Fever De Football

Fever De Football

Share

Are you infected with football fever? Then stay with the "Fever de Football" page.

Here, you'll find great articles , analysis, the latest news, and more.


“ Fever De Football ” is with you all.” 🖤⚽✨

14/05/2026

জার্মানি তাকে দিয়েছে, মিউনিখ শহর দিয়েছে দুহাত ভরে। শিরোপা কিংবা সোনালি সময় সাথে উজ্জ্বল তাঁরার রাতটাও। তিনিও যেন দিতে কার্পণ্য করেননি মোটেও, আলোচনায় তিনি ছিলেনই বা কবে ‘ লেখকের লেখা গল্পের অংশে কিংবা ফুটবল বিশ্লেষণের মাঝে কিন্তু তবুও সেসবে যেন তার পরোয়াই ছিলোনা।

বলছিলাম বাস্তিয়ান শোয়ান স্টেইগারের কথা। জার্মান কিংবদন্তি, একজন মিডফিল্ডার আরো সহজভাবে বললে যুদ্ধক্ষেত্রের সেই অবিচল সেনাপতি শোয়ান স্টেইগারের কথা।

লোকে তাকে চেনে একজন জার্মান কিংবদন্তি হিসেবে- কিন্তু গোটা একটা জেনারেশনের কজনই বা জানে একজন বাস্তিয়ান শোয়ান স্টেইগার আসলে কতবড় একটা নাম ছিলো জার্মান ফুটবলে? বড় নাম শুনে হয়তোবা সবাই অবাকই হচ্ছেন, কিন্তু ইতিহাস যেন তার সহজ স্বীকারোক্তিতে বলেই দেয় বাস্তিয়ান শোয়ান স্টেইগার আসলে শুধু একজন জার্মান খেলোয়াড়ই নন বরং জার্মানির বড় একটা স্বপ্ন পূরণের সীড়িও ছিলেন তিনি।

শেষবার যখন জার্মানি ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ শিরোপাটা জিতেছিলো, সেখানে যে বাস্তিয়ান শোয়ান স্টেইগারের নাম জোড়েসরে উচ্চারণ করবেনা সে যেন জার্মানির সেই শিরোপা জয়ের একটা সীড়িকেই যেন অসন্মান করলো।

সেবারের বিশ্বকাপ আসরটা জার্মানির জন্য যেমন ঐতিহাসিক একটা অধ্যায় ছিলো, তেমনিভাবে বাস্তিয়ানদের অবদানের মধ্য দিয়ে ভয়ানক এক জার্মানিকে দেখেছিলো পুরো বিশ্ব। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই জার্মানির একচ্ছত্র আধিপত্য ছিলো উপভোগ্য। গ্রুপ পর্বের প্রথম ২ ম্যাচে স্টার্টিং ইলেভেনে না থাকলেও সেকেন্ড হাফে ভালো ইমপ্যাক্ট রেখেছে। এবং লাস্ট ম্যাচে ইউএসএ এর বিপক্ষে ডিফেন্সিভ ডিউটি থেকে শুরু করে এ্যাটাকিং বিল্ডআপে নিজের অস্তিত্বের জানান দিয়েছে শোয়ান স্টেইগার।

আলজেরিয়ার বিপক্ষে রাউন্ড ১৬ থেকে ফ্রান্সের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল অথবা ব্রাজিলের বিপক্ষে ৭-১ এর জয়ের ম্যাচেও ওজিল, ক্রুসদের সাথে মিলে ব্রাজিল আক্রমণকে স্তব্ধ করেছে বারবার। ফাইনালে মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে যেন রীতিমতো বণে গিয়েছিলেন একজন লড়াকু সৈনিক । ম্যাচের সবচেয়ে বেশি ফাউল হওয়া খেলোয়াড় সহ মুখ দিয়ে যখন রক্ত ঝড়ছিলো ঠিক তখনও লড়ে গেছেন জার্মানির হয়ে-আর্জেন্টিনার একেরপর এক আক্রমণ থামানো কিংবা নিজে কিছু করার প্রচেষ্টাটা শোয়ান স্টেইগারের সেই ম্যাচে তীব্র আকার ধারণ করেছিলো। দলকে এক্সট্রা টাইম পর্যন্তও নিজের সবটা দিয়ে ১-০ এর জয়ে শিরোপা জেতাতে বড় ভুমিকা রেখেছিলেন এই জার্মান মিডফিল্ডার। সেই ম্যাচে মারিও গোাৎজে একমাত্র গোলটি করলেও জার্মানরা মনে করেন জার্মানির মানসিক শক্তির প্রতীক ছিলেন শোয়ানস্টেইগার।

এক কথায় জার্মান ফুটবলের ধূসর আকাশে যে মানুষটি নীরবে বজ্রের মতো গর্জে উঠতেন, তিনি হলেন বাস্তিয়ান শোয়ানস্টেইগার।

২০০৬ বিশ্বকাপেও ছিলো এই শোয়ানস্টেইগারের অবদান। সেবারের জার্মানিতে আয়োজিত বিশ্বকাপের আসরে তরুন শোয়ানস্টেইগার করেছিলেন ৩ গোল ১ এসিস্ট। ২০১০ এর বিশ্বকাপেও যেন তার অবদানের কমতি ছিলোনা-সেন্ট্রাল মিডে খেলে জার্মানির মিডফিল্ড নিয়ন্ত্রণ, রিকেভারি এবং কাউন্টার এ্যাটাকে তার অবদান ছিলো বিশাল।

সবমিলিয়ে বাস্তিয়ানের জার্মানিতে অবদান নিয়ে বললে কমই হয়ে যাবে।

ফুটবল অনেক কিংবদন্তি দেখেছে, কিন্তু শোয়ানস্টাইগারের মতো আত্মনিবেদিত যোদ্ধা খুব কমই জন্ম নেয়। তিনি প্রমাণ করেছিলেন তারকা হওয়া বড় কথা নয়, দলের হৃদস্পন্দন হয়ে ওঠাটাই আসল মহত্ত্ব।

13/05/2026

“ক্লাবের ভেতরের তথ্য যারা ফাঁস করে, সেই শত্রুরা? ওদের আমার উপর ছেড়ে দাও। আমি ওদের খেয়াল রাখবো, আমাকে বিশ্বাস করো।

-ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ 🗣️

13/05/2026

স্প্যানিশ গায়ক ওমর মন্টেস 🗣️ :

“আমার মা লামিন ইয়ামালের বাবার সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন।”

13/05/2026

The World Cup Diaries - 7

১৯৫০ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল, যা ইতিহাসে ‘মারাকানাজো’ বা মারাকানা ট্রাজেডি নামে পরিচিত, তা ব্রাজিলের জাতীয় ইতিহাসে কেবল একটি ফুটবল ম্যাচ হারার ঘটনা ছিল না, বরং এটি ছিল এক গভীর সামাজিক ও মানসিক বিপর্যয়। উরুগুয়ের কাছে সেই অভাবনীয় হারের পর পুরো মারাকানা স্টেডিয়ামে যে মৃত্যুপুরীর মতো নীরবতা নেমে এসেছিল, তা এক মুহূর্তেই একটি জাতির বিশাল উৎসবের প্রস্তুতিকে বিষাদে রূপান্তর করে।

ফাইনাল শেষ হওয়ার পরে ব্রাজিলের বেশ কিঢ়ু জায়গায় মানুষজন হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে বলে শোনা গেছে। অনেকে হারের এই শোক সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথও বেছে নিয়েছিল।

এই পরাজয়ের প্রভাব এতটাই প্রবল ছিল যে, বিখ্যাত ব্রাজিলিয়ান লেখক নেলসন রদ্রিগেজ একে জাপানের হিরোশিমায় পারমাণবিক হামলার ক্ষতের সাথে তুলনা করেছিলেন। হারের পর পরাজয়ের সমস্ত গ্লানি বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে চাপানো হয়েছিল গোলরক্ষক মোয়াসির বারবোসা এবং কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ খেলোয়াড়ের ওপর, যার ফলে বারবোসাকে আমৃত্যু এক অঘোষিত নির্বাসন ও অপমানের বোঝা বয়ে বেড়াতে হয়েছিল।

এই পরাজয়কে এতটাই অশুভ ও অপয়া মনে করা হয়েছিল যে, ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন তাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী সাদা জার্সি চিরতরে বর্জন করে এবং একটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বর্তমানের বিখ্যাত হলুদ ও সবুজ জার্সি (ক্যানারিনহো) গ্রহণ করে। মাঠের সেই বিষাদ কেবল খেলায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং জনগণের জাতীয় আত্মবিশ্বাসে এক বিশাল ফাটল ধরিয়ে দিয়েছিল।

তবে ইতিহাসের এই চরম অন্ধকার অধ্যায় থেকেই ব্রাজিলীয় ফুটবল নতুনভাবে জেগে ওঠার শপথ নেয়, যার প্রতিফলন ঘটে ১৯৫৮ সালে তাদের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে, যা শেষ পর্যন্ত এই ‘মারাকানা ট্রাজেডি’র ক্ষতে কিছুটা প্রলেপ দিতে সক্ষম হয়েছিল।

13/05/2026

প্রতিবার ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হলে সারাবিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ফুটবল উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে । ঘরের খাবার টেবিল-কিংবা বন্ধুদের আড্ডায় কিংবা টং দোকানের চায়ের চুমুকে মুরুব্বিদের মুখ থেকে ফুটবল নিয়ে আলোচনা শোনা যায়।
আর প্রিয় দলের ম্যাচ এলেই সবাই দল বেঁধে টিভি কিংবা বড় পর্দার সামনে বসে পড়েন খেলা দেখার জন্য। এবারও উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে একটা দূঃসংবাদ যেন থমকে দিতে পারে অনেকের উন্মাদনা।

বিশ্বকাপের প্রতি আসরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি সরাসরি বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো সম্প্রচার করলেও এবার সেটা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় এক অনিশ্চয়তা। বিটিভির একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র ইতিমধ্যে জানিয়েছেন যে, এবারের বিশ্বকাপে বিটিভিতে ম্যাচ সম্প্রচারের ‘রাইটস ” কেনার জন্য সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠানটি তাদের কাছে ১৫১ কোটি টাকা দাবী করেছে। করসহ যার পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে প্রায় ২০০ কোটি টাকা । উক্ত প্রতিষ্ঠানের শর্ত অনুযায়ী উক্ত টাকার ৫০ পার্সেন্ট ১০ মে এর মধ্যে পরিশোধ করতে হবে এবং বাকি টাকা ১০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

এদিকে এত বড় মাপের এমাউন্ট দিয়ে রাইটস কিনতে গিয়ে বিপাকে পড়েছে বিটিভি। তাই ধারণা করা হচ্ছে এবার বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচার নাও হতে পারে।

13/05/2026

প্রতিভা থাকা স্বত্বেও-সেটার সঠিক ব্যবহার করতে না পারা কোনো খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ার যখন হুমকির মুখে মুখে পড়ে যায়। বিশ্ব যখন দেখে ফেলে তার শেষ-এরপর সেই খেলোয়াড়টার ক্যারিয়ারের মোরটাই যখন রাতারাতি ঘুরে যায় তখন সেটা কোনো অলৌকিক ঘটনা নয় বরং হতে পারে স্থান পরিবর্তন, প্রতিকুল পরিবেশ আর নিজস্ব পরিশ্রমেরই সুফল।

এন্তোনি যেন সেই খেলোয়াড়টাই যার ক্যারিয়ারটা থমকে গিয়েছিলো নষ্ট ঘরির কাঁটার মতো। এরপর রিয়াল বেটিসে এসে একজন পেলেগ্রিনির সান্নিধ্য পেয়ে আর নিজের সবটুকু পরিশ্রম ঢেলে দিয়ে এন্তোনি যেন নিজের ক্যারিয়ারের মোরটাই ঘুরিয়ে দিয়েছে। সেইসাথে তার এই অসাধারণ প্রত্যাবর্তনে রিয়াল বেটিসের ভাগ্যের চাকা সচল হয়েছে। এন্তোনি যেমন গোল, এসিস্ট ম্যাচ ইমপ্যাক্টে প্রসংশা কুড়াচ্ছে তেমনি রিয়াল বেটিসের সাফল্যেও যেন এন্তোনির অবদানকে অস্বীকার করাী মতো নয়।

এন্তোনি আসার পর প্রথমে কনফারেন্স লীগ এরপর ইউরোপা লীগ এখন আবার আগামী সিজনে চ্যাম্পিয়ানস লীগের দরজাটাও যেন খুলে গেছে বেটিসের। কনফারেন্স লীগ কিংবা ইউরোপা লীগ টুর্নামেন্ট দুটোতেই ছিলো এন্তোনির গোল কন্ট্রিবিউশান। এবার বেটিস ভক্তরা যেন আগামী সিজনে এই এন্তোনির চ্যাম্পিয়ানস লীগ পারফরম্যান্সও দেখার অপেক্ষায়।

13/05/2026

ফুটবল কেন মোর দ্যান এ গেম বলা হয়,তার একটা উদাহরণ দিল ইস্কো।

গতরাতে রিয়াল বেতিস ২১ বছর পর,চ্যাম্পিয়নস লীগ খেলার জন্য কোয়ালিফাই নিশ্চিত করে।

আর সেই আনন্দে ইমোশনাল হয়ে পড়েন টুর্নামেন্টটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শিরোপা জয়ী ইস্কো।

চ্যাম্পিয়নস লীগে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে লা ডেসিমা,থ্রীপিট জয় করেন ইস্কো।

জিদানের থ্রীপিট জয়ী দলের অন্যতম সেরা প্লেয়ার ছিল ইস্কো,যা কারণে বেল কে বেন্জে থাকতো।

যাইহোক ইস্কো এই কান্না গর্বের,গৌরবের।
আগামী সিজনে ইস্কো এন্তোনিদের রিয়াল বেতিস খেলবে চ্যাম্পিয়নস লীগে।🏆

Photos from Fever De Football 's post 13/05/2026

কার্লো আনচেলত্তি: “নেইমারকে খেলোয়াড়রা এবং সাধারণ মানুষ খুবই ভালোবাসে।

“আপনি যদি নেইমারকে দলে ডাকেন, তাহলে ড্রেসিংরুমে কোনো বোমা ফাটবে না। কারণ সে সবার কাছেই ভীষণ প্রশংসিত এবং প্রিয়।

“সবাই নিজের মতামত দেবে, এটাই স্বাভাবিক। যারা আমাকে পরামর্শ দিয়েছে, তাদের সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাই।

“নেইমার এই দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। তার অসাধারণ প্রতিভা সে সবসময়ই দেখিয়েছে। সে কিছু সমস্যার মধ্যে ছিল, তবে এখন সেখান থেকে ধীরে ধীরে ফিরে আসছে।”

12/05/2026

প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো ফোনের স্ক্রিনে তাকালেন এবং তার বিরুদ্ধে লেখা টুইটগুলো পড়লেন। জবাবও দিলেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ছড়ানো গুজব নিয়েও পারফেক্টলি এ্যান্সার দিলেন। আহ্বান জানালেন নতুন করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের, ক্যান্ডিডেটদের লক্ষ করে চ্যালেঞ্জ ছূড়ে দিলেন।

সাংবাদিকদের প্রত্যেকটা প্রশ্নের পারফেক্টলি উত্তর দিচ্ছিলেন একেরপর এক। সে পদত্যাগ করবেন না এ বিষয়েও বোল্ড স্টেটমেন্ট দিয়ে দিলেন।

এক কথায় সাংবাদিকরা যেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজকে লক্ষ করে ছূড়ে দেওয়া কোনো প্রশ্নেই তাকে কাবু করতে পারছিলেন না। দিস ওয়াস এ্যাবসলুটলি অরা 🥶

This is just another example of calling him “Mafia Pérez.”

12/05/2026

জোসে মরিনহোর চোখ যেন কোনো এক জহুরীর একজোড়া চোখ। তিনি একজোড়া চোখ দিয়ে যেই খেলোয়াড়দের দেখেছিলেন তারাই একটা সময় গিয়ে ঠিকই হয়ে উঠেছিলো হীরা, মানিক কিংবা পান্না। এটা আর কেউ না বুঝলেও, প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ যেন ঠিকই বুঝেছিলেন।

সময়টা ২০০৯ সালের কথা- ২০০৬ সালে নির্বাচিত হওয়া তৎকালীন রিয়াল মাদ্রিদ প্রেসিডেন্ট রামন কালদেরন যখন দূর্নীতির দায়ে পদত্যাগ করলেন-রিয়াল মাদ্রিদ তখন ইউরোপীয়ান টুর্নামেন্ট কিংবা ডমেস্টিক সবখানে নিজেদের হারিয়ে খুঁজতে শুরু করেছিলো। ইন্টেরিম ভিসেন্তে বলুদাও দায়িত্ব পেয়ে খুব বেশি সুবিধা করার আগেই আবারো নির্বাচনের আয়োজন করা হয় আর সেই নির্বাচনে আবারো দ্বিতীয় মেয়াদে জয়ী হন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ । জুন মাসের ১ তারিখ আবারো দায়িত্ব গ্রহণ করেন,

সেসময় ইউরোপীয়ান ফুটবল কিংবা লা লীগা সবখানে চলছিলো পেপ গার্দিওয়ালার বার্সার আধিপত্যের ঝনঝনানি। অন্যদিকে লস ব্লাঙ্কোসরা ব্যর্থতার দায়ে নূয়ে পড়েছিলো ঠিক যেন দূর্বাঘাসের মতো।

এমন সংকটাপন্ন সময়ে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ দায়িত্ব পাওয়ার পর ঠিক ১১ মাসের মাথায় সেসময়ের মাদ্রিদ কোচ ম্যানুয়েল পেলেগ্রিনিকে বিদায় করেন। প্রয়োজন অনুভব করেন একজন জহুরীর-যিনি রত্ন চিনতে পারবেন, পারবেন রিয়াল মাদ্রিদে পূনরায় সাফল্য ফিরিয়ে আনতে, চাষাবাদ করবেন দক্ষতার।

প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনোর চোখে সেই জহুরীই ছিলেন দ্য স্পেশাল ওয়ান মরিনহো। প্রেসিডেন্ট অনুভব করেছিলেন একজন জোসে মরিনহোর প্রয়োজনীয়তা ঠিক কতটা। সেসময় ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের চোখে এমন একজন ব্যক্তিই ছিলেন মরিনহো-যার জন্য ফ্লোরেন্তিনো রাজি ছিলেন ১০১ টা কটুকথা শুনতে কিংবা যেকারো বিরুদ্ধে যেতেও রাজি ছিলেন। প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনোর পেরেজের জেদের পুরোটাই যেন ছিলো জোসে মরিনহোকে রিয়াল মাদ্রিদে নিয়ে আসা।

এবং তিনি সেটাই করেছিলেন-নিয়ে এসেছিলেন জোসে মরিনহোকে। দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের। মরিনহোর হাতে দিয়েছিলেন বড় প্রোজেক্ট, যেই প্রোজেক্টে থাকবে জোসে মরিনহোর স্বাধীনতা। জোসে মরিনহোর জহুরী চোখ যেন প্লেয়ার চিনতে একদমই ভুল করেনি-সেই এক জোড়া জহুরী চোখ সেবার ঢেলে সাজিয়েছিলো রিয়াল মাদ্রিদ দলটাকে।

তৈরি করেছিলো গ্যালাক্টিকো 2.0। যার অংশ ছিলো মেসুত ওজিল, ডি মারিয়া, মদ্রিচ, ভারানে, খেদিরা সহ আরো কতগুলো পরিচিত মুখ। যাদের কেউ শুরুতে জোসে মরিনহোর হাত ধরার আগে বড় মাপের কেউ ছিলোনা , জোসে মরিনহোর ফিলোসোফি আর ফ্লোরেন্তিনোর সেই প্রোজেক্টটাই যেন তাদের বানিয়ে দিয়েছিলো বিশ্বসেরা খেলোয়াড়। তার হাত ধরেই শুরু হয়েছিলো রিয়াল মাদ্রিদের রিভিল্ড, বদলে গিয়েছিলো পুরো দলটারই চিত্র। থমকে গিয়েছিলো দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে লা লীগায় চলমান পেপ গার্দিওয়ালার বার্সেলোনা আধিপত্য। গ্যালাক্টিকো 2.0 তে মরিনহো তার সুপরিচিত কোচিং দর্শনের প্রয়োগ ঘটিয়ে ১০০ পয়েন্ট নিয়ে জিতিয়েছিলেন লা লীগা ইতিহাসের সবচেয়ে ডমিনেটিং লা লীগা শিরোপাটাই।

এরপর ২০১২ এর ২৫ এপ্রিলের বার্নাব্যূওতে রিয়ালের সেই হোচট খাওয়ার দৃশ্য আর মরিনহোর সেই হাটুগেড়ে বসে পড়া আর অশ্রুসিক্ত চোখটা যেন ঠিকই না চাইতেও আড়াল করে দিয়েছিলো স্পেশাল ওয়ানকে। ব্যর্থতার দায়টা সম্পূর্ণ নিজের কাঁধে চাপিয়ে নিয়ে, দিয়ে গিয়েছিলেন সেই শখের গ্যালাক্টিকো 2.0। এরপর আসলেন কার্লো আনচেলত্তি-তিনি এসে জেতালেন ঐতিহাসিক সেই লা ডেসিমা, উপহার দিয়েছিলেন “ El milagro de Lisboa ” বা লিসবোনের সেই মিরাক্কেলের রাতটা।

এরপর সেই গ্যালাক্টিকো 2.0-র উপর ভর করেই রিয়ালের ঘরে এসেছে জিদানের থ্রিপিট। এইযে এতএত সফলতা সবকিছুই যেন একজোড়া জহুরী চোখের কল্যানে। সেই একজোড়া চোখ যাদের এনেছিলো-তারাই রিয়াল মাদ্রিদে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছিলো হারানো জৌলুষ, পূনরায় বসিয়েছিলো ইউরোপ রাজার সিংহাসনে।

আজ যখন রিয়াল মাদ্রিদ আবারো সংকটাপন্ন সময় পাড় করছে। একের পর ড্রেসিং রুমে ঝামেলা, ম্যাচে পরাজয় আর দলের খেলোয়াড়দের সেরাটা বের করতে না পারার ব্যর্থতা সবকিছু যখন মিলেমিশে একাকার-ঠিক তখনই আবারো রিয়াল মাদ্রিদ প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলো সেই চিরচেনা জহুরীর একজোড়া চোখের। যার ফুটবল দর্শনের ছোঁয়া আর প্লেয়ার চেনার অনন্য গুনাবলিতে বদলে গিয়েছিলো রিয়াল মাদ্রিদ-সেই জোসে মরিনহো। দ্য স্পেশাল ওয়ান

12/05/2026

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াডে নেই পাওলো ডিবালা। লিওনেল স্কালোনির কল আপে সুযোগ মেলেনি তার। তাউ ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলার শেষ এই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নের।

জুভেন্টাসে ডিবালা ছিলেন ফুটবলের নেক্সট বিগ থিং। তবে সময়ের সাথে সাথে সেই পুরনো ডিবালাও হারিয়ে গেছেন। শেষমেষ জাতীয় দলেও নিজের জায়গা হারালেন তিনি।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Dhaka
1216