10/07/2021
অনেক সময় আমাদের অনিচ্ছাসত্ত্বেও আমরা খারাপ ভিডিও দেখে ফেলি, নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারি না, প্রতিদিন ছেড়ে দিব বলেও আবার দেখি, নিজের প্রতি ঘৃণা হয়....
আজকের এই পোস্টটি আপনাদের জন্যই। আমার সীমিত জ্ঞান থেকে আপনাদের এই ঘৃণিত কাজ থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার কিছু আইডিয়া শেয়ার করব ইন শা আল্লাহ। মনে রাখবেন এটা হচ্ছে শয়তানের একটা ফাঁদ। শয়তান চায় আমরা কুকর্মে লিপ্ত থাকি সারাক্ষণ। আর এক্ষেত্রে আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে আমাদের গুনাহকে সওয়াবে রুপান্তর করা। মানে শয়তানের প্ররোচনায় গুনাহ করার পর এটার তওবা স্বরূপ আমরা কিছু নেক আমল করব। আর যখন শয়তান দেখবে যে আমাদের গুনাহের বিপরীতে নেক আমলের পাল্লা ভারী হয়ে যাচ্ছে তখন শয়তানই আমাদের সেই গুনাহের প্ররোচনা দেয়া কমিয়ে দিবে ইন শা আল্লাহ।
চলুন তবে শুরু করা যাক।
টিপস ১ঃ প্রতিদিন যতটা খারাপ ভিডিও দেখবেন ততবার ২ রাকাত নফল নামাজ পড়বেন। অর্থাৎ, ৫ টা খারাপ ভিডিও দেখলে ১০ রাকাত এরকম। আর অবশ্যই সিজদাতে গিয়ে মনে মনে আপনার কৃতকর্মের কথা আল্লাহকে বলে ক্ষমা চাওবেন।
টিপস ২ঃ যাদের জন্য টিপস ১ একটু কঠিন হয়ে যায় তাদের জন্য বিকল্প হলো এই টিপস। প্রতিদিন যতটা খারাপ ভিডিও দেখবেন তার বিনিময়ে প্রতিবার ১০০ বার করে "আস্তাগ'ফিরুল্ল-হ " পড়েবেন। অর্থাৎ, ৫ টা খারাপ ভিডিও দেখলে ৫০০ বার আস্তাগ'ফিরুল্ল-হ পড়বেন। এটা কিছুটা সহজ কেননা হাঁটা, বসা, শোয়া যেকোনো অবস্থায় আমরা এটা পড়তে পারি।
টিপস ৩ঃ এই দোয়া প্রতিদিন অবশ্যই পড়বেন জিকির হিসেবে কিংবা মুনাজাতে।
মন্দ কিছু শোনা, দেখা, বলা, অন্তরের খারাপি ও লজ্জাস্থানের অপব্যবহার হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য দোয়া -
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﺳَﻤْﻌِﻲ، ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﺑَﺼَﺮِﻱ، ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻟِﺴَﺎﻧِﻲ، ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻗَﻠْﺒِﻲ، ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ
ﻣَﻨِﻴِّﻲ
উচ্চারণ: আল্লহুম্মা ইন্নি- আঊ'জুবিকা মিং শাররি সামঈ', ওয়া মিন শাররি বাছোরি-, ওয়া মিং শাররি লিসা-নি-, ওয়া মিং শাররি ক্বলবি-, ওয়া মিং শাররি মানিয়্যয়ি-।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই মন্দ কিছু শোনা থেকে, মন্দ কিছু দেখা থেকে, মন্দ কিছু বলা থেকে, আমার লজ্জাস্থানের অপব্যবহার হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য।
(আবু দাউদ ১৫৫১, তিরমিযী ৩৪৯২, নাসাঈ ৫৪৪৪,৫৪৫৫)
টিপস ৪ঃ প্রতিদিন তওবা করবেন একদম মন থেকে। হয়ত আপনার মনে হতে পারে তওবা করে কি লাভ আমি তো আবার সেই খারাপ ভিডিও দেখি। কিন্তু এটাই সবচেয়ে বড় শয়তানের ধোঁকা। শয়তান আমাদের আল্লাহর ক্ষমার প্রতি নিরাশ করে দেয়। এতে আমরা তওবার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে আরো বেশি খারাপ কাজ করে বসি।
টিপস ৫ঃ বেশি বেশি ধর্ম নিয়ে ঘাটাঘাটি করুন। আল্লাহ আর নবীদের কাহিনী পড়ুন, ইসলামের ইতিহাস পড়ুন আর অবশ্যই দ্বীনি লোকদের সাথে চলাফেরা করুন।
ইন শা আল্লাহ এই অপকর্ম থেকে একদিন পুরো দুনিয়া পরিত্রাণ পাবেই।
06/04/2021
আমাদের কালেকশন গুলো দেখতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট অথবা ফোলো করুন আমাদের পেইজ।
আপনার জন্য আমরা সাজিয়েছি ১০ টি ভিন্ন কালারের ১৫০ এর অধিক ডিজাইনের সব টিশার্ট।
💁♂️লিঙ্কঃ
Products – OneUmmahBD
17/06/2020
আসসালামু আলাইকুম।
⛤দেশের সেরা মানের কটন টি-শার্টের অভিজ্ঞতা পেতে সংগ্রহ করুন আমাদের প্রিমিয়াম কোয়ালিটির দাওয়া টি-শার্ট।
⛤অর্ডার প্লেস করতে ইনবক্স করুণ, ডেলিভারি পাচ্ছেন সারা বাংলাদেশে।
13/06/2020
💠 আমরা যারা কোরানে হাফিজ হতে চাই অথবা নতুন সূরা মুখস্ত করতে চাই, নিচের নিয়ম পালন করতে পারি।
১) কেন মুখস্ত করবো? কি উদ্দেশ্য? এবং মুখস্ত করলে নিকট থেকে কিভাবে পুরস্কৃত হবেন তা অনুধাবন করুন।
২) পরিকল্পনা তৈরী করুন, কিভাবে মুখস্ত করবেন অথবা কিভাবে করলে সহজ হবে আপনার জন্য।
** পরিকল্পনা এমন হতে পারে-- সকালে ১ঘন্টা ও রাতে ১.৩০ঘন্টা মুখস্ত করার চেষ্টা (এর মধ্যে ৩০ মিনঃ রিভিশন থাকবে)
৩) নির্দিষ্ট একটি কুরআন রাখা পড়ার জন্য।
৪) ছোট সূরা দিয়ে পড়া শুরু করা।
৫) পারা ও পৃষ্টা নাম্বার লিখে রাখা।
৬) শুদ্ধ ভাবে উচ্চারণ শিখার জন্য একজন হাফেজ এর অডিও বাছাই করে তাকে অনুসরন করা। তার পড়া শুনে তার মত করে পড়ার চেষ্টা করা। একাধিক হাফিজ কে অনুসরন না করা উত্তম।
৭) যত গুলো লাইন মুখস্ত করতে চাই তা আগে দেখে দেখে ৩০ থেকে ৪০ বার পড়ে নিব। রিডিং ক্লিয়ার হলে মুখস্ত শুরু করা।
৮) মুখস্ত করার সময় প্রতিটি লাইন ২০ বার করে পড়বো।
৯) শব্দ ভেঙে ভেঙে পড়বো বড় লাইন হলে।
১০) ৩ লাইন মুখস্ত হলে আবার তা ২০ বার রিপিট করা না দেখে।
১১) ১ম পড়ার সময় থেকেই খেয়াল করতে হবে পড়া যাতে ভুল না হয়, অন্যথায় পরবর্তীতে সমস্যা তৈরী হবে।
১২) অবসর সময় বসে কুরআন শুনতে চেষ্টা করুন যেগুলো মুখস্ত করেছেন।
১৩) নিজের তেলোয়াত মোবাইলে রেকর্ড করে শুনুন কেমন লাগে। বারবার চেক করুন কুরান দেখে ভুল হয় কিনা কোথাও।
১৪) একটি পৃষ্টা শেষ শব্দ এবং পরের পৃষ্টা প্রথম শব্দ বেশি গুরুত্ব দিয়ে মনে রাখা।
১৫) সাপ্তাহে ৫দিন মুখস্ত পড়া ২ দিন রিভিশন দেয়ার জন্য রাখা।
১৬) ফ্রি সময় হাতে পেলেই তেলোয়াত করা। রিভিশন দেয়া। প্রতি ওয়াক্ত নামাজ শেষে ৫মিনিট রিভিশন দিতে পারি চাইলে।
১৭) কয়েক পেজ মুখস্ত হবার পর নিকটস্ত হাফেজ কে পড়া শুনানো। যাচাই করে দেখা ঠিক আছে কি না পড়া।
আল্লাহ আমাদের সবাই কে কুরান বুঝার তৌফিক দান করুন।
~ আমিন।
03/06/2020
💠 Online Platforms-এর মাধ্যমে ব্যবসায়ের বিশ্বস্থতা তখনই বাড়ে যখন ক্রেতা নিশ্চিন্তে প্রডাক্ট অর্ডার করতে পারে। কিভাবে নিশ্চিন্তে অর্ডার করবে?
হ্যা, আপনি যখন ভুল প্রডাক্ট ডেলিভারি দিবেন তখন নিজের খরচে ক্রেতাকে তা বদলে দিতে হবে ।
প্রডাক্টেকোনো ফল্ট থাকলে তার দায় নিতে হবে। ক্রেতা যখন প্রডাক্ট অপছন্দের বিষয় জানাবে তখন তাকে নানান জটিলতা দেখিয়ে না ঘুরিয়ে তাকে তার অর্থ ফেরত দিয়ে, প্রডাক্ট রিটার্ন নিতে হবে। এগুলো করতেই হবে।
হ্যা আপনার অনেক লস হবে কিন্তু একটা সময় আপনি দেখবেন আপনার লস কাভার হয়ে যাবে। আপনার উপর ভাল ধারনা হবে, আপনি যে আপনার ব্যবসায় সৎ ছিলেন তা ক্রেতার কাছে তা প্রমানিত হবে। সে বার বার আপনার কাছে ক্রয় করবে, আপনার সুনাম করবে।
আলহামদুলিল্লাহ্, আমাদের প্রায় দীর্ঘ সময়ের কাজের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি আপনি ক্রেতার কাছে সৎ থাকলে আপনার ব্যবসায় বারাকাহ আসবে। ইসলামে তাই বলে। আমাদের রিফান্ড/রিটার্ন/রিপ্লেস পলিসি খুবই স্ট্রং।
আপনি এরকম আচরন কখনই পাবেন না যে আপনার প্রডাক্টে সমস্যা ছিল বা রিটার্ন/রিপ্লেস/রিফান্ড চেয়েছেন কিন্তু আমরা তা করিনি।
💁♂️তাই নিশ্চিন্তে অর্ডার করুন।
02/06/2020
💠 খেজুর গুড় (ঝুলা ও পাটালি)ঃ
↔️ খেজুরের গুড় আমাদের দেশে খুবই সুপরিচিত একটি খাবার। কিন্তু এ খাবারের গুনাগুণ সম্পর্কে আমরা হয়তো কিছুই জানিনা। কিন্তু গুনে শেষ করাই মুশকিল খেজুর গুড়ের গুণাগুণ। চলুন জেনে নিই এর উপকারিতা-
১। নিয়মিত খেজুর গুড় খেলে রক্ত পরিষ্কার হয়। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে। ফলে, দূষিত রক্তের কারণে যে সব রোগ হয়, সেগুলি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
২। খেজুর গুড়ে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে আয়রন। যা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে।
৩। পুষ্টিকর বিভিন্ন উপাদান থাকে খেজুর গুড়ে। যা বিভিন্ন স্ত্রী রোগের সমস্যা দূর করে।
৪। নিয়মিত খেজুর গুড় খেলে হজমের সমস্যা থাকে না। বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, আমাশার মতো রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
৫। খেজুর গুড় লিভারকে রাখে সুস্থ। খেজুর গুড়ে রয়েছে প্রচুর পটাসিয়াম ও সোডিয়াম। যা পেশিকে শক্তিশালী করে। অতিরিক্ত মেদ ঝরায়। ফলে, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। ব্লাড প্রেশারকে নিয়ন্ত্রণ করে।
৬। ত্বককে যদি রাখতে চান মসৃণ, বয়স যদি ধরে রাখতে চান, তবে খেজুর গুড় খান। ফুসকুড়ি ও ব্রণ নিরাময়ে নিয়মিত খেজুর গুড় খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
↔️ ১০ গ্রাম গুড় থেকে পাওয়া যায় ১৬ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম। প্রতিদিন শরীরে যে পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন হয়, তার ৪ শতাংশই আসে গুড় থেকে। স্নায়ুতন্ত্রের প্রক্রিয়া সচল রাখে। ফলে, নার্ভের নানা রোগ প্রতিরোধ করে।
💠 খেজুর গুড় (ঝুলা): Order করতে👇
https://www.oneummahbd.com/product/khejur-gur-jhola/?ref=680
💠 খেজুর গুড় (পাটালি): Order করতে👇
https://www.oneummahbd.com/product/khejur-gur-patali/?ref=680
02/06/2020
আসসালামু আলাইকুম।
💁♂️টি-শার্ট যদি আপনার পছন্দের পোষাক হয়ে থাকে তাহলে আমাদের প্রিমিয়াম কুয়ালিটির দাওয়া টি-শার্ট একবার সংগ্রহ করার পর থেকে আপনি বার বার সংগ্রহ করবেন ইনশাআল্লাহ্। কেন? কারণ আমাদের টি-শার্টের ফেব্রিক আমরা নিজেদের হাতে এমনভাবে তৈরী করি যেন পড়ে আরামের ক্ষেত্রে আপনি আমাদের বিন্দু মাত্র অভিযোগ করতে না পারেন। :)
💠আমাদের নিজেদের তৈরী ডিজাইন গুলো একসাথে দেখুন ওয়েবে: https://www.oneummahbd.com/shop/?ref=680
01/06/2020
✳️ফেব্রিকঃ ফুল কটন। ফেব্রিক ও প্রিন্টের কালার স্থায়ী ও টেকসই হবে ইনশা-আল্লাহ।
💠মূল্যঃ ৩০০ টাকা করে।
💠আমাদের টি-শার্ট এর সাইজ ম্যাজারমেন্টঃ
🔛 M (Medium): Chest 37″, Height 27″
🔛 L (Large): Chest 39″, Height 28″
🔛 XL (Extra-large): Chest 41″, Height 29″
🔛 XXL (Double Extra-large): Chest 43″, Height 30″
💠সকল টি-শার্ট কালেকশন দেখুনঃ https://www.oneummahbd.com/shop/?ref=680
01/06/2020
💠খাঁটি গাভীর দুধের ঘি পাচ্ছেন আমাদের স্টোর ও অনলাইনে।
↔️মালিশ করতে তেল ভালো হলেও খাওয়ার জন্য ঘি সেরা। আর এই কারণেই হয়ত প্রাচীন প্রবাদের জন্ম ‘ঋণ করে হলেও ঘি খাও’। শুধু এই উপমহাদেশে নয় বর্তমানে ঘিয়ের কদর সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে। হয়ত প্রবাদ পরিবর্তিত হয়ে হবে ‘দরকার হলে ক্রেডিট কার্ড দিয়েও ঘি কিনো!’ কেন ঘিয়ের এত কদর? উপকারিতাই বা কী?
💠খাঁটি গাভীর দুধের ঘিঃ
ঘি একটি স্বাস্থ্যকর খাবার যা প্লেইন মাখন বা অন্যান্য রান্নার তেলের সেরা বিকল্প। ঘি প্রচলিত খাবারের উপাদান হিসাবে রান্নায় ব্যবহারের জন্য আদর্শ চর্বি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। খাঁটি ঘি গরুর দুধের ঘন থেকে সংগ্রহ করা হয়। খাস ফুডের খাঁটি ঘিতে রয়েছে সিএলএ, ভিটামিন কে, বিউটারিক এসিড। সিএলএ অতিরিক্ত ওজন হ্রাস করার পাশাপাশি হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে লড়াই করে। ভিটামিন কে আপনার মুখ এবং দাঁতকে মজবুত করতে সহায়তা করে, বিউটারিক এসিড আপনার পাচনতন্ত্রকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। খাঁটি ঘি রেফ্রিজারেশন ছাড়াই বেশ কয়েক মাস ধরে সংরক্ষণ করা যায়।
💠খাঁটি ঘি কেনো ব্যবহার করবেন ?
১. রান্নার জন্য ঘি উৎকৃষ্ট মানের তেল।
২. এটিকে উচ্চ মাত্রায় তাপ দেওয়া হয়।
৩. উচ্চতর তাপমাত্রায় এর রাসায়নিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়না।
৪. ঘি একটি পুষ্টিকর খাবার এবং এতে রয়েছে দ্রবণীয় ভিটামিন আকারে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট।
৫. গরুর দুধে গাস এবং লতা-পাতার নির্যাস রয়েছে এবং ঘি তে রয়েছে গরুর দুধের নির্যাস।
৬. ঘি তে ক্ষতিকারক ট্রান্স ফ্যাট বা হাইড্রোজেনেটেড তেল থাকেনা, যা হৃদরোগ এবং অন্যান্য স্বাস্থ সমস্যার কারণ হতে পারে।
↔ অনলাইনে অর্ডার প্লেস করুন:
https://www.oneummahbd.com/product/pure-cow-ghee/?ref=680
01/06/2020
💠প্রাকৃতিক মধু পাচ্ছেন আমাদের স্টোর ও অনলাইনে।
💠জীবনকে মধুময় করতে মধুর খাদ্য উপাদান অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন সকালে মধু খেলে ওজন কমে। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে তা ওজন কমাতে সাহায্য করে কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়াও এতে লিভার পরিষ্কার থাকে।
উচ্চ ঔষধি গুণ সম্পন্ন তরল ‘মধুর’ নানা গুণের কথা প্রায় সকলেরই জানা। তবে আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছেও কি এসব ভেষজ ওষুধের গুরুত্ব আছে?
☪️আল কোরআনে আছে- “আপনার পালনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেন: পর্বতে, গাছে ও উঁচু চালে বাড়ি তৈরী কর,এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে খাও এবং আপন পালনকর্তার উন্মুক্ত পথে চলো। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চই এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে”।
~(সূরা নাহলের ৬৮ ও ৬৯ নম্বর আয়াত)
শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে মধু। কারণ মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, ভিটামিন ও এনজাইম যা শরীরকে বিভিন্ন অসুখ বিসুখ থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠাণ্ডা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়।
মধুর সঙ্গে দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০ ভাগ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। মধু ও দারচিনির এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।
হজমের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। মধু পেটের অম্লভাব কমিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। হজমের সমস্যা দূর করার জন্য মধু খেতে চাইলে প্রতিবার ভারি খাবার খাওয়ার আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু কিন্তু খুবই উপকারী।
মধুতে আছে প্রাকৃতিক চিনি যা শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখে। বিশেষ করে যারা মিষ্টি জাতীয় কিছু খেতে পছন্দ করেন, তারা অন্য মিষ্টি খাবারের বদলে মধু খেতে পারেন। শরীরের দুর্বলতা ও চা-কফির নেশা কমায় মধু।
~ ২৫০ গ্রাম খাঁটি মধু ৩৭০ টাকা।
~ ৫০০ গ্রাম খাঁটি মধু ৬৮০ টাকা।
↔ অনলাইনে অর্ডার প্লেস করুন:
https://www.oneummahbd.com/product/sundarban-honey-natural/?ref=680