13/01/2026
আমাদের রিশাদ হোসাইন আন্তর্জাতিক তারকা হয়ে উঠছেন❤️
A Sports Enthusiast | Cricket & Football Analyst |
Bangladesh|Pakistan|Barcelona|Cricket|Football
13/01/2026
আমাদের রিশাদ হোসাইন আন্তর্জাতিক তারকা হয়ে উঠছেন❤️
13/01/2026
গিয়াস উদ্দিন তাহেরির হলফনামায় একটা সত্য কথা বলেছেন। তিনি উল্লেখ করছেন, তার আয়ের একটা উৎস ব্যাংকের আমানতের মুনাফা তথা সুদ। এই সত্য কথাটা অনেক বড় বড় সৎ ও ইমানদার প্রার্থীরাই গোপন করেছেন বা মিথ্যা বলেছেন। তাহেরি এখানে ব্যতিক্রম, তাদের মতো মুনাফেকি করেন নাই।
তাহেরি আরেকটি অসততা করেন নাই। নিজের চেয়েও স্ত্রীর সম্পত্তি বেশি দেখান নাই। স্ত্রীর নামে কোনো নগদ অর্থ বা গয়নাই দেখান নাই। যেটা এ দেশের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ‘বিরল’ ঘটনা।
সম্পদের হিসাব লুকোচুরি করতে স্ত্রীর নামে প্রদর্শন করার উদাহরণ কাদের নাই? ধর্মীয়–অধর্মীয় সব রাজনৈতিক দলের অনেক নেতাই কেউ কারও থেকে কম যান না।
এক ধর্মীয় নেতা হলফনামায় দেখালেন, তার স্ত্রীর ৫০০ ভরি স্বর্ণ আছে। আমার মতো হয়তো অনেকে একমত হইতে পারেন যে, তার স্ত্রী বা স্ত্রীরা তাদের মালিকানার সেই ৫০০ ভরি স্বর্ণ স্বচক্ষে কখনো দেখেই নাই।
তাহেরির এই সত্য বা সততার কারণে তাকে বাহবা জানাই। যদিও সোশ্যাল মিডিয়া বা কিছু মিডিয়ায় তার সম্পদের হিসাব নিয়ে এমন নিউজ করতেছে যে, মুফতি তাহেরি আয় হইতেছে ব্যাংকের সুদ। যে কিনা সুদের বিরুদ্ধে বলে ওয়াজ করেন, কিন্তু নিজেই সুদ খান।
যদিও ব্যবসা ও কৃষি থেকেও তার আয় আসে বলে হলফনামায় দেখিয়েছেন তিনি। হিসাব দেখে মনে হইতেছে প্রধান আয়টা আসে ব্যবসা থেকে। কিন্তু তিনি সুদ খান এটাই হয়ে গেল ইস্যু।
আপডেট: হলফনামায় সম্পদের বিবরণীতে ৫ নং অপশনে আছে—শেয়ার বন্ড/সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত/সুদ। সেখানে আলাদাভাবে সুদ বলে কোনো অপশন দেখলাম না। নির্বাচন কমিশনে দেওয়া তাহেরির হলফনামায় ওই ৫ নং অপশনের ঘরে লেখা: ২২৮৯২ টাকা। সেই টাকাকে একটা অপশনের অতগুলো আয়ের উৎস থেকে শুধু সুদের বলে প্রচারণা চালানো হয়েছে।
Rafsan Galib
10/01/2026
হাসনাতের নির্বাচনী প্রচারণায় এক ভদ্রমহিলা তার শিশু সন্তানকে হাসনাতের কোলে দিয়ে ছবি তুলছে। এই ছবি শিশু ও শিশুর মায়ের জন্য স্মৃতি হিসেবে থেকে যাবে।
03/10/2025
সব দৃষ্টি আটকে যাচ্ছে ট্রলির উপরে রাখা এক সিলভার ব্যাগে। ওটা আসলে এক অমূল্য 'আস্থার সিন্দুক' 🔒। ভিতরে কী? আহা! প্লাস্টিকের এশিয়া কাপ ট্রফি 🏆! হ্যাঁ, আসল ট্রফি যখন অন্য দলের হাতে উঠল, তখন দেশবাসীকে নিরাশ না করতে বোর্ড অত্যন্ত প্রজ্ঞার সাথে নিয়ে এল এই বিকল্প। দুবাইয়ের স্যুভেনিয়ার দোকান থেকে, "Buy 1 Get 1 Free" অফারে।
দেশে ফেরার পর এটির হবে রাজকীয় আনবক্সিং 🎉। নিউজ চ্যানেলগুলো লাইভ দেখাবে—‘জাতি পেলো প্লাস্টিকের ট্রফি’। বিজ্ঞাপনী স্লোগানও তৈরি: “এবার ট্রফি না জিতলেও অভিজ্ঞতা জিতেছি, আর অভিজ্ঞতা এসেছে ফ্রি গিফট প্যাকেজিং-এ!”
ট্রলি ঠেলতে ঠেলতে ক্রিকেটারের মুখে অটল দৃঢ়তা। যেন মনে মনে বলছেন: “ভয় পেয়ো না দেশবাসী! আজ প্লাস্টিকের, কাল রাবারের, পরশু কাগজের—ট্রফি আনতে আমাদের লাগেজের কোনো ঘাটতি হবে না। মাঠে ব্যাট-বলের খেলা না হোক, আনবক্সিং-এ যেন দেশ গর্ব করতে পারে, সেটাই আমাদের মিশন 🙌।”
দুবাই এয়ারপোর্টের ঝলমলে আলোয় তাই দেখা যায় এক মহাকাব্যিক দৃশ্য—একজন ক্রিকেটার, পাহাড়সম লাগেজ, আর জাতীয় ব্যর্থতাকে প্লাস্টিকে প্যাক করে আনার এক অদম্য প্রতিশ্রুতি।
#প্লাস্টিকের_ট্রফি 🏆 #জয়বাংলা #ব্যর্থতার_অভিজ্ঞতা
07/07/2025
৪০০ রানের মাইলফলক! ক্রিকেট ইতিহাসে এটা শুধু একটা সংখ্যাই না, এটা এক ধরনের কিংবদন্তি। ব্রায়ান লারার ৪০০* রানের ইনিংসের পর দুই দশক কেটে গেছে, কিন্তু কেউ তাকে ছুঁতে পারেনি। অবশেষে যখন সেই সুযোগটা যেন হাতের মুঠোয়, তখনই সিদ্ধান্ত এলো—ইনিংস ঘোষণা! কি করলেন Mulder? আর মাত্র কয়েক ওভার সময় দিলে ইতিহাস নতুনভাবে লেখা যেত।
এটা কোনো ব্যক্তিগত অর্জনের লোভ নয়, বরং গোটা দেশের, এমনকি ক্রিকেট বিশ্বে ভিন্ন মাত্রা যোগ করার মতো ব্যাপার। ইউনুস খান থেকে শুরু করে টেস্টের বড় বড় ব্যাটাররাও এই রেকর্ড ভাঙার স্বপ্ন দেখেছেন। অথচ Mulder যেভাবে খেলছিল, আর তিন-চার ওভারেই কাজটা সেরে ফেলতে পারতো।
কিন্তু না, হয়তো দলীয় কৌশল, হয়তো অধিনায়কের দৃষ্টিভঙ্গি—সব মিলিয়ে সেই মাহেন্দ্রক্ষণটা হারিয়ে গেল। ইতিহাস তো আর প্রতিদিন তৈরি হয় না! তাই শুধু আফসোস থেকেই যায়—এই যুগেও যদি কেউ লারাকে ছুঁতে পারতো! 🏏🔥
14/06/2025
চোকার নয়, চ্যাম্পিয়ন—লর্ডসের মঞ্চে ইতিহাস গড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা🇿🇦
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে 'চোকার' তকমা ঘুচাল দক্ষিণ আফ্রিকা। টানা হতাশা, বারবার চাপে ভেঙে পড়ার গল্প এবার এক নতুন মোড়ে। সাদা পোশাকে বিশ্বসেরা হওয়ার লড়াইয়ে প্রোটিয়ারা দেখিয়ে দিয়েছে, তারা আর আগের সেই চোকার দল নয়—তারা এখন চ্যাম্পিয়ন!
🏴ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক লর্ডস মাঠে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচজুড়েই ছিল টানটান উত্তেজনা, কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে এডেন মার্করামের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভাগ্য বদলে যায় প্রোটিয়াদের।
প্রথম ইনিংসে রাবাদা ও জানসেনের আগুন ঝরানো বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া থামে ২১২ রানে। জবাবে ব্যাটিংয়ে ধুঁকলেও বাভুমা-বেডিংহ্যামের লড়াইটা ম্যাচে ফেরায় দক্ষিণ আফ্রিকাকে। এরপর কামিন্সের তাণ্ডবে ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে গেলেও লিডটা অস্ট্রেলিয়ার বড় করতে দেয়নি।
দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে আবারো থামায় ২০৭ রানে। এবারো রাবাদা-এনগিডিদের দাপট। আর জয়ের জন্য ২৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেলেও মার্করাম আর বাভুমা ছিলেন অটল। মার্করামের ১৩৬ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস আর বাভুমার দায়িত্বশীল ফিফটিতে গড়ল ইতিহাস।
শেষ পর্যন্ত সব সমালোচনার জবাব দিয়ে, শত প্রতিকূলতা পেছনে ফেলে ‘চোকার’ থেকে পরিণত হলো চ্যাম্পিয়নে—সাউথ আফ্রিকার এই জয়ের গল্প এখন কেবল একটি ম্যাচ নয়, এটি এক আবেগ, এক প্রতিশোধ, এক অধ্যবসায়ের জয়।
#চোকার_নয়_চ্যাম্পিয়ন #দক্ষিণ_আফ্রিকা_ক্রিকেট #টেস্টের_রাজারাজত্ব #বাভুমার_লিডারশিপ #লর্ডসের_নতুন_গল্প #ক্রিকেটফ্যান
10/06/2025
ভালো খেলেও হার! তবুও গর্ব করার মতই খেলেছে বাংলাদেশ 🇧🇩
বিরতির ঠিক আগে ও পরে গোল⚽ খেয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ২-০ গোল পিছিয়ে পড়ার পর অনেকেই হয়তো ভেবেছিল ম্যাচটা শেষ! কিন্তু না—রাকিব হোসেনের দুর্দান্ত এক গোল ফের জাগিয়ে তোলে স্বপ্ন। সেই গোলের পর যেন বদলে যায় পুরো দলের চেহারা। খেলার ছন্দ, গতি আর আগ্রাসন—সবকিছুতে ফিরে আসে আত্মবিশ্বাস। মাঠে নেমে আসে এক নতুন বাংলাদেশ।
শেষ ৩০ মিনিটে যেন নিজেদের সেরা খেলাটা খেলল ছেলেরা। বারবার আক্রমণ, একের পর এক কর্নার, ফ্রি-কিক, রাকিব-হামজা-ফাহিমদের দারুণ কিছু মুহূর্ত… কিন্তু দিনটা যেন গোলের ভাগ্যে লেখা ছিল না। বারবার চেষ্টা করেও আর মেলেনি কাঙ্ক্ষিত গোলটা।
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে হারলেও, মাঠের পারফরম্যান্স ছিল এমন যে হারার পরেও গ্যালারির দর্শক করতালি দিয়ে প্রশংসা করেছেন।
ম্যাচের একাদশে ছিল কিছু চমক—জামালকে বেঞ্চে রেখে অভিষেক হলো শোমিত সোমের, খেললেন হৃদয়, তপুও। শুরুতে কিছুটা অগোছালো মনে হলেও ম্যাচের মাঝামাঝি থেকেই বাংলাদেশের দখল বাড়তে থাকে।
বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে ফাহিম-হামজারা যেভাবে লড়েছেন, তাতে স্পষ্ট—এই দলটাতে আছে সম্ভাবনা, শুধু দরকার একটু সময়, ধারাবাহিকতা আর সাহস নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা।
দিন শেষে স্কোরলাইন বলবে আমরা হেরেছি। কিন্তু চোখ বলবে, মন বলবে—এই দলটা মাথা নত করেনি, শেষ পর্যন্ত লড়েছে। আর সেটাই সবচেয়ে বড় জয়ের সমান।
♥️ তাই হার হতেই পারে, কিন্তু এমন লড়াকু হার কখনো ব্যর্থতা নয়। সঠিক পরিকল্পনা থাকলে সামনে আরও ভালো কিছু অপেক্ষা করছে—এই বিশ্বাস নিয়েই থাকুন বাংলাদেশ ফুটবলের পাশে।
👇 কমেন্টে জানান, আপনি কেমন দেখলেন ম্যাচটা? বাংলাদেশ দলের কার খেলা সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে।
#বাংলাদেশফুটবল #লালসবুজেরযোদ্ধা #রাকিবহোসেন #হামজা #ফুটবলপ্রেমী #খেলারপেছনেরগল্প
10/06/2025
🇧🇩তামিম ইকবালও আছেন স্টেডিয়ামে। ফুটবল X ক্রিকেট।
#বাংলাদেশ_বনাম_সিঙ্গাপুর
10/06/2025
🇸🇬সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে কেমন হতে পারে 🇧🇩বাংলাদেশের একাদশ?
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে শেষ মুহূর্তের কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। হাভিয়ের কাবরেরার অধীনে সাড়ে তিন বছর ধরে খেলছে লাল–সবুজের যোদ্ধারা। এই স্প্যানিশ কোচের পছন্দের ফর্মেশন ৪-৩-১-২ হলেও ইদানীং দেখা যাচ্ছে কিছু কৌশলগত পরিবর্তন—যার ফলেও মিলছে সাফল্য।
সর্বশেষ ভুটানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-০ গোলে জয় পাওয়া প্রীতি ম্যাচে কাবরেরা ব্যবহার করেন ৪-২-৩-১ ফর্মেশন, যেখানে মাঝমাঠ সামলানোর দায়িত্ব ছিল দুই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের ওপর। আক্রমণভাগে একজন নাম্বার নাইন এবং তার পেছনে তিনজন অ্যাটাকিং খেলোয়াড়। ভারতের বিপক্ষেও এই ফর্মেশনেই খেলেন তিনি। আজ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে সেই একই ছকে দল সাজাতে পারেন এই স্প্যানিশ কোচ।
আক্রমণভাগের নাম্বার নাইন পজিশনে দেখা যেতে পারে বসুন্ধরা কিংসের রাকিব হোসেনকে। তার দুই পাশে উইংয়ে দেখা যেতে পারে ফাহমিদুল ইসলাম এবং শাহ কাজেম অথবা ফয়সাল আহমেদ ফাহিমকে। মাঝমাঠে মধুর বিড়ম্বনায় পড়েছেন কোচ, কারণ নতুন সংযুক্ত হওয়া শমিত সোম ভালোই ছাপ ফেলেছেন। ভুটান ম্যাচে সোহেল রানা ও জামাল ভূঁইয়ার সঙ্গে খেলেছিলেন হামজা চৌধুরী। শমিত আসায় হয়তো সোহেলকে বসিয়ে শমিতকে খেলানো হতে পারে, এমনকি জামালের জায়গাতেও পরিবর্তন আসতে পারে।
গোলপোস্টে থাকছেন নির্ভরযোগ্য মিতুল মারমা। সেন্টার ব্যাকে অভিজ্ঞ তপু বর্মণ ও তারিক কাজী। ডান এবং বাম পাশে দেখা যেতে পারে সাদ উদ্দিন ও শাকিল আহাদ তপুকে। ভারতের বিপক্ষেও ডান প্রান্তে ছিলেন শাকিল। কোচ কাবরেরা এখনো ২৩ জনের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা না করলেও আজ মাঠে নামার আগে প্রাথমিক দল থেকে ৩ জন ছেঁটে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবেন।
এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ‘সি’ গ্রুপে চার দলের পয়েন্টই এখন সমান—১ করে। আজ বাংলাদেশ জিতলে গ্রুপ শীর্ষে ওঠার সম্ভাবনা জোরালো হবে। সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুর।
এখন পর্যন্ত স্বীকৃত আন্তর্জাতিক ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে দুইবার দেখা হয়েছে বাংলাদেশের, একবার ড্র, আরেকবার হেরেছে তারা। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ৩০ মে ২-১ গোলে হারে জামাল ভূঁইয়ারা।
আজ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে কেমন ফলাফল প্রত্যাশা করেন? জামালরা কি জিততে পারবে?
📋 সম্ভাব্য একাদশ (বাংলাদেশ):
মিতুল মারমা (GK), তপু বর্মণ, তারিক কাজী, সাদ উদ্দিন, শাকিল আহাদ, হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, জামাল ভূঁইয়া/সোহেল রানা, ফাহমিদুল ইসলাম, শাহ কাজেম/ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, রাকিব হোসেন।
#শমিত_সোম #হামজা_চৌধুরী #বাংলাদেশ_বনাম_সিঙ্গাপুর #জামাল_ভূঁইয়া #কাবরেরা
09/06/2025
এত তাড়াতাড়ি সব কিছু পেতে নেই! ইয়ামালের ক্যারিয়ার মাত্রই হাঁটা শুরু করেছে। সামনে পড়ে আছে অনেক বড় বড় মঞ্চ—বিশ্বকাপ, ইউরো, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, আর কত কী!
কিন্তু তার থেকেও বড় বিষয় হলো—আজকে যেটা হাতছাড়া হলো, সেটা হয়তো ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে বড় শিক্ষা হয়ে থাকবে।
মেসিকে দেখো, জাতীয় দলের হয়ে একটা ট্রফির জন্য কত বছর লড়াই করেছে! বিশ্বকাপ তো দূরের কথা, কোপা আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বও ছিল না—অথচ ধৈর্য আর সাধনার পর একে একে সবকিছু জিতে নিয়েছে।
তার এই যাত্রা যদি এতটা সহজ হতো, তাহলে কি আমরা তাকে 'মেসি' বলে অনুভব করতাম? হয়তো না। কারণ কষ্টের, ব্যর্থতার, চেষ্টার ভেতর দিয়েই একজন কিংবদন্তি তৈরি হয়।
ইয়ামালের জন্যও এই পরাজয় হয়তো ভবিষ্যতের জন্য পাথেয় হবে। আজকের ব্যর্থতা যদি আগামী দিনের সাফল্যের ভিত গড়ে দেয়, তাহলে এই না পাওয়াটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। তাই আজকের দিনটাকে দুঃখ নয়, অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখো। কারণ বিজয়ীরা সবসময় শিখতে জানে, হেরে গিয়েও জিততে জানে।
#ইয়ামাল #লামিনে_ইয়ামাল