Everest Academy :: এভারেস্ট একাডেমী

Everest Academy :: এভারেস্ট একাডেমী

Share

Pioneer organization in Bangladesh for Mountaineering & Adventure Leadership Training We have some of the best instructors and hiking guides in the industry.

Located in Dhaka, Bangladesh and works across the country and abroad, Bangladesh Mountaineering & Leadership School by Everest Academy (BMLS-EA) is one of Bangladesh's premier providers of mountaineering; ice climbing, rock climbing, hiking and trekking experiences within the Bangladesh's hills and mountains abroad. From 2011, we have unofficially hosted the program with Dhaka University’s Mountai

Photos from Everest Academy :: এভারেস্ট একাডেমী's post 19/05/2026

৩২ বার এভারেস্ট জয়
করে নিজের রেকর্ড
ভাঙলেন কামি রিতা

খ্যাতনামা নেপালি শেরপা গাইড কামি রিতা শেরপা গতকাল বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট ৩২তমবার আরোহণ করে নিজের গড়া রেকর্ড ভেঙেছেন। রয়টার্স।

নেপালের এক কর্মকর্তা জানান, ৫৬ বছর বয়সী কামি রিতা স্থানীয় সময় রোববার সকাল ১০টা ১২ মিনিটে ৮ হাজার ৮৪৯ মিটার (২৯ হাজার ৩২ ফুট) উচ্চতার এভারেস্ট চূড়ায় পৌঁছান। তিনি অভিযাত্রী প্রতিষ্ঠান ফোরটিন পিকস এক্সপেডিশনের গ্রাহকদের গাইড হিসেবে এ অভিযানে অংশ নেন।

নেপালের পর্যটন বিভাগ এক বিবৃতিতে কামি রিতার এ অর্জনকে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে পর্বত পর্যটন বিকাশে তার অবদানেরও প্রশংসা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ৫২ বছর বয়সী শেরপা নারী লাখপা শেরপা এভারেস্টে ১১তমবার আরোহণ করেছেন, যা কোনো নারীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ। তবে অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

কামি রিতার জন্ম সোলুখুম্বু জেলার থামে গ্রামে, যেখানকার আরেক কিংবদন্তি পর্বতারোহী তেনজিং নোরগে। নিউজিল্যান্ডের এডমন্ড হিলারির সঙ্গে ১৯৫৩ সালে প্রথমবারের মতো এভারেস্ট জয় করেছিলেন তেনজিং।

কামি রিতা প্রথমবার এভারেস্ট আরোহণ করেন ১৯৯৪ সালে। এরপর ২০১৪, ২০১৫ ও ২০২০ সাল বাদ দিয়ে প্রতি বছরই তিনি শৃঙ্গে উঠেছেন। বিভিন্ন কারণে ওই বছরগুলোয় এভারেস্ট অভিযান বন্ধ ছিল। কিছু বছরে তিনি দুইবারও চূড়ায় পৌঁছেছেন।

তেনজিং নোরগে ও এডমন্ড হিলারির ঐতিহাসিক অভিযানের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৮ হাজারের বেশি মানুষ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন। তাদের মধ্যে অনেকে একাধিকবার এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।

শেরপা নন এমন পর্বতারোহীদের মধ্যে এভারেস্টে সবচেয়ে বেশি আরোহণের রেকর্ড ব্রিটিশ গাইড কেনটন কুলের, যিনি ১৯ বার শৃঙ্গে উঠেছেন। তার পরেই রয়েছেন মার্কিন পর্বতারোহী ডেভ হান ও গ্যারেট মেডিসন, ১৫ বার করে এভারেস্ট জয় করেছেন তারা। কুল ও ম্যাডিসন বর্তমানে নতুন এভারেস্ট অভিযানে রয়েছেন।

বিদেশী পর্বতারোহীদের এভারেস্ট ও অন্যান্য শৃঙ্গে পথ নির্দেশ করা সোলুখুম্বু অঞ্চলের অনেক শেরপা পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস। এভারেস্টের কাছাকাছি এ অঞ্চলেই শেরপাদের বসবাস বেশি।

চলতি মার্চ-মে মৌসুমে এভারেস্ট অভিযানের জন্য ৪৯২টি অনুমতি দিয়েছে নেপাল সরকার। তবে চলতি মাসেই পর্বতটিতে তিন নেপালি আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।

07/04/2026

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ নির্ধারণে শুরু হচ্ছে আধুনিক জরিপ অভিযান। দীর্ঘদিনের বিতর্ক - বাংলাদেশের প্রকৃত সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?

এবার সেই প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর খুঁজতে মাঠে নেমেছে সরকারিভাবে একটি বিশেষজ্ঞ জরিপ দল। অবশেষে শেষ হতে যাচ্ছে বহুদিনের বিতর্ক - বাংলাদেশের আসল ‘সর্বোচ্চ চূড়া’ কোনটি! প্রকৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই সমন্বয় আমাদের দেশকে আরও সমৃদ্ধ তথ্যভান্ডারের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

৪ এপ্রিল থেকে ১২ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত
বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর পরিচালনা করছে একটি উন্নত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জরিপ কার্যক্রম, যেখানে বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল - রুমা ও থানচির পাহাড়গুলো নতুন করে পরিমাপ করা হচ্ছে।

এই অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি:
✔️ GNSS (Global Navigation Satellite System)
✔️ RTK রিসিভার
✔️ টোটাল স্টেশন
✔️ লেভেল মেশিন
✔️ জিওড মডেল প্রযুক্তি

লক্ষ্য: পাহাড়ের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ ও সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা (MSL) সেন্টিমিটার লেভেলের নির্ভুলতায় নির্ধারণ। জরিপ দল কাজ করছে বান্দরবানের দুর্গম ও অপরূপ এলাকায়: থানচি, রুমা, রেমাক্রি, তিন্দু

কোন পাহাড়টি হবে দেশের সর্বোচ্চ?

দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা তিনটি শৃঙ্গ: তাজিংডং, কেওক্রাডং ও সাকা হাফং

এই জরিপের মাধ্যমে অবশেষে নির্ধারণ করা হবে - বাংলাদেশের প্রকৃত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি। এই গুরুত্বপূর্ণ জরিপ পরিচালিত হচ্ছে অভিজ্ঞ টিমের মাধ্যমে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন দেশের সার্ভেয়ার জেনারেল এবং বিশেষজ্ঞ জরিপ কর্মকর্তারা।

কেন এই জরিপ গুরুত্বপূর্ণ?

✔️ জাতীয় ভৌগোলিক তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করবে
✔️ ভবিষ্যৎ গবেষণা ও ম্যাপিং সহজ হবে
✔️ পর্যটন ও অ্যাডভেঞ্চার ট্রাভেলের জন্য নতুন দিগন্ত খুলবে
✔️ দেশের পাহাড়প্রেমীদের জন্য দেবে নিশ্চিত তথ্য

সূত্র: ISPR Bangladesh

02/02/2026

🎉 I earned the emerging talent badge this week, recognising me for creating engaging content that sparks an interest among my fans!

Photos from Everest Academy :: এভারেস্ট একাডেমী's post 25/01/2026

সেফটি রোপ ছাড়াই
মার্কিন পর্বতারোহী অ্যালেক্স'র
তাইপেই ১০১ চূড়া জয়

কোনো ধরনের নিরাপত্তা দড়ি বা সুরক্ষা জাল ছাড়াই তাইওয়ানের সর্বোচ্চ বহুতল ভবন তাইপেই ১০১-এর চূড়ায় উঠে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন পর্বতারোহী অ্যালেক্স হনল্ড। রোববার হাজারও দর্শকের উল্লাস ও করতালির মধ্যে তিনি ভবনটির ছাদে পৌঁছান।

১ হাজার ৬৬৭ ফুট উচ্চতার এই ভবনে উঠতে হনল্ডের সময় লেগেছে মাত্র ৯১ মিনিট। নেটফ্লিক্সের আয়োজনে সরাসরি সম্প্রচারিত এই ‘ফ্রি সোলো’—অর্থাৎ কোনো সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই—আরোহণ শেষে চূড়ায় পৌঁছে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি একে ‘অসাধারণ’ (সিক) বলে বর্ণনা করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “তাইপেই দেখার জন্য এর চেয়ে দারুণ উপায় আর হতে পারে না।” বৃষ্টির কারণে এই অভিযান এক দিন পিছিয়ে রোববার অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবনের মর্যাদা ধরে রাখা তাইপেই ১০১ তাইওয়ানের অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ। হনল্ড জানান, একসময় তিনি অনুমতি ছাড়াই ভবনটিতে ওঠার কথা ভেবেছিলেন। তবে ভবনটির প্রতি শ্রদ্ধা এবং সংশ্লিষ্ট দলের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি নিয়মতান্ত্রিকভাবেই অভিযানটি সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেন।

এ অভিযানের নির্বাহী প্রযোজক জেমস স্মিথ বলেন, একটি ভবন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এভাবে একজন আরোহীর ওপর আস্থা রেখে অনুমতি দেওয়া অত্যন্ত বিরল ঘটনা।

সাধারণত সেমিকন্ডাক্টর শিল্প বা চীনের সামরিক হুমকির প্রসঙ্গে তাইওয়ান আন্তর্জাতিক সংবাদে উঠে আসে। তবে এমন রোমাঞ্চকর অভিযানের মাধ্যমে দেশটিকে ভিন্নভাবে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার জন্য হনল্ড ও নেটফ্লিক্সকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাইওয়ানের রাজনীতিকরা।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে নিজের ফেসবুক পাতায় অভিনন্দন জানিয়ে লেখেন- “সাহসী ও নির্ভীক অ্যালেক্সকে এই চ্যালেঞ্জ সম্পন্ন করার জন্য অভিনন্দন। বিশ্ব শুধু তাইপেই ১০১-কে দেখেনি, একই সঙ্গে দেখেছে তাইওয়ানের মানুষের উষ্ণতা ও এ দেশের সৌন্দর্য।”

এর আগে ২০০৪ সালে ‘স্পাইডারম্যান’ খ্যাত ফরাসি ক্লাইম্বার অ্যালাইন রবার্ট তাইপেই ১০১-এ আরোহণ করেছিলেন। সে সময় তিনি নিরাপত্তা দড়ি ব্যবহার করেন এবং তার সময় লেগেছিল প্রায় চার ঘণ্টা। তবে এবার কোনো সরঞ্জাম ছাড়াই মাত্র ৯১ মিনিটে সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন অ্যালেক্স হনল্ড। রয়টার্স

অ্যালেক্স হনল্ড (জন্ম: ১৭ আগস্ট, ১৯৮৫) একজন আমেরিকান রক ক্লাইম্বার যিনি বড় দেয়ালে একাকী আরোহণের জন্য সর্বাধিক পরিচিত । ২০১৭ সালের জুনে হোনল্ড বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেন যখন তিনি ইয়োসেমাইট জাতীয় উদ্যানের এল ক্যাপিটানে (৮৮০-মিটার (২,৯০০ ফুট) রুট ফ্রিরাইডারের মাধ্যমে ৫.১৩এ উচ্চতায়, যা সেই গ্রেডে প্রথমবারের মতো বড় দেয়ালে একাকী আরোহণ) সম্পূর্ণ রুটে একাকী আরোহণকারী প্রথম ব্যক্তি হয়ে ওঠেন । দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে এই আরোহণকে " যে কোনও ধরণের দুর্দান্ত অ্যাথলেটিক কীর্তিগুলির মধ্যে একটি" হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে ।

২০১৫ সালে, তিনি প্যাটাগোনিয়ায় সেরো চালটেন গ্রুপের (বা ফিটজরয় গ্রুপ) এনচেইনমেন্ট (ফিটজ ট্র্যাভার্স নামে পরিচিত) ৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য টমি ক্যাল্ডওয়েলের সাথে আলপাইন ক্লাইম্বিংয়ে পিওলেট ডি'অর জিতেছিলেন। এ বছর (২০২৬ সালের) ২৫ জানুয়ারী, তাইওয়ানের তাইপেইতে তাইপেই ১০১ টাওয়ারে বিনামূল্যে একক আরোহণে তিনি সফল হন , যা ইতিহাসের সবচেয়ে উঁচু শহুরে বিনামূল্যে একক আরোহণ।

হনল্ড হলেন (ডেভিড রবার্টসের সাথে) স্মৃতিকথা "অ্যালোন অন দ্য ওয়াল" (২০১৫) এবং ২০১৮ সালের জীবনীমূলক তথ্যচিত্র " ফ্রি সোলো" এর লেখক, যা একটি BAFTA এবং একটি একাডেমি পুরস্কার জিতেছে ।

Photos from Everest Academy :: এভারেস্ট একাডেমী's post 20/01/2026

মাউন্ট এভারেস্টে মানুষ বরফে জমে মারা যায় মূলত "ডেথ জোন" (৮,০০০ মিটারের উপরে) এর চরম অবস্থার কারণে: অত্যন্ত কম অক্সিজেন (হাইপোক্সিয়া), ভয়াবহ ঠান্ডা তাপমাত্রা (প্রায়শই -৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার কম), এবং দুর্বল ক্লান্তি, যার ফলে হাইপোথার্মিয়া এবং ফ্রস্টবাইট হয়, যা বিভ্রান্তি, দুর্বল বিচারক্ষমতা এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অকেজো হয়ে যায়, প্রায়শই পর্বতারোহীরা নড়াচড়া করতে বা সাহায্যের জন্য ডাকতে অক্ষম হয়- সর্বোপরি মৃত্যুর পর তাদের দেহ বরফে সংরক্ষিত থাকে।

ছবি: ক্রনিকল মাউন্টেনিয়ারিং

13/01/2026

নেপাল: প্রকৃতি আর অ্যাডভেঞ্চারের মহা মঞ্চ

আপনি যদি ঝাঁপিয়ে পড়তে চান জীবনের সবচেয়ে উচ্চমানের অ্যাডভেঞ্চারে - তাহলে নেপাল হতে পারে আপনার প্রিয় গন্তব্য! পাহাড়, উপত্যকা, নদী আর চির নীল আকাশের মাঝে নেপাল এমন কিছু অভিজ্ঞতা দেয় যা খুব সহজে অন্য কোথাও পাওয়া যায় না।

১. পোখারার প্যারাগ্লাইডিং: আকাশে উড়ার স্বপ্ন যখন বাস্তব

নেপালের পোখারা শুধু একটি পর্যটন শহর নয় - এটি বিশ্বের অন্যতম সেরা প্যারাগ্লাইডিং ডেস্টিনেশন। অন্নপূর্ণা পর্বতমালা, মাচ্ছাপুচ্ছ্রে (Fishtail) পাহাড়, নীল Phewa Lake আর সবুজ উপত্যকার উপর দিয়ে পাখির মতো উড়ে যাওয়ার অনুভূতি—এই অভিজ্ঞতা জীবনে একবার হলেও নেওয়া উচিত।

কোথা থেকে উড়বেন?
প্যারাগ্লাইডিং শুরু হয় Sarangkot পাহাড় থেকে, যা পোখারা শহরের কাছেই অবস্থিত। প্রায় ১,৬০০ মিটার উচ্চতা থেকে টেক-অফ নিয়ে আপনি ধীরে ধীরে ভেসে যাবেন আকাশে।

আকাশ থেকে কী দেখবেন?
উড়ার সময় আপনার চোখের সামনে একে একে ভেসে উঠবে - অন্নপূর্ণা রেঞ্জ, মাচ্ছাপুচ্ছ্রে (ফিশটেইল), পোখারা ভ্যালি, Phewa Lake এর নীল জলরাশি, ছোট গ্রাম, পাহাড়ি রাস্তা আর সবুজ বনভূমি

এই দৃশ্যগুলো এতটাই নিখুঁত যে অনেকেই একে বলেন “Heaven from the Sky”।

সময় কত লাগে?
সাধারণত ২০–৩০ মিনিট আকাশে থাকা যায়।
আবহাওয়া ভালো হলে সময় আরও কিছুটা বাড়তেও পারে।

নিরাপত্তা ও অভিজ্ঞতা
পোখারার প্যারাগ্লাইডিং সম্পূর্ণ Tandem Flight - অর্থাৎ
একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত, অভিজ্ঞ পাইলট আপনার সঙ্গে থাকবেন
আলাদা কোনো প্রশিক্ষণ প্রয়োজন নেই
বয়স সাধারণত ১০–৬৫ বছর (শারীরিকভাবে ফিট হলে)
সব ধরনের সেফটি গিয়ার, হেলমেট ও হারনেস দেওয়া হয়।

খরচ কত? (প্যাকেজভেদে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে)
আনুমানিক খরচ: USD 80 – 125
হোটেল পিক-আপ
পাইলট ফি
সেফটি গিয়ার
ছবি ও GoPro ভিডিও (কিছু ক্ষেত্রে আলাদা চার্জ)

কখন করবেন?
সেরা সময়:

সেপ্টেম্বর – নভেম্বর (Autumn)
মার্চ – মে (Spring)
বর্ষাকাল (জুন–আগস্ট) এড়িয়ে চলাই ভালো।

কী পরবেন ও নেবেন?
আরামদায়ক জ্যাকেট, স্পোর্টস শু, সানগ্লাস, হালকা ব্যাকপ্যাক, মোবাইল/ক্যামেরা (স্ট্র্যাপ সহ)

কেন পোখারার প্যারাগ্লাইডিং আলাদা?
বিশ্বের টপ প্যারাগ্লাইডিং স্পট
পাহাড় + লেক + ভ্যালি - সব একসাথে
নতুনদের জন্যও নিরাপদ
অ্যাডভেঞ্চার ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নিখুঁত মেলবন্ধন

পোখারার আকাশে উড়ে দেখুন - ভয় নয়, থাকবে শুধু মুক্তির আনন্দ। এটাই সেই অভিজ্ঞতা, যা আপনার ট্রাভেল লাইফের সবচেয়ে উজ্জ্বল স্মৃতি হয়ে থাকবে।

২. নেপালের বাঞ্জি জাম্প: ভয়কে জয় করার চূড়ান্ত পরীক্ষা

নেপাল শুধু হিমালয় আর ট্রেকিংয়ের দেশ নয় - এটি বিশ্বের অন্যতম সেরা Extreme Adventure Destination। এর মধ্যে সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও সাহসিকতার প্রতীক হলো Bungee Jumping। গভীর গিরিখাতের উপর ঝুলে থাকা সেতু থেকে নিচে ঝাঁপ দেওয়ার সেই মুহূর্ত - যা একবার নিলে আজীবন মনে থেকে যায়।

কোথায় বাঞ্জি জাম্প করা যায়?

১) কুশমা বাঞ্জি (Kushma Bungee Jump)

উচ্চতা: প্রায় 228 মিটার (বিশ্বের অন্যতম উঁচু বাঞ্জি জাম্প)
অবস্থান: পোখারা থেকে ~২ ঘণ্টা
নদী: কালী গণ্ডকী
বিশেষত্ব: গভীর গিরিখাত, আধুনিক স্টিল ব্রিজ, অত্যাধুনিক সেফটি

বর্তমানে এটি নেপালের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ভয়ংকর বাঞ্জি জাম্প স্পট।

২) ভোতে কোশী বাঞ্জি (Bhote Koshi Bungee)

উচ্চতা: প্রায় 160 মিটার
অবস্থান: কাঠমান্ডু থেকে ~৩ ঘণ্টা
নদী: ভোতে কোশী
বিশেষত্ব: প্রাকৃতিক জঙ্গল, নদীর গর্জন, নেপালের প্রথম বাঞ্জি স্পট

প্রকৃতির মাঝখানে ক্লাসিক বাঞ্জি অভিজ্ঞতা চান - এখানেই উপযুক্ত।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা
নেপালের বাঞ্জি জাম্পিং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পরিচালিত হয়।

আন্তর্জাতিক সার্টিফায়েড অপারেটর
ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড ইলাস্টিক কর্ড
প্রশিক্ষিত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত ক্রু
ডাবল-চেক হারনেস ও সেফটি সিস্টেম

নতুনদের জন্যও নিরাপদ, তবে নিয়ম মেনে চলা বাধ্যতামূলক।

বয়স ও ওজন সীমা
বয়স: সাধারণত ১৮–৬০ বছর
ওজন: আনুমানিক ৪৫–১১০ কেজি
হার্ট সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, গর্ভাবস্থা থাকলে অনুমতি নেই

খরচ কত?
আনুমানিক খরচ:

কুশমা: USD 100–150
ভোতে কোশী: USD 90–120

(প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে)
জাম্প ফি
সেফটি গিয়ার
সার্টিফিকেট
ভিডিও/ফটো (কিছু ক্ষেত্রে আলাদা চার্জ)

কখন বেস্ট সময়?
সেরা সময়:

সেপ্টেম্বর – নভেম্বর
মার্চ – মে
বর্ষাকাল (জুন–আগস্ট) এড়ানো ভালো।

কী পরবেন?
আরামদায়ক পোশাক, স্পোর্টস শু, হালকা জ্যাকেট, মোবাইল/গয়না জাম্পের আগে খুলে রাখতে হবে

কেন নেপালের বাঞ্জি জাম্প আলাদা?
বিশ্বের সর্বোচ্চগুলোর একটি
হিমালয়ঘেরা প্রকৃতি
আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা
ভয় + অ্যাডভেঞ্চারের চূড়ান্ত সংমিশ্রণ

এক লাফেই ভয় পেছনে পড়ে যায় - আর সামনে থাকে শুধু সাহস। নেপালের বাঞ্জি জাম্প মানে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করা।

৩. নেপালের হট এয়ার বেলুন: আকাশ থেকে হিমালয় দেখার স্বপ্নপূরণ

নেপাল মানেই অ্যাডভেঞ্চার - তবে সব রোমাঞ্চ যে ভয়ংকর হবে, তা নয়। যারা শান্ত, নিরাপদ অথচ অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা চান, তাদের জন্য Hot Air Balloon Ride নেপালের অন্যতম অনন্য আয়োজন। ধীরে ধীরে আকাশে ভেসে ওঠা বেলুন থেকে হিমালয়ের শুভ্র চূড়া, পাহাড়, হ্রদ আর সবুজ উপত্যকা দেখা - এক কথায় স্বপ্নের মতো।

কোথায় হট এয়ার বেলুন করা যায়?

১) পোখারা (সবচেয়ে জনপ্রিয়), পোখারা নেপালের হট এয়ার বেলুনিংয়ের প্রধান কেন্দ্র।

লোকেশন: পোখারা ভ্যালি
যা দেখতে পাবেন: অন্নপূর্ণা রেঞ্জ, মাচ্ছাপুচ্ছ্রে (ফিশটেইল), ফেওয়া লেক, পাহাড়ঘেরা গ্রাম ও উপত্যকা

২) কাঠমান্ডু ভ্যালি (সীমিত আয়োজন)

ঐতিহাসিক মন্দির, পাহাড়ি প্রাকৃতিক দৃশ্য
তবে আবহাওয়া ও এয়ার ট্রাফিকের কারণে খুব সীমিত

কখন উড়ানো হয়?
সাধারণত ভোরে (Sunrise Flight)
কখনো কখনো Sunset Flight

হিমালয় পরিষ্কার দেখতে সূর্যোদয়ের সময়ই সবচেয়ে ভালো।

সময়কাল
মোট সময়: ৩–৪ ঘণ্টা
উড়াল সময়: ৩০–৬০ মিনিট
প্রস্তুতি, ব্রিফিং ও ল্যান্ডিংসহ

নিরাপত্তা ব্যবস্থা
নেপালের হট এয়ার বেলুনিং পরিচালিত হয় আন্তর্জাতিক মানে।

লাইসেন্সপ্রাপ্ত পাইলট
নিয়মিত টেকনিক্যাল চেক
ওয়েদার ডিপেন্ডেন্ট ফ্লাইট
বীমা কভারেজ অন্তর্ভুক্ত

ঝুঁকি কম, পরিবার ও দম্পতিদের জন্য নিরাপদ।

কে করতে পারবেন?
বয়স: সাধারণত ৫–৭০ বছর
শিশু ও বয়স্কদের জন্য উপযোগী
গর্ভবতী নারী ও গুরুতর হার্ট/হাড়ের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য নয়

খরচ কত?
আনুমানিক খরচ (পোখারা):
USD 150 – 220 প্রতি জন

প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত থাকে:
হট এয়ার বেলুন রাইড
হোটেল পিকআপ-ড্রপ
সার্টিফিকেট
হালকা রিফ্রেশমেন্ট
কিছু ক্ষেত্রে ফটো/ভিডিও

বেস্ট সময় কখন?
সেরা সময়:
অক্টোবর – এপ্রিল
বর্ষাকাল (জুন–আগস্ট) এ বাতাস ও মেঘের কারণে অনেক সময় ফ্লাইট বাতিল হয়।

কী পরবেন?
হালকা জ্যাকেট (ভোরে ঠান্ডা থাকে), স্পোর্টস শু, সানগ্লাস, ক্যামেরা / মোবাইল (স্ট্র্যাপসহ)

কেন হট এয়ার বেলুন আলাদা?
ভয় নেই, শুধু বিস্ময়
হানিমুন ও কাপলদের জন্য পারফেক্ট
ফটোগ্রাফির স্বর্গ
আকাশ থেকে হিমালয় দেখার বিরল সুযোগ

পাহাড় ছোঁয়ার নয় - পাহাড়ের ওপর ভেসে থাকার অনুভূতি। নেপালের হট এয়ার বেলুন মানে শান্ত অ্যাডভেঞ্চারের চূড়ান্ত রূপ।

পরিকল্পনা করা শুরু করুন, আর আগেই বুকিং করলে স্লট কম দামে পাওয়া যায় এবং ফ্লাইট ও ভ্রমণ খরচ কমানো যায় ।

নেপালেই আপনাকে অপেক্ষা করছে জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় অ্যাডভেঞ্চারগুলোর একঝাঁক! উড়ুন, ঝাঁপ দিন, আকাশের কাছে পৌঁছান - আর ফিরে যান স্মৃতিতে ভরপুর মন নিয়ে।

31/12/2025

Happy New Year 2026 from Everest Academy!

A brand new year means new goals, new journeys, and greater achievements.
As we step into 2026, let’s climb higher, dream bigger, and turn ambitions into success—together.

May this year bring fresh opportunities, exciting adventures, and continued growth for every learner and achiever.

Pack your determination.
Embrace new knowledge.
Move forward with confidence.

Here’s to another year of progress and excellence. Happy New Year! 🎉

— Everest Academy BD

24/11/2025

মাত্র ১১ বছর বয়সে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে আনা—বাংলাদেশের গর্ব!

এভারেস্ট বেস ক্যাম্প—পর্বতপ্রেমীদের স্বপ্নের নাম। কিন্তু সেখানে যদি কোনো শিশু পৌঁছে যায়?
হ্যাঁ, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য—মাত্র ১১ বছরের আতানায হায়াত চৌধুরী (আনা) অক্টোবর ২০২৫-এ পৌঁছে গেছে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের বেস ক্যাম্পে!

এই দলে ছিলেন ১১ থেকে ৫১ বছর বয়সী তিন প্রজন্মের মানুষ, আর সবার মধ্যে সবচেয়ে ছোট এবং সাহসী ছিল আনা। তার সঙ্গে ছিলেন মা জোহোরা কুলসুম, যা পুরো যাত্রাটিকে আরও আবেগপূর্ণ করে তোলে।

কঠিন আবহাওয়ায় শুরু যাত্রা

২,৮০০ মিটার উচ্চতা থেকে শুরু হওয়া ট্রেকটি শুরু হয় টানা বৃষ্টির মধ্যে। অস্থির নেপালের আবহাওয়া যাত্রার পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে বাধ্য করে। প্রথম চার দিন তেংবুচে থেকে দেবুচে—ভেজা, কাদা, বরফ আর ঠান্ডা মোকাবিলা করেই হাঁটতে হয়েছে সবাইকে।
তবুও দলটি বিশ্বাস করেছে—“পর্বত কখনো নিরাশ করে না।”

পঞ্চম দিন থেকে যখন রোদ উঠল, তখনও নতুন বিপদ—গলিত বরফে পিচ্ছিল পথ। তারপর থুকলা পাসে (৪৬০০–৪৯০০ মিটার) তীব্র তুষারপাত ও হোয়াইটআউটের মধ্যে এগোতে হয়েছে দলটিকে।

অবশেষে স্বপ্নপূরণ

৯ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট—
প্রায় ৭০ কিমি কঠিন ট্রেইল অতিক্রম করে আনা পৌঁছে যায় ৫,৩৬৪ মিটার উচ্চতার এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে। মা–মেয়ের হাত ধরাধরি করে চলার সেই মুহূর্তটি দলের জন্য ছিল অবিস্মরণীয়।

ট্রেক লিডার মাসুদ পরিবেজ সুজন বলেন—
“পর্বত ধৈর্যের পরীক্ষা নেয়। আনার হাত ধরে বরফের ওপর দিয়ে এগোতে এগোতে যখন সামনে তার মাকে দেখলাম—মা ও মেয়ে একসাথে বেস ক্যাম্পে পৌঁছাচ্ছে—এটা জীবনের অন্যতম আবেগময় দৃশ্য।”

আনার প্রস্তুতি—৩ মাসের পরিকল্পনা

আনা কিন্তু হিমালয়ে উঠতে একেবারে হঠাৎ করে আসেনি।
আগেই সে রাঙামাটির ধুপ্পানি, মুপ্পোছড়া, নোকাটা ঝরনা, দেবতাখুম, বগালেক, কেওক্রাডং—এসব জায়গায় ট্রেক করেছে।

‘The Altitude Hunter’ অ্যাডভেঞ্চার গ্রুপের অধীনে তিন মাসের প্রস্তুতিতে—
✔ নিয়মিত হাঁটা
✔ স্কুল স্পোর্টস
✔ সিঁড়ি ওঠা–নামা
✔ শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যায়াম
✔ পুষ্টিকর খাবার
✔ হিমালয় উপযোগী পোশাক–জুতার প্রস্তুতি
সবকিছুই কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।

ট্রেক চলাকালীন আনার গতি, খাবার, পানি, বিশ্রাম—সবকিছুই আলাদাভাবে মনিটর করেছেন সুজন। বরফে হাঁটার জন্য মাইক্রোস্পাইকও ব্যবহার করা হয়।

আনার নিজের ভাষায় অভিজ্ঞতা

“দেশের পাহাড়ে ট্রেক করেছি, কিন্তু EBC ছিল পুরো ভিন্ন অভিজ্ঞতা। প্রথমদিকে বৃষ্টি আর ঠান্ডা খুব কঠিন লাগছিল। বরফ গলতে থাকায় পথ পিচ্ছিল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পুরো দলের ভালোবাসা ও উৎসাহ আমাকে শক্তি দিয়েছে।
বেস ক্যাম্পে পৌঁছে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না!”

বন্ধুরা নাকি এখনো বিশ্বাস করতে পারে না—
“ওরা ভাবে আমি নাকি স্বপ্ন দেখে গল্প বানাচ্ছি!” —হেসে বলেছে আনা।

পর্বত ডাকলে বয়স বাধা নয়

ট্রেক লিডার সুজনের মতে—
শিশুরা যদি প্রকৃতি ভালোবাসে, তাদের ছোট ট্রেকে নিয়ে গিয়ে ধীরে ধীরে প্রশিক্ষণ দিলে তারা বড় লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে। আনার মা যেভাবে পাশে থেকেছেন—সেটাই সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।

আনা—নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা

বাংলাদেশে শিশুদের অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসে অংশগ্রহণ এখনো কম। কিন্তু আনা দেখিয়ে দিয়েছে—
স্বপ্ন সত্যি করতে বয়স নয়, সাহস ও প্রস্তুতিই আসল শক্তি।

এই সাফল্য শুধু আনার নয়—
এটা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অভিযাত্রীদের জন্য এক নতুন পথচলা।

Photos from Everest Academy :: এভারেস্ট একাডেমী's post 17/10/2025

চলে গেলেন প্রথম
এভারেস্টজয়ী দলের শেষ
জীবিত সদস্য কাঞ্চা শেরপা

বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করা প্রথম অভিযানের শেষ জীবিত সদস্য কাঞ্চা শেরপা মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ৯২ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়েছে। খবর বিবিসি'র।

নেপালের অন্যান্য পর্বতারোহীরা কাঞ্চা শেরপাকে বর্ণনা করেছেন এক 'দুর্দান্ত কিংবদন্তি' ও 'অনুপ্রেরণার উৎস' হিসেবে।

তার পরিবার জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৫৩ সালে কাঞ্চা শেরপা মাত্র ১৯ বছর বয়সে যোগ দিয়েছিলেন এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগের নেতৃত্বাধীন সেই ঐতিহাসিক অভিযানে।

৩৫ সদস্যের সেই অভিযাত্রিক দলে তিনি পর্বতারোহীদের সহায়তাকারী (পোর্টার) হিসেবে যুক্ত হন, যদিও আগে কখনো পাহাড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা ছিল না তার। টানা দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা কঠিন যাত্রায় তিনি খাদ্য, তাঁবু ও বিভিন্ন সরঞ্জাম বহন করে বেস ক্যাম্প পর্যন্ত পৌঁছান।

পরে তিনি ছিলেন সেই তিনজন শেরপার একজন, যারা ৮ হাজার মিটার (২৬ হাজার ২৪৭ ফুট) উচ্চতার ওপরে উঠতে পেরেছিলেন।

এভারেস্ট অভিযানের পর তিনি আরও দুই দশক হিমালয়ের দুর্গম অঞ্চলে উচ্চপর্যায়ের পোর্টার হিসেবে কাজ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত তার স্ত্রী অনুরোধ জানান বিপজ্জনক এসব যাত্রা বন্ধ করতে। আর তারপরই তিনি পর্বতারোহণের জীবন থেকে সরে আসেন।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


House # 05, 3rd Floor, Road # 17, Block # E, Banani
Dhaka
1213

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00