#বাংলাদেশের_বর্তমান_ওয়ানডে_টীম_ভাবনা
টি-২০ টীমটা মোটামুটি মানের একটা শেইপে চলে এসেছে, যেটা শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, উইন্ডিজদের সাথে সমানে সমান টক্কর দিতে পারে।
#কিন্তু_ওডিআই_টীমকে_র্যাংকিংএ_৯_নম্বরে_থাকতে_হবে_২০২৭_বিশ্বকাপে_সরাসরি_কোয়ালিফাই_করতে
৩ নম্বর ও ৪ নম্বর পজিশনে নাজমুল শান্ত ও তৌহিদ হৃদয় মোটামুটি ফিক্সড। তারা সাধারন মানের, কারন ৩৩/৩৪ গড়ের ব্যাটারকে আপনি ওয়ানডেতে ভালো বলতে পারেন না, স্ট্রাইক রেট আবার ৮০ এর আশে পাশে। হ্যা বাংলাদেশে এর চেয়ে ভালো ব্যাটার নাই বলে বিশ্বের অন্যান্য দলের সাথে তুলনায় বিশ্বমানের বলা যায় না।
ওপেনিং এ সৌম্য এবং সাইফ লাস্ট উইন্ডিজ সিরিজে ভালো করেছে। কিন্তু উইন্ডিজের বোলিং এর যে মান তাতে তারা ধারাবাহিক ভালো করবে তার নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না। সৌম্য তার পুরো ক্যারিয়ারে অধারাবাহিক ছিল এবং এখানে তার দোষই বেশি, খেলার প্রতি ডেডিকেশন কমই ছিল। সাইফের দুর্বলতা নতুন বলের সুইং। লাস্ট বিসিএল ওয়ানডেতে দুজন ভালো করতে পারেনি বিশেষ করে সৌম্য সৌম্য তো খুবই বাজে ফর্মে ছিল। তাদের দুজনের বিকল্প হিসেবে তানজিদ তামিম এবং জিসান আলম কে তৈরি করা উচিত। এজন্য তাদেরকে তৈরি করার জন্য 'এ' দলের সিরিজ আয়োজন করা উচিত। 'এ' দলের সিরিজের প্রতি বিসিবির অনীহা বরাবরই।
লিটনকে ওডিআই টীমে আনা জাস্ট কোনো উপায় নেই বলে। ৬ নম্বরে মাহিদুল অংকন জাস্ট শিট। ৫-৬ এর জন্য পারভেজ ইমন, আকবর আলী, আরিফুল ইসলাম দের গড়ে তোলা সম্ভব বেশি করে 'এ' দলের হয়ে ম্যাচ এর মাধ্যমেই। ক্লাউন মেহেদী মিরাজ সাদা বলে অলরাউন্ডার এবং ক্যাপ্টেন হিসেবে খেলানোর ফলে বোঝা যায় আমাদের ক্রিকেটের দুর্দশা কতটা। অলরাউন্ডার হিসেবে এবং ৭ নম্বরের জন্য রিশাদ, আব্দুল গাফফার সাকলায়েন এবং মাহফুজুর রহমান রাব্বি দের 'এ' দলে খেলানো উচিত। রাকিবুল ইসলামকে ব্যাটিং এ উন্নতি ঘটাতে পারলে সেও হতে পারে যোগ্য দাবিদার।
বোলিং এ রিপন মন্ডল বর্তমানে মোস্তাফিজ এর পর সেরা সেকেন্ড চয়েজ হতে পারে। আর কোনো বোলার রিদমে নাই। স্পিনার হিসেবে আলিস আল ইসলাম তে বিবেচনা করা উচিত। এক্স ফ্যাক্টর বোলারে অনুপস্থিতি রয়েছে।
পাইপলাইন উন্নতি করতে হলে নিয়মিত ভাবে 'এ' দলের সিরিজ এবং হাইপারফরমেন্স টীম তথা অনূর্ধ্ব ২৩ দলের সিরিজ আয়োজনে বিসিবির নজর দেয়া উচিত।
Tigers Cricket Love
We should describe something about Bangladesh Cricket for the improvement of Bangladesh Cricket
09/03/2026
With Neoteric Talkies – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
বোলার তৈরি করা তুলনামূলক সহজ, ব্যাটার তৈরি সহজ কাজ নয়।
বাংলাদেশে নিকট ভবিষ্যতে ভালো কোনো ব্যাটার তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
ব্যাটার তৈরি করতে হলে কিছু বেসিক জিনিস প্রয়োজনই, যেমন:
১. অনূর্ধ্ব-১৯ এ থাকতে থাকতেই ৪ দিনের কিছু ম্যাচ আয়োজন করা উচিত। SENA দেশে সফর হওয়া উচিত।
২. অনূর্ধ্ব-১৯ এর পরের ধাপই সবচেয়ে কঠিন ধাপ। এক্ষেত্রে, অনূর্ধ্ব-২১ অথবা অনূর্ধ্ব-২৩ লীগ হতে পারে, যেখানে ৪ দিনের ম্যাচ, ওডিআই, টি-২০ থাকবে।
৩. অনূর্ধ্ব-২১ বা অনূর্ধ্ব-২৩ এর ভালো পারফরম্যান্স এর ভিত্তিতে ঘরোয়া এনসিএল,বিসিএল, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ, ঘরোয়া টি-২০ লীগ, বিপিএল এ চান্স পাবে।
৪. ঘরোয়া এনসিএল,বিসিএল, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ, ঘরোয়া টি-২০ লীগ, বিপিএল এর ভালো পারফরম্যান্স এর ভিত্তিতে নিয়মিত 'এ' দলের সিরিজ হবে। চেষ্টা থাকা উচিত SENA দেশে, উইন্ডিজে সফর বেশি হবে, ভারত 'এ' দলের বিপক্ষে সিরিজ হবে। বছরে অন্তত: ৩টি 'এ' দলের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ হবে।
ডিপিএল এর পারফরম্যান্স এর ভিত্তিতে ৩ টা দলের ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট করা উচিত, যেখানে প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে ৩ টা করে ম্যাচ খেলে ফাইনাল খেলবে। এই ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট থেকে 'এ' টীম করে বিদেশে বিশেষ করে সিনা কান্ট্রিতে সফর করানো উচিত। সেখান থেকে জাতীয় দলে। ধীরে ধীরে প্লেয়ারদের competitive করতে হবে। স্কিল নিয়ে কাজ করাতে হবে। বিশ্ব মানের হাই পারফরম্যান্স সেন্টার গড়ে তুলতে হবে।
এনসিএল থেকে বিসিএল। তারপর বিসিএল এর পারফরম্যান্স এর ভিত্তিতে ২ টি টীম হবে। তারপর ৫টি ৪ দিনের ম্যাচ হবে। বগুড়ায় ডিউক বলে ২ টি ম্যাচ, চট্টগ্রামে কোকাবুড়া বলে ১টি ম্যাচ ও ১ টি গোলাপী বলে ৪ দিনের ম্যাচ। সিলেটে এসজি বলে ১টি ম্যাচ হবে। সেখান থেকে 'এ' দল হবে। 'এ' দলের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এর ভিত্তিতে জাতীয় দলে।
৫. 'এ' দলের হয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এর ভিত্তিতে জাতীয় দলে জায়গা পাবে। জাতীয় দলে খারাপ পারফরম্যান্স করলে 'এ' দলে ফিরে যাবে।
৬. অনূর্ধ্ব-১৯ থেকে প্রতিটি ধাপে অ্যানালিস্ট থাকবে এবং বিসিবি প্রত্যেক প্লেয়ারদের তথ্য সংরক্ষণ করবে এবং ওপেন করে দিবে।
৭. প্লেয়ারদের ২ বছর টানা ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্স এর পর কেন্দ্রীয় চুক্তি এবং বেতন পাবে। এই দুই বছরে নির্দিষ্ট কয়েকটি ম্যাচে খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচ ফি পাবে না। মানে ১ ইনিংস ভালো করলে পরের ২ ইনিংস পর্যন্ত পুরো ম্যাচ ফি পাবে।
৮. ১ম ডিভিশন, ২য় ডিভিশন, ৩য় ডিভিশন এর ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্স এর ভিত্তিতে ঘরোয়া দলে চান্স পাবে।
৯. নিয়মিত ভাবে আনর্থোডক্স স্পিন এবং পেসার হান্ট হবে।
১০. প্রাথমিকভাবে ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবের মাঠকে যেমন: মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, ব্রাদার্স ক্লাব, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের মাঠকে অস্থায়ী একাডেমী করা। তারপর মিরপুর বেড়িবাঁধ, পূর্বাচল, সাভারে অন্ততঃ একটি করে ক্রিকেট একাডেমি এবং বিভাগীয় শহরে অন্ততঃ ১ টি করে উন্নতমানের একাডেমী তৈরি করা। ধারাবাহিকভাবে ধীরে ধীরে প্রত্যেকটি জেলায় একাডেমী তৈরি করা।
সর্বোপরি স্পোর্টিং উইকেটে খেলানো।
এসব না পারলে, আমরা আজীবন বলতে থাকবো জয়সোয়ালরা পারে, আমাদের তানজীদ তামিম, জয়রা কেন পারে না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Shahabagh Road
Dhaka
SHAHABAGH