16/06/2024
একটি পরিপূর্ণ নিম গাছ প্রায় ১০ টন এসির সমপরিমাণ ঠান্ডা রাখে তার চার পাশের বাতাসকে
==================================
নিম গাছ পরিবেশগত ভাবে খুবই উপকারী । এটি খুব বেশি মাত্রার দূষণ সহ্য করতে পারে এবং শুষ্ক মৌসুমে পাতা পড়ে গেলেও সেগুলোতে তাড়াতাড়ি নতুন পাতা চলে আসে । নিম গাছের পাতা তুলনামূলকভাবে বেশি পরিমাণে সীসা শোষণ করে। ধূলিকণা, কার্বন ডাই-অক্সাইড, সালফার অক্সাইড এবং নাইট্রোজেনের মতো দূষক শোষণ করার ক্ষমতা নিম গাছের রয়েছে। ১৯৯৬ সালে আন্তর্জাতিকভাবে একটি সমীক্ষা ইঙ্গিত দেয় যে নিম গাছ শিল্প এলাকায় ও শহুরে দূষণ দূর করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্রজাতিগুলির মধ্যে একটি এবং এটি পরিচিত হট স্পটগুলিতে সবুজ বেল্টের মত কাজ কর।
নিমের কার্বন ডাই-অক্সাইড ফিক্সেশন করার ক্ষমতা অন্যান্য গাছের তুলনায় তুলনামূলকভাবে বেশি। এটি প্রতি সেকেন্ডে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ১৪ টি মাইক্রোমোল ( প্রতি বর্গ মিটার) ঠিক করতে পারে। নিম গাছের পত্র পৃষ্ট সর্বাধিক কার্বন ডাই-অক্সাইড ফিক্স করার জন্য একটি ভাল বিকল্প হিসেবে কাজ করে এবং অন্যান্য দূষণ উপাদানগুলির বিরুদ্ধে একটি ঢাল প্রদান করে বিশেষ করে সালফার ডাই-অক্সাইড।
একটি পরিপূর্ণ নিম গাছ প্রায় ১০ টন এসির সমপরিমাণ ঠান্ডা রাখে তার চার পাশের বাতাসকে।
নিম আমাদের দেশীয় গাছ, আবহাওয়া উপযোগী এবং যে কোনো ধরনের মাটিতে জন্মে। নিম গাছ দ্রুত বর্ধণশীল, পানির স্তর ধরে রাখে, মাটির ক্ষয় ও মরুময়তা রোধ করে। নিমের তেল মানুষ, গরু ও পশুপাখির উকুননাশক এবং চর্মরোগ নিরোধক। নিমের তেল, খৈল ও পাতা প্রাকৃতিক কীট নিবারক ও সার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। নিমের কাঠ অধিক মূল্যবান, উন্নত মানের, স্বাস্ব্যকর ও পরিবেশসম্মত এবং এই কাঠ দিয়ে ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র তৈরি করা যায় যা উঁই, ঘৃণ আ অন্য পোকায় নষ্ট করে না।
নিম গাছ অন্যান্য গাছের চেয়ে বেশি অর্থকরি এবং পরিচর্যায় তেমন খরচ নেই। নিম বাড়ির আঙিনা, রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালতসহ সর্বত্র লাগানো যায়। নিম গাছের গন্ধে আশপাশের ফসলেও কীট-পতঙ্গ আসে না ! তাই ফসলের মাঠেও নিম গাছ লাগানো উপকারী। তুলনামূলকভাবে নিমের অথনৈতিক গুরুত্ব অন্যান্য কাঠ, ফল ও ঔষধী গাছ থেকে অনেব বেশি। নিমের পাতা হাম, বসন্ত, ঘা, খুজলি, পাঁচড়া ও চুলকানিতে ব্যবহার হয়। নিম গাছে রোগ-ব্যাধি হয় না এবং এই গাছ গরু-ছাগলে খায় না। নিম গাছকে বিজ্ঞানীরা আগামী শতকের মহামূল্যবান বৃক্ষ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন এবং নিম গাছের তৈরি ওষুধ রাসায়নিক ওষূধের চেয়ে বেশি উপকারে আসবে বলে উল্লেখ করেছেন। বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে নিম অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে ১০ বছর বয়সের দু‘টি নিম গাছের পাতা, ফল, তেল, ও ডালপালা বিক্রি করে সে আয় থেকে ৫ জনের একটি পরিবারের সারা বছরের মৌলিক চাহিদা পূরণ সম্ভব।
সামনে গাছ লাগানোর মৌসুম শুরু হবে। সবার বাড়ির খালি জায়গায় রাস্তার ধারে যার যার পছন্দ অনুযায়ী গাছ লাগাতে পারি।আসুন গাছ লাগাই, অক্সিজেনের ফাক্টরী গড়ে তুলি।
16/06/2024
ঈদ শুভেচ্ছা।
সারাদেশে লাঠিখেলা চলুক ঈদ উপলক্ষে। দল লাগলে জানাবেন। খেলার ভিডিও থাকবেন পাঠাবেন।
16/06/2024
চ্যানেলটি সাবক্রাইব করুন
গ্রামীণ লাঠিখেলা(মরহুম উস্তাদ মুন্নাফ আলী সরদার-ঝিনাইদহ) লাঠি ঘুরানো খেলা
লাঠিখেলার গোড়াপত্তন হয় ১৮'শ শতাব্দিতে লাঠিয়ালদের রাজধানী দক্ষিণ বঙ্গের প্রবেশদ্বার মাগুরা জেলা সদরের আলোকদ....
08/06/2024
মাগুরা জেলা টিম এর লড়ির সাজের খেলা দেখুন
গ্রামীণ লাঠিখেলা(লড়ির খেলা পিছে বাড়ি) মাগুরা জেলা টিম
লাঠিখেলার গোড়াপত্তন হয় ১৮'শ শতাব্দিতে লাঠিয়ালদের রাজধানী দক্ষিণ বঙ্গের প্রবেশদ্বার মাগুরা জেলা সদরের আলোকদ....
08/06/2024
মাগুরা জেলা টিম এর দারুণ লড়ির খেলা দেখুন
গ্রামীণ লাঠিখেলা(লড়ির খেলা উপর-নীচ) মাগুরা জেলা টিম
লাঠিখেলার গোড়াপত্তন হয় ১৮'শ শতাব্দিতে লাঠিয়ালদের রাজধানী দক্ষিণ বঙ্গের প্রবেশদ্বার মাগুরা জেলা সদরের আলোকদ....
08/06/2024
উস্তাদ শায়েস্তা খান এর বোল্ড লাঠি ঘুরানো দেখুন
গ্রামীণ লাঠিখেলা(উস্তাদ শায়েস্তা খান-Ustad Shayesta Khan) বোল্ড লাঠি ঘুরানো
লাঠিখেলার গোড়াপত্তন হয় ১৮'শ শতাব্দিতে লাঠিয়ালদের রাজধানী দক্ষিণ বঙ্গের প্রবেশদ্বার মাগুরা জেলা সদরের আলোকদ....
08/06/2024
মরহুম উস্তাদ মুন্নাফ আলী সরদার-ঝিনাইদহ জেলা
অসাধারণ লাঠির ঘুরানো দেখাচ্ছেন
গ্রামীণ লাঠিখেলা(মরহুম উস্তাদ মুন্নাফ আলী সরদার-ঝিনাইদহ) লাঠি ঘুরানো-২
লাঠিখেলার গোড়াপত্তন হয় ১৮'শ শতাব্দিতে লাঠিয়ালদের রাজধানী দক্ষিণ বঙ্গের প্রবেশদ্বার মাগুরা জেলা সদরের আলোকদ....
22/05/2024
আন্ত: জেলা লাঠিখেলা উৎসব-২০২৪
সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস
লক্ষ্য-উদ্দেশ্য
আন্ত:জেলা লাঠিখেলার আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো সারাদেশের আনাচে কানাচে যতো লাঠিখেলোয়াড় জীবিত আছে তাদেরকে খুঁজে বের করা। তারপর তাদেরকে খেলার মাঠে নামানো। এতে করে লাঠিখেলার হারানো যৌবন ফিরে আসবে আবার।
উৎসব বাস্তবায়নে কর্মসূচী
১. প্রতিটি দল ও খেলোয়াড় নিয়ে থানা ও জেলা কমিটি পূণর্গঠন করা
২.প্রতিটি কমিটিতে এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়রদের যুক্ত করা
৩.জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় লাঠিখেলার আয়োজন করা
৪.লাঠিখেলা হবে নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে।
৫.বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় প্রতিটি জেলা থেকে বিজয়ী ২টি দল অংশ নেবে
৬.গণমাধ্যম কর্মীদেরকেও কমিটিতে যুক্ত রাখা।
লাঠিখেলার দল সংক্রান্ত বিষয়
১.প্রতিটি দলের স্থানী একটি নাম থাকবে
২.প্রতিটি দলের একটি স্বতন্ত্র পতাকা থাকবে
৩.প্রতিটি দলের একটি পরিচিতি ব্যানার থাকবে
৪.প্রতিটি দলে ফুল ড্রেস থাকবে। হাফপ্যান্ট নিষিদ্ধ।
৫.প্রতিটি দলে নিজস্ব ঢুলি থাকবে
৬.প্রতিটি দলের খেলাগুলো নির্দিষ্ট নামসহ সূচীপত্র থাকবে।
৭.প্রতিটি দলের খেলার সরঞ্জামগুলো আকর্ষণীয় ও নিদিষ্ট মাপের হবে
লাঠিখেলার আইনকানুন
১.খেলায় এন্টি ফি দিয়ে নাম রেজিস্ট্রি করাতে হবে।
২.খেলা পরিচালনায় রেফারী থাকবে
৩.খেলার মান নির্ণয়ে বিচারক থাকবে
৪.খেলার মাঠে প্রবেশের জন্য ৫পয়েন্ট থাকবে
৫.নির্দিষ্ট সময়ে খেলা শেষ করার জন্য ৫পয়েন্ট
৬.টাইম লস করলে পয়েন্ট কাটা যাবে
৭.এই প্রতিযোগীতা হবে শুধুমাত্র টিমগেম প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে
৮.একটি দল কত আইটেমের খেলা প্রদর্শন করতে পারবে তা দেখা হবে
৯.খেলার সময় মাঠে শৃংখলা, বাজনার সাথে তালমিল এর জন্য পয়েন্ট থাকবে।
১০.খেলা শেষে মাঠ থেকে বের হওয়ার নিয়মে পয়েন্ট পাবে।
লাঠিখেলার সরঞ্জাম যা থাকবে
১.কাঠি(যা বাচ্চাদের খেলার সরঞ্জাম দেড়ফিট লম্বা)
২.লড়ি( যা নিজ নিজ হাতে আড়াই হাত লম্বা হবে, বাশ বা বেতের তৈরী)
৩.ছড় বা ছড়ি(যা বাচ্চাদের খেলার জন্য প্রত্যেকে কপাল পর্যন্ত লম্বা)
৪.লাঠি(যা বড়দের খেলার জন্য, প্রত্যেকের কপাল পর্যন্ত লম্বা বাশ বা বেতের লাঠি)
৫.বোল্ড লাঠি( যা ছড় বা ছড়ির দুই মাথায় কাঠের বল থাকবে। স্টীলের হতে পারে)
৬.বোল্ড দড়ি(যা পাট বা সুতার তৈরী দড়ির দুই মাথায় বল থাকবে)
৭.ঢাল-সড়কি( এটি কাইজার মাঠের ঢাল-সড়কি নয়, বরং দুই হাতে লড়ি এক হাতে বেতের তৈরী ছোট ঢাল হতে পারে)
৮.বোম্বাই বাঁশ ঘুরানো।
এর বাইরে অন্য কোনো সঞ্জাম ব্যবহার লাঠিখেলার আওতাভুক্ত নয়।
উস্তাদ শায়েস্তা খান
সাধারণ সম্পাদক
20/05/2024
অনেক জায়গায় রাতে উৎসবমুখর পরিবেশে লাঠিখেলা হয়
15/05/2024
🛑ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে লাঠিখেলা!
মার্শালআর্ট শব্দটির সাথে অনেকেই পরিচিত। পৃথিবীর দেশে দেশে মার্শালআর্ট ভিন্ন ভিন্ন। বাংলাদেশের মার্শালআর্ট এর নাম লাঠিখেলা।
লাঠিখেলার গোড়াপত্তন হয় ১৮'শ শতাব্দিতে লাঠিয়ালদের রাজধানী দক্ষিণ বঙ্গের প্রবেশদ্বার মাগুরা জেলা সদরের আলোকদিয়া-পুখুরিয়া গ্রামে।
ক্ষণজন্মা পুরুষ সড়কিরাজ উস্তাদ আব্দুল সরদারের হাতে আঠারো শতাব্দিতে বঙ্গদেশে লাঠিখেলার পরিপূর্ণতা পায়।
তার আগে মানুষ আত্মরক্ষার জন্য লাঠি ব্যবহার করতো। কিন্তু লাঠিকে যে শিল্পে রূপদান করে দর্শক বিনোদনের খোরাক বানানো যায়, তা দেখিয়েছেন উস্তাদ আব্দুল সরদার।
উস্তাদ আব্দুল সর্দারের ৪০ হাজার শীষ্য এপার বাংলা ওপার বাংলার বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে ছিল। সে সকল শীষ্যদের পরবর্তী প্রজন্ম এখনো আব্দুল সর্দারকে স্মরণ করে থাকে শ্রদ্ধার সাথে।
লাঠিখেলা বাংলাদেশের একটি সম্পদ। বাঙ্গালী জাতির শৌর্যবীর্য ও গৌরব লাঠিখেলার মধ্যেই নিহিত আছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাঠিখেলাকে দারুন পছন্দ করতেন। বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে প্রতিবছর লাঠিখেলার আয়োজন হত। লাঠিখেলার জন্য একটি কমন ঢোলের বাজনা আছে, যা বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪সালে আবিষ্কার করেন। বাজনাটি হলো- এক ধামা চাল একটা পটল।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও লাঠিখেলা পছন্দ করেন। রাজশাহী ক্যান্টনমেন্টে গ্যালারিতে বসে তিনি দীর্ঘ সময় সৈনিকদের লাঠির ডিসপ্লে দর্শন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শ্লোগান-
ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন
শেখ হাসিনার দর্শন।
🛑বর্তমান লাঠিখেলার অবস্থা
লাঠিখেলা দীর্ঘদিন ধরে চললেও জাতীয়ভাবে লাঠিখেলার কার্যকর ও স্থায়ী কোনো সংগঠন গড়ে ওঠেনি। ফলে লাঠিয়ালরা হতাশ হয়েছে বার বার।
আমরা ২০১০ সাল হতে লাঠিখেলাকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানে কাজ করছি। ইতোমধ্যে সারাদেশে ৫৫০টি লাঠিয়াল দলের তালিকা করে থানা ও জেলা কমিটি গঠন করেছি। ২০১৭সালে বাংলাদেশ লাঠিখেলা ফেডারেশন নামে লাঠিখেলার জাতীয় সংগঠন গড়ে তুলে সারাদেশে খেলা পরিচালনা করছি।
লাঠিখেলা দেশের সম্পদ, দশের সম্পদ। গ্রামীণ মাটি ও মানুষের সাথে মিশে আছে লাঠিখেলা। লাঠিখেলা বাঙ্গালী জাতির শক্তির প্রতিক। লাঠিখেলাকে উন্নত করতে হলে সরকারি পৃষ্টপোষকতা সারাদেশের দাবী। আর সরকার বিনা কারণে পৃষ্টপোষকতার জন্য আগাবে না কখনও।
এর জন্য দরকার লাঠিখেলার নির্দিষ্ট আাইন ও কলাকৌশল দরকার নির্দিষ্ট সিলেবাস, যার আলোকে খেলা প্রশিক্ষণ চলবে। আমরা ইতোমধ্যে লাঠিখেলার সকল তথ্য উপাত্ত প্রস্তুত করেছি।
যেহেতু লাঠিখেলা গ্রামীণ মাটি ও মানুষের সংগঠন, সেহেতু আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হোন। তাহলেই দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাবে লাঠিখেলা। ল
উস্তাদ শায়েস্তা খান
সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ লাঠিখেলা ফেডারেশন
01759769897(whatsapp)
02/05/2024
একজন দুধর্স লাঠিয়াল উস্তাদ শওকত আলী সরদার।
তার খেলার মাঠে আক্রমনাত্মক ভাব এরকমই।
02/05/2024
এটি ইউরোপিয়ান লাঠির ফাইটিং একশান
দেশ ছেড়ে বিশ্বময় এখন লাঠিখেলা হয়।