Jaguars United

Jaguars United

Share

An underground football team in Dhaka, Bangladesh It is an underground football team in Dhaka,Bangladesh. It's a mini Bangladesh to us. UNITED WE SCOOOREEE!!!

Our job is to find the young talents around the city and provide them a platform to perform what they have got. We give priority to Bangladeshi indigenous people who are coming to the capital Dhaka and try to create a good bonging among different tribes and local Bengali people. We often participate in different underground leveled football competitions and also play friendly matches. Moto: JAGUARS ROOOAAARRR!!!

15/12/2019

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়। এই দলটি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল নামে পরিচিত ছিল। পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি। ৩৪ জন খেলোয়াড়, সঙ্গে ম্যানেজার এবং কোচসহ সর্বমোট ৩৬ জন নিয়ে গড়া ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টুসহ অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শঙ্কর হাজরা। ব্যবস্থাপক ছিলেন তানভীর মাজহারুল ইসলাম তান্না। স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল গঠন করা হয়। পরে আরো একজনকে অন্তর্ভুক্ত করলে সদস্য সংখ্যা ৩১ হয়। ২৩ জুলাই স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল মুজিবনগর থেকে নদিয়া পৌঁছে। নদিয়ার ডিসি দীপককানত্ম ঘোষ এবং স্পোর্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদকসহ অন্য কর্মকর্তারা দলটিকে অভ্যর্থনা জানান। পরদিন কৃষ্ণনগর স্টেডিয়ামে নদিয়া একাদশের বিপক্ষে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল প্রথম খেলতে নামে। এই দিন মেহেরপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি ম্যাচ উপভোগ করতে স্টেডিয়ামে আসে। খেলা শুরুর আগে জাতীয় পতাকা নিয়ে মাঠ প্রদক্ষিণ করেন দলের সদস্যরা। এ সময় জাতীয় সঙ্গীতও বাজানো হয়। ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়। স্বাধীন বাংলা দলের হয়ে প্রথম গোল করেন শাহজাহান।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল দলের সদস্যরা ছিল দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ। ফুটবলারদের আগ্রাসী মনোভাব ছিল। তারা প্রথমে ছিল মুক্তিযোদ্ধা, পরে ফুটবলার। মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার (যা পরবর্তী সময়ে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়) শামসুল হককে একটি ক্রীড়া সমিতি গঠনের নির্দেশ দেন। সমিতির প্রথম সেক্রেটারি লুৎফর রহমান, সাবেক ফুটবলার ও কোচ আলী ইমাম এবং সাবেক ফুটবলার সাইদুর রহমান প্যাটেলের সহায়তায় শামসুল হক একটি ফুটবল দল গঠন করার সিদ্ধান্ত নেন। যা বিপ্লবের অগ্রদূত হিসেবে কাজ করে এবং দেশের চরম দুঃসময়ে অর্থ সংগ্রহ ও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে।

অল ইন্ডিয়া রেডিও ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে থাকা ফুটবলারদের ট্রায়ালের জন্য কলকাতায় শরণার্থী শিবিরের আসার আহ্বান জানায়। কোচ ননি বসাক, অবশেষে ২৫ জন খেলোয়াড়কে ভারত সফরের আগে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের জন্য মনোনীত করেন।

ক্যাম্পের পর অল্প কয়েকজন দলে যোগ দিয়েছিলেন। কাজী সালাহউদ্দিন ছিলেন বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রতিভাধর খেলোয়াড়দের মধ্যে একজন। সালাহউদ্দিন প্রথমে মুক্তিযুদ্ধের জন্য গেরিলা প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। কলকাতার একজন চিত্র সাংবাদিক তাকে ফুটবল দলের ক্যাম্পেইনের কথা জানান।

তিনি তখন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে নিয়মিত খেলতেন এবং পূর্ব পাকিস্তান ফুটবল দলের নেতৃস্থানীয় সদস্য ছিলেন। সালাহউদ্দিন অবিলম্বে ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি প্লেনে করে কলকাতায় দলের সঙ্গে যোগ দেন। এভাবে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জন্ম। জাকারিয়া পিন্টুকে অধিনায়ক এবং প্রতাপ শঙ্কর হাজরাকে সহ-অধিনায়ক করে দল গঠন করা হয়। এ ছাড়া কাজী সালাহউদ্দিন, নূরন্নবী, সাইদুর রহমান প্যাটেল, আলী ইমাম, গোবিন্দ কুণ্ডু, অমলেশ সেন এবং শেখ আশরাফ আলীর অংশগ্রহণ বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জুলাইয়ের শেষের দিকে পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর স্টেডিয়ামে দলটির অভিষেক হয়। ছোট স্টেডিয়ামটিতে স্থান সংকুলান না হওয়ায় মানুষ গাছ ও দেয়াল টপকে, প্রতিবেশীর ছাদ থেকে খেলা দেখে।

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়। এ সময় স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন অস্থায়ী সরকারের প্রতিনিধিরা। এ ম্যাচে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলাদেশের একটি ইরেজি দৈনিকে জাকারিয়া পিন্টু বলেন, ‘আমি এখনো সেই দিনটি স্মরণ করতে পারি। আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তটি হচ্ছে, দেশের বাইরে আমি প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করি। এটি বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’

তবে পতাকা উত্তোলন করার পেছনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল এবং বেশ বিতর্কও সৃষ্টি হয়েছে। কারণ তখনও ভারত সরকার বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।

ভারতীয় কর্মকর্তারা দলকে এমন ভাবমূর্তির মধ্য দিয়ে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিল। তবে ম্যাচের ঠিক আগেই তারা কিছুটা নমনীয় ভাব পোষণ করে। ভারত সরকার এতে অসন্তুষ্ট ছিল এবং নদিয়া জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করে। বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানোয় নদিয়াকে ভারতীয় ফুটবল এসোসিয়েশন থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ছিল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা ফুটবল দল কলকাতার মোহন বাগানের বিপক্ষে। আগের ম্যাচের বিতর্কের কারণে মোহন বাগান নাম পাল্টে গোষ্ঠ পাল (গোষ্ঠ পাল ছিলেন কিংবদন্তি ভারতীয় ফুটবলার) একাদশের ব্যানারে খেলতে রাজি হয়। যদিও মোহন বাগান ৪-২ গোলের সহজ জয় পায়, তারপরও তাদের ক্যাপ্টেন চুনি গোস্বামী বাংলাদেশের ভূয়সী প্রসংশা করেন।

ম্যাচ শেষে চুনি গোস্বামী বলেছেন, ‘মোহন বাগানের অধিনায়ক হিসেবে আমি চেয়েছিলাম বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য কিছু করতে…এই খেলার প্রতি সম্পূর্ণ সমর্থন দিয়ে আমরা স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।’ ১৫ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশ ৪-২ গোলে কলকাতা একাদশকে পরাজিত করে। খেলা শুরুর আগে বাংলাদেশি ফুটবলাররা পাকিস্তানের পতাকা পদদলিত করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই ঘটনায় ভারত সরকার আতঙ্কিত হয়ে ওঠে।

ইতিহাসবিদ ও লেখক কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, সর্বাধিক মনোযোগ আকর্ষণকারী ম্যাচটি ছিল মুম্বাইতে স্পোর্টস উইক একাদশের বিপক্ষে। স্পোর্টস উইকের সম্পাদক খালিদ আনসারী ম্যাচটি আয়োজনে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছেন। ড্যাশিং ক্রিকেটার মনসুর আলী খান পতৌদি ভারতীয় দলের অধিনায়কত্ব পালন করেন এবং স্পোর্টস উইকের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন। ম্যাচটি বাংলাদেশ ৩-১ গোলে জয়লাভ করে। পরে পতৌদি, মুম্বাই গভর্নর এবং বলিউড তারকা দিলীপ কুমার বাংলাদেশের ত্রাণ তহবিলে বিপুল অর্থ দান করে। ম্যাচের টিকেট বিক্রি করে ১৮০০ টাকা সংগ্রহ হয়েছিল এবং সেটিও তহবিলে জমা করা হয়।

বাংলাদেশ তাদের সর্বশেষ ম্যাচটি খেলেছিল পশ্চিবঙ্গ বালুরঘাট একাদশের বিপক্ষে। বাংলাদেশের গেরিলা ক্যাম্পটিও ছিল বালুরঘাটে। খেলা শুরুর আগে খেলোয়াড়রা গেরিলা বাহিনীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে।

বাংলাদেশ একাদশ দিল্লিতে তহবিল সংগ্রহের জন্য আরেকটি ম্যাচ খেলতে যাওয়ার কথা, এমন সময় তারা বহুল প্রতীক্ষিত সংবাদটি পেল- বাংলাদেশ পাকিস্তানের রোষানলমুক্ত একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। এতে সবাই আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠে। বাংলাদেশ সব মিলিয়ে ১৬টি ম্যাচ খেলেছিল। যার ১২টিতে জয়, ৩টিতে ড্র এবং একটিতে হেরেছে। প্রায় ৫ লাখ বাংলাদেশি টাকা সংগ্রহ হয়েছিল, তখনকার দিনে এটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তহবিল সাহায্য ছিল। দেশে ফিরলে তাদের বিপ্লবের অগ্রদূত হিসেবে অভিবাদন জানানো হয়। পরে তারা ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ফুটবলে অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন পুরস্কার জিতে নেন এবং মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য বাংলাদেশ সরকার সম্মাননা প্রদান করেন। বাংলাদেশের বাইরে খুব কম লোকই স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অবদান সম্পর্কে অবগত আছেন।

শীর্ষ দাসগুপ্তের ‘এ প্লে ফর ইনডিপেনডেন্স : দ্য ফরগোটেন স্টোরি অব বাংলাদেশ ফুটবল রেভ্যুলিউশানারিজ’ অবলম্বনে

15/10/2019

নির্ধারিত সময়ে ০-০ গোলে সমতার পর টাই-ব্রেকারে ৫-৩ এ পরাজিত বাংলাদেশ অ-১৫ প্রমীলা ফুটবল দল

আরেকবার শিরোপার হাতছানি

India U-15 Women's vs Bangladesh U-15 Women's 15/10/2019

SAFF U15 Women's Championship 2019

FINAL
India vs Bangladesh

India U-15 Women's vs Bangladesh U-15 Women's Watch India U-15 Women's vs Bangladesh U-15 Women's in SAFF U15 Women's Championship on 10/15/2019 (Asia/Thimphu) live or on-demand

Photos from Jaguars United's post 17/07/2019

মালেশিয়ার কুয়ালাামপুরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ ও এএফসি এশিয়ান কাপ ২০২৩ এর কোয়ালিফায়ারের ড্র। এতে গ্রুপ ই’তে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।

গ্রুপ ই তে বাংলাদেশের গ্রুপ সঙ্গী ভারত, আফগানিস্তান, ওমান ও বিশ্বকাপের স্বাগতিক কাতার। গ্রুপ ই তে বাংলাদেশ পঞ্চম দল হলেও তাদের কাতারের সাথে অবস্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী কোপা আমেরিকায় কাতার অংশগ্রহন করবে। তাই তারা অনুরোধ করে যাতে তাদের গ্রুপে শেষ দল হিসেবে রাখা হয়। এতে তাদের খেলার তারিখ পরিবর্তন হবে এবং তারা উপর টুর্নামেন্টে অংশগ্রহন করতে পারবে।

গ্রুপিংয়ে ৪০ টি দলকে ৮ টি ভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রুপে পাঁচটি করে দল রয়েছে। ডাবল রাউন্ড রবিন লীগ পদ্ধতিতে খেলাগুলো আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ এ শুরু হয়ে ৯ জুন ২০ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি গ্রুপের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ও আট গ্রুপের সেরা চার রানার্সআপ, অর্থ্যাৎ ১২ টি দল এএফসি এশিয়ান কাপ ২০২৩ এর মূল পর্ব ও ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৩ এর ফাইনাল কোয়ালিফাইং রাউন্ডে উর্ত্তীর্ণ হবে। এরপরও বাকি সেরা ২৪ দল আবারো একটি কোয়ালিফায়ারে অংশগ্রহ করবে। সেখানে তারা ২৪ দলের এএফসি এশিয়ান কাপ ২০২৩ এর বাকি ১২ টি জায়গায় জন্য লড়বে।

নিউজ কার্টেসিঃ স্পোর্টস নিউজ বাংলাদেশ

20/06/2019

বন্ধু চল...... বলটা দে.........

Photos from Jaguars United's post 20/06/2019

খাগড়াছড়ি জেলা শহরের খাগড়াপুর এলাকার সেপটিক ট্যাংক থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার প্রভাকর ত্রিপুরা রানা (২৬) হত্যার রহস্য উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

লাশ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আটক প্রভাকরের বড় ভাই চিরঞ্জিত ত্রিপুরাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাঁর স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত আলামত হাতুড়ি উদ্ধার করে। হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেই প্রভাকরকে হত্যা করা হয়েছিল। লেখাপড়ার জন্য টাকা চাওয়ায় এবং পারিবারিক সম্পত্তির ভাগ না দিতেই চাকরির কথা বলে ডেকে এনে হত্যা করা হয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ এম এম সালাহ উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নিহতের বড় ভাইয়ের নিজ বাসার পেছনে নির্মাণাধীন একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে প্রভাকর ত্রিপুরার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার পুলিশ। প্রভাকর ত্রিপুরা ঢাকার সরকারি বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি খাগড়াপুরের মৃত সুরেন্দ্র ত্রিপুরার ছেলে।

নিহতের স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার রাতে বড় ভাই চিরঞ্জিত ত্রিপুরার বাড়িতে ঘুমান প্রভাকর। বুধবার সকাল থেকে তাঁর খোঁজ-খবর না পাওয়ায় এবং বাড়ির পেছনের দরজায় রক্তের দাগ দেখে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করলেও হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার সকালে বড় ভাই চিরঞ্জিত ত্রিপুরার বাসার পেছনে নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

লাশ উদ্ধারের পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম সালাহউদ্দিন নিহতের ঘাড়, মাথাসহ বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকার কথা জানিয়ে বলেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। রহস্য উদ্ধার করতে আমরা সক্ষম হব।

লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বন্ধুবৎসল, ক্রীড়ানুরাগী প্রভাকর ত্রিপুরা রানার মৃত্যুর খবরে তাঁর বন্ধুমহলসহ স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। তাঁর এ অকাল মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিল না তারা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

source: NTV Online

20/06/2019

আজ জাগুয়ার্স ইউনাইটেড-এর ইতিহাসে সবচেয়ে অন্ধকারতম দিন! জাগুয়ার্স ইউনাইটেড এর একমাত্র শিরোপাজয়ী ও প্রথম পাহাড়ি অধিনায়ক প্রভাকর ত্রিপুরা আর আমাদের মাঝে নেই!

গত মঙ্গলবার হতে নিখোঁজ থাকার পর আজ দুপুরে তার লাশ পাওয়া যায় তার বাড়ির পেছনে সেপ্টিক ট্যাংকের জন্য খোদাইকৃত গর্তে! পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে গেছে!

খাগড়াছড়ি সদরের খাগড়াপুর এলাকা থেকে ২০১২ সালে ঢাকার সেন্ট জোসেফ কলেজে ভর্তি হয় প্রভাকর ত্রিপুরা! কলেজ জীবনে অসাধারণ ফুটবল কৌশল আর নেতৃত্বের কারণে অনেকেরই চোখে পড়ে তার ফুটবল প্রতিভা! ২০১৩ সালের শুরুর দিকে যখন জাগুয়ার্স ইউনাইটেড পুনর্গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলো ঠিক তখন প্রীতম দাস আর জ্যোতি বসু চাকমার কল্যানে ক্লাবটির সাথে পরিচয় হয় প্রভাকরের! প্রভাকরের হাত ধরে ক্লাবে একসাথে প্রবেশ করে ৭জন পাহাড়ি(উপজাতি) তরুণ ফুটবলার! পাহাড়িদের আগমন বজায় রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছে প্রভাকর! সেন্ট জোসেফ কলেজ আর মোহাম্মদপুর আসাদগেইট সংলগ্ন খ্রিষ্টান হোস্টেল হয়ে যায় জাগুয়ার্স ইউনাইটেডের ফুটবলার তৈরির কারখানা! প্রতিবছর পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে অনেক ছেলে ঢাকায় আসে লেখাপড়া করতে, তাদের মধ্য থেকে ফুটবলের প্রতি আগ্রহী ছেলেদের জাগুয়ার্স ইউনাইটেড দলে ভেরায় প্রভাকর ত্রিপুরা! ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় প্রীতি ম্যাচ খেলে অল্প কয়েকদিনের মধ্যে ভালো অবস্থানে চলে যায় জাগুয়ার্স ইউনাইটেড! ২০১৪ সালের মধ্যভাগে এই পাহাড়ি আর বাঙালী নিয়ে পুনর্গঠিত জাগুয়ার্স ইউনাইটেড তাদের প্রথম টুর্নামেন্ট খেলে এবং প্রথম টুর্নামেন্টেই শীরোপার ছোয়া পায় দলটি! তারপর বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে সম্মানসূচক অবস্থানে থাকে জাগুয়ার্স ইউনাইটেড! ২০১৫ সালের শেষের দিকে জাগুয়ার্স ইউনাইটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজার নাসিফ সূর্যের ঢাকা ত্যাগের পর থেকে ক্লাবটি সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায়! কিন্তু প্রভাকরের ফুটবল নেশা তখনো বন্ধ হয় নি! বিভিন্ন দলে স্বল্প পরিসরে সে তার খেলা চালিয়ে যায়! উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পর সে ঢাকার মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজে ভর্তি হয়! খেলা না থাকলেও ঢাকায় জাগুয়ার্স ইউনাইটেডের বিভিন্ন মিলনমেলায় তার উপস্থিতি পাওয়া যেত!

প্রভাকর শুধু জাগুয়ার্স ইউনাইটেড এর গর্ব না, সে পার্বত্য চট্টগ্রামের গর্ব! তাকে শুধু জাগুয়ার্স ইউনাইটেড হারায় নি, হারিয়েছে গোটা জাতি! তার মত ফুটবল প্রতিভাবান আবার কবে আসবে তা মহান সৃষ্টিকর্তাই জানেন!

প্রভাকর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত বিচার চাই, আর যেন বাংলাদেশের বুক থেকে প্রতিভাবান তরুণদের অকালে ঝরে যেতে না হয় সে জন্য সরকারের প্রতি দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি!

11/06/2019

গোলশূন্য ড্র দিয়ে কাতার বিশ্বকাপ ২০২২ এর ২য় রাউন্ডে উত্তীর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল

গত ৬জুন লাওসের মাটিতে লাওসকে হারিয়ে কিছুটা এগিয়েই ছিলো বাংলাদেশ! আজ ফিরতি লেগে ড্র দিয়ে ১-০ গোলের এগ্রিগেশনে ২য় রাউন্ডে বাংলাদেশ!

২য় রাউন্ডে অংশগ্রহণ করবে মোট ৪০টি দল(এএফসি র‍্যাংকিং ১-৩৪+২য় রাউন্ডে উত্তীর্ণ ৬টি দল)

এই ৪০টি দল ৮টি গ্রুপে ভাগ করে রাউন্ড রবিন প্রক্রিয়ায় হোম-আওয়ে ম্যাচ খেলবে! আগামী ১৭জুলাই কাতারের রাজধানী দোহায় ২য় রাউন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হবে!

11/06/2019

বিশ্বকাপ ২০২২ প্রাক বাছাই পর্ব প্রথম রাউন্ডের ২য় লেগ
আজ সন্ধ্যা ৭টায়!
ভেন্যুঃ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম

প্রথম লেগে রবিউল হাসানের দুর্দান্ত গোলে ১-০ গোলে লাওসের মাটি জয় করেছে লাল-সবুজ বাহিনি!

(বি.দ্রঃ প্রথম রাউন্ডে ছিটকে পরা দল আগামী ৪বছর ফিফা/এএফসি আয়োজিত কোনো খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবেনা)

নিজেদের ঘরের মাটিতে জয় দিয়ে প্রথম রাউন্ড পার করুক এটাই সবার কামনা!




05/05/2019

জাগুয়ার্স ইউনাইটেডের সাবেক স্ট্রাইকার এবং রাংগামাটির জনপ্রিয় গিটারিস্ট স্নেহের অনুজ Dk Dinupam বনিকে গত সপ্তাহে বমি, শ্বাস কষ্ট ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার পর রাংগামাটি মেডিক্যালে ভর্তি করানো হয়। অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠলেও অজ্ঞাত রোগে তার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যায়। এ সমস্যা দেখা দিলে তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিক্যাল হাসপাতালে নেয়া হয়।

চট্টগ্রাম মেডিক্যালের ডাক্তাররা সবকিছু পরীক্ষা করে দেখার পর অতিশীঘ্রই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের Sankar Netralay, Chennai চক্ষু হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ডাক্তাররা প্রাথমিকভাবে ধারনা করছেন মস্তিস্কের স্নায়ু যা চোখে দেখার সাথে সংশ্লিষ্ট সেগুলো দুর্বল হওয়ার কারনে তার এ অবস্থা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে Dk Dinupam গিটারিস্ট হিসেবে ব্যান্ডের সদস্য।
রাংগামাটির জনপ্রিয় শিল্পী Koyal Chakma ও Parky Chakma Anu এর দীর্ঘদিনের সংগীত সহযোগী।

বনির এ সংকটাপন্ন অবস্থায় এগিয়ে এসেছেন রাংগামাটির গান সংশ্লিষ্ট সকল শিল্পী সমাজ এবং শুভানুধ্যায়ীরা।

বনির সুস্থতার জন্য সকলেই দোয়া করবেন!
তাকে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে জাগুয়ার্স ইউনাইটেড পরিবার!!!

03/05/2019

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য বঙ্গমাতা আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে না!

যুগ্মভাবে শীরোপা পেল বাংলাদেশ ও লাওস

অভিনন্দন উভয় দলকে!

মহান আল্লাহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সবাইকে রক্ষা করুন!!!

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dhaka