24/11/2019
ইনিংস হার এড়াতে পারল না বাংলাদেশ
মাহমুদউল্লাহ ব্যাট করতে না পারায় ইনিংস ব্যবধারে হার এড়ানো প্রায় অসম্ভব হয়ে গিয়েছিল। দেখার ছিল লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানকে নিয়ে কতটা লড়াই করতে পারেন মুশফিকুর রহিম। খুব একটা পারেননি, প্রথম ঘণ্টাতেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
নিজেদের দিবা-রাত্রির প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ৪৬ রানে হেরেছে মুমিনুল হকের দল। সফরে দুটি টেস্টই তিন দিনে ও ইনিংস ব্যবধান হারল বাংলাদেশ। ইন্দোরে হেরেছিল ইনিংস ও ১৩০ রানে।
দুর্দান্ত এই জয়ে বেশ কয়েকটি রেকর্ডও গড়েছে বিরাট কোহলির দল। দারুণ সময় কাটানো দলটি দেশের মাটিতে জিতল টানা ১২ সিরিজ। প্রথম দল হিসেবে টানা চার টেস্টে জিতল ইনিংস ব্যবধানে। বাংলাদেশের আগে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সিরিজের শেষ দুই টেস্টে হারিয়েছিল ইনিংস ব্যবধানে।
নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টানা সাত টেস্ট জিতল ভারত। এর সবকটিই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে। ৭ ম্যাচে ৩৬০ পয়েন্ট নিয়ে চূড়ায় রয়েছে বিরাট কোহলির দল। ১১৬ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে অস্ট্রেলিয়া। একমাত্র দল হিসেবে চ্যাম্পিয়নশিপে অপরাজিত রয়েছে ভারত।
আগের দিন হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়া মাহমুদউল্লাহ ব্যাটিংয়ে ফিরেননি। মুশফিকের সঙ্গে তৃতীয় দিন শুরু করেন ইবাদত হোসেন। আগের দিনের সঙ্গে কোনো রান যোগ করার আগেই ইবাদতেকে হারায় বাংলাদেশ।
মুশফিক খেলছিলেন আস্থার সঙ্গে। আল আমিনকে আড়াল দিয়ে দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। বাউন্ডারির দিকে ছিল তার মনোযোগ। আউট হন সেই বাউন্ডারির চেষ্টাতেই। প্রান্ত বদল করা উমেশকে ওড়ানোর চেষ্টায় ধরা পড়েন রবীন্দ্র জাদেজার হাতে।
৫৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা মুশফিকের ৯৬ বলে খেলা ৭৪ রানের ইনিংস গড়া ১৩ চারে।
নিজের পরের ওভারে আল আমিনকে কট বিহাইন্ড করে ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার সঙ্গে বাংলাদেশকে গুটিয়ে দেন উমেশ। শেষ তিনটি উইকেটই নেন এই পেসার।
তৃতীয় দিন বাংলাদেশের ইনিংস টিকে ৪৭ মিনিট, ৮.৪ ওভার।
দেশের মাটিতে এই প্রথম ভারত কোনো টেস্ট জিতল যেখানে পেসাররা নিয়েছেন সবকটি উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৩ রানে ৫ উইকেট নেওয়া উমেশ প্রথম ইনিংসে নিয়েছিলেন তিনটি।
প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া ইশান্ত দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। প্রথম ইনিংসে দুটি উইকেট নিয়েছিলেন আরেক পেসার মোহাম্মদ শামি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩০.৩ ওভারে ১০৬
ভারত ১ম ইনিংস: ৮৯.৪ ওভারে ৩৪৭/৯ (ইনিংস ঘোষণা)
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৪১.১ ওভারে ১৯৫ (আগের দিন ১৫২/৬) (সাদমান ০, ইমরুল ৫, মুমিনুল ০, মিঠুন ৬, মুশফিক ৭৪, মাহমুদউল্লাহ ৩৯ (আহত অবসর), মিরাজ ১৫, তাইজুল ১১, ইবাদত ০, আল আমিন ২১, আবু জায়েদ ২*; ইশান্ত ১৩-২-৫৬-৪, উমেশ ১৪.১-১-৫৩-৫, শামি ৮-০-৪২-০, অশ্বিন ৫-০-১৯-০, জাদেজা ১-০-৮-০)।
ফল: ভারত ইনিংস ও ৪৬ রানে জয়ী
সিরিজ: ভারত ২-০ এ জয়ী
ম্যাচ ও সিরিজ সেরা: ইশান্ত শর্মা
24/11/2019
বাংলাদেশের ইনিংস পরাজয় এড়ানোর লড়াই
ম্যাচের ভাগ্য নিয়ে কৌতূহলের বাকি নেই একটুও। কলকাতা টেস্টের তৃতীয় দিনে কেবল দেখার আছে, বাংলাদেশ ইনিংস পরাজয় এড়াতে পারে কিনা।
নামবেন মাহমুদউল্লাহ?
তৃতীয় দিনে বাংলাদেশের লড়াই অনেকটাই নির্ভর করছে মাহমুদউল্লাহর ফিটেনসের ওপর। আগের দিন দারুণ ব্যাটিং করতে থাকা ব্যাটসম্যান হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগার পর মাঠ ছেড়েছিলেন খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ দল থেকে জানানো হয়েছিল, তৃতীয় দিনে মাহমুদউল্লাহ ব্যাটিংয়ে ফিরবেন বলে আশা করছে দল।
মাহমুদউল্লাহ ছাড়া ব্যাটিংয়ে বাকি আছেন কেবল বাংলাদেশের তিন পেসার। ব্যাটের হাত তিনজনেরই যাচ্ছেতাই।
ভরসা মুশফিক
শুরুর ব্যাটিং ধসের পর ম্যাচ এগোচ্ছিল দ্বিতীয় দিনেই শেষ হওয়ার পথে। সেখান থেকে বাংলাদেশ খেলা তৃতীয় দিনে নিতে পেরেছে মূলত মুশফিকুর রহিমের সৌজন্যে। শুরুতে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে জুটি ও পরে লোয়ার-মিডল অর্ডারদের নিয়ে লড়াই করে মুশফিক দিন শেষ করেছেন অপরাজিত ৫৯ রানে।
ব্যাটিং দুঃস্বপ্নের সিরিজে বাংলাদেশের দুই ফিফটির দুটিই এসেছে মুশফিকের ব্যাট থেকে।
তৃতীয় দিনে ম্যাচ যতটা সম্ভব লম্বা করা, ইনিংস পরাজয় এড়ানোর লড়াইয়ে বাংলাদেশ তাকিয়ে মুশফিকের ব্যাটে।
ইনিংস পরাজয় এড়াতে বাংলাদেশের প্রয়োজন আরও ৯০ রান।
দ্বিতীয় দিন শেষে সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস : ৩০.৩ ওভারে ১০৬
ভারত ১ম ইনিংস: ৮৯.৪ ওভারে ৩৪৭/৯ (ডি.) (মায়াঙ্ক ১৪, রোহিত ২১, পুজারা ৫৫, কোহলি ১৩৬, রাহানে ৫১, জদেজা ১২, ঋদ্ধিমান ১৭*, অশ্বিন ৯, উমেশ ০, ইশান্ত ০, শামি ১০*; আল আমিন ২২.৪-৩-৮৫-৩, আবু জায়েদ ২১-৬-৭৭-২, ইবাদত ২১-৩-৯১-৩, তাইজুল ২৫-২-৮০-১)।
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৩২.৩ ওভারে ১৫২/৬ (সাদমান ০, ইমরুল ৫, মুমিনুল ০, মিঠুন ৬, মুশফিক ৫৯*, মাহমুদউল্লাহ ৩৯ (আহত অবসর), মিরাজ ১৫, তাইজুল ১১; ইশান্ত ৯-১-৩৯-৪, উমেশ ১০.৩-০-৪০-২, শামি ৮-০-৪২-০, অশ্বিন ৫-০-১৯-০)।
24/10/2019
ধর্মঘটের অবসানঃ স্বস্তির সঙ্গে আছে শঙ্কাও
ঘরোয়া ক্রিকেটে পারিশ্রমিক বাড়ানোসহ ১১ দফা দাবিতে ধর্মঘটের ঘোষণা দেন সাকিব আল হাসান। সোমবার মিরপুর বিসিবি একাডেমি মাঠে এসময় তার সঙ্গে ছিলেন অন্য ক্রিকেটাররা।
সাকিব আল হাসান বললেন বটে, আলোচনার ফলে তারা অনেক খুশি। তবে সভা থেকে বেরোনোর পর ক্রিকেটারদের অনেকের মুখেই দেখা গেল না হাসি। মুখায়বে অবশ্যই সবসময় মনের ছবি ফুটে ওঠে না। কিন্তু শুধু চেহারায় নয়, অনিশ্চয়তার ছোঁয়া অনেক ক্রিকেটারের কণ্ঠেও। দাবি পূরণের আশ্বাস তো মিলল, বাস্তবায়ন কতটা হবে!
বুধবার রাত ১১ টার পরপর ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে শেষ হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অচলাবস্থার। উত্তেজনায় ঠাসা টানা তিনটি দিনে ছিল ঘটনার ঘনঘটা। নাটকের সমাপ্তি আপাত মধুর হলেও তাতে হতাশার চোরাস্রোতও মিশে থাকল কিছুটা।
সংকটের শুরু গত সোমবার। আচমকাই সেদিন দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেন ক্রিকেটাররা। সংবাদ কর্মীদের জন্য সেটি বড় চমক ছিল তো বটেই, ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবও ছিল বিস্মিত। তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায়, কোনো সংগঠনের অধীনে না থেকেই সংগঠিত হয়ে আসছেন ক্রিকেটাররা।
সেই সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন ৬০ জনের মতো ক্রিকেটাররা। তাদের মধ্যে ১০ জন আলাদা করে জানান ১১ টি দাবি। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পারিশ্রমিক বাড়ানো, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অনুশীলন সুযোগ সুবিধা বাড়ানো, ঘরোয়া ক্রিকেটে কাঠামো বদলসহ দেশের সার্বিক ক্রিকেট সংস্কৃতির বদল চান ক্রিকেটাররা। সর্বোপরি দাবি করেন, প্রাপ্য সম্মানটুকু যেন ক্রিকেটারদের দেয় বোর্ড।
সব দাবি জানানোর পর টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান জানান, দাবি না মানা পর্যন্ত ওই মুহূর্ত থেকেই সব ধরনের ক্রিকেট কার্যক্রম বন্ধ করে করে দিচ্ছেন ক্রিকেটারা। অনিশ্চয়তায় পড়ে যায় জাতীয় লিগের খেলা ও বাংলাদেশ দলের ভারত সফর।
একাডেমি মাঠে যখন ক্রিকেটাররা সংবাদ সম্মেলন করছেন, তখন একাডেমি ভবনের সামনেই ছিলেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী। বিদায় জানাচ্ছিলেন পাকিস্তান সফরগামী অনূর্ধ্ব-১৬ দলকে। সেখানেই প্রধান নির্বাহী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জানার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।
আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর অবশ্য প্রয়োজন পড়েনি। ক্রিকেটাঙ্গনের উত্তাপ স্পর্শ করে চারপাশকে। গোটা দেশের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হয়ে ওঠে তাদের দাবি দাওয়া ও ধর্মঘটের ঘোষণা। ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর বাংলাদেশের ক্রিকেটে ধর্মঘট এটিই প্রথম।
চারপাশের সেই আঁচেই হয়তো ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। মঙ্গলবার বিসিবি পরিচালকদের সঙ্গে জরুরী সভায় বসেন বিসিবি সভাপতি। এরপর মুখোমুখি হন সংবাদ মাধ্যমের। শুরুতেই নিজের সুদীর্ঘ বক্তব্যে উগড়ে দেন ক্ষোভ। ছুঁড়ে দেন পাল্টা অভিযোগ। ক্রিকেটারদের ধর্মঘটের পেছনে খুঁজে পান চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র।
দাবি মানার আশ্বাসও অবশ্য দেন বিসিবি প্রধান। জানিয়ে দেন আলোচনার দুয়ার খোলার রাখার কথা। কিন্তু এটাও আবার বলেন, “ক্রিকেটাররা খেলতে চাইলে খেলবে। না চাইলে খেলবে না, আমাদের কিছু করার নেই।”
পাশাপাশি বারবার চক্রান্তের কথা বলে, ক্রিকেটারদের প্রতি নানাভাবে উষ্মা প্রকাশ করে, ব্যক্তিগত আক্রমণ করে ও দৃষ্টিকটুভাবে যেভাবে কথা বলেন ক্যামেরা-মাইক্রোফোনোর সামনে, তাতে ক্রিকেটারদের প্রতি বোর্ডের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বয়ে যায় সমালোচনার ঝড়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধুয়ে দেওয়া হয় বিসিবি প্রধানসহ বোর্ড কর্তাদের।
বোর্ড সভাপতির সংবাদ সম্মেলনের পর এ দিন আর কোনো পাল্টা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি ক্রিকেটারদের থেকে।
বুধবার ধর্মঘট গড়ায় তৃতীয় দিনে। ততক্ষণে নিশ্চিত হয়ে গেছে, বৃহস্পতিবার থেকে জাতীয় লিগের তৃতীয় রাউন্ড শুরু হচ্ছে না।
আগের দিন বিসিবি কর্তাদের রুদ্র রূপ থোকলেও এ দিন সকাল থেকেই বিসিবি কর্তাদের দেখা যায় অনেকটাই নমনীয়। প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন সকালে জানান, ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিকেলেই আলোচনায় বসতে চান তারা।
ওদিকে তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান এবং কোয়াবের সভাপতি ও বিসিবি পরিচালক নাঈমুর রহমান। সেখানে আলোচনা থেকে বেরিয়ে নাজমুল হাসান সংবাদমাধ্যমকে জানান, ক্রিকেটারদের দাবি মানতে তারা প্রস্তুত।
এরপর থেকে অপেক্ষা ক্রিকেটারদের অবস্থান জানার। বোর্ডের আহবানে সাড়া দিয়ে ক্রিকেটাররা আলোচনায় বসবেন কিনা, এই নিয়ে চলতে থাকে জল্পনা। জানা যায়, রাজধানীর একটি হোটেলে একত্রিত হচ্ছেন ক্রিকেটাররা।
ঘরোয়া ক্রিকেটে পারিশ্রমিক বাড়ানোসহ ১১ দফা দাবিতে ধর্মঘটের ঘোষণা দেন সাকিব আল হাসান। সোমবার মিরপুর বিসিবি একাডেমি মাঠে এসময় তার সঙ্গে ছিলেন অন্য ক্রিকেটাররা।
ঘরোয়া ক্রিকেটে পারিশ্রমিক বাড়ানোসহ ১১ দফা দাবিতে ধর্মঘটের ঘোষণা দেন সাকিব আল হাসান। সোমবার মিরপুর বিসিবি একাডেমি মাঠে এসময় তার সঙ্গে ছিলেন অন্য ক্রিকেটাররা।
সেই হোটেলেই সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন ডাকেন ক্রিকেটাররা। গিয়ে দেখা যায়, হোটেলের হল রুমে উপস্থিত একশর বেশি ক্রিকেটার। তাদের মুখপাত্র হয়ে কথা বলেন সুপ্রীম কোর্টের একজন আইনজীবী। তিনি জানান, শুরুর ১১ দফার সঙ্গে আরও দুটি দফা যোগ করে ক্রিকেটারদের দাবির কথা চিঠি ও ই-মেইলে জানানো হয়েছে ক্রিকেট বোর্ডকে।
নতুন যোগ করা এই দুই দফাও ছিল চমকপ্রদ। বোর্ডের রাজস্ব আয়ের ভাগ দাবি করে ক্রিকেটাররা। পাশাপাশি লিঙ্গ সমতায় নিজেদের বিশ্বাসের কথা জানিয়ে দাবি করা হয় মেয়েদের ক্রিকেটকেও একইরকম সুবিধার আওতায় আনার।
বোর্ড কর্তারা তখনও বিসিবিতে অপেক্ষায় ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য। ক্রিকেটাররা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন, রাতেই বিসিবিতে গিয়ে আলোচনায় বসার। সেই সভার পরই আসে অচলাবস্থা অবসানের ঘোষণা।
তবে ধর্মঘট প্রত্যাহারের পরও শঙ্কা বেশ কিছু কারণে। সংকট সমাধানের সভাতেও শুরুতে ক্রিকেটারদের বেশ এক হাত নিয়েছেন নাজমুল হাসান। পরে অবশ্য স্বাভাবিক আলোচনা করেছেন। ক্রিকেটারদের প্রতি বোর্ডের দৃষ্টিভঙ্গি বদল তাই আদৌ কতটা হবে, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
অতীতেও নানা সময়ে নানা কিছু আশ্বাস দিয়ে পরে বাস্তবায়ন করেনি বোর্ড। এবার এত ডামাডোলের পর হয়তো কিছু উদ্যোগ দেখা যাবে, কিন্তু পুরোপুরি বাস্তবায়ন কতটা হবে?
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ম্যাচ ফি বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা ও মাসিক বেতন ৫০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি ছিল। আগের চেয়ে পারিশ্রমিক বাড়োনোর আশ্বাস দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি, কিন্তু কতটা বাড়বে?
দাবি মতো ১ লাখ টাকা ম্যাচ ফি বোর্ড দেবে কিনা, এটি নিয়ে সাকিবকে প্রশ্ন করেও উত্তর মেলেনি। এই জায়গায় তাই প্রবল সংশয় আছে দাবি পুরোপুরি বাস্তবায়ন নিয়ে। ঘরোয়া ক্রিকেটারদের অনেকেই কণ্ঠে তাই হতাশার সুরও থাকল।
এক ক্রিকেটার হনহন করে সভা থেকে বেরিয়ে গেলেন ‘টাইম কিলিং’ বলে। ঘরোয়া ক্রিকেটের অভিজ্ঞ আরেক ক্রিকেটার বললেন, “মনে হয় না আমাদের টাকা খুব একটা বাড়াবে।” কারও কারও আবার শঙ্কা, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে ওঠার পর তাদের ক্রিকেট জীবন না আবার অস্বাভাবিক করে তোলা হয়!
ঘরোয়া ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের নানা দাবিই ছিল বেশি আলোচিত। সেগুলো বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়ও বেশি দেখা গেল ক্রিকেটারদের মাঝে।
সব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের দূরত্ব আর অবিশ্বাস জন্ম দিয়েছে যে আস্থাহীনতার, সেটিরই ছাপ অনেকের কণ্ঠে। সেই ছাপ যেদিন মুছে যাবে, এবারের আন্দোলন পরিপূর্ণ সফল বলা যাবে হয়তো সেদিনই।
Caleted by Bdnews24.com
30/08/2019
টেস্টের বাংলাদেশ দল: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম, মোসাদ্দেক হোসেন, লিটন দাস, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, আবু জায়েদ, তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেন।
19/08/2019
ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে সেরা চারে দেখতে চাই: ডমিঙ্গো
বাংলাদেশকে প্রতিযোগিতামূলক দল হিসেবে গড়ে তুলতে চান রাসেল ডমিঙ্গো। নতুন প্রধান কোচ দেখতে চান ধারাবাহিকতা। আগামী দুই বছরে সব সংস্করণে দলকে নিতে চান র্যাঙ্কিংয়ে ৪/৫ নম্বরে।
মাত্র ২৫ বছর বয়সে কোচিংকে পেশা হিসেবে নিয়েছিলেন। লম্বা সময় দক্ষিণ আফ্রিকায় বিভিন্ন পর্যায়ে কোচিং করিয়ে এবার নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে আসছেন বাংলাদেশে। দেশ ছাড়ার আগে দক্ষিণ আফ্রিকান এই কোচ জানালেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে লক্ষ্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা।
দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সামনে দুটি চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। প্রস্তুতির জন্য সময়টা কি যথেষ্ট?
রাসেল ডমিঙ্গো: ঢাকা পৌঁছানোর পর অনুশীলন ক্যাম্পে ১০ দিন ছেলেদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাব। আমাদের দলে ঠিক কি আছে, না আছে সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়ার জন্য এই সময়টা যথেষ্ট। আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলা অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং হবে। ওদের বিপক্ষে জিতবই এটা আমরা ধরে নিতে পারি না। ওদের বিশ্বমানের কিছু খেলোয়াড় আছে। আমি ওদের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচের দিকে তাকিয়ে আছি।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন দলের হয়ে অনেকবার বাংলাদেশে এসেছেন। এই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা আছে। ঢাকায় আসার পর আপনার প্রথম চ্যালেঞ্জ কি হতে পারে?
ডমিঙ্গো: আমার মনে হয়, দ্রুত সবার সঙ্গে ভালো বোঝাপড়া করা হবে প্রথম কাজ। মাঠের বাইরের ব্যাপারগুলো হবে খুব গুরত্বপূর্ণ। মাঠে ওদের ঠিক কি প্রয়োজন সেটার দিকে নজর রাখা, ছেলেদের সঙ্গে একটা সম্পর্ক গড়া হবে খুব জরুরি। শুরুর দিকে এই কাজগুলোই করতে চাইব।
বাংলাদেশের ফিল্ডিং নিয়ে কিছু আলোচনা আমি শুনেছি। তবে এই মুহূর্তে ফিল্ডিং নিয়ে কথা বলার মতো পর্যায়ে আমি নেই। আগে ওদের অবস্থা আমার দেখতে হবে। হতে পারে টেকনিক্যাল কিংবা মানসিক কিছু ব্যাপারে আমাদের কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। প্রথম মাসে আমি এই ব্যাপারগুলো দেখবো। এরপর আমাদের কোথায় কোথায় উন্নতির জন্য কি কি করতে হবে সেগুলো ঠিক করবো।
কোচ নিয়োগের সাক্ষাৎকারের সময় আপনার প্রেজেন্টেশনে মুগ্ধ হয়েছিল বিসিবি। কি ছিল সেই প্রেজেন্টেশনে?
ডমিঙ্গো: অল্প কথায় বলা কঠিন। সেখানে দলটাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করে গড়ে তোলার কথা বলেছি, যেন ধারাবাহিকভাবে জিততে পারে। দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা কথা বলেছি। তরুণ খেলোয়াড়দের ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করার কথা বলেছি। আমাকে এই দুইয়ের সমন্বয় করতে হবে। বর্তমান সময়ের জন্য দলের পারফরম্যান্স, ম্যাচের ফল খুব গুরুত্বপূর্ণ। আবার একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য তরুণ খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়ার পথটাও আমার বের করতে হবে। বিশ্বকাপের আগে যদি আমরা কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড়কে কিছু ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিতে পারি সেটা হবে খুব ভালো একটা ব্যাপার।
আমি যখন দক্ষিণ আফ্রিকার দায়িত্ব নিয়েছিলাম তখন আমাদের দলের জন্য সাফল্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। হার আমাদের দলের ওপর চাপ তৈরি করতো। কোনো কোচ তার দলকে হারার জন্য প্রস্তুত করেন না। কোচ হিসেবে আমি চেষ্টা করবো ছেলেদের তাদের কাজের ব্যাপারে ইতিবাচক রাখতে, ওদের খেলার দিকে মনোযোগী রাখতে। একই সঙ্গে দলের সাফল্যের জন্য সবার সমর্থনও খুব জরুরি।
আপনি এমন একটা সময়ে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন যখন ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সফলতম অধিনায়ক ও পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজা অবসর নেওয়ার দুয়ারে। ড্রেসিংরুমে অনুপ্রেরণাদায়ী এমন একজনের অনুপস্থিতি কিভাবে সামাল দেওয়ার কথা ভাবছেন?
ডমিঙ্গো: সিনিয়র লিডারশিপ গ্রুপ থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অধিনায়ক একা সিদ্ধান্ত নেবে ব্যাপারটা এমন নয়। এটা ঠিক যে, অধিনায়কই বেশিরভাগ সিদ্ধান্ত নেবে তবে লিডারশিপ গ্রুপও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমি যখন ওদের সঙ্গে কাজ করা শুরু করব ওখানে কাজগুলো কিভাবে হয় তা বোঝার চেষ্টা করব। এরপর মাঠের বাইরে-ভেতরের জন্য সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহণ করবো।
কখনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা হয়নি। এরপরও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশ সফল একজন কোচ আপনি। সাফল্যের পেছনের গল্পটা কি আর মাত্র ২৫ বছর বয়সে কোন ভাবনা থেকে কোচিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন?
ডমিঙ্গো: আমি সব সময়ই মানুষের সঙ্গে কাজ করতে আর নতুন-নতুন সম্পর্ক তৈরি করতে ভালোবাসি। কোচ হিসেবে আমি অন্য মানুষের কাছ থেকে শেখার সুযোগটা কাজে লাগাই। কোচ হিসেবে আমি বুঝতে পারি, একজন ক্রিকেটারের পরের ধাপে যেতে ঠিক কী প্রয়োজন। আমার মনে হয়, এই ব্যাপারটাই আমাকে কোচ হওয়ার দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। আমি আশাবাদী, এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ দল আর ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কাজ করতে সহায়তা করবে।
বাংলাদেশের কোচ হতে কোন ব্যাপারটা আপানাকে সবচেয়ে বেশি উদ্বুদ্ধ করেছে?
ডমিঙ্গো: আমি দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের সঙ্গে কাজ করছিলাম। এটা ছিল জাতীয় দলের ঠিক নিচে। জাতীয় দলের কিছু খেলোয়াড়ও এই দলটিতে ছিল। কাজটা আমি খুব উপভোগ করছিলাম। বাংলাদেশ এমন একটা দল যারা গত পাঁচ বছরে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে। ওরা এই সময়ে নিজেদের পারফরম্যান্সেরও বেশ উন্নতি করেছে।
নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার ব্যাপারে আপনার সুনাম আছে। উঠতি প্রতিভাদের পথ দেখানোর ক্ষেত্রেও আপনি পারদর্শী। বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারদের নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কি?
ডমিঙ্গো: অবশ্যই আমি বয়সভিত্তিক দলগুলোর ম্যানেজার ও কোচের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাব। প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ওঠে আসা সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমি যোগাযোগ রাখবো। আমার মনে হয়, পরের দলটা কেমন হতে পারে বুঝতে পারা সব সময়ই খুব ভালো একটি ব্যাপার।
পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটের খেলা মাঠে বসে দেখব। দেশের সেরা লিগে (ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ) নতুন একটা ছেলে কিভাবে খেলে সেটা সরাসরি দেখব। আমার ধারণা, ঘরোয়া ক্রিকেটে দলগুলো ভালো কোচের অধীনে আছে। আমি জানি, ঢাকা লিগে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়।
শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট, নিল ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা দলে কাজ করেছেন। স্বদেশি কোচদের পাশাপাশি নিউ জিল্যান্ডের ড্যানিয়েল ভেটোরিও আছে আপনার কোচিং প্যানেলে। তার কাছ থেকে ঠিক কি আশা করছেন আপনি?
ডমিঙ্গো: ভেটোরির সঙ্গে এর আগে কয়েকবার দেখা হয়েছে আমার। আমরা ছেলেদের জন্য সেরা সহায়তাটা দেওয়ার চেষ্টা করবো। যদি ভেটোরি তরুণ খেলোয়াড়দের সঙ্গে বেশি সময় কাটায় তাহলে তারা ওর কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবে।
প্রাথমিকভাবে চুক্তির মেয়াদ দুই বছর। এই সময়ে বাংলাদেশকে কোথায় দেখতে চান?
ডমিঙ্গো: আমার মনে হয় অবশ্যই র্যাঙ্কিংয়ে চার-পাঁচে যাওয়া উচিত। বিশেষ করে ওয়ানডেতে আমাদের অবশ্যই সেরা চারে থাকার সামর্থ্য আছে। এটা হবে বাস্তবসম্মত একটা লক্ষ্য। আমি জানি, এটা কঠিন হবে। লক্ষ্য পূরণ করতে আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। পরের ধাপে যেতে বাংলাদেশকে পথ দেখাতেই এসেছি আমি।
12/07/2019
শ্রীলঙ্কায় খেলবেন মাশরাফি, ছুটি চেয়েছেন সাকিব-লিটন
শ্রীলঙ্কা সফরে যাচ্ছেন বিশ্বকাপে চোট নিয়ে খেলা মাশরাফি বিন মুর্তজা। অন্যতম নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছেন, আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সময় ছুটি চেয়েছেন সাকিব আল হাসান ও লিটন দাস।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার বাশার জানান, দল নির্বাচনের কাজ প্রায় গুছিয়ে এনেছেন তারা। শ্রীলঙ্কায় খেলবেন মাশরাফি, অনিশ্চিত সাকিব, থাকছেন না লিটন।
“বিশ্বকাপে চোট নিয়েই খেলেছে মাশরাফি। শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার আগে ওকে একটা ফিটনেস টেস্ট দিতে হবে।”
“লিটন ছুটি চেয়েছে। ও শ্রীলঙ্কায় যেতে পারবে না। সাকিবও ছুটি চেয়েছে। তবে ওর ব্যাপারটা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে আমরা সব কিছুর জন্যই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।”
দল চূড়ান্ত করার আগে বিশ্বকাপে খেলে আসা ক্রিকেটারদের চোট নিয়ে রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছেন নির্বাচকরা।
“দলে কয়েকজনের চোট সমস্যা আছে। মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিমের চোট নিয়ে রিপোর্টের অপেক্ষায় আছি। ওরা কিছু দিন বিশ্রাম পেয়েছে। আশা করি ওদের খেলতে কোনো সমস্যা হবে না।”
আগামী ২৬, ২৮ ও ৩১ জুলাই শ্রীলঙ্কায় তিনটি ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ। ২০ জুলাই দেশ ছাড়বে মাশরাফির দল। ২৩ জুলাই একটি প্রস্তুতি ম্যাচে খেলবে তারা।
10/07/2019
নাটক জমিয়ে বিদায় ভারতের, ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
ধোনি এবার পারলেন না।
ভারতকে ১৮ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালে চলে গেল নিউজিল্যান্ড। ধোনি-জাদেজার ১১৬ রানের অবিশ্বাস্য এক জুটি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সেরা প্রত্যাবর্তনের ম্যাচগুলোর একটির জন্ম দিতে চলেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৩ বল বাকি থাকতে ২২১ রানে অলআউট হয়ে গেল ভারত।
09/07/2019
বাংলাদেশের ক্রিকেটে রোডস অধ্যায়ের সমাপ্তি
প্রধান কোচ স্টিভ রোডস আর বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে নেই। বিসিবি জানিয়েছে, দুই পক্ষের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
09/07/2019
ওয়ালশকে বিদায় বলে দিল বাংলাদেশ
কোর্টনি ওয়ালশসমঝোতার মাধ্যমে প্রধান কোচ স্টিভ রোডসকে বিদায় করে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের সঙ্গেও চুক্তি বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে বিসিবি।
07/07/2019
পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে যখন দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বাংলাদেশ দল, ক্রিকেটারদের কাছ থেকে তখন বিদায় নিচ্ছিলেন তাদের ‘মাস্টার’। কোর্টনি ওয়ালশকে এই নামেই ডাকতেন ক্রিকেটাররা। বিশ্বকাপ দিয়েই শেষ হয়েছে বাংলাদেশের বোলিং কোচ হিসেবে এই ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তির চুক্তি।
05/07/2019
Pak vs Ban, London
Innings Break
PAK - 315/9 (50.0 Ovs)
CRR: 6.30
02/07/2019
ভারতের কাছে হেরে শেষ বাংলাদেশের সেমির স্বপ্ন
সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ৪৮ ওভারে ২৮৬ (ভারত ৩১৪/৯)
বুমরাহর জোড়া আঘাতে শেষ বাংলাদেশ
পরপর দুই বলে দারুণ দুই ইয়র্কারে রুবেল হোসেন ও মুস্তাফিজুর রহমানকে বোল্ড করে বাংলাদেশকে ২৮৬ রানে থামিয়ে দিলেন জাসপ্রিত বুমরাহ।
৪৮তম ওভারের পঞ্চম বলে রুবেলকে থামিয়ে ২৯ রানের জুটি ভাঙেন বুমরাহ। পরের বল মুস্তাফিজের ব্যাট ফাঁকি দিয়ে আঘাত হানে অফ স্টাম্পে।
৩৮ বলে ৯ চারে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।