সিংহরাগী নবজাগরণ ছাত্র সংঘ

সিংহরাগী নবজাগরণ ছাত্র সংঘ

Share

Welcome to the Shingharagi nabajagron satro shongho page. Keep up to date with the latest

14/04/2026

🌸 শুভ নববর্ষ ১৪৩৩! 🌸

নতুন বছর হোক ভালোবাসা, সম্মান ও বন্ধুত্বের বন্ধনে ভরা।
হৃদয় থেকে হৃদয়ে ছড়িয়ে পড়ুক সৌহার্দ্য ও মানবতার আলো।

—এই শুভ কামনায়।

04/11/2021

⚠️ একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং ওয়ার্ড মেম্বার এর মাসিক বেতন কত?

🔘 স্থানীয় সরকার ,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ০৯/০৮/২০১৭ খ্রি: তারিখের আদেশ মতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের সম্মানীভাতা নিম্নরুপ নির্ধারণ করা হয়েছে।

🔘 সদস্য (মেম্বার) পাবেন: সরকারি অংশ ৩৬০০ এবং ইউপি অংশ ৪৪০০ সহ সর্বমোট ৮,০০০/- টাকা।

🔘 চেয়ারম্যান পাবেন: সরকারি অংশ ৪৫০০ এবং ইউপি অংশ ৫৫০০ সহ সর্বমোট ১০,০০০/- টাকা।

🔘 সুতরাং একজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ৫ বছরে মোট বেতন পাবেন ৬ লক্ষ টাকা এবং একজন ওয়ার্ড মেম্বার ৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা মাত্র।

🔘 উল্লেখ্য যে, একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়ন নির্বাচন করতে গিয়ে........... লক্ষ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করে থাকেন। কারণ অধিকাংশ ভোটারদের মনের কথা হলো, যে প্রার্থী আমাকে বেশি টাকা দিবে আমি তাকেই ভোট প্রদান করবো।

🔘 এখন কথা হলো একজন চেয়ারম্যান ৫ বছরে বেতন পাবেন ৬ লক্ষ টাকা, আর নির্ভরযোগ্য তথ্য মতে নির্বাচনে ব্যয় হয় ৫০ লক্ষ টাকা। তাহলে বাকি ৪৪ লক্ষ টাকা কোথায় পাবে?

চিন্তা করুন!!!

🔘 তাই যে আমাকে বেশি টাকা দিতে পারবে অথবা বেশি চা, পান ইত্যাদি খাওয়াতে পারবে আমি তাকে ভোট দিবো এই চিন্তা ভাবনা বাদ দিন।

চিন্তা করুন এবার আমি তাকেই ভোট দিবো যে জনগণের সেবা করার জন্য রাজনীতি করে সৎ এবং যোগ্য। নির্বাচন পরবর্তী পাঁচ বছর শতভাগ সেবা মানুষের দ্বারে পৌছে দিবে।

🔘 অনেক চেয়ারম্যান তো আমরা দেখলাম,
কত জন আসলো আর গেলো, একবার আসুক দ্বীনদার,পরহেজগার, নামজি মানুষরা যারা রিলিফের চাল পাইকারের হাতে নয়, ন্যায মানুষের হাতে দেবে

তাই এবারের স্লোগান হোক, ভোটের বিনিময়ে কারো কাছ থেকে টাকা বা অন্য কিছু নয়, আমি ভোট পরবর্তী পাঁচ বছর শতভাগ সেবা চাই।

💢 "আপনি হবেন যেমন, আপনার শাসক ও হবে তেমন "

আপনি যদি দুর্নীতিবাজ হন তাহলে আপনার শাসক ও হবে দুর্নীতিবাজ, এখন সিদ্ধান্ত আপনার.
ধন্যবাদ।

18/10/2021

সবার জানা দরকার...

একটি ইউনিয়ন পরিষদ কি পাচ্ছে আর জনগণকে কি দিচ্ছে ? ভোট দিবেন কাকে ? ভেবেছেন কি একবার ?

বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে সেবা
আমাদের পাবার কথা তা কি আমরা পাচ্ছি ?ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকারের মজবুত ও শক্তিশালী একটি প্রতিষ্ঠান। সরকারের পাশাপাশি বিশ্ব ব্যাংকও বড় অংকের অনুদান প্রদান করে থাকে ইউনিয়ন পরিষদে।

আয়তন লোকসংখ্যা ও লোকেশন বিবেচনায় বিশ্ব ব্যাংকের এলজিএসপি-৩ এর আওতায় প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নে বছরে ২৫ লাখ থেকে ১কোটি টাকা পর্যন্ত দিয়ে থাকে।

উল্লেখ্য যে, এই টাকাগুলো কোন ঝক্কি-ঝামেলা কিংবা উপরি দেয়া ছাড়াই সকল দলের চেয়ারম্যানদের ইউপিগুলোতে চলে আসে।

ইট-ঢালাই, রাস্তা,কালভার্ট,বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগ, প্রাচীর, বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের জন্য আধুনিক মানের ড্রেসিং/ বাথরুম বানানো /এমন আরও হরেক রকম কাজে ব্যয় করা যায় এই টাকাগুলো।

নরমাল হিসেব করলেও প্রতিজন চেয়ারম্যান শুধু বিশ্ব ব্যাংক থেকে ৫ বছরে পায় দেড় থেকে পাচ কোটি টাকা। যে টাকা দিয়ে অনায়াসে একটা ইউনিয়ন সুন্দর ভাবে সাজানো সম্ভব।

তারপর আরও আছে যেমনঃ-
কর্মসৃজন প্রকল্প থেকে ৩৫-৪০ লাখ টাকা।
এডিবি ১২-১৪ লাখ টাকা।
কাবিটা ১০-১২ লাখ টাকা,।
কাবিখা ১০-১২ লাখ টাকা ইত্যাদি।

বন্যার বাঁধ উন্নয়নে পিআইসি'র টাকা বাদেও আরো অসংখ্য বরাদ্দ আসে ইউনিয়ন পরিষদে। বিভিন্ন দুর্যোগ, মহামারীতে আসে বিশেষ বরাদ্দ নামে তাৎক্ষণিক খরচের টাকা। এটাও প্রকারভেদে আকারে হয় অনেক মোটা এবং তাজা। কিন্তু টাকাগুলো ব্যয় হয় কোথায় ?

একজন ইউপি চেয়ারম্যানের স্বদিচ্ছা আর মানুষের প্রতি ভালবাসা এলাকার প্রতি দায়বদ্ধতা থাকলে তিনি নিজ ইউনিয়নের ভেতর পাড়া-গাঁয়ে প্রায় সকল কাঁচা-কাঁদা রাস্তা সংস্কার ব্যবস্থাসহ জন দুর্ভোগ লাঘবে ছোট ছোট সকল সমস্যা সমাধান সরকারী ফান্ড থেকে করে দিতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

অথচ চেয়ারম্যানের কাছে জিজ্ঞাসা করলে বলে বরাদ্দ নেই, তাহলে সরকার প্রতি বছর ইউনিয়নে যে টাকাগুলো দেয় সেগুলো কোথায় যায় ? যদিও নামমাত্র কিছু কাজ দেখালেও বাকিটুকু আর খোজ পাওয়া যায় না।

কিন্তু বাস্তবতা কি ?

আমরা কি ইউপি থেকে সেই কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছি ? উত্তর আসবে না ।আমরা সরকারকে দোষারোপ করি
আসলে সরকার থেকে ইউনিয়ন পরিষদে কি পরিমাণ বরাদ্দ আসে তার খবর কি আমরা নিতে পারছি ?
আমরা কি আমাদের মনের মতো চেয়ারম্যান / মানে
জনসেবক বানাতে আদৌ কি সক্ষম হচ্ছি ?ভেবে দেখুন
যদি সৎ যোগ্য জনবান্ধব চেয়ারম্যান বানাতে পারতাম তাহলে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ইউনিয়ন আজ মডেল ইউনিয়নে পরিণত হত।

বিষয়টি গ্রামের সকল শিক্ষিত ও সচেতন মানুষকে ভাবতে হবে।

Photos from সিংহরাগী নবজাগরণ ছাত্র সংঘ's post 20/02/2021

একুশে ফেব্রুয়ারি - আমার কি ভুলতে পারি?

27/04/2020

👫💗
প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর যে ছেলে বিয়ে করে, সে ছেলের বিয়ে করা বউটা লাইফ পার্টনার হিসেবে থাকেনা। বরং সেটা ভোগবিলাসের বস্তু হিসেবে পরিণত হয়। কারন, প্রতিষ্ঠির ছেলের কোন অভাব থাকেনা। ফলে, তার জীবন যুদ্ধে সাহায্য করার জন্য কোন পার্টনার দরকার হয় না।

পার্টনার দরকার হয় তার, যে অধিক কষ্টে জীবন যাপন করে। তাকে হেল্প করার জন্যই পার্টনার দরকার হয়।
কিন্তু আজকাল মেয়েদের অভিভাবকরা সবসময় চান ছেলে যেন পুরোপুরি এস্টাবলিশড হয়। তার যেন অলরেডি বাড়ি গাড়ি থাকে!

তারা হয়তো ভুলে যান, অথবা জানেন না, যে ছেলে সবসময় সবকিছু না চাইতেই পেয়ে এসেছে, কিংবা যে ছেলে সবকিছু নিজে নিজে গুছিয়ে ফেলেছে- তার ঘরে নতুন বউ নতুন একটা আসবাবের মত বাড়তি সংযোজন মাত্র-যা তার কিছু শারীরিক ও মানসিক চাহিদা মেটাবে।

..আসলে এস্টাবলিশমেন্ট নয়, দেখা উচিৎ পটেনশিয়ালিটি। দেখা উচিত স্বভাব চরিত্র। আর বিয়েটা দেয়া উচিৎ সবকিছু গুছিয়ে নেয়া বা প্রতিষ্ঠিত হবার পর নয়, ছেলেমেয়েদের জীবনে সংগ্রাম বাকি থাকতেই। যাতে করে জীবনের বাকি যুদ্ধটা তারা দু'জনে একসাথে চালিয়ে নিতে পারে। যুদ্ধ করে করে জীবন এগিয়ে গেলে তবেই সম্পর্কটা হবে ইস্পাতকঠিন। নিঃস্বার্থ ভালোবাসাময়।

মানুষ সবসময় তাকেই বেশি ভালবাসে, বেশি আপন মনে করে, যে ছিল বিপদ মুহূর্তের সাথী। জীবনের বিভিন্ন কঠিন সময়ে যারা আমাদের সঙ্গে থাকে তাদেরকে আমরা ভুলতে পারিনা। তাদের সাথে সম্পর্কটা একসময় সত্যি সত্যিই স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে যায়। বিয়ের ক্ষেত্রেও অবস্থাটা ভিন্ন কিছু নয়। যে স্বামী স্ত্রী একসাথে সংগ্রাম করে করে জীবনের পথে এগিয়ে যায়- তাদের বন্ধনটাই হয় সবচেয়ে দৃঢ়।

তাদের ভালোবাসা হয় সবচেয়ে গাঢ়। সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী। কারণ, কঠিন সময়গুলোই মানুষের অন্তরে দাগ কেটে যায়। জীবনের শেষ দিনেও হয়তো মনে পড়ে - #একদিন_আমরা_এক_বেলা_উপোস_ছিলাম!!!!
আর এটাই লাইফ পার্টনারের প্রয়োজনীয়তা...☺️

যখন একা একা জীবন যুদ্ধে জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়, তখন কাউকে সহযোদ্ধা হিসেবে পেলে তা কখনো যে কঠিন সময়ে পাশে ছিলো তার মত হয়না।

#সংগৃহীত

Photos from সিংহরাগী নবজাগরণ ছাত্র সংঘ's post 21/02/2019

21th February sports & cultural program

21/02/2019

Best dance 2019 by U.P. member Nuruzzaman

Photos from সিংহরাগী নবজাগরণ ছাত্র সংঘ's post 20/02/2019

21th February International mother language day.

Photos from সিংহরাগী নবজাগরণ ছাত্র সংঘ's post 17/12/2017

16th December Senior vs Junior Final match .
Junior Win.

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Shingharagi , Elasin, Delduar, Tangail, Dhaka: 1913
Dhaka
191DELDUAR