16/09/2026
মমতাজ আপার গানের ভাষায় বলতে হয় “ পোলা তো নয় যেন আ*গুনেরই গোলা ”
কার্লো আনচেলত্তির সময়ে মাদ্রিদে এসে ডেভেলপ হতে থাকা আর্দা গুলার যেভাবে আজকের জোসে মরিনহোর মিডফিল্ড মায়েস্ত্রো হয়ে উঠেছেন-সেটাই যেন বিশ্বে নজড় কাড়ছে। কমবেশি এখন সবাই যেন একটা কথাই বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে “ ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ সেরা তার স্কাউট জুনি কালাফাত সেরা-তারা ভুল করেনি আর্দা গুলারকে দলে এনে।
তুরস্ক থেকে আর্দা গুলারকে আনতে বার্সেলোনা সহ বেশ কয়েকটা দলের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের। বার্সেলোনার সাথে আর্দা গুলারের ডিলটা প্রায় সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছিলো-অপেক্ষা ছিলো মাত্র কয়েক ঘন্টার এরপরই আর্দা গুলার হয়ে উঠতেন বার্সেলোনার ফিউচার। ঠিক সেই মূহুর্তেই আর্দা গুলারের সাথে বার্সার ডিলটাকে হাইজ্যাক করেছিলো ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। মাত্র ২০ মিলিয়নে সেদিন সাইনিং করা আর্দা গুলারই হয়ে উঠেছেন আজকের মরিনহোর মিডফিল্ড মায়েস্ত্রো, দ্যা ম্যাজিশিয়ান আর্দা গুলার।
তবে পথটা সহজ ছিলোনা তার জন্য। মাদ্রিদে আসার শুরুতেই ট্রেনিং গ্রাউন্ডে পিন্টাসের কঠোর ট্রেনিংয়ের ভাড়ে বারবার ইন্জুরিতে পড়েছিলো আর্দা গুলার। ফিজিক্যালি হেংলা পাতলা থাকা সেদিনের বাচ্চা আর্দা গুলারের জন্য পিন্টাসের কঠোর ট্রেনিংয়ে মানিয়ে নেওয়াটাও যেন ছিলো একটা বড় চ্যালেঞ্জ।
এদিকে কার্লো আনচেলত্তিও অভিজ্ঞদের ব্যতিত তরুনদের নিয়মিত সুযোগ দিতে রাজি ছিলেন না। বেঞ্চে থেকে সাবস্টিটিউট হিসেবেই শুরু করতে হতো। কারো ব্যাকাপ কিংবা কারো রিপ্লেসমেন্ট হয়েই পাড় করতে হয়েছে ৩ টা সিজন। তবে আর্দা দিনশেষে ঠিকই পরিপক্ব হওয়ার চেষ্টা চালিয়েছেন। আর সেই চেষ্টারই সুফল আজকের এই গুলার হয়ে ওঠা।
আজকের এই মাদ্রিদ মিডফিল্ড যেন তাকে ছাড়া কল্পনাই করা যায়না। জোসে মরিনহোর কুইক কাউন্টার ফুটবল আর্দা গুলার যেন হয়ে উঠেছেন পুরোনো সেই মেসুত ওজিল।
তার পাসিং, ভিশন, ডিসিশন মেকিং সবকিছুই যেন একজন এলিট লেভেলের মিডফিল্ডারের ন্যায়।