Fever De Football

Fever De Football Are you infected with football fever? Then stay with the "Fever de Football" page.

Here, you'll find great articles , analysis, the latest news, and more.


“ Fever De Football ” is with you all.” 🖤⚽✨

মমতাজ আপার গানের ভাষায় বলতে হয় “ পোলা তো নয় যেন আ*গুনেরই গোলা ”কার্লো আনচেলত্তির সময়ে মাদ্রিদে এসে ডেভেলপ হতে থাকা আর্দা...
16/09/2026

মমতাজ আপার গানের ভাষায় বলতে হয় “ পোলা তো নয় যেন আ*গুনেরই গোলা ”

কার্লো আনচেলত্তির সময়ে মাদ্রিদে এসে ডেভেলপ হতে থাকা আর্দা গুলার যেভাবে আজকের জোসে মরিনহোর মিডফিল্ড মায়েস্ত্রো হয়ে উঠেছেন-সেটাই যেন বিশ্বে নজড় কাড়ছে। কমবেশি এখন সবাই যেন একটা কথাই বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে “ ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ সেরা তার স্কাউট জুনি কালাফাত সেরা-তারা ভুল করেনি আর্দা গুলারকে দলে এনে।

তুরস্ক থেকে আর্দা গুলারকে আনতে বার্সেলোনা সহ বেশ কয়েকটা দলের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের। বার্সেলোনার সাথে আর্দা গুলারের ডিলটা প্রায় সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছিলো-অপেক্ষা ছিলো মাত্র কয়েক ঘন্টার এরপরই আর্দা গুলার হয়ে উঠতেন বার্সেলোনার ফিউচার। ঠিক সেই মূহুর্তেই আর্দা গুলারের সাথে বার্সার ডিলটাকে হাইজ্যাক করেছিলো ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। মাত্র ২০ মিলিয়নে সেদিন সাইনিং করা আর্দা গুলারই হয়ে উঠেছেন আজকের মরিনহোর মিডফিল্ড মায়েস্ত্রো, দ্যা ম্যাজিশিয়ান আর্দা গুলার।

তবে পথটা সহজ ছিলোনা তার জন্য। মাদ্রিদে আসার শুরুতেই ট্রেনিং গ্রাউন্ডে পিন্টাসের কঠোর ট্রেনিংয়ের ভাড়ে বারবার ইন্জুরিতে পড়েছিলো আর্দা গুলার। ফিজিক্যালি হেংলা পাতলা থাকা সেদিনের বাচ্চা আর্দা গুলারের জন্য পিন্টাসের কঠোর ট্রেনিংয়ে মানিয়ে নেওয়াটাও যেন ছিলো একটা বড় চ্যালেঞ্জ।

এদিকে কার্লো আনচেলত্তিও অভিজ্ঞদের ব্যতিত তরুনদের নিয়মিত সুযোগ দিতে রাজি ছিলেন না। বেঞ্চে থেকে সাবস্টিটিউট হিসেবেই শুরু করতে হতো। কারো ব্যাকাপ কিংবা কারো রিপ্লেসমেন্ট হয়েই পাড় করতে হয়েছে ৩ টা সিজন। তবে আর্দা দিনশেষে ঠিকই পরিপক্ব হওয়ার চেষ্টা চালিয়েছেন। আর সেই চেষ্টারই সুফল আজকের এই গুলার হয়ে ওঠা।

আজকের এই মাদ্রিদ মিডফিল্ড যেন তাকে ছাড়া কল্পনাই করা যায়না। জোসে মরিনহোর কুইক কাউন্টার ফুটবল আর্দা গুলার যেন হয়ে উঠেছেন পুরোনো সেই মেসুত ওজিল।

তার পাসিং, ভিশন, ডিসিশন মেকিং সবকিছুই যেন একজন এলিট লেভেলের মিডফিল্ডারের ন্যায়।

The solution!!!ভিনির চরম ফর্মহীনতা মাদ্রিদের আক্রমণভাগে প্রতিদিন হতাশা তৈরী করছে। ভিনির এমন অধঃপতন দেখার মতো না।দলের সুব...
16/09/2026

The solution!!!

ভিনির চরম ফর্মহীনতা মাদ্রিদের আক্রমণভাগে প্রতিদিন হতাশা তৈরী করছে। ভিনির এমন অধঃপতন দেখার মতো না।

দলের সুবিধার্থে তাঁকে বেঞ্চ করার বিকল্প নেই। ভিনিকে বেঞ্চ করে এমবাপ্পেকে তাঁর পছন্দের "লেফট উইং" থেকে খেলতে দেয়াই দরকার।

দলের অন্য সকল ফরওয়ার্ডদের থেকে "এসপি" অনেক বেশি লিথাল এবং শার্প। "এসপি" কে দিয়ে ম্যাচ স্টার্ট করালে মাদ্রিদ লীগের ম্যাচগুলোতে অনেক বেশি বেনিফিট পাবে। কর্নার অথবা ক্রসিং থেকে "এসপি" বাদে অন্য কারোই গোল করার ভালো সক্ষমতা নেই।

রাইট উইং থেকে "গুলার" অথবা "দিওমান্দে" এদের দুইজনকে রোটেশন করে নিয়মিত খেলানো যায়। বিশেষ করে "দিওমান্দের" সক্ষমতা নিয়ে গতকাল রাতের "এলচে" ম্যাচের পরে কোনো মাদ্রিদিস্তার মনে সন্দেহ থাকার কথা না।

"আর্দা গুলার" কে আমি দলের একজন কোর প্লেয়ার হিসেবেই দেখি, তাঁকে RW অথবা বেলিংহাম এর সাথে ডুও(Duo) করে আবার যদি "বেলিংহাম" কোনো ম্যাচে সাসপেন্ড অথবা রেস্ট নেয় তাহলে "বেলিংহাম" এর বদলি হিসেবেও খেলানো যায়।
মোট কথা "আর্দা গুলার" থেকে নিয়মিত আউটপুট পেতে তাঁকে রোটেট করে রাইট উইং/এটাকিং মিডফিল্ডার/সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার এসব পজিশনে নিয়মিত খেলানোর বিকল্প নেই।

আর এখন পর্যন্ত দলের বর্তমানে বল হোল্ডার হিসেবে "বর্ণাডো সিলভার" খুব ভালোই করছে। তুলনামূলক দুর্বল দল ও লো-ব্লক খেলা দলের বিপক্ষে "সিলভা নিয়মিত " ভালো বিকল্প হতে পারে মিডফিল্ড এরিয়াতে।

রিয়াল মাদ্রিদ যেন মরতে মরতে বেঁচে গেলো শুধুমাত্র এই একটি সাবস্টিটিউটের কারণে। ম্যাচের সেকেন্ডহাফে রিয়াল মাদ্রিদের ছন্নছা...
16/09/2026

রিয়াল মাদ্রিদ যেন মরতে মরতে বেঁচে গেলো শুধুমাত্র এই একটি সাবস্টিটিউটের কারণে।

ম্যাচের সেকেন্ডহাফে রিয়াল মাদ্রিদের ছন্নছাড়া অবস্থার সুযোগে এলচে যেন মাদ্রিদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছিলো বারবার। ম্যাচের ঠিক অন্তিম সময়ের আগে কয়েকমিনিটের ব্যবধানে রিয়াল মাদ্রিদের ডিফেন্সকে নাকানিচুবানি খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে পরপর ২ গোল করে এলচের সমতায় ফেরা-এসবকিছু যেন এলচের ঘরের মাঠে মাদ্রিদকে মৃত্যুর স্বাদ এনে দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিলো। আর ঠিক তখনই মরিনহো তার ট্যাক্টিক্যাল মাস্টারক্লাস দেখিয়ে দিলেন কার্লোস এসপিকে সাবঅন করিয়ে। আর এই একটা সাবস্টিটিউটই বদলে দিলো ম্যাচের চিত্র।

৮৭ মিনিটে এসপিকে মাঠে নামানোর পর কয়েকমিনিটের মাথায়ই মরিনহোর সেই চিরপরিচিত কুইক কাউন্টারে বল নিয়ে এমবাপ্পের ধেঁয়ে যাওয়া অতঃপর বক্সের কাছে গিয়ে আলতা করে একটা ছোট পাসে গোলপোস্টের সামনে থাকা এসপির পায়ে বল এবং এসপির গোল। আর এই একটা গোলেই রিয়াল মাদ্রিদের জয়, পূর্ন ৩ পয়েন্ট সমীকরণের হিসেব মিলে গেলো।

এসপি যেন আবারো দেখিয়ে দিলো একটা দলের ফ্রন্টলাইনের জন্য একজন টপনচ ফিনিশারের প্রয়োজনীয়তা ঠিক কতটা।

ফুটবলে নিজের অধিকার ছেড়ে দিয়ে অন্যের জন্য জায়গা করে দেওয়ার ইতিহাস খুবই বিরল। এমন ঘটনা কমই ঘটেছে যেখানে ফুটবলাররা সতীর্থদ...
15/09/2026

ফুটবলে নিজের অধিকার ছেড়ে দিয়ে অন্যের জন্য জায়গা করে দেওয়ার ইতিহাস খুবই বিরল।

এমন ঘটনা কমই ঘটেছে যেখানে ফুটবলাররা সতীর্থদের জন্য নিজের অধিকার ছেড়ে সতীর্থকে ফ্রন্টলাইনে আনতে চেয়েছে। কিংবদন্তিদের ক্ষেত্রে এসব ঘটনা সামনে আসলেও আসেনা ফ্রন্টলাইনে আসা সেসব ত্যাগি সতীর্থদের নাম যারা অপর সতীর্থদের জন্য সেক্রিফাইস করে।

সান্তোসের ১১ নাম্বার জার্সিধারী রনি যেন সেটার নজিড় রাখলেন আরো একবার।

এইতো কদিন আগেই সান্তোস ক্লাব তাদের কিংবদন্তি নেইমারের অনুরোধে সাইনিং করায় নেইমারের পুরোনো সতীর্থ ফিলিপে কৌতিনহোকে।

এরপর সান্তোস ম্যানেজমেন্ট সর্বপ্রথম কৌতিনহোকে যখন নিজেদের প্লেয়ার হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিলেন এবং ১৯ নাম্বার জার্সি তুলে দিচ্ছিলেন ঠিক তখনই কৌতিনহোর নতুন সান্তোস সতীর্থ রনি উপস্থিত হন সেখানে। এবং রীতিমতো কৌতিনহো সহ সবাইকে চমকে দিয়ে তার নিজের ১১ নাম্বার জার্সি তুলে দিলেন কৌতিনহোর হাতে। অথচ সান্তোস কিংবা কৌতিনহো নিজেও তার কাছে জার্সি নাম্বারটি চায়নি-বরং রনিই সতীর্থকে সন্মান দিয়ে ১১ নাম্বার জার্সি তার জন্য উৎসর্গ করেছেন।

এদিকে রনির থেকে নিজের প্রিয় জার্সি নাম্বারটি এভাবে উপহার পেয়ে কৌতিনহো নিজেই যেন চমকে গিয়েছিলেন। অতঃপর মুচকি হাসিতে রনির হাত থেকে জার্সিটি হাতে নিলেন।

তবে রনির এমন মহানুভবতা দেখে ব্রাজিল মিডিয়ায় যেন রীতিমতো তোলপাড় লেগে গেছে। সবাই রনিকে প্রসংশায় ভাঁসাচ্ছেন তার এমন কর্মকাণ্ডের জন্য।

লাস্ট ম্যাচে ভায়োকানোর বিপক্ষে ভিনিসিয়াস জুড বেলিংহামকে যেই এসিস্ট করেছে এবং জুড যেভাবে ফিনিশিং দিয়েছে সেরকমটা একজন উইঙ্...
14/09/2026

লাস্ট ম্যাচে ভায়োকানোর বিপক্ষে ভিনিসিয়াস জুড বেলিংহামকে যেই এসিস্ট করেছে এবং জুড যেভাবে ফিনিশিং দিয়েছে সেরকমটা একজন উইঙ্গার একজন স্ট্রাইকারকে এসিস্ট করে। ঠিক এই জায়গাতেই একজন স্ট্রাইকার একাদশে থাকা জরুরি।
সেইসাথে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের মতো ফরোয়ার্ড যারা তাদের অসাধারণ ডিসিশন মেকিং দিয়ে ডিরেক্ট শটের বদলে স্পেস খুঁজে স্ট্রাইকারকে পাস দিবে।

রিয়াল মাদ্রিদ এমন ক্যামিস্ট্রি দেখেছিলে শেষবার ভিনি-বেন্জেমা জুটির মধ্যে যাদের উপর ভর করে রিয়ালের ঘরে এসেছে ১৪ তম ইউসিএল।

অর্থাৎ ভিনির মতো ফরোয়ার্ডদের জন্য দলে একজন স্ট্রাইকার প্রয়োজন।

এমবাপ্পে ভিনির পজিশনে থাকলে বেলিংহামকে পাস না দিয়ে নিজেই হয়তোবা শট নিয়ে নিতেন। আবার বেলির জায়গায় থাকলেও এমবাপ্পে কারিকুরি দেখাতে গিয়ে হরহামেশাই গোল মিস করবে।

শাবি গত সিজনে এই জায়গাটাতে চরম ভুল করেছিলো। ভিনিকে সে ইউজ করতে পারেনি।

মরিনহো হয়তোবা ঠিকভাবে ব্যবহার করলেও করতে পারে।

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ১৬-তে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের লজ্জাজনক বিদায়ের পরই জাতীয় দল থেকে নিজের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘোষণা করেন...
14/09/2026

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ১৬-তে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের লজ্জাজনক বিদায়ের পরই জাতীয় দল থেকে নিজের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘোষণা করেন নেইমার জুনিয়র।

যদিও অনেকটা আগে থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল, এই বিশ্বকাপের পরই হলুদ-সবুজ জার্সিকে বিদায় জানাবেন ব্রাজিলিয়ান এই মহাতারকা। কিন্তু নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ শেষেই সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন নেইমার।

অর্থাৎ, সেই ম্যাচের শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গেই ব্রাজিলের আকাশের উজ্জ্বল এক নক্ষত্র যেন আনুষ্ঠানিকভাবে হারিয়ে গেল।

তবুও ভক্তদের মনে একটা ক্ষীণ আশা ছিল হয়তো নেইমার আরও কিছুদিন জাতীয় দলের হয়ে খেলবেন। হয়তো আগামী কোপা আমেরিকা পর্যন্ত আরও কয়েকবার হলুদ জার্সিতে দেখা যাবে তাকে।

কিন্তু সেই আশাতেও যেন জল ঢেলে দিলেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছেন, নেইমার আর তার পরিকল্পনার অংশ নন। ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সির জন্য এখন তিনি খুঁজছেন নতুন কাউকে।

অর্থাৎ, নেইমারের জন্য ব্রাজিল অধ্যায়ের দরজাটা শুধু বন্ধই হলো না, একেবারে চিরতরেই বন্ধ হয়ে গেল।

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে যে নামটি ব্রাজিলের আক্রমণভাগে ছিল সবচেয়ে বড় আশার প্রতীক, সেই নেইমার জুনিয়রের অধ্যায় এবার সত্যিই শেষ।

একসময় যে জ্বলন্ত প্রদীপের আলোয় আলোকিত হয়েছিল ব্রাজিলের ফুটবল , সেই প্রদীপের শিখাটিও এবার নিভে গেল।

একটা সময় ম্যানচেস্টার ছিল শুধুই রেড।🔴স্যার এলেক্স ফারগুসন এরা।ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো,তেভেস,ক্যারিক,ওয়েন রুনি ও রিওদের নিয়ে...
13/09/2026

একটা সময় ম্যানচেস্টার ছিল শুধুই রেড।🔴
স্যার এলেক্স ফারগুসন এরা।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো,তেভেস,ক্যারিক,ওয়েন রুনি ও রিওদের নিয়ে তৈরি করা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

ওই সময়টাই শুধু ম্যানচেস্টার ডার্বিতেই নয়,পুরো ইংল্যান্ডই রেড ডেভিলদের ধ্বংসলীলা চলতো।

রোনালদো,তেভেস,রিও,ক্যারিক ও সর্বশেষে ওয়েন রুনিও বিদায় নিলেন,সাথে যেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকেই খাদের কিনার রেখে গেলেন।

এরপর ম্যানচেস্টার আসলেন টাক মাথায় এক স্পেনিশ জিনিসয়াস,আধুনিক ফুটবলের কারিগর পেপ গার্দিওয়ালা।

ডেভিড সিলভা,ফার্নাদিনহো,আগুয়েরা ও ডি ব্রুইনাদের নিয়ে তৈরি করলেন সুপার টিম।

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে এককভাবে অধিপত্যে,এমনভাবেই ডমিনেট করার শুরু করলেন যে,মানুষ ভুলে গেছেন ম্যানচেস্টার একসময় রেড ছিল।

সেই গার্দিওয়ালা থেকে এখন এনজো মারেস্কা পর্যন্ত চলছেই,ম্যানচেস্টার এখন আর শুধু নীল নয়।ম্যানচেস্টার এখন শুধু হাল্যান্ডদের অধিপত্যের প্রতীক।🔵🥶

বেলিংহামের শটটা জালে জড়ানোর পরপরই ম্যাচের ভাগ্য মূলত নির্ধারণ হয়ে গিয়েছিল। প্রথমার্ধে ৩-০ গোলের বড় লিড নিয়ে রিয়াল মাদ্রি...
13/09/2026

বেলিংহামের শটটা জালে জড়ানোর পরপরই ম্যাচের ভাগ্য মূলত নির্ধারণ হয়ে গিয়েছিল। প্রথমার্ধে ৩-০ গোলের বড় লিড নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ যে আধিপত্য দেখিয়েছে, তা এক কথায় দারুণ। তবে বিরতির পর সেই চেনা রিয়ালকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় অর্ধে খেলায় এতটাই ঢিলেঢালা ভাব চলে এসেছিল যে রায়ো ভায়েকানো প্রায় কামব্যাক করেই বসছিল।

পোস্টের নিচে থিবো কোর্তোয়া ছিলেন বলেই শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ছিটকে যেতে হয়নি। আজ তিনি না থেকে অন্য কেউ থাকলে রায়ো হয়তো সমতায় ফিরে আসত। মাঝমাঠে আসল সমস্যাটা তৈরি হয় এডুয়ার্ডো কামাভিঙ্গার সাবস্টিটিউশনের পর।

ফেদে ভালভার্দে যতক্ষণ মাঠে ছিলেন, মাঝমাঠের পুরো নিয়ন্ত্রণ ছিল রিয়ালের হাতে। কিন্তু কামাভিঙ্গা নামার পরই দলের শেপ নষ্ট হয়ে যায় এবং রিয়াল একের পর এক প্রেস ও অ্যাটাক কনসিড করতে শুরু করে।

মিডফিল্ডে বেলিংহামের সেরাটা আজ দেখা না গেলেও ভালো খেলেছেন। তবে বার্নার্দো সিলভা প্রত্যাশার চেয়েও ভালো করেছেন, বিশেষ করে ফেদের সাথে ডাবল পিভটে ডিফেন্সিভ ট্রানজিশন ও বল সার্কুলেশনে বেশ কার্যকর ছিলেন।

আজকের সেরা পারফরম্যান্স ছিল ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের। রায়োর অ্যান্ড্রি রাতিউয়ের বিপক্ষে গত দুই সিজনে তাকে বেশ ভুগতে হলেও আজ প্রতিবারই বাঁ প্রান্ত থেকে নিখুঁতভাবে বল ক্যারি করেছেন। সেকেন্ড হাফেও রিয়ালের প্রতিটি আক্রমণের কাণ্ডারি ছিলেন তিনিই। হাই-প্রেসিং আর বেলিংহামের গোলের সহায়তায় তার ম্যাচিউরিটি ছিল স্পষ্ট।

কিলিয়ান এমবাপ্পেও পেয়েছেন দুই গোল। পেনাল্টি থেকে ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ের পর দ্বিতীয় গোলটি ছিল দেখার মতো - বক্সের ভেতর প্রায় ৩০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল থেকে নেওয়া দুর্দান্ত ওয়ান-টাচ শট!

ডিফেন্সে কারেরাস আক্রমণে যথেষ্ট ভালো ছিলেন, বিশেষ করে এমবাপ্পের সাথে ওয়ান-টু পাসের গোলটিতে তার অবদান চমৎকার। তবে ডিফেন্সিভ ল্যাকিংটা স্পষ্ট ফুটে উঠেছিল, যা বড় ম্যাচে বিপদের কারণ হতে পারে। রুডিগার আর ডামফ্রিজ প্রত্যাশা মতোই পারফর্ম করেছেন, তবে কোনাতে আজ কয়েকবার প্রতিপক্ষের প্রেসে এক্সপোজ হয়ে পড়েছিলেন। একই সাথে হাউসেনের ডিফেন্সিভ ঘাটতিও আজ ভালোমতোই টের পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে আজকের ম্যাচে সবচেয়ে উপভোগ্য বিষয় ছিল দিওমান্দেকে দেখা। রিয়াল মাদ্রিদ ক্যারিয়ারে প্রথমবার প্রথম একাদশে নামা এই তরুণ প্রথম ১০ মিনিট খুব বেশি পাস না পেলেও, যতক্ষণ মাঠে ছিলেন প্রমাণ করে দিয়েছেন যে ডান প্রান্ত কোনো মৃত অঞ্চল নয়। তার চমৎকার গতি আর সলো ড্রিবলিং দিয়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্স ভেঙে ফেলার দৃশ্য ছিল দেখার মতো। বড় ম্যাচগুলোতে ডান প্রান্তে এই ধরনের আক্রমণাত্মক ড্রিবলিংয়ের অভাব রিয়ালকে এতদিন ভীষণ ভুগিয়েছে, যা নিয়মিত গেমটাইম পেলে দিওমান্দে পূরণ করতে পারবেন।

সিরি এ-তে ভেনেজিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে নিজের আগমনী বার্তা আবার নতুন করে জানান দিল ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুওনো। কিন্তু এই ...
12/09/2026

সিরি এ-তে ভেনেজিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে নিজের আগমনী বার্তা আবার নতুন করে জানান দিল ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুওনো। কিন্তু এই চোখধাঁধানো পারফরম্যান্স কি তার জন্য সান্তিয়াগো বার্নাব্যুয়ের দরজা খুলে দেবে?

​বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। রিয়াল মাদ্রিদের বর্তমান স্কোয়াড ডেপথের দিকে তাকালে দেখা যায়, লোনে দুর্দান্ত খেলে ফিরলেও মাস্তানের জন্য প্রথম একাদশে জায়গা পাওয়া তো দূর, নিয়মিত ম্যাচ টাইম পাওয়াই কঠিন। রাইট উইংয়ে ব্রাহিম দিয়াসের মতো প্লেয়ার যেখানে ব্যাকআপ, সেখানে তার জন্য সুযোগের সুযোগও কম।

​এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ এন্ড্রিক। অলিম্পিক লিওঁতে লোনে ক্যারিয়ারের সেরা অর্ধ মৌসুম কাটিয়ে মাদ্রিদে ফেরার পরও তাকে এখন বেঞ্চ গরম করতে হচ্ছে। এমবাপ্পে তো আছেই, এখন এস্পি পিচে লাস্টের দিকে সাব ইন হলেও এন্ড্রিক এখনো এক মিনিটও পায়নি। মাস্তান্তুওনোর ক্ষেত্রেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়া খুবই স্বাভাবিক।

​এখানেই রিয়াল মাদ্রিদ বোর্ড ও ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের পিওর বিজনেস ক্যালকুলেশন কাজ করে। সব তরুণকে স্কোয়াডের জন্য নয়, বরং কিছু প্লেয়ারকে বিজনেস প্রসপেক্ট হিসেবে সাইন করানো হয়। এতে কোনো পটেনশিয়াল প্লেয়ারকে লোনে পাঠানো হয়, যদি দ্যুতি ছড়ায় আর দলে তার গেমটাইম নেই, তাহলে ভালো দামে সেল দেওয়া হয়৷ আর পরে যদি কোনো সময় দরকার হয়, তার জন্য বাই ব্যাক ক্লজ চালু রাখে।

ঠিক যেমন পাজ গনজালো গার্সিয়ার ক্ষেত্রে হয়েছ। গার্সিয়া তো পুরো মৌসুম বেঞ্চে কাটিয়েও তাকে ৪০ মিলিয়নে বিক্রি করা সম্ভব হয়েছে, আবার বাই-ব্যাক ক্লজও রাখা হয়েছে। মাস্তান্তুওনোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও একই হতে পারে।

​তাই এখনই মাদ্রিদে ফিরে বেঞ্চে বসার চেয়ে আরও কয়েক মৌসুম লোনে থেকে নিজেকে তৈরি করাই হবে মাস্তানের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ। এতে খেলোয়াড় হিসেবে নিজের মান যেমন বাড়বে, ক্লাবের জন্যও তাকে চড়া দামে বিক্রি করে বিশাল মুনাফা করার সুযোগ তৈরি হবে।

​আপনার কী মতামত? মাস্তান্তুওনোর কি এখনই মাদ্রিদে ফেরা উচিত? কমেন্টে জানান!

চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জেতার চেয়ে MLS লীগ জেতা বেশি কঠিন!!!আপনিও কি "ডি-পল" এর সাথে একমত?
11/09/2026

চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জেতার চেয়ে MLS লীগ জেতা বেশি কঠিন!!!

আপনিও কি "ডি-পল" এর সাথে একমত?

MLS IS MORE DIFFICULT THAN THE CHAMPIONS LEAGUE!

RODRIGO DE PAUL, A WORLD CUP WINNER, HAS SAID SO!

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fever De Football posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category