17/07/2025
ক্রিকেট তো ব্যক্তির খেলা। নিজে নিজে যতটা চেষ্টা করা যাবে, সেটিতে কাজ হবে বেশি। কিছু কিছু মানুষ তো পাশে থাকবে সহায়তা করার জন্য। সেই সহায়তা যদি অনুপ্রেরণা হয় তাহলে তো আরও ভালো। নিজের পরিশ্রম নিজেরই করে যেতে হবে।
-লিটন কুমার দাস (টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক)।
28/05/2025
Timeline: Cricket Field Fights
📌 1995 – Sarwan vs McGrath (WI vs AUS)
➡️ গালিগালিতে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়
📌 2007 – Gambhir vs Afridi (IND vs PAK)
➡️ রান নিতে গিয়ে ধাক্কা, রীতিমতো মুখোমুখি যুদ্ধ
📌 2008 – Harbhajan vs Sreesanth (IPL)
➡️ ম্যাচ শেষে সরাসরি থাপ্পড়! স্রিসন্থ কাঁদলেন, হারভজন সাসপেন্ড!
📌 2010 – Gambhir vs Kamran Akmal (Asia Cup)
➡️ স্লেজিং নিয়ে ধাক্কাধাক্কি
📌 2013 – Shane Warne vs Marlon Samuels (BBL)
➡️ ওয়ার্ন বল ছুঁড়ে মারেন, স্যামুয়েলস ব্যাট ছুঁড়ে দেন!
📌 2014 – Pollard vs Starc (IPL)
➡️ স্টার্ক বল ছোড়েন, পোলার্ড ব্যাট ছুঁড়ে দেন!
📌 2015 – Ben Stokes vs Samuels
➡️ স্যালুট দিয়ে ব্যঙ্গ, উত্তেজনা তুঙ্গে!
📌 2022 – Asif Ali vs Fareed Ahmad (Asia Cup)
➡️ আউটের পর ধাক্কা, আসিফ ব্যাট তুলেছিলেন!
📌 2023 – Kumara vs Litton Das (Asia Cup)
➡️ মুখোমুখি উত্তেজনা, স্লেজিং, ধাক্কা
📌 2025 – Ripon Mondol vs Ntuli & Prince (Mirpur)
➡️ ছক্কার পর এনতুলি হেলমেট ধরে টেনে ধাক্কা দেন রিপনকে! প্রিন্সও ধাক্কা দেন।
🕊️
02/12/2024
সবশেষ ১৫ ইনিংসে ব্যর্থ মাহমুদুল হাসান জয়। এর মধ্যে সাতবার ১০ রানের নিচে আউট হয়েছেন। তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৭ ম্যাচের ৩২ ইনিংসে উল্লেখ করার মতো ৫টি ইনিংস আছে। এর মধ্যে ২০২২ সালের মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একটা সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। তারপরে বাকি ২৮ ইনিংসে ৩ বার হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ০ রানে আউট হয়ে বাংলাদেশের জার্সিতে টেস্ট শুরু করেছিলেন জয়। আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ০ রানে আউট হলেন। এই নিয়ে ৩২ ইনিংসে ৭ বার ০ রানে সাজঘরে গেলেন তিনি।
10/09/2024
অ্যানি জানতেনই না, সাকিব রাজনীতি করেন...
১০.০৯.২০২৪
দৈনিক ইত্তেফাক
15/07/2024
Lamine Yamal and his girlfriend Alex Padilla
05/07/2024
এই প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট থেকে গোল ছাড়া খালি হাতে ফিরতে হলো
30/06/2024
আর্জেন্টিনার জয়রথ কিংবা ইতিবাচক ফুটবলের কারণে বাংলাদেশের ব্রাজিল সমর্থকরা কিছুটা কোণঠাসা অবস্থার মধ্যে রয়েছে। সামাজিক মাধ্যমসহ বাস্তব জগতে এই দুই ফুটবল পরাশক্তির ভক্তদের মধ্যে কথার লড়াই লেগেই থাকে। এক দল জয় পেলে অপর দলের ভক্তরা মুখোমুখি অবস্থান নেন। এবারের কোপা আমেরিকায়ও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। নিজেদে দ্বিতীয় ম্যাচে ব্রাজিল তাদের প্রথম জয় পেয়েছে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে।
প্রথম ম্যাচে কোস্টারিকার বিপক্ষে গোল শূন্য ড্র করেছিল ব্রাজিল। তাতে ফিফা র্যাংকিংয়ে ৫৪ ধাপ পিছিয়ে থাকা প্যারাগুয়ের বিপক্ষে জয় তোলাটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। সেই কাঙ্ক্ষিত জয় তুলে নিতে পা ফসকানোর ঘটনা ঘটায়নি হলুদ জার্সিধারীরা। তবে ম্যাচটিতে জয় পেলেও কিছু প্রশ্ন সমর্থক কিংবা সমালোচকদের মুখে ঘুরে ফিরছে। ব্রাজিলের রক্ষণ কী ঠিক আছে, সেই প্রশ্নর মধ্যে অন্যতম।
গেল ২৫ জুন কোস্টারিকার বিপক্ষে ব্রাজিলের রক্ষণভাগের তেমন লড়াই করতে হয়নি। তারা নিজেদের ঘাঁটি রক্ষার পরিবর্তে মধ্যমাঠ ছেড়ে আক্রমণেই ব্যস্ত থেকেছেন। সে দিন মুহুর্মুহু আক্রমণ করেও ব্রাজিল তেমন কিছুই করতে পারেনি। মারকিনিওস, এদের মিলিতাও, গিলের্মে অ্যারানা ও দানিলোদের পরীক্ষাও দিতে হয়নি। পরের ম্যাচে স্বল্প পরীক্ষায় লেজে-গোবরে করে ফেলেছেন তারা। পিএসজি তারকা মারকিনিওসের ব্যর্থতার কারণে গোলও হজম করতে হয়েছে। গোলরক্ষক আলিসনও সেটি স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেননি, ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডার ওমর আলদারেতের বুলেট গতির সেই শট ব্রাজিল ডিফেন্ডারদের ঠেকানো উচিত বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আলিসন। কিন্তু এই ক্ষুদ্র পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পরে সামনের প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এক সময়ের গোলের সামনের অতন্দ্র প্রহরী থিয়াগো সিলভা কিংবা মার্সেলোরা এখন দলের সঙ্গে নেই। তাদের অনুপস্থিতিতে মারকিনিওসদেরই দায়িত্ব নিতে হবে।
এর ব্যতিক্রম হলে ব্যর্থতার শিকল ভাঙা কঠিন হবে। এমনিতেও আক্রমণভাগ নিয়ে শতভাগ সফলতা মিলছে না। অভিজ্ঞ ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রিগোরা ক্লাবের উল্লাস জাতীয় দলে দেখাতে পারছেন না। যদিও ভিনি জোড়া গোল করেছেন, কিন্তু কোস্টারিকার ম্যাচে তার ব্যর্থতা এমন প্রশ্নই সামনে এনেছে। শেষ পর্যন্ত রক্ষণ, আক্রমণসহ মধ্যমাঠের পরীক্ষায় কতটুকু সফল হতে পারে ব্রাজিল, সেটি ম্যাচের ফল বলে দিবে।
25/06/2024
এই বিশ্বকাপে হয়তো শরিফুলের আর খেলা হলো না। যদি সমীকরণ মেলে তাহলে হয়তো দেখা গেলেও যেতে পারে।
23/06/2024
ভিনি, ভিডি, ভিসি। রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারের এ শব্দগুলো বহুল পরিচিত। শব্দগুলোর অর্থ করলে দাঁড়ায়-এলাম, দেখলাম, জয় করলাম। বাংলাদেশের ক্রিকেটার লিটন দাসের ক্ষেত্রে এ শব্দগুলোকে একটু ভিন্নভাবে উল্লেখ করা যায়। এলাম, বল খেললাম, আউট হলাম। ব্যাট হাতে কেবল লিটন নন, দলের অধিকাংশ সদস্যই যেন একইভাবে হাঁটছেন। হাঁটছেন স্বপ্ন দেখানো জাকের আলি অনিকও। গতকাল ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৪ বলে মাত্র ১ রান করে আউট হয়েছেন। নেপালের বিপক্ষে ২৬ বলে ১২, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৭ বলে ১৪ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৯ বলে ৮ রান করেন। কিন্তু এ জাকেরের ব্যাট থেকে এমন ফর্ম কেউই আশা করেননি। ডাচদের বিপক্ষ বাদে তিনি নামের প্রতি সুবিচার করার মতো স্কোর তুলতে পারেননি
অথচ বাংলাদেশের এ উইকেটরক্ষক ও ব্যাটার বিশ্বকাপে পা রাখার আগে বেশ কিছু ম্যাচে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করে দেখিয়েছেন। যদিও উইকেটের পেছনে কিছুটা নড়বড়ে তিনি। তবুও ব্যাট হাতে আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। সিলেটের মাটিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৩৪ বলে ৬৮ রান করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন জাকের। সে ম্যাচে মোট ১০টি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন তিনি। যেখানে চারটি ৪ ও ছয়টি ছক্কার মার ছিল, স্ট্রাইক রেট ২০০। ঐ ম্যাচ দিয়েই ২৬ বছর বয়সি এ ব্যাটার বুঝিয়ে দিয়েছিলেন কতটুকু করার সক্ষমতা রাখেন তিনি। ম্যাচটিতে বাংলাদেশ ৩ রানে হারলেও বুক চিতিয়ে লড়াই করার নজির স্থাপন করেছিল। তারপর ব্যাট হাতে আরো কিছু ম্যাচে তাক লাগানো ফর্ম দেখিয়েছেন। একাধিকবার ঝোড়ো ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
কয়েকটি ম্যাচে ব্যর্থও হয়েছেন। তবে ব্যাট হাতে ঝড় তোলার যে আভাস দিয়েছিলেন ডানহাতি এ ব্যাটার, তাতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নতুন স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে বাউন্ডারি হাঁকানোর প্রবণতা খুব একটা লক্ষ করা যায় না। কেউ বাউন্ডারি আদায় করলেও স্ট্রাইক রেটের প্রতি নজর দিতে পারেন না। এ জায়গা থেকে জাকের ছিলেন ব্যতিক্রম। কিন্তু তার ব্যাটও লিটনদের মতো শান্ত হয়ে গেছে। এ ব্যর্থতার গোলকধাঁধা থেকে তিনি যত দ্রুত বের হয়ে আসবেন দল ও দেশের ততটাই মঙ্গল। শেষ দিকের ফিনিশার হিসেবে ক্ষিপ্র জাকের আলি অনিক বাংলাদেশের বড্ড বেশি দরকার।