11/01/2026
Khub vlo Khotha
゚viralvideo
Love
11/01/2026
Khub vlo Khotha
゚viralvideo
02/01/2026
#বিশ্বাস ভেঙে দিও না
বিশ্বাস ভেঙে দিও না,
কাউকে বিশ্বাস করতে শিখতে অনেক সময় লাগে।
হারিয়ে গেলে মানুষ ভয় পায় আবার শুরু করতে,
আর সেই ভয় কাটাতে লাগে অগাধ সাহস।
একবার আস্থার সেতু ভেঙে গেলে
ফিরে আসা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
হাতছাড়া হয়ে যাওয়া প্রতিশ্রুতি
যেন বিষের মতো ক্ষতি করে ভেতরে।
মানুষ ভরসায় টিকে থাকে,
অনেক অভিমান জমে থাকে নিঃশব্দে।
অল্প যত্নে তা গলে যেতে পারতো—
তবু কেউ কেউ বুঝতে চায় না তার মূল্য।
বিশ্বাস রেখো নিজের আচরণে,
কারণ আস্থা হারালে সম্পর্কও শেষ হয়ে যায়।
#এটাই
28/12/2025
কি আজব তাই না..! 😔🌹
তুমি আমাকে “ভালোবাসি” বলেও কখনো
ভালোবাসলে না, তোমার কথাগুলো ছিল ফুলের
মতো সুন্দর, কিন্তু গন্ধহীন। ভুলেই বোঝা যেত,
ওগুলো যেন ফোটেনি, শুধু দেখানোর জন্য
সাজানো। আর এইদিকে আমি অবহেলা পেয়েও
তোমাকে পাগলের মতো ভালোবেসেছি..!
তোমার নীরবতাকেও আমি ব্যস্ততার অজুহাত
ভেবেছি, তোমার দূরত্বকেও ভেবেছি সাময়িক
বিরতি। তুমি যখন উত্তর দাওনি, আমি নিজের
ভেতরেই হাজারটা কারণ বানিয়েছি— “ও ক্লান্ত”, “ওর
সময় নেই” ও বুঝতে পারছে না। আমি তোমার প্রতিটা
অনুপস্থিতিকে নিজের দোষ বানিয়ে নিয়েছি..! 😔🌹
Good night
#পুরুষ মানুষকেও আদরে রাখতে হয়, যত্নে রাখতে হয়।
কারণ তার শক্ত চেহারার আড়ালেও
লুকিয়ে থাকে ক্লান্তি, ভয় আর না-বলা
কষ্টের পাহাড়। দরকার হয় এমন
একজন নারী, যে বুঝবে তার নীরবতা, যে
তার চোখের ক্লান্তি পড়ে ফেলবে কথার
আগেই। একই আদর, একইখানি যত্ন।
একটিমাত্র আলতো স্পর্শেই পুরুষ মানুষটা
শান্তি খুঁজে পায়, যে শান্তি কোনো বড়
স্বপ্নে বা সাফল্যে পাওয়া
যায় না। ভালোবাসা মানে শুধু কথা নয়—
ভালোবাসা মানে কারও মনের ভেতরের
যুদ্ধটা বোঝা। তার কাঁধে হাত রেখে বলা—
“তুমি একা নও।”
24/12/2025
#ইলিয়ট ব্রিজের ইতিহাস
সম্ভবত ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান সিরাজগঞ্জ জেলা তখন পাবনা জেলার অন্তর্গত একটি মহকুমা। সিরাজগঞ্জ শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা বড়াল বা কাটাখালী নদী শহরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার ফলে তৎকালীন এই কাটাখালী পারের গুরুত্ব ছিল অনেক বেশি। কাটাখালী নদী সিরাজগঞ্জ শহরকে পূর্ব ও পশ্চিম দুই ভাগে বিভক্ত করে রেখেছিল। এই বিভক্তির কারণে দুই অংশের জনসাধারণের যাতায়াতে গুরুতর সমস্যা হতো। সমস্যা থেকে উত্তরণের উদ্দেশ্যে তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক স্যার ডিভিডসন আর্চার মি. রিচার্ড এলিয়ট নদীর উপর একটি সংযোগকারী সেতু তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। সিরাজগঞ্জ শহরকে ভালোভাবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপদানের জন্য শহরের জনকল্যাণমূলক ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনাসাপেক্ষে অর্থ সংগ্রহের জন্য একটি কমিটি গঠন করেন। অবশেষে, পাবনা জেলার ম্যাজিস্ট্রেট মি. জুলিয়াস জেলা বোর্ড থেকে ১৫,০০০/- (পনের হাজার) টাকা অনুদান প্রদান করেন।
এরপর শুরু হয় সেতু নির্মাণের কাজ। বাংলার তৎকালীন গভর্নর (ছোট লাট) মি. চার্লস আলফ্রেড এলিয়ট ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দের ৬ আগস্ট তারিখে এই সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ব্রিটিশ প্রকৌশলী ইনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি এই সেতু নির্মাণ করে। তৎকালীন সময়ে ৪৫,০০০/- (পঁয়তাল্লিশ হাজার) টাকা ব্যয়ে ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে এই সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। মি. চার্লস আলফ্রেড এলিয়টের নামানুসারে এই সেতুর নাম রাখা হয় “ইলিয়ট ব্রিজ”।
ইলিয়ট ব্রিজ বিশেষত্ব হচ্ছে এটি একটি ঝুলন্ত বিলান (আর্চ) সেতু। ১৮০ (একশত আশি) ফুট লম্বা ও ১৬ (ষোল) ফুট চওড়া এই সেতুর প্রতিটি আর্চ করে খালের দুই পাড়ের উপর নির্মাণ করা হয়েছে। ইস্পাত ব্যবহার করে সেতুর পুরো কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। তার উপর কাঠের পাটাতন লাগানো ছিল। কালের পরিক্রমায় সেগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন সময়ে সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে কংক্রিট ব্যবহার করা হয়। কাটাখালী নদীতে চলাচলকারী বড় নৌযান বা জাহাজের চলাচল যাতে বিঘ্নিত না হয় এবং সেতুর উপর দাঁড়িয়ে যেতে সিরাজগঞ্জ শহরের দৃশ্য অবলোকন করা যায়, সেজন্য ৩০ (ত্রিশ) ফুট উচ্চ করে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। পূর্বে বড় নৌকা ও জাহাজ চলাচলের রুট হিসেবে বড়াল বা কাটাখালী নদী ব্যবহৃত হতো। সিরাজগঞ্জ শহরের বুক চিরে অবস্থিত প্রাচীন সেতু হিসেবে আজও সৌন্দর্যে দাঁড়িয়ে আছে ইলিয়ট ব্রিজ। সিরাজগঞ্জ শহরের বেশ কয়েকটি সেতুর মধ্যে দৈর্ঘ্য ও উচ্চতার কারণে প্রায় ১৩৩ (একশত তেত্রিশ) বছরের পুরানো এই সেতুটি স্থানীয়ভাবে “বড়পুল” নামেই সমধিক পরিচিতি লাভ করেছে।
ইলিয়ট ব্রিজ সিরাজগঞ্জ শহরের একটি ঐতিহ্য। এটির সংরক্ষণ-রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আমাদের। আসুন, আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ শহরের প্রাণ কাটাখালী খালকে দূষণমুক্ত রাখি এবং ইলিয়ট ব্রিজ সংরক্ষণে সচেষ্ট হই।
শুভ সকাল
18/12/2025
Good Morning
ভালোবাসা
যতক্ষণ পর্যন্ত বুঝবে, না বুঝলে কলঙ্ক