০৩ সালে ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার লাভ।

ব্যক্তিজীবন ও রাজনীতি: ফুটবল পরবর্তী জীবনে তিনি জাকের পার্টির রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। শারীরিক সুস্থতার প্রতি সচেতন এই ফুটবলার বর্তমানে ব্যবসা ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।

উপসংহার: কায়সার হামিদকে বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার হিসেবে গণ্য করা হয়। মাঠের শৃঙ্খলা এবং খেলার প্রতি তার একনিষ্ঠতা আজও নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের কাছে অনুপ্রেরণা।

18/04/2026

বাদল রায়।
১৯৭৭ থেকে ১৯৮৯ জীবনের পুরোটা সময় মোহামেডানে খেলেছেন। সত্যি এটা বিরল ঘটনা

18/04/2026

বাদল রায় (মৃত্যু: ২২ নভেম্বর ২০২০) একজন বাংলাদেশী পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। বাদল তার খেলোয়াড়ি জীবনের পুরো সময় ঢাকা মোহামেডানের হয়ে একজন মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেছিলেন।
বাদল রায় ১৯৭৭–৭৮ মৌসুমে, বাংলাদেশী ক্লাব ঢাকা মোহামেডানের হয়ে খেলার মাধ্যমে তিনি তার জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের খেলোয়াড়ি জীবন শুরু করেছিলেন; ঢাকা মোহামেডানের হয়ে ১২ মৌসুম খেলার পর তিনি অবসর গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৮১ সালে, বাদল বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিষেক করেছিলেন।

ব্যক্তিগতভাবে, বাদল বেশ কিছু পুরস্কার জয়লাভ করেছিলেন, যার মধ্যে ২০০৯ সালে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার জয় অন্যতম।[১] দলগতভাবে, বাদল সর্বমোট ৫টি শিরোপা জয়লাভ করেছিলেন, যার সবগুলো ঢাকা মোহামেডানের হয়ে জয়লাভ করেছিলেন।বাদল তারা পুরো খেলোয়াড়ি জীবন মাত্র একটি ক্লাবের হয়ে খেলার মাধ্যমে কাটিয়েছিলেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসের খুবই বিরল। ১৯৭৭ সালে তিনি ঢাকা মোহামেডানে দলে যোগদান করেছিলেন, তবে ১৯৮০ সালে তিনি মূল দলের খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনি এমন সময় ঢাকা মোহামেডানের হয়ে খেলেছিলেন যখন ক্লাবটি বাংলাদেশের ফুটবলের প্রেক্ষাপটে ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে আধিপত্যের লড়াইয়ে জড়িত ছিল। ১৯৮১ সালে তাকে এক বছরের জন্য ক্লাবের অধিনায়ক করা হয়েছিল। ঢাকা মোহামেডানের হয়ে তিনি ১৯৭৮, ১৯৮০, ১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৮৭, এবং ১৯৮৮–৮৯ মৌসুমে ঢাকা লিগের শিরোপা জয়লাভ করেছিলেন।[২][৩] ঢাকা মোহামেডানের ১২ মৌসুম যাবত খেলার পর ১৯৮৯ সালে বাদল তার খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টেনেছিলেন। ১৯৮১ সালে, বাদল ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম রাষ্ট্রপতির গোল্ড কাপে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক করেছিলেন।উক্ত প্রতিযোগিতায় তার দল সেমি-ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছিল। জাতীয় দলের হয়ে তার স্মরণীয় মুহূর্তটি ১৯৮২ সালে দিল্লি এশিয়াডে মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ২–১ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করা।খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার পর ১৯৯১ সালে, বাদল বাংলাদেশের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লিগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তবে তিনি উক্ত নির্বাচনে জয়লাভ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।[২] তিনি ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।বাদল রায় বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং ২০২০ সালের ২২শে নভেম্বর তারিখে মৃত্যুবরণ করেছেন।ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি ২০০৯ সালে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার অর্জন করেছেন।

17/04/2026

প্রানপ্রিয় আবাহনী ক্রিড়া চক্র

17/04/2026

আসলাম,মুন্না,রুমি
কোলকাতা ইস্ট বেঙ্গল এর হয়ে ভারত কাপিয়েছেন।

17/04/2026

বাংলাদেশের প্রথম সুপারস্টার

কাজী সালাউদ্দিন: ফুটবলের রাজপুত্র ও আধুনিক কারিগর

জন্ম ও শৈশব: কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ফুটবলের প্রতি তাঁর টান ছিল ছোটবেলা থেকেই, যা তাঁকে পরবর্তীতে দেশের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম ফুটবলারে পরিণত করে।

খেলোয়াড়ি জীবন (১৯৬৮–১৯৮৪): তিনি বাংলাদেশের প্রথম ফুটবল 'সুপারস্টার'। ঢাকা আবাহনী ও স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের হয়ে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল: ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত ও তহবিল গঠনে তিনি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বিদেশের মাঠে: তিনি হংকংয়ের পেশাদার ফুটবল লিগে খেলা প্রথম বাংলাদেশী ফুটবলার (ক্যারোলিন হিল এফসি-র হয়ে)।

সাফল্য: তাঁর ক্ষিপ্রতা ও গোল করার অসামান্য দক্ষতার জন্য তাঁকে ফুটবলের 'পোস্টার বয়' বলা হতো।

সাংগঠনিক ক্যারিয়ার ও নেতৃত্ব (২০০৮–২০২৪):
খেলোয়াড়ি জীবনের পর তিনি ফুটবলের উন্নয়নে সংগঠক হিসেবে কাজ শুরু করেন।

বাফুফে সভাপতি: ২০০৮ সালে তিনি প্রথমবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি নির্বাচিত হন এবং টানা চার মেয়াদে ১৬ বছর দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর সময়ে বাংলাদেশে পেশাদার ফুটবল লিগ নিয়মিতকরণ এবং বাফুফে ভবনে আধুনিক জিমের মতো অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়।

সাফ সভাপতি: তিনি দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) সভাপতি হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের প্রসারে কাজ করছেন।

বিদায় ও সম্মাননা:১৬ বছর সফল ও বিতর্কিত নানা পথ পাড়ি দিয়ে ২০২৪ সালে তিনি ঘোষণা করেন যে, তিনি আর বাফুফের নির্বাচনে দাঁড়াবেন না। তাঁর এই ঘোষণা দেশের ফুটবল অঙ্গনে একটি যুগের অবসান ঘটায়। ক্রীড়া ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি স্বাধীনতা পদক (১৯৯৬) সহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
1212