Sabus world

Directions

Sabus world Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sabus world, dhaka, Dhaka.

শ্বশুরের ছিল দুটো সোনার ডিম পাড়া হাঁসের মতো বাড়ি। বড় ছেলে আর মেজো ছেলেকে একটা করে বাড়ি লিখে দেওয়ার পর আমার স্বামীকে...
03/10/2026

শ্বশুরের ছিল দুটো সোনার ডিম পাড়া হাঁসের মতো বাড়ি। বড় ছেলে আর মেজো ছেলেকে একটা করে বাড়ি লিখে দেওয়ার পর আমার স্বামীকে দেখে শ্বশুর শুধু বলেছিলেন,
“তোর তো বউ আছে, তোর জন্য আর কী লাগবে?”

সবাই হেসেছিল। আমিও সেদিন কথাটাকে নিছক ঠাট্টা ভেবেছিলাম।
কিন্তু শ্বশুর মারা যাওয়ার ঠিক দুই সপ্তাহ পর এমন এক সত্যি আমাদের সামনে এসে দাঁড়াল, যার জন্য কেউই প্রস্তুত ছিল না!

আজও সেই কথাটা মনে পড়লে বুকের ভেতরটা কেমন যেন মোচড় দিয়ে ওঠে।

আমার নাম সায়মা। আমার স্বামীর নাম নাবিল। বিয়ের পর থেকে আমরা খুব সাধারণভাবেই সংসার করে আসছি। আমাদের চাহিদাও খুব বেশি ছিল না। স্বামী যা আয় করত, তা দিয়েই কোনো রকমে সংসার চলত। কখনো ভালো দিন গেছে, কখনো টানাটানির দিন গেছে। তবু আমরা দুজনই একটা কথাই বলতাম—

“আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ যতটুকু দিয়েছেন, সেটুকুই আমাদের জন্য যথেষ্ট।”

আমার শ্বশুর আবদুল কাদের সাহেব ছিলেন অন্যরকম মানুষ। জীবনে অনেক কষ্ট করেছেন। শূন্য হাতে শুরু করে ধীরে ধীরে নিজের ভাগ্য নিজেই গড়েছিলেন। বহু বছর আগে শহরের ব্যস্ত একটা এলাকায় তিনি পাশাপাশি দুটো বড় বাড়ি করেছিলেন।

নিচতলায় দোকান, ওপরের তলাগুলোতে ভাড়া।

মাসের শুরু হলেই দুই বাড়ি থেকে যে পরিমাণ ভাড়া উঠত, সেটা আমাদের মতো সাধারণ পরিবারের কাছে কল্পনার মতো মনে হতো। সত্যি বলতে, ওই দুই বাড়ি ছিল আমাদের শ্বশুরের জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

শ্বশুরের তিন ছেলে।

বড় ছেলে ফারহান, মেজো ছেলে মাহিন আর সবার ছোট আমার স্বামী নাবিল।

ফারহান আর মাহিন দুজনই বাবার সঙ্গে অনেকটা ব্যবসার কাজ দেখাশোনা করত। আর নাবিল নিজের মতো করে একটা ছোট চাকরি করত। বাবার সম্পত্তির দিকে তার কোনোদিনই খুব একটা নজর ছিল না।

বরং নাবিল সবসময় বলত,

“আব্বা সারাজীবন কষ্ট করে যা বানিয়েছেন, উনি যতদিন বেঁচে আছেন, সব উনারই। আমরা উনার কাছ থেকে ভালোবাসা পেলেই খুশি।”

কথাটা শুনে আমি অনেকবার স্বামীকে বলেছি,

“তুমি একটু নিজের কথাও ভাবো। সবসময় এত উদাসীন থাকলে হবে?”

নাবিল হেসে বলত,

“আমার কী দরকার? আল্লাহ আমাকে সুস্থ রেখেছেন, তোমাকে দিয়েছেন, একটা ছেলে দিয়েছেন—আমার তো অনেক কিছুই আছে।”

সেই মানুষটাকেই কয়েক মাস পর আমি নিজের চোখের সামনে ভেঙে পড়তে দেখেছিলাম।

শ্বশুরের শরীর যখন ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছিল, তখন একদিন তিনি বাড়ির সবাইকে ডেকে পাঠালেন।

সেদিন দুপুরে আমরা সবাই তার ঘরে বসেছিলাম।

ফারহান, মাহিন, তাদের স্ত্রী, আমরা—সবাই।

শ্বশুর বিছানায় হেলান দিয়ে বসেছিলেন। মুখটা আগের চেয়ে অনেক শুকিয়ে গিয়েছিল। চোখের নিচে কালি পড়েছিল। তবু চোখ দুটো তখনও আগের মতোই তীক্ষ্ণ।

তিনি ধীরে ধীরে বললেন,

“আমি জানি না আর কতদিন আছি। তাই আমার যা কিছু আছে, আমি জীবিত থাকতেই তোমাদের মধ্যে ভাগ করে দিতে চাই।”

ঘরের পরিবেশ মুহূর্তেই বদলে গেল।

ফারহানের মুখে চাপা উত্তেজনা। মাহিনও চুপচাপ বাবার দিকে তাকিয়ে ছিল।

শ্বশুর প্রথমে বড় ছেলে ফারহানের দিকে তাকালেন।

তারপর বললেন,

“বড় বাড়িটা তোর নামে করে দিলাম।”

ফারহানের মুখ আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে উঠল।

কাগজপত্র বের হলো। সাক্ষী হলো। আইনজীবীর সামনে সবকিছু ঠিকঠাক সম্পন্ন হলো।

এরপর শ্বশুর মেজো ছেলে মাহিনকে ডাকলেন।

“আর ছোট বাড়িটা তোর।”

মাহিনও বাবার হাত ধরে বলল,

“আব্বা, আপনি এত কিছু করছেন কেন?”

কথাটা বললেও তার চোখেমুখে যে আনন্দ, সেটা লুকানোর কোনো চেষ্টা ছিল না।

সবকিছু যখন প্রায় শেষ, তখন হঠাৎ আমার স্বামীর দিকে সবার চোখ গেল।

নাবিল এতক্ষণ চুপচাপ বসে ছিল।

আমি তার পাশে বসেছিলাম। আমার বুকের ভেতর তখন অদ্ভুত একটা ধুকপুকানি।

কারণ দুটো বাড়িই যখন দুই ভাই পেয়ে গেল, তখন স্বামীর জন্য কী থাকবে?

শ্বশুর কিছুক্ষণ নাবিলের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

তারপর ঠোঁটের কোণে হালকা একটা হাসি এনে বললেন,

“আর তুই নাবিল… তোর তো বউ আছে। তোর জন্য আর কী দরকার?”

এক মুহূর্তের নীরবতা।

তারপর ঘরটা হাসিতে ভরে গেল।

আমার দুই জা তো হাসতে হাসতে একে অপরের দিকে তাকাচ্ছিল।

একজন বলল,

“ছোট ভাইয়ের তো সবচেয়ে বড় সম্পদ আছেই!”

আরেকজন হেসে বলল,

“ভাবি তো আছেনই, আর কী চাই!”

সবাই মজা করছিল।

কিন্তু আমি দেখলাম, আমার স্বামীর মুখের হাসিটা কেমন যেন শুকিয়ে গেল।

সে কিছু বলল না।

শুধু বাবার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল,

“আমি কিছু চাই না আব্বা। আপনি ভালো থাকলেই হবে।”

তারপর উঠে বাবার হাতে চুমু খেয়ে বেরিয়ে এলো।

আমি তার পেছন পেছন ঘর থেকে বের হলাম।

সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় দেখলাম, নাবিল একবারও আমার দিকে তাকাচ্ছে না।

বাইরে এসে আমি বললাম,

“মন খারাপ করেছ?”

সে কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল,

“না।”

আমি বুঝেছিলাম, কথাটা সত্যি না।

তারপরও আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি।

কারণ আমি জানতাম, সে বাবাকে কষ্ট দিতে চায় না।

কিন্তু সেদিনের পর থেকেই আমাদের জীবনটা একটু একটু করে বদলে গেল।

আমার দুই জা যখনই আমাদের সামনে পড়ত, কথার মধ্যে খোঁচা থাকত।

একদিন বড় জা রুবাইয়া আমার পাশে এসে বলল,

“সায়মা, তোমার জায়গায় আমি হলে কিন্তু চুপ করে থাকতাম না।”

আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম,

“কেন?”

সে মুখ বাঁকিয়ে বলল,

“আরে, তোমাদের তো কিছুই হলো না! একটা বাড়ির ভাড়ার টাকা দিয়ে কত কিছু করা যায় জানো? তুমি তোমার শ্বশুরকে একটু বুঝিয়ে বলো না?”

আমি শান্তভাবে বলেছিলাম,

“আমাদের যা আছে, আল্লাহর রহমতে তাতেই তো চলে যাচ্ছে।”

সে হেসে বলেছিল,

“চলে যাওয়া আর ভালোভাবে চলা এক জিনিস না, ভাবি।”

পাশ থেকে মেজো জা নুসরাতও হেসে উঠেছিল।

“তা ঠিক। এত বড় বাড়ি দুই ভাই পেল, আর নাবিল পেল কী? বউ!”

দুজনেই আবার হেসেছিল।

আমি মুখে কিছু বলিনি।

কিন্তু ভেতরে ভেতরে খুব কষ্ট পেয়েছিলাম।

কারণ সম্পত্তি না পাওয়ার কষ্ট যতটা ছিল, তার চেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছিল—আমার স্বামীকে এভাবে ছোট করা হচ্ছে দেখে।

নাবিল অবশ্য এসব নিয়ে কাউকে কিছু বলত না।

বরং বাড়িতে ফিরে আমাকে বলত,

“তুমি এসব কথায় মন দিও না। আব্বা যা করেছেন, নিশ্চয়ই ভেবেচিন্তেই করেছেন।”

আমি জিজ্ঞেস করতাম,

“তুমি কি সত্যিই কষ্ট পাওনি?”

সে অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে বলত,

“বাবার কাছ থেকে আমি কিছু চাইনি। শুধু চাইছিলাম, উনি যেন আমাকে নিজের ছেলে হিসেবেই দেখেন।”

সেই কথাটা শুনে আমার বুকটা কেমন করে উঠত।

কিন্তু সবচেয়ে বড় আঘাতটা এল আমাদের দশ বছরের ছেলে ইহানের কাছ থেকে।

একদিন বিকেলে আমি রান্নাঘরে কাজ করছিলাম।

হঠাৎ দেখি ইহান চোখ মুছতে মুছতে আমার কাছে এসেছে।

আমি সঙ্গে সঙ্গে কাজ ফেলে তার কাছে গেলাম।

“কী হয়েছে বাবা? কাঁদছ কেন?”

ইহান আমার হাত শক্ত করে ধরে বলল,

“আম্মু… দাদা কি আমাদের ভালোবাসে না?”

আমার বুকটা ধক করে উঠল।

আমি ওর মুখটা নিজের দিকে তুলে বললাম,

“এ কথা কে বলেছে?”

ইহান চোখের পানি মুছে বলল,

“চাচাতো ভাইরা বলেছে।”

“কী বলেছে?”

ইহান এবার ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল।

“ওরা বলেছে, দাদা বড় চাচা আর মেজো চাচাকে বাড়ি দেবে। আমাদের কিছু দেবে না। দাদা নাকি আমাদের পছন্দই করে না।”

আমি কিছুক্ষণ কথা বলতে পারিনি।

দশ বছরের একটা বাচ্চার মুখে এমন কথা শুনে মনে হচ্ছিল কেউ যেন আমার বুকের ভেতর ছুরি চালিয়ে দিয়েছে।

আমি ওকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললাম,

“কে বলেছে তোমাকে এসব? তোমার দাদা তোমাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। আর এসব কথা আর কখনো বলবে না। দাদা এখনো বেঁচে আছেন, আল্লাহ তাকে সুস্থ রাখুন। কার কী হবে, এসব নিয়ে কথা বলা ঠিক না।”

ইহান চোখ মুছতে মুছতে বলল,

“কিন্তু আম্মু, আমি কি খারাপ?”

আমি সঙ্গে সঙ্গে ওর মুখ চেপে ধরে বললাম,

“না বাবা। তুমি খুব ভালো ছেলে। কেউ কিছু বললে তুমি বিশ্বাস করবে না।”

সেদিন রাতে ইহান ঘুমিয়ে যাওয়ার পর অনেকক্ষণ আমি চুপ করে বসে ছিলাম।

আমার মনে শুধু একটা প্রশ্ন ঘুরছিল—

শ্বশুর কেন এমন করলেন?

তিনি কি সত্যিই নাবিলকে কিছু দিতে চাননি?

নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে?

আমি জানতাম না।

আর নাবিল?

সে আগের মতোই বাবার খোঁজ নিত।

প্রতিদিন ফোন করত।

প্রয়োজনে ছুটে যেত।

যেন কিছুই হয়নি।

কিন্তু আমি জানতাম, ভেতরে কোথাও একটা ক্ষত তৈরি হয়েছে।

এরপর বেশি সময় আর কাটেনি।

শ্বশুরের শরীর আরও খারাপ হয়ে গেল।

একদিন ভোরের দিকে তিনি আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন।

সেদিন আমাদের বাড়িটা কান্নায় ভরে গিয়েছিল।

কিন্তু সেই কান্নার মধ্যেও আমি কিছু মানুষের চোখে অন্যরকম হিসাব দেখতে পাচ্ছিলাম।

আমার দুই জা বারবার নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করছিল।

বড় ভাই আর মেজো ভাইও যেন বারবার সম্পত্তির কাগজপত্রের কথা বলছিল।

আমি কাউকে দোষ দিচ্ছি না।

মানুষের মন কে জানে?

তবু আমার স্বামীর অবস্থা ছিল একেবারে আলাদা।

সে বাবার লাশের পাশে বসে শুধু কাঁদছিল।

বারবার বাবার হাতটা ধরে বলছিল,

“আব্বা, আমাকে মাফ করে দিয়েন।”

আমি পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে ভাবছিলাম—

যে মানুষটা জীবনে বাবার কাছে কিছু চায়নি, আজ তার চাওয়া শুধু একটাই—বাবার ক্ষমা।

জানাজা, দাফন, আত্মীয়স্বজনের আনাগোনা—সব মিলিয়ে কয়েকটা দিন কেটে গেল।

বাড়ির মানুষ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করল।

কিন্তু আমাদের জন্য তখনও একটা অদৃশ্য ভার রয়ে গেল।

শ্বশুরের মৃত্যুর দুই সপ্তাহ পর, এক সকালে হঠাৎ এমন একটা ঘটনা ঘটল, যার পর পুরো বাড়ির পরিবেশ বদলে গেল।

ফারহান আর মাহিন দুজনেই তখন নিজেদের নতুন সম্পত্তি নিয়ে ব্যস্ত।

ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে কথা বলছে, কাগজপত্র দেখছে, কে কত ভাড়া দেয়—এসব হিসাব করছে।

আমরা কেউই বুঝতে পারিনি, আসল ঝড়টা তখনও আসেনি।

সেদিন দুপুরে একটা খবর এলো।

খবরটা শোনার পর প্রথমে কেউ বিশ্বাস করতে পারছিল না।

তারপর যখন কাগজটা সবার সামনে রাখা হলো, ঘরের মধ্যে এমন নীরবতা নেমে এলো যে কারও নিঃশ্বাসের শব্দও শোনা যাচ্ছিল।

আমি নাবিলের দিকে তাকালাম।

নাবিলও স্থির হয়ে সেই কাগজটার দিকে তাকিয়ে ছিল।

আর ঠিক তখনই আমার মনে পড়ল শ্বশুরের সেই কথাটা—

“তোর তো বউ আছে। তোর জন্য আর কী দরকার?”

সেদিন সবাই হেসেছিল।

কিন্তু এখন মনে হচ্ছিল…

ওই কথার আড়ালে এমন কিছু লুকিয়ে ছিল, যা আমরা কেউই বুঝতে পারিনি।

সেদিন প্রথমবার মনে হলো, আমার শ্বশুর হয়তো নাবিলকে কিছুই না দিয়ে যাননি।

বরং তিনি যা রেখে গেছেন, তার আসল অর্থ আমরা এতদিন কেউ বুঝতেই পারিনি।

আর সেই সত্যিটা সামনে আসার পর…

সবচেয়ে বেশি অবাক হয়েছিল আমার দুই জা।

চলবে…

নীরব_ইশারা

[লেখক গল্প_ঘর ]

১ম_পর্ব

06/09/2026

সমুদ্রের পাড়ে দোল খাচ্ছে গাছে😂

05/09/2026

আপেল থেকে চারা তৈরি

রংপুরে নৃশংস হ*ত্যাকাণ্ড: হ*ত্যার পর গোসল করে ই*য়াবা-খেজুর খায় ঘাতকরারংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনক...
23/08/2026

রংপুরে নৃশংস হ*ত্যাকাণ্ড: হ*ত্যার পর গোসল করে ই*য়াবা-খেজুর খায় ঘাতকরা

রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হ*ত্যার ঘটনায় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা একই এলাকার বাসিন্দা এবং নিহতদের পূর্বপরিচিত; আসামিরা গণপতি স্যারকে ‘কাকা’ বলে ডাকত।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ঘটনার সময় তারা পাশের ভবনের ছাদ দিয়ে গণপতি স্যারের ছাদে গিয়ে ই*য়াবা সেবন করছিল। স্যার তাদের দেখে বকাঝকা করলে, বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয়ে তারা গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হ*ত্যা করে। ধ্বস্তাধস্তির শব্দ পেয়ে স্ত্রী ছুটে আসলে একই কায়দায় তাকেও হ*ত্যা করে, মেয়ে ছুটে আসলে তাকেও এভাবেই হ*ত্যা করে। ছোট ছেলেটি ছিলো ঘরে তাকে ঘরের মধ্যে বালিশ চাপা দিয়ে হ*ত্যা করে। কী ভয়ংকর!! 😭

এরপর তারা ওই বাসার ওয়াশরুমে গোসল করে এবং ঘরে বসে আবার ই*য়াবা সেবন করে। পরে বাসার আসবাবপত্র ও স্বর্ণালংকার তল্লাশি করে লুটের মালামাল সংগ্রহ করে। স্বর্ণের আসল-নকল যাচাই করতে আগুনও ব্যবহার করে তারা।

শুক্রবার জুমার নামাজের সময় সবাই মসজিদে গেলে ধরা পড়ার আশঙ্কা কম থাকবে, এমন চিন্তা করে তারা অপেক্ষা করতে থাকে রাতভর। এ সময় ডাইনিংয়ে বসে খেজুর ও ফ্রিজের শসা খায়। জুমার নামাজের সময় হলে ছাদ দিয়ে পাশের ভবন ঘুরে তারা পালিয়ে যায়।

গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা হ*ত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য জানায় এবং লুট করা বাকি মালামালের সন্ধান দেয়।

এই নৃশংস ঘটনা শুধুমাত্র নেশার কারণে। নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি খু*নির চেয়ে ভয়ংকর। এদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। পুলিশ ধরে আনছে, কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবেতো???
#এসএমআকবর

Yamal ওর গার্লফ্রেন্ডরে প্রতি মাসে ৪ লক্ষ ডলার দেয় হাতখরচ। আর বাংলাদেশে কুদ্দুস ৪০ টাকার ফুচকা খাওয়ায় ভাবে মেয়েটা গো...
30/07/2026

Yamal ওর গার্লফ্রেন্ডরে প্রতি মাসে ৪ লক্ষ ডলার দেয় হাতখরচ। আর বাংলাদেশে কুদ্দুস ৪০ টাকার ফুচকা খাওয়ায় ভাবে মেয়েটা গোল্ডিগার কি না।

২০ হাজার টাকা বেতনের কুদ্দুসের জীবনে অনেক দুঃখ, মেয়েরা ওকে খালি টাকার জন্যই ভালোবাসে🙂
©

আমরা অনেক সময় মানুষের অন্যায়গুলোকে ‘ভুল’ বলে ক্ষমা করে দিই। কিন্তু একটু গভীরভাবে ভাবলে বুঝতে পারবেন, সব অন্যায় কিন্তু ভু...
03/07/2026

আমরা অনেক সময় মানুষের অন্যায়গুলোকে ‘ভুল’ বলে ক্ষমা করে দিই। কিন্তু একটু গভীরভাবে ভাবলে বুঝতে পারবেন, সব অন্যায় কিন্তু ভুল হয় না। ভুল আর বিশ্বাসঘাতকতার মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত রয়েছে।

​ভুল হয় অজান্তে: একটা মানুষ হুট করে একটা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতে পারে, না বুঝে কোনো কথা বলে ফেলতে পারে। ভুল মানুষের আবেগের বশে বা অসচেতনতায় হয়ে যায়। ভুল করার পর মানুষের মনে অনুশোচনা জাগে, সে ক্ষমা চায় এবং নিজেকে শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করে।

​বেঈমানি করা হয় ঠান্ডা মাথায়: বিশ্বাসঘাতকতা বা বেঈমানি কখনো ভুলবশত হয় না। এটা করা হয় সম্পূর্ণ নিজস্ব পরিকল্পনায়, অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় এবং সচেতনভাবে। অপর পাশের মানুষটার বিশ্বাসকে পুঁজি করে, তাকে কীভাবে ঠকানো হবে—তার নিখুঁত ছক কষে যখন কেউ আঘাত করে, তখন সেটা আর যা-ই হোক, 'ভুল' হতে পারে না। ওটা স্রেফ ধোঁকা!

​সম্পর্কের সমীকরণ:

​স্বামী-স্ত্রী: যে সংসারে বছরের পর বছর ভালোবাসা আর বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে একটা ছাদ গড়ে ওঠে, সেখানে একটা মিথ্যা বা সুপ্ত প্রতারণা পুরো দেওয়ালটাকে গুঁড়িয়ে দেয়।

​বন্ধুবান্ধব: বিপদের দিনে পাশে থাকার প্রতিজ্ঞা করা বন্ধুটিই যখন নিজের স্বার্থে পেছন থেকে ছুরি মারে, তখন চেনা মানুষটাও এক নিমেষে অচেনা হয়ে যায়।

​অফিসের কর্মচারী: যে প্রতিষ্ঠান বা মালিকের নুন খেয়ে, যার দেওয়া সুযোগে নিজের ক্যারিয়ার গড়া—তারই ক্ষতি করার সুক্ষ্ম পরিকল্পনা করা কোনো ভুল নয়, চরম অকৃতজ্ঞতা।

​💡 মনে রাখবেন:

মানুষ ভুল করলে তাকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়া যায়, কারণ সে মানুষ। কিন্তু যে ঠান্ডা মাথায় আপনার সরলতার সুযোগ নিয়ে বেঈমানি করেছে, তাকে ক্ষমা করলেও আর কখনো বিশ্বাস করবেন না। কারণ যে একবার পরিকল্পনা করে ঠকাতে পারে, সে বারবার পারে।

​ভুলকে ক্ষমা করুন, কিন্তু বেঈমানদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন। নিজের মানসিক শান্তি এবং আত্মসম্মানের চেয়ে দামী আর কিছুই হতে পারে না!

Confused between ঘুম থেকে উঠে দেখবো নাকি দেখে ঘুমাবো?😳😴
13/06/2026

Confused between ঘুম থেকে উঠে দেখবো নাকি দেখে ঘুমাবো?😳😴

নারীরা কেন শ্বশুর শ্বাশুরির থেকে আলাদা হয়ে যেতে চায়?শ্বশুর বাড়িতে বলা হয় যে এই বাড়ির মেয়ে সে। কিন্তু বাবার ঘরে নারী সোফা...
01/05/2026

নারীরা কেন শ্বশুর শ্বাশুরির থেকে আলাদা হয়ে যেতে চায়?

শ্বশুর বাড়িতে বলা হয় যে এই বাড়ির মেয়ে সে। কিন্তু বাবার ঘরে নারী সোফায় যেভাবে বসতো সেভাবে সে শ্বশুর বাড়িতে বসলে বলা হবে বউকে কিছুই শেখায় নাই। বাবার বাড়িতে নারী যেভাবে কোন কিছু না ভেবে নিজের মত মুখে খাবার ভরিয়ে কিংবা ইনফরমাল ভাবে রিলাক্সড হয়ে খেতে পারে সেইটা তো শ্বশুর বাড়িতে পারে না। বাবার বাড়িতে নারী ঘরে যে পোশাকে ঘুরে শ্বশুর বাড়িতে তো পারে না। বাবার বাড়িতে কিছু ভাল না লাগলে একটা নারী চিল্লালে সেইটা রাগ শ্বশুর বাড়িতে সেইটা চিল্লালে হয়ে যায় বেয়াদবী। নারী বাবার বাড়িতে যখন তখন ঘুমাতে পারে কিন্তু শ্বশুর বাড়িতে পারে না। নারী বাবার বাড়িতে মুড সুইং হলে দরজা আটকিয়ে পারসোনাল স্পেস নিয়ে আবার স্বাভাবিক হয়ে বের হয়। কিন্তু শ্বশুর বাড়িতে হাল্কা দরজা লাগানোই খারাপ কাজ। মেয়ে বলে বাড়িতে আনলেও একটা নারী ফিল করে যে এইখানে তার একটায় কাজ সেইটা হলো সুপারম্যানের মত একটা চরিত্রে থাকা। দিন রাত বাড়ির সব কাজ করো, সবার সাথে মেপে কথা বলো, একদম ডিসিপ্লিনে চলো, কোন ক্লান্তিতে ভুগা যাবে না।

নারী অনেক আশা নিয়ে বিয়ে করে যে নারী বলে বাবার বাড়িতে অনেক স্বাধীনতা পায়নি। কিন্তু শ্বশুর বাড়ি এসে দেখে বাবার বাড়ির থেকেও এইটা আরো ভয়ংকর জেল খানা। তখন নারী স্বামীকে চাপ দেয় চলো আলাদা হই। পুরুষ ভাবে বাপ মাকে দেখতে পারে না, বাপ মাকে খরচ দিলে দেখতে পারে না। এর জন্য সে আলাদা হতে চায়।

নারীর নিজের কোন বাড়ি নেই। যে জন্ম ঘরে জন্ম হয় সেইটা বাবার বাড়ি, যে বাড়িতে বিয়ে হয় সেইটা শ্বশুর বাড়ি আর স্বামী মারা গেলে শ্বশুর বাড়ি হয়ে যায় ছেলের বাড়ি। নারী নিজের একটা ঘর চায়। নারী নিজের স্বাধীনভাবে থাকার মত একটা ঘর। যে ঘরে সে আসলে যেমন সেভাবেই মুক্তভাবে বাঁচবে। নারীকে বাবার ঘরে রোল প্লে করতে হয়, আবার স্বামীর ঘরেও আবার সন্তানের ঘরেও। নারী আলাদা হতে চাইছে মানে সে একটা নিজের ঘর চায়। নিজের ঘর। যেখানে নেই গোড়ামি, কালচারের নামে কঠিন নিয়ম, যেখানে তাকে সুপারম্যান হওয়ার অভিনয় করতে হবে না।

Address

Dhaka
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sabus world posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share