25/08/2024
বলেছিলাম যতদিন চণ্ডিকা হাতুরাসিংহে এবং এই ম্যানেজমেন্ট বাংলাদেশের দায়িত্বে থাকবে ততদিন বাংলাদেশের খেলা দেখবোনা।
তবে আজকে যা হলো তা স্বপ্ননের মতো। বাংলাদেশ পাকিস্তানকে টেস্ট ম্যাচে হারিয়ে দিয়েছে, তাও ১০ উইকেটের ব্যবধানে এবং সেটাও পাকিস্তানের মাঠে!
তবে এই অবিশ্বাস্য কাজটাই সম্পন্ন করে ফেললো বাংলাদেশ!
মনে পড়ে গেলো ২০০৩ এর মুলতান টেস্টের কথা! আমার এখনও মনে পড়ে বাসার সবাই সেদিন কিরকম বিমর্ষ হয়ে গিয়েছিলো। আমি তখন বুঝিনাই কিন্তু পরে বুঝেছিলাম কিভাবে আমাদের প্রথম টেস্ট জয় থেকে বঞ্চিত করেছিলো পাকিস্তান দল!
তবে আবার আর তেমন কিছু হয়নি! আসলে পাকিস্থান সুযোগই পায়নি! পাকিস্তানকে রীতিমতো নাকানি চুবানি খাইয়ে খড় কুটোর মতো উড়িয়ে দিয়ে টেস্ট জিতলো বাংলাদেশ!
সাবাশ বাংলাদেশ! সাবাশ বাংলাদেশ!
আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি!
24/07/2024
Absolute Scenes at the Opening game of Olympics Football!
Cristian Medina scored a last second goal that looked like Argentina held a 2-2 draw against Morocco before fans invaded the pitch and stopped play.
After order was restored and the teams had left the field, they discovered that the match had not been completed but suspended by officials!
VAR found that Medina's goal was offside and the score returned to 2-1 in favor of Morocco. After being held in the dressing room for over an hour, players came out to play the final three minutes.
Morocco finished taking all three points!
17/07/2024
অনেক তো হলো, আর রক্ত না ঝরুক। আমরা বাংলার মাটি আর কারো রক্তে রঞ্জিত দেখতে চাই না।
ন্যায্য দাবি মেনে নেয়া হোক।
15/07/2024
বলেছিলেন ইউরো থেকে বিদায় নেয়ার পরই। এবার কনফার্ম হলো। থমাস মুলার আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে রিটায়ার্ড করেছেন।
একটা বালক যাকে ম্যারাডোনা বলেছিলেন বল বয়, যার সাথে সংবাদ সম্মেলন করতে চাননি ম্যারাডোনা। কিন্তু এই ছেলেটা কি জিনিস তা ম্যারাডোনা এবং তার দল বুঝেছিলো পরদিনই। ২০১০ বিশ্বকাপে ৫ গোল এবং ৩ এ্যাসিস্ট করে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট। ২০১৪ বিশ্বকাপেও জিতেছিলেন সিলভার বল। ২০১৪ বিশ্বকাপে জার্মানির বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক মুলার। এই প্রজন্মের সবচাইতে আন্ডাররেটেড প্লেয়ার নিঃসন্দেহে থমাস মুলার।
তাকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিলো আপনি কোন পজিশনের খেলোয়াড়। মুলার উত্তর দিয়েছিলেন তিনি "রমডয়টার।" যার অর্থ স্পেস ইনভেস্টিগেটর। মুলার সেই কাজটাই করেন নিখুঁতভাবে। রমডয়টার শব্দটাকে পপুলার করেছিলেন মুলারই। তিনিই এই শব্দটাকে ফুটবল ডিকশনারীতে গেঁথে দেন। তিনি স্পেস তৈরি করতেন এমন সব জায়গায় যা বের করা প্রায় অসম্ভব। শুধু কি তাই? মুলারের জন্য স্পেস তৈরি হতো যা কাজে লাগাতে পারতো তার সতীর্থরাও। সাথে ছিলো তার নিখুঁত ফিনিশিং। যারা প্রাইম মুলারের খেলা দেখেছে তারা জানে মুলার কতটা পরিপূর্ণ একজন খেলোয়াড় ছিলেন। মুলারের উপস্থিতি মানেই প্রতিপক্ষের জন্য দুশ্চিন্তা। মাঠে কিংবা মাঠের বাইরে মুলার দুই জয়গায়ই নিজ দলকে এবং সতীর্থদের অনুপ্রেরণা যোগান। ভিডিও বার্তায় প্রতিপক্ষকে জানিয়ে দেন আমার আসছি তোমরা তৈরি থেকো!
থমাস মুলার এমন একটা নাম যাকে সম্মান করতে বাধ্য যে কেউ। যাকে ভালোবাসে প্রতিটা জার্মান ফ্যান। ১৩১ ম্যাচে জাতীয় দলের হয়ে ৪৫ টা গোল করেছেন। জার্মান ফ্যানদের দিয়েছেন অসংখ্য মনে রাখার মতো স্মরণীয় মুহূর্ত। জার্মানির হয়ে যেমন বিশ্বজয়ের পর কেঁদেছেন তেমনি কেঁদেছেন জার্মানির সবচেয়ে বাজে সময়েও। কিন্তু লড়াই ছাড়েনি থমাস মুলার।
থমাস মুলার জার্মানির ফুটবল ইতিহাসের তো বটেই বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসেরই অন্যতম কিংবদন্তি। সব কিছুর জন্য ধন্যবাদ রমডয়টার।
15/07/2024
আর্জেন্টিনার রূপকথা চলছেই!
কলম্বিয়াকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা জিতে গেলো তাদের ১৬ তম কোপা আমেরিকা শিরোপা!
14/07/2024
বহুদিন বাদে সুন্দর ফুটবলের জয় হলো
ওয়েল ডান স্পেন, ইউ ডিজার্ভ ইট ❤️
14/07/2024
Football is not coming home
58 years and counting.....
14/07/2024
Spain Have Done it! Spain are the Champions of Europe for the 4th Time!
The best team of Euro wins the Trophy! Deserving winners 🏆
14/07/2024
আর্জেন্টিনার আরও একটা শিরোপা উৎসব নাকি কলম্বিয়ান অমরত্ব!
২০২১ সালে ২৮ বছর পর কোপা আমেরিকা জয়ের পর আর্জেন্টিনা বদলে গেছে। এরপর আর্জেন্টিনা জিতেছে ফিনালেসিমা, ৩৬ বছর পর জিতেছে বিশ্বকাপ। কোনো প্রতিপক্ষই এই আর্জেন্টিনাকে খুব বেশি চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি। প্রায় প্রতিটা ম্যাচে আর্জেন্টিনা ফেভারিট হিসেবে নেমেছে এবং জিতেছে। এখন মেসির আর্জেন্টিনার সামনে আরও একটা ফাইনাল। কোপা আমেরিকার ফাইনাল। যে ফাইনালে তারা নিঃসন্দেহে আবারও মাঠে নামছে ফেভারিট হিসেবে।
তবে এই ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ টানা ২৮ ম্যাচ অপরাজিত থাকা কলম্বিয়া। এক নতুন কলম্বিয়া। যারা নিজেদের ইতিহাসের সেরা ফর্মে আছে। এই ২৮ ম্যাচে কলম্বিয়া হারিয়েছে ব্রাজিল, জার্মানি, স্পেন এবং উরুগুয়ের মতো দলকে! যা প্রমাণ করে কলম্বিয়া কতটা শক্তিশালী! সবচেয়ে বড় কথা এবারের কোপাতে ফিনিক্স পাখির মতো যেনো পুনর্জন্ম হয়েছে হামেস রদ্রিগেজের। ৫ ম্যাচে ৬ এ্যাসিস্ট এবং ১ গোল সাথে ৪ টা ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ পুরষ্কার! বোঝাই যাচ্ছে হামেস আছেন তার ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে! তাই এই কলম্বিয়া আর্জেন্টিনার শিরোপা উৎসবে বেশ ভালোভাবেই বাঁধা দেয়ার সামর্থ্য রাখে!
তবে হ্যাঁ! ২৮ ম্যাচ অপরাজিত থাকা কলম্বিয়ার শেষ পরাজয়টা কিন্তু আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধেই! সুতরাং ম্যাচটা কলম্বিয়ার জন্যও হতে যাচ্ছে অগ্নিপরীক্ষা! মেসির আর্জেন্টিনার সামনে ১৬ তম কোপা আমেরিকা জিতে সবচেয়ে বেশি কোপা জয়ের রেকর্ডের হাতছানি, মেসির সামনে হাতছানি আরও একটা মেজর ইন্টারন্যাশনাল ট্রফি জয়ের! আর কলম্বিয়ার সামনে? কলম্বিয়া এবং হামেস রদ্রিগেজের সামনে হাতছানি দিচ্ছে অমরত্বের! তাই দারুণ এক ফাইনালের অপেক্ষায় সবাই!
14/07/2024
টানা দ্বিতীয় বছর জোকোভিচকে হারিয়ে উইম্বলডন শিরোপা জিতলেন কার্লোস আলকারাজ!
14/07/2024
স্প্যানিশ সৌন্দর্যের জয় নাকি ইংলিশদের স্বপ্নপূরণ
এবারের ইউরোর সেরা ফুটবল খেলেছে কোন দল? উত্তরটা খুবই সহজ। স্পেন। এবারের ইউরোতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সুন্দর সবচেয়ে নিখুঁত ফুটবলটা খেলেছে স্পেন। ৬ টা ম্যাচের মধ্যে ৬ টা ম্যাচই তারা জিতেছে এবং তারা যে ব্র্যান্ডের ফুটবল খেলেছে তাতে এইটা বলতে দ্বিধা নেই যে স্পেন সেরা দল হিসেবেই ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।
তাহলে এবারের ইউরোতে সবচেয়ে লড়াকু ফুটবলটা কোন দল খেলছে? উত্তরটা হবে ইংল্যান্ড! হ্যাঁ এবারের ইউরোতে সবচেয়ে লড়াকু এবং হারা না মানা ফুটবল খেলেছে ইংল্যান্ড। ধরা হচ্ছিলো ইংল্যান্ড এবারের ইউরোর অন্যতম ফেভারিট। তবে প্রথম ম্যাচ থেকেই ইংল্যান্ড স্ট্রাগল করেছে। গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচে মাত্র একটা জয় নিয়ে রাউন্ড অফ সিক্সটিনে জায়গা করে নেয়। এবং সেখানেই তাদের বিদায় প্রায় নিশ্চিত করে দিয়েছিলো স্লোভাকিয়া। কিন্তু সেখান থেকে দারুণ এক কামব্যাক করে ইংল্যান্ড উঠে কোয়ার্টার ফাইনালে। সেখানেও সুইজারল্যান্ডের সাথে পিছিয়ে পড়েও ইংল্যান্ড আবারও কামব্যাক করে এবং টাই ব্রেকারে জয় নিয়ে উঠে সেমি ফাইনালে। আর সেমিতে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে জায়গা করে নেয় ফাইনালে।
সত্যি বলতে ইংল্যান্ডের সাইডের ড্র টা বেশ সহজ ছিলো। কঠিন প্রতিপক্ষ বলতে তারা পেয়েছে শুধু নেদারল্যান্ডসকে। তবে স্পেনের ড্র এর সাইডটা বেশ কঠিন ছিলো। তারা খেলেছে ইতালি, ক্রোয়েশিয়া, জার্মানি এবং ফ্রান্সের মত জায়েন্টদের সাথে।
তবে ইংল্যান্ডের এই দলটা স্পেশাল এই কারণে যে তারা হার মানে না হারার আগে। তারা লড়াই চালিয়ে যায়। হ্যাঁ ইংল্যান্ড হয়তো খুব সুন্দর ফুটবল খেলেনি কিন্তু তারা জয় গুলো ঠিকই আদায় করে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে স্পেন খেলছে নিখুঁত ফুটবল। এই স্পেন টিকিটাকা খেলে না। তাদের আর্সেনালে আছে লং পাস, শার্ট পাস, ক্রস এবং হাই প্রেসিং সবই। এই স্পেন তরুণ এবং তারা ক্ষুধার্ত! তারা একটা মিশনেই মাঠে নামে এবং সেটা হলো জয়।
তাই আশা করছি আজ দারুন একটা ফাইনাল উপভোগ করতে যাচ্ছি। একদিকে স্পেন থাকবে তাদের দৃষ্টিনন্দন ফুটবল নিয়ে অপর দিকে থাকবে ইংল্যান্ড, যারা জানে লড়াই করে কিভাবে ম্যাচ ছিনিয়ে আনতে হয়। জমজমাট একটা রাতের অপেক্ষায় ফুটবল প্রেমীরা!