A S Taj

A S Taj

Share

Physical, Mental & Financial Fitness Enthusiastic. International Sports Science Association Certified Nutritionist & Fitness Trainer.

Athlete, Public Speaker, Content Creator, Entrepreneur Founder: Fitlifebd.com

05/07/2026

মাছ মাংস ডিম দুধ পেট ভরে খেয়ে চর্বি বাড়ানো প্রায় অসম্ভব!

প্রথমত শরীরে চর্বি জমে ইনসুলিন হরমোন উৎপন্ন হলে। বিশেষত ইনসুলিন স্পাইক হলে শরীর ফ্যাট স্টোরেজ মোডে চলে যায়। যে খাবার খেয়ে যত দ্রুত শরীরে ইনসুলিন স্পাইক হবে সে খাবার ততবেশি শরীরে চর্বি জমাবে।

শরীরে ইনসুলিন স্পাইক হয় কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা খেলে। যেসকল কার্বোহাইড্রেটে ফাইবার নেই যেমন, পলিশ করা চালের ভাত, সাদা আটার রুটি, ফলের জুস, বিস্কুট, সফ্ট ড্রিংকস সহ প্যাকেটজাত খাবার খুব দ্রূত শরীরে ইনসুলিন স্পাইক করে ফলে দ্রুত চর্বি জমে।

মাছ মাংস ডিম দুধে প্রোটিন ও চর্বি বেশি থাকে এবং কার্বোহাইড্রেট থাকে খুবই সামান্য। চর্বি খেলে শরীরে ইনসুলিন স্পাইক বিন্দু পরিমান হয় না, প্রোটিন খেলে খুব সামান্য ইনসুলিন উৎপন্ন হয়। ফলে এই খাবারগুলোর শরীরে চর্বি জমানোর ক্ষমতা নেই।

সমস্যা তখন হয় যখন আমরা এইগুলোর সাথে কার্বোহাইড্রেট তথা ভাত রুটি মিশিয়ে খাই। কার্বোহাইড্রেট মিশিয়ে খেলেও সমস্যা হবে না যদি সেটা পরিমানে সামান্য হয় এবং সেটা ফাইবার সমৃদ্ধ হয়, যেমন পলিশ ছাড়া চালের ভাত, গমের আটার রুটি, শাকসবজি, ডাল ইত্যাদি।

আপনার পেট ৭০-৮০% পূর্ণ করতে হবে মাছ, মাংস , ডিম দুধ দিয়ে, আর ২০%-৩০% থাকবে শর্করা। সমস্যা হলো আমরা ৮০% শর্করা খাই আর ২০% প্রোটিন।

শুধুমাত্র এই খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করলে + শারীরিক পরিশ্রম ও পর্যাপ্ত ঘুমালে দুরারোগ্য ব্যাধি ছাড়া সমস্ত রোগের সমাধান করা সম্ভব।

05/07/2026

মানসিক চাপ নিয়ে রাত ৯ টার পর খাবার খেলে
হজমশক্তি কমে যায় প্রায় ৩৯% !

Digestive Disease Week 2026-এ উপস্থাপিত একটি মাল্টি-কোহর্ট গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের NHANES জরিপের ১১,০০০-এর বেশি প্রাপ্তবয়স্ক এবং American Gut Project-এর ৪,০০০-এর বেশি অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

শুধু দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপই হজমজনিত সমস্যার ঝুঁকি প্রায় ৩২% বাড়িয়েছে। কিন্তু যখন এর সঙ্গে নিয়মিত দেরিতে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস যুক্ত হয়েছে, তখন ঝুঁকি আরও অনেক বেড়ে গেছে। উচ্চ মানসিক চাপ ও দেরিতে খাওয়া এই দুই বৈশিষ্ট্য যাদের ছিল, তাদের ৩৯.৩% মলত্যাগের সমস্যার কথা জানিয়েছেন। তুলনায়, কম মানসিক চাপ এবং স্বাভাবিক সময়ে খাবার খাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে এই হার ছিল ২৩.২%।

গবেষকেরা দেখেছেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে (Chronic Stress) ছিলেন এবং রাত ৯টার পর দৈনিক মোট ক্যালরির ২৫%-এর বেশি গ্রহণ করতেন, তাদের কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়ার মতো অস্বাভাবিক মলত্যাগের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা ১.৭ থেকে ২.৫ গুণ বেশি ছিল।

এই অভ্যাস অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ব্যাকটেরিয়ার বৈচিত্র্য (Microbial Diversity) পরিমাপ করে গবেষকেরা দেখেছেন, যাদের দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ এবং দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস দুটিই ছিল, তাদের অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৈচিত্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এই অবস্থাকে গাট ডিসবায়োসিস (Gut Dysbiosis)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। কারণ, কম ব্যাকটেরিয়াল বৈচিত্র্য ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS) থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিপাকীয় (Metabolic) রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।

গবেষকেরা এই বিষয়টিকে “ক্রোনোনিউট্রিশন-স্ট্রেস অ্যাক্সিস (Chrononutrition-Stress Axis)” নামে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ, আপনি কখন খাবার খান এবং আপনি কতটা মানসিক চাপে আছেন এই দুটি বিষয় একসঙ্গে আপনার অন্ত্রের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে।

আমাদের হজমের এনজাইম, অন্ত্রের চলাচল (Gut Motility) এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা (Insulin Sensitivity) সবই শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম বা জৈবিক ঘড়ির নিয়ম অনুসরণ করে। তাই গভীর রাতে খাওয়া এই ব্যবস্থাগুলোকে এমন সময় কাজ করতে বাধ্য করে, যখন সেগুলোর কার্যকারিতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। এর ওপর যদি দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ যুক্ত হয়, তাহলে গবেষণার প্রধান লেখকের ভাষায় এটি শরীরের জন্য “ডাবল হিট” বা দ্বিগুণ নেতিবাচক আঘাতের মতো কাজ করে।

স্ট্রেস শুধু মনকেই প্রভাবিত করে না, এটি মস্তিষ্ক–অন্ত্র (Brain–Gut Axis)-এর মাধ্যমে সরাসরি হজমতন্ত্রের কার্যকারিতাকেও প্রভাবিত করে। স্ট্রেসের সময় শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন বাড়ে। ফলে পাকস্থলী ও অগ্ন্যাশয় থেকে হজমের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম ও রসের নিঃসরণ ব্যাহত হতে পারে। এতে খাবার ঠিকভাবে ভাঙতে সমস্যা হয়।

এর সমাধান হিসেবে রাতে দেরীতে খাবার খাওয়া পরিহার করতে হবে। সম্ভব হলে ঘুমোতে যাবার ২-৩ ঘন্টা পূর্বে খাবার খাওয়া উত্তম। খাবার খাওয়ার পরপরই বিশ্রাম না নিয়ে হাঁটলে ইনসুলিন হরমোনের সেন্সসিটিভিটি বাড়ে এবং স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল কমে। খুব ক্ষুধা লাগলে শর্করা না খেয়ে শুধু প্রোটিন ও চর্বি যুক্ত খাবার যেমন মাছ, মাংস অথবা ডিম খেলেও শরীরে ইনসুলিন স্পাইক হবে না। এর পাশাপাশি পেটের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া সম্বলিত টক দই খেলেও দারুণ উপকার পাওয়া সম্ভব। এই বিষয়গুলো অনুসরণ করলে গভীর ঘুমে যেতেও সহায়তা হবে।

04/07/2026

Erling Haaland মুখে টেপ লাগিয়ে ঘুমান যে কারনে।

04/07/2026

আপনি যদি আপনার প্রেমিক/ প্রেমিকাকে টাওয়ারে উঠে প্রপোজ করতে চান যেমন পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, পাহাড়ি টাওয়ার, সিঁড়িওয়ালা টাওয়ার এ উঠে প্রপোজ করতে চান তাহলে নিরাপদে ওঠার জন্য নিচের পেশিগুলো ট্রেইন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:

Fingers Muscles (আঙ্গুলের পেশি) : মূলত গ্রিপ স্ট্রেন্থ এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। কোনে কিছু আকড়ে ধরে উপরে উঠতে সহায়তা করে।

Quadriceps (উরুর সামনের পেশি): সিঁড়ি ওঠার প্রধান শক্তি দেয়।

Gluteus maximus (নিতম্বের পেশি): শরীরকে উপরের দিকে ঠেলে তোলে।

Hamstrings: হাঁটু ও নিতম্বকে স্থিতিশীল রাখে।

Calf muscles : প্রতিটি ধাপে শরীরকে ঠেলে তুলতে সাহায্য করে।

Plank-এ ব্যবহৃত কোর পেশি (পেট ও কোমর): ভারসাম্য বজায় রাখে।

Farmer’s walk-এ ব্যবহৃত গ্রিপ ও আগবাহুর শক্তি: রেলিং ধরতে বা কোনো জিনিস বহন করতে সহায়ক।

কাঁধ ও পিঠের পেশি: দীর্ঘ সময় ভঙ্গি ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

যদি টাওয়ারে ওঠার পথে অনেক সিঁড়ি থাকে, তাহলে শুধু পেশির শক্তি নয়, হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসের সহনশীলতাও (cardiorespiratory fitness) খুব গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য নিয়মিত দৌড় বা সাঁতার কাটুন।

এগুলো উন্নত করতে সবচেয়ে কার্যকরী ব্যায়াম: Dead Hang, Lunges, Step Up, Calf Raises, Plank, Fast Running & Swimming.

এর পাশাপাশি শরীরের ওজন উচ্চতা অনুযায়ী আদর্শ রেন্জে রাখার চেষ্টা করতে হবে নইলে শরীরের অতিরিক্ত ভরের কারনে পেশিতে ও ফুসফুসে চাপ সৃষ্টি হবে ফলে দ্রুত পেশিগুলো অবশ হবে এবং হাঁপিয়ে উঠবেন।

দুজন পার্টনার একত্রে এগুলো করতে হবে। নইলে একজন অপরজন কে টেনে তুলতে গিয়ে বিরক্তবোধ করবেন ফলে ‘ধূর ছাই মরগা’ বলে হাত ছেড়ে দেবার সম্ভাবনা আছে। এরপরও যদি টাওয়ারে উঠতে সফল হন এবং প্রোপোজ পরবর্তীতে বিয়ে পর্যন্ত গড়ায় সেক্ষেত্রে এইসকল ট্রেইনিং বিয়ে পরবর্তী জীবনে সুখে সংসার করতেও সহায়তা করবে। কারন এই ট্রেইনিং গুলো সরাসরি সেক্সুয়াল ইনটিমেসি তে সহায়তা করে এবং এর সাথে সম্পর্কিত হরমোন গুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি করে। শুভকামনা রইল।

01/07/2026

ফিট ব্যক্তি লম্বা-ফর্সা হতে না পারা নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগে না। Captain Tarik Hasan

30/06/2026

👌

29/06/2026

পেটের চর্বির সাথে হরমোনাল ইমব্যালান্স, মানসিক দুশ্চিন্তা, অপর্যাপ্ত ঘুম, অপর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম, অতিরিক্ত শর্করা গ্রহন এবং অপর্যাপ্ত প্রোটিন ও ফাইবার গ্রহণের মত একাধিক বিষয় সম্পৃক্ত। সবগুলো বিষয়ে একত্রে গুরুত্ব না দিলে শরীরের অন্যান্য অংশের চর্বি কমলেও তলপেট কমে না।
পারফেকশনের পেছনে ছুটে অতিরিক্ত জোর দিয়ে কিছু করবেন না, এতে স্ট্রেস বেড়ে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। ক্যাপশনে দেওয়া সবগুলো বিষয়ে প্রতি মাসে সামান্য ইম্প্রুভ করার চেষ্টা করুন।

27/06/2026

খেলাধুলায় যুক্ত বাচ্চারা মানসিক দিক থেকে অধিক সফল হয় । Captain Tarik Hasan

24/06/2026

মন্ত্রিত্ব পেলে যা যা করবো! । The Ramjan Show

22/06/2026

নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করার কিছু নেই

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka