Yana adrita mayumee

Yana adrita mayumee

Share

Here you will get sports related update.

If you are a sports lover, please like and follow my page.

খেলাপ্রেমিরা পাশে থেকে সাপোর্ট করবেন। আপনাদের নিয়ে বহুদূর এগিয়ে যেতে চাই।

Photos from Yana Adrita Mayumee 's post 22/10/2025
04/10/2025

আমার মেয়ে হাতি এঁকেছে মাশাআল্লাহ!🥰 শুধু হাতিই নয়, হাতির পিঠে একজন মানুষও এঁকেছে। আবার আঁকার সময় আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে কোনটা কী! ভাগ্যিস বলে বলে এঁকেছিল কোনটা কী, নয়তো আমার বাপেরও বুঝার ক্ষমতা ছিলো না এটা যে হাতি। মেয়ের ১ম চিত্রকর্ম তাই রেখে দিলাম যত্নে।
আপনাদের বুঝার সুবিধার্থে উল্লেখ করে দিলাম কোনটা কী। 😜

বি.দ্র: মেয়ের বয়স ২ বছর ৫ মাস রানিং।

16/09/2025

বাচ্চাদের কেনো প্রতিদিন খেলতে দিবেন❓❓

🧸 শিশুরা যখন খেলাধূলা করে, তারা কেবল মজা করে না, বরং তাদের শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক বিকাশেও সাহায্য করে।

খেলাধূলার মূল উপকারিতা:

শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে: দৌড়ানো, লাফানো বা বল খেলার মাধ্যমে শিশুদের পেশী শক্ত হয়, হাড় মজবুত হয়, এবং সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

মানসিক বিকাশ: খেলাধূলা শিশুদের মনকে সতেজ রাখে, মনোযোগ ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে।

আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: নতুন কিছু শেখা বা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।

মানসিক চাপ কমানো: খেলাধূলা মানসিক চাপ কমায় এবং শিশুদের আনন্দ ও আনন্দদায়ক মুহূর্ত উপহার দেয়।

সামাজিক দক্ষতা: বন্ধুদের সঙ্গে খেলার মাধ্যমে শিশু শেখে দলগত কাজ, ভাগাভাগি করা, ও নিয়ম মেনে চলা।

✅ তাই প্রতিদিনই শিশুকে কিছু সময় খেলার জন্য উৎসাহিত করুন। ছোট ছোট খেলার মাধ্যমে তারা শারীরিকভাবে স্বাস্থ্যবান এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকবে। সময় পেলে বাইরে খেলতে নিয়ে যান। বন্ধু না পেলে নিজে তার সঙ্গী হোন।

27/08/2025

😭😭😭

ছবির ছেলেটির নাম তানভীর। তার বয়স মাত্র ৮ বছর। তার বাবা-মা গত ২৩ এপ্রিল দুই দিনের জ্বরে ছেলেকে নিয়ে যান ফার্মেসিওয়ালার কাছে। ডেঙ্গু সন্দেহে দেওয়া হয় ৪টি ইনজেকশন। কিন্তু ভুল চিকিৎসা কেড়ে নেয় তানভীরের হাত ও পা। তার হাত পায়ে আস্তে আস্তে পঁচন শুরু হয়। তখন বাবা-মায়ের টনক নড়ে। নিয়ে যান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে। তানভীরকে বাঁচাতে চিকিৎসকগণ তার হাত-পা কেঁটে ফেলতে বাধ্য হন 😔। কিন্তু শেষ রক্ষা আর হলো না। ভুল চিকিৎসা কেঁড়ে নিলো তার প্রাণ😭

পুলিশ ওই হাতুড়ে ডাক্তারকে গ্রেফতার করেছে। আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
কিন্তু তানভীরের বাবা-মা কী শাস্তির আওতায় আসে না? কিছু হলেই বাচ্চা নিয়ে দৌড়ে চলে যান ফার্মেসিতে চিকিৎসার জন্য। চিকিৎসা দেওয়ার কাজ তো ফার্মেসীওয়ালার না, উনার কাজ প্রেসক্রিপশন দেখে ওষুধ বিক্রি করা। তাহলে কেনো যান তার কাছে?

মা হওয়ার দরুন বেশকিছু মা ও শিশু রিলেটেড গ্রুপে এড আছি। সেখানে প্রতিদিন শ'খানেক পোস্ট দেখি বাচ্চার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে। কিছু হলেই সমস্যার কথা লিখে অথবা একটা ছবি তুলে পোস্ট দিয়ে দেয় গ্রুপে। আর আপুদের পরামর্শ চায়। কিছু আপুরাও ওষুধের নাম মেনশন করে চিকিৎসার উপায় বলে দেন (ব্যতিক্রম কিছু আছেন যারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলেন)। সেসব ওষুধের একটা বৃহদাংশ থাকে এন্টিবায়োটিক। হ্যাঁ, এন্টিবায়োটিক। আল্লাহ না করুক ৬০-৭০ বছরের জীবনে তার বড় কোন অসুখও হতে পারে। তখন আর কোন এন্টিবায়োটিক কাজ করবে না। তাছাড়া বাচ্চার ওষুধের ডোজ নির্ধারিত হয় তার ওজন অনুযায়ী। আপুদের পরামর্শ নিয়ে তারা কি সঠিক ডোজটা বাচ্চাকে দিতে পারে??

অনেকে টাকার অজুহাত দেখায়। কিন্তু একজন এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) করা ডাক্তার ফ্রিতে চিকিৎসা দিতে ২৪ ঘন্টা হাসপাতালে বসে থাকেন। সবসময় কেনো প্রাইভেট ক্লিনিকে ডাক্তার দেখাতে হবে?

আমার মেয়ের বয়স ২৭ মাস। এই ২৭ মাসে তাকে ৪ বারের মতো (রক্ত আমাশয়, অতিরিক্ত ঠান্ডা, এলার্জি, চোখে ময়লা আসা) প্রাইভেট ক্লিনিকে ডাক্তার দেখিয়েছি। বাকি সময়গুলো আমি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই। ওষুধ লাগলে দেন না লাগলে বলেন এমনি কয়েকদিন পর ঠিক হয়ে যাবে।

একবার মায়ূমীর অনেক ঠান্ডা লাগলো সাথে জ্বরও। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলাম। উনার ওষুধে জ্বর ভালো হলেও নাকে পানি পরা বন্ধ হলো না। আবার গেলাম তার কাছে। তিনি বাচ্চার এক্টিভিটি খেয়াল করলেন, খাওয়াদাওয়া -ঘুম ঠিক হচ্ছে কিনা জানতে চাইলেন। তারপর কোন ওষুধই দিলেন না। বললেন নাক দিয়ে পানি পরতে থাকুক। আপনি শুধু নাকটা পরিষ্কার রাখবেন। ঘুমের সময় উঁচু মাথাটা উঁচুতে রাখবেন আর নিশ্বাস নিতে সমস্যা হলে ড্রপ দিবেন। কয়েকটা ফল নিয়মিত দিতে বললেন। আলহামদুলিল্লাহ এতেই সে ভালো হয়ে গিয়েছিল তবে অনেকদিন সময় লেগেছে। কিন্তু ফার্মেসিতে নিলে তার চিকিৎসা কি হতো বুঝতে পারছেন? অবশ্যই এন্টিবায়োটিক।

আরেকবার তার রক্ত আমাশয় হলো। দুইজন ডাক্তার দেখালাম। একজন তো কোন এন্টিবায়োটিক দিলেন না। নরমাল ওষুধ দিলেন। কিন্তু ৭ দিনেও ভালো না হওয়ায় ডাক্তার পরিবর্তন করলাম এনং আগের প্রেসক্রিপশন দেখালাম। তিনি অবস্থা খারাপ দেখে এন্টিবায়োটিক দিলেন। কিন্তু রক্ত পরা বন্ধ হলেও শুধু পানি যাচ্ছিলো দিনে ৮-১০ বার। আবার গেলাম ডাক্তারের কাছে। তিনি বললেন ম্যাডাম এই ওষুধটাই খাওয়ান। আমি চাইলেই আপনার মেয়ের এন্টিবায়োটিক বদলে দিতে পারি। কিন্তু এখন যেটা খাচ্ছে সেই সিরিজের আর কোন এন্টিবায়োটিক ভবিষ্যতে তার কোন অসুখ হলে কাজ করবে না। তারচেয়ে আপনি অপেক্ষা করেন ইনশাআল্লাহ কমে যাবে। সেবার ১৬তম দিনে আমার মেয়ে আলহামদুলিল্লাহ সুস্থ হয়।

বাচ্চাদের কিছু হলে দয়া করে ফার্মেসিতে / আপুদের পরামর্শ নিবেন না। ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। আজকাল অনলাইনেও অনেক অনেক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রোগী দেখেন। তাছাড়া স্বাস্থ্য বাতায়ন আছে ফ্রি সেবা দেয়। কলেও কোন চার্জ কাটে না। তাছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, জেলা সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজগুলোতে বড় বড় ডাক্তারগণ বসে থাকেন আমাদের সেবা দিতে। একটু কষ্ট করে তাদের কাছে নিয়ে যান। নিজে ডাক্তার হইয়েন না। তানভীরের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ তাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুক। ছোট্ট জীবনে অনেক কষ্ট পেলো পাখিটা।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka