Dhaka Women's Marathon

Dhaka Women's Marathon

Share

Dhaka Women’s Marathon is a flagship event by Everest Academy. Omera LPG Dhaka Women's Marathon 2017 is back again.

Like last year the women of Dhaka will take on the road and run for their rights. We believe its high time Dhaka women should make a bold statement for safe and secured Dhaka specially for women. Come and join the women tide on Friday, March 10, 2017 at Hatirjheel. To register please visit: www.dwmarathon.com

Let's RUN TO RISE.

31/12/2025

✨ Happy New Year 2026 from Dhaka Women’s Marathon! ✨

A new year means new strength, new goals, and new finish lines to cross.
As we step into 2026, let’s continue running with courage, unity, and an unstoppable spirit.

Here’s to healthier bodies, stronger minds, and empowered women leading the way—one stride at a time.

Run bold. Dream big. Shine brighter in 2026.
Happy New Year! 🎉

21/07/2025

🕊 In Deep Mourning 🕊

Everest Academy extends its heartfelt condolences to the families of those who tragically lost their lives in today’s devastating aircraft crash at Milestone School and College. The loss of so many young and innocent lives is beyond words.

Our thoughts and prayers are with the departed souls—may they rest in eternal peace. 🙏
We also stand in solidarity with the injured and their families during this unimaginably difficult time and pray for their swift and complete recovery.

Let us come together as a nation to support one another in grief, in healing, and in hope.

30/03/2025

We wish you, your family, and your friends a happy and joyous Eid-Ul-Fitr.

Eid Mubarak

Photos from Dhaka Women's Marathon's post 20/06/2024

৫২ বছর বয়সে
১২ দিনে দৌড়ালেন
১ হাজার কি.মি.

১২ দিনে ১০০০ কিলোমিটার দৌড়ে রেকর্ড গড়লেন ৫২ বছর বয়সি নাতালি দাউ! থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরজুড়ে দৌড়ে এই অনন্য কৃতিত্বের অধিকারী হয়েছেন মহিলা আল্ট্রাম্যারাথন রানার নাতালি। অস্ট্রেলিয়ান বংশোদ্ভূত এই সিঙ্গাপুর নিবাসী প্রতিদিন গড়ে ৮৪ কিলোমিটার করে দৌড়েছেন!

নাতালির এই কীর্তি যে কেবল কঠিন ছিল তা নয়, তিনি যে সব প্রতিকূলতার মুখে পড়েছিলেন, তাতে তাঁর এই সাফল্য একরকম অসম্ভবই হয়ে উঠেছিল বলা যায়। তিনি সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করেছেন।

নাতালির এই দৌড়ের প্রথম ও প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল, প্রবল গরম। ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি তাপমাত্রায় প্রতিদিন দৌড়ছেন তিনি। রোজ অতিক্রম করেছেন দু'টি ম্যারাথনের সমান দূরত্ব। গরমের জন্য তাঁর রানিং শু গলে গিয়েছিল রাস্তার তাপে। এছাড়াও, দৌড় শুরু করার প্রথম দিনই হিপ জয়েন্টে চোট পান নাতালি। তৃতীয় দিনে তাঁর ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশন হয়ে যায়। এই সব চ্যালেঞ্জের মধ্যেই দৌড় চালিয়ে যান তিনি। একটানা ১২ দিন ধরে।

৫ জুন দৌড় শেষ করেন নাতালি। 'দ্রুততম হাজার কিলোমিটার থাইল্যান্ড-সিঙ্গাপুর আল্ট্রাম্যারাথন'-এর রেকর্ডও গড়েন সেই সঙ্গেই। এই ম্যারাথনে নামার জন্য নাতালি গোটা বিশ্বে প্রচার চালিয়েছেন এবং ৫০ হাজার ডলারেরও বেশি টাকা তুলেছেন। এই টাকা তিনি কাজে লাগাবেন স্পোর্টসে বিভিন্ন নারীদের অনুপ্রাণিত করতে।

নাতালি জানান, বয়স্ক ব্যক্তিদের, বিশেষ করে মহিলাদের জন্যই তাঁর এই দৌড়। তিনি চান, সকলেই নিজেদের সীমাবদ্ধতাকে চ্যালেঞ্জ করুক। তাঁর কথায়, 'কবে শুরু করছেন, প্রথম করছেন নাকি শেষ করছেন, তাতে কিছু আসে যায় না। কিন্তু এমন কিছু করুন, যা আপনি আগে করেননি, যা বিশ্ববাসী সচরাচর করে না।'

এই আল্ট্রাম্যারাথনে নাতালির নিজের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, প্রতিদিনের দৌড়ের ক্লান্তি দূর করে নতুন করে জেগে ওঠা। এক একদিনের দৌড় শেষ করার পরে রোজই তাঁর ভয় করত, পরের দিন হয়তো আর উঠতে পারবেন না, দৌড়তে পারবেন না। হয়তো আর শেষ করতে পারবেন না গোটা রাস্তা। মনে পড়ত পরিবারের কথা। তবু সেই ক্লান্তি, ফোস্কা পড়া পা, পরিবারের কাছে ফেরার অপ্রতিরোধ্য আকাঙ্ক্ষা নিয়েই রোজ ফের দৌড়তে শুরু করতেন তিনি। একসময়ে শেষও করলেন, গড়লেন রেকর্ড।

নাতালির কথায়, 'যেভাবেই হোক দৌড় চালিয়ে যেতে হবে। ফিনিশিং লাইন কতটা দূরে, সেটা নিয়ে ভাবলে হবে না।'

এই দৌড়ের সময় বিবিসিকে পাঠানো মালয়েশিয়ার পূর্ব উপকূল বরাবর কোথাও রেকর্ড করা একটি ভয়েস বার্তায় নাতালি দাউ বলেন, "আমাকে একবারে শুধু এক ধাপ, এক কিলোমিটার যেতে হবে। আল্ট্রা-রানিং আর রানারের মধ্যে সম্পর্কটা (দ্যোদুল্যমান) ভালোবাসা-ঘৃণার সম্পর্কের মতো।"

৫২ বছর বয়সী নাতালি থাইল্যান্ড থেকে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত তাঁর ১ হাজার কিলোমিটার দৌড়ের এক তৃতীয়াংশ কভার করেছিলেন এবং যাত্রাটা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছিল।

"চার দিনের মাথায় আমি নিজেকে প্রশ্ন করেছি যে আমি আসলেই এই জিনিসটি শেষ করতে পারব কিনা। আমি খেলাধুলার চ্যালেঞ্জ পছন্দ করি, এর মৌলিকতা পছন্দ করি। কিন্তু প্রায় সময়ই মনের মধ্যে উঁকি দেয়া এসব 'কু' ডাককে ঘৃণা করি। আর তারা প্রায়ই চিন্তায় এসে ভিড় করে" তিনি বলছিলেন।

নাতালিকে ঘড়ি ধরে ১২ দিনে তাঁর দৌড় শেষ করার লক্ষ্য অর্জন করতে দিনে কমপক্ষে ৮৪ কি.মি. - দুটি ম্যারাথনের সমতুল্য দূরত্ব পাড়ি দিতে হয়েছিল।

নাতালি একজন আল্ট্রা-রানার। যারা সাধারণত ৪২.২ কি.মি. ম্যারাথনের দৈর্ঘ্যের বেশি দূরত্ব দৌড়ে পাড়ি দেয়, তাদেরকে আল্ট্রা-রানার হিসাবে অভিহিত করা হয়। অ্যাথলেট হিসেবে প্রশিক্ষণ নেননি নাতালি। বয়স যখন ত্রিশের কোটার শেষের দিকে, তখন দৌড়ানো শুরু করেছিলেন তিনি। সুস্থ থাকতে দৌড়ানোর পথ বেছে নেন তিনি।

যদিও বিশ্বব্যাপী দৌড়ের চল রয়েছে এবং বেশিরভাগ তথ্যই বলে যে, পশ্চিমা দেশগুলিতে এই ক্রীড়ার জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। এশিয়ার দেশগুলোর জন্য এই পরিসংখ্যানে জায়গা করে নেয়া কঠিন। যদিও এই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশ তাইওয়ান, কম্বোডিয়া এবং জাপান জনপ্রিয় ম্যারাথন আয়োজন করে।

অপেশাদার অ্যাথলেটদের মধ্য থেকে নাতালি'র মতো চ্যালেঞ্জ গ্রহীতা খুঁজে পাওয়া আরও বেশি কঠিন। কারণ নাতালি'রা যেকোনো সামাজিক ইস্যুকে সামনে রেখে দৌড়ায়। আর প্রায়শই সোশ্যাল মিডিয়াতে তাদের কঠিন রান সম্পর্কে জানান দেয়।

এ বিষয়ে নাতালি বলেন, ‘দৌড়ে আপনি প্রথম হলেন, নাকি সবার শেষে দৌড় শেষ করলেন, সেটা কোনো বিষয় নয়; বরং আপনি অতিমানবীয় একটি কাজ শেষ করেছেন। বিশ্বের শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ মানুষ কখনো এমন কাজটি করতে পারবে না।’

তিনি শেষ পর্যন্ত ৫ জুন সিঙ্গাপুরের ডাউনটাউনে ফিনিস লাইন অতিক্রম করেন। ছুটির দিন না হওয়া সত্ত্বেও কয়েকশ দৌড়বিদ তাকে উৎসাহ দিতে এসেছিলেন। এই উৎসাহদাতারা ছিলেন উজ্জ্বল রানিং গিয়ার পরিহিত। তারা ভোরবেলা শহরের শিল্পাঞ্চলের মধ্য দিয়ে দৌড়ে নাতালিকে সঙ্গ দিয়েছিলেন। কিন্তু তারা অনেকেই ছিলেন দৈনিক দিনমজুরের মতো, যাদের পিঠে ছিল ব্যাকপ্যাক এবং প্লাস্টিকের লাঞ্চ ব্যাগ। এসব নিয়েই উৎসাহদাতারা নিজেদের কর্মক্ষেত্রে ফিরে গেছেন।

বারো দিনের উত্থান-পতন
বিবিসিকে নাতালি বলেন, ‘এত দীর্ঘ পথ দৌড়ানোর ঘটনা এটাই প্রথম। এর আগে সবচেয়ে বেশি ২০০ কিলোমিটার দৌড়েছিলাম। কিন্তু এবার নিজেকে ভিন্ন ধরনের একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলাম।’

সেপ্টেম্বরে থাই সীমান্ত থেকে মালয়েশিয়া হয়ে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। পরের আট মাসে, বেশ কয়েকজন বন্ধু দৌড়ের পরিকল্পনায় সহায়তা করতে যুক্ত হয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে প্রজেক্ট ১০০০ নামে পরিচিত হয়।

"আমি তখন কিছুটা বোকা ছিলাম এবং এ ধরনের দৌড়ের জন্য কী পরিকল্পনা করতে হবে, সে সম্পর্কে খুব কমই জানতাম। আমার দল আমাকে এমন কিছু জিজ্ঞাসা করেছিল যা আমি ভাবিনি। যেমন, তোমার যদি হাসপাতালের প্রয়োজন হয়, তবে কী হবে? আমরা কীভাবে সীমান্ত ক্রসিংয়ের পরিকল্পনা করব? আমাদের কি অনেকগুলো সিকিউরিটি ভ্যান লাগবে?"

১২-দিনের আল্ট্রা-ম্যারাথনের সময় নাতালি বিবিসিতে রাতের ভয়েস নোটগুলি পাঠিয়েছিলেন যাতে প্রতিটি দিনের ভালোমন্দ বিষয়গুলো উল্লেখ থাকতো।

পঞ্চম দিন তিনি বলেছিলেন, "আমরা রাস্তার পাশের একটি স্টল থেকে কিছু নাশতা করছিলাম। এ সময় যাত্রা শুরুর আগে পাঁচ মিনিটের জন্য চারদিকের দৃশ্য প্রাণ ভরে উপভোগ করেছি। এদিন একটি ভাল দিন ছিল। কিন্তু সবগুলো দিনই এমন ভালো হবে, এমন আশা করা বোকামি। আমাদের এখনও অনেক দূর যেতে হবে।"

তিনি এবং তার দল প্রতি রাতে মাত্র দুই থেকে তিন ঘন্টা ঘুমাতেন। কারণ তারা দৌড়ের তৃতীয় দিনে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, দিনের তাপমাত্রাকে এড়াতে তাকে মধ্যরাতের পরেই দৌড় শুরু করতে হবে।

"রাত ৮টায় নৈশভোজ শেষ করা এবং সাড়ে এগারটায় আপনার অ্যালার্ম সেট করা খুব মজার নয়," তিনি আরেক বার্তায় বলেছিলেন। প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠা ছিল "সবচেয়ে ভয়ঙ্কর", নাটালি রানের পরে বলেছিলেন। "আমি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ভাবতাম, 'আজ যদি দৌড়াতে না পারি তাহলে কী হবে?'"

"ফিনিশিং লাইন অনেক দূরে, আপনি এমন চিন্তা মাথাতেও আনবেন না। আমি এমনকি প্রতিদিনের ফিনিশিং লাইনটিও দেখিনি। আর ফিনিশিং লাইনটি কেমন, তা না জেনেই আপনাকে এই রানিং জোনে মানসিকভাবে যুক্ত থাকতে হবে। তাহলেই এমন চ্যালেঞ্জ আপনার পক্ষে শেষ করা সম্ভব।"

শেষের কাছাকাছি সময়ে তার শরীর ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। তিনি পায়ের আঙ্গুল প্লাস্টার করেছিলেন। কারণ সবগুলোতে ফোস্কা ছিল।

"আমি হাঁটতে গিয়ে সংগ্রাম করেছি। প্রচন্ড ক্লান্ত ছিলাম এবং শুধু কল্পনা করেছি বাড়িতে ফিরে আমি পরিবারকে দেখতে চাই। মনে মনে ভাবতাম, আমি আগামীকাল উপভোগ করার চেষ্টা করব। কিন্তু সত্যি বলতে [সিঙ্গাপুর] সীমান্ত অতিক্রম করার তর আর সইছিল না।" - তার দশম দিনের নোটের বক্তব্য।

'আল্ট্রা-রানাররা চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে চায়'
আল্ট্রা-রানাররা "একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তিত্বের ধরন", নাতালি বলেন।
"বিশ্বের কিছু অংশে বাস করা বেশ আরামদায়ক। [তাই] লোকজন একটু বেশি চ্যালেঞ্জের খোঁজ করছে। আর এক্ষেত্রে আল্ট্রা-রান সত্যিই একটি ভাল উপায়।"

ব্যক্তিগত অর্জনের এই উপলদ্ধির বাইরে গিয়ে নাতালি'র আশা ছিল যে প্রকল্প ১০০০ মহিলাদের ক্ষমতায়ন করবে। তার এই উদ্যোগে একটি দাতব্য তহবিল প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩৭ হাজার মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছে। এই প্রকল্প আরও বেশি মেয়ে ও মহিলাদের খেলাধুলা করতে উৎসাহিত করে৷

"লোকেরা দান করুক বা না করুক, এটি একটি বার্তা পৌঁছানোর প্ল্যাটফর্ম ছিল," নাতালি বলেন। "এছাড়াও, একজন বয়স্ক মহিলা হিসাবে এটি করে আমি সত্যিই লোকদের কাছে প্রমাণ করতে চেয়েছিলাম যে, আপনি [নিজেদের] চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। আমরা কেবল আমাদের নিজেদের চিন্তার মাধ্যমেই আবদ্ধ থাকি।"

এই স্তরের আল্ট্রা-রানিং পরিচালনা করাও একটা বিশেষ কিছু। কারণ এতে সময়, স্পন্সর এবং সাপোর্ট টিমের প্রয়োজন হয়। হংকং-ভিত্তিক আল্ট্রা-রানার জন এলিস এ প্রসঙ্গে বলেন, "আপনার এক জোড়া জুতা ছাড়া আর কিছুই লাগবে না। আর দৌড়ের সামাজিক এবং প্রতিযোগীতামূলক দিকটি মজার। এই পৃথিবী একটি বড়, চমৎকার জায়গা। দৌড়ের মাধ্যমে আপনি নিজের সীমাবদ্ধতাকে ঠেলে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং নিজের সম্পর্কে নতুন জিনিস খুঁজে বের করে সেখান থেকে সামনে এগিয়ে যেতে পারবেন। আর এটা উপভোগ করতেও ভালো লাগে।"

মেরি হুই, হংকং-ভিত্তিক একজন সাংবাদিক যিনি দূর-দূরান্তের ট্রেইল-রান করেন, তিনি বলেন, "একটি বড় দলে দৌড়ানোর আগে এবং পরে প্রচুর মানুষের সঙ্গে আলাপচারিতা হয়। এই লোকদের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা প্রশিক্ষণ নিতে হয়। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, সেরা রানারেরও ট্রেইলে খারাপ দিন যেতে পারে। এর মাধ্যমে আমরা জীবনের বাধাগুলি কমিয়ে আনতে পারি।"

নাতালিকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে রান সম্পূর্ণ করার রোমাঞ্চ সম্পর্কে, তিনি বলেছিলেন, "অ্যাডভেঞ্চার এবং অভিজ্ঞতা ... এটিই মূল্যবান"।

সূত্র : বিবিসি।

Photos from Dhaka Women's Marathon's post 18/06/2024
Photos from Dhaka Women's Marathon's post 18/06/2024

ছবিতে সেনোরা লং ঢাকা ওমেন্স ম্যারাথন ২০২৪

সেনোরা লং ঢাকা ওমেন্স ম্যারাথনের অংশগ্রহণকারী সকল নারী দৌড়বিদদের আবারো আন্তরিক অভিনন্দন। সকল শুভানুধ্যায়ী ও অংশগ্রহণকারী, আপনাদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা উওমেন্স ম্যারাথন ২০২৪।

এবারের আয়োজনে টাইটেল স্পন্সর হিসাবে স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড তাদের সেনোরা লং ব্র্যান্ডকে সামনে নিয়ে এসেছিল। পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে ছিল বিকাশ, রেজিস্ট্রেশন পার্টনার ছিল সহজ এবং ক্রিয়েটিভ পার্টনার ইয়ার্কি। অংশগ্রহণকারী সকল নারী দৌড়বিদ, পৃষ্টপোষক, সহযোগী সংস্থা, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা।

অংশগ্রহণকারী সকল দৌড়বিদদের আবারো শুভেচ্ছা, অভিবাদন। নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে অনেকেই এবার প্রথমবারের মতো ম্যারাথন আয়োজনে অংশ নিয়েছেন, অর্জন করেছেন নিজেকে জয়ের আনন্দ। ১০ কিলোমিটার এবং ২.৭ কিলোমিটার দৌড়াতে গিয়ে নিজের সক্ষমতা উপলদ্ধি করেছেন। এই ব্যাক্তিগত অর্জনটাই নতুন সবার পরম পাওনা, যা সবাইকে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ পার হওয়ার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করবে এবং স্পৃহা যোগাবে।

আপনারা সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন। আগামীর ম্যারাথনে আপনাদের অংশগ্রহণ সুন্দর ও সাবলীল হয়ে উঠুক।

Senora bKash Limited Shohoz earki

Team Dhaka Women's Marathon
Team Everest Academy

16/06/2024

Eid Mubarak.

We wish you, your family, and your friends a happy and joyous Eid-Ul-Adha.
May the blessings of Allah light up your way and lead you to eternal happiness, success, and peace.

27/05/2024

Senora-Dhaka Women's Marathon 2024 (10K & 2.7K Run) অংশগ্রহণকারী সকল নারী দৌড়বিদদের আমাদের আন্তরিক অভিনন্দন। সকল শুভানুধ্যায়ী ও অংশগ্রহণকারী, আপনাদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা উওমেন্স ম্যারাথন ২০২৪।

অংশগ্রহণকারী সকল নারী দৌড়বিদ, পৃষ্টপোষক, সহযোগী সংস্থা, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অকুতোভয় স্বেচ্ছাসেবক - দুই টাকায় উপহার, প্ল্যাটফরম ডক্টরস ফাউন্ডেশন, আবিষ্কার, গন্তব্য ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের সদস্যরা রাতভর এই আয়োজনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আপনাদের প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা।

সকলের একান্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আমাদের আয়োজনের ব্যবস্থাপনার কিছু বিপর্যয় ঘটে। কোনো কোনো পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। বিশেষ করে অনেক ফিনিসার রান শেষে মেডেল পাননি - যা আমাদের মর্মাহত করেছে। সেনোরা লং ঢাকা উওমেন্স ম্যারাথনে আপনারা যেভাবে সাগ্রহে অংশ নিয়েছেন, তার প্রতি যথাযথ সম্মান জানিয়ে আমাদের ঘোষণা হচ্ছে, আপনাদেরকে শীগগিরই আমরা মেডেল আমরা পৌঁছে দিব। আয়োজনের ত্রুটি'র জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

রানের রেজাল্ট, সার্টিফিকেট কপির লিংক পাবেন www.dwmarathon.com ওয়েবসাইটে

এছাড়া রেজাল্ট লিংক কমেন্টে দেয়া হল। লার্জ ফরমেট পিডিএফ কপি প্রয়োজন হলে, ফেইসবুক মেসেন্জারে আপনার বিব নম্বর দিন।

অংশগ্রহণকারী সকল দৌড়বিদদের আবারো শুভেচ্ছা, অভিবাদন।

নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে অনেকেই এবার প্রথমবারের মতো ম্যারাথন আয়োজনে অংশ নিয়েছেন, অর্জন করেছেন নিজেকে জয়ের আনন্দ। ১০ কিলোমিটার এবং ২.৭ কিলোমিটার দৌড়াতে গিয়ে নিজের সক্ষমতা উপলদ্ধি করেছেন। এই ব্যাক্তিগত অর্জনটাই নতুন সবার পরম পাওনা, যা সবাইকে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ পার হওয়ার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করবে এবং স্পৃহা যোগাবে।

আপনারা সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন। আগামীর ম্যারাথনে আপনাদের অংশগ্রহণ সুন্দর ও সাবলীল হয়ে উঠুক।

Team Dhaka Women's Marathon
Team Everest Academy :: এভারেস্ট একাডেমী

24/05/2024

প্রিয় সকল শুভানুধ্যায়ী ও অংশগ্রহণকারী, আপনাদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পঞ্চমবারের মতো আজ অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা উওমেন্স ম্যারাথন।
Senora-Dhaka Women's Marathon 2024 (10K & 2.7K Run) শীর্ষক এই আয়োজনে আজ ভোরবেলা ঢাকার হাতিরঝিলে সহস্রাধিক মা-মেয়ে-বোন-সহধর্মিনী'র এক অপার সম্মিলন ঘটেছে। অনেকেই সপরিবারে অংশ নিয়ে জানান দিয়েছেন ম্যারাথন দৌড়ানোর প্রতি আপনাদের ভালোবাসা ও ভালোলাগা'র অনুভূতি।

বহু প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে অনেকেই আজ প্রথমবারের মতো ম্যারাথন আয়োজনে অংশ নিয়েছেন, অর্জন করেছেন নিজেকে জয়ের আনন্দ। ১০ কিলোমিটার এবং ২.৭ কিলোমিটার দৌড়াতে গিয়ে নিজের সক্ষমতা উপলদ্ধি করেছেন। এই ব্যাক্তিগত অর্জনটাই নতুন সবার পরম পাওনা, যা সবাইকে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ পার হওয়ার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করবে এবং স্পৃহা যোগাবে।

এই সেনোরা লং ঢাকা উওমেন্স ম্যারাথন ২০২৪ সফল করে তোলার পেছনে যাঁদের নিঃশর্ত সহযোগিতা পেয়েছি, তাঁদের মধ্যে যেমন প্রথিতযশা দৌড়বিদরা রয়েছেন, তেমনি বেশ অনেকগুলো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অকুতোভয় স্বেচ্ছাসেবকও রয়েছেন। দুই টাকায় উপহার, প্ল্যাটফরম ডক্টরস ফাউন্ডেশন, আবিষ্কার, গন্তব্য ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের সদস্যরা রাতভর এই আয়োজনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।আপনাদের প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা।

বাংলাদেশ পুলিশের উওমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন এই আয়োজনের সহ-আয়োজক হিসাবে ছিলেন এবং তাঁদের প্রায় শতাধিক সদস্য এতে অংশ নিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু শিক্ষার্থীও প্রথমবারের মতো এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। অংশ নিয়েছেন 'এই ম্যারাথন থেকে বাসায় ফিরে বাসার কাজ শেষ করতে হবে'- এমন বহু নারী।

সকাল ৮টায় হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মাননীয় কমিশনার জনাব হাবিবুর রহমান, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) এর অনন্য উপস্থিতি এবং তার উৎসাহব্যঞ্জক বার্তা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। এছাড়াও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ড. ফওজিয়া মোসলেম এবং অভিনেত্রী ও ইয়োগা স্কুল ইয়োগিস’র প্রতিষ্ঠাতা সোহানা সাবা'র বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিতি সবাইকে উৎসাহী করে তুলেছে।

এবারের আয়োজনে টাইটেল স্পন্সর হিসাবে স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড তাদের সেনোরা লং ব্র্যান্ডকে সামনে নিয়ে এসেছিল। পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে ছিল বিকাশ, রেজিস্ট্রেশন পার্টনার ছিল সহজ এবং ক্রিয়েটিভ পার্টনার ইয়ার্কি।

এই আয়োজন সার্বিকভাবে সফল হয়ে উঠেছে তখনই, যখন সবার নি:শঙ্ক অংশগ্রহণ ঘটেছে। আয়োজক কমিটি বহুদিন ধরে পরিশ্রম করে 'সবার জন্য নিরাপদ' একটি ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন করতে পেরেছে, আয়োজক হিসাবে এটা আমাদের জন্য বড় পাওনা।

সর্বোপরি, সকলের একান্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আজকের আয়োজনের ব্যবস্থাপনার কিছু ঘাটতি ছিল। বিশেষ করে টিসার্টের সাইজের আনুপাতিক গড়মিল নিয়ে অনেকে অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন। আর বহু ফিনিসার মেডেল পাননি - এই তথ্য আমাদের মর্মাহত করেছে। সেনোরা লং ঢাকা উওমেন্স ম্যারাথনে আপনারা যেভাবে সাগ্রহে অংশ নিয়েছেন, তার প্রতি যথাযথ সম্মান জানিয়ে আমাদের ঘোষণা হচ্ছে, আপনাদেরকে শীগগিরই আমরা মেডেল ও সনদ আমরা পৌঁছে দিব। আয়োজনের ত্রুটি'র জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

আপনারা সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন। আপনাদের ম্যারাথনে অংশগ্রহণ সুন্দর ও সাবলীল হয়ে উঠুক।

Photos from Dhaka Women's Marathon's post 24/05/2024

DWM24 Result 2.7k

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


House-5, 3rd Floor, Road/17, Block/E, Banani
Dhaka
1213

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00