একাকিত্ব
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from একাকিত্ব, Sport & recreation, Dhaka.
🎥 কিছুক্ষণ আগে, মধ্য গাজা উপত্যকার দেইর আল-বালাহতে একটি বাড়িতে দখলদাররা বিমান হামলা চালানোর মুহূর্ত।
08/04/2025
📌জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা একটি যৌথ বিবৃতিতে:
চলমান ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ এবং বেঁচে থাকার উপায়ের অভাবের কারণে গাজার বাসিন্দাদের জীবন ধ্বংসের সাক্ষী বিশ্ব, যা মানব জীবনের প্রতি সম্পূর্ণ অবহেলার প্রমাণ।
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যার ফলে অভূতপূর্ব সংখ্যক সাহায্য কর্মী নিহত হয়েছেন।
৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালের পর থেকে ইসরায়েলের নীতিগুলি আগের চেয়েও চরম হয়ে উঠেছে, গণহত্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
গাজা উপত্যকার দুই মিলিয়নেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে বাঁচাতে বিশ্বকে অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে, যারা কঠোর অবরোধের মধ্যে বোমাবর্ষণ এবং অনাহারের মুখোমুখি হচ্ছে।
যদিও এই আহবানে বিশ্ব সাড়া দিবে কিনা সন্দেহ রয়েছে।
08/04/2025
🚨🔻 ব্রিটিশ লেখিকা নাসরিন মালিক:
পূর্ব ও পশ্চিমের রাজনীতিবিদরা গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন, কিন্তু বিশ্বব্যাপী ক্ষোভ এটি ঘটতে বাধা দিচ্ছে।
দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে, মানুষ পর্দায় গাজার দুর্দশার মধ্য দিয়ে বেঁচে আছে, যার মধ্যে শিশুদের ছিন্নভিন্ন দেহ এবং শোকাহত পরিবারের আর্তনাদও রয়েছে।
এই রক্তাক্ত দৃশ্যগুলো হঠাৎ করেই আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে, "আমাকে পঙ্গু করে তোলে, যেন আমি এমন একটি দুঃস্বপ্নের অভিজ্ঞতা পেয়েছি যা আমি এক মুহূর্তের জন্য ভুলে গিয়েছিলাম, কিন্তু যেখান থেকে জাগ্রত হওয়ার বা মুক্তির কোনও উপায় নেই।"
- পশ্চিমা রাজনৈতিক ব্যবস্থাগুলি - বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ - গাজার দুর্যোগকে এভাবে কীভাবে মোকাবেলা করে?!
তারা হয় তা উপেক্ষা করে এবং আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানায়, অথবা তারা এই অপরাধের প্রতিবাদকারী কণ্ঠস্বর দমন করে, কর্মীদের উপর নির্যাতন করে এবং তাদের গ্রেপ্তার বা নির্বাসনের হুমকি দেয়।
ইসরায়েলের লক্ষ্য হলো বিশ্বকে তার ইচ্ছার অধীনে আনা, মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর ব্যাপক দমন-পীড়ন আরোপ করা এবং তার সমর্থকদের সহায়তায় যেকোনো ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে নীরব করার চেষ্টা করা।
08/04/2025
পাকিস্তানের পরমাণু বোমার জনক ড. আবদুল কাদের খান শহীদ প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুরসিকে নিয়ে যা বলেছিলেন -
আমি মিশর নিয়ে কোনো কথা বলতে চাচ্ছিলাম না। কিন্তু বস্তবতা এমন যে বলতেই হচ্ছে। কারণ মিশরীয়দের সত্য জানা জরুরী।
প্রেসিডেন্ট মুরসি রাশিয়া, ভারত ও পাকিস্তান সফর করেছিলেন। আপনারা অনেকেই জানেন না, তিনি রাশিয়ার সাথে একটি পরমাণু চুল্লি পূণরায় চালু করার এবং সেখানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হতো। তাছাড়া একটি নতুন চুল্লিও করার চুক্তি হয়েছে। যা মাত্র ৩ বছরের মাথায় মিশরের হাতে হস্তান্তরিত হওয়ার কথা ছিলো।
আপনারা কি জানেন পশ্চিমাদের সবচেয়ে বড়ো আতঙ্ক কী ছিলো?
এ প্রকল্প চালু হলে মিশরের বিদ্যুৎ সমস্যা চিরতরে শেষ হয়ে যেতো। শুধু তাই নয়, এ প্রকল্প থেকে অতিরিক্ত যে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হতো তা দিয়ে পুরো আফ্রিকা আলোকিত করা সম্ভব ছিলো।
মিশরীয়দের এটা ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে, মিশর মুরসির সময়ে জার্মানি থেকে দুটি সাবমেরিন ক্রয় করে। এটা কেনার জন্য ইসরাইল জার্মানির উপর দীর্ঘদিন ধরে চাপ প্রয়োগ করে আসছিলো। আর এ সাবমেরিনগুলো বিমানবাহী রণতরি ধ্বংস করতে সক্ষম ছিলো।
অধিকাংশ মিশরীয় হয়তো জানেন না যে, মুরসি ভারতীয় বিজ্ঞানীদের সাথে একটি সামরিক উপগ্রহ তৈরীর ব্যাপারে চুক্তি করেছিলেন। ওই উপগ্রহ থেকে পুরো ইসরাইলকে স্ক্যান করা সম্ভব হতো এবং ক্ষেপনাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করতে পারত। সামরিক অভ্যুত্থান না হলে মিসর এই সামরিক উপগ্রহের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যেত।
মুরসি রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সাথে মিশরের জন্য ক্ষেপনাস্ত্র তৈরীর আলাপ তুলেছিলেন। রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষেপনাস্ত্র তৈরীর প্রস্তাবে সম্মতও হয়েছিলো। তা কার্যকর হলে যুদ্ধ শুরু হলেই তেল আবিবের ভূমিতে নরক নেমে আসতো।
মুরসি একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদমর্যাদার এক মিশরীয় সামরিক কর্মকর্তাকে চুক্তির বিষয়ে আলোচনার জন্য রাশিয়ায় পাঠান। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপ এবং হস্তক্ষেপে মিশরের সামরিক বাহিনী এই চুক্তিকে ব্যর্থ করে দেয়।
মিসরীয়দের বোঝা উচিত, মুরসির শাসনামলে মিসর স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল। দেশটি পশ্চিমাদের প্রভাবমুক্ত হয়ে নিজস্ব সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হতো।
মিসরের পরমাণু বোমার প্রয়োজনই নেই। ইরান মরিয়া হয়ে এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে চায় যার পাল্লা ২৫০০ কিমি, যাতে তা ইসরায়েল পর্যন্ত পৌঁছায়। অথচ মিসর সস্তা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েই ইসরায়েলকে আঘাত হানতে পারে। মুরসি ভালো করেই জানতেন যে, মিসরের হাতে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো থাকলে ইসরায়েল পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়বে। কারণ ইসরায়েলের আয়তন মিসরের একটি প্রদেশের চেয়েও ছোট।
হে সম্মানিত মিসরীয় জনগণ! এখনো আশা শেষ হয়ে যায়নি। যদি তোমাদের ইচ্ছাশক্তি অটুট এবং দৃঢ়তা লৌহসম থাকে তবে তোমরা জয়ী হতে পারো। আল্লাহর উপর ভরসা রাখো, ধৈর্য ধরো, কখনোই আত্মসমর্পণ কোরো না। সত্য সবসময় যেকোনো অস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী।
পাকিস্তান আজ পরমাণু বোমার অধিকারী। তারা দাসত্ব ও উপনিবেশবাদের শৃঙ্খল ভেঙে বেরিয়ে এসেছে এই আয়াত বাস্তবায়নের মাধ্যমে-
وَ اَعِدُّوۡا لَهُمۡ مَّا اسۡتَطَعۡتُمۡ مِّنۡ قُوَّۃٍ وَّ مِنۡ رِّبَاطِ الۡخَیۡلِ تُرۡهِبُوۡنَ بِهٖ عَدُوَّ اللّٰهِ وَ عَدُوَّكُمۡ وَ اٰخَرِیۡنَ مِنۡ دُوۡنِهِمۡ ۚ لَا تَعۡلَمُوۡنَهُمۡ ۚ اَللّٰهُ یَعۡلَمُهُمۡ ؕ وَ مَا تُنۡفِقُوۡا مِنۡ شَیۡءٍ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ یُوَفَّ اِلَیۡكُمۡ وَ اَنۡتُمۡ لَا تُظۡلَمُوۡنَ ﴿۶۰﴾
“তোমরা তাদের (মোকাবিলার) জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও সুসজ্জিত অশ্ব প্রস্তুত রাখ, এ দিয়ে তোমরা আল্লাহর শত্রু তথা তোমাদের শত্রুকে সন্ত্রস্ত করবে এবং এ ছাড়া অন্যদেরকে যাদেরকে তোমরা জান না, আল্লাহ জানেন। আর আল্লাহর পথে যা কিছু ব্যয় করবে, তার পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি অত্যাচার করা হবে না।” আনফাল : 60
লিখেছেন Tareq Mahmud
08/04/2025
ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।
ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র, ইসহাক(আঃ) আর ইসমাইল(আঃ)।
হয়রত ইসহাক(আঃ) এর পুত্র ছিলেন হযরত ইয়াকুব(আঃ), উনার আরেক নাম ইস/রা/ইল। এই ইয়াকুব(আঃ) এর বংশকে আল্লাহ্ তা'আলা বনি-ই/সরা/ইল নামে সম্বোধন করেছেন।
হযরত ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১জনের নাম ছিলো ইয়াহুদা। এই ইয়াহুদা এর বংশই পরবর্তীতে সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে।
তাই, বনি-ই/সরা/ইল এর আরেক নাম ই/হু/দী।
ই/হু/দী ধর্ম আর বংশ দুটো আলাদা।
সব ইহুদী বংশের লোক ইহুদী ধর্মের হলেও সব ইহুদী ধর্মের লোক ই ইয়াহুদার বংশ নয়।
এই ইয়াহুদা ই কিন্তু তার আপন ভাই ইউসুফ(আঃ) কে কূপে ফেলে হত্যা করতে চেয়েছিল!
৪ হাজার বছর আগে ইসহাক(আঃ) এর মৃত্যুর পর ইয়াকুব(আঃ) আল্লাহ্'র নির্দেশে শামনগরী (সিরিয়া) থেকে কেনানে হিজরত করেন। এই কেনান ই বর্তমানের ফিলিস্তিন।
এরপর কেনানে (ফিলিস্তিন) দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ইয়াহুদা তার সব ভাই এর সাথে মিশরে চলে যায় এবং মিশরে বসবাস শুরু করে।
মিশরের তখনকার রাজা ছিলেন ইউসুফ(আঃ), যিনি ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১১তম। সেই কারণে ইয়াহুদা ও তার বংশ মিশরে অনেক দাপটের সাথে থাকতে শুরু করে।
তারপর কালের পরিক্রমায় ক্ষমতা যায় ফারাও রাজাদের হাতে। ফেরাউন এসে বনি-ই/সরা/ইলদের এত অত্যাচার শুরু করে যে এরা সারাদিন 'ইয়া নাফসী' 'ইয়া নফসী' করতো।
তখন আল্লাহ্ তাদের কাছে পাঠালেন মূসা(আঃ) আর তাওরাত কিতাব। মুসা(আঃ) ফেরাউনকে নীলনদে ডুবানোর মাধ্যমে বনি-ই/সরা/ইল মুক্তি পায়।
তারপর মূসা(আঃ) সবাইকে নিয়ে কেনানে (ফিলিস্তিন) ফিরে যান। পরে তারা সেখানে গিয়ে আল্লাহ্'র অশেষ রহমত পাওয়া সত্ত্বেও মুসা(আঃ) এর ওফাতের পর আবার আল্লাহ্ কে ভুলে যায়, গরুপূজা সহ নানা রকম অনাচার শুরু করে।
তারপর তাদের মধ্যে ক্ষমতার লোভে নিজেদের একতা ভেঙ্গে যায়, ভিনদেশীরা তাদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের আবার গোলাম বানিয়ে অত্যাচার করতে থাকে।
এর ১০০বছর পরে দাউদ(আঃ) আর উনার ছেলে সুলাইমান(আঃ) এর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা আবারও এই অত্যাচার থেকে তাদেরকে মুক্তি দেন।
কিন্তু সুলাইমান(আঃ) এর মৃত্যুর পর ই/হু/দীরা আবার শয়তানের পূজা শুরু করে। তাদের ভিতরে থাকা ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাওরাত কিতাবের মধ্যে নিজেদের সুবিধামত সংযোজন-বিয়োজন করার মতন ধৃষ্টতা দেখায়।
তারা তাওরাতে সংযোজন করে যে, "আল্লাহ্ তায়ালা ইসহাক(আঃ) এর স্বপ্নে কেনানকে ইহুদীদের জন্য প্রমিজ ল্যান্ড হিসেবে দিয়েছেন, এটা তাদের জয় করে নিতে হবে।"
এটাকে তারা 'জেকব লেডার ড্রিম' বলে।
তাদের এমন নির্লজ্জতা ও ধৃষ্টতার কারণে তারা বারবার আল্লাহ্'র শা/স্তির মুখে পড়েছে। যেমনঃ
কখনো গৃহহীন হয়ে যাযাবরের মতো ঘুরেছে,
ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্যের দ্বারা গণহ/ত্যার শিকার হয়েছে,
রোমান সাম্রাজ্যের দ্বারা সিরিয়া থেকে আরব দেশে বিতাড়িত হয়েছে।
মহানবী(সাঃ) এর সময় তারা আরব দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে যায় ইউরোপে।
আর উমার(রা:) ফিলিস্তিন ও আল-আকসা বিজয় করেন।
আজ ইস/রা/য়েলের এতো ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইউরোপও তখন তাদেরকে আশ্রয় দেয়নি।
বনি-ইস/রা/ইলের এমন পরিণতির কারণ আল্লাহ তায়ালা এর শা/স্তির পাশাপাশি তাদের ব্যবহার!
তখনকার লোকদের ভাষ্যমতে, তারা অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির মানুষ ছিল।
তাদেরকে যে জায়গায় আশ্রয় দেয়া হতো সেই জায়গাতেই তারা তাদের প্রতিবেশীর জমি দখল করতো!
ই/হু/দীরা বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ছিল আর তাদের ব্যবসা অন্যদের থেকে কৌশলগতভাবে আলাদা ছিলো, যার কারণে যাযাবরের মতো ঘুরলেও তাদের অর্থ-সম্পদ ভালোই ছিল। সেই অর্থ-সম্পদ এর দাপট দেখিয়ে তারা সেইসব এলাকার স্থানীয় লোকদের উপরই ছড়ি ঘুরাতো।
তাই তারা সেইসব এলাকার রাজা ও বাসিন্দাদের দ্বারা বার বার বিতাড়িত হতো।
বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করার পর তারা একসময় বুঝতে পারে যে, যেকোনো সমাজকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে শিক্ষা ও অর্থের বিকল্প নেই।
তাই তারা শিক্ষা অর্জন ও অর্থ উপার্জনের উপর গুরুত্ব দেয়।
তারা বিশ্বাস করে, কেনান তাদের জন্য সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক বরাদ্দকৃত ভূমি।
তারা এটাও বিশ্বাস করে যে, একসময় তাদের একজন মসিয়াহ্(দাজ্জাল) এসে তাদের এই ভূমিকে উদ্ধার করে দিবে।
১৮ শতাব্দীতে ই/হু/দীরা তাদের ধর্ম-পরিচয় গোপন করে ইউরোপে বসবাস শুরু করে।
তখন থিওডোর হার্জেল নামে তাদেরই একজন ব্যবসায়ী ফিলিস্তিনকে নিজেদের দখলে আনার লক্ষ্যে ১৮৯৭ সালে জিওনিজম আন্দোলন শুরু করে ই/হু/দীদেরকে আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখানো শুরু করে।
এই আন্দোলনকে যারা সমর্থন করে, তাদেরকে জিওনিস্ট বলে।
যেহেতু ই/হু/দীরা অনেক শিক্ষা অর্জন আর অর্থ উপার্জন করেছিলো, তাই তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ ইউরোপে ধর্ম গোপন করে থাকলেও কেউ কেউ মেধার জোরে ইউরোপে গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করতে, বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে।
তখন তারা শুধুমাত্র পদ দখল করেই থেমে থাকেনি, সেই সাথে নিজেদের একটা রাষ্ট্র গঠনেও প্রচুর সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে থাকে।
তখন ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো, তাদেরকে আফ্রিকার উগান্ডায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
ঠিক এমন সময় শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে যুক্তরাজ্য নিজেদের অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য এক ধরনের গ্লিসারিন ইউজ করতো, যেটা আসতো জার্মানি থেকে।
কিন্তু যুদ্ধের সময় জার্মানি যুক্তরাজ্যের বিপক্ষে থাকায় গ্লিসারিন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।
তখন যুক্তরাজ্যকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে চাইম ওয়াইজম্যান নামক একজন ই/হু/দী গবেষক ও ব্যবসায়ী। তিনি গ্লিসারিন এর বদলে এসিটোন দিয়ে অস্ত্র সংরক্ষণের পদ্ধতি শিখিয়ে দেন এবং যুদ্ধে প্রচুর অর্থ সহায়তা দেন।
তার এমন অভুতপূর্ব অবদানের জন্য যুদ্ধের পর যুক্তরাজ্য যখন তাকে পুরস্কৃত করতে চায়, তখন সে জানায় যে তার একমাত্র পুরস্কার হবে তাদের প্রমিজল্যান্ড মানে ফিলিস্তিনে তাদের বসবাসের সুযোগ করে দেয়া!
এখানে উল্লেখ্য, চাইম ছিলেন জিওনিজম আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
ফিলিস্তিন তখন ছিল উসমানী সালতানাতের দখলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর তুরস্কের ক্ষমতা একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায়। সেই সুযোগে ধাপে ধাপে ই/হু/দীরা ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে থাকে।
প্রথমে তারা ফিলিস্তিনিদের কাছে ঘর ভাড়া করে থাকতে শুরু করে, তারপর বেশি দামের লোভ দেখিয়ে সেগুলো কিনতে থাকে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি পরাজয়ের পর পুরো বিশ্বের ক্ষমতা ইউরোপের হাতে চলে যায়।
ই/হু/দীরা তখন স্থানীয় ফিলিস্তিনিদেরকে অত্যাচার-জোর-জবরদস্তি করা শুরু করলে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদ করে।
তখনই ইউরোপ থেকে ঘোষণা আসে, পুরো ফিলিস্তিনের ৫৫ ভাগ থাকবে ফিলিস্তিনিদের দখলে আর বাকি ৪৫ ভাগ হবে ই/হু/দীদের।
৬লাখ ই/হু/দীর জন্য ৪৫% আর ১২কোটি ফিলিস্তিনির জন্য ৫৫% জায়গা!
জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর ই/হু/দীরা ইজ/রা/য়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।নবগঠিত এই রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয় চাইম ওয়াইজম্যান।
ইজ/রায়ে/ল রাষ্ট্র গঠন হওয়ার ঠিক ৬ মিনিটের মধ্যে আমেরিকা তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়!
আর এভাবেই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে তারা ইয়াকুব(আঃ) এর সাথে কেনানে আসা যাযাবর থেকে আজকে গাজাকে ধ্বংসকারী দানবে পরিণত হয়েছে!
আর বিশ্বের সকল মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানেরা মুখে কুলুপ এঁটে চুপ করে বসে আছেন আর চোখে ঠুঁলি পরে সবকিছুকে না দেখার ভান করছেন!
গাজার উত্তরে বেইত লাহিয়া প্রকল্পে দখলদার বাহিনীর বোমা হামলায় বিধ্বস্ত আয়েশ পরিবারের বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে সাধারণ হাতিয়ার ব্যবহার করে শহীদদের মৃতদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছে বেসামরিক প্রতিরক্ষা এবং প্যারামেডিকরা।
08/04/2025
প্রথমেই বলে রাখি, ইসরায়েল কোন রাষ্ট্র নয়, ফেডারেল রিজার্ভ এর রথচাইল্ড পরিবারের ইন্টারেস্টে এই ‘প্রক্সি রাষ্ট্র‘-টির জন্ম দেয় ব্রিটেন এবং পরবর্তীতে এটি মেইনটেইন করে যুক্তরাষ্ট্র। দিনশেষে এটি এমেরিকার প্রক্সি কান্ট্রি।
তার মানে, ইসরায়েল - প্যালেস্টাইন যুদ্ধ মূলত এমেরিকা - প্যালেস্টাইন যুদ্ধ। ইসরায়েল এমেরিকার প্রক্সি কেবল, এর বাইরে কিছুই না। আর এমেরিকা বলতে সেই ফেডারেল রিজার্ভ, সেই রথচাইল্ড ফ্যামিলি।
উত্তর কোরিয়া, ইরান, ভেনিজুয়েলা বাদে পৃথিবীর সব দেশই ফেডারেল রিজার্ভ এর ক্লায়েন্ট (বাংলাদেশ তো বটেই)। এর মাধ্যমে পৃথিবীর প্রায় সব দেশের সম্পদই তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, প্রভাবিত।
🇮🇶 ইরাক ২০০০ সালে ফেডারেল রিজার্ভ থেকে বের হয়ে আসতে চেয়েছিল, সাদ্দামের অবস্থা আপনারা জানেন।
🇱🇾 লিবিয়া ২০০৯ সালে ফেডারেল রিজার্ভ এ তাদের মজুত সব স্বর্ণ দেশে নিয়ে আসতে চেয়েছিল। গাদ্দাফি এবং লিবিয়া শেষ।
🇸🇾 সিরিয়া ২০০৬ এ ফেডারেল রিজার্ভ থেকে বের হয়ে আসতে চায়। সিরিয়াকে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়। আসাদকে পালাতে হয় এই সময়ে এসে এমেরিকা স্পন্সর্ড জিহাদের মাধ্যমে।
🇮🇷 ইরান এর বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক লড়াইতে না গেলেও সারা পৃথিবী থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়।
বাইরে বাইরে অনেক কারণ বললেও মূলত ফেডারেল রিজার্ভ থেকে যারাই বের হতে চেয়ে ছিল, তাদের সাথেই যুদ্ধ করেছে এমেরিকা। এটাই কী পয়েন্ট!
এখন কথা হচ্ছে, এই ফেডারেল রিজার্ভ কে শক্তিশালী করলো কারা? নবীর দেশ মক্কা মদীনার ভুমির রাজা (যদিও ইসলামে রাজতন্ত্র হারাম) সৌদ পরিবার। তা কিভাবে? পেট্রো ডলার চুক্তি।
এটি কি? বলছি।
পেট্রো ডলার চুক্তি (Petrodollar Agreement) মূলত এমন একটি অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক চুক্তির ভিত্তিতে গঠিত, যার মাধ্যমে বিশ্বের তেলের বাজারে মার্কিন ডলারকে লেনদেনের প্রধান মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৪ সালে ব্রেটন উডস সিস্টেম চালু হয়, যেখানে মার্কিন ডলার ছিল গোল্ডের সঙ্গে লিঙ্কড এবং বিশ্ব বাণিজ্যের রিজার্ভ কারেন্সি। কিন্তু ১৯৭১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন “Gold Standard” বাতিল করেন। ফলে ডলার আর স্বর্ণের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকলো না। এতে ডলারের উপর আস্থা কমে যায়, এবং মার্কিন অর্থনীতি চাপে পড়ে।
১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যে Yom Kippur War এবং OPEC-এর তেল নিষেধাজ্ঞা বিশ্বে তেল সংকট তৈরি করে। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরব এর মধ্যে গোপন চুক্তি হয় ১৯৭৪ সালে।
চুক্তির মূল পয়েন্ট হচ্ছে সৌদি আরব ও OPEC দেশগুলো তেল শুধুমাত্র মার্কিন ডলারে বিক্রি করবে।
বিনিময়ে, যুক্তরাষ্ট্র সৌদি রাজপরিবারকে সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে নিরাপত্তা দেবে। এবং সৌদির তেল আয়ের একটি বড় অংশ আবার মার্কিন অর্থনীতিতে বিনিয়োগ হবে (বিশেষ করে U.S. Treasury bonds)। বিশ্বব্যাপী দেশগুলোকে তেল কেনার জন্য মার্কিন ডলার জোগাড় করতে হতো। ফলে ডলারের উপর নির্ভরতা বাড়ে। যুক্তরাষ্ট্র তার মুদ্রা ছাপিয়েও বিশ্ববাজারে শক্তিশালী থাকতে পারে — একে বলা হয় “𝑫𝒐𝒍𝒍𝒂𝒓 𝑯𝒆𝒈𝒆𝒎𝒐𝒏𝒚”।
এই 𝑫𝒐𝒍𝒍𝒂𝒓 𝑯𝒆𝒈𝒆𝒎𝒐𝒏𝒚 ই এমেরিকাকে সুপার পাওয়ার বানিয়েছে, যা বানিয়েছে মূলত মক্কা মদিনার দেশের রাজপরিবার।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে যে “নিরাপত্তা” দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পেট্রো ডলার চুক্তির অংশ হিসেবে, তার মাধ্যমে এমেরিকা মূলত এই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি প্যানেল মুসলিম দেশগুলোর (সৌদি আরব, আরব আমিরাত, জর্ডান, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমান) এবং তুরস্ক এলাকায় নিয়োজিত আছে কমপক্ষে ৪৫,০০০ এমেরিকান সেনা। শুধু তাই নয়, এই অঞ্চলের সকল সেনাবাহিনী মূলত এমেরিকা নিয়ন্ত্রিত। এই অঞ্ছলের এয়ার বেস, নেভাল বেস, রাডার গুলো এর পজিশন সংযুক্ত ছবিতে দেয়া আছে।
এত কিছু কেন বললাম? শত্রু দেশের সামরিক স্থাপনা নিজের ভেতর রেখে আপনারা কিভাবে প্যালেস্টাইনকে বাঁচাবেন?
শত্রু দেশের মিলিটারি বেস দেশের ভেতরে রেখে কোকাকোলা বয়কটের কর্মসূচী হাস্যকর লাগে না?
যুদ্ধ করতে চাইলে আগে যুদ্ধ করতে হবে এই আরব দের সাথে। এরাই ইসরায়েল এর শক্তি, এরাই এমেরিকার শক্তি। প্যালেস্টাইনীদের রক্তের দায় ইসরায়েল কিংবা এমেরিকার চেয়ে এই আরব গাদ্দার দের অনেক বেশী। এরা আবার অনেক নামাজ পড়ে, রোজা রাখে, ধর্মের বাণী শোনায়। আর অপেক্ষায় আছে একটা এমেরিকান স্পন্সর্ড জেহাদ এর।
এই আরব দেশগুলোই মূল শয়তান। এতো এতো নবী এসেও এদের ঠিক করা গেলো না।
আপনারা যখন এদের কাছেই সাহায্য চান, তখন আমার হাসি পায়।
বোমার আঘাতে প্যালেস্টাইনী শিশুর ছিন্ন মাথা দেখে কান্নাও পায়।
07/04/2025
🔴 অনুসরণ করুন | সরকারি মিডিয়া অফিস কর্তৃক জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
👉 গাজা উপত্যকায় গণহত্যা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে শহীদ সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে (২১০ জন সাংবাদিক) হয়েছে, খান ইউনিসের (দক্ষিণ গাজা উপত্যকা) নাসের হাসপাতালের কাছে সাংবাদিকদের জন্য একটি তাঁবুতে বোমা হামলার অপরাধের পর, যেখানে প্যালেস্টাইন টুডে নিউজ এজেন্সির সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত সহকর্মী সাংবাদিক হিলমি আল-ফাকাওয়ির শাহাদাত ঘোষণা করা হয়েছিল।
👉 একই বোমা হামলায় ইউসুফ আল-খাজিন্দর শহীদ হন এবং লক্ষ্যবস্তু এলাকা এবং এর আশেপাশে থাকা ৯ জন সাংবাদিক আহত হন। আমরা তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। আহত সাংবাদিকরা হলেন:
• আহত সাংবাদিক: হাসান আসলিহ
• আহত সাংবাদিক: আহমেদ মনসুর
• আহত সাংবাদিক: আহমেদ আগা
• আহত সাংবাদিক: মোহাম্মদ ফায়েক
• আহত সাংবাদিক: আবদুল্লাহ আল-আত্তার
• আহত সাংবাদিক: ইহাব আল-বারদিনি
• আহত সাংবাদিক: মাহমুদ আওয়াদ
• আহত সাংবাদিকঃ মাজেদ কাদিহ
• আহত সাংবাদিক: আলী আসলিহ
👉আমরা ইসরায়েলি দখলদারিত্ব কর্তৃক ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা, হত্যা করা এবং হত্যার তীব্র নিন্দা জানাই।
👉আমরা আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ফেডারেশন, আরব সাংবাদিক ফেডারেশন এবং বিশ্বের সকল দেশের সকল সাংবাদিক সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যে তারা গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি সাংবাদিক এবং মিডিয়া পেশাদারদের বিরুদ্ধে এই পদ্ধতিগত অপরাধের নিন্দা জানাবে।
👉আমরা ইসরায়েলি দখলদারিত্ব, আমেরিকান প্রশাসন এবং গণহত্যার অপরাধে অংশগ্রহণকারী দেশগুলিকে, যেমন যুক্তরাজ্য, ব্রিটেন, জার্মানি এবং ফ্রান্সকে দায়ী করি; এই জঘন্য ও নৃশংস অপরাধের জন্য আমরা তাদের সম্পূর্ণরূপে দায়ী করি।
👉আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বিশ্বের সকল দেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে দখলদারিত্বের অপরাধের নিন্দা জানাতে, তাদের নিবৃত্ত করতে এবং তাদের চলমান অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করতে এবং দখলদারিত্বের অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা তাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যে তারা গণহত্যার অপরাধ বন্ধ করতে, গাজা উপত্যকায় সাংবাদিক ও গণমাধ্যম কর্মীদের সুরক্ষা দিতে এবং তাদের হত্যা ও হত্যার অপরাধ বন্ধ করতে গুরুতর ও কার্যকর চাপ প্রয়োগ করুন।
07/04/2025
গাজা উপত্যকার সমর্থনে অধিকৃত জেরুজালেমে সাধারণ ধর্মঘট।
07/04/2025
⭕ধর্মঘটে আমাদের অংশগ্রহণ আমাদের মানবতার পরীক্ষা।
📣📣 গাজায় দখলদার বাহিনীর অপরাধের নিন্দা এবং ইহুদিবাদী যুদ্ধের অবসানের দাবিতে আজ, সোমবার বিশ্বজুড়ে একটি সাধারণ ধর্মঘট।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1000