Sports Tong House

Sports Tong House

Share

Sports Tong House is one of the top sports analysis and article writing pages in Bangladesh.

With a pool of more than 80k+ active readers and writers in our group, we strive to spread the art of critical thinking in the sports community.

06/06/2026

ইরানি সংস্কৃতিতে যেকোনো শুভ কাজের উদ্দেশ্যে বা দীর্ঘ সফরে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় একটি প্রাচীন ও জনপ্রিয় পারিবারিক সামাজিক প্রথা রয়েছে। যাকে বলা হয় কুরআনের নিচ দিয়ে যাওয়া বা Passing under the Quran।

ঘরের কোনো বড় বা মুরুব্বী ব্যক্তি দরজায় পবিত্র কুরআন উঁচুতে ধরে রাখেন। সফরকারী ব্যক্তি সেই কুরআনের নিচ দিয়ে পার হন, কুরআন স্পর্শ করেন এবং পরম শ্রদ্ধায় তাতে চুমু খান।

ইরান জাতীয় ফুটবল দলও এবছর বিশ্বকাপের জন্য দেশ ছাড়ার আগে এই প্রথা পালন করে।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ, কিংবা এর আগের ২০১৮ বা ২০১৪ সালের বিশ্বকাপগুলোতেও দেশ ছাড়ার আগে খেলোয়াড়দের এই প্রথা পালন করতে দেখা গেছে।

06/06/2026

ঋতুপর্ণার গোলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ম্যাচে ফিরলো বাংলাদেশ🇧🇩
বাংলাদেশ ১-১ ভারত।
🎥কালেক্টেড

06/06/2026

২০০৬ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে মেসির বিশ্বকাপ জার্নি শুরু হয়। ২০২৬ এ মেসি নিজের শেষ বিশ্বকাপ খেলবেন। তখন তার বয়স হবে ৩৯।

ক্যারিয়ারের এই শেষ বিশ্বকাপকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিখ্যাত স্পোর্টস ব্র্যান্ড অ্যাডিডাস মেসির জন্য বিশেষ নকশার একটি বুট উন্মোচন করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে El Último Tango।

স্প্যানিশ শব্দ 'El Último Tango' এর অর্থ হলো "দ্য লাস্ট ড্যান্স" বা শেষ নাচ।

দেখতে দেখতে ২০টা বছর প্রায় দুই যুগ। মানুষটা আমাদের এন্টারটেইন করেছেন। এই মানুষটা কিনা আর কয়টা দিন পর চিরতরে নীল আকাশিদের জার্সিটা তুলে রাখবেন।

এইতো শেষ বাঁশি বাজলো বলে। অন্তিম মুহূর্তে যেন সময় খুব তাড়াতাড়ি যাচ্ছে। রেফারির কাছে বারবার একটা আকুতি মিনতি করতে মন চাচ্ছে, "ডোন্ট ব্লো দ্য ফাইনাল হুইসেল।"

অর্থাৎ শেষ বাঁশি বাজাবেন না। এখনো যে তার মুগ্ধ করা ড্রিবলিং,বল কন্ট্রোল দেখা বাকি।

মেসিকে নিয়ে লেখা দ্য অ্যাথলেটিক এর একটা আর্টিকেল পড়ছিলাম। যেখানে মেসির গ্রেটনেস নিয়ে বলা ছিল এভাবে, "সময়ের সাথে সাথে হয়তো এমন অনেকেই আসবে যারা মেসির চেয়ে বেশি গোল করবে বা আরও চোখ ধাঁধানো গোল করবে, যারা মেসির চেয়ে ভালো পাস দেবে, যারা মেসির চেয়ে ভালো পাস দেবে, যারা মেসির চেয়ে ভালো ড্রিবল করবে, যারা মেসির চেয়ে ভালো স্পেস ও সময় বুঝবে। কিন্তু... এই সবকিছু একজন খেলোয়াড়ের মধ্যে?

আমাদের আরও অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে এমন আরেকজন খেলোয়াড়কে দেখার জন্য, যে কিনা প্রায় দুই দশক ধরে প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মৌসুমে এই সবকিছু এমন অসাধারণ পর্যায়ে করে গেছে।”

অর্থাৎ সবকিছুতেই দাপিয়ে বেড়ানো,রাজত্ব করা,মুগ্ধ করা এমন কাউকে কি আর আদো পাওয়া সম্ভব! জানা নেই। সত্যিই জানা নেই।

এজন্য তো মনের অজান্তে মোহাম্মদ রাফি সাহেবের সেই বিখ্যাত গানের দুই লাইন মনে পড়ে, "আভি না জাও ছোর কার কে দিল আবি ভারা নাহি।" অর্থাৎ এখনই ছেড়ে যেয়ো না,এই মন তো এখনো ভরেনি।

📍 সাহারিয়া হোসেন, From Football Tong House of Bangladesh.

06/06/2026

রাশিয়া বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিদায়টা ছিল ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় এক শকার।

২০১৪ সালের বিশ্বজয়ী আর ২০১৭ সালের কনফেডারেশন্স কাপ জয়ী দলটা নিয়ে এমন ট্র্যাজেডি কেউ কল্পনাও করেনি।

কোচ জোয়াকিম ল্যোভের অধীনে ২০১৪ সালের বিশ্বজয়ী কোর প্লেয়ারদের সাথে একঝাঁক তরুণ ট্যালেন্ট নিয়ে গড়া দলটা রাশিয়ায় পা রেখেছিল ফেভারিট হিসেবেই।

কোচ ল্যোভের ট্যাকটিক্যাল ফিলোসফি ছিল একচেটিয়া বল পজেশন আর হাই-লাইন ডিফেন্স। তার ৪-২-৩-১ ফরমেশনে ক্রুস মাঝমাঠ কন্ট্রোল করতেন, আর ওজিল থাকতেন ক্রিয়েটিভিটির দায়িত্বে।

এই সিস্টেমে দুই ফুলব্যাক জশুয়া কিমিচ আর জোনাস হেক্টর উইঙ্গারদের মতো একদম ওপরে উঠে অ্যাটাকে যোগ দিতেন, যা পুরো অ্যাটাককে আরও ডমিনেটিং করে তুলতো।

কিন্তু এই ওভার-অ্যাটাকিং আর পজেশনাল ফুটবল খেলার পরও টিমের সবচেয়ে বড় ট্যাকটিক্যাল উইকনেস ছিল ডিফেন্সিভ ট্রানজিশনে অতিরিক্ত স্লো হওয়া এবং কোনো প্রপার 'ডেস্ট্রয়ার' না থাকা।

ফুলব্যাকরা ওভারল্যাপে গেলে, মাঝমাঠ থেকে কাউন্টার-অ্যাটাক ঠেকানোর মতো ফাস্ট কেউ ছিল না। ফলে প্রতিপক্ষ কাউন্টারে উঠলেই হামেলস আর বোয়াটেংয়ের সেন্টার-ব্যাক জুটি পুরোপুরি এক্সপোজড হয়ে পড়তো।

তার ওপর স্কোয়াড থেকে স্পিডি উইঙ্গার লিরয় সানেকে বাদ দেওয়া এবং মূল স্ট্রাইকার টিমো ভেরনারের বাজে ফর্ম জার্মানির অ্যাটাককে একদম ভোঁতা করে দিয়েছিল।

এই ট্যাকটিক্যাল ভুলের চরম মাশুল দিতে হয় প্রথম ম্যাচেই।

মেক্সিকোর কাউন্টার-অ্যাটাকের সামনে জার্মানির হাই-লাইন ডিফেন্স ভেঙে পড়ে এবং লোজানোর গোলে তারা ১-০ তে হেরে বসে।

পরবর্তী ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে ক্রুসের ৯৫ মিনিটের ফ্রি-কিকে ২-১ গোলে জিতলেও, দলের আসল ট্যাকটিক্যাল দূরদশা ওই জয়ে ঢাকা পড়েনি।

গ্রুপ পর্বের শেষ ‘মাস্ট-উইন’ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার লো-ব্লকের সামনে জার্মানির স্লো বিল্ডআপ ফুটবল পুরোপুরি মুখ থুবড়ে পড়ে।

গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওপরে উঠে গিয়ে ইনজুরি টাইমে দুই গোল হজম করে ২-০ ব্যবধানের হার নিয়ে লজ্জাজনকভাবে বিদায় নেয় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

২০১৮ সালের জার্মানি ট্যাকটিক্যালি পুরোপুরি আউটডেটেড হয়ে গিয়েছিল। ড্রেসিংরুমে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সেই পুরোনো 'ক্ষুধা' বা হাঙ্গারটাও তাদের ছিল না।

স্কোয়াডে যতই ভালো প্লেয়ার থাকুক না কেন, আধুনিক ফুটবলে ট্যাকটিক্যাল ইভোলিউশন না থাকলে 'চ্যাম্পিয়ন্স কার্স' বা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের অভিশাপে যেকোনো ফেভারিট দলের পরিণতিও যে কতটা ট্র্যাজিক হতে পারে, ল্যোভের দলটা তারই সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

06/06/2026

ইংল্যান্ড দলের কোচ টমাস টুখেল সামনের বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য স্মার্ট একটি কৌশল হাতে নিয়েছেন।

শুধু অনুশীলনের ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে তিনি আমেরিকার চতুর্থ বিভাগের একটি দলের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের একটি বিশেষ প্রস্তুতি ম্যাচের আয়োজন করেন। তবে এই ম্যাচের মূল উদ্দেশ্য ফলাফল বের করা বা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স যাচাই করা ছিল না।

টুখেল মূলত চেয়েছেন ম্যাচ চলাকালীন যেকোনো মোমেন্টে খেলা থামিয়ে একই পরিস্থিতি পুনরায় তৈরি করতে এবং বিভিন্ন ট্যাকটিক্যাল অপশন বিশেষ করে সেট পিস ও দলীয় মুভমেন্টগুলো বারবার পরীক্ষা করে দেখতে। মূলত ম্যাচটি তার কাছে সাধারণ কোনো খেলার বদলে একটি উন্মুক্ত প্র্যাকটিক্যাল সেশন হিসেবেই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

তার এই কৌশলের পেছনে আরেকটি বড় এবং যৌক্তিক কারণ হলো আমেরিকার আবহাওয়া।এবারের বিশ্বকাপের আগে সেখানকার তীব্র গরম ও আর্দ্রতা নিয়ে আলোচনা কম হচ্ছে না।

ইউরোপের পরিবেশের সাথে অভ্যস্ত খেলোয়াড়রা যেন মূল টুর্নামেন্টে গিয়ে হঠাৎ কোনো চমকের মুখোমুখি না হয় সেজন্যই তিনি তাদের বাস্তবেই এই প্রতিকূল কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।

আপাতদৃষ্টিতে কারো কাছে বিষয়টি কিছুটা অদ্ভুত মনে হলেও কৌশলগত দিক থেকে এটি বেশ স্মার্ট একটি পদক্ষেপ।

06/06/2026

বালের্দি আউট অফ ওয়ার্ল্ডকাপ!!!

বালের্দি আর্জেন্টিনার স্টার্টার হইতোনা, সাবে খেলতো - ব্যাকাপ হিসেবে থাকতো।

বালের্দির সবচেয়ে বড় এডভান্টেজ ছিলো সে রাইট সিবি, লেফট সিবি দুই রোলেই খেলতে পারতো।

দুইসাইডেই সমানতালে খেলতে পারা ডিফেন্ডার সবসময় টিম ব্যালান্সে ভালো হেল্প করে।

এখন হয়তোবা সেনেসিকেই ইন করাবে, কিন্তু আপনার ফার্স্ট চয়েস সিবি রোমেরো যদি ফিট না হয়/আবার ইঞ্জুরিতে পড়ে/সাস্পেন্ড হয়/বাজে খেলে তাহলে রাইট সিবি হিসেবে কে স্টার্ট করবে গেস করেন তো?

📍Jawad Abdullah, From Football Tong House Of Bangladesh.

06/06/2026

ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ২ গোলের লিডে রিয়াল মাদ্রিদ। ঘড়ির কাটায় তখন ম্যাচের ৫২ মিনিট। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হয়েও লেফট উইং দিয়ে ছুটলেন তিনি। পরাস্ত ইউনাইটেড এর সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার বার্গ। এরপর আচমকা এক ব্যাক হিল। গ্যালারি কিংবা ডাগআউটে থাকা সবার চোখ মুখে বিস্ময়ের ছাপ। বল চলে যাচ্ছিলো টাচ লাইন পেরিয়ে। এমন সময় এক ব্যাক পাস রাউলকে লক্ষ্য করে। রাউল বাম দিয়ে পা ছুঁয়ে দিলেন। ব্যাস গোললললল!

আর্মব্যান্ড পড়া সেই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার সেবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ উঁচিয়ে ধরে রিয়াল মাদ্রিদের একমাত্র বিদেশী অধিনায়ক হিসেবে। সেই মৌসুমে তিনি যা করেছিলেন তা কোনো ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের পক্ষে করা অসম্ভব বলেই মনে হবে। একজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হয়েও সেবার মাদ্রিদের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন তিনি। এমনকি ফার্গুসনের মতে সেই মাদ্রিদ টিমের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন তিনিই। ফার্গুসন তো বলেই ফেললেন, 'রেদোন্দোর পায়ে চুম্বক লাগানো। আমি ১০০ ভাগ নিশ্চিত।' জি ঠিক ধরেছেন সেই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারটি আর কেউ নন,রেদোন্দো।

মাদ্রিদিস্তারা যে তাকে ডাকেন এল পিন্সিপে দে মাদ্রিদ নামে। যার বাংলা করলে দাড়ায় মাদ্রিদের প্রিন্স(রাজপুত্র)। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে নিজেদের পরখ করে নিচ্ছিলো আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা। ম্যারাডোনা, বাতিস্তুতা,ভেরেন, সিমিওনের মতো তারকাদের ভিড়ে সেবার নজর কেড়েছিল এক পাতলা গড়নের ছেলে রেদোন্দো।

লাতিনের বেশিরভাগ ফুটবলারই দারিদ্র্য ঘোচানোর জন্য বেছে নেন ফুটবল। কিন্ত রেদোন্দো ছিলেন ব্যতিক্রম। মধ্যবিত্ত ঘরে বেড়ে উঠা রেদোন্দো পড়াশোনাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আইনের পড়াশুনার ফাঁকেই ফুটবল খেলতেন তিনি। এই রেদোন্দোই একসময় প্রেমে পড়ে যান মাদ্রিদের।

ক্যাপেলো যখন মাদ্রিদের ডাগআউট সামলাতে আসলেন তখন তিনি রেদোন্দোকে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলাতে চাননি। তার মতে এই পজিশনে একটু বেশিই মার্জিত ছিলেন রেদোন্দো। কিন্ত রেদোন্দো পারফর্ম করে ডিপ লায়িং মিডফিল্ডার হিসেবে পাকাপোক্ত করে নিলেন নিজেকে।

কয়েকদিন পর রিয়াল মাদ্রিদের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন পেরেজ। পেরেজ এর গ্যালাক্টিকোস প্রোজেক্টের কারণে বাধ্য হয়ে বার্নাব্যু ছাড়তে হয় রেদোন্দোকে। মাদ্রিদ ভক্তরা নেমে পড়লেন রাস্তায়। 'ফিগোর বদলে রেদোন্দো নয়' এমন স্লোগান চলতে থাকলো মাদ্রিদ শহর জুড়ে।

২০০৩ সালে যখন এসি মিলানের হয়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে তখন রেদোন্দোকে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানায় পুরো স্টেডিয়ামের সমর্থকরা। এক ব্যানারে লিখা ছিল, "God returns to paradise."

আজ ওয়ান টাচ জিনিয়াস খ্যাত এই রেদোন্দোর ৫৭ তম জন্মবার্ষিকী। শুভ জন্মদিন ফার্নান্দো কার্লোস রেদোন্দো নেরি।

06/06/2026

১৯ বছরের এক ছোকরা পুরো বিশ্বের ভয়ের কারণ। এমন ঘটনা ফুটবলে আর ঘটবে কিনা সন্দেহ। ২২ বিশ্বকাপেও এই ছোকরা যা করলেন অবিশ্বাস্য।

ফ্রান্সের সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্লে। ১৯ বছর বয়সে তো অনেকেই অনেক কিছু করে,কিন্ত এই এমবাপ্লে পুরো ফুটবল বিশ্বকে নিশ্চুপ করে দিয়েছিলেন এই বয়সে।

প্রথম ম্যাচে পেরুর বিপক্ষে দারুণ এক গোল করলেন এমবাপ্লে। এরকম মুহূর্তে অভিজ্ঞরাও থমকে যায়। কিন্ত এমবাপ্লে কুল, কাম ফিনিশ করলেন। রাউন্ড অফ সিক্সটিনে মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জোড়া গোল করেন এমবাপ্লে।

এমবাপ্লে যে বড় মঞ্চের জন্য তৈরি,এদিন ফুটবল বিশ্বকে দেখালেন তিনি। ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মেসিকে একা হাতে বিশ্বকাপ থেকে বাদ করে দিলেন এমবাপ্লে।

৬৪ এবং ৬৮ মিনিটে এমবাপ্পে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে গোল করে দেখিয়ে দিলেন যে তিনি ১৯ বছরের কোনো সাধারণ খেলোয়াড় না।

তিনি এসেছেন রাজ করতে। ফুটবল বিশ্বকাপ জিততে। ফাইনালেও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে গোল করেন এমবাপ্পে। ফ্রান্সকে জেতালেন ২০১৮ বিশ্বকাপ।

পুরো দুনিয়া দেখলো ১৯ বছর বয়সী ছোকরার গ্রেটনেস। ফুটবল ইতিহাসে দ্বিতীয়বার এমনটা ঘটেছে যখন একটা ছোকরা বিশ্বকাপ জিতেছে তাও পুরো ফুটবল দুনিয়াকে লন্ডভন্ড করে।

এমবাপ্পে পরের বিশ্বকাপে আসলেন। ফাইনাল খেললেন। এরপর ফাইনালে ৩০ মিনিট যা করলেন পুরো ফুটবল দুনিয়াকে থমকে গেল।

একটা বিশ্বকাপ হ্যাট্রিক। শত মানুষকে কাদিয়ে ছাড়লো। গোটা ফুটবল দুনিয়া ভয়ে কেঁপে উঠলো। এক নাদান ছোকরার ভেলকিতে স্টেডিয়াম নিস্তব্ধ।

নিস্তব্ধ অলি গলি। নিস্তব্ধ পাড়া মহল্লা। যেন কোনো এক ডাকাতের আক্রমণে থমকে গেছে গোটা ফুটবল দুনিয়া।

06/06/2026

বিশ্বকাপের স্কোয়াডে ডাক পাওয়ার পর অনেক খেলোয়াড়রা উদযাপন করে,সেলিব্রেশন করে,কেক কাটে। আরো কতই না আয়োজন থাকে।

কিন্ত রোজারিওর ছোট্ট ছেলে মেসিকে যখন স্কালোনি বললেন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে তিনি আছেন।

তিনি যেন কোনো টু শব্দ করলেন না। না কোনো প্রেস কনফারেন্স। না কোনো আলাদা কিছু। অথচ তিনি জানেন তিনি বিশ্বকাপে যাচ্ছেন। খেলছেন নিজের শেষ বিশ্বকাপ।

মেসি কেবল অপেক্ষায় রইলেন আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য নিজে থেকে কিছুই বললেন না।

স্কালোনি বেশ খানিকটা অবাক হয়েছিলেন। কিন্ত যখন বুঝতে পারলেন মানুষটা যে মেসি তখন এক মানসিক শান্তি পেয়েছিলেন স্কালোনি।

মেসি নিত্যান্ত সাধারণ একজন মানুষ। গোটা ক্যারিয়ারে কতই না অর্জন তার। ব্যালন ডি ওর,চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, কোপা আমেরিকা,বিশ্বকাপ।

মানুষটার অর্জনের খাতা যতোটা না ভারী তার চাইতেও লোকটা বেশ সাধারণ। নেই কোনো অহংকার,নেই কোনো বড়াই।

এতোটাও কি সাধারণ হওয়া যায়! এতোটাও কি হাম্বল হওয়া যায়!

06/06/2026

ইউরোপের সেরাফাল্লে স্টেডিয়ামে গ্যালারি কাঁপানো হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশির চিৎকার আর মাঠের সবুজ ঘাসে লাল-সবুজের তপু বর্মণের জোড়া গোল গল্পটা রূপকথা মনে হলেও এটাই এখন ২০২৬ সালের বাস্তব সত্য।

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের তলানির দল হলেও যারা ইতালি, জার্মানি, স্পেনের মতো দানবদের সাথে খেলে অভ্যস্ত সেই সান মারিনোকে তাদেরই ডেরায় ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ। নতুন প্রধান কোচ টমাস ডুলির প্রথম ম্যাচেই এই 'নিউ বাংলাদেশ' আসলে ঠিক কোন চাল দিয়ে বাজিমাত করলো? চলুন একটু গভীরে বসা যাক।

মাঠের খেলায় বাংলাদেশের যে রূপান্তরটা চোখে পড়েছে সেটা এক কথায় অবিশ্বাস্য। আগে আমাদের ফুটবল মানেই ছিল "লং বল অ্যান্ড প্রেয়ার" পলিসি...অর্থাৎ নিচ থেকে ডিফেন্ডাররা চোখ বন্ধ করে লম্বা করে বল বাড়িয়ে দিতেন ফরোয়ার্ডদের উদ্দেশ্যে আর মনে মনে দোয়া করতেন যেন কোনো অলৌকিক উপায়ে বলটা জালে জড়িয়ে যায়। টমাস ডুলির অধীনে সান মারিনো ম্যাচে এই ব্যাকডেটেড ফুটবল থেকে পুরোপুরি বের হয়ে এসেছে দল।

এবার বাংলাদেশ খেলেছে মডার্ন প্রগ্রেসিভ ফুটবল, যেখানে প্রতিটি পাস ছিল হিসাব কষা এবং বিল্ড-আপ ছিল নিচ থেকে ছোট ছোট পাসে।আগের ম্যাচগুলোতে আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল বলের দখল ধরে রাখতে না পারা। একটু প্রেসিংয়ের মুখে পড়লেই ডিফেন্ডার বা মিডফিল্ডাররা প্যানিক করে বল প্রতিপক্ষকে উপহার দিতেন।

কিন্তু সান মারিনোর মাটিতে বাংলাদেশ যে শান্ত মেজাজে ৫৪% বল পজিশন ধরে রাখলো এটাই প্রথম বড় ট্যাকটিক্যাল ডিফারেন্স। প্রতিপক্ষের হাই-প্রেসকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মিডফিল্ডে ট্রায়াঙ্গেল তৈরি করে পাসিং স্পেস বের করার এই আত্মবিশ্বাস আগে কখনো এই ছেলেদের মধ্যে দেখা যায়নি।

আরেকটি বড় ইম্প্রুভমেন্ট ছিল ফাইনাল থার্ডে বা প্রতিপক্ষের বক্সের আশেপাশে আমাদের ডিসিশন মেকিং। আগে উইঙ্গাররা ক্রসিং পজিশনে গেলে বক্সে লোক থাকতো না কিংবা উইং থেকে এলোমেলো শট নিয়ে আক্রমণ নষ্ট করা হতো। ডুলির সিস্টেমে উইং-প্লে ছিল অনেক বেশি সুসংগঠিত। শেখ মোরসালিনরা যখন ওভারল্যাপ করে বক্সে ক্রস ফেলছিলেন তখন তপু বর্মণরা ঠিকই সেখানে রান নিচ্ছিলেন। অর্থাৎ মাঠের ট্যাকটিক্যাল পজিশনিং এবং কে কখন বক্সে ঢুকবে—এই মুভমেন্টগুলো ডুলির অধীনে ফুটবলাররা নিখুঁতভাবে মুখস্থ করতে পেরেছেন।
দ্বিতীয় হাফে সান মারিনো যখন উইং ধরে বাংলাদেশকে চেপে ধরে এবং কাউন্টারে পিনড-ব্যাক করে ফেলে তখন ডুলি একটি বড় জুয়া খেলেন।

অফ ফর্মে থাকা সোহেল রানা সিনিয়রকে তুলে তিনি মাঠে নামান কাজেম শাহকে। কাজেম মাঠে এসেই কোহেরেন্ট প্রেসিং শুরু করেন এবং বক্সে সান মারিনোর একটি নিশ্চিত আক্রমণ ট্যাকল করে আটকে দেন। এই এক পরিবর্তন বাংলাদেশের রক্ষণকে ভেঙে পড়া থেকে বাঁচিয়ে দেয়।

সবচেয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে দলের ফিটনেস ও রিয়াকশন টাইম। সাধারণত ম্যাচের ৬০ বা ৭০ মিনিটের পর বাংলাদেশি প্লেয়ারদের স্ট্যামিনা শেষ হয়ে যেত এবং তারা পুরোপুরি ডিফেন্সিভ হয়ে যেতেন। কিন্তু এই ম্যাচে সান মারিনো গোল শোধ করার পরও বাংলাদেশ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েনি বা অল-আউট ডিফেন্সে যায়নি। উল্টো হাই-লাইন প্রেস ধরে রেখে প্রতিপক্ষকে তাদেরই হাফে আটকে রেখে ফাউল আদায় করেছে এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জয়ের জন্য লড়ে সেট-পিস থেকে গোল বের করেছে।

টমাস ডুলিকে যদি দীর্ঘমেয়াদে বাফুফে কোনো রকম ইন্টারফেয়ারেন্স ছাড়া নিজের মতো কাজ করতে দেয়, তবে এই ট্যাকটিক্যাল ম্যাচিউরিটি আরও বাড়বে। আমাদের দেশীয় ফুটবলারদের যে প্রতিভা আছে, তার সাথে ডুলির এই আধুনিক ইউরোপীয় ঘরানার ট্যাকটিক্যাল ডিসিপ্লিন যুক্ত হলে দেশের ফুটবল এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। এখন দেখার বিষয়, বাফুফে এই জয় থেকে শিক্ষা নিয়ে ডুলিকে স্বাধীনভাবে কাজ করার পূর্ণ লাইসেন্স দেয় কিনা নাকি পুরনো আমলাতান্ত্রিক চক্রে আবার সব আটকে যায়..!

📍Mahtab Saad, From Football Tong House of Bangladesh

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka