23/11/2024
হাতের লেখা ভালো করার ৭ কৌশল! 🖊️
১. সঠিক উপাদান নির্ধারণ করা :
লেখা শুরু করার আগে সেই জিনিসগুলো নির্বাচন করুন যেগুলো ব্যবহার করে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। অনেকেই মনে করে থাকেন সুন্দর হাতের লেখার জন্য ‘ফাউন্টেন পেন’ অত্যাবশকীয়। আসলে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এমন একটি কলম বা পেন্সিল বেছে নিন যা আপনার আঙুলের সঙ্গে সহজে মানিয়ে যাবে এবং লেখার সময় কাগজের ওপর যাকে জোরে চাপ দিতে হবে না। আর কাগজ হিসেবে ‘নোটবুক’ জাতীয় লাইন টানা কাগজ ব্যবহার করা যেতে পারে।
২. হাত এবং কবজি নমনীয় করা :
লেখা শুরুর আগে আমি আমার হাত হালকা করে নিই এবং কবজি দুটোকে হালকা মুচড়ে নিই যাতে এগুলো লেখার জন্য নমনীয় হয়’- হুপার বলেন। ‘বিশেষ করে যদি আপনি একটানা বেশ কয়েকদিন ধরে না লিখেন তাহলে অন্যান্য মাংসপেশীর মতো কবজি বা হাতেও একধরনের জড়তা অনুভব করবেন।’
৩. অঙ্গবিন্যাস ঠিক করা :
সোজা হয়ে বসুন এবং আপনার অনভ্যস্ত হাতটিকে (যেমন ডানহাতিদের ক্ষেত্রে বাঁ হাত) কাগজ বা খাতাটিকে ধরে রাখার জন্য ব্যবহার করুন। হুপার বলেন, ‘লেখার সময় আমি আমার অনভ্যস্ত হাতটিকে সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ব্যবহার করি। এটা আমাকে স্থির থাকতে এবং ডান হাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সাহায্য করে।’ তবে এজন্য অবশ্যই চেয়ার-টেবিল ব্যবহার করা উত্তম।
৪. কলম ধরা :
কলম বা পেন্সিল নিব এর কাছাকাছি ধরে লিখুন, তবে শক্তভাবে ধরে নয়। যদি নিবের কাছাকাছি ধরে লিখতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন, তাহলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কারণ কলম বা পেন্সিল ধরার আসলে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। এটা সম্পূর্ণই আপনার হাতের গড়নের ওপর নির্ভর করে।
৫. বাহু এবং কবজির অবস্থান :
বেশিরভাগ মানুষই লেখার সময় শুধু আঙুল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু হস্তাক্ষরবিদরা আঙুল দিয়ে কলম-পেন্সিল আঁকড়ে ধরেন মাত্র এবং লেখার সময় নিজেদের বাহু এবং কবজিকে সমান অবস্থানে রেখে লিখে থাকেন। হুপার বলেন, ‘এটি রপ্ত করার জন্য আপনি একটি কলম ধরে কল্পনায় (বাতাসের ওপরে) বড় বড় অক্ষর লিখতে পারেন।’
৬. তুলনামূলক ধীরগতি অবলম্বন করা :
বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে যত দ্রুত পারা যায় লেখা শেষ করার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। হুপার বলেন, ‘লেখা কোনো দৌড় প্রতিযোগিতা নয়। কত দ্রুত তা শেষ করবেন এটাকে গুরুত্ব না দিয়ে, প্রতিটি অক্ষর কিভাবে সুন্দর করবেন সেটাকে গুরুত্ব দিন। একটু ধীরে লিখুন এবং অক্ষরকে তার শ্রেষ্ঠ চেহারায় রূপ দিন।’ অক্ষরকে সুন্দরভাবে রূপ দিতে প্রথমে বড় বড় করে লেখার অভ্যাস করুন। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক লেখার স্টাইল ছোট আকারে হ্রাস করুন।
৭. অনুশীলন, অনুশীলন এবং অনুশীলন : হাতের লেখা ভালো করার জন্য অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। উপরোক্ত নিয়মগুলো মেনে আপনি যত বেশি অনুশীলন করবেন ততই দক্ষতা বাড়বে।
11/09/2024
আন্তঃহাউজ ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৪
ফাইনাল
বড় দল
সুফিয়া কামাল হাউজ(আকাশী সাদা জার্সি)
বনাম বিদ্যাসাগর হাউজ (সাদা কাল জার্সি)
15/07/2024
গত কোপা আমেরিকা চলাকালীন লিও মেসির জন্মদিন পড়ছিল। রাত বারোটার পর টিমমেটরা সবাই হাত ভরতি উপহার নিয়ে মেসির রুমে হাজির হয়ে গেলেন তাঁর বার্থডে সেলেব্রেট করতে। কিন্তু একজন কোনো উপহার নিলেন না, তিনি হলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। এ খবর চলে গেল সাংবাদিকদের কাছেও। পরদিন আর্জেন্টিনার মিডিয়া টিওয়াইসির এক সাংবাদিক মজা করে মার্টিনেজকে বলেই ফেললেন, আপনি সম্ভবত মেসির জন্মদিনে কিছুই উপহার দেননি।
মার্টিনেজ উত্তর দিলেন, হ্যাঁ। তবে আমি মেসিকে কথা দিয়ে রেখেছি, এই শিরোপাটা (কোপার) তাকে উপহার দেবো।
সেবার সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে দুই-দুইটি দুর্দান্ত সেইভ করে কলম্বিয়াকে হারিয়ে দলকে ফাইনালে নিয়ে গেলেন, এমনকি ফাইনালেও বেশ কয়েকটি টার্গেট অন শট ঠেকিয়ে দিয়েছেন। ডি-বক্সের ভেতর দু'দুটো শট ঠেকিয়ে মার্টিনেজ ঠিকই শিরোপাটা মেসির হাতে তুলে দিলেন।
এই যে কথা দিয়ে কথা রাখতে পেরেছেন, তারপর থেকে তাঁর আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় বহুগুণ।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সৌদির সাথে অঘটনের পর মেসি যখন হতাশ হয়ে পড়লেন, এমি তখন সাহস দিলেন, ‘চিন্তা করো না মেসি, আমরা তোমার জন্য কাপটা জিতব।’
মেসিও জানেন এমি তাঁর সামর্থ্যের উপর কথা দিয়ে কথা রাখতে পারেন। তাই মেসি প্রথম ম্যাচ হারার পর ভক্তদের উদ্দেশ্য একটি কথাই বলেছেন, ‘বিশ্বাস রাখুন!’
তারপরের গল্পটা আমরা সবাই জানি।
ফাইনালের আগে যখন আর্জেন্টিনাকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলতে নানা চুলছেঁড়া আলোচনা চলছিল ফ্রান্স মিডিয়ায়, তখন মেসিকে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখতে এমি বলেছিল, ‘চিন্তা করো না মেসি, ফ্রান্স আমাদের জালে বল পৌঁছাতে হলে আমাকে আগে খু ন করতে হবে।’
এমির এই কথা রাতারাতি মিডিয়া পাড়ায় সয়লাব হয়ে গেল। কিন্তু তখনো ফাইনাল ক্ষণ আসেনি।
গোল স্কোরার লেভেল থাকা অবস্থায় অতিরিক্ত সময়ের ১২৩তম মিনিটে মুয়ানির আগুয়ান শট অবিশ্বাস্যভাবে ঠেকিয়ে এমি ঠিকই বিশ্ববাসীকে জানান দিয়েছিল, সে মেসির জন্য এই শিরোপা জিততে মরতেও প্রস্তুত ছিলো।
তারপর তো টাইব্রেকারে গিয়ে লিখালেন মহাকাব্য। মেসির হাতে শিরোপা তুলে দিয়ে সে তাঁর কমিটমেন্ট পূরণ করলো।
এবারও কোপা আমেরিকা চলাকালীন মেসির জন্মদিন গেল, টিমমেটরা সবাই মেসিকে কিছু না কিছু উপহার দিলেও বাদ থাকলেন এমি। গতবারের মতো সেইম তিনি কথা দিলেন, কোপার শিরোপাটাই তাকে উপহার দেবেন।
আবারও শিরোপাটা মেসির জন্মদিনে উপহার দিলেন এমি-লাউতারা। কাকতালীয়, ভাগ্য নাকি অসাধ্য চেষ্টার ফল; কীভাবে সংজ্ঞায়িত করব!
গ্রুপ থেকে ফাইনাল পর্যন্ত নিজের সামর্থ্যের উপর বিশ্বাস রেখে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন। টাইব্রেকারে যখন প্রতিটি দলের প্লেয়ার মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারায় উদ্বিগ্ন থাকেন, এমি সেখানে চিল করেন। কী অদ্ভূত!
সাংবাদিক বললেন, মেসি আপনাকে বিশ্বসেরা গোলরক্ষক হিসেবে অবহিত করেছেন। এমি উত্তর দেন, মেসিই আমাকে বিশ্বসেরা গোলরক্ষক বানিয়েছেন। কী অসাধারণ বন্ডিং।
এমিলিয়ানো থেকে হয়ত আরও সেরা গোলরক্ষক আছেন, কিন্তু গোলবারে যখন দ্বিধাহীন এমি দু'হাতে বাড়িয়ে ঝাঁপ দেন অন টার্গেট শট কিংবা পেনাল্টি ঠেকাতে, তখন আমরা বলতেই পারি, এমিলিয়ানো তুমিই সনচেয়ে সেরা।
পদার্থ বিজ্ঞানে বাটারফ্লাই ইফেক্টে বলে একটা টার্ম আছে। যার মানে, কোনো ছোটখাটো একটা মিসটিক বা ঘটনার পর থেকে ভিন্ন কিছুতে একের পর এক বড় ঘটনা ঘটতে থাকে। ঠিক এমলিয়ানো মার্টিনেজের জাতীয় দলের উত্থান ছিলো সেরকম। মূল গোলরক্ষকের ইনজুরিতে মাঠে নামার সুযোগ পেলেন। তারপর তো নিজেকে এমনভাবে মেলে ধরেছেন, এখন নিজেই দলের মূল গোলরক্ষক। বিশ্বসেরা গোলরক্ষক।
১০ বছর আগে যখন ক্লাবের দ্বিতীয়/তৃতীয় গোলরক্ষক হিসেবে বেঞ্চে বসে সময় কাটাইতেন তখন ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিল, ‘মাই টাইম উইল কাম।’
এমি, ইউর টাইম ইজ নাও।
©️Farid uddin Rony
03/07/2024
মাই প্রেডিকশন
ইউরো ২০২৪
কোয়ার্টার ফাইনাল
১.জার্মানি বনাম স্পেন = জার্মানি
২.ফ্রান্স বনাম পর্তুগাল = ফ্রান্স
৩.নেদারল্যান্ডস বনাম তুর্কি = নেদারল্যান্ডস
৪.ইংল্যান্ড বনাম সুইজারল্যান্ড = ইংল্যান্ড
তবে কোয়ার্টার ফাইনালে বড় একটা চমক হতে পারে সুইজারল্যান্ডের জয়।
কোপা আমেরিকা ২০২৪
১.আর্জেন্টিনা বনাম ইকুয়েডর =আর্জেন্টিনা
২.কানাডা বনাম ভেনিজুয়েলা =ভেনিজুয়েলা
৩.ব্রাজিল বনাম উরুগুয়ে =ব্রাজিল
৪.পানামা বনাম কলম্বিয়া =কলম্বিয়া
এখানেও একটা চমক থাকতে পারে সেটা হচ্ছে কানাডার জয়।
আপনারও আপনাদের মতামত জানিয়ে দেন কারা হতে পারে সেমিফাইনালিস্ট।
28/06/2024
Translate into English
আমাদের আন্তরিকতা থাকা প্রয়োজন।