08/09/2025
ঢাকসু নির্বাচনে 'হাহা'র রাজনীতি
ঢাকসু নির্বাচনে প্রার্থীদের পোস্টে ব্যাপকভাবে 'হা হা' রিয়াক্ট ব্যবহারের ঘটনাটি কেবল মজা বা হালকা প্রতিক্রিয়া নয়, বরং এটি এক ধরনের ডিজিটাল মানসিক যুদ্ধের অংশ। বৃহত্তর বিশ্লেষণে দেখা যায়, সংগঠিতভাবে 'হা হা' ব্যবহার মূলত এক ধরনের মাইক্রো প্রোপাগান্ডা। এতে খুব কম খরচে প্রতিপক্ষকে দুর্বল করা যায় এবং একইসাথে দর্শকের চোখে তাকে অবিশ্বাসযোগ্য করে তোলার চেষ্টা হয়। এভাবে রাজনৈতিক বিতর্কের জায়গা দখল করে নিচ্ছে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপকেন্দ্রিক অনলাইন সংস্কৃতি, যা গণতান্ত্রিক আলোচনাকে দুর্বল করে।
অনলাইন আচরণের দিক থেকে এই রিয়াক্টকে একটি সমষ্টিগত ট্রলিংয়ের হাতিয়ার হিসেবে দেখা যায়। একসাথে প্রচুর 'হা হা' দেওয়া হলে তা পোস্টটিকে এক ধরনের মিমে পরিণত করে, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর সাথে যুক্ত হয় আক্রমণাত্মক মন্তব্য, যার ফলে ডিজিটাল বুলিং তৈরি হয়। সাধারণ ইউজাররা যখন দেখে যে বহু মানুষ হাসছে, তখন তারা ভিন্নমত প্রকাশে সংকোচ বোধ করে এবং অনলাইন আলোচনা ক্রমে 'মকরি ড্রাইভেন' হয়ে ওঠে। ফলে প্রার্থীর সমর্থকরা প্রতিক্রিয়ায় এগিয়ে এলে বিতর্ক বাড়ে এবং তীব্র মেরুকরণ তৈরি হয়।
মনস্তাত্ত্বিকভাবে 'হা হা' রিয়াক্ট প্রার্থীর আত্মবিশ্বাসে সরাসরি আঘাত করে। এটি জনসমক্ষে উপহাসের অনুভূতি তৈরি করে, যা তাকে আত্মসম্মান হারাতে বাধ্য করতে পারে। এর ফলে প্রার্থীরা নিজেদের পোস্ট কমানো শুরু করে, অর্থাৎ এক ধরনের স্ব-নিয়ন্ত্রণ বা সেল্ফ সেন্সরশিপ তৈরি হয়। একইসাথে দর্শক বা ভোটারদের মনে সোশ্যাল প্রুফ প্রভাব পড়ে। অনেকে হাসছে মানে প্রার্থীকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এতে ভোটারদের মানসিকতাও প্রভাবিত হয়।
ফেসবুকে এই 'হা হা' রিয়াক্টকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে এই রিয়াকশন সাধারণত আবেগ প্রকাশের উপায় হলেও, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি হয়ে উঠছে তুচ্ছতাচ্ছিল্য এবং অপমানের প্রতীক। ফেইক বা নতুন খোলা একাউন্ট দিয়ে সংগঠিতভাবে 'হা হা' দেওয়া হলে তা প্রার্থীর ইমেজ নষ্ট করার কার্যকর হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়। একইসাথে অ্যালগরিদমের কারণে পোস্ট বেশি মানুষের কাছে গেলেও, তা ছড়ায় একটি নেতিবাচক ফ্রেম নিয়ে। ফলে এক নিরীহ প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিচ্ছে শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক ও ডিজিটাল অস্ত্রে।
07/09/2025
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ঢাকসু) নির্বাচন ঘিরে আলোচিত ভিপি প্রার্থীদের নিয়ে সাধারণ মানুষ, সংবাদমাধ্যম ও দর্শকদের কৌতূহল অনলাইনে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। গুগল ট্রেন্ডসের গত এক সপ্তাহের ওয়েব সার্চ, নিউজ সার্চ ও ইউটিউব সার্চের তথ্য বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায় কে কখন আলোচনায় এসেছেন এবং কোথায় কার প্রভাব সবচেয়ে বেশি ছিল।
ওয়েব সার্চে দেখা গেছে, আবিদুল ইসলাম খানের সপ্তাহের প্রথম দিকে খুব একটা সার্চ করেনি কেউ। তবে ৫-৬ সেপ্টেম্বর হঠাৎ সার্চ সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। আর সাদিক কায়েম ৩ সেপ্টেম্বর রাতে হঠাৎ বড় স্পাইক (প্রায় ৭৫) পেয়েছেন। এরপর আবার ৬ সেপ্টেম্বরের দিকে কিছু সার্চ হয়েছে। আরেক প্রার্থী উমামা ফাতেমার ২–৩ সেপ্টেম্বর টানা একাধিকবার সার্চ বেড়েছে। এই সপ্তাহে সর্বোচ্চ স্পাইক (১০০) তিনিই পেয়েছেন। পরে আবার ৬ সেপ্টেম্বরেও সার্চ হয়েছে। আর আব্দুল কাদেরের মাঝেমধ্যে ছোট ছোট স্পাইক দেখা গেছে। একেবারেই ধারাবাহিক নয়, হঠাৎ করে সার্চ বেড়ে আবার থেমে গেছে। শামীম হোসেন পেয়েছে মাঝারি মানের ইন্টারেস্ট ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর।
সপ্তাহ জুড়ে সংবাদ সার্চে শীর্ষে ছিলেন আবিদুল এবং পরেই ছিলেন সাদিক কায়েম। আবিদুলের স্পাইক ছিল ১০০ আর সাদিকের ৭৫। তবে তাদের দুই জনকেই নিউজে খোঁজা হয়েছে ৬ সেপ্টেম্বর। আর উমামাকে নিউজে খোঁজা হয়ছে ৩ সেপ্টেম্বর। কাদের ও শামীমকে এই সপ্তাহে সেভাবে গুরুত্ব দিয়ে নিউজে কেউ খোঁজেননি।
ইউটিউব ভিডিওতেও খোজার ক্ষেত্রে শীর্ষে ছিলেন আবিদুল । সপ্তাহের মাঝমাঝি একটা বড় স্পাইক তার দেখা গেছে। তবে এই স্পাইক একবারই এসেছে, ধারাবাহিক নয়। সপ্তাহের শেষের দিক থেকে একাধিক স্পাইক দেখা গেছে সাদিক কায়েমের। ধীরে ধীরে খোঁজা বেড়েছে, ধারাবাহিকভাবে সার্চে ছিলেন। এদিকে সপ্তাহের শুরুতে একাধিক ছোট ও মাঝারি স্পাইক এসেছে। তবে ধীরে ধীরে আগ্রহ কমেছে। মজার বিষয় হল ইউটিউবে সপ্তাহজুড়ে সবচেয়ে ধারাবাহিক সার্চ পেয়েছেন আন্দুল কাদের। বারবার মাঝারি মানের স্পাইক (২০–৭০ এর মধ্যে) দেখা যাচ্ছে। মানে ইউটিউবে তিনি ধারাবাহিকভাবে আলোচনায় ছিলেন। শামীমের স্পাইক ছিল খুবই দুর্বল এখানেও।
গুগল ট্রেন্ডসের ডেটা দেখায় যে ঢাকসুর ভিপি প্রার্থীদের প্রতি জনগণের আগ্রহ প্ল্যাটফর্মভেদে ভিন্ন। এ থেকে বোঝা যায়, ঢাকসুর ভিপি নির্বাচনকে ঘিরে জনগণ ও মিডিয়ার আলোচনায় প্রার্থীদের অবস্থান ভিন্ন ভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভিন্নভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।
07/09/2025
সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো পাসওয়ার্ড বা আইডি পরিবর্তন করা গেলেও ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আইরিস একবার ফাঁস হলে তা আজীবন অপরিবর্তনীয় থেকে যায়।
29/08/2025
আইএসপিআর বাংলাদেশের প্রকাশিত ফেসবুক পোস্টটি একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা সংস্থার পক্ষ থেকে সংঘটিত সহিংসতার একটি ব্যাখ্যা হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। এই বিবৃতির ভাষা ও কাঠামোর মাধ্যমে স্পষ্টভাবে পক্ষপাতিত্ব লক্ষ্য করা যায়। 'মব ভায়োলেন্স', 'অশান্তি সৃষ্টি', 'আইনশৃঙ্খলা রক্ষা', 'জননিরাপত্তা রক্ষার্থে বল প্রয়োগ' এমন শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করে পোস্টটি একপাক্ষিকভাবে সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীকে শান্তিপ্রিয় এবং ন্যায়সঙ্গত হিসেবে চিত্রায়িত করেছে, বিপরীতে বিক্ষোভকারীদের হিংস্র ও দমনযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
এই বিবৃতিতে সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে অতিমাত্রায় ইতিবাচকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। 'জনমনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা আনয়ন', 'শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা', 'সর্বদা বদ্ধপরিকর', এ ধরনের বাক্য সেনাবাহিনীকে একজন 'নায়ক' চরিত্রে রূপ দেয়, যেখানে প্রতিপক্ষকে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী হিসেবে চিত্রিত করা হয়। এতে একটি 'হিরো বনাম ভিলেন' ধরনের বর্ণনাকাঠামো তৈরি হয়, যা জনমনে পক্ষপাতদুষ্ট ধারণা জন্ম দিতে পারে।
পোস্টে যে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে, তা হলো দায়বদ্ধতার অভাব ও ঘটনার গভীর বিশ্লেষণ অনুপস্থিতি। সংঘর্ষ কেন শুরু হলো, কোন পক্ষ কী দাবি করেছিল বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কী ছিল এসব কোনো কিছুই উল্লিখিত হয়নি। এতে করে পুরো ঘটনাটিকে একটি রাষ্ট্রীয় প্রপাগান্ডা হিসেবে প্রক্ষিপ্ত করা হয়, যেখানে মূল কারণ ও প্রেক্ষাপট আড়াল হয়ে যায়। এছাড়াও কোনো রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে বা নির্দিষ্ট করে না দেখিয়ে 'দুটি রাজনৈতিক দল' বলা হলেও, পোস্টের ভাষার তীব্রতা এক পক্ষকে পুরোপুরি দোষী হিসেবে তুলে ধরে।
পোস্টটিতে 'জিরো টলারেন্স"', 'কঠোর অবস্থান গ্রহণ', 'বল প্রয়োগে বাধ্য' ইত্যাদি ভাষা ব্যবহার করে রাষ্ট্রের শক্তি ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার প্রদর্শন করা হয়েছে। এসব শব্দ সাধারণত ভীতিপ্রদর্শনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে যেকোনো বিক্ষোভ দমন করার ইঙ্গিত দেয়। এটি একটি প্রোপাগান্ডা কৌশল, যা জনগণের মনে ভয় ও শাসনের ছাপ ফেলার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে।
সব মিলিয়ে এই ফেসবুক পোস্টটি একটি একতরফা ও পক্ষপাতদুষ্ট বিবৃতি যা রাষ্ট্রীয় প্রোপাগান্ডার উপাদান বহন করে। এটি সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে আদর্শিকভাবে তুলে ধরে, অপর পক্ষকে হিংস্রতার দায়ে অভিযুক্ত করে এবং ঘটনাটির গভীর ও সামগ্রিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে।
29/08/2025
গণ অধিকার পরিষদের নেতা নুরুরল হক নুরুর উপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। অথচ এমন পদে থেকে তার এই হামলার বিচারের কথা বলার কথা ছিল।
28/08/2025
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে, যখন দেশের মানুষ দিশেহারা ও হতাশায় নিমজ্জিত, তখন ঢাকার অভিজাত এলাকার দেয়ালের অন্তরালে গড়ে উঠেছিল এক নিষ্ঠুর ও বিকৃত স্বার্থে পরিচালিত গোপন সাম্রাজ্য। ক্ষমতাধর আওয়ামী লীগ নেতাদের বিকৃত মনোবৃত্তির চাহিদা মেটাতে সংগঠিত হয়েছিল এক হাই সোসাইটির নারীদের রযাকেট, যার মূল পরিচালনাকারী ছিলেন নিয়াজ আকবর খান ও মেহেরিন আহমেদ।
বিলাসিতার মোড়কে: নিয়াজ আকবর খান
নিয়াজ আকবর খান, যিনি রোলস রয়েস, ফেরারি সহ বিলাসবহুল গাড়ির সংগ্রহের জন্য পরিচিত। যদিও তার এই এক্সোটিক গাড়ির শুল্ক ফাঁকি নিয়ে মিডিয়াতে ইতিপূর্বে বেশ কিছু রিপোর্ট হয়েছে ( https://archive.ph/qVdpP ) । তবে এবার তার ব্যয়বহুল জীবনযাত্রার অর্থযোগান সম্পর্কে কিছু বিস্ময়কর তথ্য এসেছে। তার পরিবারের একমাত্র দৃশ্যমান ব্যবসা ‘হীরা জুয়েলার্স’ অথচ তার চলা ফেরা কোনো আরব শেখের থেকে কম নয়। নিয়াজের নামে কোনো বড় শিল্প বা ব্যবসা ছিল না, যদিও তিনি এম্পায়ার গ্রুপের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে পরিচয় দেয়।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, মোহাম্মদ আলী আরাফাত সহ কয়েকজন আওয়ামী নেতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সুবাদে প্রাপ্ত অবিশ্বাস্য পরিমাণ টাকাই নিয়াজের আয়ের একমাত্র উৎস। মূলত তাদের জন্য সুন্দরী তরুণী সরবরাহ ও বিনোদনের আয়োজন করার বিনিময়ে এ বিপুল অর্থ প্রবাহ তার হাতে আসতো।
এলিট সার্কেলের নেটওয়ার্কার: মেহেরিন আহমেদ
এই রযাকেটের আরেক গুরুত্বপূর্ণ মুখ ছিলেন মেহেরিন আহমেদ। ঢাকার অভিজাত সমাজের সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল এবং বিত্তশালীদের পার্টিগুলাতে তিনি এক পরিচিতি মুখ।
মেহেরিনের পারিবারিক যোগসূত্রও ছিল দৃঢ়। তার বোন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিতের পুত্রবধূ। এই প্রভাব কাজে লাগিয়ে মেহেরিন তার স্বামী মাশেদ আব্দুল্লাহকে যেমন বিপিএলে সিলেট দলের মালিক বানিয়ে দিয়েছিলেন ঠিক তেমনি নিজে তৎকালীন সরকারের ক্ষমতাবানদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে নিয়েছেন। তরুণী সুন্দরীদের জন্য পার্টি আয়েজন করে শিশা ও মদের ব্যবস্থা করে প্রতি মাসেই তিনি পার্টি আয়েজন করতেন।
ভিকি ও নওশাদ - হাই ক্লাস পার্টির এক্সোটিক মাদক সাপ্লাইয়ার
নিয়াজ পার্টির সার্বিক আয়েজন ও অর্থায়ন করত এবং মেহেরিন নারী বিশেষ করে এক ঝাঁক মডেলকে এইসব পার্টিতে যোগদান করারতো। এইসব আমেরিকান 'rave' পার্টির আদলে আয়জন করা হতো অর্থাৎ সাইকেডেলিক ড্রাগস ছিল এর মূল আকর্ষণ। এন.আর. ভিকি যিনি গুলশানে বিভিন্ন বার ও শীষা লাউঞ্জের মালিক এবং ইতিপূর্বে date r**e drug সহ গ্রেফতারকৃত সায়েদ নওশাদ ( https://archive.ph/wdtkJ ) বিভিন্ন এক্সোটিক মাদক সরবরাহের দায়িত্বে থাকতো। উল্লেখ্য, ভিকি শেখ রেহানা পুত্র ববির বন্ধু।
বারিধারার গোপন পার্টি
বারিধারার দু'টি বিলাসবহুল বাসভবনে এইসব গোপন পার্টি নিয়মিত আয়োজন করা হতো, যেখানে ঢাকা শহরের উচ্চপর্যায়ের কিছু প্রভাবশালী নেতাদের অন্ধকার দিক উন্মোচিত হতো। নিয়াজ আকবর খানের বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনের ৪ নম্বর রোডের বাসায় সব পার্টিতে সাকিব আল হাসান, শেখ তন্ময়সহ একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব উপস্থিত থাকলেও বিপু ও আরাফাতের জন্য অল্প সংখক তরুণী নিয়ে পার্টি আয়েজন করা হতো বিপুর অব্যাবহৃত একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি যা বারিধারার কে ব্লকে অবস্থিত (১০ নম্বর সড়কের বাড়িতে)।
নিয়াজ পার্টির আয়োজন করতেন, মেহেরিন মডেল এবং তরুণীদের সংগ্রহ করতেন। বিনিময়ে নেয়া হতো বিশাল অঙ্কের টাকা, দামি উপহার, এবং বিদেশ সফরের ব্যবস্থা।
ছায়ার আড়ালে রাজীব সামদানি
তবে অনুসন্ধানে আরো ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে এসেছে। জানা গেছে, নিয়াজ ও মেহেরিন কেবল প্রকল্প বাস্তবায়নকারী; প্রকৃত সংগঠক ও অর্থের যোগানদাতা হলেন ব্যবসায়ী রাজীব সামদানি।
রাজীব সামদানি ছিলেন নসরুল হামিদ বিপুর অবৈধ উপার্জনের প্রধান নিরাপত্তাকারী। তিনিই নিয়াজ ও ভিকিকে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেন এবং সার্বিক নিয়ন্ত্রণ করতেন। পুরো রযাকেট ছিল দক্ষভাবে সংগঠিত, যেখানে অর্থ, ক্ষমতা ও প্রভাবের এক নিষ্ঠুর সমন্বয় ঘটানো হয়েছিল।
27/08/2025
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় তিন দফা দাবি আদায়ে বুয়েট শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
24/08/2025
রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার আট বছর পেরোলেও একজনকেও ফেরত পাঠানো যায়নি; উল্টো সীমান্ত পেরিয়ে এখনো ঢুকছে নতুন রোহিঙ্গা, ফলে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩ লাখে। মানবিক সংকট থেকে এটি এখন জাতীয় নিরাপত্তার বড় বোঝায় পরিণত হয়েছে। রোহিঙ্গারা নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছে। আন্তর্জাতিক মহলের আলোচনায় প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি থাকলেও মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ ও বড় শক্তিগুলোর স্বার্থে তা কার্যত অচল। ফলে এই সংকট এখন বাংলাদেশে সামাজিক অস্থিরতা, আইনশৃঙ্খলা সমস্যা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকির এক দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
24/08/2025
আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও CRI সংশ্লিষ্ট তৌহিদ আফ্রিদিকে বরিশাল থেকে আটক।
22/08/2025
মালয়েশিয়াতে পৌছেছে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও যুগ্ম সদস্য সচিব আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।
21/08/2025
এই সরকার এর উপর এখন বিরক্ত হইয়া আর কিছু বলি না। এই বিশ্ববাটপার ক্যান্টনমেন্টে যাচ্ছেন, নিকুঞ্জ যাচ্ছে (৬ আগস্ট) উত্তরা যাচ্ছে (১১ জুন) , ধানমন্ডি ঘুরছে (হাতে প্রমাণ নিয়েই বলছি) । আর সরকারের কচি শুয়োরদের কিংবা তাদের প্রোপাগান্ডিস্টদের জিজ্ঞেস করবেন , বাটপার সুখন কই? বলবে, ভাই বিদ্যাশে চইলা গেছে। আমার ধারণা এই সরকারের চেয়ে আমিও হয়তো অপরাধীদের শাস্তি বেশি নিশ্চিত করতে পারতাম। দেশটাকে এনিমেল ফার্ম বানাইয়া ফেলছে একদল বুড়ো শুয়োর মিলে। ওদের হাসিনা আম্মার ল্যাগেসি ধরে রাখছে।
18/08/2025
এই ডিবেট হওয়া উচিৎ কিনা? আপনারা কি মনে করেন?