Fever De Football

Fever De Football

Share

Are you infected with football fever? Then stay with the "Fever de Football" page.

Here, you'll find great articles , analysis, the latest news, and more.


“ Fever De Football ” is with you all.” 🖤⚽✨

14/06/2026

নেইমার জুনিয়রের মতো বড় মাপের সুপারস্টার আর এমন দক্ষ একজন খেলোয়াড় মাঠে খেলুক কিংবা বেঞ্চে থাকুক-তার দলে থাকাটাই যেন দলের জন্য আশীর্বাদস্বরুপ।
এতদিন হলো ব্রাজিলের জার্সিতে ব্রাজিল জাতীয় দলের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি গোল আর এসিস্ট করা নেইমারের চেয়ে ভালো ফুটবলা আর কে ই বা বুঝবে? এবং সেটাও আধুনিক যুগের, নতুন ফুটবল ফিলোসফির মারপ্যাচ?

এইতো আজকের ম্যাচের এই দৃশ্যটাই একবার উপলব্ধি করুন জাস্ট,
মরোক্কর সাইবারির গোলে ব্রাজিল যখন ১-০ গোলে পিছিয়ে এবং তার একটু পরে যখন কুলিং ব্রেক দিলো ঠিক তখনকার দৃশ্য এটা। এই দৃশ্য আর সংবাদমাধ্যমের সূত্র অনুযায়ী নেইমার ব্রুনো, ভিনিসিয়াস, পাকুয়েতাকে ডেকে পাকুয়েতা আর ব্রুনোকে উদ্দেশ্য করে বলে “তোমরা ভিনিকে বেশি বেশি পাস দিয়ো ”। এরপর নেইমারের সেই কথাটাও যেন ব্রুনো আমলে নিয়ে নিলো এবং একটু পরেই ব্রুনোর পাস থেকে ভিনি সমতাসূচক গোলটি করলো এবং ব্রাজিল ম্যাচে ফিরলো।

এই নেইমারকে কিভাবে বর্ণনা করবেন?
দলের নেতা? সেরা খেলোয়াড়? একজন দক্ষ কোচের ন্যায় কেউ একজন? নেইমারকে যেটাই বলবেন, সেটাতেই নেইমার পারফেক্ট উদাহরণ।

নেইমার হলো দলের জন্য একটা টোটকার মতো যেটাতে দলের রোগ সারলেও সারতে পারে।

ব্রাজিল ভক্তরা কি এই নেইমারের ফেরার জন্য অপেক্ষা করবেন? অপেক্ষা না করেও উপায় নেই, নেইমার সেই প্লেয়ারই যার ফেরার অপেক্ষায় বসে থাকা মানায়।

14/06/2026

একজন ক্লাসিক অ্যাঙ্কর ম্যান ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের পারফেক্ট উদাহরণ হলো ফ্যাবিনহো ।

ক্লাসিক অ্যাঙ্করম্যানরা সাধারণত দলের মিডের সেইসব নাম যাদের কাজগুলো হয় প্রতিপক্ষের আক্রমণ ভাঙ্গা, বল কেড়ে নেওয়া কিংবা ইন্টারসেপ্ট করা। ইজি এ্যান্ড সেইফ পাসে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ কিংবা টিমের এ্যাটাকের মূহুর্তে এ্যাটাককে ব্যালেন্সড রাখা । এমন সব মিডফিল্ডারদের সচরাচর দৌড়াতে হয়না খুব বেশি বরং তারা ডিপে থেকে হেল্প করে। ক্যাসেমিরো অ্যাঙ্করম্যান হলেও ফ্যাবিনহোর মতো ম্যাচের টেম্পো কন্ট্রোলে পারদর্শী ছিলেন না কখনোই এবং তার কাছে এমনটা প্রত্যাশা করাও উচিত নয়।

অন্যদিকে ফ্যাবনিহো তার লিভারপুল ক্যারিয়ারে একজন ক্লাসিক অ্যাঙ্করম্যান তো ছিলোই বরং বল হোল্ডিং বা টেম্পো কন্ট্রোলে বিখ্যাত ছিলেন। লিভারপুলে তিনি প্রেস করতেন, বল হোল্ড করতেন, সেইফ পাস দিতেন আর ক্লিন ট্যাকেলে আক্রমণ ভাঙ্গা-এ কারণে ক্লপ তাকে অনেক পছন্দ করতেন। ক্লপের ফিলোসফির পারফেক্ট ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ছিলো ফ্যাবিনহো।

আজকের ম্যাচে ক্যাসেমিরোকে নিয়ে প্রথম হাফে ব্রাজিল মরোক্কর আক্রমণাত্বক প্রেসের মুখোমুখি হয়েছে ঘন ঘন। অবশ্য মরোক্কর সিস্টেমটাই এমন। স্পেশালি তারা যখন বড় দলগুলোর বিপক্ষে মুখোমুখি হয় তখন তারা হাই ইন্টেন্সিটি প্রেস করে এবং ট্রিগার বেজড প্রেসিং করে কিংবা উইং অরিয়েন্টেড প্রেসিং তাদের শক্তিশালী একটি পরিকল্পনা।

আজকের ম্যাচে মরোক্ক ৩ ধরনের প্রেসিং সিস্টেমই এপ্লাই করেছে। স্পেশালি ট্রিগার বেজড প্রেসিং টা অতিমাত্রায় বেশি ছিলো।

প্রশ্ন হলো ট্রিগার বেজড প্রেসিং কি? এটা হলো মরোক্ক যখন দেখে প্রতিপক্ষ বেশি ভুল পাস, ব্যাকপাস দিচ্ছে এবং তাদের দূর্বল ফার্স্ট টাচ ঠিক তখন তারা এটার সুযোগ নিয়ে ট্রিগার বেজড প্রেসিং করে।

এছাড়া উইং বেজড প্রেসিং তারা এপ্লাই করেছিলো রাফিনহা, ভিনিদের ক্ষেত্রে। ভিনিও তাদের এই উইং বেজড প্রেসিংয়ে সাফার করেছে মাঝে মাঝে, এখন প্রশ্ন করতে পারেন সেটা কিভাবে? কিভাবে সেটার সহজ উত্তর হলো বল পায়ে প্রায়শই বল হারানো কিংবা ৮ বার ড্রিবল এ্যাটেম্পট নিয়ে একবারও সফল না হওয়া। তবে এক্ষেত্রে ভিনি স্কিলফুল আর ভালো ড্রিবলার হওয়ায় রেজাল্ট কিছুটা তার পক্ষে ছিলো, এবং গোলটাও করতে পেরেছিলো।

কিন্তু রাফিনহা। রাফিনহা রীতিমতো এক্সপোজ হয়েছে মরোক্কর এই সিস্টেমে। রাফিনহাকে এমন প্রেস করলেই বল হারাতে কিংবা ভুল পাস।

কার্লো এখানে বেশ শান্ত মস্তিষ্কে দারুন একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। আর সেটা হলো প্রথম হাফে মরোক্কর এই প্রেসিংয়ের মধ্যে সাফার করতে থাকা ক্যাসেমিরো, পাকুয়েতাকে সেকেন্ড হাফে উঠিয়ে নেওয়া এবং ফ্যাবিনহোকে নামানো। ফ্যাবিনহো নামার পরেই সেকেন্ড হাফে ভুল পাস আর প্রেসিংয়ে বল হারানোর প্রবনতা কমেছে। কুনিয়ার আগমনের পর এর সাথে যুক্ত হয়েছে বল কন্ট্রোল আর পাল্টা প্রেসিং।

ফ্যাবিনহো নামার সাথে সাথেই ফ্যাবিনহো সেইফ পাস দিতে শুরু করে যার ফলে মরোক্কর ট্রিগার বেজড প্রেস সিস্টেম টা কলাপ্স করে কিছুটা। আর তার সাথে তার আক্রমণ ভাঙ্গার দক্ষতা থেকে মরোক্কর অনেকগুলো আক্রমণ নষ্ট হয়। সাথে ফ্যাবিনহো কিছু ক্লিন ফাউল করেন যেগুলোতে কার্ড দেখতে হয়নি বরং উল্টো কাজেই দিয়েছে।

এখন প্রশ্ন করতে পারেন যে, তবে কি ফ্যাবিনহো নামার কারণেই ব্রাজিল সেকেন্ড হাফে বড়সড় এক্সপোজ হওয়া থেকে বেঁচে গিয়েছে? উত্তর : হ্যা, অনেকটা এমনই। সাথে কুনিয়াকেও রাখা যায়, যার কারণে ব্রাজিল বড়সড় এক এক্সপোজ হওয়া থেকে বেঁচে গিয়েছে।

কিন্তু এক্ষেত্রে কুনিয়া নিয়ে আলোচনা হলেও ফ্যাবিনহো নিয়ে আলোচনা হচ্ছেনা বললেই চলে।

14/06/2026

আজকের ম্যাচে এমন কিছু সূক্ষ্ম কৌশল আড়াল পড়ে গেছে, যার জন্য কার্লো আনচেলত্তি অবশ্যই আলাদা প্রশংসার দাবিদার। আমি বেশ নিশ্চিত যে কার্লোর জায়গায় অন্য কোনো কোচ হলে এই পরিস্থিতিতে এমন সাহসী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস করতেন না।

যেমন ধরুন, ক্যাসেমিরো আর ইবানেজ যখন হলুদ কার্ড খেলো, কার্লো কোনো রকমের ঝুঁকি না নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের দুজনকে মাঠ থেকে তুলে নিলেন। উদ্দেশ্য একটাই - পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোর জন্য তাদের কার্ডের কোটা সেভ রাখা। সাধারণ কোনো কোচ হলে হয়তো এই পরিস্থিতিতে এতটা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতেন না, বরং মাঠের অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের রেখে দেওয়ার কথাই ভাবতেন।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় ছিল ম্যাচের সেই ট্যাকটিক্যাল চেঞ্জ, যেখানে ভিনিসিয়াস আর রাফিনহাকে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার রাইভালরি করে খেপিয়ে তোলা হয়েছিল। প্ল্যানটা ফিফটি ফিফটি ক্লিক করেছে। ভিনির ক্ষেত্রে কৌশলটা দারুণভাবে কাজে দিলেও তবে রাফিনহা তার নিজের মিসের কারণে পুরো প্ল্যানটাই ভেস্তে দেয়। মাঠে চরম হতাশা আর আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভুগছিল রাফা। যদি সে সুযোগটা কাজে লাগিয়ে গোলটা করতে পারতো, তবে কার্লোর এই মাস্টারপ্ল্যান শতভাগ সফল হতো এবং তার প্রশংসা দ্বিগুণ হয়ে যেত। একই সাথে রাফিনহাও আজ ট্রলের শিকার না হয়ে, কুড়িয়ে নিতো রাশি রাশি প্রশংসা আর হারিয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস। তবে মজার বিষয়, এই বিষয়টা তবুও আড়ালেই পড়ে থাকত।

যাইহোক, শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ড্র হওয়ায় দল অন্তত সেভ জোনে আছে এবং প্লেয়ারদের মনোবলও বজায় থাকবে। সবশেষে এটাই বলবো - এই ভাঙাচোরা এবং নড়বড়ে দলটায় একমাত্র কার্লোর ওপরই আমার অন্ধ বিশ্বাস আছে। এই দলের খেই হারিয়ে ফেলা দশা থেকে যদি কেউ কোনো ম্যাজিক দেখাতে পারেন, তবে তিনি একমাত্র কার্লোই।

14/06/2026

অস্ট্রেলিয়ান এ-লিগের ক্লাব মেইলবোর্ন সিটি-তে খেলেন তিনি। যে লিগের মান নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেন; বিশ্ব ফুটবল লিগ র‍্যাংকিংয়ে যার অবস্থান সৌদি প্রো লীগ তো বটেই বরং ব্রাজিলের দ্বিতীয় স্তরের লীগেরও নিচে । অন্যদিকে তুরস্ক দলে থাকা অধিকাংশ ফুটবলার নিয়মিত খেলেন সিরিআ, লা লীগা, তুর্কিশ সুপার লীগ এর মতো ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে।

কিন্তু দিনশেষে সেই তারকা-সমৃদ্ধ দলকেই যেন আত্মসমর্পণ করতে হলো ৫৪ নাম্বার লীগে খেলা একজন গোলকিপারের সামনে।
বলছিলাম প্যাট্রিস বিচ এর কথা।

তুরস্ক-অস্ট্রেলিয়া মধ্যকার ম্যাচে তুরস্ক বল দখলে রেখেছিল প্রায় ৭২ শতাংশ সময়। শট নিয়েছিলো ৩০টি , যার মধ্যে ৮টি ছিল অন টার্গেটে। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার অন টার্গেট শট ছিল মাত্র ৪টি। পরিসংখ্যান দেখলে যে কারও মনে হতে পারে তুরস্কই হয়তো বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে।

কিন্তু ফুটবল কেবল সংখ্যার খেলা নয়।

বাস্তবতা হলো, ম্যাচটি ২-০ গোলে জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। আর সেই জয়ের নেপথ্যের সবচেয়ে বড় নায়ক ছিলেন প্যাট্রিক বিচ। পুরো ম্যাচে চালহাননগ্লু , আর্দা গুলার, কেনান ইলদিজদের তুরস্ককে বারবার হতাশ করেছেন তিনি।
তুরস্কের নেওয়া ৮টি অন-টার্গেট শটের প্রতিটিই সেইভ করেছেন প্যাট্রিক বিচ। আর সেইভগুলোও যেন সাধারণ ছিলোনা , ছিলো দুর্দান্ত, অসাধারণ।

এ কারণেই হয়তো ফিফা বিশ্বকাপকে বলা হয় “The Greatest Show on Earth”। এখানে লিগের নাম, ক্লাবের পরিচয় কিংবা প্লেয়ারদের মার্কেট ভ্যালু ম্যটার করে না। এখানে সবচেয়ে বেশি মূল্য পায় নির্দিষ্ট ৯০ মিনিটের পারফরম্যান্স। এখানে প্রতিযোগিতা চলে সেরাটা দেওয়ার। আর সেই প্রতিযোগিতায় অনেক সময় বড় লীগের, বড় ক্লাবে খেলা আলোচিত নামগুলোও ব্যর্থ হন। আবার তুলনামূলক কম আলোচনায় থাকা খেলোয়াড়েরা হয়ে ওঠেন ম্যাচের সবচেয়ে উজ্জ্বল নায়ক। প্যাট্রিক বিচের এই পারফরম্যান্স ছিল ঠিক তেমনই এক গল্প।

14/06/2026

অ্যালিসন বেকার নামটার মাঝেই যেন এক সহজাত গাম্ভীর্য! এই নামটিকে আজকের অবস্থানে দাঁড় করাতে যেমন তাকে করতে হয়েছে কঠোর পরিশ্রম, দেখাতে হয়েছে একের পর এক অতিমানবীয় পারফরম্যান্স; ঠিক তেমনি চূড়ায় টিকে থাকার লড়াইয়েও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হয়েছে নিখুঁতভাবে। সাফল্যের এই পিচ্ছিল পথে একটিমাত্র ভুলও যেকোনো অর্জনকে ধুলিসাৎ করে দিতে পারে, যার মাশুল দিতে লেগে যায় বহু সময়।

তাই এখানে ভুলের কোনো সুযোগ নেই, যা ধরে রাখা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। আর এখানেই লুকিয়ে আছে 'কনসিসটেন্সি' বা ধারাবাহিকতার আসল রহস্য, একেই বলে প্রকৃত 'ক্লাস'। এভাবেই একজন ফুটবলার হয়ে ওঠেন দলের অতন্দ্র প্রহরী, ভরসার শেষ প্রতীক। অ্যালিসন এই দায়িত্বটি ক্যারিয়ারজুড়ে দারুণভাবে পালন করে আসছেন।

আজকের ম্যাচে হয়তো একটি গোল হজম করতে হয়েছে, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তার সেই অবিস্মরণীয় 'ডাবল সেভ' দলকে নিশ্চিত পরাজয় থেকে বাঁচিয়ে দিল। যদিও প্রথম শটটি হয়তো মাঠের বাইরেই যেত, তবুও 'নো রিস্ক পলিসি' বজায় রাখাই একজন বিশ্বসেরা গোলকিপারের লক্ষণ। আর দ্বিতীয় সেভটি? সেটি ছিল তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং অবিশ্বাস্য দক্ষতার এক অনন্য মিশ্রণ, যা সাধারণ কোনো গোলকিপারের পক্ষে ঠেকানো আসলেই অসম্ভব ছিল।

টাইব্রেকারে তার কিছুটা দুর্বলতা হয়তো আছে, তা ঢাকার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে মাঠের মূল ৯০ মিনিটে তার যে পারফরম্যান্স, তা গোলপোস্টের নিচের যেকোনো খামতিকে আড়াল করার জন্য যথেষ্ট। দিনশেষে এটাই অ্যালিসন বেকার - ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে যার কোনো বিকল্প নেই, যিনি এক অতন্দ্র ভরসার প্রতীক।

14/06/2026

প্রথম ম্যাচ, প্রথম গোল, ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ 🇧🇷

Vini does it again! 💛

14/06/2026

মরোক্কোর বিপক্ষে গোলসহ দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ভিনিসিয়াস জুনিয়র যেন আবারও প্রমাণ করে দিলেন, নেইমারের অনুপস্থিতিতে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের প্রধান ভরসা হওয়ার সামর্থ্য তারই আছে।

একটা সময় ছিল, যখন রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে দুর্দান্ত খেলেও ব্রাজিলের হয়ে কয়েকটি ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল ভিনিকে। তখন সমালোচকদের মুখে প্রায়ই শোনা যেত, “ভিনি ব্রাজিলের হয়ে খেলতে পারে না।” কেউ কেউ আবার ব্যঙ্গ করে বলত, “ওকে সাদা জার্সি পরিয়ে দাও, তাহলেই ভালো খেলবে।”

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই কথাগুলোর জবাব দিয়েছেন ভিনিসিয়াস নিজেই। বিশেষ করে কার্লো আনচেলত্তির অধীনে তিনি যেন এক নতুন রূপে আবির্ভূত হয়েছেন। শুধু রিয়াল মাদ্রিদের সাদা জার্সিতেই নয়, এখন ব্রাজিলের হলুদ জার্সিতেও তিনি হয়ে উঠেছেন দলের অন্যতম নির্ভরতার প্রতীক।

মরোক্কোর বিপক্ষে ম্যাচটিও ছিল তারই আরেকটি প্রমাণ। যখন রাফিনহা, ইগর থিয়াগোসহ ব্রাজিলের বেশিরভাগ আক্রমণভাগ নিজেদের সেরা ছন্দ খুঁজে পেতে সংগ্রাম করছিল, তখন ভিনিই ছিলেন ব্যতিক্রম। গোল করেছেন, আক্রমণে ধার তৈরি করেছেন এবং পুরো ম্যাচজুড়ে প্রতিপক্ষের জন্য ছিলেন সবচেয়ে বড় হুমকি।

তার পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতেই। গত বিশ্বকাপে পুরো টুর্নামেন্টে যেখানে তার অবদান ছিল ১ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট, সেখানে এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই তিনি গোলের খাতা খুলে জানিয়ে দিয়েছেন, এই আসরে তিনি আরও বড় ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।

সবচেয়ে বড় কথা, কার্লো আনচেলত্তি যেভাবে ভিনিসিয়াসকে ব্রাজিল দলের মূল তারকা হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছেন, ভিনি যেন প্রতিটি ম্যাচে সেই আস্থার প্রতিদান দিয়ে চলেছেন। নেইমার-পরবর্তী ব্রাজিলের নেতৃত্ব কে নেবে এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো এখনও পুরোপুরি নির্ধারিত নয়। তবে ভিনিসিয়াস জুনিয়র যে সেই আসনের সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার, মরোক্কোর বিপক্ষে তার পারফরম্যান্স সেটাই আরও একবার স্পষ্ট করে দিল।

ভিনির সমালোচকরা একসময় তাকে নিয়ে যতই প্রশ্ন তুলুক না কেন, আজ তিনি নিজের ফুটবল দিয়েই সব প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন। আর সেই উত্তরগুলো এতটাই জোরালো যে, এখন আর তাকে রিয়াল মাদ্রিদের তারকা বলে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না; তিনি আজ ব্রাজিল জাতীয় দলেরও অন্যতম প্রধান মুখ।

14/06/2026

সেকেন্ড হাফে ইগোর থিয়াগোর বদলি হিসেবে ম্যাথিউস কুনিয়াকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্তটি অনেক কিছুই ইঙ্গিত করে। এইটা অনেকটা স্পষ্ট করে দেয় যে ফরোয়ার্ড লাইনে ইগোর থিয়াগো প্রত্যাশিত ইমপ্যাক্ট একদমই রাখতে পারেননি। অন্যদিকে সহজভাবে বললে ম্যাথিউস কুনিয়ার স্পিড, বল কন্ট্রোলে রাখার ক্ষমতা এবং আক্রমণে বৈচিত্র্য আনার সামর্থ্য কোচিং স্টাফের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্যতা পাবে । এর ফলে আগামীতে কুনিয়াকে শুরুর একাদশে আরও নিয়মিতভাবে দেখার সম্ভাবনা বাড়ছে।

সব মিলিয়ে, বর্তমান ব্রাজিল দলকে দেখে এখনো বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম প্রধান দাবিদার বলে মনে হচ্ছে না। ব্রাজিলে ব্যক্তিগত প্রতিভার অভাব নেই, তবে এখনো সেই কাঙ্ক্ষিত ধারাবাহিকতা, ম্যাচের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা এবং আক্রমণ-রক্ষণে নিখুঁত ভারসাম্য চোখে পড়ছে না।

মরক্কোর বিপক্ষে ড্রও দেখিয়েছে যে ব্রাজিল সত্যিই যদি বিশ্বকাপ শিরোপা জিততে চায়, তবে বড় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্রাজিলকে আরও অনেক উন্নতি করতে হবে।

Photos from Fever De Football 's post 14/06/2026

ব্রাজিল-মরক্কোর বহুল প্রতীক্ষিত হাই-ভোল্টেজ লড়াই শেষ হলো ১-১ গোলের সমতায়। কাগজে-কলমে ব্রাজিলকে ফেভারিট ধরা হলেও মাঠের খেলায় মরক্কো পুরো ম্যাচজুড়েই সেলেসাওদের কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছিল।

ডিফেন্সিভ ও অফেন্সিভ দুইদিকেই দারুণ ফুটবল খেলেছে আটলাস লায়ন্সরা। ব্রাজিলের তারকাবহুল আক্রমণভাগকে খুব বেশি সুযোগই তৈরি করতে দেয়নি তারা। এমনকি ইনজুরির কারণে এজ্জাজুলি স্কোয়াডের বাইরে থাকলেও, সাইবারি, ব্রাহিম দিয়াজ ও এল খানুসদের নেতৃত্বে মরক্কোর আক্রমণভাগ বারবার চাপে ফেলেছে গ্যাব্রিয়েল ও মার্কুইনহোসদের রক্ষণভাগকে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকা মরক্কো প্রথমে লিড নেয় সাইবারির দুর্দান্ত গোলে। তবে পিছিয়ে পড়ার পর দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় ব্রাজিল। ম্যাচের ৩২তম মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে সমতায় ফেরে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

বাকি সময়েও দুই দলই জয়ের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও আর কোনো গোলের দেখা মেলেনি। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল। ফলাফল ড্র হলেও পারফরম্যান্সের বিচারে মরক্কো আবারও প্রমাণ করেছে, তারা এখন বিশ্বের যেকোনো পরাশক্তির জন্যই বড় হুমকি।

13/06/2026

Half time updates,

ভিনি ছাড়া ব্রাজিলের অন্য কোনো ফরওয়ার্ড কে এটাকে জ্বলে উঠতে দেখা যায়নি!

Paqueta পুরাই ট্রাশ খেলতেসে, আর rapinha ও পুরোপুরি ভ্যানিশড যার কারণে ব্রাজিলের রাইট সাইড পুরোই ডেড!

সেকেন্ড হাফে বড়োসড়ো চেঞ্জেস না আসলে কপালে দুঃখ আছে।

ব্রাহিম, হাকিমি, সাইবারি রা ভালোই চাপে রেখেছে ব্রাজিলের ডিফেন্স কে, অলরেডি ২ রা yellow কার্ড এর দেখা পেয়েছে ব্রাজিল।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Dhaka
1216