SobdoBrinto

SobdoBrinto

Share

"SobdoBrinto" - Verbal Theater (A Reciting Based Cultural center). We are determined to reduce Harmn

Photos from SobdoBrinto's post 21/02/2026

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর প্রথম প্রহরে বাচিক থিয়েটার শব্দবৃন্ত'র পক্ষ থেকে ফুলসহ ফুল গাছ অর্পণের মধ্য দিয়ে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা।

Photos from SobdoBrinto's post 17/12/2025

শব্দবৃন্ত ও কলাতিয়া ক্লাবের বিজয় দিবস ২০২৫ উদযাপন চিত্র।

27/08/2024

শাসক নিতী
- শাহাদাৎ শুক্ল
(রচনাকাল- ২৭/৮/২০২৪ খ্রী.)

শাসক আসে শাসক যায়,
জনতায় বদলায়।
যুগে যুগে চলে বদলের হিড়িক,
কখনো বদলে দেখি কাঁপে দশদিক।

সৎ জনতার পথটা সদাই সততা প্রিতী
বদ জনতার পথটা অসৎ কর্ম কৃতি।

মহাজ্ঞানী মহাজনে অনেকেরই মন্ত্র,
যুগে যুগে বলেছে ধর্মীয় গ্রন্থ।
যে দেশের জনতারা যেমন যে হয়
শাসকও তেমনই তারা পাবে নিশ্চয়।

সে বচন মেনে নিলে এমন কি নয়?
শাসকের কর্মটা জনতারই হয়।

02/07/2024

ব্যাপারটা এমন নয় যে লোকটি হাতিটিকে ধাক্কা দিয়ে উপরে তুলছে। বরং হাতিটি নিজের শক্তিতেই উপরে উঠে যাচ্ছে —কিন্তু লোকটি হাতির পেছনে হাত রাখার কারণে হাতিটি মনে করছে তাকে সাহায্য করার কেউ আছে ; ব্যস , অন্যের কাছ থেকে এই সাহসটুকু পেয়েই সে নিজের শক্তিতে উপরে উঠে যাচ্ছে।

শুধুমাত্র পেছন থেকে আপনাকে ভরসা দেওয়ার মত একজন মানুষ যদি পান—যেমন, বাবা-মা বোন ভাই স্ত্রী স্বামী ,বন্ধু অথবা নিজের শিক্ষক কিংবা প্রিয় কোনো মানুষ ; তাহলেই কিন্তু আপনি নিজের কর্মক্ষেত্রে এবং জীবনে আরও অনেক বেশি সাফল্য অর্জন করতে পারবেন।
-সংগ্রহীত

Photos from SobdoBrinto's post 30/06/2024

প্রিয় শিক্ষার্থী উম্মে রুম্মানের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

15/04/2024

সবচেয়ে বড় অভাগা হলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
তার চার বছরের শিশু বুলবুল যে রাতে মা/ রা গিয়েছিল, সে রাতে তার পকেটে একটা কানাকড়িও ছিল না।

অথচ কাফন,দাফন,গাড়িতে করে দেহ নেওয়া ও গোরস্থানে জমি কেনার জন্য দরকার ১৫০ টাকা, সে সময়ের ১৫০ টাকা মানে অনেক টাকা। এত টাকা কোথায় পাবে। বিভিন্ন লাইব্রেরীতে লোক পাঠানো হল। না, টাকার তেমন ব্যবস্থা হয়নি। শুধুমাত্র ডি. এম লাইব্রেরি দিয়েছিল ৩৫ টাকা। আরো অনেক টাকা বাকি। টাকা আবশ্যক।

ঘরে দেহ রেখে কবি গেলেন এক প্রকাশকের কাছে। প্রকাশক শর্ত দিল- এই মুহূর্তে কবিতা লিখে দিতে হবে। তারপর টাকা......💔

কবি মনের নীরব কান্না, যাতনা লিখে দিলেন কবিতায়.....

"ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে
আমার গানের বুলবুলি।
করুণ চোখে চেয়ে আছে
সাঝের ঝরা ফুলগুলি।।

ফুল ফুটিয়ে ভোর বেলা কে গান গেয়ে,
নীরব হ’ল কোন নিষাদের বান খেয়ে,
বনের কোলে বিলাপ করে সন্ধ্যারাণী চুল খুলি।।

কাল হতে আর ফুটবে না হায়, লতার বুকে মঞ্জরী
উঠছে পাতায় পাতায় কাহার করুণ নিশাস মর্মরী।

গানের পাখি গেছে উড়ে শূণ্য নীড়,
কন্ঠে আমার নেই যে আগের কথার ভিড়,
আলেয়ার এই আলোতে আর আসবে না কেউ কুল ভুলি।।

একজন সন্তানহারা পিতার কি নিদারুণ কষ্ট।
যদিও এই মানুষটাই বাংলা সাহিত্যকে অনেক কিছু দিয়েছেন....। দেশের জন্য অনেক কিছু করেছেন, জেল খেটেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে দাঁড়িয়ে...। কিন্তু হঠাৎ করে সেই মানুষটার পিছন থেকে সবাই সরে যায়..., একেবারে ভুলে যায়....., যাদের জন্য তিনি সর্বস্ব উজাড় করে দিয়ে গেছেন....💔

" রমজানের এই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ.... " উনার রচিত গানের মাধ্যমে ঈদ উৎযাপন করি।
তিনি আমাদের বিদ্রোহী কবি। বিনম্র শ্রদ্ধা।🙏🏼
- সংগ্রহীত

01/02/2024

আমার লেখা কাব্যগ্রন্থ “যুদ্ধবাজকে ফুল দাও” এবারের একুশে বইমেলা, ২০২৪ এ আসছে। সকলের সহযোগীতা ও দোয়া কামনা রইলো।

ঘুম ভেঙে এক খুব সকালে
শিশির খুঁজে দেখনা,
ছড়িয়ে হাজার মুক্তোদানা
ঝিলিক মারে, মিষ্টিরোদে
প্রজাপতি দিচ্ছে মেলে পাখনা।

এতেও তোদের কাজ না হলে, হায়!
তবে তোরা সব ভুলেই আমার কাছেই আয়।
তোদের আছে মিলিটারি, অনেক পাওয়ার- বল,
আমার আছে শাপলা, নদী, পাপড়ি- শতদল।
তোদের আছে সবুজ গ্রেনেড,
আমার নীল পদ্ম।
ফুলের গন্ধ মনে মেখে শান্ত হবি তোরা,
থামবে তবে যুদ্ধ।।

কবি শামসুর রহমানের বিখ্যাত কবিতা মাতোয়ালা রাইত। আবৃত্তি- শাহাদাৎ শুক্ল। 10/12/2023

শাহাদাৎ শুক্ল’র কন্ঠে কবি শামসুর রহমানের বিখ্যাত কবিতা “মাতোয়ালা রাইত” ।

কবি শামসুর রহমানের বিখ্যাত কবিতা মাতোয়ালা রাইত। আবৃত্তি- শাহাদাৎ শুক্ল। কবি শামসুর রহমানের বিখ্যাত কবিতা মাতোয়ালা রাইত। আবৃত্তি- শাহাদাৎ শুক্ল।

শাহাদাৎ শুক্ল’র কবিতা জিজ্ঞাসা। Reciting of Shahadat Shuklo. 26/11/2023

শব্দবৃন্ত চ্যানেলে আপলোডকৃত প্রথম কবিতা। কোন এক অজ্ঞাত কারণপ্রসূত কবিতাটি ইউটিউব ব্যান্ড করে দিয়েছিল। তারা যে কারণটি বলেছে তা আমার কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয় নাই।
দীর্ঘদিন মেইল রিপ্লাই মেইলের পর তারা আবার কবিতাটি ওপেন করে দিয়েছে। ধন্যবাদ ইউটিউবকে এপ্রুভ দেয়ার জন্য।

আপনারা একটু এনালাইসিস করে বলবেন প্লিজ- ঠিক কি কারণে ইউটিউব এটি ব্যান্ড করেছিল বলে আপনার মনে হয়।

শাহাদাৎ শুক্ল’র কবিতা জিজ্ঞাসা। Reciting of Shahadat Shuklo. শব্দবৃন্ত চ্যানেলের প্রথম কবিতা আবৃত্তি। শাহাদাৎ শুক্ল’র কবিতা জিজ্ঞাসা।

15/10/2023

“ইকড়ি মিকড়ি চাম-চিকড়ি,
চামের কাঁটা মজুমদার,
ধেয়ে এল দামোদর।
দামোদরের হাঁড়ি-কুঁড়ি,
দাওয়ায় বসে চাল কাঁড়ি।
চাল কাঁড়তে হল বেলা,
ভাত খাওগে দুপুরবেলা।
ভাতে পড়ল মাছি,
কোদাল দিয়ে চাঁছি।
কোদাল হল ভোঁতা,
খা কামারের মাথা।”

ছোটবেলায় আমরা অনেকেই এই ছড়াটি পড়েছি। কিন্তু কখনো কি ভেবেছি নান্দনিক ছন্দের এই ছড়াটির অর্থ কি? এই ছড়া কোন ইতিহাস বয়ে বেড়ায় কিনা?

এই প্রশ্ন করলে হয়তো এই উত্তরই আসবে যে শিশুদের নির্ভেজাল আনন্দের জন্য এই ছড়ার রচনা হয়েছে। কিন্তু সত্যটা বেশ করুণ। আদতে আনন্দের ছিঁটেফোঁটাও নেই এই ছড়ায়, শিশুদের জন্য তো না বটেই।

মূলত এই ছড়ায় ছড়াকার অসাধারণ দক্ষতার সাথে চিরন্তন বাংলার সাধারণ মানুষের দুঃসহ আর্থ-সামাজিক অবস্থা তুলে ধরেছেন। চলুন এবার ছড়াটির প্রতিটি শব্দ ও পংক্তি ধরে বিশ্লেষণ করে দেখি।

'ইকড়ি' অর্থ সংসার পরিপালনের জন্য সারাদিন খেটেখুটে কঠোর পরিশ্রম করা। কিন্তু তাতেও যখন সংসার চলে না, তখন প্রয়োজন হয় 'মিকড়ি', অর্থাৎ আরও কিছু অতিরিক্ত উপার্জনের চেষ্টা করা। 'চাম' অর্থ রুজি-রোজগারের এলাকা। আর 'চিকড়ি' অর্থ সেই রোজগারের এলাকায় ঘুরে ঘুরে কিছু (অর্থ বা ফসল) উপার্জন করে তা ঘরে নিয়ে আসা।

কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় এই "চামের কাঁটা মজুমদার"। 'মজুমদার' মূলত এক প্রকার রাজকর্মচারীর পদবী যার কাজ ছিল খাজনা বা রাজস্ব আদায় ও হিসেব রাখা। আর তাই অনেক সময় খাজনা আদায়ের নামে দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে যেত বলে তাকে পথের কাঁটা বলা হয়েছে।

আর অতঃপর "ধেয়ে এল দামোদর"। এই 'দামোদর' হলো মূলত ফড়ে-পাইকারের দল, যারা সাধারণ কৃষকের উৎপাদিত ফসল অথবা কুমারের বানানো তৈজসপত্র স্বল্প দামে কিনে নিয়ে বাজারে চড়া দামে বিক্রি করতো।

কিন্তু এই দামোদর শুধু এসেই ক্ষান্ত হয় না। এখানে বলা হয়েছে "দামোদরের হাঁড়ি-কুঁড়ি"। এর অর্থ হলো, তারা যখন আসে তখন সাথে করে হাঁড়ি কুঁড়ি নিয়ে আসে। অর্থাৎ খেটে খাওয়া মানুষের উৎপাদিত সব দ্রব্য সাথে করে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে আসে।

এরপর বলা হয়েছে "দাওয়ায় বসে চাল কাঁড়ি", অর্থাৎ মজুমদার আর ফড়ে পাইকারের থেকে লুকিয়ে যেটুকু চাল বাঁচানো গিয়েছে, এবার সেটা দিয়েই ঘরের দরজায় বসে ভাত রাঁধার প্রস্তুতি শুরু।

কিন্তু "চাল কাঁড়তে হল বেলা", অর্থাৎ এতসব ঝামেলা ঝক্কি সামলাতে সামলাতে ভাত রাঁধায় দেরী হয়ে যায়। তাই "ভাত খাওগে দুপুরবেলা", অর্থাৎ প্রথম প্রহরে বা সকালে খাওয়া আর সম্ভব হয় না। একেবারে দ্বিপ্রহরে বা দুপুরে খেতে হয়।

কিন্তু খাবে কী করে! কারণ "ভাতে পড়ল মাছি"। এখানে 'মাছি' বলতে আসলে চোরকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ গরীবের যে যৎসামান্য খাদ্য, তারও শেষ রক্ষা হয় না। ছিঁচকে চোর সেটাও চুরি করে নিয়ে যায়। তাই "কোদাল দিয়ে চাঁছি"। এই 'কোদাল'ও আক্ষরিক অর্থে ব্যবহৃত হয়নি। বরং কোদাল বলতে এখানে কোতোয়াল বা পুলিশের কথা বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ পুলিশের কাছে গিয়ে চোরের ব্যাপারে নালিশ করা হয়েছে।

তবে তাতেও যে গরীব মানুষের হয়রানি কম হয়, তা কিন্তু নয়। কারণ "কোদাল হল ভোঁতা"। অর্থাৎ পুলিশ বা কোতোয়াল কোন কাজই করে না। আর তাই "খা কামারের মাথা"। অর্থাৎ এই কোদাল যে কামার বানিয়েছে, মানে পুলিশ কোতোয়াল সৃষ্টিকারী গ্রামের উচ্চপর্যায়ের লোকেরা, শেষমেশ তাদের কাছে গিয়েই এই হতদরিদ্র মানুষ গুলোর মাথা কুটে কাঁদতে হয়।

সুতরাং এক কথা বললে, এই ছড়ায় ছড়াকার গ্রাম বাংলার সেই খেটে খাওয়া মানুষের জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেছেন যে কিনা কঠোর পরিশ্রম করেও জমিদার, খাজনা আদায়কারী, অসাধু ব্যবসায়ী, চোর, পুলিশ এদের উপদ্রবে নিজের পরিবারের জন্য দু' বেলার খাবারও জোটাতে পারে না।

তথ্যসূত্রঃ
১। কলিম খান ও রবি চক্রবর্তী, "বঙ্গীয় শব্দার্থকোষ", ভাষাবিন্যাস
২। ড. মোহাম্মদ আমিন, "ইকড়ি মিকড়ি :
অসাধারণ অর্থপূর্ণ একটি ছড়া", ব্লগ পোস্ট
- সংগ্রহীত

শাহাদাৎ শুক্ল’র কবিতা জিজ্ঞাসা। Reciting of Shahadat Shuklo. 27/09/2023

শব্দবৃন্ত ইউটিউব চ্যানেলের প্রথম কবিতা। শাহাদাৎ শুক্ল’র কন্ঠে তার কৈশরে স্বরচিত কবিতা “জিজ্ঞাসা”।

শাহাদাৎ শুক্ল’র কবিতা জিজ্ঞাসা। Reciting of Shahadat Shuklo. শব্দবৃন্ত চ্যানেলের প্রথম কবিতা আবৃত্তি। শাহাদাৎ শুক্ল’র কবিতা জিজ্ঞাসা।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka
1313