25/04/2019
নাইট রাইট
RasulbaG
R: Ride
R; Race
R: Rush
25/04/2019
নাইট রাইট
23/12/2018
31/10/2018
If anyone want to know new draft about Road Transports then see this...
Causing Death by Rash Driving: Maximum 5 years' jail A draft law approved by the cabinet yesterday proposes a maximum punishment of five years' imprisonment for causing death to a person by reckless driving, drawing strong criticism from road safety campaigners who termed the sentence insufficient to end anarchy on roads.
gixxer vs R15 v3
22/02/2018
Made by Bangladesh
model of the year
19/12/2017
On behalf my bikers brother
সতর্কীকরণ পোস্টঃ
আজকে পারসনাল কাজে পল্টনের দিকে যাচ্ছিলাম, প্রচণ্ড জ্যামের কারনে ফার্মগেটে বসে ছিলাম প্রায় আধা ঘণ্টা। এমন সময় এক লোক এসে বলল "ভাই কোন দিকে যাবেন?" বললাম "পল্টন যাচ্ছি"।
"আমি পুলিশের লোক, আমাকে একটু সামনে নামায় দেন, আমিও ওইদিকে যাবো।" পুলিশের পোশাক না থাকলেও চুলের কাটিং দেখে কিছুটা পুলিশ পুলিশ মনে হল। স্বাভাবিক ভাবেই বললাম উঠেন। জ্যাম ছাড়ার পর বাইক টান দিলাম। মোটামটি জ্যামের মধ্যে টুকটুক করতে করতে কাওরান বাজার পর্যন্ত আসলাম। এই সময়ের মধ্যে আমি কি করি, কই থাকি, আয় রোজগার কেমন, দেশের পরিস্থিতি এই সব বিষয়ে নানান কথা সে জিজ্ঞেস করে ফেলে। সার্ক ফোয়ারা পার করার পর আমার হঠাৎ কিছুটা আনইজি লাগে। কারন লোকটা দুইবার আমার কোমরে বেল্টের ওই জায়গায় দুইবার হাত দিসে। বাংলামোটর আবার জ্যামে বসে সে আমাকে কয়েকবার বলল "ভাই অনেক জ্যাম, শাহবাগ দিয়া না যাইয়া শেরাটনের ভি আই পি দিয়া যান। বারবার বলাতে আমার আরও সন্দেহ বাড়ল। আমি একটা কারন দেখাইয়া বললাম "ভাই আমি যাইতে পারবো না, আমার একটা জরুরি কাজ পইরা গেসে, আপনি এখানেই নেমে যান।" একটু গাইগুই করার পর আমি প্রায় জোর করে তাকে আমার বাইক থেকে নামায় দেই। নামায় দিয়ে কিছুদূর যেয়ে ভি আই পি রোডের মাথায় যেয়ে বাইক থামিয়ে সর্ব প্রথম কোমরে হাত দেই। হাত দিয়ে আমি তো অবাক, দেখি বেল্ট এর চিপায় একটা ছোট কাগজের পোটলা। খুলে দেখি ভিতরে দুই দুইটা ইয়াবা। সাথে সাথেই সব পানির মত পরিস্কার হয়ে গেল। দ্রুত নিজের সারা বডি চেক করলাম, বাইকের যত চিপাচাপা আছে সব চেক করলাম। নাহ, আর কিছু নাই। ইয়াবা দুইটা ফেলে আবার বাইক টান দিলাম। এবং যথারীতি সামনে একটা চেকপোস্ট। বাইক থামালো। কাগজ পত্র না দেখতে চেয়ে বলল গারি থেকে নামেন, চেক হবে। মানুষিক ভাবে এর জন্য প্রস্তুত ছিলাম। শীতের কাপড় খুলে , জায়গা বেজায়গা হাতাইয়া চেক করল, বাইক চেক করল। কিছুই না পেয়ে কিছু উল্টাপাল্টা প্রশ্ন শুরু করসিল, সুযোগ দেই নাই। পরিচিত কিছু পুলিশ ভাই ব্রাদার এর পরিচয় দিতেই বলল আপনি যান। তাদের নাম দেখার চেষ্টা করলাম,পারলাম না। কারই নেমপ্লেট নাই। আল্লাহর অশেষ রহমতে বিশাল একটা ফাড়া থেকে বাঁচলাম। বাইকার ভাইরা সাবধানে থাকবেন, অপরিচিত কাউকে বাইকে লিফট দেয়ার আগে সাবধান। আমি আজকে বেঁচে গেছি, আপনি হয়ত ফাদে পা দিয়েও দিতে পারেন। দিলেই মান সম্মান, টাকা পয়সা সব যাবে।
Drive Safe.
বিঃ দ্রঃ আমি পাঠাও এর কোন গ্রুপ এ নাই, কোন পাঠাও ভাই পারলে পাঠাও এর গ্রুপ গুলোতে শেয়ার করে দিন।
Collected
what ever we ride : don't define us ' .. only riding quality : define us ' .. what we are ' .
Collected. 🏍️ ❤️ 🏍️
05/12/2017
(COLLECTED)
প্রায় চারবছর আগের গল্প ।
মৌলভিবাজারের শমশেরনগরে পুরো ফাঁকা রাস্তায় আমি আর আমার এক জুনিয়র মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কবলে পড়ি । আমি বাইক চালাচ্ছিলাম এবং দোষ আমারই ছিলো । আমি যথেষ্ট সাবধান ছিলাম না, বৃষ্টিভেজা রাস্তায় আমার স্পিড অনেক বেশি ছিলো এবং পাশ কাটিয়ে না গিয়ে আমার উচিৎ ছিলো হঠাৎ রাস্তায় দৌড়ে আসা গরুর পেট বরাবর সেঁধিয়ে যাওয়া ।
এ্যাক্সিডেন্টের পর আমি মোটামুটি মমিফাইড অবস্থায় বিছানায় ছিলাম প্রায় ৩ মাস । পুরো শরীর ছিলে গিয়েছিলো, বামহাতের একখাবলা মাংস রাস্তায় রেখে এসেছিলাম এবং আমার হিউমেরাস ডিসলোকেটেড হয়েছিলো । পিজিওথেরাপিস্ট যদি সদয় না হতেন, হয়তো আমি পঙ্গুত্ববরণ করতাম । যদি সেদিন রাস্তা ফাকা না থেকে উল্টোদিক থেকে কোন যাত্রীবোঝাই বাস আসতো, হয়তো, আমি এই স্ট্যাটাসটা লিখতে পারতাম না ।
আমার গাড়ি নেই, এই বিশাল শহরে একটা মোটরসাইকেলই আমার একমাত্র যানবাহন । আমার এ্যাক্সিডেন্টের পরে আমি মোটরসাইকেল চালানো বন্ধ করিনি, কিন্তু, এই একটি দুর্ঘটনা, আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে । এ্যাক্সিডেন্ট করে শেখার চেয়ে মেগাবাইট খরচ করে শেখা সহজতর, তাই খেটেখুটে লিখছি ।
মোটরসাইকেল মেইনটেইন করা সহজ, খরচ নেই বললেই চলে । ট্রাফিক জ্যামের চিপাচুপা দিয়ে যাওয়া যায় বলে, বেশ জনপ্রিয় এই মাধ্যমটি । পাঠাও, উবারের কল্যাণে এখন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বানিজ্যিক ভাবেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে চলেছে এই দ্বিচক্রযানটি ।
মোটরসাইকেল সবচেয়ে সহজলভ্য মোটরযান, কিন্তু একইসাথে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণও । মোটরকারের মত নিরাপদ নয় মোটরসাইকেল চালনা । পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শতকরা ৮০ ভাগ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ঘটে চালকের ভুলে নয়, অন্য কোন কারণে । কিন্তু , সামান্য কিছু সাবধানতা পারে, এই দুর্ঘটনার সম্ভাবনাকে অনেকাংশে কমিয়ে নিয়ে আসতে। আসুন, এগুলো নিয়ে একটু আলোচনা করি।
১. একজন দক্ষ বাইকার হবার প্রথম এবং প্রধান শর্ত – হেলমেট পড়ে বাইক . চালানো । ১০০ টাকার প্লাস্টিকের হেলমেট না, একটা ভালো হেলমেট – যেটা পড়ে আপনি নিরাপদে বাইকভ্রমণ করতে পারেন । আপনি ভ্যালেন্টিনো রসি হতে পারেন, কিন্তু যদি আপনি সেফ না হন, আপনি প্রথম শ্রেণীর একজন অপদার্থ ছাড়া আর কিছুই নন। একজন ভালো বাইকার কখনোই ভালো হেলমেট ছাড়া বাইক চালান না। হেলমেটের দাম মোটেই খুব বেশি নয়, পরিষ্কার করাও কঠিন কিছু নয় । কিন্তু, হেলমেট ছাড়া বাইক চালানোর মাঝে কোন হিরোইজম নেই ।
২. তেমনি হিরোইজম নেই গতির ফোয়ারা ছোটানোতে । আপনার গতি আপনার ক্ষতির কারণ হলে, গতিকে বারণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ । বিশ্বাস করুন, আপনার মোটরসাইকেলের গতি ২০ কেএমপিএইচ কম হলে ভার্সিটির সুন্দরী মেয়েটি আপনাকে দুইছটাক কম ভালোবাসবে না । আমি বলছিনা, কচ্ছপের গতিতে বাইক চালান, বলছি, এমন গতিতে বাইক কখনোই চালাবেন না, যেটা কন্ট্রোল করা আপনার পক্ষে সম্ভব না ।
৩. অনেকে বাইকের রিয়ারভিউ মিররটা সৌন্দর্যের জন্য খুলে রাখেন । আপাতদৃষ্টিতে অপ্রয়োজনীয় এই অংশটি আসলে মোটরসাইকেলের অন্যতম প্রয়োজনীয় অংশ । বিশেষত, যারা হাইওয়েতে বাইকিং করেন, তারা অবশ্যই নিশ্চিত করবেন, যে আপনার রিয়ারভিউ মিররটি আছে এবং জায়গামত আছে ।
৪. আপনার মোটরসাইকেল আপনার পরিচর্যা দাবী করে । শাইনার দিয়ে বাহ্যিক পলিশ শুধু নয়, নিয়মিত ইন্জিন অয়েল চেন্জ করুন। আপনার ক্ল্যাচপ্লেট এবং ব্রেক নিয়মিত চেক করান, এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার রাখুন , দেখুন লাইটগুলো ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা। প্রয়োজন হোক বা না হোক, মাসে অন্তত একবার গ্যারেজে যান । টায়ারের গ্রিপ নষ্ট হয়ে গেলে যতো শ্রীঘ্রি সম্ভব টায়ার বদলান । এই পার্টসগুলোর চেয়ে অবশ্যই আপনার জীবনের মূল্য অনেক অনেক বেশি ।
৫. ফুটপাথে বাইক চালাবেন না । এটা ফুটপাথে যারা চলছেন তাদের জন্য বিরক্তিকর এবং একই সাথে নিয়মবিরুদ্ধ । হাজার হাজার এসি গাড়ির ভিড়ে গরমে সেদ্ধ হওয়াটা কষ্টকর, কিন্তু এটুকু কষ্ট সহ্য করুন। আপনি দুই ঘন্টার রাস্তা আধাঘন্টায় যাবেন, সেটাই আপনার কমপেনসেশান ।
৬. বালু বা ভেজা রাস্তায় কখনো ২৫ এর উপরে বাইক চালাবেন না । কখনোই না । আপনি অনেক দক্ষ অনেক অভিজ্ঞ বাইকার হতে পারেন, কিন্তু প্রথম শ্রেণীর গর্দভ ছাড়া কেউ কাদা বা বালুর উপরে বাইক জোরে চালায় না । জীবন থেকে নেয়া শিক্ষা, এই কাজটা কখনো করবেন না ।
৭. ‘পেরিফেরাল ভিউ’ নামের একটা জিনিস আছে । সামনের দিকে তাকিয়ে থাকলেও কিন্তু বোঝা যায় আপনার দুপাশে কি হচ্ছে । এই জিনিসটা তখনি হয়, যখন আপনি মনোযোগ দিয়ে বাইক চালাবেন । অনেক সময় ঘটে, হঠাৎ একটা শিশু বা অতিউৎসাহী পথচারী দৌড়ে সামনে চলে আসলো । আপনি সাবধান থাকলে এসব ক্ষেত্রেও দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব ।
৮. মোবাইলে কথা বলতে বলতে বাইক চালাবেন না । আমি একসময় এই কাজটা করতাম । এখন করি না । আপনি যতো সাবধানই থাকুন, মোবাইলে কথা বললে আপনার মনোযোগটা রাস্তার উপরে থাকে না । কল আসলে, বাইক রাস্তার পাশে দাড় করান। সংক্ষেপে কথা শেষ করুন , তারপরে আবার রওনা হোন।
৯. শীতকালে গ্লাভস পরুন, সম্ভব হলে পায়ে নী-প্যাড পরে নিন । ভালো গ্রীপ পাবেন, দুর্ঘটনায় ছড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না । কখনোই হাফপ্যান্ট পড়ে বাইক চালাবেন না । দুর্ঘটনার কথা বাদই দিলাম, দুনিয়াশুদ্ধ লোককে নিজের তামিলনাড়ু দেখানোর কোন মানে হয় না ।
১০. রাস্তার আপনার চেয়ে দ্রুতগামী গাড়ি থাকবেই । এটা রাস্তা, রেসট্র্যাক না । আপনার সবার আগে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, আপনার প্রয়োজন সুস্থভাবে যাওয়া । সুতরাং ওভারটেকিং টেন্ডেন্সি পরিহার করুন ।
১১. বাইকের কাগজপত্রের ফটোকপি সাথে রাখুন । আপনি আইন ভঙ্গ না করলে, আপনাকে আইন আটকাতে পারবে না । রাস্তায় ট্রাফিক আটকালে ভদ্রভাবে কথা বলুন, যদি তবুও হেনস্তা করার চেষ্টা করে, যোগাযোগ করুন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে ।
১২. রাত্রে বাইক চালানোর সময় চোখে পোকা আর ধূলো পড়া কমন একটা সমস্যা । সাদা একটা প্লাষ্টিকের চশমা কিনে নিন। ফুটপাথে সস্তায় পেয়ে যাবেন । অনেক কাজের একটা জিনিস ।
১৩. অন্যান্য বাইকারদের সাহায্য করুন । কোথাও কোন দুর্ঘটনা দেখলে যথাসাধ্য চেষ্টা করুন সাহায্য করতে । এড়িয়ে যাওয়া সহজ, কিন্তু অন্যকে সাহায্য করার মানসিকতা না থাকলে নিজেকে বাইকার দাবী করাটা অযৌক্তিক ।
সবশেষে একটা কথা বলি । নিশ্চয়ই পৃথিবীতে কেউ না কেউ আছে যে আপনাকে অনেক ভালোবাসে । সেটা বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান, বন্ধু-প্রেমিকা যে কেউ হতে পারে । তারা চাননা আপনি পঙ্গু হয়ে জীবন কাটান । হাসপাতালে গেলে দেখতে পাবেন, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে বাইকে , এবং প্রতিটিই জীবন কেড়ে নেয়ার মতো মারাত্নক দুর্ঘটনা । নিজের জীবনের মায়া না থাকতে পারে, কিন্তু তাদের কথা ভেবে হলেও একটু সাবধানে বাইকটা চালান । আমরা অনেকেই এই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হারিয়েছি প্রিয়জনদের । আমি যে নিয়মগুলোর কথা লিখলাম, এমনটা নয় যে আমি নিজে সেগুলো একশোভাগ মেনে চলি । কিন্তু এই স্ট্যাটাসটা নিজের জন্যও একটা রিমাইন্ডার । আপনার যদি একটুও সর্তক হোন, সত্যি বলছি, অনেক অনেক খুশি হবো।
-
কার্টেসী : শামীম শরীফ সুষম ভাই
R15 v3 niye onuvuti likhlam,
R15 V2 theke
R15 V3 totally different test...
Brake and balance khub valoi lagtese apatoto, Volvo, Hyundai UXN er moto jomee gari. :) :D
amar hight 5.8 houa shotteo rider sitting position too much bad lagsa...
Clutch khub light, ek kothay darun...
24/11/2017
welcome v3
John Watson
08/06/2017
lady biker in our RRR.
Our idol, Our pride,
Pray for her................