Arabi & Arian Media

Arabi & Arian Media

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Arabi & Arian Media, Sport & recreation, Uttara, Dhaka.

সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা: সিআরপিসির ১৭টি ধারায় কী কী কথা বলা আছে 18/09/2024

সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা: সিআরপিসির ১৭টি ধারায় কী কী কথা বলা আছে
প্রথম আলো, আসাদুজ্জামান ঢাকা
আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৪: ৪৩

সেনাবাহিনীকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার। এ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গতকাল মঙ্গলবারের এক প্রজ্ঞাপনে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়। এতে জানানো হয়, ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১৭টি ধারা প্রয়োগের ক্ষমতা পেয়েছেন সেনা কর্মকর্তারা। ধারাগুলো হলো ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫ (২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের সাবেক প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ এহসানুল হক সমাজী প্রথম আলোকে বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সিআরপিসির বিধান অনুযায়ী সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এখন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

দেখে নেওয়া যাক সিআরপিসির ওই ধারাগুলোয় কী বলা আছে, কোন কোন অপরাধ এর আওতাভুক্ত।

সিআরপিসির ৬৪ ধারা: এ ধরায় ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সংঘটিত অপরাধের বিষয়ে বলা আছে। এই ধারার ভাষ্য হচ্ছে, যখন ম্যাজিস্ট্রেট দেখতে পান, তাঁর সামনে কোনো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, তখন তিনি অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে পারেন অথবা গ্রেপ্তারের আদেশ দিতে পারেন।

সিআরপিসির ৬৫ ধারা: এ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অথবা তাঁর উপস্থিতিতে গ্রেপ্তারের বিষয় বর্ণনা করা হয়েছে। ৬৫ ধারার ভাষ্য, বিচারের জন্য গ্রহণ করার পর তিনি তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। অথবা তাঁকে তিনি গ্রেপ্তারের হুকুম দিতে পারেন।

সিআরপিসির ৮৩ ধারা: এ ধারার ভাষ্য, যখন কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেওয়া আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরে কার্যকর করা দরকার, তখন আদালত পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশ না দিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলার পুলিশ সুপার বা পুলিশ কমিশনার বরাবর ডাকযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পাঠাতে পারবেন। অর্থাৎ যে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবেন, তিনি পরোয়ানা কার্যকর করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তার ওপর দায়িত্ব দিতে পারেন। আবার যাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে, তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেটের এলাকার বাইরের লোক হন, তখন পরোয়ানা সংশ্লিষ্ট এলাকার ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ সুপার বা পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠাবেন।

সিআরপিসির ৮৪ ধারা: এ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের বাইরের এলাকায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের বিধান বর্ণনা করা হয়েছে। ৮৪ ধারার ভাষ্য হচ্ছে, বাইরের এলাকার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সংশ্লিষ্ট এলাকার ম্যাজিস্ট্রেট অথবা উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের অনুমোদন নেবেন। এ অনুমোদন দেওয়া হলে ধরে নেওয়া হবে, যাঁরা অনুমোদন দিয়েছেন, তাঁরা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার আদেশ দিয়েছেন।

সিআরপিসির ৮৬ ধারা: এ ধারায় গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হাজির করার পর ম্যাজিস্ট্রেট যে পদ্ধতি অনুসরণ করবেন, সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। ৮৬ ধারার ভাষ্য, বাইরের এলাকায় গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিকে ওই এলাকার ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর যে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন, সেই আদালতে তাঁকে পাঠাতে হবে। জামিন, মুচলেকা ইত্যাদির বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট আইন মোতাবেক আদেশ দিতে পারবেন।

সিআরপিসির ৯৫ (২) ধারা: এ ধারার ভাষ্য হচ্ছে, কেবল ম্যাজিস্ট্রেটরা ডাক বা টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষকে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে দলিল অর্পণ করতে বলতে পারেন। একই সঙ্গে ডাক ও টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষ দ্বারা ওই সব বস্তুর জন্য তল্লাশি পরিচালনা বা আটক করতে পারেন।

সিআরপিসির ১০০ ধারা: এ ধারায় অন্যায়ভাবে যাঁদের আটক করা হয়েছে, তাঁদের উদ্ধার করার বিষয়ে বিধান কী, তা বলা আছে। এ ধারার ভাষ্য, যখন কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এমন বিশ্বাস করার কারণ ঘটে যে কোনো ব্যক্তিকে এমন পরিস্থিতিতে আটক রাখা হয়েছে, যাতে আটক রাখা অপরাধে পরিণত হয়। তখন ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে উদ্ধারে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। পরোয়ানা অনুযায়ী তল্লাশির পর যদি আটক ব্যক্তিকে পাওয়া যায়, তাহলে তাঁকে অবিলম্বে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হাজির করতে হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী তিনি প্রয়োজনীয় আদেশ দেবেন।

সিআরপিসির ১০৫ ধারা: এ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তল্লাশির বিধান বর্ণনা করা আছে। সিআরপিসির ১০৫ ধারার ভাষ্য হচ্ছে, নিজের উপস্থিতিতে তল্লাশি করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটে আদেশ দিতে পারেন। যে স্থান তল্লাশির জন্য তিনি হুকুম দিতে পারেন, সেই স্থানে তল্লাশির সময় সশরীর উপস্থিত থাকতে পারেন।

সিআরপিসির ১০৭ ধারা: এ ধারায় শান্তি রক্ষা ও সদাচরণে মুচলেকার বিষয় বলা আছে। সিআরপিসির ১০৭ ধারার ভাষ্য, যখন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয় যে কোনো ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ করতে পারেন বা সর্বসাধারণের প্রশান্তি বিনষ্ট করতে পারেন বা এমন কোনো কাজ করতে পারেন, যাতে শান্তি ভঙ্গ হতে পারে, তখন ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন, তাহলে ওই ব্যক্তিকে শান্তি রক্ষার জন্য এক বছরের অনধিক সময়ের মুচলেকা দেওয়ার জন্য কারণ দর্শাতে বলতে পারেন।

সিআরপিসির ১০৯ ধারা: এ ধারায় ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির সদাচরণের বিধান বর্ণনা করা হয়েছে। সিআরপিসির ১০৯ ধারার ভাষ্য, যখন কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খবর পান যে কোনো ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন করার জন্য সতর্কতা অবলম্বন করছেন অথবা যাঁর জীবিকা নির্বাহ করার কোনো প্রকাশ্য পন্থা নেই, তখন ম্যাজিস্ট্রেট ওই ব্যক্তিকে এক বছরের অনধিককালের জন্য মুচলেকা দেওয়ার কারণ দর্শাতে বলতে পারবেন। অর্থাৎ এ ধারা প্রয়োগ হবে, যখন কোনো ব্যক্তি অপরাধ করার জন্য লুকিয়ে থাকার চেষ্টায় লিপ্ত থাকেন অথবা জীবিকা অর্জনের প্রকাশ্য ব্যবস্থা নেই।

সিআরপিসির ১১০ ধারা: এ ধারায় অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণে মুচলেকার বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে। সিআরপিসির ১১০ ধারার ভাষ্য, যখন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট খবর পান, তাঁর এখতিয়ারসীমার মধ্যে অভ্যাসগত দস্যু, গৃহভঙ্গকারী, চোর বা জালিয়াত অথবা চোরাই মাল গ্রহণকারী অথবা চোরদের আশ্রয় দিয়ে থাকেন অথবা চোরাই মাল গোপন বা হস্তান্তর করতে সাহায্য করেন অথবা অভ্যাসগতভাবে অপহরণ, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের মতো অপরাধ করেন বা চেষ্টা করেন অথবা সহায়তা দেন অথবা অভ্যাসগতভাবে শান্তিভঙ্গ–সম্পর্কিত অপরাধ করেন বা করার চেষ্টা করেন বা সহায়তা করেন, তখন ওই ব্যক্তিকে তিন বছরের অনধিককালের জন্য মুচলেকা দেওয়ার আদেশ কেন দেওয়া হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলতে পারবেন। অর্থাৎ যাঁরা অভ্যাসগতভাবে বারবার চুরি, ডাকাতি, অপহরণ, প্রতারণার কাজে লিপ্ত হন, তাঁদের কাছ থেকে মুচলেকা নেবেন ম্যাজিস্ট্রেট।

সিআরপিসির ১২৬ ধারা: এ ধারায় জামিনদারদের অব্যাহতির বিধান বর্ণনা করা হয়েছে। সিআরপিসির ১২৬ ধারার ভাষ্য, কোনো ব্যক্তির শান্তিপূর্ণ আচরণ বা সদাচরণের জন্য কোনো জামিনদার যেকোনো সময় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সম্পাদিত কোনো মুচলেকা বাতিলের আবেদন করতে পারবেন। এমন আবেদন পাওয়ার পর যে ব্যক্তির জন্য জামিনদার দায়ী, তাঁকে হাজির হওয়ার বা হাজির করার জন্য সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন ম্যাজিস্ট্রেট। অর্থাৎ অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষে যিনি জামিনদার হন, তাঁর ওপর কিছু দায়িত্ব বর্তায়। যদি তিনি মনে করেন, তাঁর পক্ষে দায়িত্ব পালন সম্ভব নয়, তখন আদালতের কাছে আবেদন করতে পারেন।

সিআরপিসির ১২৭ ধারা: এ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশের আদেশে জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গসংক্রান্ত বিধান বর্ণনা করা হয়েছে। কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোনো থানার ওসি কোনো বেআইনি সমাবেশ অথবা সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ ঘটাতে পারে—এমন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে কোনো সমাবেশ ছত্রভঙ্গ হওয়ার আদেশ দিতে পারেন।

সিআরপিসির ১২৮ ধারা: এ ধারায় জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য বেসামরিক শক্তি প্রয়োগের বিধান বর্ণিত হয়েছে। সিআরপিসির ১২৮ ধারার ভাষ্য হচ্ছে, আদেশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও যদি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ না হয় অথবা ছত্রভঙ্গ না হওয়ার সংকল্প প্রকাশ পায়, তাহলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা থানার ওসি বলপূর্বক সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য অগ্রসর হতে পারবেন। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের আটক কিংবা গ্রেপ্তারও করা যাবে।

সিআরপিসির ১৩০ ধারা: এ ধারার ভাষ্য, যখন কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ কমিশনার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা কমিশনপ্রাপ্ত নন এমন কর্মকর্তা, যিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোনো সেনাদলের দায়িত্বপ্রাপ্ত, তাঁকে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার কাজে এবং গ্রেপ্তার ও আটক করার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। প্রয়োজনবোধে সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য অথবা শাস্তি দেওয়ার জন্য তাঁদের গ্রেপ্তার বা আটক করাতে পারবেন। অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিরক্ষা বাহিনীর শক্তি প্রয়োগের দ্বারা সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে চাইলে তিনি সামরিক কর্মকর্তাকে আহ্বান করতে পারেন। সামরিক কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ অনুযায়ী, আদেশ অমান্যকারীদের গ্রেপ্তার ও আটক করতে পারেন। তবে তাঁরা শক্তি প্রয়োগের ব্যাপারে খুবই রক্ষণশীল হবেন।

সিআরপিসির ১৩৩ ধারা: এ ধারার ভাষ্য হচ্ছে, যখন কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ প্রতিবেদন বা অন্য কোনো সংবাদ পান যে জনসাধারণ আইনসংগতভাবে ব্যবহার করছেন বা করতে পারেন—এমন কোনো পথ, নদী বা খাল থেকে সর্বসাধারণের ব্যবহার্য কোনো স্থান থেকে বেআইনি বিঘ্ন বা উপদ্রব অপসারণ প্রয়োজন অথবা কোনো ব্যবসা বা পেশা পরিচালনায় অথবা কোনো মালপত্র বা পণ্যদ্রব্য রাখা স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য বা শারীরিক আরাম-আয়েশের পক্ষে ক্ষতিকর, সে জন্য এমন ব্যবসা বা পেশা নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত হওয়া প্রয়োজন অথবা এমন মালপত্র বা পণ্যদ্রব্য অপসারণ হওয়া দরকার অথবা কোনো ঘরের নির্মাণকাজে অথবা কোনো ঘরে, তাঁবু বা কাঠামো বা কোনো গাছ এমন অবস্থায় রয়েছে, যা পড়ে যেতে পারে; যাতায়াতকারীদের ক্ষতির কারণ ঘটাতে পারে, যে কারণে ঘর বা তাঁবু অপসারণ বা গাছ অপসারণ বা ঠেকা দেওয়া প্রয়োজন অথবা জনসাধারণের বিপদ থেকে নিবারণের জন্য কোনো পথ বা সর্বসাধারণের ব্যবহার করা স্থানের কাছে পুষ্করিণী, কূপ বা খন্দকের চারদিকে বেড়া প্রয়োজন অথবা কোনো বিপজ্জনক প্রাণী বিনষ্ট, আটক বা অন্য কোনোভাবে বিলি-ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, তখন ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তি বাধা অথবা উপদ্রব সৃষ্টি করছেন অথবা এমন ব্যবসা বা পেশা চালাচ্ছেন অথবা এমন মালপত্র বা পণ্যদ্রব্য রাখিয়েছেন অথবা ঘর, তাঁবু, কূপের মালিক দখলদারদের ওই সব বাধা অপসারণ করার আদেশ দিতে পারবেন।

সিআরপিসির ১৪২ ধারা: সিআরপিসির ১৪২ ধারার ভাষ্য হচ্ছে, ১৩৩ ধারা অনুসারে আদেশ দেওয়ার সময় ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন, জনসাধারণের প্রতি গুরুতর রকমের আসন্ন বিপদ বা ক্ষতি প্রতিরোধে দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন, তাহলে তিনি মীমাংসা সাপেক্ষে বিপদ মোকাবিলা বা ক্ষতি প্রতিরোধে জন্য যেরূপ প্রয়োজন, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ হয়েছে, তাঁর সেরূপ আদেশ জারি করবেন। এরপরও যদি আদেশ না মানেন, তখন বিপদ মোকাবিলা বা ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট যেরূপ ভালো মনে করেন, নিজে সেরূপ পন্থা অবলম্বন করবেন অথবা অবলম্বন করাবেন। এই ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সরল বিশ্বাসে করা কোনো কাজের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা চলবে না।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, দেশে বর্তমানে কিছু কিছু এলাকায়, বিশেষ করে শিল্পাঞ্চলগুলোয় নাশকতা ও দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের মতো কর্মকাণ্ড ঘটছে বলে সরকার লক্ষ করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির উন্নতি এবং অপতৎপরতা মোকাবিলার জন্য সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সীমিত সময়ের জন্য এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে সেনাবাহিনীর এমন দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয়তা আর থাকবে না।

সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা: সিআরপিসির ১৭টি ধারায় কী কী কথা বলা আছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১৭টি ধারা প্রয়োগ...

10/09/2024

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর উন্নয়ন

সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি খতিয়ে দেখা হচ্ছে
মূল কাজ শুরুই হয়নি, দফায় দফায় বাড়ছে খরচ মোট ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২৪ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা

যুগান্তর, হামিদ-উজ-জামান
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ
খতিয়ে দেখা হচ্ছে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরে ৬ হাজার ৫৭৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব। প্রকল্প গ্রহণের প্রায় সাড়ে ৪ বছরের মাথায় কেন এত বিপুল পরিমাণ খরচ বাড়ানো হচ্ছে সেটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। এদিকে প্রকল্পের আওতায় এখনো মূল পূর্ত কাজই শুরু হয়নি। এ অবস্থায় ‘মাতারবাড়ী পোর্ট ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাব ফেরত দেওয়া হয়েছে। অনুমোদনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এখন নতুন করে ব্যয় প্রস্তাব পর্যালোচনা করবে পরিকল্পনা কমিশন।

সদ্য পতন হওয়া আওয়ামী লীগ সরকারের শেষদিকে এটি সংশোধনের প্রক্রিয়া শেষ হয়। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই দফায় দফায় এই ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন উঠে। ফলে ঢালাও অনুমোদন না দিয়ে প্রকৃতপক্ষে এত টাকার প্রয়োজন কিনা এবং কেন বাড়ছে সেসব নিয়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, প্রকল্পটি গ্রহণের স্বল্প সময়ের মধ্যে একবার ব্যয় বাড়ানো হয়েছিল প্রায় ১০০ কোটি টাকা। এবার দ্বিতীয় দফায় বিপুল অঙ্কের টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়ায় এখানে কোনো ঘাপলা আছে কিনা সেটি আরও কঠোরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এরই মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একনেকে (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি) অনুমোদনের সুপারিশ দিয়েছিল পরিকল্পনা কমিশন। কিন্তু এতে সন্তুষ্ট নয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আবারও নতুন করে পর্যালোচনা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তারা আরও বলেছেন, এক্ষেত্রে যেসব কম্পোনেন্ট প্রকৃতপক্ষেই প্রকল্পের জন্য অপরিহার্য সেসব দেখা হবে। পাশাপাশি কম গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বাদ দেওয়া হতে পারে।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ও শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির সদস্য ড. জাহিদ হোসেন শনিবার যুগান্তরকে বলেন, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা দুজনেই এর আগে বলেছেন পুরো উন্নয়ন কর্মসূচিই পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। তবে গভীর সমুদ্রবন্দর দীর্ঘমেয়াদি এবং কারিগরি দিক থেকে জটিল প্রকল্প। এটির বাস্তবায়ন অত সোজা নয়। বর্তমান আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে এত বড় প্রকল্প এই মুহূর্তে বাস্তবায়ন করার প্রয়োজন আছে কিনা সেটিও পর্যালোচনার দাবি রাখে। কেননা এই টাকা অন্য কোনো খাতে ব্যয় করে গভীর সমুদ্রবন্দরের চেয়ে বেশি সুফল এলে সেটিই করা জরুরি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ প্রকল্পটি রুটিন রিভিউ করলে কোনো লাভ হবে না। যেটি হবে তা হলো, ‘যে লাউ সেই কদু’। তাই বড় প্রকল্পসহ পুরো এডিপি নির্মোহ পর্যালোচনার জন্য তৃতীয় পক্ষের দরকার। যাদের এক্ষেত্রে কোনো স্বার্থ থাকবে না। তারা নিরপেক্ষ পর্যালোচনা করবে।

জানা যায়, ‘মাতারবাড়ী পোর্ট ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পটির মূল অনুমোদিত ব্যয় ছিল ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) ঋণ ১২ হাজার ৮৯২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, সরকারি তহবিলের ২ হাজার ৬৭১ কোটি ১৫ লাখ এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তহবিল থেকে ২ হাজার ২১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা। কিন্তু এরই মধ্যে প্রকল্পটির প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রায় শতকোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে মোট ব্যয় করা হয় ১৭ হাজার ৮০৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

এবার দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে ৬ হাজার ৫৭৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ২৪ হাজার ৩৮১ কোটি ৪০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। সেই সঙ্গে প্রকল্পের মূল মেয়াদ ছিল ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এখন নতুন করে ৩ বছর বাড়িয়ে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়।

প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনীর কারণ প্রসঙ্গে প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, বন্দর কর্তৃপক্ষ অংশে শুধু ডলারের দাম বাড়ায় অতিরিক্ত খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে ১ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। এছাড়া সিডি ভ্যাট, পোর্ট চার্জ, ভূমি অধিগ্রহণ, কন্টিনজেন ফি, পরামর্শক ফিসহ রাজস্ব খাতে বেশকিছু অংশে ব্যয় বেড়েছে। এসব নানা কারণে বন্দর নির্মাণ অংশে ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে ২ হাজার ৪৬৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

এদিকে সড়ক ও জনপথ অংশে প্রাথমিকভাবে সড়ক ও মহাসড়ক নির্মাণের যে লক্ষ্য ছিল পরে সেটি ডিটেইল ডিজাইনে পরিবর্তন করা হয়। এক্ষেত্রে সড়ক নির্মাণের পরিমাণ কমে গিয়ে সেতু নির্মাণ কাজ বেড়ে যায়। ফলে এ অংশের ব্যয় বেড়েছে ৬৭৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এছাড়া মূল ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) তৈরি হয়েছিল ২০১৮ সালের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের রেট শিডিউল অনুযায়ী। কিন্তু এখন হালনাগাদ ২০২২ সালের রেট শিডিউল ধরায় পূর্ত কাজের ব্যয় বাড়ছে ১ হাজার ৯১৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

এখানে ডলারের দাম বাড়ায় বৃদ্ধি পাচ্ছে ৪৬১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। আরও জানা যায়, রেট শিডিউল পরিবর্তন হওয়ায় নির্মাণ সাইট ‘বি’ ক্যাটাগরির হওয়ায় প্রতিটি আইটেমের রেটের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত মূল্য হিসাবে ৯০৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা বেড়ে যাচ্ছে। এছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ ৩ বছর বেড়ে যাওয়ায় শুধু পরামর্শক খাতেই বাড়বে ৮৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

প্রকল্পের বাস্তবায়ন অবস্থা সম্পর্কে জানা যায়, মে মাস পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় ক্রমপুঞ্জিত ব্যয় হয়েছে ৭১০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে আর্থিক অগ্রগতি দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ। তবে প্রকল্পের মূল পূর্ত কাজ শুরু না হওয়ায় বাস্তব অগ্রগতি এখনো শূন্য শতাংশ।

একনেক সভার জন্য তৈরি করা কার্যপত্রে মতামত দিয়েছেন পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সাবেক সদস্য ও বর্তমান কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়া। সেখানে তিনি বলেছেন, সংযোগ সড়কসহ কক্সবাজারের মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ হলে মাদার ভেসেলগুলো সরাসরি বন্দরে নোঙ্গর করতে পারবে। ফলে কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়া ভবিষ্যতে এই বন্দর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চাহিদা মেটানো এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে দ্রুত বন্দর সেবা দিতে পারবে। এসব দিক বিবেচনা করে পিইসি সভার সিদ্ধান্ত প্রতিপালন করায় একনেকে অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে।

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর উন্নয়ন

07/08/2024

সেনাবাহিনীর ক্যাম্পসমূহের সাথে যোগাযোগের নম্বর
যেকোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, হানাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকির সম্মুখীন হলে নিকটস্থ সেনাবাহিনী ক্যাম্পে জানানোর জন্য জনসাধারণকে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

বুধবার আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)-এর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়। তবে, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও গুজবে আতঙ্কিত হয়ে সেনাবাহিনীকে বিভ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকতেও এতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বরিশাল বিভাগ:

১। বরিশাল: ১।০১৭৬৯০৭২৫৫৬, ০১৭৬৯০৭২৪৫৬; ২। পটুয়াখালী ০১৭৬৯০৭৩১২০, ০১৭৬৯০৭৩১২২; ৩। ঝালকাঠি ০১৭৬৯০৭২১০৮, ০১৭৬৯০৭২১২২; ৪। পিরোজপুর ০১৭৬৯০৭৮২৯৮, ০১৭৬৯০৭৮৩০৮।

চট্টগ্রাম বিভাগ:

১। নোয়াখালী ০১৬৪৪-৪৬৬০৫১, ০১৭২৫-০৩৮৬৭৭; ২। চাঁদপুর ০১৮১৫-৪৪০৫৪৩, ০১৫৬৮-৭৩৪৯৭৬; ৩। ফেনী ০১৭৬৯-৩৩৫৪৬১, ০১৭৬৯-৩৩৫৪৩৪; ৪। লক্ষীপুর ০১৭২১-৮২১০৯৬, ০১৭০৮৭৬২১১০; ৫। কুমিল্লা ০১৩৩৪-৬১৬১৫৯, ০১৩৩৪-৬১৬১৬০; ৬। ব্রাক্ষণবাড়ীয়া ০১৭৬৯-৩২২৪৯১, ০১৭৬৯-৩৩২৬০৯; ৭। কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং সাতকানিয়া উপজেলা ০১৭৬৯১০৭২৩১, ০১৭৬৯১০৭২৩২; ৮। চট্টগ্রাম (লোহাগড়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং সাতকানিয়া উপজেলা ব্যতিত) ০১৭৬৯২৪২০১২, ০১৭৬৯২৪২০১৪।

ঢাকা বিভাগ:

১। মাদারীপুর ০১৭৬৯০৭২১০২, ০১৭৬৯০৭২১০৩; ২। কিশোরগঞ্জ ০১৭৬৯১৯২৩৮২, ০১৭৬৯২০২৩৬৬; ৩। টাঙ্গাইল ০১৭৬৯২১২৬৫১, ০১৭৬৯২১০৮৭০; ৪। গোপালগঞ্জ ০১৭৬৯-৫৫২৪৩৬, ০১৭৬৯-৫৫২৪৪৮; ৫। রাজবাড়ী ০১৭৬৯-৫৫২৫১৪, ০১৭৬৯-৫৫২৫২৮; ৬। গাজীপুর ০১৭৮৫৩৪৯৮৪২, ০১৭৬৯০৯২১০৬; ৭। মুন্সিগঞ্জ ০১৭৬৯০৮২৭৯৮, ০১৭৬৯০৮২৭৮৪; ৮। মানিকগঞ্জ ০১৭৬৯০৯২৫৪০, ০১৭৬৯০৯২৫৪২; ৯। নারায়ণগঞ্জ ০১৭৩২০৫১৮৫৮; ১০। নরসিংদী ০১৭৬৯০৮২৭৬৬, ০১৭৬৯০৮২৭৭৮; ১১। শরিয়তপুর ০১৭৬৯০৯৭৬৬০, ০১৭৬৯০৯৭৬৫৫; ১২। ফরিদপুর ০১৭৬৯০৯২১০২, ০১৭৪২৯৬৬১৬২।

ঢাকা মহানগর:

১। ঢাকার লালবাগ, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আগারগাঁও, মহাখালী, তেজগাঁও, এ্যালিফেন্ট রোড এবং কাঁটাবন ০১৭৬৯০৫১৮৩৮, ০১৭৬৯০৫১৮৩৯; ২। ঢাকার গুলশান, বারিধারা, বনানী, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা, শাহজাহানপুর, উত্তরখান, দক্ষিণখান এবং বনশ্রী ০১৭৬৯০১৩১০২, ০১৭৬৯০৫৩১৫৪; ৩। ঢাকার মিরপুর-১ হতে মিরপুর-১৪, খিলক্ষেত, উত্তরা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ০১৭৬৯০২৪২১০, ০১৭৬৯০২৪২১১; ৪। ঢাকার মতিঝিল, সেগুনবাগিচা, কাকরাইল, শান্তিনগর, ইস্কাটন, রাজারবাগ, পল্টন, গুলিস্তান এবং পুরান ঢাকা ০১৭৬৯০৯২৪২৮, ০১৭৬৯০৯৫৪১৯।

ময়মনসিংহ বিভাগ:

১। শেরপুর ০১৭৬৯২০২৫১৬, ০১৭৬৯২০২৫২৪; ২। নেত্রকোণা ০১৭৬৯২০২৪৭৮, ০১৭৬৯২০২৪৪৮; ৩। জামালপুর ০১৭৬৯১৯২৫৪৫, ০১৭৬৯১৯২৫৫০; ৪। ময়মনসিংহ ০১৭৬৯২০৮১৫১, ০১৭৬৯২০৮১৬৫।

খুলনা বিভাগ:

১। বাগেরহাট ০১৭৬৯০৭২৫১৪, ০১৭৬৯০৭২৫৩৬; ২। কুষ্টিয়া ০১৭৬৯-৫৫২৩৬২, ০১৭৬৯-৫৫২৩৬৬; ৩। চুয়াডাঙ্গা ০১৭৬৯-৫৫২৩৮০, ০১৭৬৯-৫৫২৩৮২; ৪। মেহেরপুর ০১৭৬৯-৫৫২৩৯৮, ০২৪৭৯৯২১১৫৩; ৫। নড়াইল ০১৭৬৯-৫৫২৪৫৬, ০১৭৬৯-৫৫২৪৫৭; ৬। মাগুরা ০১৭৬৯-৫৫৪৫০৫, ০১৭৬৯-৫৫৪৫০৬; ৭। ঝিনাইদহ ০১৭৬৯-৫৫২১৫৮, ০১৭৬৯-৫৫২১৭২; ৮। যশোর ০১৭৬৯-৫৫২৬১০, ০১৭৬৯-০০৯২৪৫; ৯। খুলনা ০১৭৬৯-৫৫২৬১৬, ০১৭৬৯-৫৫২৬১৮; ১০। সাতক্ষীরা ০১৭৬৯-৫৫২৫৩৬, ০১৭৬৯-৫৫২৫৪৮।

রাজশাহী বিভাগ:

১। রাজশাহী ০১৭৬৯১১২৩৮৬, ০১৭৬৯১১২৩৮৮; ২। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ০১৭৬৯১১২০৭০, ০১৭৬৯১১২৩৭২; ৩। পাবনা ০১৭৬৯১২২৪৭৮, ০১৭৬৯১১২৪৮০; ৪। সিরাজগঞ্জ ০১৭৬৯১২২৪৬২, ০১৭৬৯১২২২৬৪; ৫। নাটোর ০১৭৬৯১১২৪৪৬, ০১৭৬৯১১২৪৪৮; ৬। নওগাঁ ০১৭৬৯১২২১১৫, ০১৭৬৯১২২১০৮; ৭। জয়পুরহাট ০১৭৬৯১১২৬৩৪; ৮। বগুড়া ০১৭৬৯১১২৫৯৪, ০১৭৬৯১১২১৭০।

রংপুর বিভাগ:

১। রংপুর ০১৭৬৯৬৬২৫৫৪, ০১৭৬৯৬৬২৫১৬; ২। দিনাজপুর ০২৫৮৯৯২১৪০০, ০২৫৮৯৬৮২৪১৪; ৩। নীলফামারী ০১৭৬৯৬৮২৫০২, ০১৭৬৯৬৮২৫১২; ৪। লালমনিরহাট ০১৭৬৯৬৮২৩৬৬, ০১৭৬৯৬৮২৩৬২; ৫। কুড়িগ্রাম ০১৭৬৯৬৬২৫৩৪, ০১৭৬৯৬৬২৫৩৬; ৬। ঠাকুরগাঁও ০১৭৬৯৬৬৬০৬২, ০১৭৬৯৬৭২৬১৬; ৭। পঞ্চগড় ০১৯৭৩০০০৬৬২, ০১৭৬৯৬৬২৬৬১; ৮। গাইবান্ধা ০১৬১০৬৫২৫২৫, ০১৭৫৪৫৮৫৪৮৬।

সিলেট বিভাগ:

১। সিলেট ০১৭৬৯১৭৭২৬৮, ০১৯৮৭৮৩৩৩০১; ২। হবিগঞ্জ ০১৭৬৯১৭২৫৯৬, ০১৭৬৯১৭২৬১৬; ৩। সুনামগঞ্জ ০১৭৬৯১৭২৪২০, ০১৭৬৯১৭২৪৩০; ৪। মৌলভীবাজার ০১৭৬৯১৭৫৬৮০, ০১৭৬৯১৭২৪০০।

15/05/2024

১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল অদ্য প্রকাশিত। মোট পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১৩,৪০,৮৩৩ জন। পাস করেছে ৪,৭৯,৯৮১ জন। সার্বিক পাসের গড় হার ৩৫.৮০%।

15/05/2024

এসি কেবিন সমাচার........ ❤️
আগামী ২৬ মে থেকে দেশে প্রথমবারের বানিজ্যিক ভাবে যাত্রা শুরু করবে কোরিয়ান এসি কেবিন কোচ সমূহ। 😊
কক্সবাজার এক্সপ্রেস, তূর্ণা এক্সপ্রেস, মহানগর গোধূলি/প্রভাতী এক্সপ্রেস, সুবর্ন এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, পর্যটক এক্সপ্রেস এই ০৬ ট্রেনে যুক্ত হবে সমান ০৩টি করে মোট ১৮ টি কোরিয়ান এসি কেবিন কোচ।
এইসব এসি কেবিনের সিটপ্লান নিয়েই এই লেখা......
প্রতিটি কোচে মোট ০৭ টা করে কেবিন থাকবে।
√ দিনের হিসেবে (এসি সিট) ০৪টা ডাবল কেবিন এবং তিনটা সিঙ্গেল কেবিন৷
ডাবল কেবিন এর সিট গুলো হলোঃ (১-২-৩; ৪-৫-৬) (৭-৮-৯; ১০-১১-১২) (২২-২৩-২৪; ২৫-২৬-২৭) (২৮-২৯-৩০; ৩১-৩২-৩৩)
সিঙ্গেল কেবিন এর সিট গুলো হলোঃ ১৩-১৪-১৫; ১৬-১৭-১৮; ১৯-২০-২১।
এসি সিট এর মধ্যে জানালার পাশের সিট নম্বর গুলো হলোঃ ১-৪-৭-১০-১৩-১৬-১৯-২২-২৫-২৮-৩১৷
√ রাতে ভ্রমনের সময় (এসি বার্থ) ০৫টি সিঙ্গেল কেবিন এবং ০২টি ডাবল কেবিন থাকবে৷
সিঙ্গেল কেবিন গুলো হলোঃ (১-২) (৭-৮) (৯-১০) (১১-১২) (১৭-১৮)
ডাবল কেবিন গুলো হলোঃ (৩-৪-৫-৬) (১৩-১৪-১৫-১৬)
এসি বার্থ এর লোয়ার কেবিন নম্বরগুলো হলোঃ ১-২-৩-৫-৭-৯-১১-১৩-১৫-১৭-১৮।
অনলাইনে সহজ ডট কম এর দেয়া সিটপ্লান দেখে কেউ বিভ্রান্ত হইয়েন না। 😊
কাপলদের সিঙ্গেল কেবিন- ডাবল কেবিন বিড়ম্বনা যে কতটা ভয়াবহ, সেটা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না। 🤐
ধন্যবাদ। 💞

11/05/2024

কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেনের বগি-ট্রিপ বাড়ানোর প্রস্তাব

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে সাময়িকভাবে চলা স্পেশাল ট্রেন নিয়মিত করার পাশাপাশি এর বগি ও ট্রিপ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারের কার্যালয়। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক বরাবর দেওয়া নতুন এই প্রস্তাবে স্পেশাল ট্রেনটিতে ১০টির পরিবর্তে ১৮টি বগি সংযোজন এবং দিনে দুইবারের পরিবর্তে চারবার যাতায়াতের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।

রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন- বিদ্যমান জনবল এবং লজিস্টিকস ব্যবহার করেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেনকে নিয়মিত করা, বগি ও ট্রিপ সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব। তাই বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারের কার্যালয়ের প্রস্তাবটি রেলভবন গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে বিপুল যাত্রী চাহিদা পূরণ হবে। পাশাপাশি রাজস্ব আদায়ের পরিমাণও বাড়বে।

রেলওয়ের সর্বশেষ টাইম টেবিল অনুযায়ী চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া ট্রেন চলার কথা। সূচি অনুযায়ী একটি ট্রেন (৮২১) সকাল ৭টায় চট্টগ্রাম ছেড়ে ১০টা ২০ মিনিটে কক্সবাজার পৌঁছাবে। ফিরতি ট্রেনটি (৮২২) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজার ছেড়ে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে আরেকটি ট্রেন (৮২৩) ছেড়ে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে কক্সবাজার পৌঁছাবে। সন্ধ্যা ৭টায় ফিরতি ট্রেনটি (৮২৪) কক্সবাজার ছেড়ে এসে রাত ১০টা ৫ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে।

তবে রেলপথ চালুর পাঁচমাসেও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নিয়মিত ট্রেন চালু না হওয়ায় এই সূচি বাস্তবায়ন করতে পারেনি রেলওয়ে। গত ঈদে চালু করা একটি স্পেশাল ট্রেনই কেবল সকাল ৭টায় চট্টগ্রাম ছেড়ে ১০টা ২০ মিনিটে কক্সবাজার পৌঁছায়। সারাদিন ট্রেনটি কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে বসে থাকে। এরপর সন্ধ্যা ৭টায় কক্সবাজার ছেড়ে রাত ১০টা ৫ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছায়। এখন এই স্পেশাল ট্রেনকেই টাইম ট্রেবিলে সাজানো সূচি অনুযায়ী দিনে চারবার চালানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান- দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন গত নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধনের পর প্রথম এই রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয় গত ১ ডিসেম্বর। বিপুল যাত্রী চাহিদা থাকলেও গত পাঁচ মাস ধরে এই রুটে চলাচল করছে মাত্র দুটি ট্রেন। তাও চলছে কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে। ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোকজন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের সুফল পাচ্ছেন না। এ নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয়দের। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন চালুর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।

এর বড় কারণ হচ্ছে- বিপুল চাহিদা থাকা সত্তে¡ও বিদ্যমান ব্যবস্থায় কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসে চড়ে প্রতিদিন চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পান মাত্র ১১৫ জন করে যাত্রী। ফলে এই রুটে স্বাভাবিক সময়েই ট্রেনের টিকিট পাওয়া যেন অনেকটা ‘সোনার হরিণ’ পাওয়ার সমান।

এমন বাস্তবতায় ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গত ৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে একটি ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়। ঈদের দিন বাদ দিয়ে সেটি চলে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ১৭ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত এই ট্রেন ফের চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। এখন এই মেয়াদ ২০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের স্পেশাল ট্রেনটি ১০/২০ লোড নিয়ে চলাচল করছে। ট্রেনটিতে সিট রয়েছে ৪৩৮টি। এটি চট্টগ্রামের ষোলশহর, জানালীহাট, পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও রামুতে যাত্রা বিরতি দেয়। চালুর পর থেকে গত ২৫ দিনে এই ট্রেন থেকে ৫১ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে।

27/04/2024

আহা মৃত্যুটা কি করুণ।

পুরুষ মানেই শত কষ্টের মাঝেও কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে হেসে খেলে পরিবারের কাছে ভালো থাকা। পুরুষ মানে অসুস্থ শরীরে কাজ করে পরিবারের চাহিদা মেটানো।একজন পুরুষ তার পরিবার আত্নীয় স্বজনদের চাহিদা মেটাতে না পারলেই সবচেয়ে অদক্ষ অযোগ্য হওয়া।একজন পুরুষ আপনজনকে একটু ভালো রাখার আশায় নিজের সবকিছু উজাড় করে দেয় । অতঃপর নিরব প্রস্থান । তীব্র তাবদাহে হিট স্ট্রোকে মৃত্যু । আহা পুরুষ আহা জীবন।

26/04/2024

৫০ ডিগ্রি হওয়ার পথে তাপমাত্রা।

30/06/2023

গ্রামের বাড়িতে একটু সবুজ দেখি।

30/06/2023

একটু সবুজ দেখি

28/06/2023

গাছে রাইড দি

28/06/2023

ঝুম বৃষ্টি

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Culinary Team

Attire

Telephone

Website

Address


Uttara
Dhaka
1230