রবিউল ইসলাম রুম্মান

রবিউল ইসলাম রুম্মান

Share

MD RABIUL ISLAM

30/09/2025

📍📍বিচ্ছু যখন সন্তান প্রসব করে, তখন সে তার সন্তানদের পিঠে আশ্রয় দেয়। মায়ের শরীরই হয়ে ওঠে তাদের প্রথম পৃথিবী। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই সন্তানেরা নিজেদের মায়ের পিঠের মাংস ছিঁড়ে খেতে শুরু করে। মা জানেন, তিনি চাইলে প্রতিরোধ করতে পারেন, তাদের সরিয়ে দিতে পারেন, এমনকি শেষ করে দিতে পারেন। কিন্তু তিনি তা করেন না। নীরবে সহ্য করেন। নিজের মাংস, নিজের কষ্ট, নিজের জীবন দিয়ে সন্তানদের বড় করে তোলেন। অবশেষে মা বিচ্ছু মারা যায়, আর সেই সন্তানরা বেঁচে থাকে, বড় হয়, পৃথিবীর আনন্দ ভোগ করে।

এ দৃশ্যটি কেবল বিচ্ছুর গল্প নয় এটি আমাদের সমাজের প্রতিচ্ছবি।
আজও অসংখ্য পিতা-মাতা ঠিক বিচ্ছুর মতোই নীরবে কষ্ট সহ্য করে সন্তানদের জন্য জীবন উৎসর্গ করছেন। তারা রোদ-বৃষ্টির পরোয়া না করে, দিন-রাতের হিসাব ভুলে, নিজেদের সমস্ত স্বপ্ন ও সুখ বিসর্জন দিয়ে সন্তানদের জন্য ঘাম ঝরাচ্ছেন, চোখের পানি মুছছেন, তবুও হাসি মুখে সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ছেন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো এই সন্তানরা বড় হয়ে কেমন আচরণ করে?
যাদের জন্য মা-বাবা নিজেদের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছেন, তাদেরই অনেক সন্তান বাবা-মায়ের কষ্টের খবর নেয় না। অন্য কারো ভালোবাসা, অন্য কারো টানে তারা বাবা-মাকে ভুলে যায়। মায়ের হাতের রান্না, বাবার ঘামের টাকায় পড়াশোনার স্মৃতি সবকিছু তারা অবহেলা করে। কেউ কেউ দূরে চলে যায়, সম্পর্ক ছিন্ন করে, এমনকি কখনো কখনো মায়া-মমতার সেই মাটির ঘরটিতে আর ফিরে তাকায় না।

আজকের সমাজে সবচেয়ে দুঃখজনক দৃশ্য হলো
ভালোবাসার মূল্য দিতে গিয়ে সন্তানরা বাবা-মাকে ফেলে দূরে চলে যায়। অন্যের টানে সবকিছু বিসর্জন দেয়, কিন্তু সেই ভালোবাসা টেকে না। ব্যর্থ হয়ে তারা ভেঙে পড়ে, অনেক সময় নিজেকেও শেষ করে দেয়। অথচ একবারও ভাবে না যাদের হৃদয় ভেঙে, যাদের কষ্ট বাড়িয়ে তারা সুখ খুঁজতে গেছে, সেই সুখ কি আদৌ কখনো সত্যিকারের সুখ হতে পারে?

সন্তানরা কি ভাবে, পিতা-মাতার বুকের কষ্টের ওপর দাঁড়িয়ে তারা শান্তি খুঁজে পাবে?
তারা কি জানে না, বাবা-মায়ের দোয়া ছাড়া, তাদের আশীর্বাদ ছাড়া পৃথিবীর কোনো সুখই স্থায়ী হয় না?

👉 সমাজের এই চিত্র আমাদের নতুন করে ভাবতে শেখায়।
বিচ্ছুর গল্প কেবল একটি উপমা, আর এই উপমার আড়ালে লুকিয়ে আছে কঠিন বাস্তবতা। সন্তানদের মনে রাখা দরকার পিতা-মাতা বেঁচে থাকা মানে আশীর্বাদের ছায়া বেঁচে থাকা। আর সেই ছায়া একবার সরে গেলে, হাজার ভালোবাসা, হাজার সম্পদ, হাজার স্বপ্নও জীবনে সত্যিকারের শান্তি এনে দিতে পারবে না।


22/09/2025

একজন উইঙ্গার হয়ে এরকম ভালো পারফর্ম আর কোন ফুটবলার শেষ কবে ভালো করছে জানা নাই৷
রাফিনহা উইঙ্গার পজিশনে খেলে গত মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে উচলে ও লীগে যে ইমপ্যাক্টটা রেখেছে ব্যালন ডিঅর চোখ বন্ধ করে ডিজার্ভ করে৷
রাফিনহা:
৬৯ ম্যাচ৷
৩৮ গোল
২৬ এসিস্ট৷
৩ ট্রফি৷
সরাসরি ৬৪ গোলের অবদান রেখেছে, চ্যাম্পিয়ন্স লীগে রেকর্ড এক মৌসুমে লিওনেল মেসিকে টপকে গেছে রাফিনহা, পৌঁছে গেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ডেও৷

আর কতো ভালো করলে একজন উইঙ্গারের ক্ষেত্রে ব্যালন ডিঅর পাওয়া হবে?৷
আজ ব্যালন ডিঅর দিবে, যোগ্য ফুটবলার রাফিনহার হাতে উঠুক৷ আমার এনালাইসিসও বলছে রাফিনহা পাবে৷

রবিউল ইসলাম রুম্মান ।


25/05/2025

তার হাসি, তার দৌড়, তার অসাধারণ পাস—সবই এখন ইতিহাস। 🥺🤍


14/05/2025

মুগ্ধতা টিকিয়ে রাখার শিল্প

মুগ্ধতা অসামান্য বিষয়। কারো কারো প্রতি মুগ্ধতা সারাজীবন বজায় থাকে। তাদের কথা শুনে মুগ্ধতা বাড়ে, তাদের কাজ দেখে মুগ্ধতা জন্ম নেয়। তাদের আচরণের ছায়ায় আরও কিছুক্ষণ থাকতে ইচ্ছা করে। অথচ কিছু মানুষের প্রতি মুগ্ধতা কেবল দূরে থাকা অবধি বজায় থাকে; কাছে এলেই দুর্গন্ধ ছড়ায়। মুখোশের আড়ালের মানুষটির আসল চরিত্র প্রকাশিত হওয়ার পরেই ঘৃণা বাড়ে। মুগ্ধতা মোহের মতো—একবার ভেঙে গেলে আর কোনো রঙে তা জমা করা যায় না।
যে সকল মানুষের সাথে না মেশা পর্যন্ত, কথা না বলা পর্যন্ত কিংবা কাজ না করা পর্যন্ত মুগ্ধতা থাকে, তারা আসলে মেকি ছদ্মবেশ নিয়ে চলে। যাদের ভেতরের রূপের সাথে বাইরের অবয়বের মিল নেই, তারা মানুষের ভালোবাসা ধরে রাখতে পারে না। তাদের সাথে কারো খাতির শেষমেশ টিকে থাকে না।
মানুষের সাথে যত কম মেশা যায়, যত কম কথা বলা যায় কিংবা যত কম লেনদেন করা যায়, তত ভালো। দূর থেকে চিত্র সুচিত্রায়িত হয়, কাছে গেলে অগোছালো। মানুষকে যত খুঁটিয়ে দেখা হবে, তত ক্ষত বের হবে। প্রয়োজন ছাড়া কারো ব্যক্তিগত বিষয় না জানাই ভালো।
মানুষ মানুষের প্রতি মুগ্ধ হয় বিভিন্ন অংশ দেখে—কারো কথা শুনে, কারো গান শুনে কিংবা কারো কাজ দেখে। মুগ্ধতাকে সে-সব নির্দিষ্ট ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। গানে মুগ্ধ হয়ে যদি তার ব্যক্তিত্ব অনুসন্ধানে নামা হয়, তবে গান শোনা ছেড়ে দিতে হতে পারে। একজন মানুষের প্রতি সম্পূর্ণ মুগ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার পরেই সে প্রিয়জন হয়। মনে মনে অনেকেই প্রিয়জন হলেও, জনে জনে একজনের অধিক প্রিয়জন থাকলে সেগুলোর সবকটিই প্রয়োজনীয় হয়।
মানুষের সাথে যে বন্ধুত্ব, তা মুগ্ধতা থেকেই। মুগ্ধতার বিচ্যুতি হতে পারে এমন খোলামেলা মেলামেশা করা উচিত নয়। কিছুটা রহস্য বজায় রাখলে মুগ্ধতা দিনকে দিন বাড়ে। মানুষ মানুষের সাথে থাকতে পারে, মানুষের জন্য বাঁচতে পারে কেবল মুগ্ধতার বদৌলতে। কখনো কখনো সামান্য কথায়, হাস্যকর আচরণে মুগ্ধতা দূর হয়ে যেতে পারে।
নদীর ওপারকে যত মনোমুগ্ধকর মনে হয়, তা অজানা মুগ্ধতার জন্য। ব্যক্তিত্ব নষ্ট হলে, চরিত্র খারাপ হলে কিংবা অসৎতা প্রকাশিত হলে মুগ্ধতার সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়। পেটের ক্ষুধা মেটানোর চেয়েও মনের মুগ্ধতা টিকিয়ে রাখা বেশি জরুরি।
মুগ্ধতার ক্ষেত্রে মানুষকে ঘিরে পরিধি যতটা বিস্তৃত, ফুল, পাখি কিংবা পরিবেশকে ঘিরে তার চেয়ে কম বিস্তৃত নয়। প্রকৃতির প্রতি মুগ্ধতার টান কখনো নষ্ট হয় না, অথচ মানুষ মানুষের প্রতি মুগ্ধতা ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লাগে।
যার সাথে প্রয়োজন নেই, সে সরকার হলেও খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করার দরকার নেই। হীরার সংস্পর্শে এলেও হীরার গাঠনিক ও গুণগত ত্রুটি ধরা পড়বে। দোষে-গুণে গঠিত মানুষ। কারো থেকে যা জানা অপ্রয়োজনীয়, তা জানতে না যাওয়াই উচিত।
মানুষের প্রতি একবার বিশ্বাস হারালে তা উদ্ধার করা সহজ কোনো কাজ নয়। কাজেই যা মুগ্ধ করে, সেখানে আটকে থাকলে পথচলা সহজ হয়। মানুষের প্রকাশ্য এবং গোপন—দ্বিচারিতার চরিত্র আছে। যাদের বাহির ও ভেতর একরকম, তারা মহামানব, নবী-ওলী। সাধারণ মানুষের মাঝে তাদের খুঁজতে থাকলে সময়ের অপচয় এবং আশাভঙ্গ ছাড়া কিছুই মিলবে না।
মানুষ মানুষের প্রতি যত আশা করে, তার অধিকাংশই প্রবৃত্তিগত; সেখানে যৌক্তিকতার উপস্থিতি খুব কম।
মানুষের চরিত্র খুব রহস্যময়। সে অন্যের থেকে যা যা আশা করে, তা নিজের মধ্যে অন্যদের জন্য মজুদ রেখে অপেক্ষা করে না। পাওয়ার অঙ্ক আর দেওয়ার হিসাব না মেলাতেই যত অসঙ্গতি। মানুষে মানুষে সম্পর্ক নষ্ট হয়, ন্যূনতম মুগ্ধতাটুকুও কেটে যাওয়ার পর।
মানুষের মধ্যে যত বিবাদ, বোঝাপড়ার অভাব কিংবা পরস্পরের প্রতি ক্ষোভ—তা একজন আরেকজনকে অতিরিক্ত জানতে যাওয়ার ফল। সবাইকে বিশ্বাস করে সবকিছু বলে দেওয়া, দুর্বলতা চিনিয়ে দেওয়ার পরে, সে পথে শত্রুপক্ষ হাঁটবেই।
লেখা ভালো লাগলে লেখার প্রেমে পড়া যাবে, কিন্তু লেখককে খুঁজলে, অন্তরঙ্গ হলে বিপত্তির শুরু। কবিদের চরিত্র নিয়ে আপত্তি তো আর একজনের নয়!
দূর থেকে উপলব্ধি করুন, অনেকটা কল্পনা মিশ্রিত রূপকে ভাবুন—ভালোলাগার ভাবাবেশ তৈরি হবে। সবকিছু ছোঁয়াতে সুন্দর হয় না, বরং স্পর্শ করলেই অসুন্দরের সাথে লেপ্টে যায়। কখনো কখনো দূর থেকে দেখায় অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে।
দিনের শেষে মুগ্ধতা বাঁচিয়ে রাখা জরুরি; কেননা মুগ্ধতা জীবনের সূক্ষ্ম আনন্দ। এই আনন্দেই মানুষ নীড়ে ও জীবনে ফিরতে পারার প্রেরণা পায়। অন্যরকম টান অনুভূত না হলে সেখানে থাকা যায় না।

কৃষক ছেলে ।

রবিউল ইসলাম রুম্মান ।

-সংগৃহীত

11/05/2025

মড্রিচ বি লাইক, ❝দোস্ত শুনছস, শাবি হালারপো আমাগো কোচিং করাইবো।

এইটা একটু অন্যরকম ছিল।😄😄

10/05/2025

কে লিখেছেন জানি না, কিন্তু অসাধারণ👌

১. মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।

২। মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।

৩. মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে। জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে।

৪. ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।

৫. আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন।

৬. মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না। তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে।

৭. বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে, কেন জানি না তিনি সবসময় পিছিয়ে থাকেন।

৮. মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে, দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি। দুজনেরই ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছে জানি না।

৯. বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায়, তখন বাচ্চারা বলে, মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী, কিন্তু তারা বলে, বাবা অকেজো।

১০. বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড। আর আমাদের মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে। অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...!!!!

*জানিনা কে লিখেছে, কুড়িয়ে পাওয়া।
সমস্ত বাবাদেরকে উৎসর্গ করছি *
সালাম জানাই পৃথিবীর সকল বাবাদেরকে!

06/03/2025

বড্ড অসময়ে এসেছেন তিনি।
যুগটা বিরাট কোহলির না হলে ক্রিকেট বিশ্বে হয়তো অন্যভাবেই রাজত্ব করতেন উইলিয়ামসন !!

ক্যারিয়ার জুড়ে রয়েছে অসংখ্য ম্যাচ জয়ী ইনিংস।
ক্রিকেটপ্রেমীদের মনটা জিতে নিয়েছেন অনেক আগেই।
ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ১০০ এর উপরে ফিফটি।
রয়েছে ৪৭টা সেঞ্চুরি।
এইটুকুই বা ক্রিকেট ইতিহাসে আছে কয়জনের ??

সেঞ্চুরি, ফিফটি, ম্যাচ জয়ী ইনিংস, কিংবা বিশ্ব আসরে সেরা খেলোয়াড়ের এওয়ার্ড, সবকিছুই আছে তার।
নেই শুধু একটা জিনিস।
"রঙিন পোশাকে একটা ট্রফি" !!

নিউজিল্যান্ডের ঐ কালো জার্সিটার মতোই "ট্রফিটাও" হয়তো মুখ কালো করে অভিমান করে বসে আছে উইলিয়ামসনের উপর।
রঙির পোশাকের ঐ ট্রফিটার সাথে যদি কথা বলা যেতো, আমি ট্রফিটাকে অবশ্যই বলতাম,
"কিসের এতো রাগ তোমার? কিসের এতো অভিমান?
আরো একবার কেইন উলিয়ামসন তোমার কাছে।
এবার অন্তত তাকে হতাশ করোনা।
প্লিজ একটা'বার তার হয়ে যাও।
মাত্র একবার। প্লিজ !!

রবিউল ইসলাম রুম্মান ।

05/03/2025

অসুস্থ শরীর, ক্লান্ত চোখ, চিন্তা ভরা ক্লান্ত মন, অপূর্ণ স্বপ্নগুলো পূরণের তীব্র ইচ্ছা সব মিলিয়ে এ যেন এক বড় অসুখ।

16/02/2025

অবশেষে কিছুই থাকে না -
সন্ধ্যাতারা, মুগ্ধ চাঁদ, প্রিয় কৃষ্ণচূড়া...
এমনকি তুমিও না।
ঝরা পাতার সঙ্গে উড়ে যাচ্ছে সময় -
হারিয়ে যাচ্ছে মানুষ...
তুমিও সেই ঝরা পাতার মতো হারিয়ে গেলে।।।।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


MIRPUR 10
Dhaka
DHAKA1216