Sports Time BD

Sports Time BD

Share

খেলাধুলার সাথে সবসময়
Sports Time BD

18/07/2025

দ্বিতীয় শিরোপার খোঁজে রংপুর, জিতলেই সোহানদের পকেটে প্রায় ১৩ কোটি টাকা!

18/07/2025

🚨 ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজে আয় বেশি, আয়ারল্যান্ড সিরিজে টিকিট ছাপার খরচই বেশি!

কোন সিরিজে কেমন আয়?
১। ইংল্যান্ড সিরিজ (মার্চ ২০২৩):
👉আয় ১.৪০ কোটি টাকা

২। ভারত সিরিজ (ডিসেম্বর ২০২২):
👉আয় ১.২৭ কোটি টাকা

৩। আয়ারল্যান্ড সিরিজ (মার্চ–এপ্রিল ২০২৩):
👉আয় মাত্র ১৮.৫৫ লাখ টাকা, কিন্তু ছাপানোর খরচ ৯.৩৩ লাখ!

টিকিট বিক্রিতে অনেক বৈষম্য থাকলেও এখন থেকে স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করছে বিসিবি।

18/07/2025

একমাত্র অপরাজিত দল হিসেবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে গ্লোবাল সুপার লিগের ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স। ফাইনালে রংপুরের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক গায়ানা।

শনিবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় ফাইনালে মুখোমুখি হবে গায়ানা ও রংপুর। এবারও নুরুল হাসান সোহানরা ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরতে পারবে??

Photos from Sports Time BD's post 06/04/2025

গা-যা আজকেই শেষ হয়ে যাবে না ।যতদিন এই দুনিয়া আছে ততদিন গা-যা ও ফি-লিস্তান আছে । কারণ এটা কোরআনের ওয়াদা । এটা রাসূলের জবান । কেয়ামতের আগে পৃথিবীর রাজধানী হবে আল-আকসা,সেন্টার পয়েন্ট হবে ফিলি-স্তিন। ঈমান শক্ত করেন একজন মুসলিমের ঈমান হবে লোহার চেয়ে বেশি শক্ত।

ইনশাআল্লাহ কখনোই না গাঁজা মুছে যাবে না। ইতিহাসে লিখা আছে এই যুদ্ধ চলবে চলতে চলতে সকল মুসলিম দেশে আস্তে আস্তে শুরু হবে যখন মুসলিম দেশ শূন্য হবার কাছে তখনি দাজ্জালের আগমন হবে । গাঁজা মুছে যদি এখনি যায় তাহলে কেয়ামত বেশি দূরে না । আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক আমিন।🤲🤲

Photos from Sports Time BD's post 06/04/2025

🛑রা|ফা|হ আর নেই। পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে🛑

অল্প সময়ের মধ্যে গাজাও নিঃশব্দে মিলিয়ে যাচ্ছে দুনিয়ার মানচিত্র থেকে।

একটি একটি করে আলো নিভে যাচ্ছে, একটি একটি করে নিঃশ্বাস থেমে যাচ্ছে।
আমরা বাঁচার আর্তনাদ পাঠালেও — পৃথিবী কানে দেয়নি।
"আপনারা আমাদের কেবল জান্নাতে খুঁজে পাবেন।
বিদায়! হে ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর উম্মত..."
— গাজা থেকে ফেসবুকে সালেহ আল জাফরীর শেষ চিঠি।

( সংগৃহীত )

26/03/2025

🚨ব্রেকিং নিউজ:-

জোয়েল উইলসন এবং মাইকেল গফকে আইসিসির আম্পায়ারদের এলিট প্যানেল ২০২৫-২৬ এর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

26/03/2025

🇧🇷🇧🇷ম্যাচ বিশ্লেষণ পোস্ট🇧🇷🇧🇷
ফুটবল শুধু পায়ের আর গায়ের জোরের খেলা না। ফুটবল মাথার ও খেলা। প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা যারা বর্তমান বিশ্বকাপ ও কোপা চ্যাম্পিয়ন। তাদের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় কম না। কিন্তু তাও তাদের প্ল্যানিং দেখেন। ওরা জানে ব্রাজিলের এট্যাকার রা স্পিডি আর লিথাল। তাই ভিনি রাফি রদ্রি কুনহার দের আটকানোর জন্য প্রথাগত ৩ এট্যাকার না খেলিয়ে ওরা খেলিয়েছে মাত্র দুই এট্যাকার।আলমাডা আর আলভারেজ কে। এট্যাকে ব্রাজিল কে কোন সুযোগ না দেওয়ার জন্য মিডফিল্ড জ্যামপ্যাক করেছে। ডি পল,প্যারাদেস এই দুইজনের রোল কিন্তু একই। কিন্তু দুজন কেই এক সাথে মাঠে নামিয়েছে।এদের ক্রিয়েটিভিটি কম কিন্তু ওরা ডেস্ট্র‍য়ার।বক্স টু বক্স দৌড়াবে পুরা ৯০ মিনিট।হয়েছেও তাই।আপনারা দেখবেন ব্রাজিলের কিপার বা সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার রা যখন বল পায় তখন এই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার পুরা মিডফিল্ড ব্লক করে রেখেছে যাতে কোন থ্রো পাস দিতে না পারে। সেই সাথে এঞ্জো,ম্যাক এলিস্টার আর আলভারেজ আলমাডা মিলে করেছে চরম প্রেসিং।ফলে এলোমেলো লং বল খেলতে বাধ্য হয় ব্রাজিল এবং বারবার বল লুজ করে। এর সমাধান কি হতো?
সমাধান মাঠে ছিল না,কারণ এই একাদশ দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করা যাবেনা। কারণ ব্রাজিলের প্রথম দুই মিডফিল্ডার জোয়েলিংটন আর আন্দ্রে পূর্ব অনুমিতভাবেই দাঁড়াতেই পারেনি আর্জেন্টিনা মিডের কাছে। সেন্টার ব্যাক আর কিপার বল পেলেও ওরা তখনো মাঝ মাঠে। অফ দ্যা বল মুভমেন্ট করে গ্যাপ নিতে পারে নাই।ব্রাজিল ধরা খেয়ে গেছে এই জায়গায়।মিড থেকে কোন বল এট্যাকার রা পায়নি।
আরো একটা বিষয় লক্ষণীয়।সেটা হলো ব্রাজিল খেলেছে মূলত ১০ জনে কারণ রাফিনহা কে রাইটে,ভিনি কে লেফটে ও কুনহা কে সেন্ট্রালে রাখার পর রদ্রিগোর কোন জায়গা অবশিষ্ট নেই মাঠে, হয়েছেও সেটাই।দিকভ্রান্তের মতো ও ছুটেছে কিন্তু কারো সাথেই লিংক আপ করতে পারে নাই। ফলে ছন্নছাড়া ব্রাজিল💔।
এতটুকু বলতে পারি ব্রাজিল যদি অন্তত ৩ মিড নিয়ে খেলত তাহলে এভাবে গো হারা হারত না। সেকেন্ড হাফে মিড স্ট্রং না করে রদ্রিগোর পরিবর্তে মাঠে নামিয়েছে এন্ড্রিক কে।এই সাব টা কার মাথা থেকে আসলো এবং সেই মাথায় আসলে ফুটবলের জ্ঞান আছে কিনা আমি সন্দিহান। সেকেন্ড হাফে গোমেজ আন্দ্রে জুটি অন্তত কিছু সময়ের জন্য হলেও কন্ট্রোল নিয়েছিল মিডের। এবার চিন্তা করেন এই দুজনের সাথে যদি ৩য় কোন মিডফিল্ডার যুক্ত হয়ে ফুলটাইম খেলত তাহলে হয়তো স্কোর লাইন এমন হতো না।

ভিনি,রাফি,কুনহা এদের বিরূদ্ধে কোন অভিযোগ নাই। সারা খেলায় প্রেসিং করে গেছে কিন্তু পর্যাপ্ত বল সাপ্লাই পায়নি।💔
পরিশেষে বলল এই রকম প্ল্যানিং দিয়ে কখনো ট্রফি জেতা হবে না।💔🇧🇷

26/03/2025

ব্রাজিলকে ৪-১ গোলের ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্বপ্রথম বিশ্বকাপ নিশ্চিত করলো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা 🇦🇷 ৪ ⚽ ১🇧🇷

25/03/2025

কাল রাতে পরিচিত এক পেসেন্ট এর ওয়াইফ ছবি তুলে পাঠিয়েছে হোয়াটসএপে রিপোর্ট-টা দেখে দিতে...।

বললাম এভাবে রিপোর্ট দেখা যায় না.... ডাক্তারকে চেম্বার এ গিয়ে দেখান।

কিছু বুঝতেই চান না!! তিনি ভাবলেন রিপোর্ট দেখার নামে টাকা নেওয়ার ধান্ধা।

জোড়াজোড়ি করতে লাগলেন।

শেষে বললাম আপনার রুগীর হার্ট এর মাঝে এক অন্য মহিলা।
আর বুকের মাঝে সাজানো বিছানা, ঘর বাড়ী, সংসার দেখা যাচ্ছে...!!

উনি রিপ্লাই দিলেন; "দাদা আপনি ঠিকই বলছেন,
আমি গত ৬ মাস ধরে এই সন্দেহটাই করছি!! "😆😆😆😆

25/03/2025

আল্লাহু আকবার

25/03/2025

কিছু ঘন্টার ব্যবধানে একটা সুস্থ সবল মানুষ কেমন হয়ে গেলো 🥲

25/03/2025

তামিম ভাইয়ের হার্টের ব্ল'কটা একদিনে হয়নি বা আজ-কালের ব্যাপারও না৷ সিজন শুরুর আগে যদি প্লেয়ারদের বডি স্ক্রিনিং করানোর প্র‍্যাকটিস আমাদের থাকতো তাহলে প্লেয়াররা বা মেডিকেল ইউনিটও জানতে পারেন যে কোন একজন প্লেয়ারের হার্ট এবং লাঙ ফিটনেস কেমন আছে৷

ইউরোপিয়ান ফুটবলে সিজনের আগে ২ টা কমন স্ক্রিনিং করানো হয় ফুটবলারদের, CPET Test এবং CRY Test.

CPET Test হল Cardiac Pulmonary Exercise Test যেখানে একজন প্লেয়ারের হার্ট এবং লাং এর ফিটনেস যাচাই করা হয়৷ দেখা হয় ওই প্লেয়ারের হার্ট এবং লাঙ অক্সিজেন এবং কার্বন-ডাই অক্সাইডকে কতটুকু efficiently ব্যাবহার করতে পারছে৷ এই পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে তার ওয়ার্কলোড থেকে শুরু করে সব ব্যাপারে সচেতন থাকা যায়৷ ওই প্লেয়ার মাঠে নামার আগে মেডিকেল স্টাফদের জানা থাকে তার কি কি রিস্ক ফ্যাক্টর আছে৷

CRY Test হল Cardiac Risk in Young. অনেকের মনে আছে, ক্রিসচিয়ান এরিকসেনের ঘটনার কথা৷ উনার ঘটনার পর থেকেই ইউরোপিয়ান লিগে এটা একদম বাধ্যতামূলক পরীক্ষা হয়ে গেছে৷ এরিকনের কিন্তু হার্টে ব্লকের মত সমস্যা ছিল না, তার হার্টে হিডেন কার্ডিয়াক প্রবলেম ছিল৷ এরকম অনেক অ্যাথলেট আছেন যারা Hidden Cardiac problem নিয়ে আছেন যা তারা জানেনও না৷ দেখতে ফিটনেস ভালো, কিন্তু হার্ট হেলথে কিছু একটা হিডেন ঝামেলা আছে৷ এ কারণেই এই CRY টেস্ট করানো হয়৷ এগুলো একটা সিজন শুরুর আগেই তাকে মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট দেন ডক্টররা এবং উন্নত দেশগুলোতে এটা একটা কমন প্র‍্যাকটিস৷ এই টেস্টগুলোতেই জানা যায় আসলে ওই প্লেয়ারটার হার্টের কন্ডিশন বা অন্যান্য জায়গায় কি অবস্থায় আছেন। এই ব্যাপার নিয়েই কথা বললাম স্পোর্টস মেডিসিন এক্সপার্ট তুষার মাহমুদ ভাই এর সাথে, তিনি এখন বাংলাদেশ ফুটবল টিমের সাথে আছেন,তিনি স্পোর্টস মেডিসিন সেন্টারের গুরুত্বের কথা বললেন

নেটফ্লিক্সে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের একটা ডকুমেন্টারি দেখছিলাম৷ সেখানেও দেখছিলাম সিজনের আগে প্রতিটা প্লেয়ারের স্ক্রিনিং মাস্ট।

প্রান্তিক নওরোজ নাবিলের ইনসিডেন্টটাই আমাদের একটা ওয়েক আপ কল ছিল৷ নাবিলের প্রবলেমটা একদিনে হয় নাই৷ প্রথমদিকেই যদি ব্যাপারটার স্ক্রিনিং হত, লাং হেলথ শনাক্ত করা যেত তাহলে এটার ব্যাপ্তি এত বাড়তো না৷

আমাদের দেশে CPET মেশিন মনে হয় দুইটা, একটা এভারকেয়ার হসপিটালে৷ CRY Test করার ক্যাপাসিটি থাকার কথা না, কারণ সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যাবস্থায় এগুলো লাক্সারিই৷ কিন্তু আমাদের একটা ক্রীড়া মন্ত্রনালয় আছে৷ এত বছরেও আমাদের দেশে আমরা স্পোর্টস মেডিসিন সেন্টার বানাতে পারি নাই৷ যেই স্পোর্টস মেডিসিন সেন্টারে অ্যাথলেটদের শারিরিক পরীক্ষার সকল কিছু থাকবে।

স্পোর্টস মেডিসিন সেন্টার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা যা আমাদের দেশে খুবই উপেক্ষিত৷ বয়সভিত্তিক প্লেয়ারদের বয়স যাচাই থেকে শুরু করে সকল ধরনের ট্রিটমেন্টে আমাদের আউটসোর্সিং করতে হয়৷ আজকে এমন সেন্টার থাকলে প্রি সিজনে আমাদের ক্রিকেট-ফুটবল প্লেয়ারদের এই স্ক্রিনিংগুলো হলে অন্তত প্লেয়াররা জানতেন তাদের হার্ট বা লাং এর কি অবস্থা৷ নিচের দিকের কথা তো চিন্তাই করা যাবে না, অন্তত এলিট অ্যাথলেটরা নিজেদের কন্ডিশন জানতে পারতেন৷ এবং এখানে যে পরিমাণ খরচ এবং আমাদের দেশে যত ডিসিপ্লিনের খেলা আছে, সামগ্রিকভাবে এই উদ্যোগটা এককভাবে কোন ফেডারেশন না, ক্রীড়া মন্ত্রনালয়েরই নেয়া উচিত ছিল।

এই মুহুর্তে মাহে রমজানে প্রিমিয়ার লিগ ছাড়াও আরো ২ টি টুর্নামেন্ট চলছে৷

১. ঢাকা ৩য় বিভাগ কোয়ালিফাইং
২. ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশীপ

৩য় বিভাগ কোয়ালিফাইং এ আমি যে কয়দিন মাঠে গেছি, কোন অ্যাম্বুলেন্স দেখি নাই৷ ইমার্জেন্সি ট্রিটমেন্টের জন্য কোন মেডিকেল ইউনিট দেখি নাই৷ এই লেভেলের প্লেয়াররা তো আরো নাজুক থাকেন, আরো নন প্রফেশনাল থাকেন৷ তাদের আল্লাহ না করুক, কোন একটা ইস্যু ক্রিয়েট হলে কি অবস্থা হতে পারে একবার চিন্তা করে দেখেন৷

তবে আজকে তামিম ভাই এর অসুস্থ্যতার সাথে সাথেই ম্যাচ রেফারী দেবব্রত পালসহ, অফিশিয়াল টিটু ভাইরা যেভাবে ডিসিশন মেকিং করেছেন- এজন্য তাদের ধন্যবাদ দিতে হয়। এরকম সময় ডিসিশন মেকিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ সহায় হোন, তামিম ভাই এর শেফার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি৷

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka
1211