09/08/2025
আপনার মনে হতে পারে, তেলাপোকার কী দরকার ছিল? এরকম একটা কুৎসিত প্রাণী না বানালে হতো না?
প্রফেসর শ্রীনি, ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের বায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান, একজন বিশ্বখ্যাত তেলাপোকা বিশেষজ্ঞ (হ্যাঁ, এধরনের বিশেষজ্ঞও আছে পৃথিবীতে), তিনি বের করেছেন যে, বেশিরভাগ তেলাপোকা পচন ধরা জিনিসপত্র খায়, যা নাইট্রোজেন আটকিয়ে রাখে।
যদি তেলাপোকা এগুলো না খেয়ে তাদের মলের সাথে মাটিতে নাইট্রোজেন ছেড়ে না দিত, তাহলে পৃথিবীর নাইট্রোজেন চক্রে বিপুল পরিমাণ নাইট্রোজেনের প্রবাহ ব্যাহত হতো, যা বনের গাছপালার জন্য বিরাট ক্ষতির কারণ হতো।
তেলাপোকা আছে দেখেই আজকে বন-জঙ্গলে এত গাছপালা বেঁচে আছে, আমরা বুক ভরে শ্বাস নিতে পারছি। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য যেমন অক্সিজেন দরকার, সেরকম নাইট্রোজেনও দরকার, কারণ নাইট্রোজেন প্রোটিন তৈরির জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।
প্রোটিন না হলে কোনো প্রাণ বেঁচে থাকতে পারবে না। শুধু তাই না, তেলাপোকা এমন কিছু নেই যা খায় না — আঠা, চর্বি, সাবান, চামড়া, চুল ইত্যাদি।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ২০০ মিলিয়ন বছর আগে থেকে, সেই ডাইনোসরদের আমল থেকে, তেলাপোকার মতো একটি অত্যন্ত টেকসই প্রাণী দিয়ে রেখেছেন, প্রতিদিন প্রকৃতি থেকে বিপুল পরিমাণে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য, প্রকৃতিতে প্রাণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় নাইট্রোজেন চক্র ঠিক রাখার জন্য, গাছপালা টিকে থাকার জন্য।
“আসমান-জমিন এবং এ দুইটির মাঝে যা কিছু আছে সে সব আমি তামাশা করে সৃষ্টি করিনি।”
[সূরাহ আম্বিয়া, আয়াত : ১৬]
"নিশ্চয়ই আল্লাহ মাছি কিংবা তার চেয়েও ছোট কিছুর উপমা দিতে লজ্জা করেন না। সুতরাং যারা ঈমান এনেছে তারা জানে, নিশ্চয় তা তাদের রবের পক্ষ থেকে সত্য। আর যারা কুফরী করেছে তারা বলে, আল্লাহ এর মাধ্যমে উপমা দিয়ে কী চেয়েছেন? তিনি এ দিয়ে অনেককে পথভ্রষ্ট করেন এবং এ দিয়ে অনেককে হিদায়াত দেন। আর এর মাধ্যমে কেবল ফাসিকদেরকেই পথভ্রষ্ট করেন।"
[সূরাহ আল বাকারাহ, আয়াত : ২৬]
[ ডা. সাঈদ ]
পোস্ট - সংগৃহীত
05/04/2025
ঊমি উর্মিলা!
নিয়মিত টিকটকার।
লক্ষ লক্ষ পেরিয়ে তার ফলোয়ার, ভিওয়ার্স।
প্রতিদিন অগনিত কন্টেন্ট ভিডিও।
ভিডিও মেকআপ করার জন্য দু তিনদিন পর পর নতুন ড্রেস কিনতে হয় তার।
টিকটক আইডিতে শত শত নাচের ভিডিও ।
কিনে এনেছেন দামি দামি রিং লাইট।
গত সোমবার রাত ১২ টা।
ঊমি নিজ রুমে ভিডিও বানাচ্ছে।
সকাল হলে আপলোড করবে নিজ টিকটক আইডিতে। ভিডিওর কাজ শেষ করে ঊমি নিজ বেডে শুয়ে পড়ে।
এবং দেখা শুরু করে অন্যান্য টিকটকারদের ভিডিও... এক সময় ঘুমের অতল গহ্বরে ডুবে যায়।
সকাল ৮ টা বাজে।
ঊমির মা ঊমিকে ডাকতে যায় নাস্তা করার জন্য।
উমি অচেতন হয়ে ঘুমিয়ে আছে।
পাশে পড়ে আছে মোবাইল।
হাতে নিতেই দেখা যায় রাতে টিকটক ডান্স দেখতে দেখতেই সে ঘুমিয়ে পড়েছে।
কেননা মোবাইলটি টিকটক এপ্সেই ঢুকা ছিল।
অনেকক্ষন ডাকাডাকি করার পরেও সাড়া মিলছেনা ঊমির।
চিল্লাচিল্লি শুরু করলে দেখা যায় ঊমি রাতে ঘুমের মধ্যেই মা রা গিয়েছে।
সারা শরির শক্ত কাঠ হয়ে আছে।
ঊমির হাতটি মোবাইল ধরা অবস্হায় ছিল।
তাই হাতটি যেমন ছিল তেমনই শক্ত হয়ে গিয়েছে হাতটি সোজা করা যাচ্ছিলনা।
সারা শরির শক্ত হয়ে পড়েছে।
ঘুমের মধ্যে বা টিকটক দেখা অবস্হাতেই তার মৃ ত্যু হয়
ঊমি নেই রয়ে গিয়েছে তার শত শত অর্ধন/গ্ন ভিডিও।
ঊমি আজ" কবরে" যারা ঊমির নাচ ডান্সের ভিডিওগুলি দেখছে তারা জানানেইনা যে যার ডান্সের ভিডিও দেখছি সে একজন মৃ/ত।
আফসোস- মানুষ তার মৃ/ত্যুর পরেও পাপ জারি রেখে যায়।
যদিও ভিডিওগুলি ডিলেট করে দেয়া হয় তবু কিয়ামত পর্যন্ত এই গোনাহ তার কবরে জারি থাকবে কেননা সে তো নিজে আর ভিডিওগুলি ডিলেট করে তাওবা করে যায়নি।
এভাবে অগনিত ঊমিরা " কবরে চলে যায়।
থেকে যায় তাদের জারিকৃত পাপ গুলি.......
©️
25/02/2025
❑
নতুন বই হাতে পেলে গন্ধ শোঁকেন না—এমন বইপ্রেমী কি আছে? কেউ আবার পুরনো বইয়ের গন্ধ বেশি পছন্দ করেন। কিন্তু জানেন, এটি আসলে মৃত্যুর গন্ধ?
শুনুন, বই যত পুরনো হয় ততো সুন্দর গন্ধ বেরোয়। কাগজে রাসায়নিক সেলুলোজ ও লিগনিন জাতীয় উপাদান থাকে বইয়ে। লিগনিন হলো সুগন্ধি অ্যালকোহলের পলিমার। এটি পুরনো বইয়ের পাতা হলুদ করে দেয়। এছাড়া থাকে ইথাইল হেক্সানোল, বেনজালডিহাইড, টলুইন, ভ্যানিলিন ও ইথাইল বেনজিন-সহ আরও কিছু রাসায়নিক।
সেলুলোজ ও লিগনিনের মিশ্রণের ফলে যে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়, তা-ই ওই গন্ধ তৈরিতে দায়ি। সঙ্গে মেশে বাঁধাইয়ের আঠা ও কালির গন্ধ।
ইথাইল বেনজিনও মিষ্টি গন্ধ তৈরি করে, ইথাইল-হেক্সানল পুরনো হলে ফুলের মতো গন্ধ বেরোয়, ফারফুরাল থেকে বাদামের গন্ধ বেরোয়। সব মিলিয়ে নেশা ধরানো গন্ধটি তৈরি হয়।
আর এই গন্ধ হয়ে ওঠে—মৃত্যুর গন্ধ।
কিন্তু কেন,,,,?
না না, এর সঙ্গে পাঠকের মৃত্যুর সম্পর্ক নেই—এই গন্ধ বইয়ের ‘মৃত্যুর গন্ধ’। সময়ের সাথে সাথে গন্ধ যত মিষ্টি হয়, বইয়ের আয়ুও তত ফুরিয়ে আসে। অর্থাৎ, বইটি মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়।
কেতাবি ভাষায় বইয়ের গন্ধ শোঁকার নেশাকে কী বলে জানেন,,,,? বিবিলিয়োসমিয়া (Bibliosmia)। যদিও অক্সফোর্ড অভিধানে আপনি শব্দটি খুঁজে পাবেন না। নিতান্ত বইপ্রেমীদের গড়া এই শব্দ।
#𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅
06/03/2024
এই কাগজ-কাঁপড় কাটার পেছনে ইঁদুরের আসল উদ্দেশ্য আজ জেনে নিন🐭🐀🐁
12/02/2024
এক লেখকের পাঁচ হাজার টাকা মূল্যের বই বের হয়েছে। এতো দামী বই!?
সাংবাদিকরা লেখককে জিজ্ঞেস করল, "বইয়ের এত দাম কেন?"
"আমি সস্তা জিনিস লিখি না! আর জিনিস যেটা ভালো দাম তার একটু বেশিই হয়।"
এত দামি হওয়ার পরও বইয়ের কাটতি ভালো হচ্ছে!
সাংবাদিকদের আবার লেখকের কাছে আসতে হলো কারণ লেখক যে বই বিক্রি করছেন তাতে কোনো লেখা নাই। সম্পূর্ণ বই ফাঁকা!
লেখক জানালেন, এটা বিশেষ এক ধরনের কালি দিয়ে লেখা। এটা কী করে পড়তে হবে সেটা আমি পরে ফেসবুকে স্টাটাস দিয়ে জানিয়ে দিব। একটা বই শুধুমাত্র একজনই পড়তে পারবেন।
এ খবর ছড়িয়ে পড়ল। ধুমসে মানুষ বই কিনছে! পনেরোদিন পরে লেখক জানাবেন এই বই কী করে পড়তে হবে। এরমধ্যেই বই কিনে ফেলতে হবে।
দেখা গেল পনেরোদিনে একলাখের বেশি বই বিক্রি হয়ে গেছে! এমন রেকর্ড পরিমান বই বিক্রি, আগে কখনো হয়নি!
আজ রাত বারোটায় লেখক বই পড়ার পদ্ধতি স্টাটাস দিবেন। রাত বারোটায় ওনার টাইম লাইনে একটা স্টাটাস দেখা গেল।
আ'হা'ম্ম'কের দল!
বই কিনতে হয় লেখকের লেখা পড়ে ভালো লাগার পর। কিছুই না জেনে সবাই কিনছে বলে বানরের মতো বই কেনা পাঠকদের জন্য আমি কী লিখব?
আপনাদের যে শিক্ষাটা দিলাম এটার মূল্যই পাঁচ হাজার টাকার বেশি।
কোন একটা নির্দিষ্ট বই সবাই কিনছে বলেই যে আপনারও কিনতে হবে এমন ভাবনা থেকে বের হয়ে আসুন।
ধন্যবাদ।
©
25/01/2024
ধরুন, বাসের ভাড়া দিয়ে নেমে দেখলেন, ভাংতি হিসাবে হেল্পার আপনাকে যে বিশ টাকার নোটটা ধরিয়ে দিয়েছে সেটাতে তিনটা জোড়াতালি।
আপনাকে নিতান্তই অসাবধান এবং সরল পেয়ে বেচারা হাসতে হাসতেই তার 'চালাতে না পারা' নোটখানা ধরিয়ে দিয়ে হাওয়া হয়ে গেছে।
বাস থেকে নেমে আপনি রিক্সায় উঠলেন। রিক্সা ভাড়া চল্লিশ টাকা। মোক্ষম একটা সুযোগ এলো আপনার হাতে— হেল্পারের ধরিয়ে দিয়ে যাওয়া ছিঁড়ে-ফাঁড়া বিশ টাকার নোটটাকে অন্য একটা বিশ টাকার নোট, কিংবা দুটো দশ টাকার নোটের সাথে মিশিয়ে দিয়ে রিক্সাওয়ালার কাছে আপনি তা অনায়েশে চালিয়ে দিতে পারেন। বেচারা টের পেলে তো পেলোই, না পেলে নির্বিঘ্নে আপদটা অন্যের ঘাঁড়ে উঠিয়ে দেওয়া গেলো!
কিন্তু, সেই ছেঁড়া-ফাঁড়া বিশ টাকার নোট অন্য নোটের সাথে মিশিয়ে রিক্সাওয়ালাকে গছাতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত পারলেন না।
আপনি ভাবলেন— কেউ একজন আমার সাথে অন্যায় করেছে বলে সেই একই অন্যায় আমি অন্য একজনের সাথে করতে পারি? এমনও তো হতে পারে, এই ছেঁড়া নোট রিক্সাওয়ালাটা কোথাও চালাতে পারলো না। এই নোট চলবে না বলে তাকে দোকানদার চাল না দিতে পারে, ওষুধের দোকানদার ওষুধ না দিতে পারে, এমনকি, নিজের মেয়ের জন্য একটা খেলনা কিনতে গেলেও এই নোটের কারণে তাকে ফেরত আসতে হতে পারে।
মানিব্যাগ থেকে নোটটা বের করতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত বের করা হলো না আপনার। রিক্সাওয়ালাকে চকচকে দুটো বিশ টাকার নোট দিয়ে ছেঁড়া নোটটাকে মানিব্যাগের অবহেলিত কোণটায় গুঁজে রাখলেন।
এই যে শেষ মুহূর্তের এই বোধ— এটা হলো তাকওয়া। এই কাজটার সাক্ষী কেবল আপনি আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা। দুনিয়ার আর কেউ এই ব্যাপারে জানে না। না আপনাকে ধোঁকা দিয়ে যাওয়া সেই বাসের হেল্পার, না ধোঁকায় ফেলতে গিয়েও ফেলতে না পারা রিক্সাওয়ালা— কেউ না।
হতে পারে, কেবল এমন একটা অতি-ক্ষুদ্র কাজের জন্য আখিরাতে আপনি জান্নাতে পৌঁছে যাবেন। হতে পারে আপনার সেদিনকার এই কাজটা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালার এতো পছন্দ হয়ে যায় যে— তিনি আপনার পূর্বের আর পরের সমস্ত গুনাহ হয়তো মাফ করে দেবেন।
কখনোই কোন ভালো কাজকে তুচ্ছ জ্ঞান করে এড়িয়ে যাবেন না সেটা যতো ক্ষুদ্র-ই হোক না কেনো। ওই কাজটাই হয়ে উঠতে পারে আখিরাতে আপনার নাজাতের চাবিকাঠি।
লেখা- আরিফ আজাদ
13/01/2024
ছবিটি তাদের জন্য যারা ভাবেন একদিন অনেক টাকা,সময়-সুযোগ হবে অনেক দেশ অনেক জায়গা ঘোরার মতো...
প্রিয় জীবন কে উপভোগ করার মতো।
এই দেখুন সেই একদিন এর অবস্থাটাও কি হবে... 🥹
কথায় আছে_ "সময় গেলে সাধন হয়না"
©️