যদি ভারত বাংলাদেশের সাথে পণ্য আদান-প্রদান বন্ধ করে দেয়, তাহলে শুরুতে বাংলাদেশের ওপর চাপ বেশি পড়বে। কারণ পেঁয়াজ, আদা, রসুন, চালের মতো কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমরা ভারত থেকে আনি। একইভাবে কিছু কেমিক্যাল, কটন, সুতা ও মেশিনারি পার্টসও ভারতের ওপর নির্ভরশীল।
এর ফলে শর্ট টার্মে বাজারে জিনিসপত্রের দাম দ্রুত বাড়বে। ভোক্তা ও ছোট ব্যবসা বা SME সেক্টর সবচেয়ে বেশি চাপের মধ্যে পড়বে এবং মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। তবে এই চাপটা স্থায়ী হবে না।
বাংলাদেশ যেসব পণ্য নিজের দেশে তৈরি করতে পারে, সেগুলোর উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। আর যেসব কাঁচামাল বা যন্ত্রপাতি বাইরে থেকে আনতেই হবে, সেগুলো চীনসহ অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা যাবে। এতে খরচ কিছুটা বাড়তে পারে, কিন্তু সরবরাহ বন্ধ হবে না।
ছয় মাস থেকে তিন বছর পর পরিস্থিতি উল্টো হয়ে যাবে। তখন ভারতের ক্ষতি বেশি হবে। বাংলাদেশের RMG মার্কেট হারালে ভারতীয় এক্সপোর্টাররা বড় ধাক্কা খাবে। পেট্রোলিয়াম প্রোডাক্ট, অটো পার্টস, রেস্টুরেন্ট ব্যবসা এবং বড় ট্রেড সারপ্লাস নির্ভর ব্যবসাগুলো সংকটে পড়বে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, স্বল্পমেয়াদে বাংলাদেশের কষ্ট বেশি হলেও দীর্ঘমেয়াদে ভারতের ক্ষতি হবে আরও বেশি এবং আরও গভীর।
ভয়ের তেমন কিছু নেই, নিজের স্বার্থ ও সক্ষমতা বজায় রেখে অন্যায়ের সাথে কোনো কম্প্রোমাইজ করার প্রয়োজন নেই।
Istiak Fahad
The joy of Tech Spirit. I'm Istiak Fahad Chowdhury Managing director of ITsian. Currently, I'm learning Cloud Computing to boost my career in the industry.
I am working web development, Software Development and digital marketing working for the industry for the last 6 years. My tech learning never ends. Develop a position as a software engineer in a challenging environment where I can apply my knowledge and improve my learning curve through interaction with the real software development work environment.
হাদির উপর হামলা আমাদের সামনে একদম ক্লিয়ারভাবে একটা আনকমফোর্টেবল সত্য তুলে ধরেছে এই দেশে রাজনীতি মানেই শুধু আদর্শ, বক্তব্য আর মানুষের ভালোবাসা না; এখানে নিরাপত্তা, শক্তি আর ক্ষমতার একটা নীরব কিন্তু ভয়ংকর ইকোসিস্টেম কাজ করে।
বাস্তবতা হলো, আপনি যদি খোলা মাঠে নেমে, রিকশায় বা মোটরসাইকেলে চড়ে, সাধারণ মানুষের মতো ঘুরে রাজনীতি করতে চান তাহলে আপনি আসলে একটা হাই-রিস্ক অপারেটিং মডেলের মধ্যে ঢুকে পড়ছেন। কারণ এই রাজনৈতিক সিস্টেমটা সৎ মানুষকে প্রোটেক্ট করার জন্য ডিজাইন করা না। বরং, করাপ্টেড গোষ্ঠী, পেশিশক্তি আর অপরাধী নেটওয়ার্কগুলো এখানে অনেক বেশি স্ট্র্যাটেজিকভাবে অর্গানাইজড।
ডানে-বামে ২০–২৫টা পোলাপান, লাইসেন্সকৃত বন্দুক, কালো গ্লাসের গাড়ি এগুলো বিলাসিতা না, এগুলো এখানে সারভাইভাল টুল। আপনি যখন এই টুলগুলো ছাড়া মাঠে নামেন, তখন আপনি নৈতিকভাবে শক্ত হলেও স্ট্রাকচারালি দুর্বল থাকেন। আর রাজনীতিতে দুর্বলতা মানেই টার্গেট হয়ে যাওয়া।
আপনি যদি সত্যিকার অর্থে গণমানুষের জন্য রাজনীতি করতে চান, তাহলে আপনাকে সৎ থাকতে হবে। কিন্তু সৎ থাকলে আপনি পোলাপান পালতে পারবেন না,
আপনি শুটার রাখতে পারবেন না , আপনি কালো গাড়িতে ঘুরতে পারবেন না , আপনি ভয় দেখিয়ে এলাকা কন্ট্রোল করতে পারবেন না ফলে আপনি থাকবেন নৈতিকভাবে ঠিক, কিন্তু সিস্টেমের কাছে একদম আনপ্রোটেক্টেড।
আর করাপ্টেড গোষ্ঠীগুলো ঠিক এই জায়গাটাতেই সুযোগ নেয়। তারা জানে, সৎ মানুষ ভয় দেখাতে পারে না, টাকা ছড়াতে পারে না, অস্ত্র দেখাতে পারে না। তাই তারা ধীরে ধীরে নয় একদম সরাসরি খেয়ে ফেলে। কখনো মানসিকভাবে, কখনো রাজনৈতিকভাবে, আর কখনো শারীরিকভাবে।
হাদির উপর হামলা আমাদের এটা বুঝিয়ে দেয় যে, এই দেশে রাজনীতি এখন আর শুধু আদর্শের লড়াই না এটা একটা পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট গেম। এখানে আপনি যদি সিকিউরিটি, স্ট্র্যাটেজি আর প্রোটেকশন ছাড়া নামেন, তাহলে আপনি আসলে নিজেকে উৎসর্গ করছেন।
সবচেয়ে ট্র্যাজিক বিষয় হলো—এই সিস্টেমে সৎ রাজনীতিবিদ হওয়ার মানে প্রায় আত্মঘাতী হওয়া। কারণ সৎ রাজনীতির জন্য যে পরিবেশ দরকার আইনের শাসন, সমান নিরাপত্তা, রাজনৈতিক সহনশীলতা এই তিনটার কোনোটাই এখানে ইনস্টিটিউশনালি শক্ত না।
সুতরাং প্রশ্নটা আর “সৎ রাজনীতি করবো কি না” এইখানে আটকে নেই। আসল প্রশ্ন হলো—
এই সিস্টেমে সৎ রাজনীতি টিকে থাকার কোনো বাস্তব মেকানিজম আছে কি না। হাদির মৃত্যু আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, এই মেকানিজম না বদলালে ভালো মানুষ রাজনীতিতে আসবে কম, আর যারা আসবে, তারা হয় ভেঙে পড়বে, না হয় হারিয়ে যাবে।
আমাদের দেশে সাস বিজনেস গুলো সাস্টেইন করে না । যেসব ডেভেলপার বা টিম SaaS বানায় কিন্তু শুরু থেকেই চায় এখনই কাস্টমার টাকা দিক। তারা ভুলে যায়, SaaS হলো long-term trust-based business । তুমি প্রথমে একটা value build করতে হবে, তারপর সেই value থেকে recurring income আসবে। কিন্তু আমাদের অনেকেই MVP বানিয়ে সেটার ১০০% মনিটাইজ করতে চায় ফলে ইউজার আসে না,মার্কেট adoption হয় না,প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে যায় Free Tier বা Freemium Model এর অভাবে আইটি খাতে ইনভেস্টর নেই তেমন যার জন্য এমন টা হতে পারে থাকলে ও তাছাড়া ইন্সট্যান্ট প্রফিট চায় এমন ইনভেস্টর দের সংখ্যা বেশি ।
Odoo, Notion, Canva, বা Zoho সবাই প্রথমে free usage দিচ্ছে। এই free ইউজাররাই পরে premium user হয়।কিন্তু আমাদের দেশে SaaS বানালে প্রথমেই বলে:Use করতে হলে payment করতে হবে। এভাবে কেউ ট্রাইও করে না। কেউ পণ্যের প্রতি trust বা habit develop করতে পারে না।
বেশিরভাগ টিম project-based mindset থেকে SaaS বানায়।মানে একটা সিস্টেম বানালাম, বিক্রি করব। কিন্তু SaaS একটা continuous evolving service,যেখানে Regular update, Feature, improvement/UX, optimization, Feedback loop এসব দরকার হয়। এই cultureটা এখনো দেশে খুব দুর্বল।
SaaS তৈরি করে ২-৩ মাসে রিটার্ন আসবে না।এটা ১–২ বছর সময় নেয়। কিন্তু আমাদের দেশে বেশিরভাগ উদ্যোক্তা bootstrapped,তারা নিজের পকেট থেকে খরচ করে, তাই ধৈর্য হারায়। ফলে, system টা grow হওয়ার আগেই বন্ধ হয়ে যায়।আমাদের SaaS টিমগুলো প্রডাক্ট বানাতে পারে, কিন্তু মার্কেটিং জানে না।তারা ভাবে “ভালো সিস্টেম বানালেই ইউজার আসবে। কিন্তু SaaS-এ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো Branding, Content Marketing, এবং Community building। এগুলো না থাকলে product অচেনাই থেকে যায়।
অনেকে SaaS বানিয়ে শুধু বাংলাদেশের মার্কেটের জন্যই বানায় যেখানে paying capacity খুব কম। যদি তারা শুরু থেকেই “global SaaS mindset” রাখত যেমন South Asia, Middle East টার্গেট করত তাহলে টিকতে পারত।অনেক SaaS লঞ্চ হয় ঠিকই, কিন্তু সাপোর্ট দেয় না, বা সার্ভার ডাউন হলে ঠিক করে না। ইউজার একবার ট্রাস্ট হারালে ফিরে আসে না।আমরা সিস্টেম বানিয়েই সরাসরি ইনকাম চাই। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় বাধা। Odoo, Zoho, Canva, বা অন্যরা শুরুতে ফ্রি সার্ভিস দিয়ে ইউজার বেস বানিয়েছে, তারপর premium plan এনেছে।
৪-৫ বছর ধরে বাংলাদেশি সাস হিসেবে Dorik সি এম এস মার্কেটে কাজ করে এগিয়ে যাচ্ছে । বড় ইউজার-বেস নেই তবে একটা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জায়গা করে নিচ্ছে বাংলাদেশের থেকে গ্লোবাল ইউজার ধরার চেষ্টা করেছে। দেখা যাক কত দিন ঠিকতে পারে
12/10/2025
আমার এক ক্লায়েন্ট আছে, সে কসমেটিকস বিক্রি করে।
সে প্রতি মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত বুস্টিং খরচ করে,
আর সেই ইনভেস্টমেন্ট থেকেই সে ২৭ থেকে ২৮ লাখ টাকার বিক্রি করতে পারে।
এমনকি তার বুস্টিং সে নিজেই দেয়, শুধু একবার আমি গাইডলাইন দিয়েছিলাম।
তার ইনভেস্টমেন্টের মতোই বিক্রির লোক আছে ৪–৫ জন, আর প্রোডাক্ট সোর্সিংয়ের ব্যবস্থাও যথেষ্ট আছে।
যাদের ২৫ লাখ টাকার সেল আনার মতো ইনভেস্টমেন্টই নেই,তাদের কাছে এই ধরনের কোর্সে ভর্তি হয়ে লাভ নেই। কারণ এই বিশাল সেলস আনতে বিজ্ঞাপন, প্রোডাকশন, কাস্টমার সাপোর্ট সব কিছুরই বড় খরচ লাগে।
এখনকার দিনে ফেসবুক খুললেই দেখা যায় কিছু মানুষ ভিডিও বানিয়ে বলে,
প্রতিদিন ৩ লাখ টাকার সেল করছেমাসে ২৫ লাখ টাকার সেল আনতে পারবে
এই কথাগুলো শুনে অনেক সাধারণ মানুষ ভাবে, হয়তো তারও পারবে কিন্তু বাস্তবতা অন্যরকম।
ফেসবুক অ্যাডস কোনো জাদুবিদ্যা না।এটা একটা সহজ প্রসেস যেখানে সঠিক টার্গেট অডিয়েন্স, প্রোডাক্ট, বাজেট আর কনটেন্ট বুঝে কাজ করতে হয়।এই কাজটা শেখার জন্য কারও কাছে যাওয়া লাগে না। Meta Ads Manager থেকে নিজেরা শেখা যায়, প্র্যাকটিস করলেই হয়।সমস্যা হচ্ছে, এখন অনেক কোর্স বিক্রেতা মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়ে নিজের পকেট ভারী করছে।তারা অতিরঞ্জিত কথা বলে, মিথ্যা সেলসের গল্প দেখায়,আর সাধারণ মানুষকে বিশ্বাস করিয়ে কোর্স বিক্রি করে।ফেসবুক অ্যাডস শেখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো Meta Blueprint, YouTube, আর নিজের পেজে ছোট বাজেটে প্র্যাকটিস করা।
এখান থেকেই আসল শেখা শুরু হয়।অ্যাডস শেখা মানে জাদু শেখা না এটা ধৈর্য, বিশ্লেষণ আর ডেটা বোঝার কাজ।যে কেউ সময় দিয়ে শেখলে পারবে।কিন্তু যারা মানুষকে বড় স্বপ্ন দেখিয়ে কোর্স বিক্রি করছে,তারা আসলে মার্কেটিং শেখাচ্ছে না মানুষের মন নিয়ে ব্যবসা করছে।
AI ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বা জ্ঞানভিত্তিক চেতনা থেকে মত দেয় না AI কে টেক্সট ডাটার উপর মডেল ট্রেন করা হয়েছে যেমন পিপিএল, ওয়েব পেজ, বই, কোড, লাইসেন্সকৃত কন্টেন্ট, এবং শিক্ষকদের তৈরি উদাহরণ এসব থেকে ভাষার প্যাটার্ন, তথ্যের সাধারণ বিষয়, ও যুক্তি নিয়ে শিখে সেই প্যাটার্নগুলো ব্যবহার করে নতুন আর প্রাসঙ্গিক উত্তর তৈরি করে ।
ধরে নিন একদিন থেকে যদি ওয়েবে আর কোনো নতুন ডাটা সংরক্ষণই না হয় মানে নিউজ, ব্লগ, রিসার্চ কোনো নতুন তথ্য ইন্টারনেটে স্টোর হচ্ছে না । এই আই অনলি পুরনো শেখা জ্ঞান ব্যবহার করে উত্তর দিতে পারবো। যেমন ইতিহাস, গণিত, প্রোগ্রামিং, আইন, ভাষা ইত্যাদি বিষয় যা আগেই শেখানো হয়েছে। সাম্প্রতিক নতুন ঘটনা বা পরিবর্তন যেমন নতুন আইন পাশ হলো, নতুন প্রযুক্তি বের হলো, নতুন কোনো রাজনৈতিক ঘটনা ঘটলো, আজকের আবহাওয়া, শেয়ার বাজার আপডেট এগুলো এআই বলতে পারবে না । শেখানো ডেটার বাইরে, আর ওয়েবে যদি নতুন ডাটা জমা না হয় তবে AI জেনারেট করতে পারবে না । পুরনো জ্ঞান ঠিকই থাকবে। নতুন আপডেট আর পাওয়া যাবে না। ফ্রোজেন নলেজ বেসড AI হয়ে যাবো, যেটা শুধু ট্রেনিং-এর সময় পর্যন্ত শেখা তথ্যের উপর নির্ভর করবে
ধরেন ২০২৫ সাইট ওয়েব এ তথ্য আপলোড করা বন্ধ হয়ে গেলো তখন চ্যটাজিপিটি , মানস , জিমিনি অথবা পারপ্লেক্সসিটি পুরনো তত্ত্ব, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ভাষা, ইতিহাস সব শেখানো তথ্য ব্যবহার করে বুঝিয়ে দিতে পারবে । নতুন খবর, সাম্প্রতিক গবেষণা, বাজারদর, আবহাওয়া, রাজনীতি ইত্যাদি এগুলো আর দিতে পারবো না।
উদাহরণসরূপ, বাংলাদেশে ২০২৬ সালের নির্বাচনে কে জিতেছে?
এই উত্তর AI দিতে পারবো না, কারণ ২০২৫ সালের পরের কোনো ঘটনা এ আই এর জানা নেই। তখন AI হয়তো বলবে : তার ট্রেনিং ডেটা ২০২৫ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ, তাই ২০২৬ সালের নির্বাচনের ফলাফল AI এর জানা নেই
ওয়েব, SEO এক্সপার্ট আর প্রোগ্রামাররা মূলত ওয়েবে নতুন তথ্য যোগ করে। যদি তারা কাজ বন্ধ করে দেয় ওয়েবে নতুন কন্টেন্ট থাকবে না এআই-এর শেখার উৎসও শুকিয়ে যাবে। AI বেঁচে থাকার জন্যও ওয়েব ডেভেলপার, SEO এক্সপার্ট, প্রোগ্রামার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর দের অবদান অপরিহার্য।
বরং এ ধরনের পেশার লোকের প্রায়োরিটি বাড়বে আর হা অবশ্যই এক্সপার্ট দের ।
বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠে বিএনপি ও জামায়াত-শিবির এই দুটি নাম বারবার ঘুরে আসে। কিন্তু তাদের রাজনীতির ধরণ, কাঠামো ও প্রভাবের জায়গা এক নয়। অনেক সময় তাদের একই পাল্লায় ফেলা হলেও বাস্তবে তারা ভিন্ন ধারা অনুসরণ করে।
বিএনপি মূলত একটি গণদল। এখানে ব্যবসায়ী, মোল্লা-হুজুর, পেশাজীবী, সাধারণ মানুষ, এমনকি অসাধু টেন্ডারবাজ—সব শ্রেণির মানুষই আছে। কেউ সত্যিকারের ভালোবাসা থেকে বছরের পর বছর দল আঁকড়ে ধরে রেখেছে, আবার কেউ কেবল সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার মানসিকতা নিয়ে রাজনীতিতে এসেছে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ হলো—বিএনপির সঙ্গে মানুষের আবেগ জড়িয়ে আছে। দলের কোনো নেতাকর্মী অপরাধে জড়ালে তা জনগণের চোখে বড় ধরনের আলোড়ন তোলে। কারণ বিএনপি সরাসরি সাধারণ মানুষের রাজনীতি করে এবং জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থেকে টিকে আছে।
অপরদিকে জামায়াত ও এর ছাত্র সংগঠন শিবির মূলত সংগঠনভিত্তিক রাজনীতি চালায়। তাদের কাঠামো অনেকটা প্রতিষ্ঠানের মতো নিজেদের ফান্ড নিজেদের মধ্যে ঘুরে বেড়ায়।নিজেদের প্রতিষ্ঠানে নিজেদের লোক নিয়োগ দেয়।
মেধাবী কিংবা অভাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে সহায়তা দিয়ে সংগঠনের ভেতর টেনে আনে।
এভাবে তারা ধীরে ধীরে একটি গোপন নেটওয়ার্ক তৈরি করে। তাদের প্রাক্তন কর্মীরা পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে যায় ভিসি, ডিসি, এসপি, সচিব ইত্যাদি। যদিও তারা প্রকাশ্যে জামায়াত পরিচয় দেয় না, তবু ভেতরে ভেতরে সংগঠনের প্রতি ঋণী থেকে যায় এবং নীরবে সহায়তা করে।
বিএনপির শক্তি হলো জনগণ ও গণআন্দোলন। তাই তাদের রাজনীতি স্বচ্ছভাবে দৃশ্যমান। অপরাধ বা বিতর্কিত ঘটনা ঘটলে তা সবার চোখে ধরা পড়ে।
অন্যদিকে জামায়াত-শিবিরের শক্তি হলো সংগঠন ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় জাতীয় মূলধারার রাজনীতিতে সরাসরি আসা তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি।
বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরকে একই পাল্লায় ফেলা ঠিক নয়। বিএনপি একটি বৃহৎ জাতীয় দল, যেখানে তারেক রহমান বর্তমানে দলকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করছেন। আর জামায়াত-শিবির মূলত একটি সংগঠনভিত্তিক নেটওয়ার্ক, যা দৃশ্যমান রাজনীতির তুলনায় আন্ডারগ্রাউন্ড প্রভাব বিস্তারেই বেশি মনোযোগী।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এ দুই ধারার অস্তিত্ব থাকলেও তাদের চরিত্রগত ভিন্নতা স্পষ্ট একজন গণমানুষের দল, অন্যজন সংগঠনের জাল
মানুষের জীবন কখনোই পুরোপুরি পরিপূর্ণ নয়। পৃথিবীর অনেক কিছু আমরা মেনে নিতে পারি, অনেক সীমাবদ্ধতাকে আমরা স্বাভাবিক ভেবে সহ্য করি। কিন্তু জীবনে কিছু চাওয়া বা ইচ্ছা থাকে যা একান্তই নিজের, যা পূর্ণ না হলে মনে হয় জীবন যেন অর্থহীন হয়ে গেছে। এই একান্ত চাওয়া পূর্ণ না হওয়ার যন্ত্রণা মানুষকে গভীর হতাশার দিকে ঠেলে দেয়, যেখানে সবকিছুই অর্থহীন ও নিরর্থক বলে মনে হয়।
মানুষের প্রত্যাশা অসীম। কেউ স্বপ্ন দেখে ভালো একটি চাকরি বা ব্যবসার, কেউ ভালোবাসার মানুষের সান্নিধ্যের, আবার কেউ চায় নিরিবিলি শান্ত একটি জীবন। কিন্তু বাস্তবতার কঠিন বাঁধায় সেই চাওয়াগুলো অনেক সময় অপূর্ণ থেকে যায়। তখন মনে হয়, চারপাশের সবকিছুই ফাঁপা, তুচ্ছ, আর জীবনটা যেন ঘাসের মতো অমূল্যহীন। এই মুহূর্তে মানুষের ভেতরের শক্তি ক্ষয় হতে থাকে।
যখন দীর্ঘ সময় ধরে কোনো চাওয়া অপূর্ণ থেকে যায়, তখন মানুষ জীবনের প্রতি আগ্রহ হারাতে শুরু করে। মনে হয়, সামনে এগোনোর আর কোনো মানে নেই। তখন জীবনযাত্রার গতি কমে যায়, স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা ক্ষীণ হয়। অনেক সময় মনে হয়—"সবকিছু নিকুচি যাক, আর কিছুই চাই না।" এই মানসিক অবস্থাই মানুষকে জীবনের লাগাম ছেড়ে দিতে প্রলুব্ধ করে।
হতাশ মানুষ প্রায়ই ভাবে, সব ছেড়ে দিলে হয়তো শান্তি মিলবে। দায়িত্ব, সংগ্রাম কিংবা সামাজিক চাপ থেকে দূরে গিয়ে শুধু নিঃশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকলেই হবে। এই অবস্থায় মানুষ নিজের ভেতরের শক্তি আর সংগ্রামের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করে ফেলতে চায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, মানুষ যতই হাল ছেড়ে দিতে চাইুক, জীবনের মূল স্রোত তাকে আবারও টেনে আনে। কারণ বেঁচে থাকা মানেই নতুন সম্ভাবনার অপেক্ষা।
যদিও অপূর্ণতার বেদনা মানুষকে দুর্বল করে তোলে, তবুও এই বেদনা অনেক সময় নতুন ভাবনার দরজা খুলে দেয়। জীবনের শূন্যতা মানুষকে শেখায় অন্যভাবে বাঁচতে, অন্যভাবে সুখ খুঁজতে। আজ যে কষ্ট অসহনীয় মনে হচ্ছে, আগামীকাল হয়তো সেই কষ্টই হয়ে উঠবে অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার, যা ভবিষ্যতের পথে দিশা দেখাবে। তাই বলা যায়, অপূর্ণতাও জীবনের এক অপরিহার্য শিক্ষক।
জীবনে সবকিছু কখনোই আমাদের ইচ্ছেমতো ঘটে না। কিছু চাওয়া অপূর্ণ থেকে যায়, কিছু ইচ্ছা হারিয়ে যায় সময়ের স্রোতে। কিন্তু এই অপূর্ণতাই মানুষকে নতুন করে গড়ে তোলে, শক্ত করে, এবং জীবনের প্রকৃত অর্থ বোঝায়। হতাশার অন্ধকার যত গভীরই হোক, মনে রাখতে হবে জীবন সবসময় পরিবর্তনশীল। আজকের দুঃখই হয়তো আগামী দিনের শক্তি হয়ে উঠবে। তাই জীবনের লাগাম ফেলে না দিয়ে, একটু সময় নিয়ে ধীরে ধীরে সামনে এগোনোটাই মানুষের সবচেয়ে বড় সাফল্য।
26 August
Fahad
কাউকে দমন করবেন আর সে আপনার অনুগত হয়ে বসে থাকবে? তার রাজনৈতিক কার্ড তো সে খেলবেই।
বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠন জামাত ( রাজনৈতিক দল হিসেবে শক্তিশালী না ) যারা মেধাবী নেতৃত্ব দিয়ে সংগঠন চালায় । এই কার্ড বুঝতে গিয়ে খেলায় হেরেছে ভারত, আর আওয়ামী লীগ শুধু ভারতের হাতের গুটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
আওয়ামী লীগের রাজনীতির আসলে কোনো আদর্শই ছিল না। প্রতিবেশী দেশের সহায়তায় জোর করে ক্ষমতায় থেকে যে প্রশাসনিক বলয় ১৫ বছরে গড়ে তুলেছিল, সেই বলয়ই তরুণ মেধাবীদের কাছে ভেঙে চুরমার হয়েছে। ফলাফল একদল গবেট, কমেডিয়ান, মূর্খ আর নগ্ন উচ্চাভিলাষে ভরা রাজনৈতিক নেতাদের করুণ পতন।
আমি জামাত সাপোর্ট করিনা কিন্তু ট্রিক্স দিয়ে জামাত " র " এর সাথে ফাইট দিয়ে হাসিনার পতনের পথ আর সহজ করেছে ।
৭ আগস্ট ২০২৫
ফাহাদ
আমাদের এক অনলাইন আড্ডা আছে , খুব জমজমাট। কেউ রাইট-লেফট পলিটিকাল কেউ আবার লিবারেল-কঞ্জারভেটিভ পলিটিকাল স্পেকট্রাম। এই ভার্চুয়াল রণক্ষেত্রে যুক্তির তলোয়ারে প্রতিদিন ঝনঝন শব্দ হয়। কেউ বিপ্লব চায়, কেউ পরিবর্তনের নামে ছুটি চায়।
এই আড্ডার এক বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন এক আপু—পুরোদস্তুর বামপন্থী!
কার্ল মার্ক্স পড়েছেন, লেনিন মুখস্থ, আর দাস ক্যাপিটাল নিয়ে হেলান দিয়ে চা খান। শুধু বিপ্লব নয় উনি রাষ্ট্র নিয়েও ভাবেন বয়স প্রায় ৩৫-৩৬ এর কাছা কাছি
একদিন কথার কোথায় তাকে জিজ্ঞেস করলাম আপু, এই যে বিপ্লব, রাষ্ট্র, শোষণ এসব তো হল—বিয়ে নিয়ে ভাবছেন করছেন না যে ,
উনি একটু থেমে গম্ভীর মুখে বললেন,
দেখো ভাই, বাম রাজনীতি করতে করতে চিন্তার প্রসেস এত জটিল হয়ে গেছে যে বিয়ের মতো সোজা সিদ্ধান্ত নেওয়া অসম্ভব হয়ে গেছে
এমনকি একবার উনি বলেছিলেন, "বিয়ে আসলে একধরনের পিতৃতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে নারীকে আটকে ফেলার যন্ত্র।"
এই কথা শুনে মনে হলো, বাম রাজনীতি যেন একটা এমন মস্তিষ্কে চেপে বসা সফটওয়্যার, যেটা আপডেট হতে হতে সব সিদ্ধান্ত সিস্টেম ফেইলড দেখাচ্ছে!
বাংলাদেশে বাম রাজনীতি মানেই মিছিল, শ্লোগান, তত্ত্ব আর চায়ের কাপ। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই রাজনীতি এখন এমন এক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে তার বাস্তব কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ, আর রাজনৈতিক অবস্থান হয়ে উঠেছে ব্যবহারের উপযোগী এক শ্রেণির চিন্তক দল। এই বাস্তবতা অনেক সময় হাস্যকর পর্যায়ে চলে যায়, এমনকি ব্যক্তি জীবনের ‘বিয়ের মত সহজ’ সিদ্ধান্তও সেখানে পরিণত হয় রাজনৈতিক সমীকরণের জটিল ধাঁধায়। এই ব্যাক্তিগত পর্যায়ের উদাহরণটি, বাস্তবে জাতীয় পর্যায়ের বাম রাজনীতির বাস্তবচিত্রেরও প্রতিফলন। শাহবাগে যুদ্ধাপরাধী বিচারের আন্দোলন ছিল তার এক বড় উদাহরণ।
আদিতে জনতার আবেগ থেকে জন্ম নেওয়া আন্দোলনটি, দ্রুতই রূপ নেয় শাসকগোষ্ঠীর রাজনৈতিক কৌশলের অংশে। বাম নেতারা, শ্লোগানে-ভাষণে-মঞ্চে ছিলেন ঠিকই, কিন্তু স্ক্রিপ্টটা কার হাতে ছিল, সেটা ছিল এক খোলা রহস্য যার উত্তর আমরা সময়ের স্রোতে জেনে গেছি।
শেখ হাসিনার মতো কৌশলী রাজনীতিবিদ জানতেন, জামাত-বিএনপির রাজনৈতিক সমীকরণকে মোকাবেলা করতে হলে জনগণের আবেগ প্রয়োজন। আর সেই আবেগ জোগাতে বামপন্থীদের লেলিয়ে দেওয়া হয় একটু কৌশলে,
শেখ হাসিনা নিজামী, সাঈদী, সাকা চৌধুরীর মতো লোকদের যুদ্ধাপরাধী ট্যাগ দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে বামদের দিয়ে রাজপথ গরম করিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ‘মানবতাবাদী সরকার’ রূপে নিজেদের চিত্রিত করেন।
তাদের বিরুদ্ধে জনগণের মনোভাব গড়ে তুলতে ধারাবাহিকভাবে বামপন্থীদের সামনে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল, একটিকে ‘ন্যায়বিচারের’ মুখোশ দিয়ে ঢেকে।বিপ্লবের ডাক দেওয়া বাম নেতারা তখন স্বপ্ন দেখছিলেন 'এটাই হয়ত নতুন গণতন্ত্রের সূচনা'। অথচ তারা টের পাননি, তারা হয়ে গেছেন স্টেজের অভিনেতা, যাদের সংলাপ আগে থেকেই লিখে দেওয়া। এই বাস্তবতায়, প্রশ্ন উঠে আসে—বাংলাদেশের বাম রাজনীতি আসলে কী? আদর্শভিত্তিক এক বিকল্প শক্তি, নাকি সুবিধাবাদী ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত কিছু বুদ্ধিজীবী ও শ্লোগানধারী?
তাদের রাজনীতিতে নেই বাস্তবভিত্তিক রণকৌশল, নেই গণভিত্তি, নেই নির্বাচনী ক্ষমতা। আছে শুধু জটিল চিন্তার জটলা, শ্রেণি সংগ্রামের সেমিনার, আর 'রাষ্ট্র'কে কিভাবে পাল্টাতে হবে তার দীর্ঘ নোট। রাষ্ট্র নিয়ে এত ভাবেন, যে সংসার গঠনের চিন্তা 'সিস্টেম ইনকমপ্যাটিবল' বলে রিজেক্ট হয়ে যায়। বিপ্লব কোথায়, বিবাহ কোথায়
বাংলাদেশের বাম রাজনীতি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে রাষ্ট্রের শত্রু হতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক বন্ধু হিসেবেও তাদের ব্যবহার সহজ।
তারা জনতার শক্তি নয়, নির্বাচনী কৌশলের গুডবয়। তারা আদর্শের প্রতিনিধি নয়, "রাজনৈতিক মাল্টি-ইউজ টুল"।
৬ আগস্ট ২০২৫
ফাহাদ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আমরা অনেক নাটক, কাণ্ডকারখানা আর চমক দেখেছি। কিন্তু এবার যা ঘটলো, তা যেন চাঁদাবাজির ইতিহাসে এক বিরল ও হাস্যকর অধ্যায় হয়ে থাকবে। কিছু বাচ্চা ছেলের দল, যারা নিজেদের "সমন্বয়ক" বলে দাবি করে, তারা সাবেক একজন আওয়ামী লীগ এমপির বাসায় গিয়ে, আরামদায়ক সোফায় বসে "জামাই আদরে" চাঁদা নিচ্ছে—এই দৃশ্যটা কল্পনা করাও কঠিন!
প্রশ্ন হলো, চাঁদাবাজি বাংলাদেশে এতটাই সহজ হয়ে গেছে নাকি?
এই সমন্বয়কেরা এতটাই বোকা বা না-বোঝা যে, তারা চাঁদা তুলতে সরাসরি একজন আওয়ামী পরিবারের বাসায় গিয়ে হাজির! একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ কিংবা বড় মাপের গডফাদারও যেখানে সরাসরি চাদা আনতে বাসায় যায় বরং সেইফ জোনে থাকে , সেখানে এই "অভিজ্ঞতাহীন" পোলাপান বাসায় ঢুকে টাকা তোলে—এটা বিশ্বাসযোগ্য নাকি?
এটা স্পষ্ট, এরা কেউ নিজেদের মস্তিষ্ক দিয়ে খেলছে না। এরা কারা যেন দাবার ঘুঁটি। পেছনে বসে কেউ একজন চমৎকারভাবে গেমটা খেলছে। উদ্দেশ্য পরিষ্কার—NCP (ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্ম)-কে জনগণের চোখে হেয় করা, আর জুলাই মাসের আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।
এই চাঁদাবাজির নাটক, এই "জামাই-আদর-সংস্করণ", এটি আওয়ামী লীগের একটা মাস্টারপ্ল্যান—যাতে আন্দোলনটাকে দুর্নীতিবাজ, অপরিপক্ব আর বেহায়া হিসেবে উপস্থাপন করা যায়। জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানো যায়। যেন আন্দোলনের নৈতিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে।
আসলে, এটা কেবল চাঁদা তোলার বিষয় নয়। এটা একটা রাজনৈতিক থ্রিলার—যার উদ্দেশ্য, মাঠের লড়াইয়ে না পেরে চরিত্রহননের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে দুর্বল করা।
তবে ভুলে গেলে চলবে না—এই নাটক যত বেশি জটিল হবে, এর পেছনের ষড়যন্ত্র তত দ্রুত উন্মোচিত হবে। জনগণ এখন আগের মতো বোকার রাজ্যে নেই। আজকের তারুণ্য জানে কে দাবার ঘুঁটি, আর কে চাল চালাচ্ছে।
২৯ শে জুলাই
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1212