Tubelight Media

Tubelight Media

Share

বিশ্বের অবিশ্বাস্য সব ঘটনা!

এই পেজে বিশ্বের বিভিন্ন ধরণের চাঞ্চল্যকর তথ্যগুলো ভিডিও এবং ইমেজ আকারে তুলে ধরা হয়। প্রতিটি তথ্য প্রকাশের আগে যথাযথ মাধ্যম থেকে তথ্যগুলোর সত্যতা যাচাই করে নেয়া হয়।

03/06/2026

জাতিসংঘ অধিবেশনে সভাপতির বেতন আর VIP সুবিধা! | Tubelight Media

03/06/2026

ট্যাটু নেই শরীরে, ইসলামের পথে রোনালদো | Tubelight Media

03/06/2026

২৩ দিনে বদলে গেল তামিলনাড়ু, থালাপতি ম্যাজিক! | Tubelight Media

03/06/2026

ঢাকার রাস্তায় উভচর বাস | Tubelight Media

03/06/2026

১ নম্বর গোলরক্ষক হিসেবে মার্তিনেজের জায়গা অটুট। তবুও বিকল্প হিসেবে আর্জেন্টিনার হাতে রয়েছে নির্ভরযোগ্য দুটি নাম।

03/06/2026

নেপালের বিপক্ষে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালের আগের ভোরে শোকের পাথর চেপে বসল বাংলাদেশ দলের ডিফেন্ডার শিউলি আজিমের বুকে।

02/06/2026

দরজায় একটা মৃদু টোকা। আর তাতেই চিরতরে বদলে গেল একটি জলজ্যান্ত মানুষের জীবন। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের এক শীতকালীন রাতে ওস্টারশায়ারের বাসিন্দা অ্যান্ড্রেয়াস ক্রিস্টোফোরোস নিজের ঘরের দরজা খুলেছিলেন আর দশটা সাধারণ দিনের মতোই। কিন্তু দরজার ওপাশে কোনো সাধারণ অতিথি ছিল না, অপেক্ষা করছিল সাক্ষাৎ যম।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই অ্যান্ড্রেয়াসের মুখে এসে পড়ে মারাত্মক ঘনীভূত সালফিউরিক অ্যাসিড। মুহূর্তের মধ্যে সেই তীব্র ক্ষয়কারী রাসায়নিক তার পোশাক ভেদ করে চামড়া ও মুখের মাংস পেশি পুড়িয়ে দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে উঠে আসা সেই ক্ষত ছিল শিউরে ওঠার মতো, চেহারা ও ঘাড়ের চামড়া গলে যাওয়া, ভয়াবহ ক্ষত এবং যেকোনো মুহূর্তে ইনফেকশন হয়ে মারা যাওয়ার তীব্র ঝুঁকি। হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন অ্যান্ড্রেয়াস। চিকিৎসকরাও আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন, প্রথম রাতটাই তিনি পার করতে পারবেন কি না তা নিয়ে ছিল চরম সংশয়।

কিন্তু অ্যান্ড্রেয়াস বেঁচে ফিরেছেন। তবে সেই বেঁচে থাকা ছিল এক দীর্ঘ লড়াইয়ের গল্প। মাসের পর মাস ধরে চলেছে একের পর এক জটিল অস্ত্রোপচার। শরীরের অন্য অংশ থেকে চামড়া এনে গ্রাফটিং করা এবং কৃত্রিমভাবে মুখের টিস্যু পুনর্গঠনের মতো যন্ত্রণাদায়ক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। এমনকি ক্ষত শুকানোর সময় চোখের পাতা বারবার কুঁচকে ছোট হয়ে যেত বলে শুধু চোখের জন্যই বারবার অস্ত্রোপচারের টেবিলে বসতে হয়েছে তাকে।

তদন্তকারীরা যখন এই হামলার পেছনের মূল রহস্য উদঘাটন করলেন, তখন পুরো বিষয়টি আরও বেশি নির্মম ও বেদনাদায়ক হয়ে ওঠে। পুলিশ জানায়, এটি আসলে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল না, অ্যান্ড্রেয়াস ছিলেন স্রেফ 'ভুল পরিচয়ের' শিকার! হামলাকারী অন্য এক ব্যক্তির ওপর প্রতিশোধ নিতে এসে ভুল ঠিকানায় কড়া নেড়েছিলেন। যার কোনো অপরাধ ছিল না, তাকেই সইতে হলো পৃথিবীর সবচেয়ে নরকীয় যন্ত্রণা। পরবর্তীতে অবশ্য অপরাধী নিজের দোষ স্বীকার করে এবং আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।

অ্যাসিড সন্ত্রাসের মতো নৃশংসতা সমাজকে স্তব্ধ করে দেয় কারণ এর ক্ষত কেবল চামড়াতেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এই রাসায়নিক শরীরে লাগার পরও দীর্ঘক্ষণ ধরে ভেতরের টিস্যু ধ্বংস করতে থাকে, যার রেশ ধরে বেঁচে থাকা মানুষকে আজীবন বয়ে বেড়াতে হয় তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা, একের পর এক সার্জারির ধকল আর মানসিক ট্রমা। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের একটি ভুল সিদ্ধান্ত একজন নিরপরাধ মানুষের পুরো পৃথিবীকে ওলটপালট করে দিতে পারে।

02/06/2026

একটি কুকুরের মাথা ও শরীরের উপরিভাগ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আরেকটি পূর্ণাঙ্গ কুকুরের শরীরে সফলভাবে জুড়ে দিতে সক্ষম হন সোভিয়েত সার্জন ভ্লাদিমির ডেমিখভ। তিনি ১৯৫০ এর দশকে এই বিতর্কিত ও অবিশ্বাস্য চিকিৎসা পরীক্ষা চালিয়েছেন, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রয়েছে।

এই অদ্ভুত অস্ত্রোপচারের পর প্রতিস্থাপিত মাথাটি সাময়িকভাবে দেখতে, শুনতে ও তরল খাবার গ্রহণ করতে পারছিল এবং যেকোনো উদ্দীপনায় সাড়া দিচ্ছিল। কারণ, মূল আয়োজক বা হোস্ট কুকুরের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ার সাথে নতুন মাথাটির রক্তনালী নিখুঁতভাবে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। যদিও এই দুই মাথাওয়ালা কুকুরগুলো খুব বেশি দিন বাঁচেনি, তবুও এই প্রক্রিয়াটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের নৈতিকতা নিয়ে সে সময় বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়।

ভ্লাদিমির ডেমিখভের এই নির্মম ও ভয়ংকর পদ্ধতিটি চরম সমালোচিত হলেও, পরবর্তী সময়ে মানবদেহে অঙ্গ প্রতিস্থাপন (অর্গান ট্রান্সপ্লান্টেশন) প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এবং জটিল অস্ত্রোপচারের কৌশল বুঝতে এটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।

02/06/2026

সাধারণ ফিশ স্পা চিকিৎসার নির্মম পরিণতিতে নিজের ডান পায়ের পাঁচটি আঙুলই হারাতে হয়েছে ভিক্টোরিয়া কার্থয়েস নামের এক তরুণীকে। ২০১০ সালের এই ঘটনাটি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং একই সাথে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এই সৌন্দর্য চর্চার পেছনের লুকিয়ে থাকা স্বাস্থ্যঝুঁকিকে আবারও সামনে এনেছে।

ভিক্টোরিয়া যখন থাইল্যান্ড ভ্রমণ করছিলেন, তখন তিনি সেখানকার একটি জনপ্রিয় ফিশ স্পা কেন্দ্রে যান, যেখানে ছোট ছোট মাছ পায়ের মৃত চামড়া খেয়ে পরিষ্কার করে। তবে স্পা নেওয়ার সময় তার পায়ে একটি ছোট খোলা ক্ষত ছিল, যা তিনি খেয়াল করেননি। আর এই অসচেতনতাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ডেকে আনে।

চিকিৎসকদের মতে, স্পার পানি থেকে 'শিওয়ানেলা' (Shewanella) নামক এক ধরণের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া তার পায়ের সেই ক্ষত দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে এবং দ্রুত গভীর সংক্রমণ তৈরি করে। পরবর্তীতে এই সংক্রমণ হাড় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে 'অস্টিওমাইলাইটিস' (Osteomyelitis) নামক একটি মারাত্মক রোগে রূপ নেয়, যা মূলত হাড়ের ভেতরের প্রদাহ ও সংক্রমণ সৃষ্টি করে।
পরবর্তী কয়েক বছর ধরে ভিক্টোরিয়াকে এই ইনফেকশনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে। শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক, বারবার জটিল অস্ত্রোপচার এবং দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার পরও তার পায়ের সংক্রমণ পুরোপুরি দূর করা সম্ভব হয়নি। এক পর্যায়ে সংক্রমণ যেন শরীরের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সেজন্য চিকিৎসকরা বাধ্য হয়ে তার ডান পায়ের পাঁচটি আঙুলই কেটে বাদ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।

এক সময় বিশ্বজুড়ে ফিশ স্পাকে অত্যন্ত আরামদায়ক এবং নিরাপদ একটি রূপচর্চা হিসেবে বিপণন করা হলেও, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই এর ভয়াবহতা নিয়ে সতর্ক করে আসছেন। চিকিৎসকদের মতে, খোলা ক্ষত, অপরিষ্কার পানি এবং ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি, এই তিনের সংমিশ্রণ যেকোনো সাধারণ মানুষকে বড় ধরণের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

02/06/2026

নেইমারকে বাঁচাতে বিশেষ মেশিন, বিশ্বকাপে হবে না ইনজুরি! | Tubelight Media

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

https://banglanews.media/

Address


Dhaka
1000