গাঁজা (cannabis) খেলে জিম বা শরীরচর্চার পারফরম্যান্স কেন খারাপ হয়—এর পেছনে কয়েকটা বাস্তব কারণ আছে:
১. শক্তি ও মোটিভেশন কমে যায়
গাঁজা অনেক সময় “lazy” ফিলিং দেয়। ফলে ভারী এক্সারসাইজ বা নিয়মিত ওয়ার্কআউট করার আগ্রহ কমে যায়।
২. রিঅ্যাকশন টাইম ও ফোকাস কমে যায়
ওজন তোলা বা জিমে সঠিক ফর্ম খুব গুরুত্বপূর্ণ। গাঁজা খেলে ফোকাস কমে যায়, ব্যালান্স নষ্ট হয়—ইনজুরির ঝুঁকি বেড়ে যায়।
৩. হার্ট রেট বেড়ে যায়
গাঁজা খেলে হার্টবিট হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে। এর ওপর আবার ওয়ার্কআউট করলে শরীরের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে।
৪. পেশি গঠনে বাধা
রেগুলার জিম করলে শরীরে টেস্টোস্টেরন ও গ্রোথ হরমোন দরকার হয়। গাঁজা এগুলোর ব্যালান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, ফলে muscle gain কম হয়।
৫. স্ট্যামিনা কমে যায়
কার্ডিও (দৌড়, সাইক্লিং) করতে গেলে ফুসফুস ভালো কাজ করতে হয়। গাঁজা (বিশেষ করে ধূমপান করলে) ফুসফুসের ক্ষমতা কমাতে পারে।
৬. ঘুমের গুণগত মান খারাপ হয়
ভালো ঘুম না হলে muscle recovery ঠিকমতো হয় না। গাঁজা কিছু সময় ঘুম আনলেও deep sleep কমিয়ে দিতে পারে।
👉 সহজভাবে বললে:
জিম করতে চাইলে শরীরকে alert, শক্তিশালী আর disciplined থাকতে হয়—গাঁজা এই তিনটারই ক্ষতি করে।
তুমি যদি সত্যি ফিটনেস আর ইনকামের দিকে ফোকাস করতে চাও, তাহলে ধীরে ধীরে এগুলো বাদ দেওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত হবে।
VaaiBondhu Gym
Healthy strong people are easy to concentrate on worship
নেশা সেই রকম একটি ট্রেপ! যা মানব জীবনকে ডাস্টবিনে ঢুকিয়ে ফেলে; না ছাড়লে বের হওয়া সম্ভব না!
নেশা না করে ব্যায়াম করুন
লিপিড প্রোফাইল কী?
একজন বিখ্যাত ডাক্তার খুব সুন্দরভাবে লিপিড প্রোফাইলের ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং একটা দারুণ গল্পের মাধ্যমে বিষয়টা সহজভাবে বুঝিয়েছেন।
ভাবুন, আমাদের শরীরটা একটা ছোট্ট শহর।
এই শহরের সবচেয়ে বড় দুষ্টু লোক হলো – কোলেস্টেরল।
তারও আবার কিছু সঙ্গী আছে।
তার প্রধান সহযোগী হলো – ট্রাইগ্লিসারাইড।
ওদের কাজ হলো শহরের রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো, গোলমাল করা আর রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া।
এই শহরের হৃদপিণ্ড (হার্ট) হলো শহরের কেন্দ্র।
সব রাস্তা এই কেন্দ্রের দিকেই যায়।
যখন এই দুষ্টুরা বেড়ে যায়, তখন কী হয় বুঝতেই পারছেন।
ওরা হৃদপিণ্ডের কাজ বাধাগ্রস্ত করে দেয়।
কিন্তু আমাদের শরীর-শহরে আছে একদল পুলিশ – HDL (High Density Lipoprotein – ভালো পুলিশ)।
এই ভালো পুলিশরা দুষ্টুদের ধরে জেলে (লিভারে) পাঠিয়ে দেয়।
তারপর লিভার ওদের শরীর থেকে বের করে দেয় – আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেমের (বর্জ্য নির্গমন) মাধ্যমে।
কিন্তু
শহরে আছে এক খারাপ পুলিশ – LDL, যে ক্ষমতার লোভী।
এই খারাপ পুলিশ LDL আবার এই দুষ্টুদের জেল থেকে ছাড়িয়ে এনে রাস্তায় ছেড়ে দেয়।
যখন ভালো পুলিশ HDL কমে যায়, তখন পুরো শহরটা বিশৃঙ্খলায় ভরে যায়।
বলুন তো, এমন শহরে কে থাকতে চাইবে?
তাহলে কি চান, এই দুষ্টুদের কমাতে আর ভালো পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে?
হাঁটতে শুরু করুন!
প্রতিটি পদক্ষেপে HDL বাড়বে, আর দুষ্টু কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড আর LDL কমবে।
তাহলেই আপনার শরীর (শহর) আবার প্রাণ ফিরে পাবে।
আপনার হৃদপিণ্ড – এই শহরের কেন্দ্র – থাকবে ব্লকেজ থেকে সুরক্ষিত।
আর যখন হৃদপিণ্ড সুস্থ থাকবে, তখন আপনিও থাকবেন সুস্থ।
তাই যখনই সুযোগ পান – হাঁটুন!
সুস্থ থাকুন...
এবং আপনার ভালো স্বাস্থ্যের কামনা করছি।
এই লেখাটা আমাদের শেখায় –
HDL (ভালো কোলেস্টেরল) বাড়ানোর এবং LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো – হাঁটা।
প্রতিটি পদক্ষেপে HDL বাড়ে।
তাই – চলুন, হাঁটা শুরু করি আর চালিয়ে যাই।
⚠ যেসব জিনিস কমাতে হবে:
1. লবণ
2. চিনি
3. ব্লিচ করা ময়দা
4. দুধজাত খাবার
5. প্রক্রিয়াজাত খাবার (Processed food)
🥗 প্রতিদিন যেসব খাবেন:
1. শাকসবজি
2. ডাল
3. শিমজাতীয় খাবার
4. বাদাম
5. ঠান্ডা চাপে তৈরি তেল (cold-pressed oil)
6. ফলমূল
🧘 তিনটি জিনিস ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করুন:
1. আপনার বয়স
2. অতীত
3. কষ্ট বা অভিযোগ
💞 চারটি বিষয় গ্রহণ করুন:
1. পরিবার
2. বন্ধুত্ব
3. ইতিবাচক চিন্তা
4. পরিষ্কার ও সুন্দর ঘর
😊 তিনটি অভ্যাস বজায় রাখুন:
1. সবসময় হাসিখুশি থাকুন
2. নিয়মিত শরীরচর্চা করুন (নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী)
3. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
🌿 ছয়টি জীবনধারা অনুসরণ করুন:
1. তৃষ্ণা পেলে নয়, নিয়মিত পানি পান করুন।
2. ক্লান্ত হওয়ার আগেই বিশ্রাম নিন।
3. অসুস্থ হওয়ার আগেই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন।
4. অলৌকিক ঘটনার অপেক্ষা নয়, আল্লাহ/ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখুন।
5. নিজের ওপর আস্থা হারাবেন না।
6. ইতিবাচক থাকুন এবং আগামী দিনের প্রতি আশাবাদী থাকুন।
যদি আপনার পরিচিতদের মধ্যে কেউ ৪৫ থেকে ৮০ বছর বয়সী হন, তাহলে তাদের সঙ্গে এই বার্তাটি শেয়ার করুন
কোচদের মতে মনের ইচ্ছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আজকে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ। আগামীকাল যেন পারি ইনশাআল্লাহ, দোয়া করবেন।
নিয়মিত ব্যায়াম করার অনেক উপকারিতা আছে — শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সব দিক থেকেই। নিচে এগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা দিলাম:
---
শারীরিক উপকারিতা:
1. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
ক্যালোরি খরচ হয়, মেটাবলিজম বাড়ে।
2. হৃদযন্ত্র ও রক্তচাপ ভালো রাখে
উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
3. পেশি ও হাড় শক্তিশালী করে
অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করে।
4. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
শরীর ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে ভালোভাবে লড়াই করতে পারে।
5. ঘুমের মান উন্নত করে
গভীর ও শান্ত ঘুম আসতে সাহায্য করে।
---
মানসিক উপকারিতা:
1. মুড ভালো করে, মানসিক চাপ কমায়
শরীর থেকে "এন্ডরফিন" হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মন ভালো করে।
2. উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা দূর করতে সাহায্য করে
3. মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি উন্নত করে
4. আত্মবিশ্বাস বাড়ায়
---
অন্য উপকারিতা:
1. দীর্ঘজীবন লাভে সহায়তা করে
2. দৈনন্দিন কাজকর্মে দক্ষতা বাড়ায়
3. সামাজিক মেলামেশার সুযোগ তৈরি হয় (যেমন: গ্রুপ ওয়ার্কআউট, খেলাধুলা)
সংগৃহীত: ChatGPT
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Telephone
Website
Address
Leather Industry Area, Hemayetpur, Savar
Dhaka
1209
Opening Hours
| Monday | 07:00 - 09:00 |
| Tuesday | 07:00 - 09:00 |
| Wednesday | 07:00 - 09:00 |
| Thursday | 07:00 - 09:00 |
| Friday | 07:00 - 09:00 |
| Saturday | 07:00 - 09:00 |
| Sunday | 07:00 - 09:00 |
22/12/2024