01/10/2025
সবাই একটু রেসপন্স করিয়েন,,,,
পুরুষের সবচেয়ে বড় শত্রু নিঃসন্দেহে নুনু, তবে একটু মোডিফিকেশন সিস্টেম থাকলে এই নুনু দিয়েই আর্থসামাজিক বিপ্লব ঘটানো যেতো।
কেমন হতো যদি উত্তেজনার সাথে তাল মিলিয়ে নুনুতে লাইট জ্বলার সিস্টেম থাকতো? মানে ধরেন, যখন এক্সাইটমেন্ট এর ঠ্যালায় খাড়া হয়, তখন লাইট জ্বলা শুরু করবে। যতো এক্সাইটমেন্ট বাড়বে আর হার্ড হবে, ততো আলোর ইন্টেন্সিটি বাড়তে থাকবে।
বিষয়টা অনেক ইকোফ্রেন্ডলি আর সাশ্রয়ী হতো বলে আমার ধারণা। কারেন্ট গেলে স্বামীর দুই পায়ের মাঝখানে দুইটা ডলা দিয়ে বলা যেতো "এই এই, আলোটা ধরে রাখোতো।"
আবার বয়েজ হোস্টেলে ধরেন, ৪জনের রুম। সেইক্ষেত্রে আলো জ্বালানো হবে শেয়ারে। ৬ ঘন্টা করে ৪ জনের স্লটে আলো জ্বালানোর দায়িত্ব থাকবে। বিদ্যুত খরচ বাঁচানোর পাশাপাশি এতে পারস্পরিক সম্পর্ক ও দৃঢ় হবে৷ সামাজিক জীব হিসেবে একের কাছে অন্যের গুরুত্ব ও নির্ভরশীলতা তৈরি হওয়ার এত ভালো সুযোগ আর হয় না।
আরেকটা বড় উপকার হতো যে, কোন আপ্পিকে ধ্বজভঙ্গ পুরুষ বিয়ে করে পস্তানো লাগতো না। কেননা পাওয়ার বোঝার জন্য আলোর ইন্টেনসিটিই যথেষ্ট। মেয়েরা বান্ধবীমহলে আলাপ করতো "তোর দুলাভাই কালো হলেও, ওর নুনুতে অনেক আলো!" বান্ধবীরা হিংসায় জ্বলেপুড়ে তখন বেশি ওয়াটের আলোওয়ালা ছেলে খুঁজতে যেতো।
মুড অনুযায়ী লাইটের কালার চেঞ্জ হলে আরো ভালো। বিশেষ মূহুর্তে বিশেষ মুড অনুযায়ী বিশেষ রঙের আলো জ্বালিয়ে জামাই বউকে বলবে "চলো আরেকবার উড়ি।" মরিচবাতির মতো ছন্দে ছন্দে জ্বলা-নিভা করলে বিষয়টা আরও চমৎকার হতো। এমনকি আপ্পিরা যে রঙঢঙ করে ঘরের ভেতর ফেইরি লাইট জ্বালিয়ে রেখে ইন্সটাগ্রামে ছবি আপ্লোড করে, তার রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে বয়ফ্রেন্ড/জাস্টফ্রেন্ড/স্বামীর নুনুকে কাজে লাগানো যেতো! ছ্যাকা খাওয়ার পর ফেসবুক স্ট্যাটাসে গভীর অর্থবহ কথা হিসেবে লিখতে পারত, "আলো আলো আমি কখনও খুঁজে পাবো না।"
তবে ঠাপে ঠাপে যে আলো ব্লিংক করবে সেটা একটা ঝামেলা হয়ে দাঁড়াত। ঘরে ভারী পর্দা না থাকলে আশপাশ থেকে লোকে বুঝে ফেলত, ভেতরে পকাত পকাত চলছে!
- কালেক্টেট