RAFI VAI

RAFI VAI

Share

?????

28/11/2025
06/11/2025
01/09/2025

আজকে যত পাপী ও তাপী সব গুনাহের পেলো রে মাফি, দুনিয়া হতে বে ইনসাফির জুলুম নিলো বিদায়

01/09/2025

তোরা দেখে যা আমেনা মায়ের কোলে,,

01/09/2025

ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ এলোরে দুনিয়ায়। আয়রে সাগর আকাশ বাতাস দেখবি যদি আয়।

01/09/2025

মোহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে

01/09/2025

তোরা দেখে যা আমেনা

01/09/2025

তোরা দেখে যা আমেনা মায়ের কোলে

30/03/2025

Sura wakiah

02/11/2024

তুহিনের গল্পটি আমাদের সবার মনে এক গভীর দুঃখের স্রোত বইয়ে দিয়েছে। জীবন সংগ্রামের জন্য তুহিনের মতো অনেকেই প্রবাসে পাড়ি জমায়, স্বপ্ন দেখে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর, তাদের জন্য সুন্দর একটা ভবিষ্যৎ গড়ার। তুহিনও সেই স্বপ্ন বুকে নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলো মরুভূমির দেশে, কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সে আর ফিরে আসতে পারল না তার প্রিয় জন্মভূমিতে।

ডুবাইয়ের কর্মব্যস্ত রাস্তায় এক দুর্ঘটনাই থামিয়ে দিল তার জীবন। কাজের পর বাড়ি ফেরার পথে সে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলো, আর সেখানেই ঘটে গেল সেই মর্মান্তিক ঘটনা। একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা তার উপর উঠে যায়, আর তার জীবন থেমে যায়। প্রবাসে একা পরবাসীর এমন মৃত্যুর খবর যেন বজ্রপাতের মতোই তুহিনের পরিবারের উপর আছড়ে পড়ে। একটা ফেমিলি তার একটা উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে যায়। সৃষ্টিকর্তা তাদের ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করুক।

তুহিনের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য গ্রামের মানুষ এক হয়ে যায়। বাঘমারা, ছত্তিস এবং পিটাইটিকরের মানুষ মিলে অর্থনৈতিক ভাবে সহায়তা করে ডুবাই থেকে তুহিনের লাশ দেশে ফেরায়। গ্রামের মানুষ, যারা তাকে ছোটবেলা থেকে চিনতো, যারা তাকে প্রবাসে যাওয়ার আগে আশীর্বাদ করেছিলো, তাদের প্রতিটি হাত এগিয়ে আসে এই যাত্রাকে সহজ করতে। এই একাত্মতা দেখে মনে হয়, হয়তো তুহিন শারীরিকভাবে নেই, কিন্তু তার আত্মা এদের মধ্যেই জীবিত আছে।

আজ তুহিনের জানাজায় হাজারো মানুষের উপস্থিতি দেখে মনে হয়, মানুষ এক হয় তাদের ভালোবাসা দিয়ে। তুহিন তার পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পারেনি, কিন্তু তার মৃত্যুতে সবাইকে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে দিয়ে গেছেন।

তুহিনের এই ঘটনাটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় প্রবাসীদের জীবন কতটা ঝুঁকিপূর্ণ আর অনিশ্চিত। পরিবার থেকে দূরে, অনেক ত্যাগ স্বীকার করে তারা কাজ করে যায় শুধু আপনজনদের মুখে হাসি ফোটানোর আশায়। তাদের এই আত্মত্যাগের কদর আমাদের কাছে অনেক বেশি।

27/10/2024

The line chart compares the amount of carbon dioxide emitted from four different countries between 1967 and 2007.

It is clear that CO2 emissions in the United Kingdom and Sweden decreased dramatically between 1967 and 2007. By contrast, the amount of carbon dioxide emitted from Italy and Portugal increased over the years.

In 1967, carbon emissions from the United Kingdom and Sweden were the highest at almost 11 metric tonnes. The amount of carbon dioxide emitted from Sweden was almost 8 metric tonnes in the same year. Portugal and Italy emitted almost 4 and 0.5 metric tonnes of carbon dioxide in the year of 1967.

Between 1967 and 2007, carbon dioxide emissions from Sweden and the UK declined to nearly 2 metric tonnes in 40 years. While there was an increase of 10 million tonnes in the emission of CO2 from Sweden in 1977, the figures for Portugal and Italy increased to just under 8 metric tonnes and approximately 5 metric tonnes, respectively.

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


ঢাকা, বাংলাদেশ
Dhaka