29/10/2024
EC Meeting of 2023-2024 of Pharmaceurical Executive Club Limited.
Fitness enthusiast spreading positive vibes and healthy habits.
29/10/2024
EC Meeting of 2023-2024 of Pharmaceurical Executive Club Limited.
24/10/2024
Visited 2nd times Graveyards of SULTAN SULEMAN KHAN and HURREM SULTAN in Istanbul,Turkey…
27/09/2024
Today’s 10KM Run and 25mins Pool Swimming in Saidpur..
Thanks to Dr.Md. Kamrul Hasan Sohel bhai for your all out efforts and hospitalities with your TEAM in Saidpur Runners..
23/09/2024
এগিয়ে যাওয়ার প্রত্তয়ে আমরা সবাই।বৈষম্য একটি নোংরা রাজনীতি। আমরা তা ভেঙে দিবো।
"গল্পটি অনেকের ই জানা তার পরও একটু রিকেপ করলাম"
রাগ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ছোট একটি শিক্ষণীয় গল্প।
ছোট একটি ছেলে খুব রাগী।
বাবা কিছুতেই ছেলের #রাগ নিয়ান্ত্রণে আনতে পারছেন না।
একদিন বাবা ছেলেকে স্নেহের পরশে কাছে ডাকলেন।
একটি পেরেকভর্তি ব্যাগ দিয়ে বললেন,যতবার তুমি রেগে যাবে, ততবার একটি করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে। এটি তোমার প্রতি আমার আদেশ।
প্রথম দিনেই ছেলেটিকে ৩৭টি পেরেক মারতে হয়েছে।
কারণ, সে এদিন ৩৭বার রেগে গিয়েছিল। ক্রমশ সে উপলব্ধি করছিল, তার রাগ অনেক বেশি-৩৭বার পেরেক মারতে হয়েছে।
আরও ভাবল, কষ্ট করে পেরেক মারার চেয়ে রাগ কমিয়ে দেওয়া সহজ।
ছেলেটি পেরেক মারার কষ্ট লাঘব করতে করতে রাগ নিয়ন্ত্রণে আনা শিখে গেল। ধীরে ধীরে পেরেক মারা কমতে থাকল এবং অবশেষে একদিন তাকে আর একটি পেরেকও মারতে হলোনা।
বাবা বুঝলেন, তার প্রিয় সন্তান রাগ নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
এবার তিনি তাকে প্রতিদিন বাগানের বেড়ার একটি করে পেরেক তুলে ফেলতে বলতেন। বাবার আদেশ পালন করল ছেলেটি।
পেরেক তুলা শেষ হয়ে গেলে তার বাবা তাকে বাগানে নিয়ে গিয়ে কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললেন- দেখ, কাঠে পেরেকের গর্তগুলো এখনো রয়ে গেছে। কাঠের বেড়াটি কখনো আগের অবস্থায় আনা যাবেনা।
যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলো,তখন তার মনে ঠিক এমন একটা আঁচড় লেগে যায়-যা কখনোই আর মুছে যায়না বেটা।
তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখো।
মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও ভয়ংকর!
যেমন কাটা কাপড় জোড়া দেয়া যায় সেলাইয়ের দাগ মুছা যায়না"
06/09/2024
Opening Ceremony of Indoor Games-2024 of Pharmaceutical Executive Club Ltd and EC Meeting.
আমার খোলা চিঠি:- বাংলাদেশের "সাবেক প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে"
আমরা মনে করি আপনি ভালো নেই। ১৫/১৬ বছর স্বৈরশাসন কালের যবনিকা হবার পর আপনি ভালো থাকার ই কথা ছিলো।কারন আপনার আমল নামা আগে এতো কিছু জমা ছিলো আমাদের মতো আমজনতা জানতামনা।কিন্তু আপনি তো সব ই জানতেন। সত্যি করে একটা কথা বলেন তো, আপনি কি এদেশের জনগনকে মানুষ মনে করতেন?আপনার হাসি তামসা নাটক রহস্য প্রতি দিন দেখে আমাদের অবাক লাগতো, কেনো কিভাবে আপনি এতোটা অমানবিক ছিলেন?
প্রতিদিন মনে হচ্ছিলো তৈলাক্ত বাঁশের উপরে চড়ছেন আর নামছেন। সাংবাদিক চাটুকার ইত্যাদি ছিলো আপনার নিত্ত দিনের সংগী।কিছু সংখ্যক আপনার বাবার হত্তাকারী রাজাকার ও ছিলো আপনার চলার চাটুকার। কিছু টিভি মিডিয়া ছিলো আপনার হাসি তামাসার জলসা ঘর।আপনি সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ধংস করার এক কারিগর। গুম খুনের এক রাষ্ট্র নায়ক ছিলেন আপনি।তার পরও আপনার পিপাসু মিটেনি।৫৭ অফিসার ও ছিলো আপনার পুতুল খেলার অংশ। আয়না ঘরটি ছিলো আপনার খায়েশ মিটানোর একটি ফেসিসট আবিষ্কার। দিনের ভোট রাতে নিবার এক অবিশ্বাসের মেশিন ছিলেন আপনি। মিথ্যার এক ঐতিহাসিক রচনায় থাকবে আপনার জীবন কাহিনী। জনগনের পুলিশকে বানিয়ে ছিলেন হায়নার লীগ।ব্যাংক আর টাকার নেশায় আপনি ছিলেন উম্মাদ।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো ছিলো আপনার কাছে নিয়তির এক লজ্জায় নিমজ্জিত খেলাঘর।সংসদ ছিলো পালাগানের আসর।তার পরও আপনার আয়েশ-খায়েশ কোনটাই মিঠেনি।ছাত্র জনতার উপর হত্তা কান্ড চালিয়ে আপনি ইতিহাসের মহানায়িকা হয়ে পৃথিবীর বুকে আত্ম প্রকাশ করেছেন জুলাই ২০২৪ এ।শেষ পরযন্ত লাশের উপর দাঁড়িয়ে সব কিছু অন্ধকার করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে আরো রক্তের নেশায় উম্মাদ হয়ে আপনার ভালোবাসার সকল চাটুকার আর আপনার খারাপ কাজের উইটনেসদের ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়েছেন।কষ্ট লাগে,🥲 কোথায় জানেন?আপনি আপনার বাবার সকল অবদান কে কিভাবে মোছে ফেলা যায় তার জন্য যা যা করার সবই আপনি করেছেন।ইতিহাস আপনাকে ই দায়ী করবে।আপনার পতনের সাথে আপনার বাবার ২য় বার প্রতিকি মৃত্যু এবং ২য় বার বাংলাদেশ স্বাধীন হলো।🇧🇩🇧🇩
আমজনতার পক্ষে আমি আহ্সান।আমার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নাই।
ঐদিন টিসসিতে গিয়ে দেখলাম এক মেয়ে তার কানের দুল দান বক্সে বন্যায় কবলিত লোকদের দিয়ে দিলো।এই মানবতা ই আমরা দেখতে চেয়েছিলাম।
একটা দেশের স্টুডেন্ট মুভমেন্টে অন্য একটি দেশের ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির স্নাইপার আসলো। পোলাপান হার না মেনে লাশের সংখ্যা বাড়িয়ে গেলো।
দুই হাত মেলে দাঁড়িয়ে যাওয়া এক আবু সাইদকে গুলি করলো। এরপর প্রতি মিছিলের সামনে হাত মেলে দিয়ে একেকজন আবু সাইদ হতে লাগলো।
পানি খাওয়ানো একটা মুগ্ধকে মেরে ফেললো। অলিতে-গলিতে পানির বোতল হাতে নিয়ে শত মুগ্ধ বেরিয়ে আসলো।
ভার্সিটিগুলোতে নেট বন্ধ। অলিগলিতে সব ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড ওপেন করে দেওয়া হলো।
শেষমেশ আর কিছুতে না পেরে পানি ছেড়ে বন্যা বানালো। সারাদেশ থেকে হাজার হাজার অপেশাদার রেসকিউ টিম এগিয়ে আসলো।
বন্যার ফলে খাদ্যসঙ্কট দেখা দিল। ফান্ড কালেকশনে শত শত সংগঠন নেমে আসলো। এক টিএসসির ফান্ডেই আজকের জমা আশি লাখের কাছাকাছি।
পুকুরের পানি ছাদে উঠেছে। ছেলেপেলে ট্রাকভর্তি নৌকা নিয়ে হাজির।
ট্রাক্স নিতে জ্বালানি লাগবে। পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি ফ্রিতে দেওয়া হচ্ছে।
ফাস্ট রেসকিউর জন্য স্পিড বোটের দরকার। কর্ণফুলী শিপিং কোম্পানি বোট দিচ্ছে।
ত্রাণ কিনতে টাকার দরকার। সবার অবস্থান থেকে সাহায্যে ত্রাণ বক্স ভরে উঠছে।
ত্রাণ কর্মীদের যাতায়াতের গাড়ি দরকার। একুশে এক্সপ্রেস ফ্রি'তে টিকেট দিচ্ছে।
যোগাযোগের জন্য ফোনে নেট দরকার। অপারেটর কোম্পানি ফ্রিতে নেট দিচ্ছে।
দেবার জন্য উদাহরণ দরকার? ছোট্ট এক বাচ্চা ছেলে ওমরাহ'র জন্য জমানো সাড়ে চৌদ্দ হাজার টাকা ত্রাণ বাক্সে দিয়ে দিচ্ছে।
অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত দরকার? পিচ্চি ইহান তিন বছরের জমানো পয়সা প্লাস্টিকের ব্যাংক সহ বাক্সে দিয়ে দিচ্ছে।
সম্প্রীতির চিহ্ন দরকার? দুর্গাপূজার ফান্ড থেকে একটি ইসলামিক সংগঠনের ত্রাণ তহবিলে ত্রাণ কেনা টাকা আসছে।
অসীম নিদর্শন দরকার? সারাদিন পরিশ্রম করে পাওয়া ৪০০ টাকার সবগুলোই ত্রাণ তহবিলে দিতে ওমর ফারুক নামে এক রিক্সা চালক ছুটে আসছে।
ভালবাসা ও সম্প্রীতির নিদর্শন দরকার? বন্যায় ভেসে যাওয়া হিন্দু ভাইবোনেরা আশ্রয় পেয়েছে মসজিদের ভিতর। পরম মমতায় তাদেরকে আগলে রেখেছে নিজ পরিবারের মতো।
মানসিকতা দরকার? সারাদিন ভিক্ষা করা প্রতিবন্ধীটাও তার ভিক্ষার ভাগ থেকে ত্রাণবাক্সে টাকা ফেলছে।
কি ভেবেছেন? এ জাতি এতই ভঙ্গুর?
এতই অথর্ব? এতই ঠুনকো? হাজার বছর ধরে জীবনযুদ্ধে সংগ্রাম করা এই জনপদ বৃটিশদের কামানে টলেনি। পাকদের গোলায় ধ্বসেনি। স্বৈরাচারের ভয়ে দমেনি। কারো আগ্রাসনে গুটিয়ে যাবে? তাদের কাছে হাতজোড় করবে?
ভুল। ফারাক্কার জল দেখতে দেখতে আমরা বন্যায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। সীমান্তে ঝুলন্ত ফালানিকে দেখতে দেখতে আমরা মরতে শিখে গেছি। আবরার ফাহাদদের দেখতে দেখতে আমরা এক নিভু শিখা থেকে একশো প্রজ্জ্বলিত আলোর জন্ম নিতে শিখে গেছি।
যতই স্ট্রাটেজি বদলান লাভ নেই।
কারণ, এ জাতি হারতে শিখেনি।
এ জাতি হারতে জানেনা।
চমৎকার!!!আমরা আমাদের সম্প্রিতি!!!
অনেক ইনফরমেশন এডিটেড🇧🇩🇧🇩নতুন বাংলাদেশ আমাদের আমাদের বাংলাদেশ 🇧🇩
30/08/2024
শ্বেতী রোগ যা আমরা Vitiligo অথবা Hypopigmentation বলে জানি।এটি কোনো ছোঁয়াছে রোগ নয়।
ডা:মেহরান হোসেন ভাই, যিনি ডারমাটোলোজি বিশেষজ্ঞ। সিটি হসপিটাল,লালমাটিয়া চেম্বার।
উনার লিখাটি পড়ুন আশা করি উপকৃত হবেন।
Mehran Hossain
| Monday | 09:00 - 22:00 |
| Tuesday | 09:00 - 22:00 |
| Wednesday | 09:00 - 22:00 |
| Thursday | 09:00 - 22:00 |
| Friday | 09:00 - 22:00 |
| Saturday | 09:00 - 22:00 |
| Sunday | 09:00 - 22:00 |