13/03/2026
সালমান আলী আঘা হচ্ছে ভার্সিটির ফার্স্ট সেমিস্টারের সহজ সরল বন্ধু। যার কাধে কেউ হাত রাখলেই সে মনে মনে বেস্ট ফ্র্যান্ড বানিয়ে ফেলে।
২/৩ সেমিস্টার পার হবার পর সহজ সরল বন্ধুর যেমন চোখ ফুটে তেমনি সালমান আলী আঘার চোখ নিশ্চয়ই আজকে ফুটেছে। 🥴
শিক্ষা হয়ে থাকলে আর কোনোদিন " Best friends forever " এ বিশ্বাস করবে না সালমান 🐸
13/03/2026
তাসকিনের আনন্দ দেখুন, মনে হচ্ছে ৫ উইকেট রানা নয় তাসকিন পেয়েছেন। প্রায়শই দেখি আমাদের পেসাররা একত্রেই আড্ডা দেয়, খেতে যায়। ওরাই বলে ওরা নাকি একটা ফ্যামিলি। একজনের আনন্দে আরেকজন হয় খুশি। সত্যিই কিন্তু। এই ছবিও প্রমাণ। পাঁচ উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা তবে কি খুশি তাসকিন। এভাবেই তো একটা 'দল' হয়ে উঠে আমাদের বাংলাদেশ ক্রিকেট।
13/03/2026
ম্যাচ শেষে সালমান আলী আঘা মিরাজের সাথে হ্যান্ডশেক করেছে।
সালমান সত্যিই জেন্টেলম্যানের পরিচয় দিয়েছে।
২০২৩ বিশ্বকাপে ম্যাথিউজ দূরে থাক, শ্রীলঙ্কার কোনো খেলোয়াড়ই বাংলাদেশের সাথে হ্যান্ডশেক করতে আসে নাই।
২০১৬ সালে বেন স্টোকস তো হ্যান্ডশেকের সময় তামিম ইকবালের সাথে হাতাহাতিই প্রায় শুরু করে দিয়েছিল। পরবর্তীতে সাকিব ব্যাপারটা মিটমাট করে।
পাকিস্তানের জায়গায় ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া কিংবা ভারতের খেলোয়াড় হলে হ্যান্ডশেকের সময় সিউর নাটক করতো। কিন্ত সালমান শেষ পর্যন্ত নীরব থাকাটাকেই বেছে নিয়েছেন। এজন্য তাকে ধন্যবাদ।
27/02/2026
কানাডা ✅
আফগানিস্তান ✅
নিউজিল্যান্ড ✅
ভারত ✅
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ✅
নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচ খেলে পাঁচটিতেই জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা
27/02/2026
এই বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত একমাত্র আনবিটেন দল দক্ষিণ আফ্রিকা!
মার্করাম, ডি কক এবং রিকেলটনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে খুব অনায়াসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
তবে দক্ষিণ আফ্রিকার উপর আমার ভরসা নাই। এই দলটা গ্রুপ পর্বে খুব ভালো ফর্মে থাকে। কিন্ত নক আউট পর্বে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলে।
২০১১ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিলো। স্বাগতিক ভারত দক্ষিণ আফ্রিকার পিছনে ছিলো গ্রুপ পর্বে। কিন্ত কোয়ার্টার ফাইনালে গিয়ে ম্যাচ হেরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০১৫ বিশ্বকাপেও এবিডি ভিলিয়ার্সের দক্ষিণ আফ্রিকা দারুণ ছন্দে ছিলো। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে প্রায় হারিয়েই দিয়েছিলো। কিন্ত নক আউটে মারা খাওয়াটা তাদের অভ্যাস। ঐ ম্যাচটাও শেষ পর্যন্ত হারে আফ্রিকা।
এতো দূর যাওয়ার আসলে দরকার নাই। দুই বছর আগের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটার দিকে তাকালেই বুঝা যায় যে নক আউট ম্যাচে জিততে জিততে হেরে যাওয়াটা দক্ষিণ আফ্রিকা একটা শিল্পে পরিণত করেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা যতক্ষণ পর্যন্ত বিশ্বকাপ না জিতবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি এই দলের উপর ভরসা রাখতেছি না।
27/02/2026
ক্রিকেট কি শুধুই একটা খেলা, নাকি তার চেয়েও বেশি কিছু? আজ ব্রায়ান বেনেটের (Brian Bennett) ব্যাটিং দেখে সেই আক্ষেপটাই বারবার মনে বাজছিল। 💔
ভারতের বিপক্ষে ২৫৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে যখন দলের একের পর এক উইকেট পড়ছিল, তখন একপ্রান্ত আগলে রেখে জিম্বাবুয়ের আশার প্রদীপ হয়ে জ্বলেছিলেন মাত্র ২২ বছর বয়সী এই তরুণ। কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! ৯৭ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়ার যে যন্ত্রণা, তা কোনো স্কোরকার্ড দিয়ে বোঝানো সম্ভব নয়। 😭
সবচেয়ে বেশি খারাপ লেগেছে মুনিয়োঙ্গা আর মুসাকান্দার ব্যাটিং দেখে! 😡 যখন ম্যাচ জেতা অসম্ভব ছিল, তখন উচিত ছিল বেনেটকে স্ট্রাইক দিয়ে তার ঐতিহাসিক ১০০ পূর্ণ করতে সাহায্য করা। ভারতের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের জন্য কত বড় অর্জন হতে পারতো সেটা তারা বুঝতেই পারলো না! নিজেদের রানের চিন্তায় ব্যস্ত থেকে তারা যে স্বার্থপরতার পরিচয় দিল, তা সত্যিই লজ্জাজনক। 😤
তবে শেষ দিকে নেমে ব্র্যাড ইভান্স (Brad Evans) ঠিকই বুঝিয়ে দিয়েছেন সতীর্থের প্রতি ভালোবাসা কাকে বলে। যদিও তখন সেঞ্চুরি করার মতো বল হাতে ছিল না, তবুও শেষ মুহূর্তে সিঙ্গেল নিয়ে বেনেটকে স্ট্রাইক দিয়ে ইভান্স প্রমাণ করেছেন—চাইলে বেনেটকে সবাই মিলে সাহায্য করাই যেত। 👏
ব্রায়ান বেনেট, আজ আপনি ১০০ করতে পারেননি ঠিকই, কিন্তু ভারতের বিশ্বসেরা বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে ৫৯ বলে ৯৭* রানের যে ইনিংসটি খেলেছেন, তা আমাদের কাছে যেকোনো সেঞ্চুরির চেয়েও বড়। আপনার এই লড়াই জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের ইতিহাসে সোনালী অক্ষরে লেখা থাকবে। 🇿🇼🏏🔥
11/02/2026
আমি আমার লাইফে এমন ক্রিকেট ম্যাচ দেখি নাই!!
গুরবাজের জন্য আমার সত্যিই খারাপ লাগছে। দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলেও আমার চোখে আজকের হিরো গুরবাজ!
১৮৮ রান চেইজ করতে নেমে গুরবাজ একাই ২০০ স্ট্রাইক রেটে ৮৪ রান করলো।
দ্বিতীয় সুপার ওভারে ৪ বলে ২৪ রানের ইকুয়েশনটা যখন একদম কঠিন হয়ে দাঁড়ালো তখন টানা তিন ছক্কা মেরে আফগানিস্তানের জয়ের আশা শেষ বল পর্যন্ত বাঁচিয়ে রেখেছিলো। কিন্ত আফসোস ভাগ্য আজ তার পক্ষে কাজ করে নাই।
গুরবাজের সাহস এবং বুক চিতিয়ে লড়াই করার ক্ষমতা কয়জন ব্যাটসম্যানের আছে?
আফসোস নিয়ে বলতে ইচ্ছা করছে বাংলাদেশের যদি এমন একটা ব্যাটসম্যান থাকতো!!!
10/02/2026
এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে ভালো লাগছে৷ উন্নত প্রযুক্তির কারণে ম্যাচে ভুল সিদ্ধান্ত নেবার সম্ভাবনা কমে যাবে। যার ফলে ভুল সিদ্ধান্তর জন্য কোনো দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
প্রযুক্তির কারণে মিচেলের বিপক্ষে ওমরজাইয়ের ডেলিভারিটা ফেয়ার ডেলিভারি হিসেবে সিদ্ধান্ত নিতে খুব বেশি বেগ পোহাতে হয় নাই আম্পায়ারের।
২০১৫ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচের কথা মনে পড়ে গেলো। এটা ভেবে আফসোস লাগছে তখন যদি এইরকম প্রযুক্তি থাকতো তাহলে সেদিনের প্রেক্ষাপট ভিন্ন হতে পারতো। রোহিতকে আউট দিতে বাধ্য হতো আম্পায়ার। ফেয়ার ডেলিভারিকে চাইলেই নো বল হিসেবে চালিয়ে দিতে পারতো না। রোহিত আউট হলে হয়তোবা সেদিন ম্যাচের রেজাল্টটা অন্যরকম হলেও হতে পারতো।
10/02/2026
ক্যাপ্টেন কুল লিটন দাস!
আম্পায়ার যখন চারের বদলে ১ রানের ডিসিশন জানালো তখন সোহান এগ্রেসিভ হয়ে গিয়েছিলো। লিটনের সাথেও এগ্রেসিভ আচরণ করছিলো। কিন্ত লিটন কোনো রিয়েকশন দেয় নাই।
অন্যদিকে আম্পায়ার যখন ১ রানের ডিসিশন পরিবর্তন করে চার রানের ডিসিশন জানালো তখন লিটনের দলের দুই প্লেয়ার শরীফুল এবং হৃদয় আম্পায়ারের সাথে এগ্রেসিভ আচরণ করা শুরু করে। কিন্ত লিটন তার দলের সতীর্থদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। এই জিনিসটাকে আর বড় করতে দেন নাই।
একজন সিনিয়র প্লেয়ার এবং অধিনায়ক হিসেবে লিটনের যেইরকম দায়িত্বশীল আচরণ করার কথা ছিলো তিনি ঠিক সেই কাজটাই করেছেন।
09/02/2026
অদম্য বাংলাদেশ টি২০ কাপটা হয়েছে কেনো? কারণ হিসেবে আপনি মুস্তাফিজুর রহমানের নাম নিতেই পারেন। কারণ, মুস্তাফিজুরের এক বাটারফ্লাই এফেক্টেই তো ক্রিকেটপাড়া তোলপাড়। তো যেই টুর্নামেন্ট শুরুর কারণ মুস্তাফিজুর, সেই টুর্নামেন্ট জেতাবে কে? অবশ্যই মুস্তাফিজুর। মানে সৃষ্টিকর্তার পরিকল্পনা তো এরকমই হবে! তাই হলো।
২০৯ লক্ষ্য, ধুমকেতু জিতে যাবে। কিন্তু সোহান যেভাবে শুরু করলেন, খেলা জমে ক্ষীর। ২৭ বলে ৬৭ করা সোহানকে থামালেন ফিজ। এরপরও শান্তি নেই ধুমকেতুর, টুর্নামেন্টে দারুণ ছন্দে থাকা সোহান সত্যিকার অর্থেই মার্ভেলাস নক খেলেছেন, এবং সাথে আফিফ, যে কিনা আজ ওরকম 'আফিফ' রুপ ধারণ করেন, যেই আফিফকে আমরা দেখতে চাই। দুইজনের জুটিতে মনে হলো দুর্বারের জয় সময়ের ব্যাপার। প্রতি ওভারেই আসে বাউন্ডারি।
৪ ওভারে ৪২ যখন লাগে, ধারাভাষ্যকার নাবিল কায়সার বলেন, এখনো এটা ফিফটি-ফিফটি গেইম। পাশ থেকে আরেকজন বলেন, না দুর্বার এগিয়ে আছে অনেকখানি, যেহেতু দুইজন সেট ব্যাটার আছেন এবং খেলছিলেনও জম্পেশ। নাবিল কায়সার আবার বলেন, "না, আসলে মুস্তাফিজুরের দুটো ওভার আছে তো, তাই বললাম"।
**
মুস্তাফিজুর যখন আসলেন, রান দরকার ৩ ওভারে ৩১। প্রথম বলেই সোহানের উইকেট, ওই যে বললাম যে মার্ভেলাস টাচে ছিলেন। ওই ওভারটায় ফিজ রান দিলেন ৪, ২ ওভারে দরকার ২৭ রান। সাব্বিরকে ডট দিলেন ৩টা, অবশ্য সোহান আর আফিফই যেখানে পারেননি, সাব্বির আর কোত্থেকে পারবেন। ১৯তম ওভারটা রিশাদ ওভারটা করলেন, ফিজের জন্য রাখলেন ১৫, দুর্বারের দরকার ১৬।
প্রথম দুই বলে ৩ রান। তৃতীয় বলে আফিফ ফিজকে হাঁকালেন ৪, তবু সেটা চার হয়না যদি শেখ মেহেদীর এফোর্ট আরো ইফেক্টিভ হতো, সেটা উইকেটও হতে পারত। ৩ বলে ৯, এরপর দুই ডট দিলেন আফিফকে।
ম্যাচ জিতল ধুমকেতু, জেতালো মুস্তাফিজুর। জাতীয় দলই জিতলো, হারলে একটা ছোটখাটো এমবারাসমেন্টই হতো। মুস্তাফিজুর রহমান যে সবসময় নিজের পারফরম্যান্সই সবার উপরে রেখেছেন, অর্থকড়ি কিংবা অন্য কিছু না, এটা মুস্তাফিজুর হাজারবার প্রমাণ করেছেন ক্যারিয়ারে। তবু খারাপ সময়ে " টাকার জন্য খেলে" টাইপ খোটাও দিতে দেখেছি। সামনে খারাপ সময় আসলে হয়তো আবারও বলবে "আইপিএল কন্টাক্ট নাই, তাই খারাপ করছে!", বাট দ্যা ফ্যাক্ট ইস, মুস্তাফিজুরের মত পারফরম্যান্স-সেন্ট্রিক ক্রিকেটার এই দেশে খুব বেশি আসেনি। যিনি নিজের খেলাটাই বুঝেন, নিজের খেলাটা খেলেন মাথা ঠান্ডা রেখে। ধারাভাষ্যকার ফাহিম রহমান ফাইনাল ওভারে মুস্তাফিজুরকে নিয়ে বলেন, "মুস্তাফিজ এত কুল থাকেন, দেখে মনে হয় মুস্তাফিজুরের মাথায় সবসময় একটা বরফের ব্যাগ থাকে" 😅, আসলেই তাই!
আবার দেখেন, এরকম একটা শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ জেতালো, ম্যাচ শেষ, ধুমকেতুর প্রায় সবাই আনন্দে আত্মহারা। কিন্তু জয়ের পর মুস্তাফিজুরকে খুব বেশি ফ্রেমে পাবেনও না। কারণ এই লোকটা মানেন, আমার কাজই তো এটা, ম্যাচ খেলা আর নিজের দিনে সেই ম্যাচটা জেতানো! মুস্তাফিজুর, ইউ বিউটি, ইউ গ্রেট! 💞
28/01/2026
ব্রিটিশ ম্যাগাজিন দ্যা ক্রিকেটারের রিপোর্ট অনুযায়ী বিপিএল হচ্ছে সব থেকে নিম্নমানের লিগ। এমনকি শ্রীলঙ্কার এলপিএলের থেকেও পিছিয়ে আছে বিপিএল।
ব্রিটিশ ম্যাগাজিনটি ১০ টা লিগের উপর রিসার্চ করেছে। এর মধ্যে আইপিএল সবার শীর্ষে আছে এবং এই ১০ টা লিগের মধ্যে সবার তলানিতে আছে বিপিএল।
বাংলাদেশে এতো বড় ক্রিকেট ফ্যানবেজ আছে। পাশাপাশি বিসিবি নাকি হাজার কোটি টাকার মালিক। অথচ নিজেদের লিগটাকে এরা উন্নত করতে পারতেছে না।
আজকে এক জায়গায় দেখলাম এই বছর বিপিএলে নাকি লাভের থেকে লস ই বেশি হবার সম্ভাবনা রয়েছে।
এতো বড় একটা ক্রিকেট ফ্যানবেজ এবং ব্যাংকে হাজার কোটি টাকা থাকার পরেও যেই বোর্ড বিপিএলকে ভালো মানের একটা লিগ হিসেবে ক্রিকেট বিশ্বে তুলে ধরতে পারছে না সেই বোর্ডকে নিয়ে আসলে কথা বলেও লাভ নাই।
বিপিএলের দলগুলোর মালিকানা বাহিরের দেশের হলে এতোদিনে বিপিএলটা আরও বড় হইতো। বাংলাদেশের ক্রিকেট মার্কেট অনেক বড়। বাহিরের দেশের বড় বড় বিজনেসম্যানরা এখানে ইনভেস্ট করার সুযোগ পেলে অবশ্যই তারা এই সুযোগ হাতছাড়া করবে না।
28/01/2026
"বাংলাদেশের জন্য দারুণ সুখবর! এখনো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের! "
এমন টাইপের ক্যাপশন দিয়ে বাংলাদেশের আজকে অনেকগুলো মিডিয়া তাদের ফেসবুক পেইজে পোস্ট করেছে। আমিও এক্সাইটেড হয়ে কমেন্টে দেওয়া তাদের লিংকে ক্লিক করে নিউজ পড়তে গেলাম। নিউজ পড়তে গিয়ে দেখি পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ বয়কট করে তাহলে তাদের জায়গায় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাবে।
কি লেভেলের ফাই*জলামি নিউজ ভাই!!!
পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ বয়কট করে তবে সেটা বাংলাদেশের জন্যই করবে। এখন পাকিস্তান বিশ্বকাপ বয়কট করলে বাংলাদেশ জীবনেও পাকিস্তানের জায়গায় খেলতে যাবে?
কখনোই বাংলাদেশ খেলতে যাবে না।
তাহলে এই ধরনের ক্যাপশন দিয়ে ফাই*জলামি নিউজ করার মানে কি?
বাংলাদেশের মিডিয়াগুলো আর ঠিক হবে না। এইগুলোর একদম যা তা অবস্থা!