08/08/2026
২০০৭ সালের এক সাক্ষাৎকারে নিজের বাবাকে নিয়ে লিওনেল মেসি বলেছিলেন, আমার বাবা সবসময় আমার পাশে ছিলেন। আমরা অত্যন্ত কঠিন সময় পার করেছি। মাঝে মাঝে আমি নিজের রুমে গিয়ে একা একা কাঁদতাম, আর বাবাও তা-ই করতেন। হয়তো ভাবতেন আমি তাঁকে খেয়াল করছি না।
আমরা দুজনই এমন ভাব করতাম যেন সব ঠিক আছে, কিন্তু সত্যি বলতে আমরা দুজনই ভীষণ কষ্টে ছিলাম।
মেসি যখন বার্সেলোনার হয়ে সাইন করেছিলেন তখন বাবা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তুমি কী করতে চাও? বার্সেলোনায় থেকে যেতে চাও, নাকি আমরা বাড়ি ফিরে যাব?
মেসি উত্তর দিয়েছিলেন যে তিনি এখানেই থেকে যেতে চান... আর তাঁর বাবাও তাঁর পাশে থেকে গেলেন।
জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তগুলোতে তাঁর বাবা তাঁকে কখনো একা ফেলে যাননি... বরং দুজনে মিলে একসাথে স্বপ্নের চূড়ায় না পৌঁছানো পর্যন্ত তিনি সন্তানকে আগলে রাখার পথটিই বেছে নিয়েছিলেন।
হোর্হে কেবল মেসির ক্যারিয়ারের নেপথ্য কারিগরই ছিলেন না... জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনগুলোতে তিনি ছায়ার মতো তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।
08/08/2026
And it’s 8th of August...
হোর্হে মেসি আর নেই। মানুষটা চলে গেলেন।
ফুটবল দুনিয়ার কাছে তিনি হয়তো স্রেফ একটা নাম যিনি এক মহাজাগতিক জাদুকরকে জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু লিওনেল মেসির কাছে? তিনি ছিলেন সেই প্রথম নোঙর যা না থাকলে আজকের এই রূপকথা মাঝসমুদ্রেই হারিয়ে যেত।
রোজারিওর এক কারখানায় হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে চলা এক বাবা। যার পকেটে টাকা নেই কিন্তু চোখে ছিল অসম্ভব এক জেদ। যখন চিকিৎসকেরা বললেন তেরো বছরের লিওর শরীরে হরমোনের ঘাটতি চিকিৎসার খরচ জোগানো অসম্ভব তখনও কিন্তু হোর্হে হারেননি। নিজের চেনা শহর, চেনা বাতাস পেছনে ফেলে ছেলেকে নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন অচেনা বার্সেলোনায়।
কাগজের ন্যাপকিনে সই হওয়া চুক্তিটি শুধু একটি ক্লাবের চুক্তি ছিল না ওটা ছিল এক বাবার জীবন জুয়া। নিজের জীবনের সর্বস্ব বাজি রেখে ছেলের পায়ে আকাশ ছুঁয়ে দেওয়ার স্বপ্ন।
বার্সেলোনার সেই শুরুর দিনগুলোয় যখন চেনা জগৎ হারিয়ে ছোট্ট লিও একা ঘরে কাঁদত হোর্হেও কাঁদতেন। কিন্তু তারা কেউ কাউকে নিজেদের চোখের জল দেখাতেন না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া দুই মানুষ আলাদা ঘরে বসে নিঃশব্দে কাঁদতেন, পাছে অন্যজন ভেঙে পড়ে!
এই যে মনের সরল আবেগের ভেতরে লুকিয়ে থাকা এক অদ্ভুত মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা। একদিকে ছেলেকে আড়াল করার চেষ্টা অন্যদিকে নিজের ভেতরের অনিশ্চয়তার ভয় এটাই তো একজন প্রকৃত বাবার গল্প।
আজ যখন লিও সাফল্যের শেষ চূড়ায় ট্রফির পর ট্রফিতে শোকেস ভর্তি তখন আড়ালে থাকা সেই কারিগর চিরতরে আড়ালেই চলে গেলেন। মাঠের বাঁশি থামে কিন্তু বুকের ভেতরের এই হাহাকার থামানোর কোনো রেফারি থাকে না।
জেমসের চিরন্তন সুরটাই আজ সবচেয়ে বড় রূঢ় বাস্তব হয়ে বুকে বিঁধছে ‘এ তো রক্তের সাথে রক্তের টান স্বার্থের অনেক ঊর্ধ্বে। হঠাৎ অজানা ঝড়ে তোমায় হারালাম, মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে...’
লিও হয়তো আজ কোটি কোটি মানুষের কাছে "Messi on a millon backs, Messi for a million flashbulbs..."
কিন্তু বাবার কাছে সে তো চিরকাল সেই রোজারিওর ছোট্ট 'লিয়োনেল' ই রয়ে গেল। যে মানুষটা মাঠের বাইরের সমস্ত ঝড় ঝাপটা নিজের বুকে টেনে নিয়ে ছেলেকে শুধু বল পায়ে খেলতে দিয়েছিলেন আজ সেই বর্মটাই খসে পড়ল।
মেটাফরের ভাষায় বলতে গেলে গাছটা যখন মহীরুহ হয়ে আকাশ ছুঁয়েছে এবং বিশ্বকে ছায়া দিচ্ছে ঠিক তখনই তার মূল শিকড়টা নিঃশব্দে মাটি ছেড়ে চলে গেল।
ওপারে ভালো থাকবেন হোর্হে মেসি। আপনি শুধু লিওনেল মেসিকে গড়ে তোলেননি আপনি পৃথিবীকে শিখিয়েছেন সবাই যখন পিঠ ফিরিয়ে নেয়, তখনও একজন বাবা কীভাবে সন্তানের হাত ধরে রূপকথা লিখতে পারে।
বিদায় দ্য রিয়েল আর্কিটেক্ট।
The world beholds a legend, yet to thee alone abideth evermore thy little boy of Rosario Santa Fe.
📍Mahtab Saad, From Football Tong House of Bangladesh
08/08/2026
৮ই আগস্ট তারিখটা মনে হয় লিওনেল মেসির জীবনের সবচেয়ে বেদনার একটা দিন হয়েই থাকবে।
২০২১ সালের ঠিক এই দিনেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বার্সেলোনা ছেড়েছিলেন তিনি। ওই দিনটার কথা এখনো চোখের সামনে ভাসে। বিদায়ী প্রেস কনফারেন্সে মেসির সেই কান্না...নিজের ছোটবেলার ক্লাব আর ভালোবাসার শহর ছেড়ে যাওয়ার সেই কষ্টটা আমরা সবাই অনুভব করেছিলাম। মনে হয়েছিল ফুটবলের সবচেয়ে সুন্দর একটা সম্পর্ক এক নিমিষেই ছিঁড়ে গেল।
আর আজ ২০২৬ সালের ৮ই আগস্ট ঠিক পাঁচ বছর পর আবারও একটা চরম দুঃসংবাদ।
দীর্ঘদিন অসুস্থতায় ভুগে আজ মারা গেলেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি। যেই মানুষটা মেসির ক্যারিয়ারের একদম শুরু থেকে ছায়ার মতো পাশে ছিলেন, তার ভালো খারাপ সব কিছু সামলেছেন আজ তিনি আর নেই।
একই তারিখে দুটো বিশাল শূন্যতা তৈরি হলো তার জীবনে। একবার হারালেন নিজের প্রাণের চেয়ে প্রিয় ক্লাব আর আজ হারালেন নিজের জন্মদাতা পিতাকে। দুটোই তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। এই কঠিন সময়ে ঈশ্বর তাকে আর তার পরিবারকে শোক সইবার শক্তি দিক।
08/08/2026
একটা সময় মেসিকে রাফ ট্যাকেল করতো ক্যাসেমিরো। তখন দুজন ছিলেন প্রতিপক্ষ। একের পর এক ধেয়ে আসা ট্যাকেল শুধু আক্রমণ থামাতো না।
বরং থামিয়ে দিতে বার্সেলোনা সমর্থকদের হৃদস্পন্দন। তবে যতবারই মেসিকে আক্রমণ করা হয়েছে মানুষটা হয়েছে আরও ধারালো।
তাই তো ইন্টার মায়ামিতে আসার পর ক্যাসেমিরো বললো তিনি কখনোই মেসিকে থামাতে পারেন নি।
আজ দুজনেই একই দলে খেলেন। দুজনেই সতীর্থ। একই দলের জন্য লড়াই করেন।
ইন্টার মায়ামির গত ম্যাচে কাসেমিরো দুর্দান্ত এক ট্যাকল করে একটি বিপজ্জনক আক্রমণকে গোলে পরিণত হওয়া থেকে আটকে দেন।
তাঁর ঠিক পেছনেই ছিলেন লিওনেল মেসি, আর ক্যাসেমিরো ট্যাকলটি সম্পন্ন করার সাথে সাথেই পেছন থেকে মেসি তাঁকে তালি দিয়ে সাধুবাদ জানান।
এটা নিছক সাধারণ কোনো তালি ছিল না; দলের জন্য তাঁর সতীর্থ যে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তটি তৈরি করেছিলেন, মেসি যেন তারই স্বীকৃতি দিচ্ছিলেন।
এটাই লিও মেসি।
আপনি যেই হন না কেন, দলের জন্য আপনাকে নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে এবং ম্যাচে পার্থক্য গড়ে তুলতে দেখলে, প্রশংসা জানাতে তিনিই সবার আগে এগিয়ে আসবেন।
এটাই লিডারশিপ এর চিহ্ন। মেসি সবার মতো মাঠে আগ্রেসিভ না,মাঠে খেলোয়াড়দের উপর চিল্লান না।
কিন্ত মানুষটা তারপরও সতীর্থকে ভরসা যোগান,স্পেশাল ফিল করান। দলটাকে সামলান। দলের সব খেলোয়াড়কে এক সুতায় বাঁধেন।
এটাই মেসি আর এটাই মেসির নেতৃত্ব দেওয়ার ক্যারিশম্যাটিক স্টাইল।
08/08/2026
বার্সেলোনা ১:১ এ ফিরেছে তবুও খুব বেশি দামে খেলোয়াড় কিনার সাধ্য নাই। খুব বেশি বেতন দেওয়ার জন্য স্যালারি ক্যাপ খালি নাই।
এরপরও অ্যান্থনি গর্ডন বায়ার্ন মিউনিখকে ফিরিয়ে দিয়ে বার্সেলোনাকে বেছে নিয়েছেন। হুলিয়ান আলভারেজ নিজের ক্লাব ছাড়ার আবেদন জানিয়েছেন, কারণ তিনি বার্সেলোনায় যোগ দিয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে চান।
রোমেরো বার্সেলোনার জন্য অপেক্ষা করেন। আসলানি বার্সেলোনার জন্য অপেক্ষা করেন। আদেইমি ফ্লিক এর এক কলে চলে আসেন। রদ্রি বার্সেলোনায় খেলার স্বপ্ন সত্যি করতে রিয়াল মাদ্রিদকে নাকচ করে দেন।
এবার একটু পিছনে ফেরা যাক। রোনালদিনহো যখন বার্সেলোনায় আসেন তখন তার জন্য প্রস্তুত ছিল ফার্গুসনের বেটার স্পোর্টিং ও ইকোনমিক প্রোজেক্ট।
উভয় দিক থেকেই ভেঙে পড়া বার্সেলোনার মতো ক্লাবে এসেছিলেন রোনালদিনহো। থিয়েরি হেনরি আর্সেনালের রাজত্ব ত্যাগ করে এসেছেন বার্সেলোনায়।
মাসচেরানো নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে চুক্তি সম্পন্ন করে বার্সায় আসেন। কৌতিনহো একপ্রকার লিভারপুলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বার্সেলোনায় যোগ দেন।
লেওয়ানদস্কিও যখন বার্সেলোনায় আসেন তখন তার জার্মানিতে রাজত্ব করার কথা কিন্ত সব ফেলে তিনি যোগ দেন ভাঙ্গাচোরা এক ক্লাবে।
চেলসি কুন্দেকে বেটার অফার দিয়েছিল। কিন্ত কোন এক জাদুবলে জাভির একটিমাত্র ফোন কলেই কুন্দে চেলসিকে প্রত্যাখ্যান করে চলে বার্সেলোনায়। রাফিনহাও একই কাজ করেন।
গুন্দোগান সবার বড় বড় প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে অনেক কম বেতন মেনে নিয়েছিলেন শুধু বার্সেলোনায় খেলবেন বলে।
কীসের টানে জোয়ান গার্সিয়া সবাইকে না বলে বার্সেলোনায় আসার কঠিন সিদ্ধান্তটি বেছে নিয়েছিলেন?
কোন জাদুতে সুয়ারেজ, নেইমার রিয়াল মাদ্রিদের প্রস্তাব ফিরিয়ে বার্সেলোনাকেই বেছে নিয়েছিলেন?
এই টান,জাদু আর কিছুইনা বার্সেলোনার জার্সি গায়ে খেলার লোভ,বার্সেলোনার প্রতি খেলোয়াড়দের ভালোবাসা।
রিয়াল মাদ্রিদের মতো যশ,চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোনোটাই নেই বার্সেলোনার। নেই ম্যানচেস্টার সিটি,চেলসি,পিএসজির মতো কারি কারি অর্থ। নেই বায়ার্ন মিউনিখ,পিএসজির মতো প্রোজেক্ট।
এরপরও সবার বার্সেলোনাকে চাওয়ার একটাই কারণ এই ক্লাবের প্রতি ভালোবাসা। এই ব্যাজের প্রতি খেলোয়াড়দের আসক্তি।
এই পুরো শহরটার প্রতি ভালোবাসা। যার কারণে রীতিমতো দুনিয়ার তাবৎ সেরা ক্লাবের অফার ফিরিয়ে দিয়ে আসে বার্সায়। বার্সার জন্য অপেক্ষা করে।
এমনকি নিজের ক্লাবের সাথে ব্যাটেল করতেও পিছপা হয় না।
বার্সেলোনাকে মোর দ্যান এ ক্লাব বলা হয় হয়তো এসব কারণেই। এসব কারণেই এই ক্লাবটা বারবার উঠে দাঁড়িয়েছে। বারবার শত্রুদের অহংকার গুড়িয়ে দিয়েছে।
কখনো রোমা,কখনো লিভারপুল,কখনো বায়ার্ন ট্র্যাজেডি,কখনো ইন্টার মিলানের সাথে হার এসব সব ভুলে বার্সেলোনা বারবার দাঁড়িয়েছে। উঠে দাঁড়িয়েছে।
Fc Barcelona more than a club.
08/08/2026
লিওনেল মেসির বাবা এবং দীর্ঘদিনের এজেন্ট হোর্হে মেসি আর নেই। ৬৮ বছর বয়সে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরের একটি ক্লিনিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দূরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছিলেন।
লিওনেল মেসির এই কিংবদন্তি হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল তার বাবা হোর্হের...নিউয়েলস ওল্ড বয়েজে খেলার সময় লিওর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা থেকে শুরু করে পরিবার ছেড়ে বার্সেলোনায় পাড়ি জমানোর সেই কঠিন দিনগুলোতে তিনিই ছিলেন ছেলের প্রধান ঢাল।
মাঠের বাইরের সব দায়িত্ব তিনি সামলাতেন একদম নীরবে, থাকতেন সব সময় লাইমলাইটের আড়ালে।
এই কঠিন সময়ে লিওনেল মেসি ও তার পুরো পরিবারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা। হোর্হে মেসির বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।
08/08/2026
বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর কোনো এক্সকিউজ না দেখিয়ে প্রতিপক্ষের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিলো আর্জেন্টাইন লেফট ব্যাক নিকোলাস তাগলিয়াফিকো! একই সাথে মনে করিয়ে দিলো টানা দুই বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলার মতো দারুণ অর্জনের কথাও।
ফাইনালে স্পেনের কাছে হার নিয়ে তাগলিয়াফিকোর বক্তব্যটা ছিল একদম সোজাসাপ্টা—
"আমাদের কাছে ২০২২ এর গোল্ড মেডেল আছে আর এবার পেলাম সিলভার। এই বিশ্বকাপে আমরা যা করেছি সেটা নিয়ে আমাদের প্রাউড হওয়া উচিত। টানা দুইবার ফাইনালে ওঠা মোটেও সহজ কথা নয়। আপনাকে হার মেনে নেওয়াটাও শিখতে হবে। স্পেন ফাইনালে দারুণ খেলেছে তারাই ডিজার্ভিং উইনার। আমরা সেদিন বাজে খেলেছি। এটাই ফুটবল শেষ পর্যন্ত একজনই চ্যাম্পিয়ন হয়।"
হারের পেছনে কোনো এক্সকিউজ দাঁড় করাতে চান না তাগলিয়াফিকো। তবে দলের ফিজিক্যাল ও মেন্টাল কন্ডিশন নিয়ে কথা বলেছেন সে—
"এটাকে কোনো এক্সকিউজ হিসেবে শোনাতে চাই না তবে ফাইনালে ওঠার আগেই আমরা ফিজিক্যালি আর মেন্টালি পুরোপুরি এক্সস্টেড হয়ে পড়েছিলাম। মেটলাইফের পিচও ভালো ছিল না বেশ ড্রাই ছিল। প্রচণ্ড গরমের মাঝে টিভি ব্রডকাস্টিংয়ের কারণে ম্যাচটাও আমাদের অনেক আগে খেলতে হয়েছিল।"
সবকিছুর পরও দলের হার না মানা মানসিকতা নিয়ে প্রাউড এই ডিফেন্ডার। মাঝের একটি কঠিন ম্যাচের উদাহরণ টেনে বলে — "আমাদের স্পিরিটের কথা মনে রাখতে হবে। আমরা এক মুহূর্তের জন্যও হাল ছাড়িনি। ইজিপ্টের বিপক্ষের ম্যাচটায় তো ভেবেছিলাম আমরা এবার বড় বিপদে পড়েছি! কিন্তু আমরা অসাধারণ রেজিলিয়েন্স দেখিয়ে ফিরে এসেছি। হয়তো জাদুকরী কোনো ফুটবল খেলিনি কিন্তু মন দিয়ে খেলেছি। তবে টুর্নামেন্টের প্রতিটা ম্যাচ এভাবে পার করাটা আপনার শরীর ও মনের ওপর দিয়ে বিশাল ধকল বয়ে নিয়ে যায়।"
আর এই বিশাল ধকলের কারণেই হয়তো বিশ্বকাপের মতো মেগা ইভেন্টে নিজের ক্যারিয়ারের শেষটা দেখে ফেলেছে সে! টানা তিনটি বিশ্বকাপ খেলা এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আবেগজড়িত কণ্ঠে অবসরের ইঙ্গিত দিয়ে বলে—
"আমার মনে হয় এটাই আমার শেষ বিশ্বকাপ...আমি আর পারছি না।"
08/08/2026
লিলের আইয়ুব বুয়াদ্দির সাথে চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ম্যানচেস্টার সিটি।
খেলোয়াড়ের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা এখনও চলছে তবে কথাবার্তা এখন একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং চুক্তিটি সম্পন্ন হওয়ার খুব কাছাকাছি।
—ফ্যাব্রিজিও রোমানো
08/08/2026
তাহলে কি হুলিয়ান আলভারেজ থাকছেন অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদেই!