04/03/2026
ফিন অ্যালেনের ৩৩ বলে ১০০* রানের সাথে সেইফার্টের ৩৩ বলে ৫৮ রানের সুবাদে ইডেন গার্ডেনে দ. আফ্রিকার দেওয়া ১৭০ রানের টার্গেট মাত্র তেরো ওভারের মধ্যে পেরিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ড।
স্কোর
দ. আফ্রিকা ১৬৯/৮ (২০ ওভার)
নিউজিল্যান্ড ১৭৩/১ (১২.৫ ওভার)
04/03/2026
জীবনে এগোতে চাইলে নিচের তিনটা জিনিস ছাড়তেই হবে।
১. "আগামীকাল থেকে শুরু করবো" অভ্যাস :
আগামীকাল থেকে ডায়েট করবো।
আগামীকাল থেকে পড়তে বসবো।
আগামীকাল থেকে শুরু করবো।
কিন্তু সেই আগামীকাল আর কখনো আসে না।
এই একটা বাক্য আপনার কত স্বপ্ন আটকে রেখেছে, একটু ভাবুন। "পরে করবো" এটা আসলে একটা ভয়। "শুরু করলে যদি ব্যর্থ হই!" এই ভয়।
সত্যি কথা হলো perfect সময় বলে কিছু নেই।
আজকের ছোট একটা পদক্ষেপ, আগামীকালের বড় পরিকল্পনার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই যেটা করতে চান সেটা এখন থেকেই শুরু করে দেন।
২. Comfort Zone এ থাকা:
পরিচিত পথ নিরাপদ মনে হয়, কিন্তু সেই পথে হেঁটে নতুন কোথাও পৌঁছানো যায় না।
একটু অস্বস্তি, একটু অনিশ্চয়তা এগুলোই আপনাকে নতুন করে ভাবতে শেখায়।
নতুন কিছু শেখা, নতুন মানুষের সাথে কথা বলা, নতুন সুযোগে হাত দেওয়া এই ছোট ছোট অস্বস্তিগুলোই আপনাকে ধীরে ধীরে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।
৩. অতীত নিয়ে পড়ে থাকা :
পুরনো ব্যর্থতা, পুরনো কষ্ট, পুরনো সম্পর্ক। এগুলো বারবার মাথায় চালু করলে শুধু শক্তি খরচ হয়, সামনে এগোনো যায় না।
অতীত থেকে শেখা বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু অতীতে বাস করা নির্বুদ্ধিতা। তাই অতীত নিয়ে পড়ে না থেকে বর্তমানকে ভালো করে গোছান।
02/03/2026
নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব আর ছোট ছোট স্বপ্নে গড়া বিকেল।
জীবনের সেরা অধ্যায়!
27/02/2026
উইল জ্যাকস আর রেহান আহমেদের দারুণ ফিনিশিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে চার উইকেটে হারাল ইংল্যান্ড। কিউইদের হারে এখনও টিকে থাকল পাকিস্তানের সেমিফাইনাল খেলার আশা...
স্কোর
নিউজিল্যান্ড ১৫৯/৭ (২০ ওভার)
ইংল্যান্ড ১৬১/৬ (১৯.৩ ওভার)
22/02/2026
আহমেদাবাদে সুপার এইটের ম্যাচে ভারতকে ৭৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারাল দ. আফ্রিকা।
স্কোর
দ. আফ্রিকা ১৮৭/৭ (২০ ওভার)
ভারত ১১১ (১৮.৫ ওভার)
22/02/2026
পরিবার তন্ত্র ক্ষমতার যন্ত্র
এদেশে চলছে নির্মম!
রাজনীতি পেশা করে
সন্ত্রাসী হাত ধরে-
চাঁদাবাজি চলে হরদম।
13/02/2026
মাঠ থেকে বলছি-১
জামায়াতকে যারা আন্দোলনের উস্কানি দিচ্ছেন তাদেরকে বলছি, এবং সরাসরি ভোটের মাঠ থেকে বলছি, বেশ কতগুলো আসনের ফলাফল ইন্জিনিয়ারিং ছাড়া জামায়াত আসলেই জনগণের ভোট আদায় করতে পারেনি। নিয়মতান্ত্রিকভাবে কিছু আসনে (Close call) ভোট পূন:গননা ছাড়া কোন আন্দোলন জরুরি মনে করি না। মাঠের বাস্তবতায় প্রার্থীরা অনেক পরিশ্রম করেছেন। রেজাল্ট আনতে না পারার স্পস্টত কিছু কারন:
১. কমশিক্ষিত জনগণ জামায়াতের জনকল্যানমূখী রাজনীতি বুঝে না। নির্বাচনের সময় সবাই ভালো কথা বলে। কিন্তু তারা স্থানীয় প্রভাবশালীদের খুবই অনুসরণ করে এবং ভয় পায়।
২. লোকাল আপামর জনগণ ভয়পেতে বেশি পছন্দ করে। ১ ভোট দিয়ে বিপদে পরতে চায় না। জামায়াত হুমকি দিতে পারে না। এলাকায় ত্রাস সৃষ্টিতে অক্ষম।
৩. লোকাল মানুষ এখনও টিভি মিডিয়া দেখে এবং বিশ্বাস করে।
৪. জামায়াতে বেকার কর্মী কম। রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নেয়ার লোক নাই। যার ফলে ভোট কেন্দ্র ম্যানপজমেন্ট করতে পারেনি।
৫. লোকাল মাস্তান রিক্রুট করতে না পারা। যাদের প্রভাব ভোটের দিন প্রচুর কাজে লাগে।
৬. সর্বশেষ বাংলাদেশের আপামর জনগন একটি নির্দিষ্ট সংস্কৃতিতপ বড় হইছে। তারা গোলামী বা তোষামোদি খুবই পছন্দ করে।
৭. উদাহরণ হিসেবে দিরাই-শাল্লা, বগুরার নূরমোহাম্মদ ভাইরা কম কষ্ট করেনি। কিন্তু আমার উপরের কথাগুলো তারা অবশ্যই কিছুটা হলেও মানাবেন।
৮. হিন্দুরা ও উপজাতিরা এখনো সরকারি দলের বাইরে কাউকে ভোট দিতে ভয় পায়।
৯. জানায়াতের রাজনীতিতে অতিরিক্ত সচ্ছতা দূর্নীতিগ্রস্থ আমলাদের জন্যে বিপদের কারন। সরাসরি একটা রাষ্ট্রের আমলার সাথে আপনি পেরে উঠবেন না। এটা ডক্টর ইউনুস সরকারও পারেনি। তাহলে হাদি হত্যার বিচার, সাগর রুনির বিচার শুরু করা যেতো। এগুলো জামায়াত ছাড়া সহজেই কোনো সরকার পারবে না।
১০. বাংলাদেশের সিনিয়র সেনা অফিসারদের বিগত বছরগুলোতে অপরাধের কারনে এবং ভারতের গোলামীর বিচার হলে সমস্যা। তারা কখনোই বিডিআর বিদ্রোহ, ২৪ এর গনহত্যা কিংবা হাদী হত্যার বিচার চায় না৷ জামায়াতকে তারা চায় না৷
১১. ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রে এবং তার আশেপাশে ত্রাসসৃষ্টি করা কিংবা অনবরত হুমকিধামকি দেয়ার লোকজন জামায়াতে নাই। জামায়াত শিবিরের অধিকাংশ সদস্য ভদ্র এবং মার্জিত ভাষায় কথা বলতে অভ্যস্ত।
১২. লোকাল পর্যায়ে কোপাকুপি করার যোগ্যতাসম্পন্ন লোক জামায়াতে নেই। কেউ অপরাধ করলে জামায়াত তাকে আশ্রয় দিতে পারে না।
11/02/2026
এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।
11/02/2026
পাকিস্তানের এত নাটক করার দরকার ছিল না।
বাট নাটকটা ওরা করেছে।
আইসিসির সাথে নিজেরা একলা মিটিং করে নাই, বাংলাদেশ থেকে বুলবুল সাহেবকেও ডেকে নিয়ে মিটিং এ বসাইছে।
কোন দরকার ছিল না।
বাংলাদেশ ভারতের পলিটিকাল ইস্যু।
পাকিস্তানের তাতে কী? পাকিস্তানকে তো শ্রীলঙ্কায় খেলার পারমিশন দিসেই।
বাট পাকিস্তান এই সুযোগে ভারতকে একটু টিপে দিল।
বিনিময়ে বাংলাদেশ পাইলো ক্ষতিপূরন আর সম্মান। পাকিস্তান কিন্তু আইসিসির অনুরোধে খেলার ডিসিশন নেয় নাই। পাকিস্তান ভারত ম্যাচ খেলার ডিসিশন নিসে বুলবুল সাহেবের অনুরোধে।
তো, এই কথাটাই শুরু থেকেই বলে আসতেসি।
ভারতের মত একটা অসভ্য, বর্বর আর সাম্রাজ্যবাদী দেশের পাশে থাকার ফলাফল হইলো, ঢাকা আর ইসলামাবাদের নিয়তি এখন এক সুতোয় বাঁধা।
ক্রিকেটে যেমন সুযোগ পাওয়ার সাথে সাথে ভারত বাংলাদেশকে খেয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে,
রাজনীতি বা সামরিক ক্ষেত্রেও সিনারিওটা সেইম হবে।
যেদিন সুযোগ পাবে, গিলে ফেলার চেষ্টা করবে।
এইটার প্রটেকশন আমাদের নিশ্চিত করতে হবে পাকিস্তানের কাছে থেকে।
কিচ্ছু করার নাই।
যতই চেতনা মারান, যাই মারান, আমাদের নিউক নাই, অস্ত্র নাই, প্রতিরক্ষার মিনিমাম এবিলিটিও নাই।
এই বাস্তবতা মাথায় রেখে, অন্তত এগুলো ডেভেলপ করার আগ পর্যন্ত ক্রিকেটের এই সম্পর্কটাকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যেতে হবে।
চেতনা মারানো ঢাকার এলিটরা কোনদিন কোন যুদ্ধে মরে না।
জুলাইতে কারা মরেছে, হিসাব নেন।
পরের যুদ্ধেও তারাই আবার মরবে।
কাজেই, টিএসসির গাঞ্জা খাওয়া বাম ছাত্রনেতা কী বলল, সেটা নিয়ে কনসার্ন না হয়ে পররাষ্ট্র নীতি ঢেলে সাজাতে হবে।
আমাদের বন্ধু লাগবে।
এশিয়াতে, আমেরিকাতে, ইউরোপে।
সবার সাথে বন্ধুত্ব টাইপের বালসাল দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি চলে না।
সবাইকে যে বন্ধু বলে, তার আসলে কোন বন্ধু থাকে না।
জাস্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে পাকিস্তান পাশে না দাঁড়াইলে আইসিসি জরিমানা করার আর নিষিদ্ধ করার পথে আগাইয়াই গেসিল।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বন্ধুত্বের গুরুত্ব বুঝতে এই একটা ঘটনাই যথেষ্ট।